সর্বশেষ সংবাদ-
কালিগঞ্জে মৎস্য ঘেরে বিষ প্রয়োগ- ২০ লাখ টাকার ক্ষতিসাংবাদিক শরীফুল্লাহ কায়সার সুমনের সুস্থতা কামনায় প্রেসক্লাবের বিবৃতিচ্যানেল ওয়ানে জাকিরের নিয়োগ : প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের অভিনন্দনসাতক্ষীরা’র শ্যামনগরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সংঘর্ষে আহত ১৪কালিগঞ্জে বিএনপির সভাপতির বিরুদ্ধে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে সম্পত্তি দখল ও লুটপাটের অভিযোগসাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনসাতক্ষীরায় মেডিকেল ভ্যালু ট্রাভেল খাতে জ্ঞান বিনিময়-কৌশলগত সহযোগিতার সেমিনারসাতক্ষীরায় জলবায়ু সহনশীলতায় নারী নেতৃত্বের ভূমিকা বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালাশ্যামনগরে সুপেয় পানির সংকট তুলে ধরতে দৌড়ে অংশ নিল ২ শতাধিক মানুষসাতক্ষীরায় হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন’র উদ্বোধন

আইএস মুক্ত হয়েছে ইরাকের মসুল। কিন্তু তারা পিছনে রেখে গেছে ধ্বংসাবশেষ। অনাহারে ঢুকরে ঢুকরে মৃত্যুর মুখে পড়া শিশুদের। যেদিকে চোখ যায় শুধু ধ্বংসাবশেষ। মৃত্যুপুরীর এক আতঙ্ক চারদিকে। তার মাঝে যেসব শিশু বেঁচে আছে তাদের অবস্থা অত্যন্ত করুণ। ভাষায় বর্ণনা করার মতো নয়।

এমনই দুই শিশুকে সেসব ধ্বংসাবশেষ থেকে জীবিত উদ্ধার করেছে ইরাকের সেনারা। এর একজন অনাহারে মৃত্যুর প্রহর গুনছিল। অন্যজনকে জীবন বাঁচানোর তাগিদে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা মাংসের টুকরো খেয়েছে। দ্বিতীয় শিশুটির পিতামাতা দু’জনেই জিহাদি। তারা আত্মঘাতী হামলায় নিহত হয়েছে।

পৃথিবীতে তাকে ফেলে গেছে একা। এ দুটি শিশুর অনেক ছবি দিয়ে অনলাইন ডেইলি মেইল একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। তাতে বলা হচ্ছে, মসুলের পশ্চিমাঞ্চলে ওল্ড সিটিতে ধ্বংসাবশেষের ভিতর উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে ইরাকি সেনাবাহিনী।

তারা চেষ্টা করছেন জীবি ত কাউকে পাওয়া গেলে তাকে উদ্ধার করতে। এমন অভিযানে তারা ওই দুটি শিশুকে খুঁজে পেয়েছে। তার মধ্যে একজন আমিনা। ধ্বংসাবশেষের নিচ থেকে সেনারা তার কান্নার শব্দ শুনে তাকে উদ্ধার শুরু করে।

কংক্রিটের আস্তরণ সরিয়ে যখন তাকে উদ্ধার করা হয় তখন তার জীবন সন্ধিক্ষণে। কোনোমতে দম আসছে আর যাচ্ছে। চিকিৎসকরা চিকিৎসা দিয়ে তাকে যখন কিছুটা সুস্থ করে তুলেছে তখন সে বলেছে, তার পিতামাতা দু’জনেই আত্মঘাতী বোমা হামলা চালিয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ভারতে পশুপতি গেট দিয়ে চীনা অনুপ্রবেশ ঘটছে। এই বিষয়ে প্রত্যক্ষ মদত রয়েছে কেন্দ্রের। সোমবার ফের বিস্ফোরক মন্তব্য পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্যই প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ হচ্ছে বলেও এদিন দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী।

সোমবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচন উপলক্ষে বিধানসভায় হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷সেখানেই ফের একবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কড়া সমালোচনা করেন তিনি। এদিন তিনি বলেন, নেপাল, ভুটান এমনকি বাংলাদেশ। সকল প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির উগ্র আচরণের জন্য সম্পর্ক খারাপ হচ্ছে। সম্প্রতি ভারত-চীন সম্পর্ক নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী যে যথেষ্ট উদ্বেগে রয়েছেন তা কেন্দ্রকে বহুবার তিনি জানিয়েছেন বলে জানা যায়। চিঠি লেখার পাশাপাশি একাধিকবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে ফোনে কথাও বলেছেন তিনি। এদিন ফের একবার চীন ইস্যু নিয়ে প্রকাশ্যে সরব হন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘‘পশুপতি গেট দিয়ে চীনা অনুপ্রবেশ চলছে। কেন্দ্রের দায়িত্ব সীমান্ত রক্ষা করা। দার্জিলিংয়ে চীনা ভাষা শেখানো হচ্ছে। ’’ এই বিষয়ে কেন্দ্র কেন কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে না, তা নিয়ে এদিন প্রশ্ন তোলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

বর্তমানে রাজ্যে একের পর এক হিংসার ঘটনায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বিষয়টি প্রশ্নের মুখে। এদিন তা নিয়েও কার্যত কেন্দ্রকেই দায়ী করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল নেত্রী এদিন বলেন, বাংলাদেশ থেকে জামাতরা এসে এই রাজ্যে হিংসা ছড়াচ্ছে। তারপর ফের বাংলাদেশে পালিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গেও জামাতদের সম্পর্ক খারাপ বলেও এদিন দাবি করেন মমতা৷ একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্যই তিস্তাসহ একাধিক ইস্যুতে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ হচ্ছে বলেও সরব হন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, নেপাল, ভুটান, বাংলাদেশ এমনকী মিয়ানমারের সঙ্গেও মোদির কারণেই সম্পর্ক খারাপ হচ্ছে। কেন্দ্রের ভ্রান্তনীতির ফল ভোগ করতে হচ্ছে রাজ্যকে।

কেন্দ্রের নোট বাতিল নিয়ে প্রথম থেকেই সরব ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ একই সঙ্গে সরব ছিলেন পণ্য ও পরিষেবা কর বা জিএসটি নিয়ে। এদিন ফের একবার এই দুই ইস্যুতে নরেন্দ্র মোদি সরকারের বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী৷ প্রশ্ন তুললেন, কালো টাকা উদ্ধারের অজুহাতে যে নোট বাতিল হয়েছিল তাতে কত কালো টাকা উদ্ধার হয়েছে? এখনও বহু সরকারি আমালার বাড়ি থেকে টাকা উদ্ধার হচ্ছে কেন তা নিয়েও এদিন প্রশ্ন তোলেন মমতা। জিএসটি এই সরকারের সবচেয়ে বড় দুর্নীতি বলেও এদিন সুর সপ্তমে তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। সূত্র: কলকাতা টুয়েন্টিফোর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

অবশেষে পর্দা নামলো ১৮ তম আইফা অ্যাওয়ার্ডের। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে চারদিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হয় এবারের আইফা অ্যাওয়ার্ড-২০১৭ এর আসর। প্রথম তিনদিন নাচ গান ফ্যাশন শো দিয়ে মাতিয়ে রাখেন বলিউড তারকারা। শেষদিনে নাচ-গানের সাথে বাড়তি পাওনা হিসেবে যোগ হয় অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান।

বলিউড লাইফ ডটকমের খবরে জানা যায়, এবারের আসরের সবুজ গালিচায় হেঁটেছেন সালমান খান, ক্যাটরিনা কাইফ, আলিয়া ভাট, শহিদ কাপুর, কৃতী স্যানন, সুশান্ত সিং রাজপুতের মতো বলিউড তারকারা। এ ছাড়া দীপা প্যাটানি, সোনাক্ষী সিনহা, সাইফ আলী খান ও তার কন্যা সারা আলী খান, করণ জোহর, অনিল কাপুর, মিরা রাজপুত, প্রীতি জিন্তা, দিয়া মির্জার মতো বলিউড তারকারাও  উপস্থিত ছিলেন।

সেরা পরিচালকের পুরস্কার ঘরে তুলেছেন অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরী (পিঙ্ক)। উড়তা পাঞ্জাব চলচ্চিত্রের জন্য  সেরা অভিনেতা-অভিনেত্রীর পুরস্কার পেয়েছেন শহিদ কাপুর ও আলিয়া ভাট। এ ছাড়া আলিয়ার ঘরে গিয়েছে আরো একটি পুরস্কার। আইফার চোখে স্টাইল আইকন অফ দ্য ইয়ার নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। আর বলিউড ইন্ড্রাস্টিতে ২৫ বছরের অবদানের জন্য এ আর রহমান পেয়েছেন সম্মানসূচক পুরস্কার। সেরা নবাগত অভিনেতার পুরস্কার পেয়েছেন দিলজিৎ দোসাঞ্জ (উড়তা পাঞ্জাব) আর সেরা নবাগত অভিনেত্রী নির্বাচিত হয়েছেন দিশা পাটানি (এম এস ধোনি : দ্য আনটোল্ড স্টোরি)।

এবারের আইফায় সঙ্গীত বিভাগে দেওয়া হয়েছে বেশ কয়েকটি পুরস্কার। সেরা সঙ্গীত সম্পাদকের পুরস্কার পেয়েছেন প্রীতম (অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল), সেরা গায়ক নির্বাচিত অমত মিশ্রা (অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল-বুলেয়া), সেরা গীতিকার অমিতাভ ভট্টাচার্য (অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল-চান্না মেরেয়া)। কনিকা কাপুর (উড়তা পাঞ্জাব- ডা ডা ডাসসে) ও তুলসী কুমার (এয়ারলিফট-সোচ না সাকে)  সেরা গায়িকার পুরস্কার ভাগাভাগি করে নিয়েছেন। সেরা গল্পের পুরস্কার ঘরে তুলেছে কাপুর অ্যান্ড সন্স, সেরা খলনায়কের পুরস্কার পেয়ছেন জিম সারবাহ (নীরজা)।

পুরস্কার ঘোষণার ফাঁকে ফাঁকে তারকারা পরিবেশন করে নাচ গান। অনুষ্ঠান সমাপ্তি টানা হয় সালমান খানের ‘জাগ ঘুমেয়া’ গানের সাথে নৃত্য পরিবেশনের মাধ্যমে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সারা দেশে বিভিন্ন সড়ক দুর্ঘটনায় পাখির মতো মানুষ মারা যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

আজ সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন মন্ত্রী।

সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, ‘পাখির মতো মানুষ পথে বলি হচ্ছে। আমি বেদনার অংকুরে বিজড়িত হই প্রতিনিয়ত। কত প্রাণ, মানুষ প্রাণ হারাচ্ছে সড়কে। একজন মন্ত্রী হিসেবে কিছুই করতে পারছি না। কত পরিবার বিপন্ন হয়ে যাচ্ছে। মনটা ভীষণ ভারাক্রান্ত হয়ে ওঠে। রাস্তায় যখন চালকরা গাড়ি নিয়ে নামে, তখন তারাই রাস্তার রাজা হয়ে যায়। রাস্তাঘাট ভালো হলে তারা জানি কী করে বলা যায় না।’

এর আগে অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চনের নেতৃত্বে নিরাপদ সড়ক চাই সংগঠনের নেতারা সেতুমন্ত্রীর সঙ্গে মতবিনিময় করেন। মন্ত্রিসভায় ২২ অক্টোবরকে নিরাপদ সড়ক দিবস হিসেবে ঘোষণা করায় তাঁরা মন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।

মর্মান্তিক এক সড়ক দুর্ঘটনায় ইলিয়াস কাঞ্চন তাঁর সহধর্মিণীকে হারিয়েছেন উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সেই দিন থেকে তিনি নিরাপদ সড়কের দাবিতে নিরলসভাবে আন্দোলন করে আসছেন। তাঁর মধ্যে একটি চেতনা ও কমিটমেন্ট তৈরি হয়েছে। অনেকে আন্দোলন করেন ক্যামেরানির্ভর। কিন্তু তিনি সত্যিকার অর্থেই আন্দোলন করে আসছেন।’

সড়ক দুর্ঘটনা কমিয়ে আনার জন্য কাজ করছেন জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘আরিচায় আগে কমপক্ষে ১০টি জায়গায় হুজুররা কাফনের কাপড় নিয়ে বসে থাকতেন যে, অ্যাকসিডেন্ট হবে আর তাঁরা দাফন করাবেন। এই পরিমাণ দুর্ঘটনা সেখানে ঘটত। অথচ এখন সেটা কমে গেছে।’

এ সময় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘সেখানে দুজন ছাত্র মারা গেছে, তাঁরা দিনের পর দিন সড়ক অবরোধ করে রাখছেন। লাখ লাখ মানুষকে বন্দি করে রাখছেন। হাজার হাজার গাড়ি আটকে রাখছেন। সেখানে অনেক মুমূর্ষু রোগী, গর্ভবতী নারী আটকে থাকেন। আমার প্রশ্ন হলো দুজনের মৃত্যু শত শত মানুষের মৃত্যুর কারণ তো হতে পারে না।’

বেপরোয়া গতিতে যান চলাচলকে দায়ী করে মন্ত্রী বলেন, ‘একটু ভালো রাস্তা পেলেই চালকরা সব আলেকজান্ডার হয়ে যান। তাঁদের ওপর নিয়ন্ত্রণ থাকে না। তাঁরা দিগ্বিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে যানবাহন চালান। এতেই দুর্ঘটনাগুলি ঘটে।’

মন্ত্রণালয়ের বাস্তবতার কারণে অনেক কিছুই করতে পারেন না বলে মন্তব্য করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিদেশি অর্থায়নে কোনো কাজ করতে গেলে কাজের চেয়ে বেশি কনফারেন্স করতে হয়। কাজে অনেক দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হয়। অসংখ্য মিটিং করতে হয়। এরপর কাজে হাত দেওয়া যায়। এটা হলো বাস্তবতা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বরিশালের বানারীপাড়ার বেতাল গ্রামে টেম্পো চালক স্বামীকে আটকে রেখে তার নববিবাহিত স্ত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি সুমন হোসেন মোল্লা।

সোমবার দুপুরে জবানবন্দি গ্রহণ শেষে আদালত তাকে কারাগারে প্রেরনের নির্দেশ দেন। এদিকে ধর্ষণ মামলার আসামি হওয়ায় বানারীপাড়া উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি পদ থেকে সুমন হোসেন মোল্লাকে বহিস্কার করা হয়েছে।

এর আগে গত রবিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে নগরীর কালীবাড়ি রোডের এক আওয়ামী লীগ নেতার বাসা থেকে ধর্ষক ছাত্রলীগ নেতা সুমন মোল্লাকে গ্রেফতার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। সুমন বানারীপাড়ার বেতাল গ্রামের মৃত খবির উদ্দিন মোল্লার ছেলে।

গত শনিবার রাতে ১ লাখ টাকা চাঁদা না দেয়ায় বেতাল গ্রামে টেম্পো চালক স্বামী মো. সেলিমকে রাতভর আটকে রেখে তার নববিবাহীতা স্ত্রীকে ধর্ষণ করার অভিযোগ ওঠে ছাত্রলীগ নেতা সুমনের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় গত রবিবার ধর্ষিতার স্বামী মো. সেলিম বাদী হয়ে সুমনকে প্রধান এবং অজ্ঞাতনামা ৪/৫জনকে আসামি করে থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। পুলিশ ওই রাতেই নগরীর কালীবাড়ি রোডে এক আওয়ামী লীগ নেতার বাসা থেকে প্রধান অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা সুমনকে গ্রেফতার করে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গতকাল তাকে ওই মামলায় বরিশালের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করে পুলিশ। পরে আদালতের বিচারক সিহাবুল ইসলামের কাছে ধর্ষণের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় সুমন। এরপর আদালত সুমনকে কারাগারে প্রেরনের নির্দেশ দেন।

এদিকে ধর্ষন মামলার আসামী হওয়ায় সুমন হোসেন মোল্লাকে উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি পদ থেকে সাময়িক বহিস্কার করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। সংগঠনের বরিশাল জেলা কমিটির সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে গত রবিবার রাতেই সুমনকে ছাত্রলীগ থেকে বহিস্কার করা হয়।

ছাত্রলীগ কেন্দ্রিয় কমিটির সভাপতি সোহাগ বলেন, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে সংগঠনের জেলা কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে রবিবার রাতেই বানারীপাড়া উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পদ থেকে সুমন হোসেন মোল্লাকে বহিস্কার করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

একসাথেই দু’জনই ওপেনিং করেন বাংলাদেশ দলের হয়ে। যদিও দু’জনের জুটিটা খুব বেশি পুরনো দিনের নয়। ২০১৫ বিশ্বকাপ থেকে। দু’জনের মধ্যে অভিজ্ঞতার বিস্তর ফারাক। তামিম ইকবাল বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সিনিয়র ক্রিকেটার। জাতীয় দলের হয়ে খেলে ফেলেছেন ১০ বছরেরও বেশি সময়। সৌম্য সরকার তো জাতীয় দলে এলেন দুই বছর হলো মাত্র।

২০১৪ সালের ডিসেম্বরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রচুর সম্ভাবনা নিয়ে অভিষেক ঘটে সৌম্য সরকারের। তার অভিষেকের পর ব্যাট হাতে তামিম ইকবাল নিজেকে নিয়ে গেছেন আরও অনেক উচ্চতায়। সে তুলনায় অমিত সম্ভাবনা থাকলেও সৌম্যর ভাল সময় যেন ধরাই দিচ্ছেন না। ধুমকেতুর মত উদয়। অসাধারণ ব্যাটিং আর দৃষ্টিনন্দন শেট খেলতে পারেন ভয়-ডরহীন। অথচ তিনিই কি না বেশ কিছুদিন ধরে ভুগছেন ফর্মহীনতায়। নিজের ফর্ম ফিরে পেতে চেষ্টার করছেন না বাঁ-হাতি এ ওপেনার।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের সঙ্গে দক্ষিণ আফ্রিকায় পূর্ণাঙ্গ সিরিজের উদ্দেশ্যে জাতীয় দলের কন্ডিশনিং ক্যাম্পে সৌম্য তাই কাজ করছেন নিজের দুর্বলতাগুলো কাটিয়ে ওঠার জন্য। ফর্ম ফিরে পেতে যেমন কাজ করছেন, তেমনি নিয়মিত অনুসরণ করছেন সতীর্থ তামিম ইকবালকেও। তার সঙ্গে থেকেই কিভাবে তামিম দিনের পর দিন পরিপক্ক ইনিংস খেলছেন- সেটাও বেশ ভালোভাবে লক্ষ্য করছেন সৌম্য।

আজ (সোমবার) বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) লাউঞ্জে বসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি। এসময় সৌম্য বলেন, ওনার (তামিম) কাছ থেকে আমি নিয়মিতই শিখি। মাঠে যখন তার সাথে খেলি তখনও আমি দেখি যে তিনি কিভাবে খেলছেন।

এ সময় সৌম্য তার ফর্ম ফিরে পাবার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘আমি আমার সমস্যাগুলো নিয়ে কাজ করছি। আশা করি ভাল কিছু করতে পারবো।’

শুধু ব্যাটিংই নয়, মিডিয়াম পেস বোলিংও করতে পারেন সৌম্য। দলের প্রয়োজনে তার হাতেও মাঝে-মধ্যে বল তুলে দেন অধিনায়ক। তবে সেটা নিতান্তই নগন্য। সৌম্য চাইলে নিজেকে একজন ভালো অলরাউন্ডার হিসেবেও গড়ে তুলতে পারেন। আগামী দিনে বোলার সৌম্যকে দেখা যাবে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি নেটে নিয়মিত বোলিং প্র্যাকটিস করি। দলের প্রয়োজন হলে অবশ্যই বল হাতে সাপোর্ট দিবো।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ভারতের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। সোমবার সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত দেশটির ১৪তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন বিধানসভা ও রাজ্যসভার সদস্যরা। পার্লামেন্টের সদস্যরা সবুজ ব্যালট পেপারে ভোট দিয়েছেন এবং বিধায়করা গোলাপি ব্যালট পেপারে।

দেশটির হিমাচল প্রদেশে পড়েছে শতভাগ ভোট। বার্তা সংস্থা পিটিআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যের ৬৭ জন এমএলএ ভোট প্রদান করেছেন।

আনুষ্ঠানিকভাবে এনডিএ প্রার্থী, দলিত সম্প্রদায়ের রামনাথ কোবিন্দের সঙ্গে বিরোধীদলীয় প্রার্থী মীরা কুমারের লড়াই হলেও, অঙ্কের হিসেবে কোবিন্দই এগিয়ে অাছেন। ধারণা করা হচ্ছে কোবিন্দের পক্ষে ৬২ শতাংশ ভোট পড়তে পারে।

সকালেই সংসদে গিয়ে প্রথম ভোট দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পরে বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ, উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী উমা ভারতীরা ভোট দেন। এছাড়া ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়ক, মধ্য প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিংহ চৌহান, অসমের মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়ালও ভোট দিয়েছেন।

সংসদের ১৬ নম্বর ঘরে ভোটগ্রহণ হয়েছে। সারা দেশে মোট ৩২টি বিশেষ বুথে চলেছে ভোটগ্রহণ। নির্বাচনের ফল প্রকাশ করা হবে আগামী বৃহস্পতিবার। ২৪ জুলাই বর্তমান রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের মেয়াদ শেষ হবে। এর পরদিন শপথ গ্রহণ করবেন পরবর্তী রাষ্ট্রপতি।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন শুরু হতেই প্রকাশ্যে এসেছে মুলায়ম সিংহ যাদব এবং অখিলেশ যাদবের মধ্যে মতপার্থক্য। বিজেপির রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী রামনাথ কোবিন্দকেই ভোট দিয়েছেন মুলায়ম। যদিও বিরোধী প্রার্থী মীরা কুমারকে ভোট দেয়ার জন্য বিধায়কদের নির্দেশ দেন অখিলেশ। অন্যদিকে, এনসিপি নেতা প্রফুল পটেলের দাবি, তাদের দলের সব সাংসদ ও বিধায়ক মীরাকে ভোট দেবেন।

 বিজেপির ধারণা, বিহারের সাবেক গভর্নর ৭০ শতাংশের বেশি ভোট পাবেন। অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি ভোট দিয়েছেন মীরা কুমারকে। এখন অপেক্ষার পালা পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণের জন্য ভোটে কার নাম চূড়ান্ত হয়।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

চঞ্চল চৌধুরীকে দেখা যায় বৈচিত্র্যময় সব চরিত্রে। ‘আয়নাবাজী’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ে খেল দেখিয়ে করেছেন বাজীমাত। হুমায়ূন আহমেদের ‘মিসির আলী’ চরিত্রে অভিনয় করছেন ‘দেবী’ চলচ্চিত্রে। এবার তাকে দেখা যাবে ‘হিমু’ রূপে।
হুমায়ূন আহমেদের গল্পে রাজু আলীম নির্মাণ করেছেন ‘রুপার জন্য ভালোবাসা’। আগামী ১৯ জুলাই সন্ধ্যায় হুমায়ূন আহমেদের প্রয়াণ দিবসে প্রচার করা হবে চ্যানেল আইতে।
চঞ্চল চৌধুরী টেলিছবিতে হিমুর চরিত্রে অভিনয় করছেন। রুপার ভালোবাসা পেতে অনশন করেন তিনি। চঞ্চল চৌধুরী বলেন, ‘হিমু এবং মিসির আলী দুইটি চরিত্রই আমার ভীষণ প্রিয়। ভার্সিটিতে পড়াকালীন বইগুলো মন্ত্রমুগ্ধের মতো পড়েছি। এখন সেই চরিত্রগুলোতে অভিনয় করছি। পড়ার সুবাদে এসব চরিত্র আগে থেকেই নিজের ভেতর সাজানো ছিল। ফলে খুব সহজেই চরিত্রে টেম্পার ধরতে পেরেছি। রাজু আলীম দারুণ বানিয়েছেন। আশা করি দর্শক দেখে মুগ্ধ হবেন।’
পরিচালক রাজু আলীম ‘রুপার ভালোবাসা’ নিয়ে বলেন, ‘হুমায়ূন আহমেদ আমার একটা ঘোরের নাম। তার বই পড়ে, তার সঙ্গে কাজ করে, আড্ডা দিয়ে আমি তাকে পড়ার চেষ্টা করেছি। তার প্রয়াণ দিবসে কিছু একটা করার তাগিদ থেকেই টেলিছবি বানানো। যদিও হুমায়ূন আহমেদকে সবচেয়ে ভালো পড়েছেন মেহের আফরোজ শাওন। তিনিই সবচে সুন্দর করে হুমায়ূন আহমেদের গল্পগুলো ফুটিয়ে তুলতে পারেন। তবু লেখকের প্রতি ভালোবাসা থেকে এই দুঃসাহস দেখিয়েছি। খুব যত্ন নিয়ে কাজটা করেছি। কতটা ভালো করেছি, সেটা প্রথমে ছেড়ে দেব মেহের আফরোজ শাওনের হাতে, তারপর দর্শকের হাতে।’
টেলিছবিতে রুপার চরিত্রে অভিনয় করেছেন টয়া। তিনি বলেন, ‘এর আগে হুমায়ূন আহমেদের সঙ্গে কাজ করেছি। এবার তার গল্পে তার অনুপস্থিতিতে কাজ করলাম। হুমায়ূন আহমেদকে খুব মিস করেছি। রাজী আলীম খুব পরিশ্রম করেছেন এ টেলিছবি নিয়ে। আমাকে তিনি যেভাবে পর্দায় মেলে ধরতে চেয়েছেন, আমি সেভাবেই হাজির হয়েছি। আশা করি চমৎকার একটা কাজ উপহার পাবেন দর্শক।’
রাজু আলীম আরও জানান, হুমায়ূন আহমেদের এই গল্পটি ‘দুই বাংলার সেরা প্রেমের গল্প’ সংকলনে স্থান পেয়েছিল।
টেলিছবি পরিচালনার পাশাপাশি চিত্রনাট্যও লিখেছেন রাজু আলীম। চিত্রগ্রহণে রয়েছেন জোবায়েদ হোসেন তুফান। চঞ্চল চৌধুরী, টয়া ছাড়াও এতে অভিনয় করেছেন ঈশানা খান, শহিদুল আলম সাচ্চু, কাজী উজ্জল, ইকবাল বাবু, রিয়াস হোসেন, মাহবুব আলম, মুনা চৌধুরী প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest