সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটায় আটক ভারতীয় রেনু পোনা ইছামতি নদীতে অবমুক্তসাতক্ষীরার শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক ময়লার স্তুপদেবহাটায় ঘনঘন লোডশেডিংয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের চরম দুর্ভোগ শ্যামনগরে ছেলের গাড়ীর পেট্রোল নিতে জন্য দীর্ঘ লাইনে মাসাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক রিফ্রেশার প্রশিক্ষণ কর্মশালাকালিগঞ্জে মৎস্য ঘেরে বিষ প্রয়োগ- ২০ লাখ টাকার ক্ষতিসাংবাদিক শরীফুল্লাহ কায়সার সুমনের সুস্থতা কামনায় প্রেসক্লাবের বিবৃতিচ্যানেল ওয়ানে জাকিরের নিয়োগ : প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের অভিনন্দনসাতক্ষীরা’র শ্যামনগরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সংঘর্ষে আহত ১৪কালিগঞ্জে বিএনপির সভাপতির বিরুদ্ধে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে সম্পত্তি দখল ও লুটপাটের অভিযোগ

ডেস্ক রিপোর্ট : দীর্ঘদিন পর খালেদা জিয়াকে কাছে পেয়েছেন একমাত্র সন্তান তারেক রহমান, দুই পুত্রবধূ ও নাতনিরা। তাই সারাক্ষণ তাকে ঘিরেই যেন সব তৎপরতা। দুই পুত্রবধূ ডা. জোবায়দা রহমান ও শার্মিলা রহমান সার্বক্ষণিক শাশুড়ি খালেদা জিয়ার সেবা-শুশ্রূষা করছেন। খালেদা জিয়াও যেন রাজনীতিকে কিছুটা দূরে রেখে পরিবারের সঙ্গেই সময় কাটাতে চাইছেন। তাই পরিবারের লোকজন ছাড়া আর কারও সঙ্গে এখন তিনি দেখাও করছেন না। লন্ডন বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, সেখানে পৌঁছার পর থেকে বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার পরিবারের সদস্য, সফরসঙ্গী একান্ত সহকারী আবদুস সাত্তার আর গৃহপরিচারিকা ফাতেমা বেগম ছাড়া বাইরের কারও কোনো সাক্ষাৎ হয়নি।
পশ্চিম লন্ডনের সারে জেলার কিংস্টন এলাকায় ছেলের বাসায় থেকেই নিজের চিকিৎসা নিচ্ছেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। সোমবার একই এলাকায় অবস্থিত ‘কিংস্টন হাসপাতালে’ প্রিয় মাকে চোখের ডাক্তার দেখিয়ে নিয়ে এসেছেন তারেক রহমান।
বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ছোট ছেলে কোকোর মৃত্যুর পর অনেকটা ভেঙে পড়েন খালেদা জিয়া। পরিবারের বাকি সদস্যরা সবাই লন্ডনে। তিনি একা দেশে থাকেন। অনেকদিন ধরেই তাই ছেলে, পুত্রবধূ ও নাতনিদের কাছে যাওয়ার কথা ভাবছিলেন খালেদা জিয়া। সে কারণেই পরিবারের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটাতে লন্ডনে যাওয়া। আর এখন পর্যন্ত পরিবারের সঙ্গেই তিনি তার সবটুকু সময় ব্যয় করছেন।
গত ১৫ জুলাই রাতে ঢাকা থেকে রওনা দেওয়ার পরদিন লন্ডনের হিথ্র বিমানবন্দরে পৌঁছান বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজে গাড়ি ড্রাইভ করে খালেদা জিয়াকে বাসায় নিয়ে যান। এর পর থেকে আজ পর্যন্ত গত ১০ দিনের মধ্যে পরিবারের বাইরের কোনো ব্যক্তির সঙ্গে তার কোনো দেখা-সাক্ষাৎ হয়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

অপ্রতিম রহমান : ইউএনও গাজী তারিক সালমনকে হেনস্তার ঘটনায় এবার বরিশালের সেই দুর্নীতিবাজ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আলী হোসেনকে প্রত্যাহারের সুপারিশ করা হয়েছে। নিয়মানুযায়ী আইনমন্ত্রণালয় এই সুপারিশ ইতিমধ্যে সুপ্রিম কোর্টে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। এর আগে গতকাল বরিশাল ও বরগুনা জেলা প্রশাসককে প্রত্যাহার করা হয়েছে একই ঘটনার জেরে।

উল্লেখ্য, দেশব্যাপী আলোচিত চলমান ঘটনা শিশুদের আঁকা বঙ্গবন্ধুর ছবি দাওয়াতপত্রে ব্যবহার করায় আগৈলঝাড়ার সাবেক উপজেলা নির্বাহী অফিসার গাজী তারিক সালমানের বিরুদ্ধে ৭ জুন ৫ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ চেয়ে মানহানি মামলা হয়েছিল। চিফ মেট্রোপলিটন আদালতে এই মামলাটিরবাদী হলেন জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ ওবায়েদ উল্লাহ সাজু। বর্তমানে বরগুনা সদর উপজেলায় কর্মরত ইউএনও গাজী তারিক সালমান ১৯ জুলাই আদালতে হাজির হলে তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করেন। তবে এর দুঘণ্টা পর প্রশাসনের হস্তক্ষেপে জামিন মেলে।

ইউএনও গাজী তারিক সালমনকে জেলহাজতে পাঠানোর বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের কাছে বরিশাল মুখ্য মহানগর হাকিম মোহাম্মদ আলী হোসাইন যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন তার সঙ্গে বাস্তবতা ভিন্ন বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে।

তবে এবিষয়ে তিনি সুপ্রিম কোর্টকে মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন বলেও নিশ্চিত হয়েছে আইনমন্ত্রণালয়।
এ সংক্রান্ত তথ্য-প্রমাণে দেখা গেছে, ওই দিন (১৯-৭-২০১৭) হাজতখানার আসামী গ্রহণের রেজিস্ট্রি খাতায় অন্য আসামীদের সঙ্গে গাজী তারিক সালমনের নামও ছিল। ওই রেজিস্ট্রারে তার নাম ছিল ১ নম্বর ক্রমিকে। শুধু তাই নয় সেখানে তারিক সালমনের পিতার নামের পাশাপাশি স্থায়ী ঠিকানাও উল্লেখ ছিল। পাশেই নির্দেশদাতার সূত্র হিসেবে লেখা রয়েছে ‘সিএমএম’ (চিফ মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেট)। সিআর মামলা নং ৪২৭/১৭ (সদর) আসামী হিসেবে ইউএনও গাজী তারিক সালমন সেদিন আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
রোববার সুপ্রিম কোর্টের কাছে দেয়া লিখিত ব্যাখ্যায় বরিশাল মুখ্য মহানগর হাকিম মোহাম্মদ আলী হোসাইন বলেন, ইউএনও গাজী তারিক সালমনের জামিন নামঞ্জুরের কোন আদেশ ওইদিন তিনি দেননি। ব্যাখ্যায় তিনি আরো বলেন, ‘আদালতের কার্যপ্রণালী শেষে এজলাস ত্যাগ করে খাস কামরায় এসে শুনি ইউএনও-র জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে মর্মে অনলাইন মিডিয়ায় সংবাদ প্রচার করা হচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে তার জামিন আবেদন একটি বারের জন্যও নামঞ্জুর করা হয়নি। ফলে জেল হাজতে পাঠানোর কোন প্রশ্নই উঠে না।’
“ইউএনও-র পক্ষে নথি দাখিল হলে এবং উত্তেজনাকর পরিস্থিতির অবসান হলে জামিনের আবেদন এবং ফৌজদারি কার্যবিধির ২০৫ ধারার আবেদন আইনানুগ প্রক্রিয়া পালনপূর্বক মঞ্জুর ক্রমে জামিন প্রদান করা হয়। ইউএনওর আদালত কক্ষ ত্যাগের পরে তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা যাতে বিঘিœত না হয় এবং অনাকাক্সিক্ষত পরিস্থিতি পরিহারের জন্যই আমি তৎক্ষণাৎ জামিনের দরখাস্তের আদেশ না দিয়ে নথি দাখিল হলে শুনানি শেষে আদেশ দেয়া হবে বলে উদ্ভূত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেছি।”
বিচারক তার ব্যাখ্যায় আরো বলেন, ‘(কোতোয়ালি) মামলাটি শুনানি চলাকালে উৎসুক জনসাধারণের রোষানল হতে ইউএনও-র ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য শুনানি মুলতুবি করা হয়। ইউএনওর আইনজীবী মোখলেছুর রহমানের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কাগজাত (নথি) দাখিল করতে বলি এবং মৌখিক আদেশ দেয়া হয় যে, নথি দাখিলের পরে পুনরায় শুনানি হবে। আমি তখন ইউএনওকে আদালত কক্ষে বসাতে বলি। আদালতে কর্তব্য পালনরত পুলিশ সদস্যগণ ইউএনও-র সার্বিক ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিতে সাধ্যমত চেষ্টা করেন।’ “ইউএনওকে আদালতের কাঠগড়া হতে পরিপূর্ণ নিরাপত্তা দিয়ে আদালতের কক্ষে বসানোর জন্য আদালত কক্ষের এক দরজা দিয়ে বের হয়ে বারান্দা ব্যবহার করে অন্য দরজা দিয়ে আদালত কক্ষে আনতে হয়েছে। এই সময়ে মিডিয়ার কর্মীরা বা অন্য কেউ কোন ছবি তুলেছেন কিনা তা অবলোকন করা আমার পক্ষে সম্ভব হয়নি। এই সময়ে কি সংবাদ প্রচার করা হয়েছে তাও আমি বিচারকার্য পরিচালনাধীন থাকায় তা জানতে পারিনি।”

কেবল সার্কিট হাউসে ভাড়া বকেয়া নয়, বিনা ভাড়ায় লঞ্চে যাতায়াতের কথা ফাঁস হয়েছে বরিশালের মুখ্য মহানগর হাকিম মো. আলী হোসাইনের বিরুদ্ধে। যাত্রী চাপ থাকায় ঈদুল ফিতরে পছন্দের বিনা ভাড়ার সিটের টিকেট দিতে বিলম্ব হওয়াতে গ্রীন লাইন ওয়াটারওয়েজের কর্মকর্তা মো. লিপটনকে পুলিশ দ্বারা ডাকিয়ে নেওয়া হয়েছিল। একথার সত্যতা স্বীকার করেন কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আওলাদ হোসেন। বিচারকরা প্রভাব খাটিয়ে বিনা ভাড়ায় যাতায়াত করলে এটা নৈতিকতার পরিপন্থি বলে জানালেন নাগরিক সমাজের নেতৃস্থানীয়রা।
গ্রীন লাইন ওয়াটারওয়েজের কর্মকর্তা মো. লিপটন বলেন, প্রায় আড়াই বছর আগে বরিশাল টু ঢাকা রুটে নদীপথে তাদের গ্রীন লাইনের যাত্রা শুরু হয়। এর মাস কয়েক পরই চিফ মেট্রেপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের পেশকার মো. সুমন হাওলাদার তাদের বিচারক মো. আলী হোসাইনের জন্য টিকেট নিতে আসেন। বিনা ভাড়ায় টিকেট চাইলে অপারগতা প্রকাশ করলে নানা ধরনের হয়রানির ভয় দেখায়। এরপর টিকেট দিতে রাজি হলেও তাও আবার সৌজন্য লেখা যাবে না বলে আপত্তি তোলেন পেশকার সুমন। অবশেষে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানালে চাহিদা অনুযায়ী টিকেট দিতে বলেন। প্রতি বৃহস্পতিবার চিফ মেট্রেপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আলী হোসাইন বরিশাল থেকে ৩টার লঞ্চে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন। মাস ছয়েক হলো তার সাথে আরো যুক্ত হয়েছেন চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক গোলাম ফারুকের জন্য বিনা ভাড়ায় টিকেট নেওয়া। এই দুই বিচারককে তাদের পছন্দের ছিট দিতে হয়।
গ্রীন লাইন ওয়াটার ওয়েজের এই কর্মকর্তা আরো বলেন, এবার ঈদুল ফিতরে দুই বিচরকের পছন্দের সিট দিতে না পারায় বরিশাল কোতোয়ালি থানার পুলিশ তাকে ডেকে নিয়েছিলেন। অবশ্য পুলিশ বিষয়টি জানতে পেরে তার সাথে খারাপ কোন আচরণ করেননি।
এনিয়ে কথা বলার জন্য চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক বা পেশকারকে মুঠোফোনে বার কয়েক কল দিলেও তারা রিভিস করেননি। তবে কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আওলাদ হোসেন বলেন, তাদের কাছে বলায় গ্রীন লাইনের কর্মকর্তাকে ডেকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন মাত্র।
অপরদিকে ২০১৫ সালে ২৭ অক্টোবর থেকে ২০১৬ সালের ২৮ জুন পর্যন্ত সার্কিট হাউজের ৭ নম্বর কক্ষে বাস করে মাত্র ৫ দিনে ৩৯০ টাকা ভাড়া প্রদান করেছেন চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. আলী হোসাইন। তার কাছে ৯৩ হাজার ৯৫০ টাকা পাওনা আছে বলে ৪ আগস্ট ২০১৬ তারিখ ওই সময়ের নেজারত ডেপুটি কালেক্টর কল্যাণ চৌধুরী চিঠি দিয়েছিলেন। সার্কিট হাউসের দায়িত্বে থাকা এনডিসি মোহাম্মদ নাহিদুল করিম বলেন, বকেয়া ভাড়া এখন পর্যন্ত পরিশোধ করেননি চিফ মেট্রেপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট।
লঞ্চে বিনা ভাড়ায় টিকেট নেওয়া সার্কিট হাউসের ভাড়া পরিশোধ না করার বিষয়ে পাবলিক প্রসিকিউটর গিয়াস উদ্দিন কবুল বলেন, তিনি জানতেন লঞ্চে তাদের কোটায় থাকা সিটে ভাড়া পরিশোধ করে বিচারকরা যাতায়াত করেন। ভাড়া না দিয়ে যাতায়াত করে থাকলে এটা নৈতিকতা বিরোধী। এ নিয়ে সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বয় পরিষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট এসএম ইকবাল বলেন, বিচারকদের পরিচ্ছন্ন মনোভব থাকা আমাদের কাম্য। এ বিষয়গুলো সমাজের মানুষ জানতে পারলে তাদের সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা জন্ম নিবে এটাই স্বাভাবিক।

এ বিষয়ে ডেইলি সাতক্ষীরায় প্রকাশিত প্রতিবেদনটি পড়ুন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ভারতের নতুন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ শপথ নিয়েছেন। সোমবার স্থানীয় সময় বেলা ১২টা ১৫ মিনিটে সংসদের সেন্ট্রাল হলে দেশটির ১৪তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে তাকে শপথ পড়ান প্রধান বিচারপতি জে এস খেহার।

এসময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি, কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীসহ রাজ্য সভার চেয়ারম্যান, লোক সভার স্পিকার, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবর্গ ও প্রত্যেক সাংসদ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাসহ প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

শপথের পরেই নতুন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দকে দেয়া হয় গান স্যালুট। গান স্যালুটের পরে সেন্ট্রাল হলে বক্তব্য রাখেন তিনি। বিহার রাজ্যের সাবেক গভর্নর কোবিন্দ বিরোধীদলীয় প্রার্থী মীরা কুমারকে বিপুল ভোটে পরাজিত করে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন। বিজেপির এই প্রার্থী মোট ভোটের দুই-তৃতীয়াংশ পেয়েছেন।

লোকসভা, রাজ্যসভাসহ ১১টি রাজ্যের ভোট গণনা শেষে বৃহস্পতিবার ভারতীয় নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা এ তথ্য জানান। ওই দিন ফল ঘোষণার পর জয়ের প্রতিক্রিয়ায় কোবিন্দ বলেন, আমি বুঝতে পারছি এটি একটি মহান দায়িত্ব।

এদিকে গতকাল ২৪ জুলাই বর্তমান রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির মেয়াদ শেষে তাকে আনুষ্ঠানিক বিদায় জানান নরেন্দ্র মোদি। ১৭ জুলাই সোমবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এদিন সাংসদ ও বিধায়ক মিলিয়ে মোট চার হাজার ৮৯৬ জন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। এরপর ২০ জুলাই সকাল ১১টা থেকে ভোটগণনা শুরু হয়। আনুষ্ঠানিকভাবে বিকাল ৫টায় ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

তালা ডেস্ক : চারপাশে বাগান আর বাগন। ঝোপ-ঝাড়ের মধ্যে রয়েছে চারটি পূরাতন ভবন। সামনে রয়েছে আমবাগান। এরমধ্যে একটি দ্বি-তল ভবন একেবারেই নাজুক। অন্য তিনটি ধংস্বস্তুপ। এসব ভবন ও বাগানটি দীর্ঘদিন ছিলো পরিত্যাক্ত অবস্থায়। এ বাড়ি এবং বাগানটি বলায় বাবুর আমবাগান নামে পরিচিত এলাকায়।
তবে দীর্ঘদিন অযতœ-অবহেলায় পড়ে থাকা বাবু’র বাড়ি ও আমবাগানটি তালা উপজেলা প্রশাসনে’র উদ্যোগে হতে চলেছে ইকো পার্ক ও মিনি স্টেডিয়াম। ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের তত্বাবধায়নে কাজ শুরু হয়েছে সেখানে।
ইসলামকাটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সুভাস সেন জানান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ফরিদ হোসেন পরিদর্শন করে ইকো পার্ক ও মিনি স্টেডিয়াম বাস্তবায়নের জন্য উৎসাহিত করেন। নির্দেশনা ও পরামর্শে কাজ শুরু হলে জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় সংসদ সদস্য বাবু’র আমবাগানটি পরিদর্শন করেন। সর্বশ্রেণীর মানুষ এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে।
সাতক্ষীরার তালা উপজেলার ইসলামকাটি ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামে অবস্থিত এটি। বলায় ঘোষ ও অবলাকান্ত ঘোষের ছিলো এ বাগান-বাড়িটি। ১৯৭১ সাল পর্যন্ত তারা ইসলামকাটি ইউনিয়নের কর্তা ছিলেন। তবে ১৯৭১ সালে এ দেশ ছেড়ে ভারতে চলে যান তারা। সেই থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিলো তাদের বাসস্থান ও সামনের আমবাগানটি। প্রায় ৯ একর জমির উপর বসতবাড়ি ও সামনে প্রায় ১০ একর জমিতে রয়েছে বাগান। তারা ভারতে চলে যাওয়ায় ওই জমি সব বাংলাদেশ সরকারের এক নম্বর খাস খতিয়ানে অর্ন্তভুক্ত হয়।
সোমবার (২৪ জুলাই) সরেজমিনে গোপালপুর আমবাগানে গিয়ে দেখা যায়, একটি স্কেবেটর (মাটি কাটা মেশিন) মেশিন মাটি কেটে উঁচু-নিচু সমানের কাজ করছে। পানি নিষ্কাশনের জন্য সীমানা বরাবর ড্রেন কাটার কাজ চলমান রয়েছে। ঝোপ-ঝাড় পরিস্কার করছে সাত জন শ্রমিক। নাজুক ভবনটির একপাশে সুজিত মজুমদার আরেক পাশে রফিকুল ইসলাম পরিবার নিয়ে বসবাস করে আসছে। এছাড়াও বাগানের পাশ দিয়ে আরও ১২টি পরিবার ঘর নির্মান করে বসবাস করছে।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, বাবুরা ভারতে চলে যাওয়ার পর, যে যার মতো দখলে নেওয়ার চেষ্টা করে আসে তাদের জমি ও বসত বাড়ি। অনেকে ওই জমি ইজারা নিতে আগেই দখলে নিয়েছে। বর্তমানে ইজারা বন্ধ থাকলেও তারা দখল ছাড়েনি এখনও। এরমধ্যে উপজেলা প্রশাসন পার্ক ও মিনি স্টেডিয়ামের কাজ শুরু করেছে। বর্তমানে কাজটি চলমান রয়েছে।
উপজেলার ঘোনা গ্রামের সিরাজুল ইসলাম। তিনি তার পরিবার নিয়ে বর্তমানে গোপালপুর গ্রামে বাবু’র আমবাগানে বসবাস করেন। কিভাবে বসবাস করেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,‘আমরা বাবু’র বাড়িতে কাজ করতাম। তিনি চলে যাওয়ার পর থেকে আমরা এখানে বসবাস করে আসছি। তবে আমাদের এখনও তেমন কোন কাগজ পত্র হয়নি।’ এমন বক্তব্য ওখানে বসবাসকারী আমজেত, আজিজুল সহ চার জনের।
বাবুদের বসত ঘরে বসবাসকারি সুজিত মজুমদার জানান, আমি ১৯৭৪ সাল থেকে সরকারের কাছে থেকে এক সনা ইজারা নিয়ে বসবাস করে আসছি। ২০১৬ সাল পর্যন্ত সরকারের কাছে থেকে তার ইজারা নেওয়া আছে। চলতি বছর ইকোপার্ক ও স্টেডিয়াম করার জন্য সরকার তাদের কোন ইজারা দেয়নি। তবে তিনি সেখানে এখনও বসবাস করছে।’
ইসলামকাটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সুভাষ সেন বলেন,‘উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ইকোপার্ক ও মিনি স্টেডিয়ামের কাজ চলমান রয়েছে। নির্বাহী অফিসারের তত্বাবধায়নে কাজ এগিয়ে চলছে।’
তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফরিদ হোসেন জানান, উপজেলায় কোন বিনোদন পার্ক নেই। নেই মানুষের বিনোদনের কোন জায়গা। বাবু’র আম-বাগানটি যে যার মতো দখলে নেওয়ার চেষ্টা করছিল। তিনি বলেন, ‘কমিশনার স্যারের নির্দেশনা ও ডিসি স্যারের পরামর্শে বাবু’র আমবাগান ও বসতবাড়িতে ইকোপার্ক ও মিনি স্টেডিয়ামের কাজ শুরু করেছি। বর্তমানে কাজটি চলমান রয়েছে।’
তালা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ বলেন, বিষয়টি নিয়ে ইউএনও সাহেব একদিন আমাকে বলেছিল। আমি সেখানে গিয়ে ছিলাম। এরপর আমার সাথে বিষয়টি নিয়ে কেউ কথা বলেনি।
খুলনা বিভাগীয় কমিশনার আব্দুস সামাদ বলেন, প্রতিটি উপজেলায় বিনোদন পার্ক তৈরি করার নির্দেশনা আছে। সেই অনুযায়ী আমরা কাজ করে যাচ্ছি। এখানে অবৈধ দখলদার বা কেউ বাধা দিলে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।
সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট মুস্তফা লূৎফুল্লাহ বিনোদন পার্ক ও মিনি স্টেডিয়াম করার এমন উদ্দ্যোগ নেওয়ার জন্য উপজেলা প্রশাসনসহ সকলকে ধন্যবাদ জানান। সাথে সাথে দ্রুত কাজটি বাস্তবায়নের জন্য সকলকে এগিয়ে আসার আহবান জানান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ডেস্ক রিপোর্ট : গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে সাতক্ষীরা জেলার বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। অসংখ্য মৎস্য ঘের প্লাবিত হয়েছে। সাতক্ষীরা পৌরসভার বিভিন্ন স্থানের অবস্থাও অত্যন্ত নাজুক।শেহরবাসীর এই দুরাবস্থার জন্য অবশ্য সাতক্ষীরা পৌর কর্তৃপক্ষের উদাসীনতাকেই দায়ী করছেন নাগরিকরা। অপ্রতুল এবং একবোরেই পরিকল্পনাহীন ড্রেনেজ ব্যবস্থা, রক্ষণাবেক্ষণের অভাব, সময়মত উদ্যোগ গ্রহণ না করার কারণে শহরবাসী আজ নাকাল হচ্ছে।

সাতক্ষীরা কালেক্টরেট এলাকা

ডেইলি সাতক্ষীরার মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমান ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রামের ইন্টার্ন সোহেল পারভেজ শহরের বিভিন্ন স্থানেথেকে কিছু ছবি সংগ্রহ করেছেন। আশা করি এই ছবিগুলোই সাতক্ষীরা শহরবাসির জলমগ্নতার চিত্র কিছুটা হলেও বোঝাতে পারবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কক্সবাজারে আবারো পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। এতে ২ শিশুসহ কমপক্ষে ৪ জন নিহত হয়েছেন। আরও ১০ জনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার ভোর ৪টার দিকে কক্সবাজার শহরের লাইট হাউজ এলাকা এবং রামু উপজেলার মিঠাছড়ি ইউনিয়নের চেইন্দা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। শহরের পাহাড়তলী, উখিয়া, টেকনাফেও পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত আরও ছয়জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের উপ-সহকারী পরিচালক আব্দুল মালেক জানান, রামুর চেইন্দা এলাকায় পাহাড় ধসের ঘটনায় ঘুমন্ত অবস্থায় একই পরিবারের সায়মা (৫) ও জিহান (৭) নামের দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মাটিচাপা পড়া অবস্থায় তাদের বাবা জিয়াউর রহমান (৩৫) ও মা আনার কলি-কে (২৯) জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত দম্পতিকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

কক্সবাজার শহরের লাইট হাউজ এলাকায় অপর পাহাড় ধসের ঘটনায় মোহাম্মদ শাহেদ (১৮) ও সাদ্দাম হোসেন (২৮)-এর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া দেলোয়ার হোসেন (২৫) ও আরফাত হোসেন-কে (৩০) আহত অবস্থায় উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ভারতের একটি প্রদেশে টমেটো পাহারা দেবার জন্য নিয়োগ করা হয়েছে সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষী। কাঁধে বন্দুক নিয়ে টমেটো পাহারা দিচ্ছেন তারা।

কিন্তু কেন এই ব্যবস্থা? কেউ যেন টমেটো চুরি করতে না পারে সেজন্যই অদ্ভুত এই ব্যবস্থাটি গ্রহণ করেছে ভারতের মধ্যপ্রদেশের কর্তৃপক্ষ।

হিন্দুস্তান টাইমস তাদের এক প্রতিবেদনে বলছে, মধ্যপ্রদেশে এ বছর টমেটোর বাম্পার ফলন হলেও টমেটোর মৌসুম এখন নয়। সেই সঙ্গে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে কয়েকটি এলাকায় ফসলের উৎপাদন কম হওয়ায় শাক-সবজি ও ফলমূলের দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে টমেটোর দামও অনেক বেশি বেড়ে গেছে।

অথচ কয়েক মাস আগেও টমেটোর দাম অনেক কম ছিল।

কিন্তু এখন টমেটো চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল হওয়ায় ভারতের অনেক জায়গাতেই এর দাম বেড়ে গেছে দ্বিগুণেরও বেশি।

আগে যেখানে প্রতি কেজি টমেটোর দাম ছিল ৩০ থেকে ৪০ রুপি, এখন সেখানে প্রতি কেজি টমেটোর দাম ধরা হচ্ছে প্রায় ১০০ রুপি। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস তাদের প্রতিবেদনে বলছে এই দামে ভোগান্তিতে পড়ছে সাধারণ মানুষেরা।

এরপর থেকে ভারতের বিভিন্ন জায়গায় টমেটো চুরি হবার খবর পাওয়া গেছে। চলতি মাসেই হাজার হাজার মূল্যের কয়েক টন টমেটো চুরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

আর তাই টমেটো পাহারা দেওয়ার জন্য নিরাপত্তারক্ষী মোতায়েনের প্রয়োজন মনে করেছে কর্তৃপক্ষ।

মধ্যপ্রদেশের দেবি আহিল্য বাই হোলকার মার্কেটের কর্তৃপক্ষ ছয়-সাতজন সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষী নিয়োগ দিয়েছে টমেটো পাহারা দেয়ার জন্য। বিশেষ করে ট্রাক থেকে যখন সেগুলো নামা হয় তখন যেন সেসব কেউ চুরি না করতে পারে সেদিকেই দৃষ্টি রাখছে কর্তৃপক্ষ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

রবিবার রাতে জর্ডানে ইসরায়েলি দূতাবাসে হামলায় দুইজন নিহত ও একজন আহত হন। এরপর থেকেই নিরাপত্তার স্বার্থে এমন সিদ্ধান্ত নিলো ইসরায়েল। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক উচ্চপর্দস্থ কর্মকর্তা বলেন, আমানের ঘটনায় আমরা উদ্বিগ্ন। পরিস্থিতি শান্ত না হওয়া পর্যন্ত আমরা সাময়িকভাবে দূতাবাস বন্ধ রাখছি।

এদিকে আল-আকসা থেকে মেটাল ডিটেক্টর সরিয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসরায়েলি। এই মেটাল ডিটেক্টরসহ কড়া নজরদারির কারণেই ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে ইসরায়েলি বাহিনীর সংঘর্ষ হয়। মসজিদ দখলের পায়তারা অভিযোগ করে প্রতিবাদে রাস্তায় নামে অনেক ফিলিস্তিনি।

সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest