‘সবাই বলছেন আমি সুস্থ হয়ে যাব। আঙ্কেল (স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম), ডাক্তার, বাবা-মাও বলছেন আমার হাত ভালো হয়ে যাবে। আর হীরামনিও। ওই আঙ্কেল বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমার দায়িত্ব নিয়েছেন।
আমার অনেক ভালো লাগছে, সাহস পাচ্ছি। সুস্থ হয়েই প্রধানমন্ত্রী আন্টির কাছে যাব। আন্টিকে জড়িয়ে ধরে বলব, আমি ভালো হয়ে গেছি।’ বলছিল বিরল রোগে আক্রান্ত ১১ বছরের শিশু মুক্তামনি।
পাশে দাঁড়িয়ে অঝরে কাঁদছিল তার যমজ বোন হীরামনিও। ১১ জুলাই থেকে মুক্তামনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি রয়েছে। তাদের গ্রামের বাড়ি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কামারবাইশা গ্রামে।
শনিবার ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের ৬ তলার ৬০৫ নম্বর কেবিনে গিয়ে দেখা যায়, মুক্তামনির চুল আঁচড়িয়ে দিচ্ছে হীরামনি। কখনও মুখে তুলে দিচ্ছে ফল, পানি। মুক্তার ডান হাতের ওজন প্রায় ৮ থেকে ৯ কেজি। বাম হাতে স্যালাইন লাগানো।
দুপুরের দিকে জাতীয় বার্ন ইউনিটের উপদেষ্টা ও সাবেক পরিচালক ডা. সামন্ত লাল সেন মুক্তামনির কাছে ঘণ্টাখানেক সময় কাটান।
ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, বুধবার এ ইউনিটের পরিচালক ডা. আবুল কালামকে প্রধান করে ৭ সদস্য বিশিষ্ট চিকিৎসক বোর্ড গঠন করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ৩ ব্যাগ রক্ত দেয়া হয়েছে। বর্তমানে সে অপুষ্টিতে ভুগছে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক ডা. জুলফিকার আলী লেনিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তার চিকিৎসার দায়-দায়িত্ব নিয়েছেন। তার খোঁজখবর রাখছেন তিনি। ইতিমধ্যে সাবেক স্বাস্থ্য মন্ত্রী ডা. আ ফ ম রুহুল এমপি এবং বর্তমান স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমও তাকে দেখে গেছেন। মুক্তামনিকে যথাযথ চিকিৎসা দিতে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন। প্রয়োজনে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশে পাঠানো হবে। তবে আশা করা হচ্ছে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরা দেশেই তাকে সুস্থ করে তুলবেন।
মুক্তামনির বাবা ইদ্রিস হোসেন বললেন, ২০০৬ সালের ১৪ জুলাই তাদের যমজ মেয়ের জন্ম হয়। নাম রাখেন মুক্তামনি ও হীরামনি।
মুক্তামনির বয়স যখন দেড় বছর তখন তার ডান হাতের বাহুতে ছোট্ট এটি গোঁটা দেখা দেয়। তারপর থেকে এ গোঁটাটি বড় হয়ে হয়ে এ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
দিনমজুরের কাজ করে যত টাকা কামাতেন তার অধিকাংশ মেয়ের চিকিৎসায় খরচ করেছেন।গ্রাম্য চিকিৎসক থেকে শুরু করে বহু চিকিৎসকদের কাছে নিয়েছেন মেয়েকে। প্রধানমন্ত্রী, সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও গণমাধ্যম কর্মীদের সহযোগিতা চেয়েছেন মুক্তামনির বাবা।
মা আসমা খাতুন বলেন, এ রোগ নিয়েই তাকে স্থানীয় স্কুলে ১ম শ্রেণীতে ভর্তি করা হয়। কিন্তু হাতের পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাওয়ায় সে দ্বিতীয় শ্রেণীতে উঠতে পারেনি। দুই বোন একই শ্রেণীতে ভর্তি হয়েছিল। এখন হীরামনি ৪র্থ শ্রেণীতে পড়ছে।
হাতের ওজনে মেয়ের বুকের হাড় বাঁকা হয়ে কিছুটা নিচে নেমে গেছে। চিকিৎসার খরচ চালাতে গিয়ে পুষ্টিকর খাবার খাওয়াতে পারেননি। ফলে দিন দিন তার মেয়ে আরও অসুস্থ হয়ে পড়েছে। মেয়েটি অনেক লক্ষ্মী ও শান্ত। হাতের তীব্র ব্যথা সহ্য করার চেষ্টা করে।
আমরা কাঁদলে সে সান্ত্বনা দিয়ে বলে, ‘কেঁদো না, আল্লাহ আমাকে ভালো করবেন। তোমরা কাঁদলে আমি অনেক কষ্ট পাই।’
বার্ন ইউনিটের পরিচালক ডা. আবুল কালাম বলেন, বর্তমানে তাকে পুষ্টিকর খাবার ও রক্ত দেয়া হচ্ছে। এমন অবস্থায় তাকে অজ্ঞান করে চিকিৎসা করা সম্ভব নয়। আগামী ৭-৮ দিন পর অস্ত্রোপচারসহ সার্জারি করা হবে। আমরা আশাবাদী, কেননা জটিল রোগের চিকিৎসায় আগেও আমরা সফল হয়েছি।
সূত্র: যুগান্তর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

পুষ্টিকর উপাদান ছাড়া শরীর ঠিক থাকতে পারে না। আর পুষ্টির যোগান ঠিক রাখতে একাধিক খাবার এক সঙ্গে খাওয়া একান্ত প্রয়োজন। কিন্তু কোন খাবারের সঙ্গে কি যোগ করতে হবে? চলুন জেনে নেওয়া যাক সে সম্পর্কে :

কলা এবং দই

বাঙালিরা দই, কলা আর চিড়ে একসঙ্গে মিশিয়ে খেতে খুব ভালোবাসেন। তাই না! কিন্তু কেন দই এবং কলা একসঙ্গে খাওয়ার রেওয়াজ চালু আছে জানেন? কারণ দইয়ে রয়েছে প্রোটিন এবং ভালো ব্যাকটেরিয়া। আর কলা শরীরে পটাশিয়ামের ঘাটতি দূর করে। তাই তো শরীরচর্চার পর এই ধরনের খাবার বেশি করে খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

জাম ও স্ট্রবেরি

কালো জাম এবং স্ট্রবেরি একসঙ্গে খেলে শরীরে কোনোদিন পুষ্টির অভাব হয় না। তাই তো ছোট থেকে বড়, সকলেরই প্রতিদিন এই দুটি ফল একসঙ্গে খাওয়া উচিত।

টমেটো ও অলিভ অয়েল

টমাটোয় উপস্থিত কেরোটেনয়েডস এবং লাইকোপেন অলিভ অয়েলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠে। যা রক্তচাপ এবং বাজে কোলেস্টেরলকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

পালং শাক ও লেবু

পালং শাকে রয়েছে আয়রণ, যা লেবুর রসের সঙ্গে মিশিয়ে খেলে বেশি করে শরীরের কাজে লাগে। আসলে শরীরের আয়রণ শোষণ করার ক্ষমতা বাড়াতে লেবুর রস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই তো এই দুটি খাবারকে একসঙ্গে খাওয়ার পরামর্শ দেন ডায়াটেশিয়ানরা।

ডিম ও চিজ

চিজে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ক্যালসিয়াম আর ডিম ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ। তাতে! দুটি খাবার এক সঙ্গে খাব কেন? কারণ শরীরে ক্যালসিয়াম শোষিত হওয়ার জন্য ভিটামিন ‘ডি’র প্রয়োজন পড়ে। তাই ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবারের সঙ্গে বেশি করে ভিটামিন ডি রয়েছে এমন খাবার খাবেন। তাতে শরীর চাঙা হতে শুরু করবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বৈশাখ মানেই পান্তা ইলিশ! পান্তা যদিও আমাদের দেশের গ্রামের মানুষের প্রতিদিনের খবার। কিন্তু শহরে এই খবার হয়ে থাকে বিলাস। আজ আপনাদের পান্তা ভাতের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে জানাব। চলুন তবে এই বিষয়ে জেনে নেয়া যাক।

পান্তা ভাত  গ্রামীণ বাঙালি জনগোষ্টির একটি জনপ্রিয় খাবার। পান্তা ভাত গ্রামীণ মানুষ সকালের নাশতা হিসাবে খেয়ে থাকে। সাধারণত লবণ, কাঁচা মরিচ ও পেঁয়াজ মিশিয়ে পান্তা ভাত খাওয়া হয়। আর সারা বছর শহুরে বাসিন্দাদের নিকট পান্তা ভাত অবহেলার পাত্র হয়ে থাকলেও, পহেলা বৈশাখের সকালে ঠিকই পান্তা ভাতকে তারা হাজির করেন তাদের খাবার টেবিলে। মূলত পান্তা ভাত, ভাত সংরক্ষণের একটি পদ্ধতি। নৈশভোজের জন্য রান্না করা ভাত বেঁচে গেলে সংরক্ষণের জন্য এই ভাতকে নির্দিষ্ট পরিমাণ পানিতে প্রায় এক রাত ডুবিয়ে রাখলেই তা পান্তায় পরিণত হয়।

ভাত মূলত পুরোটাই শর্করা। ভাতে পানি দিয়ে রাখলে বিভিন্ন গাজনকারি ব্যাক্টেরিয়া  বা ইস্ট এই  শর্করা ভেঙ্গে  ইথানল ও ল্যাকটিক এসিড তৈরি করে। ল্যাকটিক এসিড  তৈরির ফলে পান্তা ভাতের অম্লত্ব বেড়ে যায় (pH কমে) তখন পচনকারি ও অনান্য ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া ও  ছত্রাক ভাত নষ্ট করতে পারে না।

সম্প্রতি Assam Agricultural University এর একদল গবেষক  একটি  বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় দেখেছেন যে  ১০০ গ্রাম পান্তা ভাতে (১২ ঘণ্টা পর ভিজিয়ে রাখার পর) ৭৩.৯১ মিলিগ্রাম আয়রন থাকে যেখানে সমপরিমাণ গরম ভাতে থাকে মাত্র ৩.৪ মিলিগ্রাম। এছাড়াও ১০০ গ্রাম পান্তাভাতে পটাশিয়ামের পরিমাণ বেড়ে হয় ৮৩৯ মিলিগ্রাম  এবং ক্যালসিয়ামের পরিমাণ বেড়ে হয় ৮৫০ মিলিগ্রাম যেখানে সমপরিমাণ  গরম ভাতে ক্যালসিয়াম থাকে মাত্র ২১ মিলিগ্রাম। এছাড়া পান্তা ভাতে সোডিয়ামের পরিমাণ কমে হয় ৩০৩  মিলিগ্রাম যেখানে সমপরিমাণ  গরম ভাতে সোডিয়াম থাকে ৪৭৫ মিলিগ্রাম।

তাছাড়া পান্তা ভাতে ফারমেন্টেশনের ফলে পাকস্থলীতে উপ্সহিত প্যানক্রিয়াটিক অ্যামাইলেজ সহ আরও কিছু এনজাইমের কার্যকারিতা বহুগুণ বেড়ে যায় এতে করে পান্তা ভাতে উপ্সহিত অলিগোসাকারাইডসহ আরও কিছু জটিল শর্করা খুবসহজেই হজম হয়ে যায়।

এছাড়া পান্তা ভাত ভিটামিন বি-৬ এবং ভিটামিন বি-১২ এর ভাল উৎস।পান্তাভাত শর্করাসমৃদ্ধ জলীয় খাবার। গরমের দিনে শরীর ঠান্ডা ও সতেজ রাখে। জলীয় খাবার বলে শরীরের পানির অভাব মেটায় এবং শরীরে তাপের ভারসাম্য বজায় রাখে।পান্তা ভাত খেলে শরীর হালকা এবং কাজে বেশি শক্তি পাওয়া যায়, কারণ এটি ফারমেন্টেড খাবার। মানব দেহের জন্য উপকারি বহু ব্যাকটেরিয়া পান্তা ভাতের মধ্যে বেড়ে উঠে।

পেটের পীড়া ভাল হয়, কোষ্ঠবদ্ধতা দূর হয় এবং শরীরে সজিবতা বিরাজ করে। এবং শরীরে তাপের ভারসাম্য বজায় থাকে।পেটের পীড়া ভাল হয়, কোষ্ঠবদ্ধতা দূর হয় এবং শরীরে সজিবতা বিরাজ করে। এবং শরীরে তাপের ভারসাম্য বজায় থাকে।রক্তচাপ স্বাভাবিক থাকে, কারণ পান্তা ভাতে গরম ভাতের তুলনায় সোডিয়ামের পরিমাণ কম থাকে। আশা করছি এই বৈশাখে পান্তাভাত দিয়ে শুরু হওয়া সকালটা বেশ ভালই কাটবে আপনাদের। সবাইকে বৈশাখের অগ্রিম শুভেচ্ছা রইল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সকালে ৯টা নাগাদ প্রথমে গঙ্গারামপুর মহকুমা স্টেডিয়াম পরিদর্শন করেন সৌরভ গাঙ্গুলী। সেখান থেকে বালুরঘাট স্টেডিয়ামে পৌঁছন।

জমি জটে দাদার মূর্তি প্রতিষ্ঠা করা গেল না বালুরঘাটে। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার উদ্যোগে বালুরঘাট স্টেডিয়ামে শনিবার ‘দাদা’ সৌরভ গাঙ্গুলীর মূর্তি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। বালুরঘাটের মাটিতে এসে যার প্রতিষ্ঠা ও আবরণ উন্মোচন করবেন স্বয়ং সৌরভ।

এই উপলক্ষে বালুরঘাট তথা সমগ্র দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা প্রিন্স অফ ক্যালকাটার ফটো ও ব্যানার ফেস্টুনে সেজে উঠেছে। ছোট থেকে বড় সকলের মধ্যেই শুরু হয়েছিল উদ্দীপনা। কিন্তু রাজ্য সরকারের অনুমতি না মেলায় সেই মূর্তি আর প্রতিষ্ঠা করা গেল না।

শিলিগুড়ির সুশান্ত পালের হাত দিয়ে ফাইবারের তৈরি মূর্তিটির উচ্চতা ৮ ফিট। গত বুধবার শিলিগুড়ি থেকে আনা হয় মূর্তিটি। স্টেডিয়ামের মেইন গেটের মুখেই একটি বেদির উপরে মূর্তিটি প্রতিষ্ঠা করার কথা ছিল। সেই কারণেই শনিবার সকালে ট্রেন মালদহ হয়ে দক্ষিণ দিনাজপুরে পৌঁছন সৌরভ।

সেখানে পৌঁছে রাজ্য সরকার অনুমতি না দেওয়ার বিষয়টি জানতে পেরে হতাশ হন দাদা। তবে প্রতিষ্ঠা না হলেও নিজের মূর্তির উন্মোচন করেন দাদা।

এসময় সৌরভ বলেন, কিছু কিছু কাজ আছে যেগুলো সময় মতো হয় না। মূর্তি প্রতিষ্ঠার ব্যাপারটির ক্ষেত্রেও হয়তো এমনই হয়েছে। পাশাপাশি তিনি কটাক্ষ করে বলেন যে বালুরঘাটে মূর্তিটি বসানোর ক্ষেত্রে সমস্যা হলে মূর্তিটি বেহালার বাড়িতে নিয়ে গিয়ে তিনি নিজে প্রতিষ্ঠা করবেন। সেখানেই সেটি ভালো করে শোভা পাবে। সূত্র: এবেলা

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সীমান্ত দিয়ে যাতে একটি গরুও পাচার না হয় তা নিশ্চিত করতে অনেক আগেই বিএসএফ’কে নির্দেশ দিয়েছে ভারতের বিজেপি সরকার। সরকারের নির্দেশ বাস্তবায়িত করতে সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)ও কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে, পর্যায়ক্রমে বাধাও দিয়েছে কিন্তু পাচারকারীরাও হাল ছাড়তে নারাজ। সীমান্ত পেরিয়ে চোরাপথে বাংলাদেশে গরু ও ষাঁড় পাঠাতে পাচারকারীরা তাদের নতুন নতুন কৌশল অবলম্বন করছে। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সীমান্ত রয়েছে ৪০৯৬ কিলোমিটার। এর মধ্যে বেশির ভাগটাই রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ ও অসমের সঙ্গে-যেখানে গরু পাচারকারীরা মূলত রাতের অন্ধকারেই তাদের অপারেশন করে থাকে।
পাচারকারীদের কাছে অত্যন্ত লাভজনক একটি ব্যাবসায় হল এই গরু পাচার। ভারতে যে গরুটি ৫ হাজার রুপিতে মেলে, সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে ঢোকা মাত্রই তার দাম বেড়ে হয় ৫০ হাজার রুপি। সূত্রে খবর, গরুকে কেন্দ্র করে সীমান্তে এই অবৈধ ব্যবসার পরিমাণ বছরে প্রায় ৫ হাজার কোটি রুপির কাছাকাছি।
দুই দশক আগেও ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত বরাবর জিরো পয়েন্ট থেকে ১৫০ মিটার দূরত্বে যখন পাতলা কাঁটাতারের বেড়া ছিল-সেসময় পাচারকারীরা মূলত কাঁটাতারের দুর্বলতাকেই কাজে লাগাতো। সেক্ষেত্রে গবাদি পশুর ওপর নির্যাতন করে তাকে খেপিয়ে এবং উত্তপ্ত করে সীমান্ত পার করাতো।
এই বিষয়ে ভারতের পশ্চিম অসমের ধুবরি জেলার এক পুলিশ ইনফরমার জানান ‘গরুর পাছায় পেরেকের খোঁচা মেরে তাকে খেপিয়ে দেওয়া হতো, নয়তো যৌনাঙ্গে মরিচ গুড়া বা পেট্রল ঢেলে দেওয়া হতো। এতে ব্যাথার চোটে গরু প্রচন্ড জোরে দৌড়তে শুরু করে এবং কাঁটাতারের বাধা পেরিয়ে চলে যায় বাংলাদেশে’। তবে এক্ষেত্রে কাঁটাতারের বেড়া ভেঙে সীমান্তে ঢোকার সময় অনেকক্ষেত্রে গরুগুলির মৃত্যু হত নয়তো শারীরিক বিকলাঙ্গের শিকার হতো। ফলে গরু পাচারের সময় মৃত্যুর সম্ভাবনা থাকলে দামের ওপর প্রভাব পড়তে বাধ্য। গরু পাচারের এই বাড়বাড়ন্তের ফলে নড়েচড়ে বসে সরকার। ২০০০ সালে পাতলা ও একস্তরীয় কাঁটাতারের বেড়াগুলিকে দ্বিস্তরীয় করার কাজ শুরু হয়। আর সঙ্গে সঙ্গেই নিজেদের কৌশলেও পরিবর্তন আনে গরু পাচারকারীরা। যার মধ্যে অন্যতম হল ডুব সাঁতারুর নি:শ্বাস নেবার নল। এক্ষেত্রে মূলত শিশুদেরই কাজে লাগানো হতো-যারা পেপে গাছের ডগাকে নল হিসাবে ব্যবহার করে পানির নিচ থেকে নিশ্বাস নিতো এবং নদী-নালা দিয়ে গরুগুলিকে ঠিক পথ দিয়ে বাংলাদেশে পাচারের সাহায্য করতো বলে অভিযোগ।
ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের লক্ষ্য ২০১৯ সালের মধ্যে দুই দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্তেস নতুন কাঁটাতারের বেড়া লাগানোর কাজ শেষ করা। ইতিমধ্যেই ২৮০০ কিলোমিটার সীমান্তের কাজ শেষ। সীমান্ত দিয়ে গবাদি পশু পাচার ঠেকাতে নাইট-ভিসন ক্যামেরা ও লেসার’এর সহায়তা নিয়ে নজরদারি বাড়িয়েছে বিএসএফ’এর সশস্ত্র বাহিনী। ফলে সমস্যায় পড়েছে পাচারকারীরা।
যদিও সমস্ত বাধা বিপত্তিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়েই ফের নতুন কৌশল নিয়েছে পাচারকারীরা। নিরাপত্তা বাহিনী সূত্রে খবর বাঁশের কপিকলের সাহায্যে সীমান্তের একপার থেকে আরেকদিকে পাচার করে দেওয়া হচ্ছে। অভিযোগ বাংলাদেশের এজেন্টরাই এই পদ্ধতির মাধ্যমে গরুকে বেঁধে কপিকলের সাহায্যে সেদেশে ঢুকিয়ে নিচ্ছে। কারণ বাংলাদেশে গরু ব্যবসা বৈধ হলেও ভারতে তার ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
পাচারের সর্বশেষ পদ্ধতি হল গরুকে মাঝখানে রেখে দুই পাশে কলা গাছের ভেলা দিয়ে বেঁধে তা পানিতে ভাসিয়ে দিয়ে তা বাংলাদেশের উদ্যেশ্যে পাচার করা। অতি সম্প্রতি এই পদ্ধতির মাধ্যমেই অসম থেকে কালজানি নদী দিয়ে বাংলাদেশে একাধিক গরু পাচার হয়েছে বলে অভিযোগ। পাচারের সেই ভিডিও সর্বভারতীয় টিভি চ্যানেলগুলিতে সম্প্রচারিতও করা হয়।
অসমে পাচারের মূল চক্রী আসরাফুল আকন্দ-কে সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ থেকে আটক করা হয়েছে ধুবড়ি জেলা পুলিশ সুপার লঙ্গনিট তেরাঙ্গ জানিয়েছেন।
বিএসএফ’এর এক কর্মকর্তা জানান ‘নদী দিয়ে গরু পাচার রুখতে বিএসএফ’এর তরফে বোটে করে টহলদারি বাড়ানো হয়েছে। তিনি আরও জানান পাচারের মূল সমস্যার কারণ হল ভারতে এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে গরু বহন করার ওপর কোন নিষিদ্ধাজ্ঞা নেই’।
ভারত থেকে গরু পাচারের কারণে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে তার প্রভাব পড়েছে বলে স্বীকার করেছেন বিজিবি’এর আঞ্চলিক কমান্ডার অতিরিক্ত ডিজি মহম্মদ জাহিদ হাসান। শনিবার মেঘালয়ের শিলং’এ দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর বৈঠকের পর গরু পাচার প্রসঙ্গ নিয়ে বিজিবি’এর এডিজি বলেন ‘এটা ঠিক যে গরু পাচার আমাদের অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্থ করেছে। যদি এই গবাদি পশুগুলি ভারত থেকে না আসতো তবে আমাদের কৃষকরাও (গরু পালকরা) সামনের দিকে অগ্রসর হতো পারতো এবং আমরা আমাদের নিজেদের খেয়াল রাখতে পারতাম’।
তিনি আরও জানান, ‘পাচার ঠেকাতে আমরা বিএসএফ-কে অনুরোধ করেছি এবং এর ফলে অন্য অনেক সমস্যাই মিটে যেতে পারে’। হাসান জানিয়েছেন, ‘গবাদি পশুরা নিজে নিজে সীমান্ত পার হয়ে আসতে পারে না। আমরা তাদের অনুরোধ করেছি যে এই ধরনের পাচার এখনি বন্ধ করা উচিত। কারণ এই গরুগুলি পশ্চিম ভারত থেকে আসছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

অবাক পৃথিবীতে প্রতিমূহুর্তে কত অভিনব ঘটনার জন্ম হচ্ছে। এবার এমনই একটি ঘটনা ঘটলো যুক্তরাষ্ট্রে, বাসর রাতের জন্য ফটোগ্রাফার চেয়ে বিজ্ঞাপন দিয়েছেন এক প্রেমিক যুগল। দেশটির মেডিসন ও উইসকনসিনের এক বাগদত্তা যুগল তাদের বিয়ের ফটোগ্রাফির জন্য এমন অভিনব বিজ্ঞাপন দিয়েছেন।

বিজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ফটোগ্রাফারকে তাদের বিয়ের দিনের প্রতিটি মুহূর্তের ছবি ক্যামেরাবন্দী করতে হবে। এমনকি বাসর রাতে তারা যে প্রথমবারের মতো যৌনমিলন করবে, সেই মুহূর্তও ধরে রাখতে হবে ফটোগ্রাফারকে!

‘অল ডে ওয়েডিং ফটোগ্রাফার নিডেড’ শিরোনামে দেওয়া এ বিজ্ঞাপনের শুরুতেই বলা হয়েছে, এ বছরের শেষ দিকে ওই যুগল বিয়ে করতে চান এবং বিয়ের দিনের শুরু থেকে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ক্যামেরাবন্দী করতে পারবে, এমন একজন ফটোগ্রাফার খুঁজছেন তারা।

বিয়ের দিন যত কর্মকাণ্ড হবে সবই ক্যামেরায় ধারণ করতে হবে ফটোগ্রাফারকে। বিজ্ঞাপন অনুযায়ী, যেনতেন ফটোগ্রাফার নয়, পুরো অ্যাসাইনমেন্ট সম্পূর্ণ করতে একজন সাহসী ফটোগ্রাফার প্রয়োজন। কারণ এমন মুহূর্তও ক্যামেরায় বন্দী করতে হবে, যা ধারণ করতে গিয়ে হয়তো ফটোগ্রাফারের বুক দুরুদুরু করতে পারে।

বিজ্ঞাপনে বাগদত্তা ওই যুগল বলেছেন, ‘বিয়ের রাতে আমাদের প্রথমবারের মতো যৌনমিলনকেও ক্যামেরাবন্দী করতে হবে ফটোগ্রাফারকে। আমরা জানি বিষয়টা আমাদের জন্য যতটা বিব্রতকর, ফটোগ্রাফারের জন্য তার চেয়েও বেশি বিব্রতকর। কিন্তু আমরা সত্যিই কাজটি করতে চাই। ’

কেন এমন একটা অদ্ভুত ইচ্ছা হলো তাদের, সে ব্যাখ্যাও দেওয়া হয়েছে ওই বিজ্ঞাপনে। তারা বলছেন, ‘আমরা যখন বৃদ্ধ হয়ে যাব, তখন আমরা এসব ছবি দেখে নিজেদের সর্বোচ্চ উত্তেজনাকর ও সুন্দর মুহূর্তে অামরা কেমন ছিলাম, কেমন সেক্স করেছি, সেসব দেখে স্মৃতি হাতড়াতে পারব। ’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আল্লামা আহমদ শফীর স্থলাভিষিক্ত হয়ে কওমি মতাদর্শীদের সর্বোচ্চ নেতার আসনে আসীন হচ্ছেন হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব মাওলানা জুনায়েদ বাবুনগরী। এ প্রক্রিয়ার প্রাথমিক ধাপ হিসেবে তাকে কওমি মতাদর্শীদের বহৎ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদ্রাসার মুঈনে মুহতামিম (সহযোগী পরিচালক) নির্বাচিত করা হয়েছে। কওমি নেতারা জানান, এরপর পর্যায়ক্রমে হেফাজতে ইসলাম, কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ (বেফাক), সরকারি স্বীকৃতি নেওয়ার জন্য গঠিত কওমি শিক্ষা বোর্ড আল-হাইয়াতুল উলইয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া বাংলাদেশের আরও গুরুদায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন জুনায়েদ বাবুনগরী। আল্লামা শফীর প্রেস সচিব মাওলানা মুনির আহমদ বলেন, ‘আল্লামা আহমদ শফীর অসুস্থতার দিকটি বিবেচনায় বাবুনগরীকে মাদ্রাসার সহযোগী পরিচালক করা হয়। হাটহাজারী মাদ্রাসার ইতিহাসে কেউ ভারপ্রাপ্ত পরিচালক হননি। তাই বর্তমান মহাপরিচালকের জীবদ্দশায় কাউকে কখনই ভারপ্রাপ্ত পরিচালক নিয়োগ দেওয়া হবে না। ’ হাটহাজারী মাদ্রাসার এক শূরা সদস্য বলেন, ‘শ্রদ্ধেয় মুরব্বি আল্লামা শফীর জীবদ্দশায় কাউকে মুহতামিম নির্বাচিত করা হলে তিনি মনে কষ্ট পেতে পারেন। এ ছাড়া বিভক্ত হয়ে পড়া দুটি গ্রুপ সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা ছিল। তাই বাবুনগরীকে সরাসরি মুহতামিম করা হয়নি। মুঈনে মুহতামিম নির্বাচিত করা অর্থই হচ্ছে পরবর্তী মুহতামিম (পরিচালক) হচ্ছেন বাবুনগরী। ’ সূত্র জানায়, গতকাল সকালে হাটহাজারী মাদ্রাসায় আল্লামা আহমদ শফীর সভাপতিত্বে মজলিসে শূরার বৈঠকের শুরু থেকেই পরিচালক নির্বাচিত করা নিয়ে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিবেশ। শূরা সদস্যদের একটি গ্রুপ হেফাজত আমিরপুত্র আনাস মাদানীকে পরিচালক করার প্রস্তাব দিলে বিরোধিতা করে আনাসবিরোধী শিবির। এ সময় স্থানীয় ও দেশের অন্যান্য এলাকা থেকে আসা শূরা সদস্যরা পরিচালক পদে জুনায়েদ বাবুনগরীর নাম প্রস্তাব করেন। এতে দুই গ্রুপ আক্রমণাত্মক হয়ে তর্কে জড়িয়ে পড়ে। পরে সরাসরি কাউকে পরিচালক না করে একজনকে মুঈনে মুহতামিম করার প্রস্তাব দেয় নিরপেক্ষ ভূমিকায় থাকা শূরা সদস্যের গ্রুপটি। এ প্রস্তাব উভয় গ্রুপ গ্রহণ করে আল্লামা আহমদ শফীকে ‘প্রতীকী’ পরিচালক রেখে বাবুনগরীকে মুঈনে মুহতামিম করেন শূরা সদস্যরা। এ ছাড়া মুফতি নূর আহমদকে শিক্ষা সচিব ও মাওলানা আনাস মাদানীকে সহকারী শিক্ষা সচিব নির্বাচিত করা হয়। হেফাজতে ইসলামের এক শীর্ষ নেতা বলেন, জুনায়েদ বাবুনগরী হাটহাজারী মাদ্রাসার মুঈনে মুহতামিম নির্বাচিত হওয়ায় এখন বেফাক ও আল-হাইয়াতুল উলইয়ার চেয়ারম্যান হওয়া সময়ের ব্যাপার। এ ছাড়া হেফাজতে ইসলামের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী যিনি হাটহাজারী মাদ্রাসার পরিচালক হবেন তিনিই হেফাজতে ইসলামের আমির হবেন। তাই বাবুনগরী কওমিদের আগামীর কাণ্ডারি হতে যাচ্ছেন।

বাবুনগর থেকে বাবুনগরী : জুনায়েদ বাবুনগরীর জন্ম চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির বাবুনগর গ্রামে। পিতার নাম আবুল হাসান। বাবুনগরী হাটহাজারী মাদ্রাসায় লেখাপড়া শেষ করে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনের জন্য পাকিস্তানের জামিয়া বিন্নুরি টাউন করাচি মাদ্রাসায় যান। জুনায়েদ বাবুনগরী কট্টরবাদী কওমি আলেম হিসেবে পরিচিত। অনুসন্ধানে জানা যায়, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় জুনায়েদ বাবুনগরী ছিলেন মুজাহিদ বাহিনীর অন্যতম নেতা। স্বাধীনতার পর থেকে জুনায়েদ বাবুনগরী আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে সক্রিয়। ২০০৮ সালের সংসদ নির্বাচনে ফটিকছড়ি এলাকায় বাবুনগরী চারদলীয় জোট প্রার্থী সাকা চৌধুরীর সমর্থনে কাজ করেন। দেশের প্রথম জঙ্গি সংগঠন ‘হরকাতুল জিহাদ আল ইসলামী বাংলাদেশ’-এর মুখপত্র মাসিক ‘জাগো মুজাহিদ’ এবং ‘মাসিক রহমত’ পত্রিকায় নিয়মিত নিবন্ধ লিখে যুবসমাজকে উদ্বুদ্ধ করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। আফগানফেরত জঙ্গি কমান্ডার মাওলানা সগীর বিন ইমদাদের লেখা বহুল আলোচিত গ্রন্থ ‘ফাজায়েলে জিহাদ’ গ্রন্থের ভূমিকা লিখেছেন তিনি। ২০০০ সালে মুফতি আমিনীর নেতৃত্বে প্রগতিশীল শক্তির বিরুদ্ধে গঠিত ইসলামী আইন বাস্তবায়ন কমিটির ফটিকছড়ি থানা শাখার আমির নিযুক্ত হন বাবুনগরী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

চীনের এক বিপণিবিতানে যে নারীরা কেনাকাটা করতে যাবেন, সেখানে চাইলে তাঁরা স্বামীকে ‘জমা’ রাখতে পারবেন। চীনের ‘দ্য পেপার’ পত্রিকার খবর, সাংহাই শহরের ‘গ্লোবাল হার্বার’ নামের একটি বিপণিবিতানে কয়েকটি কাচঘেরা খোপ বানানো হয়েছে, যেখানে নারীরা তাঁদের স্বামীদের জমা রাখতে পারবেন। ফলে তাঁদের কেনাকাটার সময় স্বামীদের আর পেছন পেছন ঘুরতে হবে না।

কাচঘেরা খোপে স্বামীদের জন্য বিনোদনের ব্যবস্থা থাকবে। সেখানে তাঁরা বসে বসে গেম খেলতে পারবেন। প্রতিটি খোপের ভেতর থাকবে একটি চেয়ার, মনিটর, কম্পিউটার ও গেম প্যাড। সেখানে বসে তাঁরা নব্বইয়ের দশকের পুরনো গেমগুলো খেলতে পারবেন।

বিপণিবিতানের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, এ সেবা আপাতত বিনা মূল্যেই পাওয়া যাবে। কিন্তু পরে নির্দিস্ট অর্থ দিতে হবে। এই সেবা নিয়েছেন এমন একজন পুরুষ জানান, ‘আমি কেবলই পুরনো একটি গেম-টেকেন-থ্রি খেললাম। আমার মনে হলো, আমি যেন মাত্র স্কুল থেকে বাড়ি ফিরেছি। ’

চীনের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে অবশ্য এই সেবা নিয়ে নানা কৌতুক চলছে। একজন লিখেছেন, ‘এই সার্ভিস এখন স্বামীদের শপিংয়ে যেতে উত্সাহ জোগাবে। যদিও শপিংয়ের খরচ তাদের পকেট থেকেই যাবে। ’ এক নারী আবার লিখেছেন, ‘আমার স্বামী যদি গেমই খেলবে, তবে তাকে বিপণিবিতানে নিয়ে যাওয়ার মানে কী?’ সূত্র : বিবিসি বাংলা

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest