সর্বশেষ সংবাদ-
কালিগঞ্জে মৎস্য ঘেরে বিষ প্রয়োগ- ২০ লাখ টাকার ক্ষতিসাংবাদিক শরীফুল্লাহ কায়সার সুমনের সুস্থতা কামনায় প্রেসক্লাবের বিবৃতিচ্যানেল ওয়ানে জাকিরের নিয়োগ : প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের অভিনন্দনসাতক্ষীরা’র শ্যামনগরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সংঘর্ষে আহত ১৪কালিগঞ্জে বিএনপির সভাপতির বিরুদ্ধে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে সম্পত্তি দখল ও লুটপাটের অভিযোগসাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনসাতক্ষীরায় মেডিকেল ভ্যালু ট্রাভেল খাতে জ্ঞান বিনিময়-কৌশলগত সহযোগিতার সেমিনারসাতক্ষীরায় জলবায়ু সহনশীলতায় নারী নেতৃত্বের ভূমিকা বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালাশ্যামনগরে সুপেয় পানির সংকট তুলে ধরতে দৌড়ে অংশ নিল ২ শতাধিক মানুষসাতক্ষীরায় হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন’র উদ্বোধন

চম্পাফুল প্রতিনিধি : কালিগঞ্জের চম্পাফুল ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের মেম্বর আবু বক্কর গাইন (৫০) আটক করা হয়েছে। সে চাঁদখালী এলাকার মৃত মকবুল গাইনের ছেলে। শনিবার সন্ধ্যায় উজিরপুর বাজার এলাকা থেকে ডিবি পুলিশের সদস্যরা তাকে আটক করেন।
এঘটনায় ডিবি পুলিশের সেকেন্ড অফিসার আবুল কাসেমের সাথে রাত ৮.৫৫ মিনিটে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমি শুনেছি। তবে ঠিক কারা গ্রেফতার করেছে সেটি বলতে পারবো না। আমাদের ৪টি টিম মাঠে আছে। তারা ফিরে আসলে বিস্তারিত বলতে পারবো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আহসানুর রহমান রাজীব : জানু পারভীন (৭০), সাতক্ষীরা সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের শিয়ালডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা। বয়সের ভারে কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন এই বৃদ্ধা এলাকার সবার কাছে দাদি বলে পরিচিত। প্রতিদিন ভোররাতে পাড়ার বিভিন্ন ঘরে গিয়ে নামাজের জন্য তিনি সবাইকে ডাকতেন। দরজায় ধাক্কা দিতেন। এতে অনেকের ঘুম ভেঙ্গে যেত। তাতেই ক্ষিপ্ত হয়ে কিছু প্রতিবেশিরা ঝগড়া বাধায় তার ছেলে আর বৌদের সাথে। তার পর একদিন ছেলে আর বৌরা মিলে তাকে বাড়ির পাশে একটি গাছে শেকল দিয়ে বেধে রেখেছিল। এ সময় বাড়ির পাশের এক ব্যাক্তি শেকল বাধা বৃদ্ধার ছবি তুলে ফেসবুকে ছড়িয়ে দিলে তা ভাইরাল হয়। এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর বৃদ্ধার বাড়িতে যান, সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মেরিনা আক্তার।
এ সময় তিনি বৃদ্ধ মায়ের কাছে সে দিনের ঘটনা জানতে চাইলে বৃদ্ধা জানান, ছেলে ও বৌদের প্রতি আমার কোন অভিযোগ নেই। মাঝে মাঝে আমার মাথায় সমস্যা হয় তখন আমি রাস্তায় চলে যাই। ফজরের নামাজের সময় মানুষের বাড়িতে যেয়ে নামাজের জন্য ডাকাডাকি করে জালাতন করি এ জন্য প্রতিবেশীরা ছেলে বৌদের সাথে ঝগড়া করে তাই রাগ করে ওরা আমাকে শেকল দিয়ে বেধে রেখেছিল। তারা আমার দেখাশুনা করে খেতে দেয়। তাদের বিরুদ্ধে আমার কোন অভিযোগ নেই।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(সদর সার্কেল) মেরিনা আক্তার বলেন, বিষয়টি জানার পর আমি ঐ এলাকার জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে তাকে শেকল মুক্ত করি। শনিবার বিকালে আমি নিজে তার বাড়িতে যেয়ে তার কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি তার ছেলে বৌদের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ করেন নি। তার পরও আমি তাকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছি। ভবিৎষতে আর কেউ তার সাথে এমন আচরণ করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সেলিম হায়দার : অপরিকল্পিতভাবে সংযোগ খাল খনন করায় কপোতাক্ষ নদের স্লুইস গেট ভেঙ্গে ২০টি গ্রামে পানি ঢুকে পড়েছে। আর প্লাবন ঝুঁকিতে প্রায় শতাধিক গ্রাম। ইতিমধ্যে ভেঙ্গে গেছে তালা-পাটকেলঘাটা সড়কের মাগুরা বাজার সংলগ্ন সড়কের একাংশ। যে কোন মূহুর্তে বন্ধ হতে পারে যোগাযোগ ব্যবস্থা। এছাড়া তলিয়ে গেছে আমনের বীজতলা ও মৎস্য ঘের।
কপোতাক্ষ নদের জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় শুক্রবার (১৪ জুলাই) দুপুরে তালা উপজেলার মাগুরা বাজার সংলগ্ন স্লুইস গেটে ভাঙন দেখা দেয়। সময়ের সাথে সাথে ভাঙ্গন তীব্র হয়ে পানি বাড়তে শুরু করে।
সংবাদ পেয়ে শনিবার সকালে সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট মুস্তফা লুৎফুল্লাহ সরেজমিনে এলাকা পরিদর্শন করেন। এসময় ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন এলাকাবাসি।
তারা অভিযোগ করেন,‘স্থানীয় চেয়ারম্যান গণেশ দেবনাথ পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে আতাত করে প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম করেছে। নদের সংযোগ খাল সংস্কারের জন্য যে বরাদ্দ দেওয়া হয়, তার প্রকল্প সভাপতি ছিলেন চেয়ারম্যান। তিনি প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে লুটপাট করেছেন। এজন্য ভাঙন দেখা দিয়েছে।’
এলাকাবাসি জানান, স্লুইচ গেটটি বন্ধ না হলে মাগুরা, জালালপুর ও খলিষখালী ইউনিয়নের প্রায় শতাধিক গ্রাম পানিতে তলিয়ে যাবে। ইতিমধ্যে ভেঙ্গে গেছে তালা-পাটকেলঘাটা সড়কের মাগুরা বাজার সংলগ্ন সড়কের একাংশ। যে কোন মূহুর্তে বন্ধ হতে পারে যোগাযোগ ব্যবস্থা। এছাড়া তলিয়ে গেছে বারুইপাড়া, ধুলুন্ডা, মাগুরা, মাগরুডাঙ্গা, জালালপুর ইউনিয়নের কিছু অংশের আমনের বীজতলা ও মৎস্য ঘের।
এদিকে ভাঙনের খবর শুনে তালা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কুমার, তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ফরিদ হোসেন, তালা প্রেসক্লাবের আহবায়ক প্রণব ঘোষ বাবলু ওই এলাকা পরিদর্শন করেন। এসময় স্থানীয় জনগণ তাদের সামনেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
মাগুরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গণেশ দেবনাথ জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ড কপোতাক্ষ নদের সংযোগ খাল ও স্লুইস গেট সংস্কারের জন্য একটি প্রকল্প গ্রহন করে। ওই প্রকল্পের সভাপতিও তিনি। পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে যোগাযোগ করে সিডিউল মোতাবেক কাজটি বাস্তবায়ন করেছেন বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি বলেন,‘মাটি দিয়ে ইতিমধ্যে স্লুইস গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবে পানি বৃদ্ধি পেলে কি হবে সে বিষয়ে তিনি কিছু বলেননি।’
যশোর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী প্রবীর গোস্বামী বলেন,‘বিষয়টি আমি শুনেছি। তাৎক্ষনিক ভাবে দুই জন কর্মকর্তাকে ঘটনাস্থল মাগুরায় পাঠানো হয়েছে। স্লুইস গেট বন্ধ করার জন্য আমি সংশ্লিষ্টদের নির্র্দেশ দিয়েছি।’
সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট মুস্তফা লুৎফুল্লাহ বলেন,‘স্লুইস গেট দিয়ে যে ভাবে এলাকায় পানি প্রবেশ করছে, তাতে তিনটি ইউনিয়নের শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হবে। ইতিমধ্যে এলজিইডি’র সড়ক হুমকির মধ্যে রয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর সাথে আলাপ করেছি। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তাকে বলা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : যাতায়াতের রাস্তা কে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মিথ্যা মামলায় জড়ানো ও ভূয়া ওয়ারেন্টের মাধ্যমে গ্রেফতার করানোর প্রতিবাদে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার দুপুরে এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন পলাশপোল এলাকার মোকাদ্দেস গাজীর ছেলে কওছার গাজী। তিনি বলেন, আমি গাজী ট্রেডার্স পলাশপোল (খান কমিনিটি সেন্টার মার্কেট) সাতক্ষীরা। দীর্ঘদিন সুনামের সাথে ব্যবসা করিয়া আসছি। পলাশপোল মৌজায় ১৭৬৩/১৭ নং খতিয়ানে ১১৩৪৩ দাগে ১৩ শতক পৈত্রিক সম্পত্তিতে দীর্ঘদিন যাবত শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে আসছি। আমার বাড়ির উত্তর দিকে বসবাস করেন আমিরুল ইসলামের ছেলে শহীদুল ইসলাম। দক্ষিণে রয়েছে শহীদুলের মামা মৃত: আব্দুল মোজিতের ছেলে খাইরুল ইসলাম। শহীদুলের বাড়িতে যাতায়াতের জন্য ১ নভেম্বর ০৯ সালে সাতক্ষীরা পৌরসভায় একটি শালিসের মাধ্যমে পূর্ব-পশ্চিম ৩৪ ইঞ্চি চওড়া ও উত্তর দক্ষিন ৩৮ ফুট লম্বা রাস্তাটি সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। বহু বছর ধরে ওই রাস্তা দিয়ে অত্র এলাকার প্রায় ৩০ ঘর পরিবার যাতায়াত করে থাকেন। কিন্তু শহীদুল আমার বাড়ি নির্মাণের সময় হঠাৎ করে যাতায়াতের ওই রাস্তাটি নিজের নামে ক্রয় করার দাবি করে বসেন। কিন্তু আমি তার দাবিতে সাড়া না দিলে সে তার মামা খায়রুলের সাথে প্রকাশ্যে বলে যে “কওছার সোজা করা আমার একদিনের আয়।” এরপর থেকে টাকার প্রভাব খাটিয়ে আমার নামে একের পর এক মিথ্যা মামলা ও জজকোর্ট থেকে ভুয়া ওয়ারেন্ট তৈরি করে আমাকে গ্রেফতার করিয়ে নি:স্ব করার পায়তারায় লিপ্ত রয়েছে। সম্প্রতি শহীদুল আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠেছে। শহীদুলের অসৎ উদ্দেশ্যে সফল করতে তার মামা খায়রুল ইসলাম ও তার এক আতœীয় ইলেক্ট্রনিক্স মিস্ত্রি সহযোগিতা করে যাচ্ছে। ওই মিস্ত্রী ইতোমধ্যে প্রভাব খাটিয়ে আমাকে বিভিন্ন ভয়ভীতি প্রদর্শন করেছে। ইতোপূর্বে কোট থেকে কক্সবাজারের রামু থানার একটি ভুয়া ওয়ারেন্ট (যার নং- সিআর২১৫/১৫ ইং) জারি করে। এতে পুলিশ আমাকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পেরেণ করেন। পরবর্তীতে আমি জামিনে মুক্তি পেয়ে আমি কক্সবাজারের রামু থানায় গিয়ে জানতে পারি ওই তারিখে উক্ত থানায় এধরনের মামলা রেকর্ড হয়নি এবং ওই গ্রেফতারি পরোয়ানাটি ভূয়া বলে প্রমাণিত হয়। এছাড়া সিআরপি ৫২/১৫(দেব) তাং- ২৩/৯/১৫ তারিখের একটি মামলায় আমাকে ১৪ নং আসামী করা হয়। অথচ ওই ঘটনার কিছু আমার জানানেই। অপরদিকে কালিগঞ্জের বৈরাগীরচক ভূমিহীন পাড়ার সিআরপি ২০৪/১৫ নং মামলা আমাকে ৮৫ নং আসামী করা হয়। যা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যে প্রণোদিত। এছাড়া সম্প্রতি সিলেট জায়রা জজ আদালতের ৭২/১৫ চাঁদাবাজি মিথ্যা গ্রেফতারি পরয়ানা দিয়ে হয়রাণী করছে।
টাকা দিকে যাতায়াতের রাস্তা জোরপূর্বক ক্রয় করতে না পেরে এলাকার কতিপয় কুচক্রী ব্যক্তিদের পরামর্শে শহীদুল ইসলাম গং আদালতের কিছু অসাধু ব্যক্তিদের অর্থের বিনিময়ে ম্যানেজ করে আমাকে বিভিন্ন মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করে যাচ্ছে। শহীদুল ইসলাম গং-রা এভাবে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাকে একজন চিহ্নিত আসামি হিসাবে পরিণত করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। যাতে তার অসৎ উদ্দেশ্যে সফল করতে পারে। সে ইতোমধ্যে প্রকাশ্যে বলেছে ওর কাছ থেকে রাস্তা ক্রয় করতে না পারলেও ওকে একের পর এক মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে নিঃস্ব করে ওই বাড়ি কিনে নেবো, পারলে ঠেকাবে। শহীদুল সব সময় বলে, আমি মটরসাইকেল ম্যাকানিক। সাংবাদিক, পুলিশ, উকিল, মুহুরি সবাই আমার হাতে ধরা। কওছারের মত লোককে সায়েস্তা করতে আমার সময় লাগে না। একারণে এলাকাবাসী আমার পক্ষে কথা বলতেও ভয় পায়। শহীদুল যদি আবার তাদের বিরুদ্ধে লাগে।
আমাদের ৭ জনের পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী আমি। এদিকে এসব মিথ্যা মামলার কারণে পুলিশ আমাকে গ্রেফতার করার জন্য বাড়িতে ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হানা দিচ্ছে। শহীদুলের ইঙ্গিতে দেয়া মিথ্যা মামলার কবলে পড়ে আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি আজ ধ্বংসের মুখে। এছাড়া কোর্টে আমার নামে যে সব মামলা রয়েছে তার কোন সমন আমাকে না দিয়ে আদালত অবমানার দায়ে গ্রেফতারি পরোয়া জারিয়ে করিয়ে নিচ্ছে শহীদুলের ভাড়াটিয়া লোকজন। এতে করে আজ আমি নিঃস্ব প্রায়। ওই কুচক্রী শহীদুল, খায়রুল গংদের ইঙ্গিতে দেয়া মিথ্যা মামলা থেকে রক্ষা ও তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের সম-সাময়িক বেশ কিছু বিষয় নিয়ে সচিত্র প্রতিবেদন তৈরি করছে লন্ডনভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম ডেইলি । এরই ধারাবাহিকতায় এবার বিরল রোগে আক্রান্ত সাতক্ষীরার ১২ বছর বয়সী দুর্ভাগা কিশোরী মুক্তামনিকে নিয়ে একটি প্রতিবেদন করেছে সংবাদ মাধ্যমটি।

কয়েকটি ছবিসহ প্রতিবেদনের শুরুতেই বলা হয়েছে, এই মর্মহত ছবিগুলো ১২ বছর বয়সী বালিকার, যে ধীরে ধীরে ‘বৃক্ষ মানবে’ রূপান্তর হতে যাচ্ছে। এতোমধ্যে তার শরীরের উপরের অংশ ‘বৃক্ষ মানব’ রোগে পচে গেছে। অসহ্য যন্ত্রণা তো আছেই, তার হাতের সঙ্গে বুকের ডান পাশের অংশ বাদামী বর্ণ ধারণ করেছে, যা দেখতে গাছের বাকলের মতো।

খবরে বলা হয়, মুক্তামনির ডান হাত প্যারাসাইটসে আক্রান্ত। যা এখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। বাঁকা হয়ে আসতে থাকা হাতটি এখন অব্যবহারযোগ্য হয়ে পড়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।

বর্তমানে মুক্তামনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার বাম হাত এখনও আক্রান্ত হয়নি। তারপরও চিকিৎসকরা বলছেন, রোগটি তার সারা দেহে ছড়িয়ে পড়েছে।

‘বৃক্ষ মানব’ লক্ষণকে চিকিৎসার ভাষায় বলা হয় এপিডারমোডাইপ্লাসিয়া ভেরাসিফরমিস (ইভি)। তবে মুক্তামনির প্রকৃতপক্ষেই সেই রোগ কিনা তা এখনও নিশ্চিত হতে পারেননি চিকিৎসকরা। তবে যদি সে সত্যি এই রোগে আক্রান্ত হয় তাহলে বিশ্বের ‘হাফ ডজন’ রোগীর মধ্যে সে একজন।

ইভি এমন একটি বিরল লক্ষণ যাতে চামড়ার ওপর খারাপ প্রভাব ফেলে। যা দেখতে আঁচিলের মতো হয়। লালচে আঁচিল সারাদেহে দেখা দেয়। পরে তা বর্ধিত হতে থাকে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতে, দুটি অস্বাভাবিক ইভি জিনের কারণে এ রোগ হয়। এর একটি আসে মা ও অন্যটি বাবার শরীর থেকে। তবে এখন পর্যন্ত এই রোগের ভালো কোনো চিকিৎসা পদ্ধতি আবিষ্কার হয়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে দেশের মাটিতে শুক্রবার যখন মাঠে নামে তখন ইংলিশ পেস তারকা জেমস অ্যান্ডারসনের নামে পাশে ২৯৯টি উইকেট। অর্থাৎ আর একটি উইকেট পেলেই ঘরের মাঠে প্রথম ইংলিশ বোলার হিসেবে ঘরের মাঠে ৩০০ টেস্ট উইকেট নেয়ার অনন্য এক কীর্তি গড়বেন তিনি। অ্যান্ডারসন অবশ্য বেশি দেরি করেনি সেটা করতে। দলীয় ১৮ রানে ডিন এলগারকে ফিরিয়ে দিয়েই ইতিহাসে ঢুকে পড়েন তিনি।

শুক্রবার ট্রেন্টব্রিজ টেস্টে নামার আগে ১২৩টি টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন অ্যান্ডারসন। পকেটে পুরেছেন ৪৭০টি উইকেট। ২০০৩ সালে লর্ডসে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অভিষেক হওয়ার পর গতকালের উইকেটটি নিয়ে তার শিকারের সংখ্যা দাঁড়াল ৪৭১টি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের বিরুদ্ধে আনা সর্বশেষ দুর্নীতির অভিযোগটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘ফন্টগেট’। মাইক্রোসফট ওয়ার্ড প্রোগ্রামের একটি টাইপ ফন্ট ‘ক্যালিব্রি’। এই ফন্টটি কবে সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছিল, তার ওপর নির্ভর করছে নওয়াজ শরীফের বিরুদ্ধে এই মামলার ভবিষ্যৎ। আগামী সপ্তাহে পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের তিনজন বিচারক মিলে তদন্তকারীদের রিপোর্টের ভিত্তিতে এই মামলার ব্যাপারে তারা রায় দেবেন।

বিবিসি জানায়, গত বছর ‘পানামা পেপার্স’ ফাঁস হওয়ার পর পাকিস্তানের বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ রাজনীতিক, যার মধ্যে নওয়াজ শরীফও কিছু অফশোর একাউন্টের সঙ্গে জড়িত আছেন বলে জানা যায়। এরপর থেকে পাকিস্তানের বিরোধী রাজনীতিকরা অভিযোগ করছেন, দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ বিদেশে পাচার করে সেই অর্থে লন্ডনে দামী ফ্ল্যাট কেনা হয়েছিল। একদল তদন্তকারী এখন এই দুর্নীতির ঘটনা তদন্ত করছে। এই অভিযোগ প্রমাণিত হলে নওয়াজ শরীফ প্রধানমন্ত্রীর পদের জন্য অযোগ্য বিবেচিত হতে পারেন।

এই তদন্তে যে প্রশ্নটির উত্তর খোঁজা হচ্ছে তা হলো, সেন্ট্রাল লন্ডনে দামী ফ্ল্যাটগুলো যে অফশোর কোম্পানিগুলোর মাধ্যমে কেনা হয়েছে, সেই কোম্পানিগুলোর মালিক কে? পানামা পেপার্সে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে নওয়াজ শরীফের মেয়ে মারিয়াম নওয়াজ এর মালিক। মারিয়াম নওয়াজই তাঁর পিতার রাজনৈতিক উত্তরাধিকারি হিসেবে দলের হাল ধরবেন বলে মনে করা হয়। তবে মারিয়াম নওয়াজ দাবি করছেন, তিনি এই কোম্পানির ট্রাস্টি মাত্র। এর স্বপক্ষে তিনি প্রমাণও পেশ করেছেন।

এই পর্যন্ত সব ঠিকই ছিল। কিন্তু তিনি যে দলিল পেশ করেছেন, সেটি সই করা হয়েছে ২০০৬ সালে। কিন্তু তদন্তকারীরা বলছেন, মাইক্রোসফটের যে ফন্ট ব্যবহার করে দলিলটি টাইপ করা হয়েছে, সেই ক্যালিব্রি ফন্টটি ২০০৬ সালে সাধারণের ব্যবহারের কোন সুযোই ছিল না। এটি উন্মুক্ত করা হয় ২০০৭ সালে। ফলে তদন্তকারীদের মতে, এই দলিলটি আসলে জাল। তারা মারিয়াম নওয়াজের বিরুদ্ধে জালিয়াতির অভিযোগ আনছেন। তবে মারিয়াম নওয়াজ এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

টাইপোগ্রাফি বিশেষজ্ঞ থমাস ফিনি বিবিসিকে জানিয়েছেন, যদিও ক্যালিব্রি ফন্টের বেটা ভার্সন ২০০৪ সাল থেকে পাওয়া সম্ভব ছিল, কিন্তু এটি সাধারণ ব্যবহারকারীদের ব্যবহারের ডাউনলোডের ঘটনা হবে খুবই বিরল এক ঘটনা। ফন্টটি যিনি তির করেছেন, সেই লুকাস ডে গ্রুটও একই মন্তব্য করেছেন।

কিন্তু এরই মধ্যে উইকিপিডিয়ায় এই ক্যালিব্রি ফন্টের ইতিহাস নিয়ে শুরু হয়ে গেছে রহস্যময় সব ঘটনা।
পাকিস্তানে এই দুর্নীতির মামলায় ক্যালিব্রি ফন্টের বিতর্ক শুরু হওয়ার পর দেখা গেল উইকিপিডিয়ায় ক্যালিব্রি ফন্টের ইতিহাস বার বার এডিট করা হচ্ছে। বাধ্য হয়ে উইকিপিডিয়ার কর্তৃপক্ষ ক্যালিব্রি ফন্টের পাতাটির সম্পাদনার সুযোগ আপাতত বন্ধ করে দিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কণ্ঠশিল্পী, একুশে পদক  ও স্বাধীনতা পদক পাওয়া শিল্পী আবদুল জব্বার গুরুতর অসুস্থ। তার অবস্থা এখন সংকটাপন্ন। ৭৯ বছর বয়সী এ শিল্পী সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসা করাতে চান। এ জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।

কিডনি, হার্ট, প্রস্টেটসহ নানা জটিলতায় আক্রান্ত হয়ে তিনি এখন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন আব্দুল জব্বার। বিদেশে তার উন্নত চিকিৎসায় প্রধানমন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করেছে শিল্পীর পরিবার।

‘তুমি কি দেখেছ কভু জীবনের পরাজয়, ‘সালাম সালাম হাজার সালাম’ ও ‘জয় বাংলা বাংলার জয়’সহ অসংখ্য কালজয়ী গানে কন্ঠ দেন আবদুল জব্বার। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী হিসেবে রেখেছেন অসামান্য ভূমিকা। গুণী এই শিল্পী এখন অসুস্থ অবস্থায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

সুস্থ হয়ে আবারও সুরের ভুবনে ফিরতে চান আবদুল জব্বার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest