সর্বশেষ সংবাদ-
কালিগঞ্জে তথ্য গোপনের অপরাধে প্যানেল চেয়ারম্যানকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানাসাতক্ষীরা দিবা-নৈশ কলেজের অধ্যক্ষের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে সভাসাংবাদিকের ওপর হামলা: চাপ এড়াতে সংবাদ সম্মেলনআশাশুনির কাকবাসিয়ায় পাউবো’র বেড়ী বাঁধে আবারও ভয়াবহ ভাঙ্গনভালোবাসার একযুগ এতিম শিশুদের হাসি আর ভ্যানচালকদের পাশে যমুনা টেলিভিশনসাংবাদিক জিন্নাহর ওপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনজংধরা ও ভাঙা ফ্লোরে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার : সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমেআশাশুনির খাজরা ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বাচ্চুকে অপসারন ও শাস্তির দাবিতে মানববন্ধনসাতক্ষীরায় কিশোর কণ্ঠ ফাউন্ডেশনের মেধাবৃত্তি পরীক্ষার বৃত্তিপ্রদান ও পুরস্কার বিতরণীসাতক্ষীরায় কলেজের অধ্যক্ষকে পিটিয়ে বাড়ি ভাংচুর ও লুটপাটের পর উল্টো বিভিন্ন অনলাইনে অপপ্রচার

এম. শাহীন গোলদার : সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে ৩৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় ১টি মটরসাইকেল, ২৩৮ বোতল ফেন্সিডিল, ৮পিচ ইয়াবা, ৪৮ পিচ ভারতীয় ছাতা ও ৩৪ পিচ টুথপেষ্ট উদ্ধার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে আজ সকাল পর্যন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার ও এসব মালামাল করা হয়েছে। এ সময় ০৯ টি মামলা দায়ের করা হয়।
পুলিশ জানান, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ১৫ জন, কলারোয়া থানা ০৫ জন, তালা থানা ০৩ জন, কালিগঞ্জ থানা ০২ জন, শ্যামনগর থানা ০৩ জন, আশাশুনি থানা ০৩ জন, দেবহাটা থানা ০১ ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ০৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক মিজানুর রহমান তাদের গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোরে সিআইডি পুলিশের এসআই আজিজুল হক সবুজের বিরুদ্ধে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী মরিয়ম খাতুন পারুলকে (৩০) শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার তিনি নিজ প্রাইভেটকারে করে মরিয়ম খাতুন পারুলের লাশ ফেলে পালিয়ে গেছেন। সেই থেকে এসআই আজিজুল হক সবুজ আত্মগোপনে রয়েছেন। মোবাইল ফোন সেটও বন্ধ রেখেছেন। এসআই আজিজুল হক সবুজ বর্তমানে রাজধানী ঢাকার মালিবাগে সিআইডি পুলিশের সদর দফতরের কর্মরত। তার বাড়ি সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটার সরুইলিয়া গ্রামে। পিতার নাম আনারুল ইসলাম। অপরদিকে মরিয়ম খাতুন পারুল যশোর সদর উপজেলার নরেন্দ্রপুর ইউনিয়নের চৌঘাটা গ্রামের আজিজুল হকের মেয়ে।

মরিয়ম খাতুন পারুলের ভাই জিয়াউর রহমান জানান, তারা দুই ভাই এবং এক বোন। মরিয়ম খাতুন পারুল সকলের ছোট। প্রায় ১৫ বছর আগে সিআইডি পুলিশের কর্মকর্তা আজিজুল হক সবুজের সাথে তার বোনের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় আজিজুল হক সবুজ কনস্টেবল পদে চাকরি করতেন। বোনের বয়স কম থাকা সত্বেও তিনি এক প্রকার জোর করে তাকে বিয়ে করেন। দাম্পত্য জীবনে তাদের রাহাতুল হক প্রান্ত নামে একটি ছেলে এবং লাবিবা নামে একটি মেয়ে রয়েছে। রাহাতুল হক প্রান্ত সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র এবং লাবিবা তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী। তিনি অভিযোগ করেন, একমাত্র বোন হওয়ায় তারা যশোর সদর উপজেলার রঘুরামপুরে ৭ শতক এবং যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় আরো ৭ শতক জমি কিনে দিয়েছেন। এই জমি বোনের নামে। রঘুরামপুরে জমিতে তারা বাড়িও নির্মাণ করে দিয়েছেন। কিন্তু তার ভগ্নিপতি এসআই আজিজুল হক সবুজ মাদকাসক্ত হয়ে পড়েছেন। পরকীয়াতেও তিনি জড়িয়ে পড়েছেন। রাতে বাড়ি ফিরে মাদকের ট্যাবলেট খেয়ে তার বোন মরিয়ম খাতুন পারুলকে নির্যাতন করতেন। বোনের নামের ১৭ শতক জমি তার নামে লিখে দিতে হবে, নয়তো ১৮ লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে এভাবে দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতন চালিয়ে আসছেন এসআই আজিজুল হক। তিনি বলেন, গতকাল বেলা এগারটার দিকে শহরের আর এন রোডে বসবাসকারী তার মামা মাসুদুর রহমানের কাছে মোবাইলে ফোন করেন এসআই আজিজুল হক সবুজের পরিবারের লোকজন। ফোন করে তাকে জানানো হয়, মরিয়ম খাতুন পারুল আত্মহত্যা করেছেন। এরপর তারা মামার কাছ থেকে মরিয়ম খাতুন পারুলের মৃত্যুর খবর পান। স্বজনদের অভিযোগ, এসআই আজিজুল হক দুপুর একটা ১০ মিনিটের দিকে নিজ প্রাইভেটকারে করে স্ত্রীর লাশ যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে আসেন। সাথে তার ছেলে ছিলো। এরপর এসআই আজিজুল হক সবুজ দ্রুত হাসপাতালে তার স্ত্রীর লাশ ফেলে পালিয়ে যান।

এদিকে নিহত মরিয়ম খাতুন পারুলের মামা মাসুদুর রহমান সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন, এসআই আজিজুল ইসলাম যশোর সিআইডি অফিসে থাকাকালে ইয়াবা ট্যাবলেট এবং ফেনসিডিলে আসক্ত হয়ে পড়েন। এছাড়া অন্য নারীর সাথে তার পরকীয়া সম্পর্ক রয়েছে। এজন্য তিনি ঘন্টার পর ঘন্টা মোবাইল ফোনে অন্য নারীদের সাথে কথা বলতেন। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনমালিন্য চলছিলো। এছাড়া মরিয়ম খাতুন পারুলের নামে ক্রয়কৃত যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের জমি এসআই আজিজুল হক তার নামে লিখে দেওয়ার জন্য তাকে চাপ দিতেন। রাজি না হওয়ায় মরিয়ম খাতুন পারুলকে নির্যাতন করতেন এসআই আজিজুল হক। এক সপ্তাহ আগে এসআই আজিজুল হক ছুটিতে ঢাকা থেকে যশোরে বাড়িতে আসেন। গতকাল বেলা ১২ টার দিকে তাদের ছেলে প্রান্ত এবং মেয়ে লাবিবা স্কুলে ছিল। এ সময় স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে গোলাযোগের এক পর্যায়ে আজিজুল হক ঘরের দরজা বন্ধ করে মরিয়ম খাতুন পারুলকে মারধর করেন বলে জানতে পেরেছেন। পরে তাকে গলাটিপে হত্যা করেছেন এসআই আজিজুল হক। ঘটনাটি ভিন্নখাতে নিতে মরিয়ম খাতুন পারুলের লাশ ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিলো। মরিয়ম খাতুন পারুলের ভাই জিয়াউর রহমান অভিযোগ করেন, আজিজুল হক সবুজ নিজেই প্রাইভেটকারে করে তার বোনের লাশ হাসপাতালে এনে ফেলে পালিয়ে গেছেন। অপরদিকে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করেছেন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের এসআই সোবহান শরীফ। তিনি বলেন, মরিয়ম খাতুন পারুলের গলায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

অন্যদিকে একটি সূত্র জানায়, এসআই আজিুল হক ইতোপূর্বে ডিবি পুলিশে কর্মরত ছিলেন। সেখানেও তার আচরণ ভালো ছিলনা। পরে তিনি সিআইডি যশোর অফিসে বদলি হন। তার নির্যাতনের কারণে অতিষ্ঠ হয়ে মরিয়ম খাতুন পারুল সিআইডির একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করেন। তার অভিযোগের প্রেক্ষিতে এসআই আজিজুল হককে যশোর থেকে সিআইডির ঢাকা সদর দফতরে বদলি করা হয়। এদিকে স্বজনদের একটি সূত্র জানায়, মরিয়ম খাতুন পারুলকে হত্যা করায় আজিজুল হকের বিরুদ্ধে তারা থানায় মামলা করবেন। এদিকে এসআই আজিজুল হকের বক্তব্য নেওয়ার জন্য তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে (০১৭২৬২৪০৬৯) রিং দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য জানা যায়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি বিকৃত করার অভিযোগ এনে আগৈলঝাড়ার ভূতপূর্ব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গাজী তারেক সালমানের জামিন বাতিল করে তাকে টেনে হিঁচড়ে কোর্ট হাজতে নিয়ে যাওয়ার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন। বৃহস্পতিবার সংগঠনটির এক জরুরি সভায় বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় এবং এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। সংগঠনটির মহাসচিব কবির বিন আনোয়ার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, একটি জামিনযোগ্য অপরাধের সি. আর মামলায় সমনের প্রেক্ষিতে স্বেচ্ছায় হাজির হওয়া ব্যক্তির জামিন নামঞ্জুর করা সম্পূর্ণ নজিরবিহীন। বাদী ও অন্যান্য আইনজীবী একটি কল্পিত বিষয়ের ওপর আদালতে অরাজক পরিস্থিতি ও চাপ সৃষ্টি করে বলেও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়েছে।

বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আদালতের প্রতি সম্মান জানিয়ে ১৯ জুলাই বুধবার গাজী তারেক সালমান আদালতে উপস্থিত হলে প্রথমে তার জামিন নামঞ্জুর করা হয় এবং তাকে জেল হাজতে নেওয়ার সময় পুলিশ সদস্যরা তার ওপর বল প্রয়োগ করেন এবং তাকে টেনে হিঁচড়ে হাজতে নিয়ে যাওয়া হয়। রাষ্ট্রের একজন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাকে আদালতের এমন নজিরবিহীন আদেশ দিয়ে জেল হাজতে পাঠানোসহ পুলিশের অবমাননাকর ও আইন বহির্ভূত আচরণ এবং বাদী ও অন্যান্য আইনজীবীর আদালতে চাপ প্রয়োগের ঘটনার তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে ওই সভায়।

সভায় আদালতের দেওয়া এমন আদেশ, পুলিশি আচরণ এবং ‘তথাকথিত নামধারী স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিদের’ বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহবান জানিয়েছে বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন।

উল্লেখ্য, গাজী তারেক সালমান বর্তমানে বরগুনার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০১৬ সালের ২৬ মার্চ আগৈলঝাড়াতে একই দায়িত্ব পালনের সময় স্থানীয় এক শিশুর আঁকা বঙ্গবন্ধুর ছবি দিয়ে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের আমন্ত্রণপত্র ছাপিয়েছিলেন তিনি। এ ঘটনার এক বছর পর বঙ্গবন্ধুর ছবি বিকৃতির অভিযোগ এনে তার বিরুদ্ধে আদালতে বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সৈয়দ ওবায়েদ উল্লাহ সাজু দণ্ডবিধির ১৮৬০ এর ৫০১ ধারায় মামলা করলে বরিশালের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বিষয়টি আমলে নেন। ১৯ জুলাই আদালতে উপস্থিত হওয়ার পরে এসব ঘটনা ঘটে। পরে অবশ্য জামিন পান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ডেস্ক রির্পোট : ‘মুক্তামনির শারীরিক অবস্থা আমাদের আশানুরূপ পর্যায়ে পৌঁছায়নি, এর জন্য আরও কিছুদিন সময় লাগবে। তার ওপর মুক্তামনির শরীরে নতুন উপসর্গ দেখা দিয়েছে। গত দুই দিনের জ্বর ও রক্তপাতে তার শরীর অনেক দুর্বল। এ অবস্থায় আমরা তাকে শিগগিরই অপারেশন করাতে পারছি না।’ মুক্তামনির শারীরিক অবস্থার ব্যাপারে প্রশ্ন করলে এসব কথা বলেন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের (ঢামেক) বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের সমন্বয়কারী ডা. সামন্ত লাল সেন।
বৃহস্পতিবার (২০ জুলাই) মুক্তামনির চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিক্যাল বোর্ড বসেছিল জানিয়ে ডা. সামন্ত লাল সেন আরও বলেন, ‘মুক্তামনির চিকিৎসায় গঠিত হওয়া আগের মেডিক্যাল বোর্ডের সঙ্গে ঢামেক হাসপাতালের হেমাটোলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. এম কে খানও যুক্ত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার পুরো মেডিক্যাল বোর্ড বসেছিল। বোর্ড সিদ্ধান্ত নিয়েছে, মুক্তামনি শারীরিকভাবে পুরোপুরি ফিট না হওয়া পর্যন্ত তার বায়োপসি হবে না।’
ডা. সামন্ত লাল সেন আরও বলেন, ‘বুধবার (১৯ জুলাই) রক্ত দেওয়ার পর মুক্তামনির শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলেও তাকে ফিট করার জন্য আরও চেষ্টা করতে হবে। এজন্য আমরা তাকে পুষ্টিকর খাবার দিচ্ছি। বায়োপসি না করা পর্যন্ত কোনও ডায়াগনসিসে যেতে পারবো না আমরা। বায়োপসি করার মতো শারীরিক অবস্থায় সে পৌঁছায়নি। এর জন্য আরও চার থেকে পাঁচ দিন সময় লাগবে। আমরা আশা করছি, আগামী সপ্তাহে হয়তোবা তার বায়োপসি করতে পারবো। ততোদিন পর্যন্ত তার অপারেশন করা যাবে না।’
প্রাথমিকভাবে মুক্তামনি বিরল ‘লিমফেটিক ম্যালফরমেশন’ রোগে আক্রান্ত বলেই জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। তার চিকিৎসায় আট সদস্যের একটি মেডিক্যাল বোর্ডও গঠন করা হয়েছে। মুক্তামনির চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এদিকে, মেয়ে মুক্তামনির শারীরিক অবস্থা নিয়ে নিজের ভয়ের কথা জানিয়েছেন তার বাবা ইব্রাহীম হোসেন। তিনি বলেন, ‘মঙ্গলবার (১৮ জুলাই) রাতে মেয়ের জ্বর ছিল ১০২ ডিগ্রি, বুধবারও সারাদিনও জ্বর ছিল। সকাল থেকে ডান হাত থেকে অল্প অল্প করে রক্ত পরলেও দুপুরের পর থেকে সেটা বেড়েছে। একের পর এক ডাক্তাররা আসছেন, কিন্তু আমি তো মেয়েটাকে নিয়ে ভয় পাচ্ছি।’
১১ বছরের মুক্তামনির ডান হাত ফুলে গিয়ে দেহের চেয়েও ভারী হয়ে গেছে। ফুলে যাওয়া সেই অংশে সাদা রঙের শত শত পোকা ঘুরে বেড়াচ্ছে। চার বছর ধরে এ রোগ বয়ে বেড়াচ্ছে ছোট্ট শিশুটি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ন্যাশনাল ডেস্ক : ‘পাঁচজনকে ক্রসফায়ার দিয়েছি, আরও ১৪ জনের লিস্ট করেছি’ একটি পত্রিকায় এমন বক্তব্য প্রকাশের পর ঢাকা-১৯ আসনের (সাভার) সাংসদ এনামুর রহমান দলের ভেতরে ও বাইরে চাপের মধ্যে পড়েছেন। আতঙ্কে রয়েছেন বিরোধী দলের নেতা-কর্মীসহ অনেকেই। অনেকে গণমাধ্যমকর্মীসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের কাছে ফোন করে তালিকার খোঁজখবর জানতে চাচ্ছেন। সাংসদের বরাত দিয়ে বুধবার পত্রিকাটি ওই সংবাদ প্রকাশ করেছে।
সাভার পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মিনহাজ উদ্দিন মোল্লার স্ত্রী নার্গিস আক্তার বৃহস্পতিবার এ প্রতিবেদকের কাছে ফোন করে সাংসদের ক্রসফায়ারের তালিকায় তাঁর স্বামীর নাম রয়েছে কি না, তা জানতে চান। নার্গিস আক্তার বলেন, সম্প্রতি তাঁর স্বামীকে একটি হত্যা মামলায় আসামি করা হয়েছে। এরপর থেকেই তাঁর স্বামীকে ক্রসফায়ারের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। অথচ ঘটনার দিন তাঁর স্বামী ভারতে অবস্থান করছিলেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিএনপির এক নেতা ক্রসফায়ারের তালিকায় তাঁর নাম আছে কি না, তা জেনে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে এ প্রতিবেদককে বলেন, ‘ভাই, খুব আতঙ্কের মধ্যে আছি, সাভার থাকব কি থাকব না সিদ্ধান্ত নিতে পারছি না।’ সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলী হায়দার বলেন, পত্রিকায় সাংসদের বক্তব্য প্রকাশের পর থেকে অনেকেই তাঁর কাছে ফোন করে ক্রসফায়ারের তালিকায় তাঁদের নাম আছে কি না, তা জানতে চাচ্ছেন। তিনি বলেন, একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তির এ ধরনের বক্তব্যে জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বেনজির আহমেদ বলেন, ‘আমাদের দলের সব পর্যায়ের নেতা-কর্মী, বিশেষ করে যাঁরা দায়িত্বশীল পদে আছেন, তাঁদের সাবধানতার সঙ্গে কথা বলতে হবে। যা বললে দল এবং সরকারসহ নিজের ভাবমূর্তি ক্ষুণœ হবে, তা না বলাই ভালো।’ মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে সাংসদ এনামুর রহমান বলেন, ‘আমার বক্তব্যের জন্য আমি লজ্জিত ও জাতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেছি। পাশাপাশি নিজের দোষ শিকার করে ফেসবুক আইডি ও পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে আমার বক্তব্য প্রত্যাহার করেছি।’ এ ধরনের বক্তব্যের জন্য সরকারের ভেতর থেকে কোনো চাপ আছে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বকাঝকার পাশাপাশি তিরস্কার করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতের জন্য সাবধান করে দেওয়া হয়েছে।’
সাংসদ এনামুর রহমান নির্বাচনী এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে একটি পত্রিকায় দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘সাভারে অনেক ক্যাডার আর মাস্তান ছিল। এখন সব পানি হয়ে গেছে। কারও টুঁ শব্দ করার সাহস নেই। পাঁচজনকে ক্রসফায়ারে দিয়েছি আরও ১৪ জনের লিস্ট করেছি। সব ঠান্ডা। লিস্ট করার পর যে দু-একজন ছিল, তারা আমার পা ধরে বলেছে, আমাকে জানে মাইরেন না আমরা ভালো হয়ে যাব।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

লাল শাক খেতে সকলেই খুব পছন্দ করেন। লাল শাক খান না এমন কোনও মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল দুষ্কর। গরম ভাতে লাল শাক যেন দুপুরের ক্ষুধাকে আরও কয়েকগুন বাড়িয়ে দেয়। তবে চিকিৎসকদের মতে, এই লাল শাক শুধুই যে স্বাদে দারুণ তা কিন্তু নয়, বরং এই লাল শাকের মধ্যে রয়েছে প্রচুর স্বাস্থ্য গুণও। আমাদের আজকের এই প্রতিবেদন থেকে জেনে নিন, লাল শাকের নানাবিধ স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে-

১। লাল শাক ভিটামিন ‘এ’-তে ভরপুর। লাল শাক নিয়মিত খেলে দৃষ্টিশক্তি ভালো থাকে এবং অন্ধত্ব ও রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করা যায়।

২। শরীরে অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম জমে গিয়ে যেসব অসুখ হয় তা প্রতিরোধ করে লাল শাক। লাল শাকে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।

৩। আঁশ জাতীয় অংশ খাবার পরিপাকে সহায়তা করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। ভিটামিন ‘সি’-এর অভাবজনিত স্কার্ভি রোগ প্রতিরোধ করে।

৪। রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়, যা হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস করে। লাল শাকের বিটা-ক্যারোটিন হার্টস্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি হ্রাস করে।

৫। ক্যালরির পরিমাণ কম থাকায় ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও লাল শাক যথেষ্ট উপকারি। এ ছাড়াও এটি শরীরের ওজন হ্রাস করে।

৬। এটি মস্তিষ্ক ও হৃৎপিণ্ডকে শক্তিশালী করে এবং দন্ত ও অস্থি গঠনে অবদান রাখে। দাঁতের মাড়ি ফোলা প্রতিরোধ করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বর্তমান সমাজে নারী নির্যাতনের ঘটনা খুব বেশি স্বাভাবিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমন পরিস্থিতির মাঝে কিন্তু নির্যাতিত হচ্ছেন পুরুষরাও৷ এতদিন কেবল গণধর্ষণের শিকার হতেন নারীরা৷ এবার গণধর্ষণের শিকার হলেন এক পুরুষ৷ শুধু তাই নয়, চরম শারীরিক নির্যাতনের ফলে মৃত্যুবরণ করতে হল তাকে৷

নাইজেরিয়াতেই ঘটেছে এই ঘটনা৷ এক ব্যবসায়ী তার পাঁচ স্ত্রী ধর্ষণে মৃত্যবরণ করেছেন৷ মৃত সেই ব্যক্তির নাম ইউরোকো ওনোজো৷ তার মোট ছয় স্ত্রী৷

জানা যায়, সারারাত পার্টিতে ব্যস্ত থাকার পর ভোর রাতে বাড়ি ফিরেছিলেন ওনোজো৷ অন্যদিকে সারারাত তার স্ত্রীয়েরা তার সঙ্গ পেতে প্রহর গুণছিলেন৷ ভোররাতে বাড়ি ফিরে কনিষ্ঠা স্ত্রীয়ের ঘরেই যান ওনোজো৷ এই কারণেই অপর পাঁচ স্ত্রী ক্ষুব্ধ হয়ে চড়াও হয় ওনোজোর উপর৷ এরপর পর পর চার স্ত্রীয়ের সঙ্গে যৌন মিলনে বাধ্য হয় ওনোজো৷ পঞ্চম স্ত্রীয়ের সঙ্গে সহবাসের সময় হঠাৎও স্ট্রোক হয়ে মারা যায় ওনোজো৷

এই ঘটনার পর পাঁচ স্ত্রী পালিয়ে যায়৷ তবে তাদের মধ্যে দুইজনকে গ্রেফতার করে নাইজেরিয়ার পুলিশ৷ অভিযুক্ত পাঁচ স্ত্রীয়ের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যার মামলা দায়ের করেছে পুলিশ৷

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ভারতীয় টেলিভিশনের অন্যতম জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ‘বিগ বস’। শুরু হতে চলেছে তার ১১তম আসর। প্রতিবছর থাকে নানা জল্পনা কল্পনা থাকে বিগ বসের অতিথি কে হবেন তাই নিয়ে। যদিও ‘বিগ বস’-এর অতিথিদের নাম গোপন রাখতে কোন কমতি রাখে না গোটা টিম। নিয়ম অনুযায়ী, এই রিয়েলিটি শোয়ের প্রিমিয়ারেই জানা যায়, কে কে আসতে চলেছেন ‘বিগ বস’-এর বাড়িতে।

প্রতি বছররের মত এই বছরেও যতই এগিয়ে আসছে ‘বিগ বস’-এর ১১ তম আসর শুরু হওয়ার সময়, ততই বাড়ছে উত্তেজনা। ইতিহাস বলছে বিতর্কিত ব্যক্তিত্বদেরই অতিথি করে নিয়ে আসেন বিগ বস। তাই স্বভাবতই উঠে আসছে তাদের নাম, যারা এই মুহূর্তে রয়েছেন খবরের শিরোনামে।

সেলিব্রিটিদের সঙ্গে একইঘরে সাধারণ মানুষের এই কম্বিনেশন দেখার জন্য উৎসুক দর্শকরা। তারই মাঝে সবার মাথায় ঘুরছে একটাই প্রশ্ন, কোন তারকা আসছেন বিগ বসের অতিথি হয়ে।
প্রথমেই যে নাম ঘুরছে মুখে মুখে। তিনি হলেন ইউটিউব সেনসেশন পুজা জৈন, যিনি জনপ্রিয় ঢিনচ্যাক পুজা নামে। তবে বিগ বসের অতিথি হওয়ার কথা কার্যত অস্বীকার করেন তিনি। এমনকী নিজের ইমেল আইডি দিয়ে তিনি জানিয়েছেন, বিগ বসের টিম যদি চায় যেন তার সঙ্গে যোগাযোগ করে।

তবে শুধু ঢিনচ্যাক পুজাই নয়, রয়েছেন ছোটপর্দার ‘জামাই রাজা’ খ্যাত নিয়া শর্মা। এছাড়া রয়েছেন সানা সইদ। ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’ ছবিতে শাহরুখ-রানির মেয়ে ছোট্ট অঞ্জলিই সানা। এখন সে অবশ্য অনেকটাই বড় এবং তিনি জনপ্রিয় তার সেক্স অ্যাপিলের জন্য। রয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও থিয়েটার ব্যক্তিত্ব অচিন্ত কৌর। বিগ বসের বাড়িতে আসতে চলেছেন ছোটপর্দায় জনপ্রিয় অভিনেতা পার্ল পুরি ও অভিনেত্রী দেবলীনা ভট্টাচার্য।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest