সর্বশেষ সংবাদ-

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ। ১৯২১ সালের ১ জুলাই যাত্রা শুরু করে রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত এই উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান। শনিবার এর ৯৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। তাই আজ ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস’। এ বছর এর প্রতিপাদ্য ‘উদ্ভাবন ও উন্নয়নে উচ্চশিক্ষা’। এবার বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপন করা হবে দিনটি। এ উপলক্ষে ঢাবি ক্যাম্পাসে থাকছে নানান কর্মসূচি।

সকাল সোয়া ১০টায় প্রশাসনিক ভবন সংলগ্ন মলচত্বরে জাতীয় পতাকা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও হলসমূহের পতাকা উত্তোলন, পায়রা ওড়ানো, কেক কাটা এবং উদ্বোধনী সংগীতের মধ্য দিয়ে দিবসের কার্যক্রম শুরু হবে। কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাবি’র পক্ষ থেকে একটি শুভেচ্ছা বাণী প্রদান করেছেন তিনি।

শুভেচ্ছা বাণীতে উপাচার্য শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃতী ছাত্র জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। তিনি বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ২০২১ সালে শতবর্ষে পদার্পণ করবে। সরকারের রূপকল্প-২০২১ মাথায় রেখে ঢাবি শিক্ষা, গবেষণা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিসহ টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। তাই আমাদের এবারের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর প্রতিপাদ্য হলো উদ্ভাবন ও উন্নয়নে উচ্চশিক্ষা।’

শনিবার সকালে উপাচার্যের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে থাকবেন উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. নাসরীন আহমাদ, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দীন।

অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে সকাল ১০টা থেকে ১টা পর্যন্ত থাকবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগার আয়োজিত দুর্লভ পাণ্ডুলিপির প্রদর্শনী। এর আগে সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বিভিন্ন হল থেকে শোভাযাত্রাসহ প্রশাসনিক ভবন সংলগ্ন মলচত্বরে সমবেত হবেন। সেখান থেকে শোভাযাত্রা নিয়ে যাবেন টিএসসিতে।

এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অনুষদ, বিভাগ, ইনস্টিটিউট ও হলে থাকছে দিনব্যাপী কর্মসূচি। বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে হল, বিভাগ ও অন্যান্য অফিস খোলা থাকবে দুপুর ১২টা পর্যন্ত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরার কলারোয়ায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে নাশকতার মামলার আসামী হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারসহ ২জামায়াত কর্র্মীকে আটক করেছে থানা পুলিশ। শুক্রবার দুুপুরের দিকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতরা হল ২জামায়াত কর্মী লাঙ্গলঝাড়া গ্রামের মৃত ইমান আলী সরদারের ছেলে ও লাঙ্গলঝাড়া বাজারে হোমিও প্যাথিক ডাক্তার আব্দুর রাজ্জাক (৫৭) এবং গোয়ালচাতর গ্রামের মৃত আব্দুর রহিমের ছেলে আব্দুুর রশিদ (৫১)। আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে থানার অফিসার ইনচার্জ বিপ্লব কুমার নাথ জানান, গত বুধবার গভীর রাতে কেরালকাতা ইউনিয়নের সিংগা হাইস্কুলের পিছনে বসে আটকরা আগামী সংসদ নির্র্বাচনকে ঘিরে সরকার বিরোধী ষড়যন্ত্র ও নাশকতা পরিকল্পনা করার জন্য কয়েকজন জামায়াত-শিবিরের নেতা কর্মীদের নিয়ে গোপনে বৈঠক করছিল। এ সময় পুলিশ খবর পেয়ে ওই রাতেই সেখান থেকে জামায়াত-শিবিরের ৯ নেতা কর্মীকে আটক করেন। পরে এ ঘটনায় থানার এসআই জাহাঙ্গীর হোসেন বাদি হয়ে নাশকতা পরিকল্পনা করার অভিযোগে কয়েকজনের নাম উল্লেখসহ অঙ্গতদের আসামী করে একটি মামলা নং (৫০) ৬/১৭ দায়ের করেন। সেই মামলার আসামী হওয়ায় থানার এসআই পিন্টু লাল দাস শুক্রবার দুপুরে ডাক্তার আব্দুর রাজ্জাক ও আব্দুুর রশিদকে এলাকা থেকে আটক করেন। বর্তমানে মামলাটি থানার এসআই পিন্টু লাল দাস তদন্ত করছে বলে জানা যায়। এদিকে বর্র্তমান সরকারকে উৎখাত করার জন্য ডাক্তার আব্দুর রাজ্জাক জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীদের অর্থ যোগানদাতা হিসেবে দীর্র্ঘদিন ধরে কাজ করেই চলেন বলে স্থানীয়রা জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মুফতি আব্দুর রহিম কচি আর নেই। ভাবতেই পারি না সুস্থ অবস্থায় তাকে যেরকম দেখেছি সেই দেখাই যেন চির জাগরুক থাকুক। সাপ্তাহিক দখিনায়নের সম্পাদকÑ এই ছিল তার মূল পরিচয়। মুফতি আব্দুর রহিম কচি আর দখিনায়ন সমার্থক ছিল। সাপ্তাহিক দখিনায়নের ডিকা¬রেশন বের করা এবং পত্রিকাটি প্রকাশনা ও সম্পাদনার পুরো দ্বায়িত্বটি ছিলো মুফতি আব্দুর রহিম কচির জীবনের এক অসাধারণ সাধনার বিষয়। শুধুমাত্র একটি পত্রিকার ডিকা¬রেশন পাওয়ার জন্য এ রকম সাধ্য-সাধনার নজির দ্বিতীয়টি আর খুঁজে পাওয়া খুবই কঠিন।
তৎকালীন সাতক্ষীরা মহাকুমা থেকে সাপ্তাহিক দখিনায়নের ডিকা¬রেশন পাওয়ার উদ্দেশ্যে খুলনার ডিসি অফিসে যোগাযোগ করতে মুফতি আব্দুর রহিম কচি দীর্ঘদিন সাইকেল চালিয়ে যাতায়ত করেছেন। সাইকেলই ছিল তার একমাত্র বাহন। সাপ্তাহিক দখিনায়ন প্রকাশের পর থেকে প্রত্রিকাটি সাতক্ষীরার সাংবাদিকতার জগতে একটি বস্তুনিষ্ঠ, আর্দশবাদী ও সুস্থধারার পথিকৃতের ভূমিকা পালন করে থাকে। সাতক্ষীরার সাংবাদিকদের পেশাগত দক্ষতা ও মান উন্নয়নের জন্য দখিনায়নের উদ্যোগে কর্মশালারও আয়োজন করা হয়।
পত্রিকার সম্পাদক ছাড়াও মুফতি আব্দুর রহিম কচি এক জন উঁচুমানের আবৃত্তিকার ও অভিনয় শিল্পী ছিলেন। একজন বৃদ্ধের ভূমিকায় তার অনবদ্য অভিনয় ছিলো অতুলনীয়, অবিস্মরণীয়। অভিনয় ও নাট্য শিল্পীদের নিয়ে সংগঠনও গড়ে তুলেছিলেন। কচি ভাই হিসাবে সর্বজনের কাছে তার একটি বিশেষ গ্রহণ যোগ্যতা ছিল। অত্যন্ত বন্ধুবৎসল সদালাপী ছিলেন তিনি। মুহুর্তে অন্যকে আপন করে নিতে পারতেন। তবে তিনি তার দখিনায়ন সম্পাদকের প্রধান পরিচয়টি ধরে রাখতে পারেননি। একটি গরংংরহম ষরহশ ঘটে যায়। পত্রিকার কাজ ফেলে রেখে সুন্দরবন অঞ্চলে দিদারের ট্রলার নিয়ে যৌথভাবে চিংড়ি পোনা ধরার ব্যাবসাও করেছেন। এই ঝুঁকিপুর্ণ নৌপথে একমাত্র সঙ্গী ছিলেন তার ট্রলার চালক বিশ্বস্ত মনিদা। এছাড়াও তিনি চিংড়ি হ্যাচিরিতে হিসাবরক্ষকের চাকুরি করেছেন। এর আগে আলুর ব্যবসাও করেছেন। দখিণায়ন পত্রিকা প্রকাশনার প্রাথমিক পর্যায়ে পত্রিকা ও বইয়ের ব্যবসাও করার চেষ্টা করেছেন। বিগত সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে সাতক্ষীরার কয়েকটি পত্রিকার সাথে গড়ে সাপ্তাহিক দখিণায়নকেও আত্মপক্ষ সমর্থনের কোন সুযোগ না দিয়ে পত্রিকার ডিক্লারেশন বাতিল করে দেয় সরকার। তারপর সেটি আর পুনরুজ্জীবিত করার কার্যকর কোন চেষ্টা না করে সুলতানপুর বড় বাজারে পান-সিগারেট-স্টেশনারি দোকান দিয়ে পত্র-পত্রিকা ও সাংবাদিকতা জগতের মূল ¯্রােত থেকে প্রায় বিচ্ছিন্ন জীবন কাটাতে থাকেন সাপ্তাহিক দখিণায়নের সম্পাদক মুফতি আব্দুর রহিম কচি।
উচ্চ মাধ্যমিকের বেশি প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পাননিÑ কিন্তু তিনি ছিলেন একজন স্বশিক্ষিত গুণি মানুষ। গুরুতর অসুস্থ হওয়ার বেশ কয়েক বছর আগে থেকে সম্পাদক মুফতি আব্দুর রহিম কচি লোকচক্ষুর অন্তরালে একপ্রকার হারিয়েই ছিলেন। বড় কষ্টে-কষ্টে জীবন ও মৃত্যুর প্রহর গুণে গুণে একদা সর্বজনের সুহৃদ কচি ভাই আজকে যেন একাকী ঝরা পাতার মত নিঃশব্দে ঝরে পড়লেন।
মুফতি আব্দুর রহিম কচির সততা, কর্তব্যনিষ্ঠা ও স্বপ্নের পরম্পরা বজায় থাকুকÑ তার সহপাঠী ও হিতকাক্সক্ষী হিসাবে আন্তরিকভাবে এই আশা ও কামনা করি। একই সাথে তার শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।
আবু সালেক : মুফতি আব্দুর রহিম কচির সহপাঠী ও সম্পাদক, সাপ্তাহিক পূর্ণাশা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বাম হাতের দুই আঙ্গুলের মাঝে ধোঁয়া ছড়াচ্ছে সিগারেট। মাঝে মাঝে উঠছে দুই ঠোঁটে। আর ডান হাতের তিন আঙ্গুলের মাথায় কলম। সামনে নিউজ প্রিন্ট কাগজের প্যাড। কাছেই চায়ের কাপ ছেড়ে উড়ছে মিষ্টি ধোঁয়া। এক সাথেই চলছে তিনটি কাজ। মাঝে মাঝে সুখটান দিয়ে শেষের অংশ ফেলে দিয়ে আরেকটি সিগারেটে অগ্নিসংযোগ। চা ফুরালে ‘এই চা নিয়ে আয়। সিগারেট দে’।
হঠাৎ সব কিছু ছেড়ে একটু গল্প। একটু আয়েশ। একটু হাসি। ফের লেখায় মনোনিবেশ।
যারা সংবাদপত্রে কাজ করেন তারা এমন দৃশ্যের সাথে বহুল পরিচিত। তবে এখন এ দৃশ্যের পরিবর্তন ঘটেছে। এখন সাংবাদিকরা ল্যাপটপ নিয়ে ক্লিক করে তাবত সংবাদ বের করে আনেন। আর না হয় ঠক ঠক করে ডিজিট টিপে টিপে আয়েশে সংবাদ বানিয়ে দেন। কিন্তু কচি ভাইদের মতো নিবেদিত সাংবাদিক এভাবেই বছরের পর বছর কাজ করে গেছেন। আর এভাবেই হয়ে উঠেছেন প্রাতঃস্মরণীয়। আজ এ প্রসঙ্গ এসেছে আমাদের কচি ভাই, মুফতি আবদুর রহিম কচির মৃত্যুর খবরের পর। শুক্রবার বিকাল তিনটায় বাসায় ফিরতেই দুঃসংবাদটি কানে এলো। ক’দিন ধরে ভাবছিলাম। তাকে দেখতে যাবো তার বাসায়। হয়ে ওঠেনি। আজ তার চিরপ্রস্থানে ছেদটা পড়েই গেলো। কচি ভাইয়ের সাথে আমার দেখা হতো সাতক্ষীরার জাহান প্রিন্টিং প্রেসে। প্রয়াত নির্মলদা বসতেন সেখানে। কচি ভাই তার পত্রিকা দখিনায়নের ম্যাটার প্রস্তুত করে এনেছেন। চার পৃষ্ঠার দখিনায়ন। চারটি প্লেট হাতে নিয়ে রিকসায় আসতেন সুলতানপুর থেকে। এরপর ঘন্টার পর ঘন্টা কাটিয়ে দখিনায়ন প্রকাশ করে নিয়ে যেতেন। নিজ হাতে কোনো কোনো সময় তরতাজা কাগজ বিলিও করতেন। পাঠিয়ে দিতেন পোস্ট অফিস মোড়ে মেসার্স আরিফ খানের সংবাদপত্র পরিবেশকের দোকানে কিংবা বাস টার্মিনালে। এর আগে সীসার অক্ষর সাজিয়ে পত্রিকার ম্যাটার তৈরি করতেন সুলতানপুর বাজারের মধ্যে এক কোনায় একটি বাসায় বসে। ১৯৭৮ সালে তিনি যখন সাপ্তাহিক দখিনায়ন প্রকাশ করেন তখন সাতক্ষীরার আরেকটি সাপ্তাহিক ছিল, মোতালেব ভাইয়ের কাফেলা। এই কাফেলা পরবর্তীতে আবদুল মোতালেব দৈনিক কাফেলায় উন্নীত করেন। কিন্তু মুফতি আবদুর রহিম কচি তার দখিনায়নকে আর কোনোদিন দৈনিকে তুলতে পারেন নি। আর্থিক টানাপড়েনে পত্রিকাটির অকালমৃত্যু আমরা চেয়ে চেয়ে দেখছি কেবল। কথা ছিল এই মৃত্যুকে সবাই মিলে ঠেকানো হবে। কিন্তু তা আর হয়ে ওঠেনি। কচি ভাই নিজে ছিলেন দখিনায়নের সম্পাদক। নিজেই সাংবাদিক। আবার নিজেই কম্পোজিটর। এতে তিনি অপমান বোধ করেন নি। জেলার বিভিন্ন স্থানে তার প্রতিনিধি থাকলেও কাগজটির অনিয়মানুবর্তিতার কারণে তারাও ঢিল দিতেন। তবে দখিনায়নের পরিচয় দিতে অনেক সাংবাদিকই ভালবাসতেন, সাচ্ছন্দ্য বোধ করতেন। সাতক্ষীরার বেশ কয়েকজন সাংবাদিকের সাংবাদিকতায় হাতে খড়ি হয়েছে এই দখিনায়নে। কম কথা নয়। কচি ভাই জড়িত ছিলেন কবি পল্টু বাসার সম্পাদিত ত্রৈমাসিক সাহিত্য পত্রিকা ঈক্ষণের সাথেও। তারা দুজনেই এক সাথে জাহান প্রেস থেকে পত্রিকা দুটি বের করতেন। তখন সংবাদপত্র সংখ্যায় ছিল কম। এজন্য দখিনায়নের প্রভাবও ছিল বেশ। কোনো রিপোর্ট ছাপা হলে তা নিয়ে বেশ ঝড় উঠতো। আমরাও উপভোগ করতাম। আশির দশকে সাতক্ষীরার বাজারে দখিনায়নের দাপট ছিল তুঙ্গে। সে সময় সওগাত সম্পাদক মো. নাসিরউদ্দিনের কাছ থেকে কবি পল্টু বাসারের নেওয়া সাহিত্যিক মো. ওয়াজেদ আলির ওপর একটি পুর্ণ পৃষ্ঠা সাক্ষাৎকার ছাপা হয়েছিল দখিনায়নে। সমসাময়িককালে কালিগঞ্জ কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি লতিফুর রহমান বাবলুকে একদিন জেল ভোগ করতে হয়েছিল তৎকালিন নির্বাহী অফিসার হাতেম আলি খানকে ‘স্যার’ না বলে ভাই বলার কারণে। এই রিপোর্ট সাহসের সাথে প্রকাশ করেছিল সাপ্তাহিক দখিনায়ন। স্মৃতিতে হাতড়ালে এমন অনেক তথ্যই পাওয়া যাবে হয়তো। সাতক্ষীরার একটি দৈনিক দাঁড় করাতে যারা শ্রম দিয়েছিলেন তাদেরই একজন এই মুফতি আবদুর রহিম কচি। তিনি সকাল সন্ধ্যা কাজ করে পত্রিকাটিকে পাঠকের কাছে পাঠযোগ্য করে তুলেছিলেন। তিনি নিজে লিখেছেন। তিনি লিখিয়েছেন নবীনদের।
মুফতি আবদুর রহিম কচি কেবল একজন নিবেদিত সংবাদকর্মীই ছিলেন না। তিনি ছিলেন ভালো একজন আবৃত্তিকার, একজন অভিনেতাও। জন্ম দিয়েছিলেন সপ্তর্ষি থিয়েটারের, কবিতাকুঞ্জের ও সকাল নাট্যগোষ্ঠীর। নাটক লিখতেন। কবিতা লিখতেন। গান রচনা করতেন। এসব কারণে বারবার পুরস্কৃতও হয়েছেন তিনি। ভারত ও বাংলাদেশের কবি সম্মিলনে যোগ দিতেন তিনি। নিয়মিত কবিতার আড্ডায় সাহিত্যের মজলিশে বসতেন তিনি। কিছুদিন আগে কবি পল্টু বাসারের পৃষ্ঠপোষকতায় সাতক্ষীরায় অনুষ্ঠিত হয় লিটল ম্যগাজিন অনুষ্ঠান। সেখানে উপস্থিত ছিলেন মুফতি আবদুর রহিম কচি। আমি আমার বক্তব্যে বলেছিলাম ‘দখিনায়নের পুনরুজ্জীবন দেখতে চাই’। কচি ভাই মৃদু হেসে সম্মতি দিয়েছিলেন। সেই কথা তিনি আর রাখেন নি। তার আগেই চলে গেলেন তিনি।
মুফতি আবদুর রহিম কচির নিত্য সঙ্গী ছিল দারিদ্র্য। পরিবারের ভরনপোষন ছেলে মেয়েদের লেখাপড়া কিভাবে চলবে তার কোনো নিশ্চয়তা তিনি কখনও দিতে পারেন নি। নিজের অসুখ বিসুখে ওষুধ কিনতে পারেন নি। শারীরিক সুস্থতার জন্য ভালো খাবারও জোটেনি তার। এর মধ্যে একটি পত্রিকা নিয়মিত প্রকাশ করা কত যে কঠিন তা সহজেই অনুমেয়। কাজকে সম্মান দিতেন তিনি। পরিশ্রমকে ভালবাসতেন তিনি। জীবিকা নির্বাহের জন্য তিনি মাছের খামারে কাজ করেছেন। পানের মসলা তৈরি করে বিক্রি করেছেন। বই বাঁধাইয়ের কাজ করে অর্থ উপার্জন করেছেন। বাড়িতে নিভৃতে বসে কাগজের ঠোঙ্গা বানিয়েছেন তিনি। তবু সংসারের ঘানি টানতে টানতে ক্লান্ত ঘর্মাক্ত হয়ে পড়েছিলেন তিনি। কিন্তু সততার মতো গুণ থেকে এতোটুক বিচ্যুত হন নি মুফতি আবদুর রহিম কচি।
একজন নির্লোভ নির্মোহ ব্যক্তি ছিলেন তিনি। আজীবন ছিলেন প্রচার বিমুখ। কখনও কোনো বিলাসিতা তাকে স্পর্শ করেনি। পায়ে হেঁটে জোর বেশি রিকশা ভ্যানে চড়ে পথ পাড়ি দিয়েছেন তিনি। কিডনী জটিলতা, লিভার ফাংশানিংয়ে জটিলতা, দৃষ্টি শক্তি হ্রাস পাওয়া, হৃদরোগ এসবই তাকে আষ্টেপৃষ্ঠে আটকে ফেলেছিল। অক্টোপাসের এই প্যাচ থেকে তিনি আর বের হতে পারলেন না। বড়ই আফসোস।
আগেই বলেছি তিনি পত্রিকার সম্পাদক। তিনিই পত্রিকার সাংবাদিক । আবার তিনিই পত্রিকার কম্পোজিটর। আবার কখনও কখনও তিনি নিজেই বিলি বণ্টন করেছেন তার পত্রিকা। যেনো কোনো খেদ নেই, কোনো দুঃখ নেই, কোনো কষ্টও নেই। বরং এতে সম্মান বোধ করেছেন তিনি।
কচি ভাই, মুফতি আবদুর রহিম কচি হতে পারেন আমাদের সাংবাদিকদের জন্য এক অনুপ্রেরণা, এক পথপ্রদর্শক।
লেখক ডিস্ট্রিক্ট : করেসপন্ডেন্ট, দৈনিক যুগান্তর ও এনটিভি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন (শুক্রবার) পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে ও ক্রসফায়ারে ৯০ জন নিহত হয়েছেন। ক্রসফায়ারে গত ছয় মাসে অন্যান্য বাহিনীর চেয়ে পুলিশ এগিয়ে রয়েছে। শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মানবাধিকার সংগঠন—আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) এই তথ্য জানিয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, গত ছ’মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় দেশে মারা গেছেন ৩৭ জন। গণপিটুনিতে মারা গেছেন ২২ জন। দেশের প্রধান গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যে দেখা যায়, গত ছয় মাসে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) সঙ্গে ক্রসফায়ারে ১৩ জন, পুলিশের সঙ্গে ক্রসফায়ারে ৪৬ জন, গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সঙ্গে ক্রসফায়ারে ৮ জন, র্যাব ও পুলিশের সঙ্গে ক্রসফায়ারে একজন, র্যাব ও পুলিশের গুলিতে একজন ও বান্দরবানের লামায় সেনাবাহিনীর গুলিতে একজন মারা গেছেন।

আসক বলছে, পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে গত ছয় মাসে আটক ৪৪ জনের মধ্যে মাত্র ৭ জন পরিবারের কাছে ফিরে এসেছেন। ২ জনের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়। ৩ জনকে গ্রেফতার দেখানো হয়। এখনও খোঁজ নেই ৩২ জনের। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলো আটকের এসব অভিযোগ অস্বীকার করছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ছয় মাসে দেশে রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে ১৮৫টি। এসব ঘটনায় নিহত হন ৩৭ জন। আহত হয়েছেন ২ হাজার ৫৭০ জন। এ সময়ে কারা হেফাজতে মারা গেছেন ২৫ জন। এরমধ্যে কয়েদি ৮ জন ও হাজতি ১৭ জন রয়েছেন।

যৌন হয়রানির শিকার ৫৮ জন নারী

নারী ও শিশু নির্যাতনের বিষয়ে আইন ও সালিশ কেন্দ্র জানায়, গত ছয় মাসে যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন ৫৮ জন নারী। যৌন হয়রানির কারণে ৩ জন আত্মহত্যা করেছেন। যৌন হয়রানির প্রতিবাদ করতে গিয়ে একজন নারী ও চারজন পুরুষ নিহত হয়েছেন। হয়রানি ও লাঞ্ছনার শিকার হয়েছেন ৯৫ জন নারী-পুরুষ। ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ২৮০ নারী। ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে ১৬ নারীকে। ধর্ষণের পর আত্মহত্যা করেছেন ৫জন। ধর্ষণের চেষ্টা চালানো হয়েছে আরও ৩৯ জন নারীর ওপর।

পারিবারিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ২০১ নারী। এর মধ্যে ১৪৪ নারীকে নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করা হয়েছে। নির্যাতন সইতে না পেরে আত্মহত্যা করেছেন ২৩ নারী। যৌতুকের জন্য নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ১৪৩ নারী। তাদের মধ্যে শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ৫৮ নারী। যৌতুকের জন্য নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করা হয়েছে ৬৮ নারীকে। একই কারণে আত্মহত্যা করেছেন ৬ নারী। স্বামীর ঘর থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে ১১ নারীকে। এসিড সন্ত্রাসের শিকার হয়েছেন ১৮ নারী। সালিশ ও ফতোয়ার মাধ্যমে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ৪ নারী।

একই সময়ে ২২ জন গৃহকর্মী নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে জানিয়েছে আসক। তাদের মধ্যে নির্যাতনে মারা গেছেন ৪ জন। ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে একজনকে। ৭ জনের মৃত্যু নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়।

৬২৯ শিশু নির্যাতন ও হত্যার শিকার

দেশে শিশু নির্যাতন ও হত্যা আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে যাওয়ায় মানবাধিকার বিষয়ক এই সংগঠনটি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, গত ছয় মাসে দেশে ৬২৯ শিশু বিভিন্নভাবে নির্যাতন ও হত্যার শিকার হয়েছে। এরমধ্যে ১৩২ শিশুকে হত্যা করা হয়। ৩৭ শিশু আত্মহত্যা করেছে। নিখোঁজের পর উদ্ধার করা হয়েছে ১৮ শিশুকে। লাশ উদ্ধার করা হয়েছে ৪৪ শিশুর। রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে ১৫ শিশুর।

সীমান্তে নিহত ১০

সীমান্তে গত ছয় মাসে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে ৭ জন ও নির্যাতনে ৪ জন বাংলাদেশি মারা গেছেন। আহত হয়েছেন আরও ১৩ জন। অপহরণের শিকার হয়েছেন ২৫ জন। অপহরণের পর বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মধ্যস্থতায় ফিরে এসেছেন ৪ জন বাংলাদেশি।

৯৮টি প্রতিমা ভাঙচুর

গত ছয় মাসে হিন্দু সম্প্রদায়ের ২৫টি বাসস্থানে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ, ৯৮টি প্রতিমা ভাঙচুর ছাড়াও মন্দির ও পূজামণ্ডপে হামলা ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। এসব ঘটনায় একজন নিহত ও ৫১ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে আসক।

৫৩ সাংবাদিক নির্যাতনের শিকার

একই সময়ে দেশের বিভিন্নস্থানে ৫৩ জন সাংবাদিক বিভিন্নভাবে নির্যাতন, হয়রানি, হুমকি ও পেশাগত কাজ করতে গিয়ে বাধার সম্মুখীন হয়েছেন। এ সময় সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে মেয়রের গুলিতে আহত স্থানীয় সমকালের প্রতিনিধি আব্দুল হাকিম শিমুল চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি: বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের একজন ও হাইকোর্টের তিন জন বিচারপতির সাথে রিপোর্টার্স ক্লাব পাটকেলঘাটার নেতৃবৃন্দ সৌজন্য সাক্ষাত ও মতবিনিময় করেছেন। শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৪টায় বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী এ্যাড. মোহম্মদ হোসেনের পাটকেলঘাটাস্থ ‘ল’ চেম্বারে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি মো: নিজামুল হক নাসিম, হাইকোর্টের ডিভিশনের বিচারপতি কে. এম কামরুল কাদের, মো: মোস্তফা জামান ইসলাম, মো: বদরুজ্জামান, ঢাকা সিএমএম এর শেখ হাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগের এ্যাড. রবিউল ইসলাম বুদু কে রিপোর্টার্স ক্লাব পাটকেলঘাটার সাংবাদিকরা ফুলেল শুভেচ্ছা জানান ও পরবর্তীতে মতবিনিময়ে মিলিত হন। এসময় উপস্থিত ছিলেন রিপোর্টার্স ক্লাব পাটকেলঘাটার সভাপতি সৈয়দ মাসুদ রানা, সহ-সভাপতি (সিনি:) ডা: হেলাল উদ্দীন, সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম রাজু, সাধারণ সম্পাদক খান হামিদুল ইসলাম, যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক সুমন চক্রবর্তি, সাংগঠনিক সম্পাদক বিশ্বজিৎ চক্রবর্র্তি, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক খলিলুর রহমান, অর্থ-সম্পাদক শাহিনুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক গাজী রোকনুজ্জামান, ক্রীড়া সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক ইলিয়াস হোসেন, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক অমিত কুমার , স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা: সুপ্রদাস মজুমদার, সহ-সম্পাদক হাসান গফুর লিটন, প্রচার সম্পাদক ফরিদ হাসান জুয়েল, কার্য-নির্বাহী সদস্য ইউনুছ আলী সরদার, অমিত কুমার সাধু, মো: মশিউজ্জামান, সিরাজুল ইসলাম, রুবেল ইসলাম, মাহবুব হোসেন মিন্টু, রহমত আলী মিঠু ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হাসান হোসেন বাবু।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : একতা, আন্তরিকতা, সহোযোগিতা ও অগ্রগতি এই স্লোগানকে সামনে নিয়ে মেডিকেল স্টুডেন্ট এসোসিয়েশন অব সাতক্ষীরা ব্যানারে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে ব্যাপক উদ্দিপনা, উৎসাহ ও জাকজমকপূর্ণ ভাবে উৎযাপিত হলো বিশেষ অনুষ্ঠান। সারা বাংলাদেশে বিভিন্ন মেডিকেল কলেজে অধ্যয়নরত সাতক্ষীরা জেলার শিক্ষার্থীদের নিয়ে গঠিত সংগঠন ‘মেডিকেল স্টুডেন্টস এ্যাসোসিয়েশন অফ সাতক্ষীরা’ আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী ও জনসচেতনতা মূলক অনুষ্ঠান সম্পূর্ণ হয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা বি. এম. এর সভাপতি ডা. আজিজুর রহমান, মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. কাজী হাবিবুর রহমান, সিভিল সার্জন ডা. তওহীদুর রহমান, জেলা স্বাচিপের সাধারণ সম্পাদক ডা. মনোয়ার রহমান, মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের প্রকল্প পরিচালক ডা. দেলোয়ার হোসেন ও সাতক্ষীরার বিভিন্ন শ্রেণির ডাক্তারগণ। অনুষ্ঠানে সারাদেশের প্রায় ১০০ জন মেডিকেল শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন সংগঠনের আহবায়ক স্যার সলিমুল্লাহ্ মেডিকেল কলেজের ৫ম বর্ষের মেধাবী ছাত্র রনজিত হালদার ও সংগঠনের সদস্য সচিব খুলনা মেডিকেল কলেজের ৫ম বর্ষের মেধাবী ছাত্র বি. এম. আসাদুজ্জামান নূর। আয়োজক কমিটির অন্যতম সদস্য গাজী মেডিকেল কলেজের ২য় বর্ষের ছাত্র মাহফিজুর রহমান শুভ বলেন, অনুষ্ঠানে মূলত ভবিষ্যৎ সেবক প্রজন্ম সাতক্ষীরার সকল সদস্যকে এক করার আহবান জানানো হয়েছে এবং একটা স্থায়ী পরিকল্পনা ও পরিচালনা কমিটি করারও সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিভিন্ন জনসচেতনতা ও সেবামূলক কর্মসূচিও খুব শীঘ্রই দেওয়া হবে। অনুষ্ঠানে জনসচেতনতামূলক বেশকয়েকটি স্লাইডও দেখানো হয়। সকলের সুস্থতা এবং একটা পরিকল্পিত সংগঠন গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন বক্তরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শ্যামনগর ব্যুরো : শ্যামনগর উপজেলার ধুমঘাট গ্রামে জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় ৫ ব্যক্তি গুরুত্বর আহত হয়ে শ্যামনগর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ বিষয়ে শ্যামনগর থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছিল বলে জানা গেছে।
আহতদের সূত্রে জানা যায়, পাশাপাশি বসবাস থাকায় সীমানার ঘেরা বেড়া ভাংচুরকে কেন্দ্র করে শুক্রবার সকাল ১১টায় প্রতিপক্ষ ধূমঘাট গ্রামের জলিল গাজীর পুত্র ইলিয়াস, কেরামত ও কেরামত সরদারের পুত্র রহিম, করিম ও নবাব আলী এবং এবাদুল গাজীর পুত্র আলমগীর দলবদ্ধ হয়ে সীমানার ঘেরা বেড়া ভাংচুর করে। একই গ্রামের সামছুর রহমানের পুত্র মোস্তাফিজুর রহমান মাসুম, মঈজুদ্দিন সরদারের পুত্র সামছুর, সামছুর এর স্ত্রী রহিমা খাতুন, হেতালখালী গ্রামের আফতাব গাজীর পুত্র নজরুল, নজরুল এর পুত্র ইমদাদ বাধা দিলে প্রতিপক্ষরা তাদের উপর হামলা করে লাঠি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ী মারপিট করে গুরুত্বর জখম করে মোবাইলসহ মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনিয়ে নেয়। তাদের ডাক চিৎকারে স্থানীয়রা এসে পড়লে হামলাকারীরা বিভিন্ন হুমকি দিয়ে কেটে পড়ে। স্থানীয়রা আহতদের শ্যামনগর হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ঘটনায় মোস্তাফিজুর রহমান মাসুম বাদি হয়ে শ্যামনগর থানায় এজাহার দাখিল করেছে। এ রিপোর্ট লেথার সময় মামলার প্রস্তুতি চলছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest