সর্বশেষ সংবাদ-

৩০ জুন ২০১৭, বৃহস্পতিবার। এক নজরে দেখে নিন ইতিহাসের এ দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

ঘটনাবলি
১৭৫৭ – বাংলার শেষ নবাব সিরাজউদ্দৌলা ত্রিশ হাজার সৈন্য নিয়ে ইংরেজ অধিকৃত কলকাতা দখল করেন।
১৮৫৫ – ব্রিটিশ বিরোধী সাঁওতাল বিদ্রোহ সংঘটিত হয়।
১৮৯৪ – লন্ডন টাওয়ার ব্রিজ উদ্বোধন করা হয়।
১৯১৪ – মহাত্মা গান্ধী দক্ষিণ আফ্রিকায় থাকাকালে ভারতীয় উপমহাদেশের অধিকার নিয়ে কথা বলে গ্রেফতার হন।
১৯১৬ – জাপান ও রাশিয়ার মধ্যে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
১৯৬০ – কঙ্গো বেলজিয়ামের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।

জন্ম
১৯৩৯ – হোসে এমিলিও পাচেকো, মেক্সিকোর তরুণ প্রজন্মের শীর্ষসারির কবি, উপন্যাসিক, নাট্যকার, ছোটগল্পকার, অনুবাদক ও প্রাবন্ধিক।
১৯৪৩ – আহমদ ছফা

মৃত্যু
১৯৬১ – আমেরিকার বিজ্ঞানী নি ডি ফরেস্ট মৃত্যুবরণ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কাজী জামাল উদ্দীন মামুন : না ফেরার দেশে চলে গেলেন সাতক্ষীরার প্রবীণ সংস্কৃতিকর্মী ও সাংবাদিক মুফতি আব্দুর রহিম কচি(৬৫)।তিনি দখিণায়ন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।তিনি একাধারে কবিতাকুঞ্জ, সপ্তর্ষি থিয়েটার ও সকাল নাট্যগোষ্ঠীরও প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।তার পিতার নাম মুফতি আবুদর রহমান। মুত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক পুত্র ও এক কন্যা রেখে গেছেন।

সকলের প্রিয় এই মানুষটি আজ দুপুর ২:৩০টার দিকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না•••রা‌জেউন)।  তিনি খ্যাতিমান নাট্যকার, আবৃত্তিকারও ছিলেন। প্রতিভাবান এই মানুষটি প্রচারবিমুখ জীবন যাপন করেছেন। তিনি বিগত কিছুদিন যাবত বিভিন্ন রোগে অাক্রান্ত হয়ে অসুস্থ ছিলেন।

একজন সজ্জন, সৃজনশীল সম্পাদক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, সহজ সরল শান্তিপ্রিয় মানুষটির মুত্যুতে সাতক্ষীরার সাংস্কৃতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

তার নামাজে জানাযা অগামিকাল(শনিবার) দুপুর ২টায় সুলতানপুর ক্লাব মাঠে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন সাতক্ষীরা জলা শিল্পকলা একাডেমির সদস্য সচিব শেখ মুশফিকুর রহমান মিল্টন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বিশ্বজুড়ে চলমান তাপমাত্রা বৃদ্ধির আত্মঘাতী সর্বনাশ থেকে দুনিয়াকে বাঁচাতে চাইলে মানবজাতির হাতে আর মাত্র তিন বছর সময় আছে। একথা বলেছে বিখ্যাত সাময়িকী নেচার।

পরিবেশ-জলবায়ূ ও প্রাকৃতিক পরিবেশ বিষয়ে খ্যাতিমান এই পত্রিকা সম্প্রতি বিজ্ঞানী ও গবেষকদের বরাতে জানায়, গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমণ ইতবাচক হারে কমিয়ে আনার কাজ শুরু করতে এখন আর মাত্র ৩বছর সময় হাতে আছে। এ সময়সীমার মধ্যে কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাসের নির্গমণ কমানো না গেলে প্যারিস ঘোষণায় বিশ্বের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের যে লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল, তা কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়বে। একইসঙ্গে পরিস্থিতি মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ূ পরিবর্তন আর পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধির নিরীখে আগামী ২০২০ সাল খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিবেচিত হচ্ছে। নেচারে ছাপা ওই প্রতিবেদনে বিশ্বের নামী-দামী ৫০ জন বৈজ্ঞানিক স্বাক্ষর করেছেন।

প্রতিবেদনে বৈজ্ঞানিকরা তাদের আশঙ্কার পক্ষে প্রমাণাদিসহ বিশ্বের সকল রাষ্ট্রপ্রধান ও নেতাদের কাছে আর্জি করেছেন যে, তারা যেন এর থেকে মুখ ঘুরিয়ে না রাখেন। এতে আরও বলা হয়, জৈবচক্রের সকল ক্ষেত্রে ধ্বংস সাধনের সূচনা শুরু হয়ে গেছে। আর্কটিক অঞ্চলে সঞ্চিত বরফ ভাণ্ডার উষ্ণতার কারণে হারিয়ে গেছে। আর ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রার কারণে সাগরের প্রবাল প্রাচীরগুলোও বিনাশ হয়ে যাচ্ছে। গ্রিনহাউস গ্যাসের উদগীরণ যদি চলমান মাত্রায় থাকে তবে এত পরিমাণে কার্বন তৈরি হবে যে আগামী ৪ থেকে ২৬ বছর সময়কালের মধ্যে বিশ্বের তাপমাত্রা দেড় থেকে দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়ে যাবে।

এরকম পরিস্থিতি হলে তা বিশ্বের মানুষসহ অপরাপর জীবগজতের জন্য ভয়াবহ পরিস্থিতি নিয়ে আসবে।

প্রসঙ্গত, ১৮৮০ সাল থেকে নিয়ে এখন পর্যন্ত সময়ে মানুষের অপরিণামদর্শী নানান কর্মকাণ্ডের ফলে বিশ্বের তাপমাত্রা ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়ে গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মিডিয়ার সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কথা বলবেন বলে ‘তাদের’ ডাকা হয়। সেই অনুসারে অনেকেই হাজির হন সেখানে। ঠিক তার আগে চলছিল ফোনে কথা, আর তার মধ্যেই ঘটে গেল এক অদ্ভূত ঘটনা।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমন্ত্রণে হোয়াইট হাউজে বসেছিল মিডিয়ার আসর। উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন দেশের সাংবাদিকরা। তাদের মধ্যেই ছিলেন কাইত্রিওনা পেরি। আইরিস এক সংবাদ সংস্থার প্রতিনিধি তিনি। তাদের সঙ্গে কথা বলতে বলতেই ট্রাম্প নিজের অফিস থেকে শুভেচ্ছা জানাতে ফোন করেন নব-নির্বাচিত আইরিস প্রধানমন্ত্রী লিও ভারাদকরকে।

দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে ফোনে কথা চলাকালিন হঠাৎই ট্রাম্প পেরিকে তাঁর সামনে ডেকে নেন। ভারাদকরকে বলেন, “আপনার দেশের এই সাংবাদিক দেখতে খুব সুন্দর। তাঁর হাসিটিও মিষ্টি। তাই আমার মনে হয় তিনি নিশ্চই সঠিক খবর পরিবেশন করেন। ” শুধু তাই নয়, এর মাঝেই ছিল কিছু অপ্রীতিকর শব্দও। তবে, কার্যত তা এড়িয়ে যান ওই মহিলা সাংবাদিক। গোটা ঘটনার ভিডিওটি সামনে আসতেই বর্তমানে তা বিশ্বজুড়ে ভাইরাল।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন…

https://www.youtube.com/watch?v=FF6LhBSw2TA

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গো-রক্ষার নামে মানুষকে পিটিয়ে হত্যার বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে আবার গরুর মাংস বহনের সন্দেহে ঝাড়খন্ড রাজ্যে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে। এ সময় ওই ব্যক্তির মাইক্রোবাসটিও পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে ঝাড়খন্ড রাজ্যের রামগড় জেলার বজরতন্ড গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

গো-রক্ষার নামে মানুষ হত্যা মেনে নেওয়া যায় না—প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির এমন ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এ ঘটনা ঘটল।

নিহত ব্যক্তির নাম আসগর আনসারি ওরফে আলিমুদ্দিন (৫০)। তাঁর বাড়ি জেলার নয়াসরাই গ্রামে।

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার আলিমুদ্দিন তাঁর মাইক্রোবাসে করে বাড়িতে ফিরছিলেন। গাড়িতে গরুর মাংস বহন করা হচ্ছে সন্দেহে বজরতন্ড গ্রামে একদল লোক তাঁর গাড়ি থামায়। এ সময় লোকজন আলিমুদ্দিনকে বেধড়ক মারধর করে। এরপর গাড়িটিতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।

রামগড় জেলার আর কে মালিক নামের এক জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা এনডিটিভিকে বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে গিয়ে আলিমুদ্দিনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। এটি একটি পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে মন্তব্য করেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।

আর কে মালিক জানান, আলিমুদ্দিন মাংসের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তবে ঘটনার দিন তাঁর গাড়িতে গরুর মাংস ছিল, এটা নিশ্চিত নয়। গাড়িতে মাংস আছে সন্দেহে তাঁকে মারধর করা হয়েছে। হামলাকারীদের চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছে বলে জানান তিনি।

ভারতের ঝাড়খন্ড রাজ্যে গরুর মাংস নিষিদ্ধ। হামলাকারীদের অভিযোগ, আলিমুদ্দিন বাজার থেকে গোপনে গো-মাংস কিনে গাড়িতে করে বাড়ি ফিরছিলেন।

এর তিন দিন আগে ঝাড়খন্ডের দেওরিতে উসমান আনসারি নামের এক ব্যক্তির বাড়ির বাইরে মরা গরু পড়ে থাকতে দেখে তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয়। পরে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় ওই ব্যক্তির বাড়িতে।

এ ঘটনার এক সপ্তাহ আগে ঈদের বাজার শেষে বাড়ি ফেরার পথে চলন্ত ট্রেনের মধ্যে এক কিশোরকে দেশদ্রোহী আখ্যা দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

৪৫ বছর বয়স হয়ে গেল বলিউড অভিনেত্রী টাবুর। বলিউডের এই বিখ্যাত অভিনেত্রী অবশ্য এখনও অবিবাহিতা। কিন্তু কেন এখনও বিয়ে করেননি তিনি এমন প্রশ্নের জবাবে টাবু জানালেন, তার বিয়ে না হওয়ার জন্য নাকি দায়ী অজয় দেবগন।

সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে টাবু বলেন, “অজয়কে আমি ২৫ বছর ধরে চিনি। ও আমার দূরের সম্পর্কের ভাই সমীর আর্যের বন্ধু এবং প্রতিবেশী ছিল। যখন আমার বয়স কম ছিল, তখন থেকেই অজয় এবং সমীর আমার ওপরে কড়া নজর রাখত। কোনও ছেলে আমার সঙ্গে কথা বললেই তাকে ধরে পিটিয়ে দিত। তারা দু’জনই একেবারে গুণ্ডা ছিল। ”

অর্থাৎ পুরোটাই মজার ছলে বলেছেন তব্বু। এই নায়িকা আরও জানিয়েছেন, মাঝেমধ্যেই তার জন্য সুপাত্রের খোঁজ করার জন্য অজয়কে বলেন তিনি।

সর্বশেষে টাবু বলেন, “যা বললাম পুরোটাই মজাচ্ছলে। আসলে আমার এবং অজয়ের মধ্যে দারুণ সম্পর্ক। যতজন পুরুষ অভিনেতা রয়েছেন, তাদের মধ্যে অজয় আমার জন্য বিশেষ অর্থ রাখে। ও এখনও বাচ্চাদের মতোই রয়েছে আর আমার বিষয়ে ভীষণ প্রোটেকটিভ। “

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বিশ্বের বর্তমান ১৮ জন নারী জাতীয় নেতার মধ্যে অন্যতম হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে প্রকাশিত এক গ্রন্থে এর উল্লেখ করা হয়েছে বলে ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

‘নারী রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী’ শীর্ষক এ গ্রন্থের প্রচ্ছদে অপর ছয়জন বিশ্বনেতার সঙ্গে শেখ হাসিনার ছবি মুদ্রিত হয়েছে। গ্রন্থটির লেখক হচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের মানবাধিকারকর্মী ও শিক্ষাবিদ রিচার্ড ও’ব্রেইন।

ওয়াশিংটন ডিসির ওমেন্স ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ক্লাবে (ডব্লিউএনডিসি) বিদেশি কূটনীতিক, নারীনেত্রী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে গ্রন্থটি প্রকাশ করা হয়।

ও’ব্রেইন বাংলাদেশকে অধিকতর স্থিতিশীল ও অধিকতর গণতান্ত্রিক এবং অপেক্ষাকৃত কম হিংসাত্মক দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে শেখ হাসিনার আন্তরিক প্রয়াসের প্রশংসা করেন। এ প্রসঙ্গে লেখক শেখ হাসিনার এই উক্তি উদ্ধৃত করেন, ‘বাংলাদেশকে দারিদ্র্যমুক্ত ও ক্ষুধামুক্ত দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে পারলেই আমি গর্বিত হব।’

গ্রন্থে প্রধানমন্ত্রীর পারিবারিক পটভূমির উল্লেখ করে বলা হয়, তাঁর বাবা শেখ মুজিবুর রহমান আধুনিক বাংলাদেশ রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা এবং তিনি দেশটির প্রথম রাষ্ট্রপতি ছিলেন। লেখক ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দিয়ে উল্লেখ করেন যে, ওই সময়ে শেখ হাসিনা ও তাঁর বোন (শেখ রেহেনা) দেশের বাইরে থাকায় বেঁচে যান।

ও’ব্রেইন ১৯৮১ সালে নির্বাসন থেকে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের উল্লেখ করে বলেন, আওয়ামী লীগকে পরিচালনার নেতৃত্বের পদে নির্বাচিত হয়ে তিনি নির্বাচনী কারচুপি ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান। সে সময় তাঁকে দমন ও নির্যাতনের শিকার হতে হয় এবং আশির দশকে তিনি গৃহবন্দি হন।

লেখক এরশাদের শাসনামলের উল্লেখ করে বলেন, সরকারের নির্যাতন সত্ত্বেও শেখ হাসিনা এতই প্রভাবশালী ও জনপ্রিয় ছিলেন যে তাঁর চাপে ১৯৯০ সালে একজন সামরিক জান্তাকে পদত্যাগ করতে হয়।

লেখক বলেন, অনেক প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও শেখ হাসিনা ও তাঁর সরকার ১৯৯৭ সালে যুগান্তকারী পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি, স্থলমাইনের ব্যবহার নিষিদ্ধকরণ ও ক্ষুদ্রঋণ সম্মেলনে সভাপতিকে সহায়তা ও নারী কল্যাণ গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রাসহ অনেক কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করেছেন।

রিচার্ড তাঁর গ্রন্থে শান্তি ও গণতন্ত্রের বিকাশে শেখ হাসিনার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির উল্লেখ করে বলেন, তিনি (শেখ হাসিনা) মাদার তেরেসা পদক ও গান্ধী পদক অর্জন করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

পেছন থেকে বাসরি লালকে দেখলে শিশু বলেই ভুল হবে। তাঁর উচ্চতা মাত্র দুই ফুট পাঁচ ইঞ্চি। অবাক করা বিষয় হলো, ছোট এই মানুষটি এরই মধ্যে ছুঁয়ে ফেলেছেন ৫০। বয়স আর উচ্চতার অমিলের কারণে এরই মধ্যে বিখ্যাত হয়ে উঠেছেন ভারতের মধ্যপ্রদেশ রাজ্যের এই বাসিন্দা।

ছোটবেলা থেকেই উচ্চতার কারণে হাসি-ঠাট্টা করা হতো বাসরিকে। তবে গণমাধ্যমে তাঁকে নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের পর সেই দিন বদলে গেছে। পরিবার তাঁকে ‘হিরো’ (নায়ক) নামে ডাকছে।

বাসরির বড় ভাই গোপী লালের (৫৫) উচ্চতা আবার সাধারণ আর ১০ জন মানুষের মতোই। নিজ সহোদরের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমার ভাইকে দেখতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লোকজন আসে। এটা আমাদের জন্য আশীর্বাদ। মানুষ বাসরিকে ভালোবাসে দেখে আমাদের গর্ব হয়।’

নিজের আকৃতি নিয়ে মনোঃকষ্ট নেই বাসরির। তিনি বলেন, ‘উচ্চতা আমার জন্য কোনো সমস্যা নয়। আর ১০ জনের মতোই আমি কাজ করি, বেঁচে থাকি ও ঘুমাই। সাধারণ একজনের মতোই আমি খেতে পারি।’

জন্মের সময় বাসরির আকৃতি স্বাভাবিক ছিল। পাঁচ বছর বয়সে থেমে যায় তাঁর শারীরিক বৃদ্ধি। দারিদ্র্যের কারণে সে সময় বাসরিকে চিকিৎসাও করাতে পারেনি তাঁর পরিবার।

এ বিষয়ে বাসরির ভাই গোপী বলেন, ‘তাঁকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়ার মতো কেউ ছিল না। আমরা খুব গরিব ছিলাম। আমি নিজে একজন দিনমজুর। কী-ই বা করতে পারতাম তাঁর জন্য?’

ভাই গোপী ও তাঁর স্ত্রী সত্যের বাসায় থাকছেন বাসরি। একটি কারখানায় কাজ করেন তিনি।

‘তিনি শুধু ভালো থাকতে চান, ভালো মানুষের সঙ্গে থাকতে চান, আর চান একটু ভালো-মদ’, বলেন গোপীর স্ত্রী সত্য।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest