কথিত আছে যে সম্রাট টাইবেরিয়াস নাকি শসা খুব পছন্দ করতেন। শসাতে পানি আছে শতকরা ৯৫ভাগ। ফলে এটি শরীরের আর্দ্রতা ধরে রাখতে পারে এবং ভেতরের তাপমাত্রা কে নিয়ন্ত্রণ করে দেহ শীতল রাখতে সহায়তা করে। শসায় ক্যালরির পরিমাণ খুবই কম। প্রতি ১০০ গ্রাম শসায় আছে মাত্র ১৫ ক্যালরি। এতে কোনো সম্পৃক্ত চর্বি বা কোলেস্টেরল নেই। সুতরাং বুঝতেই পারছেন যে ডায়েট করার ক্ষেত্রে শসা অসধারন বন্ধু হতে পারে আপনার।
একনজরে শসার কিছু উপকারিতা
১. ফাইবার ও ফ্লুইডসমৃদ্ধ শসা শরীরে ফাইবার এবং পানির পরিমাণ বাড়ায়। পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও ফাইবার থাকার কারণে শসা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে থাকে।
২. শসায় রয়েছে স্টেরল নামের এক ধরনের উপাদান, যা কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এ ক্ষেত্রে মনে রাখা প্রয়োজন, শসার খোসায়ও স্টেরল থাকে।
৩. ওবেসিটি নিয়ন্ত্রণে শসা খুব উপকারী।
৪. কিডনি, ইউরিনারি, ব্লাডার, লিভার ও প্যানক্রিয়াসের সমস্যায় শসা বেশ সাহায্য করে থাকে।
৫. এরেপসিন নামক অ্যানজাইম থাকার কারণে শসা হজম ও কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা সমাধান করে থাকে।
৬. শসা বা শসার রস ডায়াবেটিস রোগীর জন্যও বেশ উপকারী।
৭. শসার রস আলসার, গ্যাস্ট্রাইটিস, অ্যাসিডিটির ক্ষেত্রেও উপকারী।
৮. মিনারেলসমৃদ্ধ শসা নখ ভালো রাখতে, দাঁত ও মাড়ির সমস্যায় সাহায্য করে।
৯. ডাক্তারের পরামর্শনুযায়ী শসার রস খেলে আর্থ্রাইটিস, অ্যাগজিমা, হার্ট ও ফুসফুসের সমস্যায় উপকার হতে পারে।
১০.গাজরের রসের সাথে শসার রস মিশিয়ে খেতে পারেন, ইউরিক অ্যাসিড থেকে ব্যথার সমস্যা হলে অনেক কাজে দেবে।

ভারতে বন্যাকবলিত এলাকায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে কমপক্ষে ৮০ জনে উন্নীত হয়েছে। সোমবার কর্মকর্তারা এএফপিকে বলেন গত দিনে মৃতের সংখ্যা ছিল আটজন। পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য গুজরাটে শনিবার থেকে এ পর্যন্ত ভারী বর্ষণে ১১ জনের প্রাণহনি ঘটেছে।
ডোকালাইম ইস্যুতে ভারত ও চীনের মধ্যে ক্রমশ উত্তেজনা তৈরি হচ্ছে। উত্তেজনা এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে দুই দেশ সীমান্তের দুই পাশে সেনা মোতায়েন করে রেখেছে। বারবার চীনের হুঁশিয়ারিতে বাড়ছে উদ্বিগ্নতা। আর এরই মধ্যে ভারতে হামলার ভুয়া নিউজ করে উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে তুলছে পাকিস্তানের বেশ কিছু সংবাদমাধ্যম।
মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, সাতক্ষীরা পৌর ৬নং ওয়ার্ড শাখার কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকালে কুখরালী ফুটবল মাঠে এ কর্মী সভায় যুবলীগ নেতা শেখ শাহিনুর রহমান বিপ্লবের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা যুবলীগের আহবায়ক আলহাজ্ব আব্দুল মান্নান। উদ্বোধক হিসেবে বক্তব্য রাখেন পৌর যুবলীগের সভাপতি মনোয়ার হোসেন অনু। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পৌর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক তুহিনুর রহমান তুহিন, ৮নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি ইউসুফ সুলতান মিলন, সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা, ৭নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি ইলিয়াছ কবির, সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম, ৩নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি রবিউল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম রকি ৫নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি আবু সাঈদ, সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান তুহিন প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ৬নং ওয়ার্ড যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক মো. হাসিব সরকার।
নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা পৌর তাঁতীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ ফিরোজ হোসেনের পিতা শেখ আইনুল হোসেন (৬২) ইন্তেকাল করেছেন। সোমবার দুপুর দেড়টায় পলাশপোলস্থ বাসভবনে তিনি কিডনি জনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি … রাজিউন)। মৃতকালে তিনি এক পুত্র, স্ত্রী ও অসখ্য গুনগ্রহি রেখে গেছেন। সোমবার বাদ আছর পলাশপোল গুড়পুকুর ঈদগাহ ময়দানে প্রথম জানাযা এবং বাদ মাগরিব নলকুড়ায় ২য় জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। মরহুমের জানাযায় অংশ গ্রহন করেন পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি, ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শফিকুল আলম বাবু, ৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শফিক-উদ-দৌলা সাগর, জেলা তাতীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব আহাজার আলী শাহীন, সাংগঠনিক সম্পাদক তুহিন খান, পৌর তাতীলীগের সভাপতি কাজী মারুফ, সাধারণ সম্পাদক ক্যাপ্টেন হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মোঃ মাসুদ আলী, পৌর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আনিস খান চৌধুরী বকুল, পৌর যুবলীগের সভাপতি মনোয়ার হোসেন অনু, সাধারণ সম্পাদক তুহিনুর রহমান তুহিন, ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি এস এম ইউসুফ সুলতান মিলন, সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা, ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি আমির হোসেন খান (খোকন), ৫নং ওয়ার্ড তাতীলীগের সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, নব জীবনের নির্বাহী পরিচালক তারেকুজ্জামান খানসহ স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। জানাযা নামাজে ইমামতি করেন বায়তুল মামুর জামে মসজিদের পেশ ঈমাম হাফেজ মাওঃ শাহাদাত হোসাইন।
একেই বলে ফিরে আসা! লর্ডসের প্রথম টেস্টে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তাদের হারটা ছিল ২১১ রানের। অসহায় আত্মসমর্পণের পর ভেঙে পড়েনি দক্ষিণ আফ্রিকা, বরং ঘুরে দাঁড়ানোর শপথ জপে নেমেছিল ট্রেন্ট ব্রিজ টেস্টে। প্রথম টেস্টে দলের বাইরে থাকা অধিনায়ক ফাফ দু প্লেসিস ফিরতেই কেমন বদলে গেল সব। আগের ম্যাচে হার মানা সেই দক্ষিণ আফ্রিকার তোপে এবার উড়ে গেল ইংলিশরা। দ্বিতীয় টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে স্রেফ গুড়িয়ে দিয়েছে প্রোটিয়ারা জো রুটের দলকে। ইংল্যান্ডকে মাত্র ১৩৩ রানে অলআউট করে ৩৪০ রানের বিশাল জয়ে চার ম্যাচের টেস্ট সিরিজে সফরকারীরা ফিরিয়েছে ১-১ সমতা।
নিজস্ব প্রতিবেদক: সুলতানপুর বড় বাজারে ডিসিআরকৃত দোকানঘর লক্ষ লক্ষ টাকায় বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিক্রির পর অবৈধভাবে সেসব স্থানে পাকা স্থাপনাও নির্মাণ করা হচ্ছে। সূত্র জানায়, সুলতানপুর বড় বাজারের সাহা সুইটসের পিছনে অবস্থিত জনৈক হাফিজুল ইসলাম কিছুদিন পূর্বে বাজারের মনোহরি পট্টি এলাকার দুটি দোকান সদর ভূমি অফিস থেকে ইজারা গ্রহণ করেন। কিন্তু হাফিজুল ইসলাম নিজে সেখানে ব্যবসা পরিচালনা না করে প্রথমে ১২ লক্ষ টাকায় সাগর নামের এক ব্যক্তির কাছে বিক্রিয় করেন। পরে সাগরকে ওই দোকান দখল না দিয়ে পুনরায় আব্দুর রশিদের কাছে ২৬লক্ষ টাকায় বিক্রি করেন। আব্দুর রশিদ সেখানে অবৈধভাবে পাকা স্থাপনা নির্মাণ করেছে।
মোস্তাফিজুর রহমান : আশাশুনি উপজেলার শোভনালী ইউনিয়নের কামালকাটি থেকে বসুখালী বাজার ও বসুখালী বাজার থেকে ঝেয়ামারি পর্যন্ত তিন কিলোঃ মিঃ ইটের সোলিং রাস্তার চরম দূরাবস্থা। গ্রামের ভিতরের রাস্তা হলেও এ রাস্তাটি দিয়ে চলচল করে বেশ কয়েকটা গ্রামের মানুষ। বিশেষ করে বৈরাগীরচক, চিংড়ীখালি, ঝেয়ামারি, লতাখালি, সংকরমনি, ও বসুখালীর গ্রামের মানুষের উপজেরলা শহরসহ জেলা শহরে যাতয়াত করার জন্য একমাত্র রাস্তা এটি। তাছাড়া এসব এলাকার মানুষের নিকটবর্তী বাজার বসুখালী। যে বাজারে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টাকার মাছ, তরকারিসহ অন্যান্য মালামাল বেচা-কেনা হয়। বিভিন্ন এলাকা হতে বাজারে মালামাল নিয়ে আসা এবং ফেরৎ যাওয়ার একমাত্র রাস্তা এটি। তাছাড়া বসুখালী বাজারে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও একটি দাখিল মাদ্রাসা থাকায় সন্ন্যাসিরচক, ঝেয়ামারি, কামালকাটি, বৈরাগরিচক, চিংড়িখালী লতাখালী, সংকরমনি, বালিয়াপুরসহ পাশ্ববর্তী কয়েকটা এলাকা থেকে কয়েক শত ছাত্র-ছাত্রীর প্রতিনিয়ত এরাস্তা দিয়ে যাতয়াত করে। কিন্তু রাস্তাটির ৩ বিঃ মিঃ এর ইটের সোলিং এর অধিকাংশ ইট উঠে যাওয়ায় রাস্তা সংস্কারের অভাবে রাস্তাটির কোথাও কোথাও এক থেকে ডেড় ফিট খাঁদেও পরিনত হয়েছে। তাছাড়া কোন কোন জায়গায় ২-৩ ফিট করে রাস্তা বেঙে নদি ও মৎস্য ঘেরের সাথে মিশে গেছে। এলাকাবাসি জানায়, রাস্তার ইট উঠে খাদে পরিণত হওয়ায় ও ধ্বসে যওয়ায় তাদের যাতয়াত করতে অনেক হয়রানির সিকার হতে হয়। অনেক ব্যবসায়ী নছিমন, করিমন, ইঞ্জিনভ্যানে করে মালামাল নিয়ে আসার সময় মালমাল সহ উল্টে পানিতে পড়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। তাছাড়া বর্ষা মৌসুমে স্কুল-মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রী যাতয়াতের সময় সোলিং এর উপর মাটি থাকায় পা পিছলে পড়ে আহত হতে হয়। বিশেষ করে বর্ষার মৌসুমে রাস্তাটির দূরাবস্থার চিত্র চরমে পৌছায়। বর্ষায় পানি বেড়ে গেলে কোথাও কোথাও রাস্তার উপর এক থেকে দেড় ফিট পানি উঠে যায়। তবে অতিপ্রয়োজনীয় এরাস্তাটির দিকে জন প্রতিনিধিদের কারো কোন খেয়াল নেই। এলকাবাসি জানায়, স্থানিয় জনপ্রতিনিধি সহ অনেকে অনেকবার মেরামতের আশ্বাস দিলেও এরাস্তাটির সংস্কারের জন্য কেহ কখনও উদ্দ্যোগ নেয়নি। বসুখালী ও রাস্তাটি দিয়ে চলাচলকারী জন সাধারণের প্রাণের দাবি, রাস্তাটি মেরামতের জন্য উপজেলা পরিষদসহ উপরমহলের যেন নেক দৃষ্টি পড়ে।