সর্বশেষ সংবাদ-
আশাশুনির কাকবাসিয়ায় পাউবো’র বেড়ী বাঁধে আবারও ভয়াবহ ভাঙ্গনভালোবাসার একযুগ এতিম শিশুদের হাসি আর ভ্যানচালকদের পাশে যমুনা টেলিভিশনসাংবাদিক জিন্নাহর ওপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনজংধরা ও ভাঙা ফ্লোরে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার : সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমেআশাশুনির খাজরা ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বাচ্চুকে অপসারন ও শাস্তির দাবিতে মানববন্ধনসাতক্ষীরায় কিশোর কণ্ঠ ফাউন্ডেশনের মেধাবৃত্তি পরীক্ষার বৃত্তিপ্রদান ও পুরস্কার বিতরণীসাতক্ষীরায় কলেজের অধ্যক্ষকে পিটিয়ে বাড়ি ভাংচুর ও লুটপাটের পর উল্টো বিভিন্ন অনলাইনে অপপ্রচারInstant casino’s bieden meer dan alleen snelheid: een diepgaande analysePianificazione Strategica del Cool‑Off nel Gioco d’Azzardo Online – Come Trasformare le Pause in Strumenti di Benessereการเลือกเกมที่ตอบโจทย์สไตล์การเล่นของคุณใน playbet casino

এম বেলাল হোসাইন/মাহাফিজুল ইসলাম আককাজ : পায়ে সামান্য পেরেক ফুটে রক্তক্ষরণ, এরপর একের পর এক অপচিকিৎসা ও অন্ধ বিশ্বাসের ফলসরূপ আজ পা থেকে মাংস খসে পড়ছে বুধহাটার আকবর গাজীর। অবস্থা এতটাই খারাপ যে তার বাম পাটি রক্ষা করাই এখন অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত বাম পা নাড়াতেই পারছেন না তিনি। গরিব অসহায় এই মানুষটির আজকের এই দুর্বিসহ পরিণতির প্রধান কারণ অসচেতনতা। এই অসুস্থ মানুষটির দুর্দশার খবর পেয়ে তাকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে এনে ভর্তি করানো হয়েছে। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে দ্রুত ঢাকায় পাঠানোর উদ্যোগ নিচ্ছেন সাতক্ষীরা-০৩ আসনের সংসদ সদস্য সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. আ ফ ম রুহুল হক।

বৃহস্পতিবার দুপুরে গ্রামের বাড়ি থেকে ঢাকায় যাওয়ার পথে জরুরি যাত্রা বিরতি করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতলে আকবর গাজীকে দেখতে যান ডা. রুহুল হক। এসময় তিনি বলেন, “মানুষ অসুস্থ হয়ে ঘরে পড়ে যন্ত্রণায় কাঁদবে, এটা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ হতে পারে না। বঙ্গবন্ধুর আদর্শে যারা আদর্শিত তারা কখনো ঘরে বসে থাকতে পারে না। বঙ্গবন্ধুর প্রতিষ্ঠিত দল আ ’লীগ ক্ষমতায় থাকতে বিনা চিকিৎসায় কোন মানুষ মারা যাবে না। ইতোমধ্যে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের চিকিৎসা সেবা পৌছে দিতে কমিউনিটি ক্লিনিক চালু করেছেন। সেখানে লক্ষ লক্ষ টাকা বরাদ্দ রেখেছেন। শুধু তাই নয় জননেত্রী সাতক্ষীরার মানুষের জন্য স্বপ্নের মেডিকেল কলেজ স্থাপন করেছেন। সদর হাসপাতাল আধুনিকায়ন করেছেন। চিকিৎসা সেবা যাতে করে মানুষের দোরগোড়ায় পৌছে যায়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন ডা. তাওহীদুর রহমান, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আ ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান বাবু, সাতক্ষীরা রিপোর্টার্স ইউনিটির সদস্য সচিব ও ডেইলি সাতক্ষীরা’র সম্পাদক হাফিজুর রহমান মাসুম, সাংবাদিক কামরুল হাসান, সদর উপজেলা আ ’লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাসান হাদী, সদর উপজেলা আ ‘লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক শেখ মনিরুল ইসলাম মাছুম, যুবলীগ নেতা শেখ রফিকুল ইসলাম রানা, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতা সাংবাদিক তোষিকে কাইফু, সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের স্টোর ইনচার্জ কামরুল ইসলাম।
বৃহস্পতিবার ফেসবুকের মাধ্যমে সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আসাদুজ্জামান বাবু বিষয়টি জানতে পেরে তিনি নিজ উদ্যোগে এ্যা¤ু^লেন্স নিয়ে তাকে বাড়ি থেকে নিয়ে সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
উল্লেখ্য, আকবার আলী ঢাকার নবীনগরে মজুরির কাজ করে সংসার নির্বাহ করতো। এসময় তার পায়ে একটি পেরেক ঢুকে যায়। পেরেক ঢুকার ৪/৫দিন পর থেকে তার পায়ের মাংস খসে পড়তে থাকে। ঢাকার একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নিলে তিনি পা কেটে ফেলার পরামর্শ দেন। কিন্তু তার স্ত্রী পা না কেটে তাকে নিয়ে বাড়ি আসেন। ঘটনার ৩ মাস অতিবাহিত হলেও তার পায়ের কোন উন্নতি হয়নি। বর্তমানে সে মৃত্যুশয্যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শ্যামনগরে আদিবাসী মুন্ডারা তাদের ভোগদখলীয় সরকারি খাস জমি থেকে প্রভাবশালীদের দ্বারা অপসারিত হচ্ছেন। খবরটি জানতে পেরে বেশ কয়েকজন সাংবাদিকসহ শ্যামনগরের বাদোঘাটায় চারু মুন্ডার বাড়িতে গেলাম। দেখলাম তারা তাদের দখলীয় জমিতে থাকা অবস্থায় ঝড়ে ভেঙে যাওয়া গোয়াল ঘরটি নতুন করে নির্মাণ করতে বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছেন। ফলে পালিত গরু ও মানবসন্তানকে এক সাথে বসতঘরে থাকতে হচ্ছে তাদের। পরদিন পত্রপত্রিকায় খবরটি পরিবেশিত হয়।
মূল আলোচনায় যাবার আগে এ বিষয়টি না বললেই নয়। কারণ যাতায়াতের পথে আমি পথেঘাটে গাছে গাছে বহু মানুষের হাসি দেখলাম। হাসি দেখে আমারও হাসি জাগলো। কিন্তু মুন্ডাদের দুঃসময়ের সাথে তাদের হাসি মেলাতে পারছিলাম না। ভেবেই নিলাম নেতাদের এই হাসির ঢেউ নিশ্চয়ই নির্বাচনের পর আছড়ে পড়বে মুন্ডাদের ওপর।
যাদের হাসি দেখলাম তাদের কথাই বলছি। জানলাম আগামি সংসদ নির্বাচনে তারা সবাই প্রার্থী হচ্ছেন। তাই ঈদ শুভেচ্ছা জানাতে তারা ফেস্টুন প্লাকার্ডে থেকে দিব্যি গাছে ঝুলতে শুরু করেছেন। কেউ গাছে কেউ ভবনে কেউ খুঁটির মাথায়, কেউ বৈদ্যুতিক খুঁটিতে দখিনা বাতাসে দুলছেন আর হাসছেন। জানা গেল ৩০০ টাকা দিলে নিজের ছবিসহ এক একটি প্লাকার্ড অথবা ফেস্টুন পাওয়া যায়। ১২০০ টাকা খরচ করলে অনেক বড় এবং ভালো ছবি প্লাকার্ড মেলানো যায়। স্থানীয়রা বললেন যিনি যতো বড় মাপের তিনি ততো বেশি টাকা ব্যয়ে ফেস্টুন প্লাকার্ডগুলি তৈরি করে গাছে গাছে তুলে দিয়ে হাসছেন আর ঈদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। আমি আগামী সংসদ নির্বাচনে শ্যামনগর-কালিগঞ্জ (সাতক্ষীরা ৪) আসন থেকে যারা প্রার্থী হতে চান তাদের কয়েকজনের কথাই বলছি। মাত্র কয়েক ঘন্টা শ্যামনগরে ঘুরে ফিরে জানলাম তাদের কথা। নির্বাচনকে সামনে রেখে এখন তারা ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। ঝড় বৃষ্টিতেও গাছে গাছে খুঁটিতে যারা দোল খাচ্ছেন তারা সবাই আমার তো বটেই আমজনতার পরিচিত প্রিয় মুখ। তাদের প্রত্যেকের সাথে রয়েছে রাজনৈতিক অরাজনৈতিক সখ্য। হাসিমুখে দোল খাওয়া এসব নেতা নির্বাচনী প্রচার দিচ্ছেন। তাদের মধ্যে বর্তমান সাংসদ এসএম জগলুল হায়দারের কথা বলি। তিনি জনগণের কাতারে মিশে নিজেকে একাকার করে ফেলেছেন। মাটি কেটে ঝুড়িতে তুলে মাথায় নিয়ে ভেঙ্গে যাওয়া বেড়ি বাঁধ নির্মাণ করেছেন। ঈদে নিজের ব্যবহারের জন্য কেনা পাঞ্জাবিটা একজন দরিদ্র ভ্যান চালককে দিয়েছেন। ঘর্মাক্ত ভ্যান চালককে দাঁড় করিয়ে তাকে ডাব খাইয়েছেন। সর্বশেষ নিজ হাতে লাঙলের মুঠি ধরে জোড়া বলদ নিয়ে ঠাঁয় ঠাঁয় ডানে বাঁয়ে করে জমি চাষ করেছেন। বৃক্ষ শাখায় ঝুলন্ত আরেক নেতা আতাউল হক দোলন সংসদ নির্বাচন করার আগ্রহ নিয়ে বেশ জনসংযোগ করছেন। তিনি ছোটবড় সমাবেশ করছেন। মানুষের সমস্যা নিয়ে সালিশ বিচার করছেন। ছুটছেন গ্রামে গ্রামে। দলীয় নানা কর্মসূচি পালন করে নিজেকে জনঘনিষ্ট করে তুলছেন। গাছে দুলে ঝুলে হাসিতে ভরা আরেক নেতা এইচএম গোলাম রেজা। জাতীয় পার্টির হয়ে নির্বাচন করে ২০০৮ সালে সংসদ সদস্য হয়েছিলেন। এরপর থেকে নিজ এলাকায় বারবার এলেও নানা কারণে দল থেকে বহিষ্কৃত হওয়ায় শ্যামনগরের মানুষ তাকে আর দেখতে পান না। সম্প্রতি তিনি এসেছিলেন শ্যামনগরে নিজ বাড়িতে। ঢাকাবাসী এই নেতা পবিত্র রমজানে নানা স্থানে ইফতারি দিয়ে মানুষকে জাগরিত করে গেছেন। প্রকারান্তরে ভোট চেয়েছেন। বলেছেন আবারও জোটের হয়ে প্রার্থী হবো। না হলে এককভাবে জাতীয় পার্টির। তবে জাতীয় পার্টির আরেক কেন্দ্রীয় নেতা সাত্তার মোড়ল একাদশ সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন। তিনিও রমজানে কালিগঞ্জ ও শ্যামনগরের বিভিন্ন স্থানে ইফতারি দিয়ে জনগনের কাতারে নিজেকে তুলে ধরেছেন। তবে তাকে আমি গাছে ঝুলতে দেখিনি। গাছে ঝুলতে দেখিনি এমন আরও এক রাজনীতিক ভোটের মাঠ বেশ গরম করে গেলেন। তিনি হলেন কাজী আলাউদ্দিন। ২০০১ সালের নির্বাচনে তিনি তৎকালিন সাতক্ষীরা ৪ আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সে সময়কার একটি কাহিনী আমার মনে পড়েছে। জাপা চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ নির্বাচনী প্রচারে এসেছিলেন দেবহাটার সখিপুর কলেজ মাঠে। সেখানে ১৯৯৬ তে সাংসদ নির্বাচিত শাহাদাত হোসেনের বিরুদ্ধে বিষোদগার করে তিনি বলেন ‘আমি শাহাদাতকে দলীয় মনোনয়ন দিয়েছিলাম। তিনি জয়ী হলেন। কিন্তু তিনি ঈমান রাখেন নি।’ জেনারেল এরশাদ জনসভায় আরও বলেন ‘আজ এই আসনের জন্য একজন ঈমানদার লোককে রেখে গেলাম। হাসিতে ভরা আলাউদ্দিনের হাত উঁচিয়ে এরশাদ বলেন তিনি হচ্ছেন কাজী আলাউদ্দিন। তিনিই জাতীয় পার্টির প্রার্থী। কাজী আলাউদ্দিন সত্যিই নির্বাচনে জিতলেন। কিন্তু তিনি এরশাদকে ছেড়ে হঠাৎ যোগ দিলেন জাপা ( নাফি)তে। এরশাদের সেই ‘ঈমানদার ব্যক্তি’ কাজী আলাউদ্দিন কিছুদিন বাদে বললেন আমি বিএনপিতে যোগ দিয়েছি। অথচ বিএনপির তখনকার জেলার শীর্ষ নেতারা তা জানতেনই না। কাজী সাহেব অবশ্য বলেছিলেন তিনি ঢাকায় দলের মহাসচিব প্রয়াত আবদুল মান্নান ভুঁইয়ার সাথে সাক্ষাত করে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। সেই এমপি কাজী আলাউদ্দিন জাতীয় সংসদে মোনাজাত পরিচালনাকালে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে ‘মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক’ হিসাবে আখ্যায়িত করে চরম সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন। এবার শুনছি তিনি আওয়ামী লীগ নেতা শেখ হেলালের লোক। শেখ হেলালের আশীর্বাদ পুষ্ট হয়ে তিনি বলছেন এবার তিনি শ্যামনগর আসনে নির্বাচন করতে প্রস্তুত। যে কোনো জোট থেকে তিনি মনোনয়ন নেবেন। পাঠক আমি বড্ড ধন্দে পড়ে গেছি। এরশাদের কাছে সেই ঈমানদার ব্যক্তি কাজী আলাউদ্দিন এখন কোন দলের বিএনপি, জামায়াত, জাপা নাকি হেলাল সাহেবের লোক হিসাবে আওয়ামী লীগের? নির্বাচনে অন্য যে সব নেতা আসছেন তারাও বোধ করি ঠাওর করতে পারছেন না কাজী সাহেব কার। সময় ও প্রতীক হয়তো বলে দেবে তিনি কোন দলের। আমি শ্যামনগরের গাছে গাছে হাসিতে আরও ঝুলতে দেখেছি গাবুরা ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান, আওয়ামী লীগ নেতা জিএম শফিউল আজম লেনিনকেও। লেনিন নানা ঘটন অঘটনের পর স্বেচ্ছা নির্বাসনে ঢাকায় গেছেন বেশ কিছুকাল আগে। এখন সামনে নির্বাচন, তাই তিনিও শ্যামনগরে ঢোল পিটিয়ে বলে গেলেন আমি প্রার্থী। আবারও বলছি নেতাদের হাসিতে আমারও হাসি লেগেছে। কারণ হাসিতে হাসি আনে, ক্রন্দনে আনে কান্না।
আমার প্রত্যাশা শ্যামনগরের মুন্ডাদের হাসি যেনো উবে না যায়। তারাও যেনো বৃক্ষ শাখে ঝুলন্ত নেতাদের মতোই হাসতে পারেন।
লেখক : সাতক্ষীরা ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, দৈনিক যুগান্তর ও এনটিভি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ভারতের নতুন রাষ্ট্রপতি হলেন রামনাথ কোবিন্দ। বিজেপির এই প্রার্থী মোট ৪ লাখ ৭৯ হাজার ৫৮৫ ভোট পেয়েছেন, যা মোট ভোটের ৬৫ শতাংশ। পার্লামেন্ট হাউস ও ১১টি রাজ্যের ভোট গণনা শেষে নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা এ তথ্য জানান বলে এনডিটিভির খবরে বলা হয়।

রামনাথ কোবিন্দ হলেন ভারতের ১৪ তম রাষ্ট্রপতি।
আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা আগেই এরই মধ্যে উত্তর প্রদেশের কানপুরের কাছে পারাউখে কোবিন্দের বাড়িতে শুরু হয়ে গেছে আনন্দ উৎসব। গত সোমবার ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নতুন রাষ্ট্রপতি শপথ নেবেন ২৫ জুলাই।

রিটার্নিং কর্মকর্তা অনুপ মিশরা জানান, কোবিন্দের কাছে হেরে যাওয়া কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ প্রার্থী মীরা কুমার পেয়েছেন ২ লাখ ৪ হাজার ৫৯৪ ভোট।

সাধারণ নির্বাচনের সঙ্গে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফাত রয়েছে। সাধারণ নির্বাচনে একটি ভোটের মূল্য এক। কিন্তু রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটদাতাদের ভোটের মূল্য এক জটিল পদ্ধতিতে নির্ধারিত হয়। লোকসভা ও রাজ্যসভার সদস্য যাঁরা, তাঁদের একেকজনের ভোটের মূল্য ৭০৮, রাজ্য বিধানসভার সদস্যদের ভোটের মূল্য নির্ধারিত হয় সেই রাজ্যের বিধানসভার মোট আসন ও জনসংখ্যার নিরিখে। সবচেয়ে বেশি ভোট মূল্য উত্তর প্রদেশের বিধায়কদের, ২০৮। সবচেয়ে কম সিকিম ও অরুণাচল প্রদেশের বিধায়কদের, ৮। এবারের ভোটে সাংসদেরা ভোট দেন সবুজ ব্যালটে। বিধায়কেরা গোলাপি ব্যালটে। রাজ্যসভায় রাষ্ট্রপতি মনোনীত সদস্যরা এই ভোটে অংশ নিতে পারেন না। এবারের ভোটে অংশ নেন লোকসভার ৫৪৩ ও রাজ্যসভার ২৩৩ জন সদস্য এবং দেশের মোট ২৯টি রাজ্য এবং দিল্লি ও পদুচেরি দুই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মোট ৪ হাজার ১২০ জন বিধায়ক।

সব ভোটদাতার ভোট ধরলে এবারের নির্বাচনে মোট ভোট মূল্য ১০ লাখ ৯৮ হাজার ৯০৩। এর মধ্যে সাংসদদের ভোট মূল্য ৫ লাখ ৪৯ হাজার ৪০৮, বিধায়কদের ৫ লাখ ৪৯ হাজার ৪৯৫।

দলিত সম্প্রদায়ের মানুষ রামনাথ একজন কৃষকের সন্তান। ১৯৪৫ সালে উত্তর প্রদেশের কানপুর দেহাতে তাঁর জন্ম ।

২০১৫ সালের ৮ আগস্ট বিহারের রাজ্যপাল নিযুক্ত হন রামনাথ। কানপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি বাণিজ্য ও আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৯৪ সালের এপ্রিলে এই দলিত নেতা উত্তর প্রদেশ থেকে রাজ্যসভার সদস্য হন। ২০০৬ সালের আগ পর্যন্ত দুই মেয়াদে ১২ বছর তিনি ওই দায়িত্ব পালন করেন।

রামনাথ পেশায় আইনজীবী। ১৯৭৭ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত তিনি দিল্লি হাইকোর্টে কেন্দ্রীয় সরকারের আইনজীবী ছিলেন। ১৯৮০ থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত তিনি সুপ্রিম কোর্টে কেন্দ্রীয় সরকারের স্ট্যান্ডিং কাউন্সিলের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৩ সালের আগ পর্যন্ত তিনি দিল্লি হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টে ১৬ বছর ওকলাতি করেন।

রামনাথ ১৯৭১ সালে দিল্লির বার কাউন্সিলে নথিভুক্ত হন। তিনি বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। রামনাথ দলিত সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব করা বিজেপির ইউনিট ‘বিজেপি দলিত মোর্চা’র সাবেক প্রেসিডেন্ট ছিলেন। ১৯৯৮ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত তিনি ওই পদের দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া তিনি অল ইন্ডিয়া সমাজের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি তিনি দলের জাতীয় মুখপাত্রের দায়িত্ব পালন করেন। ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মোরারজি দেশাইয়ের শীর্ষ সহযোগী হিসেবেও কাজ করেছেন রামনাথ।

রামনাথ লক্ষ্ণৌয়ের আমবেদকার বিশ্ববিদ্যালয় ও কলকাতার অল ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্টের বোর্ড সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি জাতিসংঘে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেন এবং ২০০২ সালের অক্টোবরে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে ভাষণ দেন। রামনাথের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।

সূত্র : প্রথম আলো

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কলারোয়া ডেস্ক : জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষ্যে কলারোয়ায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মৎস্য সেক্টরে বর্তমান সরকারের অগ্রগতি বিষয়ে বৃহষ্পতিবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ওই সভা ও স্লাইড প্রদর্শন করা হয়।
অনুষ্ঠানে মৎস্য পালন ও রফতানিখাতে কলারোয়ার অগ্রগতি তুলে ধরা হয়। বেকার দূরীকরণের লক্ষ্যে মৎস্য অধিদপ্তর ও কৃষি সম্প্রসারণ অফিস থেকে প্রশিক্ষণ গ্রহনের জন্য আহবান জানানো হয়।
সভায় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন ও বিভিন্ন সামগ্রি বিতরণ করেন।
সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নৃপেন্দ্র নাথ সভায় সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা মৎস্য অফিস অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কলারোয়া ব্যুরো : কলারোয়ায় ৪৬তম জাতীয় গ্রীষ্মকালীন স্কুল ও মাদরাসা ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আলোচনা সভা এবং ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
বৃহষ্পতিবার সকাল ১১টার দিকে উপজেলা অডিটোরিয়ামে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুল হামিদের সভাপতিত্বে ও সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন।
অনুষ্ঠানে সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা নৃপেন্দ্র নাথ, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রধান শিক্ষক আমানুল¬াহ আমান, উপজেলা আ.লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল আলম মলি¬ক রবি, প্রধান শিক্ষক আশরাফ হোসেনসহ উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় বাজেট অনুমোদন, ক্রীড়া পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়। আগামি ২৪, ২৫ ও ২৬ জুলাই উপজেলার কলারোয়া, কয়লা, খোরদো ও সোনাবাড়িয়ার ৪টি জোনে এবং ২৯ ও ৩০ জুলাই কলারোয়া উপজেলা পর্যায়ে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে বলে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
অনুষ্ঠানে স্কুল-মাদরাসা প্রধান ও শিক্ষকদের হাতে ভলিবল, নেট ও ফুটবলসহ ক্রীড়া সামগ্রি প্রদান করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বাজুয়াডাঙ্গা এলাকা থেকে এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার দুপুরে নিহতের বাড়ির ধারে একটি পোলট্রি ফার্মের পাশ থেকে তার লাশটি উধ্ধার করা হয়। নিহত গৃহবধূর নাম রুপা মন্ডল (২৩)। তিনি সদও উপজেলার বাজুয়াডাঙ্গা গ্রামের সুশান্ত মন্ডলের স্ত্রী।
নিহতের মামা কালিগঞ্জ উপজেলার উজিরপুর গ্রামের জয়দেব মন্ডল জানান, পাঁচ বছর আগে তার ভাগ্নি রুপা মন্ডলের সাথে সদর উপজেলার বাজুয়াডাঙ্গা গ্রামের প্রভাস মন্ডলের বিয়ে হয়। বিয়ের এক বছর পর তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র আমার মায়ের সাথে (সুশান্ত’র নানী শ্বাশুড়ির) ঝগড়া হলে সেখান থেকে সে শ্বশুর বাড়ি যাওয়া বন্ধ করে দেয়। এরপর আমার ভাগ্নি রুপার সাথে তার বাবা-মার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এ নিয়ে তাদের স্বামী স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো বলে তিনি জানান। দাম্পত্য জীবনে তাদের সকাল মন্ডল নামে তিন বছরের একটি পুত্র সন্তানও রয়েছে। তিনি আরো জানান, সকালে ভাগ্নির মৃত্যুর খবর শুনে ওর বাবা নরেন্দ্র মন্ডলকে নিয়ে দুপুওে জামাই সুশান্ত’র বাড়িতে এসে দেখি আমার ভাগ্নি লাশ তাদেও বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে একটি পোলট্রি ফার্মের পাশে পড়ে আছে। তিনি জানান, লাশ ময়না তদন্ত করার জন্য পুলিশ নিয়ে তিনি সেখানে গেছেন। ময়না তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর তিনি পরবর্তী ব্যবস্থা নেবেন বলে জানান।
সাতক্ষীরা সদও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ আহমেদ এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, খবর পেয়ে সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তিনি আরো জানান, লাশ ময়না তদন্তের পর আসল রহস্য জানা যাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আসাদুজ্জামান : কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে ১১ দফা দাবীতে জাতীয় শিক্ষক কর্মচারি ফ্রন্ট সাতক্ষীরা জেলা শাখার আয়োজনে মানবন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে সাতক্ষীরা শহরে উক্ত মানব বন্ধন কর্মসূচীটি পালিত হয়। বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতি সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি ও জেলা শিক্ষক কর্মচারী ফ্রন্টের যুগ্ন আহবায়ক ও বাকশিস কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ন সম্পাদক অধ্যক্ষ আবদুর রহমানের সভাপতিত্বে মানববন্ধন কর্মসূচীতে বক্তব্য রাখেন, কলেজ শিক্ষক সমিতি সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাধারন সম্পাদক ও বাকশিস কেন্দ্রীয় কমিটির পরিসংখ্যান বিষয়ক সম্পাদক অধ্যক্ষ এ.আর.এম. মোবাশ্বেরুল হক জ্যোতি, বাকশিস কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য উপধ্যক্ষ মইনুল হাসান, কারিগরি কলেজ শিক্ষক সমিতি সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাধারন সম্পাদক তপন শীল, অধ্যক্ষ আজিজুল ইসলাম, নুর মোহাম্মদ পাড়, মনিরুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি আব্দুল ওহাব আজাদ প্রমুখ।
বক্তারা এ সময়, সুনির্দিষ্ট নীতিমালার ভিত্তিতে শিক্ষা জাতীয় করন, কল্যাণ ট্রাষ্ট ও অবসর সুবিধা বোর্ডের অতিরিক্তি চাঁদা কর্তন অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে, সরকারী শিক্ষক কর্মচারীদের ন্যায় বেসরকারী শিক্ষক কর্মচারীদেও ৫% প্রবৃদ্ধি, বৈশাখী ভাতা, পূর্ণাঙ্গ উৎসব ভাতা ও পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা ভাতা, পূর্ণাঙ্গ বাড়ি ভাড়া ও পূর্ণাঙ্গ পেনশন প্রদান করতে হবে, অনুপাত প্রথা ব্যাতিরিকে শিক্ষকদের পদোন্নতি, টাইম স্কেল প্রদান, নন এমপিও শিক্ষকদের এমপিওভূক্তকরণ, কর্মচারিদের চাকুরিবিধি প্রণয়ন, বেসরকারি প্রধান শিক্ষকদের সরকারি প্রধান শিক্ষকদের ন্যায় স্কেল প্রদান, কারিগরি ও সাধারন শিক্ষার বৈষম্য দুরীকরন, পরিক্ষা পদ্ধতির সংস্কার ও শিক্ষা উপকরনের মূল্য হ্রাস, শিক্ষায় বরাদ্দ বৃদ্ধি ও শিক্ষার মান উন্নয়নের ব্যবস্থা গ্রহনসহ ১১ দাবী তুলে ধরেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে সদর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সদর উপজেলা ডিজিটাল কর্ণারে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নূর হোসেন সজলের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান বাবু, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কোহিনুর ইসলাম, সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মারুফ আহমেদ, ওসি তদন্ত হাশেম প্রমুখ। এ ছাড়া সদর উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা, সদর উপজেলার মাসিক রাজস্ব সভা, সদর উপজেলা নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির সভা, সদর উপজেলা মানব পাচার প্রতিরোধ কমিটির সভা ও সদর উপজেলা চোরাচালান প্রতিরোধ কমিটির পৃথক পৃথক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. নজরুল ইসলাম, সদর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসার মো. নকিবুল হাসান, সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. জালাল উদ্দিন, সদর উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার মো. রোকনুজ্জামান, সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা হাসানুল ইসলাম, সদর উপজেলা প্রকৌশলী এম জাহাঙ্গীর আলম, সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. নজরুল ইসলাম, সদর উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আবুল হোসেন, জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা তারাময়ী মুখার্জী, বৈকারী ইউপি চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান অছলে, বল্লী ইউপি চেয়াম্যান মো. বজলুর রহমান, আগরদাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান মজনুর রহমান মালি, ঘোনা ইউপি সদস্য গণেশ মন্ডল, লাবসা ইউপি সচিব মো. আব্দুর রাজ্জাকসহ সদর উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও কমিটির সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest