দেবহাটা প্রতিনিধি : দেবহাটা উপজেলার হাদিপুরে নলতা হজ্ব কাফেলার উদ্যোগে হাজীদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা হাজীদের মিলন মেলায় পরিণত হয় হয়েছে। নলতা হজ্ব কাফেলার পরিচালক ডাঃ আলহাজ্ব হাবিবুল্লাহ বাবুর উদ্যোগে প্রতিবছরের ন্যায় তার নিজস্ব বাসভবনে হাজী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। প্রশিক্ষণ কর্মশালায় হাদিপুর জগন্নাথপুর আলিম মাদ্রাসার সুপার আলহাজ্ব আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন নওয়াপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের মাহমুদুল হক লাভলু। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলগীর হোসেন সাহেব আলী, নলতা কেন্দ্রীয় মিশনের কর্মকর্তা আলহাজ্ব মাস্টার আবুল ফজল, আলহাজ্ব আনিছুর রহমান, আলহাজ্ব এনামুল হক। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য আসমোতুল্লাহ আসমান ও মিজানুর রহমান, সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল হান্নান, ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব সফিউল্লাহ ময়না, বিভিন্ন এলাকা থেকে আগাত সুধিজন ও হজ্ব গমনকারীরা। হজ্ব প্রশিক্ষণে হাজিদের মক্কা ও মদিনায় করনীয় বিষভয়ে আলোচনা করেন নলতা হজ্ব কাফেলার পরিচালক ডাঃ আলহাজ্ব হাবিবুল্লাহ বাবু। উল্লেখ্য যে, প্রতিবছর উক্ত হজ্ব কাফেলার মাধ্যমে অতি সুনামের সাথে সুস্থ পরিবেশে হজ্ব পালন করা হয়। এবছর ৯১জন নারী-পুরুষ হজ্ব গমনে যাচ্ছে বলে জানা গেছে। এই উদ্যোগকে অব্যহত রাখতে সকলের সহযোগীতা ও দোয়া চেয়েছেন প্রতিষ্ঠানের পরিচালক। প্রশিক্ষণ শেষে সকলের মঙ্গলকামনা করে দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন হাফেজ মাওলানা মোহম্মাদালী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

তালা ডেস্ক : সোনালী ব্যাংক লি. তালা শাখার ব্যাংক কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পরস্পর যোগসাজসে জালিয়াতির মাধ্যমে গ্রাহকদের টাকা লুটের ঘটনার শিকার হয়েছে দরিদ্র এক কৃষক। শিক্ষা সঞ্চয় স্কিম (ইডিএস) হিসাবের গ্রাহক তালার হরিশ্চন্দ্রকাঠি গ্রামের মৃত. হরিপদ মন্ডলের ছেলে সুজিত মন্ডলের ৮০ হাজার টাকা কৌশলে তুলে আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জালিয়াতির ঘটনা জানার পর ভুক্তভোগী সুজিত মন্ডল ব্যাংকের বর্তমান ম্যানেজারের নিকট ঘটনার প্রতিকার চাইলেও তিনি কোনও প্রতিকার পাননি। এমনকি ব্যাংক ম্যানেজার ভবেশ চন্দ্র মৃধা সুজিতকে এখন নানাভাবে হয়রানী করছে এবং ব্যাংক কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আত্মসাৎকৃত টাকার দায় ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহক সুজিত মন্ডলের উপর চাপানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। এঘটনায় ব্যাংকের গ্রাহকেদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
ভুক্তভোগী সুজিত মন্ডল জানান, বিগত ১৪/০৭/২০০৮ তারিখে তিনি তার নিজ নামে সোনালী ব্যাংক লি. তালা শাখা, তালা- সাতক্ষীরাতে একটি শিক্ষা সঞ্চয় স্কীম (ইডিএস) হিসাব খোলেন। যার হিসাব নং : ৩৬০০০০৬৩৯, পাশ বই নং : ৪৯১৬০। ১০ বছর মেয়াদী উক্ত হিসাবে প্রতি মাসে ১০০০ হাজার টাকা করে চলতি জুলাই- ২০১৭ পর্যন্ত তিনি নিয়োমিত টাকা জমা প্রদান করেছেন। এমতাবস্থায় গত ১২/০৭/১৭ ইং তারিখ দুপুর অনুমান ০২ টা ০৯ মিনিটে তালা সোনালী ব্যাংক এর ম্যানেজার টেলিফোন (টেলিফোন নং : ০৪৭২৭ ৫৬১০৭) থেকে সুজিত মন্ডলের মোবাইল ফোনে (মোবাইল নং : ০১৭২৯ ৭৪৬৩৮১) ফোন করে ব্যাংকে এসে দেখা করতে বলে। সেমতে ওইদিন বিকাল অনুমান ৪ টার সময় সুজিত মন্ডল তালা সোনালী ব্যাংকে যেয়ে ম্যানেজার এর সাথে দেখা করলে ম্যানেজার ভবেশ চন্দ্র মৃধা তাকে জানায় বিগত ০৪/০৪/১৭ ইং তারিখে সুজিত মন্ডল তাঁর ইডিএস হিসাব এর জমাকৃত টাকার বিপরীতে ৮০ হাজার টাকা লোন উত্তোলন করেছেন। ম্যানেজারের একথা শুনেই সুজিত হতভম্ভ হয়ে যায়। কারন তিনি কখনও তার হিসাবের বিপরীতে বা ব্যাংক থেকে অন্য কোনও লোন উত্তোলন করেননি। পরবর্তিতে সুজিত মন্ডল ম্যানেজার নিকট লোন উত্তোলনের আবেদন ফরম এবং লোন উত্তোলনের দিনকার ব্যাংকের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখতে চাইলে ব্যাংকের ম্যানেজার তাকে সহযোগীতা প্রদান না করে লোনের টাকা পরিশোধের কথা বলেন। এদিকে এপ্রিল মাসে লোন তোলার পর জুন মাস পর্যন্ত উক্ত লোনের জন্য ব্যাংক থেকে প্রায় আড়াই হাজার টাকা সুদ হিসাব করে তা’ ক্ষতিগ্রস্থ সুজিত মন্ডলের উপর চাঁপানো হয়েছে।
সুজিত মন্ডল আরো বলেন, তিনি কখনও তাঁর ইডিএস হিসাব সহ অন্য কোনও ভাবে ব্যাংক থেকে লোন উত্তোলন করেননি। ব্যাংকের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা তাঁর স্বাক্ষর জাল করে লোন হিসেবে টাকা উঠিয়ে তা আত্মসাৎ করেছে। জালিয়াতির মাধ্যমে টাকা আত্মসাতের ঘটনায় সুজিত মন্ডল তালা থানায় একটি জিডি (৪৬৩, তাং : ১৩/০৭/১৭ ইং) করেছেন। এছাড়া জালিয়াতির মাধ্যমে টাকা আত্মসাতের ঘটনার প্রতিকার পেতে দরিদ্র কৃষক সুজিত মন্ডল- দুদক, বাংলাদেশ বাংক ও সোনালী ব্যাংকের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
উল্লেখ্য, সোনালী ব্যাংক তালা শাখার প্রায় অর্ধ শত ইডিএস, ডিপিএস ও ডিপোজিট আমানতকারীদের হিসাবের বিপরীতে ব্যাংকের কতিপয় কর্মকর্তা ও কর্মচারী পরস্পর যোগসাজসে লক্ষ লক্ষ টাকা লোন হিসেবে উত্তোলন করে তা আত্মসাৎ করে। এবিষয়টি জানাজানি হবার পর থেকে ব্যাংকের এক কর্মচারী স্বপরিবার নিয়ে পালিয়ে গেছে। জালিয়াতির মাধ্যমে ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারীরা টাকা উঠিয়ে নেওয়ায় বর্তমানে আমানকতারী গ্রাহকরা চরম বিপাকে পড়েছে এবং ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। জনগনের বিশ্বস্ত সোনালী ব্যাংকে টাকা রাখার পর তা আত্মসাৎ হয়ে যাওয়া এবং টাকার নিরাপত্তা না থাকায় গ্রাহকদের মধ্যে বিরুপ প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। ক্ষতিগস্ত গ্রাহকরা ঘটনার সুষ্ঠ প্রতিকার এবং তদন্ত দাবী করলেও ব্যাংকের ম্যানেজার তা না করে গ্রাহকদের সাথে চরম দূর্ব্যবহার করছে এবং ব্যাংকের কর্মকর্তা কর্মচারীদের আত্মসাৎকৃত টাকার সুদসহ হিসাব গ্রাহকদের উপর চাপানোর চেষ্টা করছে। এতে ভুক্তভোগী গ্রাহকসহ তালাবাসীর মাঝে ক্ষোভ সৃষ্টি হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটায় ২বোতল বিদেশি মদসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার হয়েছে। দেবহাটা থানার এসআই মাজরিহা হোসাইন গত ১৪/৭/১৭ তারিখ মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে কুলিয়া-বহেরা এলাকা হতে তাদেরকে আটক করে। আটককৃত মাদক ব্যবসায়ীরা হলেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলার মুন্সিপাড়া এলাকার রফিকুল ইসলাম (৫০) ও মৃত কসিমউদ্দীন গাজীর পুত্র সবুর গাজী (৪০)। আটকের সময় তাকে ২ জনের কাছে মোট ২ বোতল বিদেশি মদ পাওয়া যায়। আটক মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ধারা-১৯৭৪ সালের স্পেশাল পাওয়ার এ্যাক্টের ২৫-বি(২) এ দেবহাটা থানায় ১৪/৭/১৭তারিখে ১০নং মামলা দায়ের হয়েছে।
প্রসংঙ্গত যে, দেবহাটা থানায় যোগদান করার পর থেকে মাদক ও অপরাধ নির্মূলে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি দেবহাটায় যোগদানের পর থেকে অসংখ্য মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীদের আটকের পাশাপাশি বড় বড় মাদকের চালান জব্দ করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ন্যাশনাল ডেস্ক : বাংলাদেশে স্বাধীন মতপ্রকাশের ক্ষেত্রে প্রধানত দুদিক থেকে বাধা আছে। একটি ক্ষমতাসীনদের তরফ থেকে, অন্যটির উৎস ধর্মীয় উগ্রবাদীরা। উগ্রবাদীদের কাছ থেকে কোনো ব্যক্তি নির্যাতনের বা মৃত্যুর ভয়ে থাকলে হয়তো তাঁর সুরক্ষা পাওয়ার সম্ভাবনা আছে। কিন্তু সরকারের বিরাগভাজন হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কোনো সুরক্ষা পান না।
শুক্রবার বাংলাদেশ প্রসঙ্গে যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের (হোম অফিস) প্রকাশিত হালনাগাদ তথ্যে এ কথা বলা হয়েছে।
বাংলাদেশের কোনো নাগরিক প্রাণনাশের ভয়ে যুক্তরাজ্যে আশ্রয় চাইলে সেই আবেদন কীভাবে বিবেচনা করা হবে, তার নির্দেশনা হিসেবে এমন হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করে দেশটি। ‘কান্ট্রি পলিসি অ্যান্ড ইনফরমেশন নোট: জার্নালিস্ট, পাবলিশার্স অ্যান্ড ইন্টারনেট ব্লগার্স’ শীর্ষক নির্দেশনায় বাংলাদেশে গণমাধ্যম ও ইন্টারনেটে ভিন্নমত প্রকাশের ঝুঁকিগুলোকে চিহ্নিত করা হয়েছে। শুধু মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ঝুঁকি নিয়ে এটিই প্রথম কোনো নির্দেশিকা, যেখানে সাংবাদিক, সম্পাদক, ব্লগারদের আশ্রয় আবেদন বিবেচনার বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও সংগঠনের বরাত দিয়ে বাংলাদেশে স্বাধীন মতপ্রকাশের ক্ষেত্রে আইনি বাধা, আইনের অপব্যাখ্যা করে হয়রানি, গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে হুমকি ও সাংবাদিকদের নিপীড়নের অস্তিত্বের কথা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে ৩২ পৃষ্ঠার এই প্রতিবেদনে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেন, সুরক্ষা বিষয়ে যেভাবে ঢালাওভাবে মন্তব্য করা হয়েছে, তা বাস্তবতার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়; বরং প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক গণমাধ্যম এমনকি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমেও খোলাখুলিভাবে মতামত প্রকাশ করা হচ্ছে।
উগ্রবাদীদের হাতে ভিকটিম হওয়ার কথা উল্লেখ করে ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেন, এ বিষয়ে বরং সরকার অনেক সুরক্ষা দিচ্ছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের সংবিধানে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার বিষয়টি আছে। কিন্তু অস্পষ্ট শব্দচয়নে তৈরি বিভিন্ন আইনের ধারা ব্যবহার করে সরকার হুমকি, হয়রানি ও গ্রেপ্তারের সুযোগ নেয়। নজরদারিতে রাখে। মানহানি ও রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ আনে। কিংবা বাধ্য করে সম্পাদক, প্রকাশক ও সাংবাদিকেরা যাতে নিজ থেকেই সরকারের সমালোচনার পথ এড়িয়ে চলেন (সেল্ফ সেন্সরশিপ)।
এতে বলা হয়, রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের বেসরকারি সংবাদপত্র ও টেলিভিশন চ্যানেলগুলো নিয়ন্ত্রণ করে। সরকারি বিজ্ঞাপন বণ্টন করে সরকার গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে।
এ প্রসঙ্গে দেশের দুটি শীর্ষ দৈনিক প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার-এ বিজ্ঞাপন আটকে দেওয়ার প্রসঙ্গ টেনে বলা হয়, ২০১৫ সালে চট্টগ্রামের পার্বত্য অঞ্চলে সেনা অভিযান নিয়ে স্পর্শকাতর সংবাদ প্রকাশ করায় বড় বড় কোম্পানিকে এই দুটি পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেওয়া থেকে বিরত থাকতে বাধ্য করা হয়।
স্বাধীন গণমাধ্যমকে বশে আনতে মানহানি ও রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ আনার নজির তুলে ধরে প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকারের দুর্নীতি নিয়ে প্রতিবেদন ছাপার কারণে ২০১৫ সাল থেকে প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান এবং ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম বহুসংখ্যক মানহানি ও রাষ্ট্রদ্রোহের মামলার শিকার হয়েছেন। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এসব মামলা করেছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সদস্য ও সমর্থকেরা। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মন্তব্য তুলে ধরে এতে বলা হয়, এসব মামলার অর্থ হলো সম্পাদকদ্বয় সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল আইনি ঝামেলা নিয়ে ব্যস্ত থাকবেন।
সরকারের শীর্ষ ব্যক্তিদের অনুষ্ঠানে কোনো কোনো সংবাদপত্রের কর্মীদের প্রবেশাধিকার কেড়ে নেওয়ার প্রসঙ্গ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, মতপ্রকাশের কারণে ২০১৩ সাল থেকে অন্তত ৯ জন ধর্মীয় উগ্রবাদীদের হাতে নিহত হয়েছেন।
যুক্তরাজ্যে আইন পেশায় নিয়োজিত তারেক চৌধুরী বলেন, আপাতদৃষ্টিতে এই নির্দেশিকা যুক্তরাজ্যে আশ্রয় আবেদনে ইচ্ছুক নিরাপত্তাহীন বাংলাদেশি লেখক ও গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য ইতিবাচক মনে হতে পারে। কিন্তু বাংলাদেশের গণমাধ্যম, সরকার ও দেশের ভাবমূর্তির জন্য এ চিত্র মোটেই শুভ নয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক রিয়াজউদ্দিন আহমেদ দেশে একেবারে মুক্ত সাংবাদিকতা সম্ভব হয় না উল্লেখ করে প্রথম আলোকে বলেন, ক্ষমতাসীনদের তরফ ও উগ্রবাদীদের তরফ ছাড়াও আরও একটি পক্ষ আছে, যারা ‘প্রেসার গ্রুপ’। এই গ্রুপ রাজনৈতিক নেতা, ব্যবসায়ী, প্রশাসনের লোকসহ বিভিন্ন রকম হতে পারে।
তবে তিনি বলেন, সরকারকে অনেক সময় চাপ সৃষ্টি করে সঠিক পথে আনা যায়। কিন্তু উগ্রবাদীরা কোনো কিছু মানে না।

সূত্র: প্রথম আলো

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

তালা প্রতিনিধি : মরণব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত তালা উপজেলার ইসলামকাটি ইউনিয়ন ছাত্রদল যুগ্ন-সম্পাদক খালিদ হাসানকে জেলা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। শনিবার (১৫ জুলাই) সকালে উপজেলার পরানপুর গ্রামে তার নিজ বাড়িতে তাকে দেখতে যান জেলা ও উপজেলা ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ। এসময় তাকে চিকিৎসা বাবদ ছাত্রদলের পক্ষ থেকে তাকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।
এসময় সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাফিজুর রহমান মুকুল, সাধারন সম্পাদক অহেদুজ্জামান আর্জেদ, তালা উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি সাইদুর রহমান সাঈদ, সাধারন সম্পাদক আনিছুজ্জামান আনিছ, ইসলামকাটী ইউনিয়ন বিএনপি’র সিনিয়র সহ-সভাপতি লোকমান হোসেন, সাধারন সম্পাদক গাজী সুলতান আহম্মেদ, তালা সরকারী কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি ইকবাল হোসেন,সাধারন সম্পাদক নাজমুল হুসাইন, ছাত্রনেতা সৈয়দ আজম, মীর মিল্টন, ফরহাদ হোসেন রনি, গাজী শাহীন, মেহেদী হাসান, জিএম ফারুক, হাফিজুর রহমান, মফিজুল ইসলাম, আকরামুল ইসলাম, মফিজুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম, নুরুল ইসলাম মন্টু, ইদ্রিস, এইইচ জুয়েল, মাছুদ, মনিসহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এরপর ইসলামকাটী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি শহীদ আজহারুল ইসলাম’র কবর জিয়ারত করেন ও ইসলামকাটী ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি খান রেজাউল ইসলাম অসুস্থ থাকায় তার বাড়িতে দেখতে যান এবং তার সুস্থতা কামনা করেন ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নজরুল ইসলাম রাজু : আ’লীগের হেভিওয়েট নেতা, সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের এমপি, জেলা পরিষদ, এলজিইডি সহ রাস্তা সংস্কারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ধর্ণা দিয়ে এছাড়া সাংবাদিকের বার বার লেখনিতেও কাজ না হওয়ায় দীর্ঘ ১৭ বছরের জরাজীর্ণ রাস্তাটি সংস্কারে নেমেছে রাস্তার পাশের ব্যবসায়ী-দোকানিসহ স্থানীয় এলাকাবাসী। স্বেচ্ছা শ্রমের ভিত্তিতে রাস্তাটি সংস্কারের কাজ শুরু করেছে তারা। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত অক্লান্ত পরিশ্রম করে রাস্তার গন্ধযুক্ত নোংরা কাদা-মাটি, আবর্জনা, ময়লার স্তুব পরিষ্কার করছেন।
এ কাজের জন্য নিজস্ব তহবিল থেকে প্রতিদিন ৮/১০ জন করে দিনমুজুর ভাড়ায় কাজের জন্য নেওয়া হয়েছে সাথে নেওয়া হয়েছে বেশ কয়েকটি ভ্যান। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের দাবি পাটকেলঘাটার সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ পল্লী বিদ্যুৎ সড়কটিতে প্রায় ২৫টির বেশী বড় বড় বিভিন্ন কোম্পানির শো-রুম রয়েছে। ক্রেতা সাধারণ এ রোডে কোনভাবে প্রবেশ করতে চাইনা রাস্তার বেহাল দশার জন্য। সাইকেল তো দূরের কথা হেটে যেতে গেল প্রায় হাটু কাদা পানি পাড়ি দিতে হয়। এদিকে পাটকেলঘাটা বাজার থেকে সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সড়কে যাওয়ার এক মাত্র সহজ পথ এটি। এই রাস্তা দিয়ে প্রতিনিয়ন চলাচল করে স্কুল কলেজগামী শত শত শিক্ষার্থী শিক্ষক। এদিকে রাস্তাটির সংষ্কারের প্রয়োজনীতা অনুধাবন করে ১শ এর অধিক ছবিসহ সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে। সরকার দলীয় নেতাদের রাস্তাটি প্রয়োজন উপলব্ধি করে শুধু বড় বড় কথার বুলি শুনেছে দীর্ঘ ১৬/১৭টি বছর ধরে এলাকাবাসী তাতে কিন্তু কাজের কোন কিছু হয়নি।
অবশেষে পল্লী বিদ্যুৎ রোডের ব্যবসায়ীরা একটি আহবায়ক কমিটি করে রাস্তা সংস্কারের কাজ করে চলেছে। আহবায়ক কমিটির আব্দুল ওয়াদুদ সরদার, শেখ পলাশ হোসেন, ইঞ্জিনিয়ার কামাল আহম্মেদ, আমজাদ হোসেন, মফিজুল ইসলাম,খান হামিদুল ইসলাম, রোকনুজ্জামানের সাথে আলাপ কালে জানা যায়, পল্লী বিদ্যুৎ রোডের ব্যবসায়ীরা প্রায় ৫ বছর থেকে রাস্তাটির জন্য ক্রেতা শূন্যতায় রয়েছেন। যার কারনে গুনতে লক্ষ লক্ষ টাকার লোকশান। এছাড়া রাস্তা সংস্কারের জন্য এমপি, সরকার দলীয় নেতা, এলজিইডি, জেলা পরিষদ কোথাও তো বলতে বাদ রাখিনি যখন শুধু শুনি বাজেট হয়েছে আবার বাজেটটি রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের কারণে ভেস্তে গেছে তখন আর কি করার নিজেরাই উদ্যোগ নিয়ে কার্যক্রম শুরু করেছি।
পাটকেলঘাটাবাসী জানে রাজনৈতিক প্রতিবন্ধকতায় পল্লী বিদ্যুৎ রোডের কাজটি শুরু হয়নি আর আদৌও হবে কিনা সেটা নিয়ে এলাকাবাসী সন্দিহান। সাধারণ এলাকাবাসীর প্রশ্ন রাজনৈতিক কারণে সাধারণ জনগন কেন কষ্ট পাবে? পল্লী বিদ্যুৎ সড়কের পাশে অবস্থিত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ হতে বসেছে। রাস্তাটি ভেঙ্গে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। অল্প বৃষ্টিতে বড় বড় গর্তের মধ্যে পানি জমে থাকায় দুগর্ন্ধের সৃষ্টি হয়ে ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে ব্যবসায়িক কাজকর্ম করতে দোকানীদের কষ্ট ব্যহত হচ্ছে। রাস্তাটির দু’ধারে গড়ে উঠেছে আবাসিক এলাকা, হাজার হাজার মানুষের মধ্যে শিক্ষক, ব্যবসায়ী, শিক্ষাথী, এনজিও কর্মী, কৃষক, বিভিন্ন ধরনের শ্রমিকরা নিদারুন কষ্টের মধ্যে দিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। এমপি, সরকার দলীয় হেবিওয়েট রাজনৈতিক নেতা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েও কোন সুরাহা না হওয়া শেষ পর্যন্ত রাস্তার পাশের দোকানীরা নিজেরাই চাঁদা তুলে ও সেচ্ছা শ্রমের ভিত্তিতে রাস্তাটি সংস্কার করা শুরু করেছে। ইতিমধ্যে প্রায় ১শ মিটার রাস্তার কাজ সংস্কার সম্পন্ন করা হয়েছে। তবে বর্তমান সরকারের মাননীয় এমপি, সরকারী নেতা কর্মীরা এমন এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার গুরুত্ব অনুধাবন না করায় হাজার হাজার মানুষ ভোগান্তীতে পড়েছে। তবে সকল ব্যবসায়ীক বৃন্দের একই প্রশ্ন সরকারের কাছেÑ সাতক্ষীরা জেলার প্রধান বাণিজ্য কেন্দ্র পাটাকলেঘাটার রাস্তাগুলোর এমন জরাজীর্ণ অবস্থা কেন? এটা কি ডিজিটাল সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশের রাস্তা না একটি কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্রের শিকার?

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : দীর্ঘ এক যুগ পর সোমবার বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামীলীগ সাতক্ষীরা জেলা শাখার কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সকাল ১০ টায় শহীদ অব্দুর রাজ্জাক পার্কের শিল্পকলা একাডেমি চত্বরে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। কর্মী সমাবেশকে ঘিরে নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা বিরাজ করছে। ইতি মধ্যে শহরের প্রাণকেন্দ্র পাকাপোলের ব্রিজ এলাকায় কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি সম্বলিত বঙ্গবন্ধু তোরণ নির্মাণ করায় শহরে যেন বাড়তি মাত্রা যোগ হয়েছে। এছাড়া শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কসহ সমাবেশ স্থলে আরও দুটি তোরণ নির্মাণ করা হয়েছে।
জানা গেছে, কর্মী সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ মহিলা আ ’লীগের সভাপতি সাবেক এমপি আলহাজ্ব সাফিয়া খাতুন। প্রধান বক্তা হিসাবে বক্তব্য রাখবেন কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মাহমুদা খাতুন কৃক। এছাড়া বিশেষ অতিথির বক্তব্য দিবেন জেলা আ ’লীগের সভাপতি সাবেক এমপি এবং জেলা পরিষদের সাবেক প্রশাসক মুনসুর আহমেদ, প্রিয় অতিথির বক্তব্য রাখবেন সাতক্ষীরা সদর-২ আসনের এমপি জেলা আ ’লীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মুস্তাক আহমেদ রবি। সম্মানিত অতিথির বক্তব্য রাখবেন জেলা পরিষদের নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব মো. নজরুল ইসলাম। কর্মীসভায় সভাপতিত্ব করবেন জাতীয় সংসদের ৩১২ সংরক্ষিত আসনের এমপি জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বেগম রিফাত আমিন। এছাড়া সমস্ত অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করবেন জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জ্যোৎ¯œা আরা। কর্মী সভা সফল করতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সকল দলীয় নেতা-কর্মীকে ওই দিন সভায় যোগদিতে আহবান জানিয়েছেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বিনোদন ডেস্ক : শখ ও নিলয়গত বছরের ৭ জানুয়ারি রাতে হঠাৎ করেই বিয়ের কাজটি সেরে নেন শখ ও নিলয়। বিয়ের খবর জানাজানি হয়ে গেলে ফেসবুকে ‘রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস’ পরিবর্তন করে ‘ম্যারেড টু নিলয় আলমগীর’ লেখেন। কয়েক দিন ধরে সেই স্ট্যাটাস আবার বদলে গেছে।
দেখা যাচ্ছে, শখের ‘রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস’ এখন সিঙ্গেল। অন্যদিকে নিলয়ের সম্পর্কের জায়গায়ও নেই শখের নাম। শুধু তা-ই নয়, নিলয় তাঁর ফেসবুক আইডির ‘অ্যাবাউট’ অপশন ‘গোপন’ করে রেখেছেন। তবে এ বিষয়টি নিয়ে শখ ও নিলয় কেউ সরাসরি কিছু বলেননি।
নিলয় জানান, ব্যক্তিজীবন নিয়ে তিনি কোনো কথা বলবেন না।
শখ ও নিলয়ের এমন স্ট্যাটাস দেখে পরিষ্কার হয়ে গেছে যে তাঁরা এখন আর একসঙ্গে নেই। অনেক দিন ধরে এই দুজনের সম্পর্ক নিয়ে কানাঘুষা চলছিল। সহকর্মী শিল্পী ও পরিচালকের কেউ কেউ এমনটাও বলছিলেন, কয়েক মাস ধরে তাঁরা দুজন নাকি এক ছাদের নিচেও থাকছেন না।
ভালোবেসে বিয়ে করার পর শখ আর নিলয় উত্তরায় সংসার শুরু করেছিলেন। শুরুর দিকে তাঁদের সংসার বেশ ভালোই চলছিল বলে জানিয়েছেন তাঁরা দুজন। একটি টেলিকম কোম্পানির বিজ্ঞাপনচিত্রে কাজ করতে গিয়ে সম্পর্কের খুব কাছাকাছি চলে আসেন শখ-নিলয়। এরপর ধীরে ধীরে সেটা প্রেমে পরিণত হয়। প্রেমের সম্পর্কও খুব বেশি দিন স্থায়ী হয়নি। ‘অল্প অল্প প্রেমের গল্প’ সিনেমা মুক্তির পর তাঁরা দুজন আবার কাছাকাছি চলে আসেন। এরপর বিয়ে করে সংসার শুরু করেন দুজন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest