প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা জেলা তরুন লীগের সভাপতি শেখ তৌহিদুজ্জামান চপলের পক্ষ থেকে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মারুফ আহমেদকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।
শুক্রবার বিকাল ৪টায় সদর থানায় উপস্থিত হয়ে এ শুভেচ্ছা জানান জেলা তরুণলীগের নেতৃবৃন্দ। এসময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা তরুণলীগের সাধারণ সম্পাদক জাহেরুল আলম, সহ-সভাপতি মাহবুব ইমন, বাবলু, চঞ্চল। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন মীর্জা শাহিন, সবুজ, রনি, সিরাজ খান, আশিষ, সুমন, সূর্য, ইমরানসহ জেলা তরুণলীগের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ধুলিহর প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর ডিবি ইউনাইটেড হাইস্কুল মাঠে বৃহস্পতিবার বিকালে ৪৬ তম আন্তঃ স্কুল ও মাদ্রাসা গ্রীষ্মকালীন ফুটবল প্রতিযোগিতার ‘ক’ জোনের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ খেলায় ডিবি ইউনাইটেড হাইস্কুলকে ১-০ গোলে হারিয়ে জি-ফুলবাড়িয়া দরগাহ শরীফ আলিম মাদ্রাসা চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
ফাইনাল খেলার উদ্বোধনী ও পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মেরিনা আক্তার। ডিবি ইউনাইটেড হাইস্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও ব্রহ্মরাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান এস, এম শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত ও শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন প্রধান শিক্ষক ও ‘ক’ জোনের আহবায়ক মমিনুর রহমান মুকুল। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সদর থানা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক গণেশ চন্দ্র মন্ডল, জেলা তাঁতী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান তুহিন, বিদ্যালয়ের বিদ্যুৎসাহী সদস্য শেখ আব্দুল আহাদ, ইউপি সদস্য রেজাউল করিম মঙ্গল, ইউপি সদস্য ও সাংবাদিক রেজাউল করিম মিঠু, বি.ডি.এফ প্রেসক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা মাষ্টার আছাদুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক আরশাদ আলী। এছাড়া অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্রহ্মরাজপুর পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ এস,আই এমদাদুল হক, এ,এস,আই সৈয়দ আলী শেখ, শিক্ষক হাবিবুর রহমান, হাফিজুর রহমান, মোস্তাফিজুর রহমান, জাহাঙ্গীর হোসেন, আকলিমা খাতুন, রমেশ সরদার, ফয়জুল হক, সুকুমার সরকার, মাওলানা মহাসিন উদ্দীন, আবুল হাসান, ফিরোজ কবীর, চন্দন প্রমূখ। অনুষ্ঠানের সব শেষে প্রধান অতিথি ‘ক’ জোনের চ্যাম্পয়ন দলের অধিনায়কের হাতে ‘মা’ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বিশেষ পুরষ্কার তুলে দেন। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন ডিবি ইউনাইটেড হাইস্কুলের সহকারী শিক্ষক মুকুল হোসেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আসাদুজ্জামান: জঙ্গিবাদ ও মাদককে না বলুন। রুখে দিন সন্ত্রাসবাদকে। জাগিয়ে তুলুন দেশপ্রেম। আসুন গড়ে তুলি একটি আলোকিত সমাজ- এই স্লোগানকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় যাত্রা শুরু করেছে সাতক্ষীরা রাইডার্স। দেশজুড়ে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে রাইডার্স সদস্যরা এখন থেকে অতন্দ্র প্রহরীর দায়িত্ব পালন করবে। এই প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে তারা হাতে নিয়েছে নানা কর্মসূচি।
শুক্রবার বিকালে বৃষ্টিভেজা অবস্থায় রাইডার্স যাত্রা শুরু করে শহরের টিএন্ডটি মোড় থেকে। তাদের স্লোগান ট্রাফিক আইন মেনে চলুন। জঙ্গিবাদ ও মাদকের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান। তরুন প্রজন্মের সদস্যদের মনে জাগ্রত করুন দেশপ্রেম। তাদের মধ্যে সামাজিকতাবোধ গড়ে তুলুন। রাইডার্সের পক্ষ থেকে নিয়মিত রক্তদান ও বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালন করার স্লোগানও তাদের। রাইডার্স সদস্যরা বলেন ‘সকলের মাঝে সকলে আমরা’ এই স্লোগানকে ধারন করে শুরু হলো আমাদের আগামি দিনের পথচলা।
এসএম জুবায়েরের সভাপতিত্বে রাইডার্সের যাত্রা শুরুতে অংশ নেন সাদমান সাকিফ রেজা, আহসান, রাশিদ, অপু, সাকিব , পান্ডে , মিজান, মতি ,রাব্বি, ফাহিম, মুন্না , সেহান, সেজান, সাগর, রমিক, ফারিব, জুনায়েদ, পাপন, নইনসহ অনেকে।
তারুন্যের উচ্ছাসে ¯œাত রাইডার্স সদস্যরা বলেন, মোটর বাইক চালনায় সব আইন মেনে চলতে হবে। সাবধানতা ও সতর্কতা অবলম্বন করে সড়ক দুর্ঘটনা শুন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে হবে। সামাজিক অবক্ষয়রোধে সময়ের প্রয়োজনে তরুনরা সব সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেবহাটা প্রতিনিধি : পারুলিয়া বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির উদ্যোগে ৮ দলীয় প্রীতি ফুটবল টুনার্মেন্টের উদ্বোধন ও প্রথম রাউন্ডের খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকাল ৪ টায় দক্ষিণ পারুলিয়া স্পোটিং ক্লাবের মাঠে উক্ত খেলা অনুষ্ঠিত হয়। খেলায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে খেলার উদ্বোধন করেন পারুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান ও পারুলিয়া বাজার কমিটির সভাপতি সাইফুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও ফেয়ার কম্পিউটার এন্ড ট্রেনিং সেন্টারের পরিচালক আব্দুল কাদের মহিউদ্দীন। অন্যান্যদের মধ্যে উদ্বোধনীয় খেলায় উপস্থিত ছিলেন ডাঃ সোহরাব হোসেন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন, রফিকুল ইসলাম, নুর ইসলাম খোকন, হোসেন প্রমূখ। খেলায় ধারাবর্ণনায় ছিলেন বিশিষ্ট ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব সিরাজুল ইসলাম ও আবুল কাশেম, রেফারির দায়িত্ব পালন করেন অশোক কুমার, লাইন্সম্যান ছিলেন রামু বিশ্বাস ও রায় কুমার। প্রথম রাউন্ডের খেলায় হোটেল ও সেলুন ব্যবসায়ী একাদশ বনাম ফার্নিচার ও লেদ ব্যবসায়ী একাদশ অংশগ্রহণ করেন। অপরদিকে ইলোকট্রনিক্স ও জুতা ব্যবসায়ী একাদশ বনাম মোবাইল ও কম্পিউটার ব্যবসায়ী একাদশ অংশগ্রহণ করে। মোবাইল ও কম্পিউটার ব্যবসায়ী একাদশ ও ফার্নিচার ও লেদ ব্যবসায়ী একাদশ উভয়ে টাইব্রেকারে ১ গোলে জয়লাভ করে। এছাড়া আগামী শুক্রবার কাপড় ও টেইলার্স ব্যবসায়ী একাদশ বনাম কসমেটিকস ও চা ব্যবসায়ী একাদশ এবং ফারমে ও জুয়েলারি ব্যবসায়ী একাদশ বনাম কাসারী ও সাইকেল ব্যবসায়ী একাদশ অংশগ্রহণ করবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : তালা উপজেলা বিএনপির সদস্য সংগ্রহ অভিযান শুরু হয়েছে। শুক্রবার সকালে তালা মেলা বাজারস্থ অস্থায়ী কার্যালয়ে উপজেলা বিএনপি আলোচনার মাধ্যমে সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন কর্মসূচি উদ্বোধন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি মৃণাল কান্তি রায়। সদস্য সংগ্রহ ও নবায়নের অনুষ্ঠানে মুঠোফোনে নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় বিএনপি’র প্রকাশনা সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিব। এ সময় তিনি সকল নেতাকর্মীদের এক্যবদ্ধভাবে কাজ করে বিএনপি’র ভিশন-২০৩০ সফল করার আহ্বান জানান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক উপাধ্যক্ষ শফিকুল ইসলাম, সহ-সভাপতি গোলাম মোস্তফা, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক মোশাররফ হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বদরুজ্জামান মোড়ল, যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক মির্জা আতিয়ার রহমান, যুগ্ন সম্পাদক ইউপি চেয়ারম্যান এম. মফিদুল হক লিটু, ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান লিয়াকাত হোসেন, শেখ নজরুল ইসলাম, উপজেলা যুবদলের সভাপতি হাফিজুর রহমান, সাধারন সম্পাদক স.ম ইয়াছিন উল্লাহ, তাতীঁদলের ওয়াজেদ বিশ্বাস, কৃষকদলের আলী হোসেন, জাহাঙ্গীর ইসলাম, ছাত্রদলের সভাপতি সাইদুর রহমান, সাধারন সম্পাদক আনিছুজ্জামান, জাসাসের সভাপতি সেলিম হায়দার, মৎস্যজীবি দলের ছামরুল ইসলাম মিলন, জাহিদুর রহমানসহ ১২টি ইউনিয়নের বিএনপির সভাপতি, সাধারন সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদকসহ অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

তালা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার শুভাষিনী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা রেবেকা পারভীন ২০১৭ সালে তালা উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষিকা নির্বাচিত হয়েছেন। ১৭ জুলাই উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস তাকে উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষিকা নির্বাচিত করেন। এর আগে তিনি এ বছরে তেতুঁলিয়া ইউনিয়নের শ্রেষ্ঠ শিক্ষিকা হিসাবে নির্বাচিত হন। তিনি শহীদ মুক্তিযোদ্ধা মহাবিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোশাররফ হোসেনের স্ত্রী ও শুভাষিনী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশুনা শেষে ২০০৩ সাল থেকে অত্র প্রতিষ্ঠানে সুনামের সহিত শিক্ষিকতা পেশা শুরু করেন। পরিবারিক জীবনে তার রওনক উজ জামান রাহি ও তাসফিয়া রুহি নামে দুই সন্তান রয়েছে । উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষিকা নির্বাচিত হওয়ায় বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক, ম্যানেজিং কমিটির সদস্যবৃন্দ ও এলাকাবাসি আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কলারোয়া ডেস্ক : কলারোয়া থানা পুলিশ মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে ৭১পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ২ব্যক্তিকে আটক করেছে। শুক্রবার সকালে কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ বিপ্লব কুমার নাথ জানান, মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা কালে থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক মোঃ আজম মাহমুদ পিপিএম উপজেলার খলসী গ্রামস্থ কদমতলা মোড়ে বাবুর মুদি দোকানের সামনে ইটের ছলিং রাস্তার উপর থেকে ৫২ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ওই গ্রামের মৃত ইব্রাহিম মোড়লের ছেলে মোঃ শফিকুল ইসলাম(৩৩) কে গ্রেফতার করে। অপর এক অভিযানে রাত সাড়ে ১২টার দিকে থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন উপজেলার সিংগা বাজারস্থ মোহাম্মদ ওয়াল্ডিং এন্ড ওয়ার্কস্পের সামনে পাঁকা রাস্তার উপর থেকে ১৯ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ওই হুলহুলিয়া গ্রামের আরশাদ আলীর ছেলে মোঃ ফিরোজ হোসেন(২২)কে আটক করে। এঘটনায় কলারোয়া থানায় পৃথক ভাবে দুটি মামলা দায়ের হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মুক্তিযুদ্ধে নবম সেক্টরের সাব-সেক্টর কমান্ডার ও দুবলা ফিশারমেন গ্রুপের চেয়ারম্যান মেজর (অবঃ) জিয়াউদ্দিন আহমেদ আর নেই। শুক্রবার (২৮ জুলাই) সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মেজর (অবঃ) জিয়াউদ্দিনের ভাগ্নে শাহানুর রহমান শামীম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গত ১ জুলাই মেজর জিয়াউদ্দিন অসুস্থ হলে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে জানান, তার দুটি কিডনি অচল ও  লিভারের অবস্থা খারাপ। জুলাইয়ের মাঝামাঝিতে তাকে এয়ার এম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়। তার বয়স হয়েছিল প্রায় ৬৭ বছর।

সুন্দরবনের ‘মুকুটহীন সম্রাট’নামে খ্যাত জিয়াউদ্দিন আহমেদ পিরোজপুর শহরের শহীদ ফজলুল হক সড়কের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা অ্যাডভোকেট আফতাব উদ্দীন আহমেদ  পিরোজপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান ছিলেন।

বর্ণাঢ্য জীবনের অধিকারী  জিয়াউদ্দিন আহমেদ ১৯৬৯ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কমিশন লাভ করেন এবং সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট পদে যোগদান করেন। তিনি ১৯৭১ সালে সেনাবাহিনীর মেজর হিসেবে পশ্চিম পাকিস্থানে কর্মরত ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে জুলাই মাসে পাকিস্তান থেকে পালিয়ে এসে যোগ দেন মহান মুক্তিযুদ্ধে। দায়িত্ব পান ৯ নম্বর সেক্টরের সুন্দরবন অঞ্চলের সাব সেক্টর কমান্ডার হিসেবে। মুক্তিযুদ্ধে সুন্দরবন অঞ্চলে শত্রুদমনে বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার জন্য তাকে ‘মুকুটহীন সম্রাট’ উপাধী দেওয়া হয়। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি ব্যারাকে ফিরে যান।

পরে মেজর হিসেবে পদমর্যাদা পান। ‘৭৫-এর ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু যখন সপরিবারে নিহত হন তখন তিনি ঢাকায় ডিজিএফআইতে কর্মরত ছিলেন। ৭ নভেম্বর কর্নেল তাহেরের নেতৃত্বে সিপাহি- জনতার বিপ্লবে তিনি অংশ নেন। এরপর সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে কর্নেল তাহেরের সৈনিক সংস্থার পক্ষে অবস্থান নিয়ে তার অনুসারীদের নিয়ে সুন্দরবনে আশ্রয় নেন। ১৯৭৬ সালের জানুয়ারিতে সুন্দরবনে সেনা অভিযানে মেজর জিয়াউদ্দিন গ্রেফতার হন। সামরিক আদালতে গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে কর্নেল তাহেরকে ফাঁসি ও আ স ম আবদুর রব, মেজর জলিলসহ অন্যদের সঙ্গে মেজর জিয়াউদ্দিনকেও যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এ নিয়ে তখন সারাদেশের মুক্তিযোদ্ধারা আন্দোলন শুরু করলে আ স ম আবদুর রব, মেজর জলিলসহ অন্যদের সঙ্গে মেজর জিয়াউদ্দিনও ১৯৮০ সালে রাষ্ট্রপতির সাধারণ ক্ষমায় মুক্তি লাভ করেন। ১৯৮৩ সালে জেনারেল এরশাদের সময় মেজর জিয়াউদ্দিন দেশ ছেড়ে আশ্রয় নেন সিঙ্গাপুরে।

এরপর ১৯৮৪ সালের অক্টোবরে ছোটভাই কামালউদ্দিন আহমেদ, ভাগ্নে শাহানুর রহমান শামীম ও কয়েককজন মুক্তিযোদ্ধাকে নিয়ে চলে যান সুন্দরবনের দুবলার চরে। বনদস্যু বাহিনীগুলোর হাতে প্রতিনিয়ত নির্যাতিত সুন্দরবনের জেলেদের সংগঠিত করে শুরু করেন শুঁটকি মাছের ব্যবসা।

১৯৮৯ সালে জিয়াউদ্দিন পিরোজপুর পৌরসভার চেয়ারারম্যান নির্বাচিত হন। এরপর গড়ে তুলেন ‘সুন্দরবন বাঁচাও’ কর্মসূচি নামে একটি অরাজনৈতিক সংগঠন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি দুবলা  ফিশারমেন গ্রুপের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। কখনও জেলেদের নিয়ে, কখনও প্রশাসনকে সহায়তা দিয়ে ডাকাতদের নির্মূলে অবদান রেখেছেন তিনি। এ কারণে সুন্দরবনের একাধিক ডাকাত গ্রুপ বিভিন্ন সময়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। এসব ডাকাত গ্রুপ জিয়াউদ্দিনকে মেরে ফেলার চেষ্টা করে। তিনি একাধিকবার হামলার শিকার হয়েছেন।

সর্বশেষ মোর্তজা বাহিনীর সদস্যরা পূর্ব সুন্দরবনের হারবাড়ীয়া ও মেহেরালীর চর এলাকার মাঝামাঝি চরপুঁটিয়ায় মেজর জিয়াকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। বন্দুকযুদ্ধে মোর্তজা বাহিনীর চার সদস্য নিহত ও মেজর জিয়া গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন।

মেজর জিয়া মুক্তিযুদ্ধে নিজের ও অন্যদের অংশগ্রহণ এবং যুদ্ধের বিভিন্ন দিক নিয়ে ‘সুন্দরবন সমরে ও সুষমায়’ নামে একটি বই লিখেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest