সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটায় কমিউনিটি শিশুদের জন্মদিন উদযাপনআশাশুনিতে ৮শ লিটার পেট্রোল জব্দ: ১০হাজার টাকা জরিমানাসাংবাদিক জিন্নাহ’র ওপর সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানিয়ে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের বিবৃতিদেবহাটা উপজেলাকে শিশু শ্রমমুক্ত করতে সুশীলনের অবহিতকরন সভা সাতক্ষীরায় এনটিভির সাংবাদিককে পিটিয়ে জখম: জমির মালিককে আটকে রেখে নির্যাতনসাতক্ষীরায় বেশী দামে তেল বিক্রির অভিযোগে ৫ হাজার টাকা জরিমানা: দুই মাসের জেলΟδηγός για αρχάριους στο Casino Spinfest και πρώτα βήματα επιτυχίαςMassimizza le tue vincite con i bonus del casinò online Winnitaকালিগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক ঘের মালিকের মৃত্যুআর্ন্তজাতিক বর্ণ বৈষম্য বিলোপ দিবসে ৮ দফা দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন

গরমের এ সময়টিতে আমাদের শরীরের তাপমাত্রা সূর্যের উত্তাপের কারণে বেড়ে যায়। অনেক সময় খাদ্য গ্রহণের কারণেও তাপমাত্রা বেড়ে যেতে পারে।
গরমের সময় ভারী খাবার খাওয়ার ফলে অস্বস্তি হয়ে থাকে। সেই সঙ্গে বদহজমের কারণও হতে পারে। তবে এ সময় ঋতুভিত্তিক সবজি খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। প্রতিটি সবজিরই রয়েছে নিজস্ব পুষ্টিগুণ। তাহলে জেনে নিন এমনই কিছু সবজির কথা যেগুলো খেলে আপনার স্বাস্থ্য পর্যাপ্ত পুষ্টি পাবে এবং কোনো অস্বস্তিও তৈরি হবে না।

করলা : করলা সুগারের মাত্রা কমাতে এবং ক্যান্সার ও ইনফেকশন রোধে লড়াই করে। এটা কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে পরিত্রাণ দেয়। করলা দেহে রক্তসঞ্চালন বৃদ্ধির পাশাপাশি রক্ত পরিশোধনে সাহায্য করে। গরমের দিনে চোখ ও ত্বকের বিভিন্ন ধরনের ইনফেকশনের প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে। সজনে : এটির শাক হিসেবে ব্যবহৃত পাতা ভিটামিন এ এর উৎস। সজনের পাতা এবং ফল উভয়ের মধ্যেই পর্যাপ্ত পরিমাণে পুষ্টি আছে। এতসব পুষ্টিগুণ একসাথে আছে বলেই এর মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং জীবন ধারনের পুষ্টি দুটোই পাওয়া যায়। বহু ধরনের ভিটামিন, মিনারেল, কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন ও ফ্যাটের সমাহার এই সজনে।

চিচিঙ্গা : দেহের তরল উৎপাদন বৃদ্ধি করে এবং শুষ্কতা দূর করতে সাহায্য করে চিচিঙ্গা। হৃদরোগীদের জন্যও অনেক উপকারী চিচিঙ্গা। বুক ধড়ফড় করা ও শারীরিক পরিশ্রমের ফলে সৃষ্ট বুকে ব্যথা দূর করতে সাহায্য করে চিচিঙ্গা পাতার রস। দেহে শীতল প্রভাব দান করে চিচিঙ্গা।

শসা : শসা হতে পারে আপনার জন্য পারফেক্ট একটি সবজি। এতে শতকরা ৯৬ ভাগ পানি রয়েছে এবং কাঁচা সবুজ অবস্থায় খাওয়া যায়। শসায় ভিটামিন সি এবং সিলিকা রয়েছে, যাতে টিস্যু বৃদ্ধি ও ত্বক পরিষ্কারকের বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। শসার উচ্চ পানীয় গুণ রয়েছে যা গরমের দিনের জন্য যথোপযুক্ত। শসার খোসাসহ খাওয়া খুবই জরুরি। কারণ, শসার খোসায় প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম এবং ফাইবার রয়েছে। স্বাস্থ্যের জন্য এই উপাদানগুলো অতি জরুরি।

কুমড়া : কুমড়া শীতলতা ও মূত্রবর্ধক বৈশিষ্ট্য ধারণ করে। এটি পরিপাকক্রিয়ায় ভালো কাজ করে এবং পাচনতন্ত্রের কৃমি দূর করতে বড় ধরনের ভূমিকা পালন করে থাকে। এতে পটাশিয়াম বিদ্যমান এবং ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণ করে ও সুগারের ফলে অগ্ন্যাশয়ের উদ্দীপনা কমায়। কুমড়া ত্বকের রোগ নিরাময়ের ভালো একটি দাওয়াই হিসেবে কাজ করে। উচ্চ ফাইবার ও কম ক্যালোরিসমৃদ্ধ কুমড়ায় রোগ প্রতিরোধ পুষ্টিও বিদ্যমান। যেমন প্যানটোথেনিক অ্যাসিড, ম্যাগনেশিয়াম, ভিটামিন ই ও সি।

ঝিঙ্গা : ঝিঙ্গা গরমের দিনের সবজি হিসেবে খুবই উপকারী। এতে প্রচুর পরিমাণে পানি, ফাইবার ও পটাসিয়াম থাকে, যা দেহের ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য রক্ষা করতে সাহায্য করে।

বেগুন : এটি একটি বহুল প্রাপ্য সবজি। এতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। বেগুনে মলিবডেনিয়াম, পটাশিয়াম, ভিটামিন কে, ম্যাগনেশিয়াম, কপার, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি৬, ফলেট বিদ্যমান। এটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে পরিচিত, যা খারাপ কোলেস্টেরলও ধ্বংস করতে কাজ করে। কিন্তু যদি কিডনি ও পিত্তথলির সমস্যা থাকে তাহলে বেগুন এড়িয়ে চলাই ভালো।

লাউ : গরমের উত্তাপ থেকে বাঁচতে লাউ একটি অন্যতম সবজি হিসেবে বিবেচিত। এটি পেট ফাঁপা, কোষ্ঠকাঠিন্য ও অ্যাসিডিটি নিয়ন্ত্রণ করে। অধিক পুষ্টিগুণ এবং কম ক্যালোরি ও চর্বি জোগান দেয়া এই সবজিতে ৯৬ শতাংশ পানি রয়েছে। এটা গরমের দিনে সত্যিই উপকারী এবং হিট স্ট্রোক রোধের ক্ষমতা রাখে। পাশাপাশি গরমের দিনে ঘামের সাথে যে পানি বের হয়ে যায় শরীর থেকে তা পূরণে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নারীর সুডৌল আঙ্গুলের মতো আকৃতি হওয়ায় ইংরেজ রসিকরা এর নাম দেন ‘লেডিস ফিঙ্গার’। ঢেঁড়স একটি জনপ্রিয় সবজি— হোক সেটা শহরে কিংবা গ্রামে। এছাড়া পুষ্টিগুণের বিচারে এর মূল্য অনেক।
এতে রয়েছে প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, লোহা ও ভিটামিন এ বি সি। ঢেঁড়সে রয়েছে ক্যারোটিন, ফলিক এসিড, থায়ামিন, রিবোফ্লাভিন, নিয়াসিন, আঞ্চলিক এসিড এবং অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিড। এর রিবোফ্লাভিনের পরিমাণ বেগুন ও শিমের চেয়েও বেশি। প্রতি ১০০ গ্রাম ঢেঁড়সে ৬৬ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ১.৫ মিলিগ্রাম লোহা, ৫২ মিলিগ্রাম ক্যারোটিন, দশমিক শূন্য ৭ মিলিগ্রাম থায়ামিন, দশমিক ১ মিলিগ্রাম রিবোফ্লাভিন, দশমিক ৬ মিলিগ্রাম নিয়াসিন ও ১৩ মিলিগ্রাম ভিটামিন বিদ্যমান।
শত রকমের সুস্বাদু শাকসবজির মধ্যে ঢেঁড়স এমন একটি সবজি যা আপনার স্বাস্থ্যের জন্য খুব উপকারী। অনেকেই ঢেঁড়স খেতে ভালোবাসেন কারণ এর স্বাদ অন্য সবজিগুলো থেকে অনেকটাই ভিন্ন। আবার রাঁধতেও সময় লাগে বেশ কম। চলুন তাহলে জেনে নিই নানা ধরণের ভিটামিনে ভরপুর ঢেঁড়সের কিছু স্বাস্থ্য গুনাগুন।
প্রাণবন্ত চুল

সুস্বাদু সবজি ঢেঁড়স চুলের জন্য খুব উপকারী এবং ঢেঁড়সে আছে এমন কিছু উপাদান যা চুলের কন্ডিশনার হিসেবে কাজ করে, খুশকি ও উকুন রোধ করে, স্কাল্পের শুষ্কতা ও চুলকানি দূর করে থাকে এবং চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।

ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য ভাল
ঢেঁড়সে আছে দেহের গ্লুকোজের মাত্রা কিমিয়ে রাখার উপাদান ও এক ধরণের ফাইবার উপাদান যা দেহের সুগার নিয়ন্ত্রনে রাখে।

দেহের রক্ত ধমনী গঠন করে
ঢেঁড়স খাওয়ার ফলে দেহে প্রচুর পরিমাণে ফ্লেভনয়েড( flavonoid ) ও ভিটামিন সি পৌছায় যার মাধ্যমে রক্ত ধমনী সুগঠিত হয়ে থাকে।

রক্তশূন্যতা রোধ করে
ঢেঁড়সের হিমোগ্লোবিন, আয়রন ও ভিটামিন কে দেহে রক্ত জমাট সমস্যা রোধ করে, দেহে প্রয়োজনীয় লাল প্লেটলেট তৈরি করে এবং দেহের দুর্বলতা রোধ করে থাকে। তাই রক্তশূন্যতার সমস্যায় বেশি করে ঢেঁড়স খাওয়া ভালো।

ওজন কমাতে সহায়ক
ঢেঁড়সের ফাইবার অনেকটা সময় পেট ভরা রাখে ও ভিটামিন উপাদানগুলো দেহে দীর্ঘক্ষণ পর্যন্ত থাকে এছাড়াও ঢেঁড়সে ক্যালরির পরিমাণ খুব কম তাই এটি ডায়েট মেন্যুতে রাখতে পারেন।

আলসার সমস্যা রোধ করে
ঢেঁড়সের soluble adhesive উপাদান আলসারের সমস্যা রোধ করতে খুব সহায়ক। সুস্থ থাকতে ও আলসার সমস্যা রোধ করতে ঢেঁড়স রাখুন খাদ্য তালিকায়।

মজবুত হাড় গঠন করে
ঢেঁড়সের ভিটামিন কে উপাদান দেহের হাড় মজবুত করে এবং অস্টিওপরোসিস রোগ রোধ করে হাড় পুনরূদ্ধার করে থাকে।

কলেস্টরোলের মাত্রা ঠিক রাখে
ঢেঁড়সের ফাইবার ও পেক্টিন দেহের খারাপ কলেস্টরোলের মাত্রা নিয়ন্ত্রনে রাখে এবং atherosclerosis সমস্যা রোধ করে।

এই সকল স্বাস্থ্যগুন ছাড়াও ঢেঁড়সের নানা ধরণের উপাদান আমাদের ত্বকের সমস্যা ও কোলন ক্যানসার প্রতিরোধ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, চোখের দৃষ্টি শক্তির উন্নয়ন ইত্যাদি নানা ধরণের কাজে আসে। তাই সুস্থ থাকতে আপনার প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখুন স্বাস্থ্যগুনে ভরপুর ঢেঁড়স।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বিনোদন ডেস্ক : চিকুনগুনিয়া জ্বরে আক্রান্ত হয়ে গ্রামের বাড়ি সাতক্ষীরার তালায় নিরানন্দ ঈদ উদযাপন করেছেন। তবে ঈদে তার অভিনীত টেলিফিল্ম আজ দুপুরে প্রচার হবে বাংলাভিশন টিভিতে। টেলিফিল্মের গল্পও সুন্দরবনকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে। নামও ‘বাদাবন’। বলছি সাতক্ষীরার খ্যাতিমান অভিনেত্রী লাক্স সুন্দরী মৌসুমী হামিদের কথা।

পঁচিশ বছর পর হারিয়ে যাওয়া ছোট বোনকে খুঁজতে এসে বোনের হাতে প্রথমে জিম্মি পরে খুন হন ভাই সামির! পরিবারের ঐতিহ্যের বন্দুক খুঁজতে এসে ছোট বোনের হাতে এই নির্মম খুন।
আর এই বোনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন মৌসুমী হামিদ। যে চরিত্রটি মূলত জলদস্যু, রানী বাহিনীর প্রধান। চরিত্রের নাম রানী।
সুমন আনোয়ারের রচনা ও পরিচালনায় এমন ভয়ঙ্কর গল্পের টেলিফিল্ম ‘বাদাবন’। মৌসুমী তার অভিনয় ক্যারিয়ারের অন্যতম উজ্জ্বল চরিত্র বলেই দাবি করছেন এটিকে।
এর গল্প প্রসঙ্গে মৌসুমী জানান, সুন্দরবনের বিখ্যাত জলদস্যু রানী বাহিনী। এই রানী প্রয়াত জলদস্যু জালালের পালক কন্যা। প্রায় পঁচিশ বছর আগে রানীকে অপহরণ করেছিলো জালাল, সে সময় রানীর বাবা মারা যায়। খোয়া যায় পারিবারিক ঐতিহ্যবাহী বন্দুক ও একমাত্র কন্যা রানী। রানীর মা ও ভাই সামির প্রাণে বেঁচে ফিরে আসে, তারপর অনেক চেষ্টা করেও রানীকে উদ্ধার করা যায়নি।
২৫ বছর পর রানীর মা মারা গেলে ভাই সামির তাকে খুঁঁজতে আসে সুন্দরবনে। ততোদিনে রানী গড়ে তোলেন বাহিনী।
আস্তানায় জিম্মি অবস্থায় রানীকে দেখে কখনও চিন্তাও করতে পারেনি সামির, এটা তার আপন হারিয়ে যাওয়া ছোট বোন। যে বোনের হাতে অবশেষে খুনই হন একমাত্র ভাইটি।
‘বাদাবন’ টেলিফিল্মে মৌসুমী ছাড়া আরও অভিনয় করেছেন আফরান নিশো, মামুনুর রশীদ, হিন্দোল রায়, উজ্জল মাহমুদ, এজাজ বারী, আমানুল হক হেলাল প্রমুখ।
বাংলাভিশনে টেলিফিল্মটি প্রচার হবে আজ ২৯ জুন বেলা ২টা ১০ মিনিটে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

: আপনার জীবনের বড় ভুল কী?

: বিয়ে করা। এত অল্প বয়সে বিয়ে করা আমার উচিত হয়নি। আরেকটু ভেবেচিন্তে, জেনে বুঝে তবেই বিয়ে করা উচিত ছিল। সরকার সবার বিয়ের জন্য বয়স নির্ধারণ করে দিয়েছে। এখন বুঝি, এর একটা কারণ আছে। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে চিন্তা, ভাবনা আর সব কিছুরই একটা পূর্ণতা আসে।

বললেন চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। বিয়ে করা নাকি শাকিব খানকে বিয়ে করা—ভুল কোনটা? তবে এ প্রশ্নের কোনো জবাব দেননি। বুধবার রাতে জাগো এফএমে সাক্ষাৎ​কার দেন তিনি।

হঠাৎ​ ছেলে আব্রামকে নিয়ে মিডিয়ার সামনে আসা এবং শাকিব খানকে নিজের স্বামী বলে ঘোষণা করা— এর পেছনে অন্য কোনো কারণ ছিল? সঞ্চালক তানভীর তারেকের এমন প্রশ্নের জবাবে অপু বিশ্বাস বলেন, ‘শাকিব খানের মাথায় ছিল আরও কিছুদিন তার স্ত্রী আর ছেলেকে সবার কাছ থেকে আড়ালে রাখবে। কিন্তু আমি তা চা​ইনি। সেপ্টেম্বর মাসে আমার ছেলের বয়স ১ বছর হবে। দুই দিন আগে ঈদ হলো। সবাই আমাকে আমার ছেলের কথা জিজ্ঞাসা করছে। ঈদে ও কী করেছে, এসব নিয়ে লেখা হচ্ছে। এটা কিন্তু ওর জন্য দোয়া। এই দোয়া থেকে ওকে আমরা কেন বঞ্চিত করব।?’

সংসার নিয়ে অপু বলেন, ‘একটা সংসারের জন্য দুজন মানুষের মনের মিল থাকা দরকার।’ আরও বলেন, ‘সুখটা অচীন পাখী, তাকে ধরা যায় না।’

মধুচন্দ্রিমা (হানিমুন) নিয়ে অপু বললেন, ‘মধুচন্দ্রিমা সবার জীবনে আসে না। তাদের মধ্যে আমি একজন।’

শাকিব খান বারবার অভিযোগ করেছেন, তার স্ত্রী অপু একটা চক্রের সঙ্গে মিলে তার ক্ষতি করছে। এ ব্যাপারে অপু বলেন, ‘আমি মোটেও কোনো চক্রের সঙ্গে নেই। আমি কোনো চক্রান্ত করিনি। বরং আমাকে আর আমার ছেলেকে নিয়ে শাকিব চক্রান্ত করেছে।’

সেপ্টেম্বরে আব্রামের প্রথম জন্মদিন। এই দিনটা কীভাবে উদযাপন করবেন শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস দম্পতি? অপু বলেন, ‘আমার আসলে পরিকল্পনা করে কিছু হয় না। যা কিছু হয়েছে, হুট করেই হয়েছে। আর শাকিব নিজের কাজ নিয়ে যা ব্যস্ত। এখনই কিছু বলতে পারছি না।’

জানালেন, ঈদের দিন ​শাকিব ছবির কাছে লন্ডনে ছিলেন। কিন্তু ছেলে আব্রামকে সঙ্গে নিয়ে শাকিব খানের বাসায় যান অপু। নিজের শ্বশুর–শাশুড়ির সঙ্গে দেখা করেছেন। তাদের জন্য রান্না করা খাবার নিয়ে গেছেন। দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এই বাসায় ছিলেন তিনি। এরপর ননদের বাসায় যান। ননদ আর তার বাচ্চাদের ঈদের উপহার দিয়েছেন। ননদের মেয়ে আব্রামের প্রায় সমবয়সী। ওরা খুব আনন্দ করেছে। একসঙ্গে খেলা করেছে। পুরো ব্যাপারটি উপভোগ করেছেন অপু।

আর স্বামী শাকিবের ব্যাপারে অপু বলেন, ‘ও এখনো সাংসারিক হতে পারেনি। ভয়াবহ ব্যস্ত! ও যেন নিজেকে ভুলে না যায়।’ আর সংসারের জন্য সবাইকে স্যাক্রিফাইস করতে হয়। অপু বললেন, ‘আমিও স্যাক্রিফাইস করছি।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ক্যালিফোর্নিয়ার তাপমাত্রা সেদিন ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দৌড়বিদ আলিসিয়া মনট্যানো পাঁচমাসের গর্ভবতী। খোঁপায় একটা লাল ফুল বেঁধে ওই অবস্থায়ই নেমে পড়েন ইউএস চ্যাম্পিয়নশিপে।

এতকিছু থাকতে খোঁপায় কেন ফুল। উত্তরটা দিয়েছেন আলিসিয়া নিজেই, ‘ফুল আমার কাছে শক্তির প্রতীক। এখানে ২০১৪ সালেও অংশ নিয়েছিলাম। তখন আমার গর্ভে ৮ মাসের সন্তান ছিল।’

আলিসিয়া প্রথম রাউন্ডের দৌড় শেষ করেন দুই মিনিট এবং ২১.৪০ সেকেন্ড সময় নিয়ে। ২০১৪ সালে এরচেয়ে ১১ সেকেন্ড কম সময় নিয়েছিলেন।

এই ঘটনাকে আলিসিয়া ‘ভালোর জন্য যুদ্ধ’ হিসেবে দেখছেন, ‘ওই ফুল আমার কাছে নারী শক্তির চিহ্ন। আমি দেখাতে চেয়েছি একজন পেশাদার নারী অ্যাথলেটের জীবন কেমন হয়। ভালোর জন্য যুদ্ধটা তো এমনই হয়।’

বৃহস্পতিবার আলিসিয়ার সেই মেয়েও স্টেডিয়ামে ছিল। ২০১৪ সালে যাকে পেটে নিয়ে দৌড় শেষ করেছিলেন। ৩ বছরের ওই মেয়ে মায়ের জন্য ফিনিশিং লাইনে অপেক্ষা করছিল। তার টি-শার্টের বুকে লেখা ছিল, ‘মায়ের মতো শক্ত।’

এমন যুদ্ধ যে মা করতে পারে, তার মেয়ের শক্ত না হয়ে উপায় আছে?

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৩২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় ৮৪০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার সন্ধ্যা থেকে আজ সকাল পর্যন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার ও মাদক করা হয়।
পুলিশ জানায়, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ০৬ জন, কলারোয়া থানা ০১ জন, তালা থানা ০৪ জন, কালিগঞ্জ থানা ০৩ জন, শ্যামনগর থানা ১৩ জন, আশাশুনি থানা ০৩ জন, দেবহাটা থানা ০১ ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ০১ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক মিজানুর রহমান তাদের গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহার মানুষের জীবনকে হুমকিতে ফেলেছে। চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই পাড়া-মহল্লার দোকানে এ ওষুধ দেদারসে বিক্রি হচ্ছে। সর্দি-কাশি বা সামান্য শারীরিক সমস্যা হলেই কয়েকটি অ্যান্টিবায়োটিক ট্যাবলেট বা ক্যাপসুল কিনে খাওয়া এখন সাধারণ ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে ঘন ঘন অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া, শুরু করে শেষ না করা এবং নির্দিষ্ট মাত্রায় না খাওয়া শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে দিচ্ছে। তাই এর অপপ্রয়োগ বন্ধে সরকারকে উদ্যোগ নিতে হবে বলে অভিমত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। একইসঙ্গে চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া ওষুধের দোকানগুলোতে এই ধরনের ওষুদ বিক্রি বন্ধের কার্যকর ব্যবস্থা নিতে আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
প্রায় চার মাস আগে ৮৩ বছর বয়সের মাহবুবুর রহমান (ছদ্মনাম) মারা যান পান্থপথের একটি বেসরকারি হাসপাতালে। ডায়াবেটিক, উচ্চরক্ত চাপ নিয়ে মাহবুবুর রহমান নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতাল ভর্তি হলেও তাকে আর বাঁচানো যায়নি। আবার এক মাস আগে ৬৭ বছরের প্রকৌশলী মুকুল চন্দ্র দাস (ছদ্মনাম) বৃষ্টিতে ভেজার পর জ্বরে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলে তার ফুসফুসে ইনফেকশন এবং নিউমোনিয়া হয়েছে বলে ধরা পড়ে। প্রথমে বারডেম এবং পরে পান্থপথের একটি নামকরা বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয় তাকে। কিন্তু তার শরীরে কোনও ড্রাগ কাজ করছিল না, চিকিৎসকদের প্রাণান্ত চেষ্টা সত্ত্বেও তাকে আর বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
চিকিৎসকরা বলছেন, ‘ইমিউনো কম্প্রোমাইজ বা অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্ট হয়ে যাওয়ার কারণেই তাকে বাঁচানো যায়নি। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়াতে এবং অ্যান্টিবায়োটিক শরীরে আর কাজ না করাতেই মৃত্যু হয়েছে দু’জনেরই।’

গবাদি পশু, মাছ এবং কৃষিক্ষেত্রেও অনিয়ন্ত্রিত অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার আশঙ্কা হারে বেড়েছে। শতকরা ৫০ শতাংশ অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার হচ্ছে কৃষি খাতে, কৃষিপণ্য এর যথেচ্ছ ব্যবহারের ফলে বাড়ছে কিডনি আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। আর এসব কারণে ২০১৫ সাল নাগাদ বিশ্বের এক কোটি মানুষ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হারিয়ে মৃত্যুবরণ করবে বলেও জানান চিকিৎসকরা।

অন্যদিকে, পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের করা এক গবেষণা জরিপ থেকে জানা যায়, রাজধানীতে শতকরা ৫৫ দশমিক ৭০ শতাংশ মানুষের শরীরে অ্যান্টিবায়োটিক অকার্যকর হয়ে পড়েছে। অর্থ্যাৎ ঢাকায় মানুষের শরীরে যে রোগ জীবানুর সংক্রমণ ঘটে তার বিরুদ্ধে ৫৫ দশমিক ৭০ শতাংশ অ্যান্টিবায়োটিক কোনও কাজ করে না।

যেটা দরকার নেই, সেটাও ব্যবহার হচ্ছে, যখন দরকার নেই, তখনও ব্যবহার হচ্ছে। নিয়ম মেনেই ব্যবহার করা হচ্ছে। এর কারণ হিসেবে চিকিৎসকরা মনে করেন, দেশে নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা নেই। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন, ‘এর ফলে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স মহাদুযোর্গের প্রতিধ্বনি হিসেবে শুনতে পাচ্ছি আমরা।’

অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্সের কারণে বাংলাদেশে কত মানুষ মারা যায় এমন কোনও জরিপ বা গবেষণা না থাকলেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী বছরে ২৩ হাজার আর বিশ্বে সাত লাখ মানুষ মারা যাচ্ছে। এ ধারা চলতে থাকলে বিশ্বজুড়ে বছরে এক কোটি মানুষ মারা যাবে ওষুধ না পেয়ে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যানুযায়ী যৌনরোগ গণরিয়ার চিকিৎসায় কোনও ওষুধ কাজ করছে না। এ অবস্থা চলতে থাকলে গণরিয়ার আর কোনও চিকিৎসাই থাকবে না।
অ্যান্টিবায়োটিক অকার্যকর হওয়ার কারণে ২০৫০ সাল নাগাদ সবচেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যু হবে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. সানিয়া তহমিনা।
তিনি বলেন, ‘অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স খুবই ভয়ের কথা। যখন তখন খাওয়ার প্রবণতা যদি আমরা রোধ করতে না পারি, তাহলে আমাদের সামনে ভয়ঙ্কর দিন অপেক্ষা করছে।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক এবিএম ফারুক বলেন, ‘অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের সুনির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। আর নিয়ম না মেনে খেলে শরীরে রেজিস্ট্যান্স তৈরি হয়। রেজিস্ট্যান্স নানা কারণে হতে পারে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘জীবাণুকে মারার জন্য যে পরিমাণ প্রয়োজন তার চেয়ে কম সেবন, ঘন ঘন অথবা অধিক মাত্রায় সেবন এবং পুরো কোর্স সম্পন্ন না করা এবং নকল, ভেজাল ও নিম্নমানের অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করা অন্যতম কারণ।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি অনুষদের এক গবেষণায় দেখা গেছে, সব ধরনের হাসপাতালে অ্যান্টিবায়োটিক হিসেবে তৃতীয় প্রজন্মের সেফালোস্পোরিন গ্রুপের ওষুধের ব্যবহার বেশি। এর পরের অবস্থানে রয়েছে ম্যাক্রোলাইড, দ্বিতীয় প্রজন্মের সেফালোস্পোরিন ও পেনিসিলিন।
এছাড়া, এক থেকে চার বছর বয়সী শিশুদের চিকিৎসায় ব্যবহারের হার সর্বোচ্চ।
গবেষণায় আর দেখা যায়, অল্পবয়সীদের ক্ষেত্রে ভুল ব্যবহার বেশি। আর ভুল অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগের কারণে হাসপাতালে বেশিদিন অবস্থান করতে হয়, শারীরিক জটিলতার মাত্রা বেশি হয় এবং এতে মৃত্যুর হারও তুলনামূলকভাবে বেশি।
প্রিভেন্টিভ মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. লেলিন চৌধুরী বলেন, যথেচ্ছ ব্যবহারকে থামাতে যদি ব্যর্থ হই, তাহলে একটা সময়ে সব ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ অকার্যকর হয়ে যাবে আর পৃথিবীতে রাজত্ব করবে জীবানুরা। তাই যতো দ্রুত সম্ভব এ অবস্থার রাশ টেনে ধরতে হবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক ড. সিতেশ চন্দ্র বাছার অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্সেকে বাংলাদেশের সিরিয়াস মেডিক্যাল ও সামাজিক সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেন। তিনি বলেন, ‘বর্তমান সময়ে কারবাপেনেম শ্রেণির একটি অ্যান্টিবায়োটিক আইসিইউ বা নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র চিকিৎসারত রোগীদের দেওয়া হয়। যখন তাদের অন্য সবগুলোই কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। কিন্তু যদি কোনোভাবে কারবাপেনেম ওষুধটি রেজিস্ট্যান্ট হয়, তাহলে আইসিইউ রোগীরা ওষুধ না পেয়েই মারা যাবে। খুবই আশঙ্কার বিষয় কারবাপেনেমও রেজিস্ট্যান্ট হয়ে যাচ্ছে কোথাও কোথাও।’
অধ্যাপক ড. সিতেশ চন্দ্র বাছার আরও বলেন, ‘বাংলাদেশসহ এশিয়ার ১১টি দেশের অ্যান্টিবায়োটিক অকার্যকর হয়ে পড়ছে। যার কারণে অস্ত্রোপচার ও ক্যান্সারসহ বিভিন্ন ধরনের জটিল রোগের চিকিৎসা ব্যবহত হচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এ অবস্থাকে তুলনা করেছে অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কার হবার আগের যুগের সঙ্গে।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. আবদুর রহিম বলেন, ফ্রান্স, আমেরিকাসহ বিশ্বের উন্নতদেশগুলোতে প্রেসক্রিপশন ছাড়া কোথাও অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি হয় না। অথচ আমাদের দেশে ফার্মেসিতে গিয়ে যা চাওয়া হয়, তাই পাওয়া যায়।’
অন্যদিকে, গ্রামাঞ্চলগুলোতে হাতুড়ে চিকিৎসকরা অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রিতে শহরের চেয়েও বেশি এগিয়ে আছে মন্তব্য করেন অধ্যাপক আবদুর রহিম। তিনি বলেন, ‘আমরা যেসব অ্যান্টিবায়োটিক দিতে সাহস পাইনা, সেগুলোও তারা রোগীদের দিচ্ছেন।’
অ্যান্টিবায়োটিক কাজ না করার কারণে রোগীদের চিকিৎসা করাতে পারছেন না এমন কোনও রোগী পেয়েছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা এখনও সে পর্যায়ে যাইনি, তবে সতর্ক না হলে সে পর্যায়ে যেতে আমাদের সময় লাগবে না।’
উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘প্রস্রাবের ইনফেকশন একটি কমন অসুখ, এ অসুখের জন্য যখন কালচার টেস্ট করা হয় সেখানে দেখতে পাই, অধিকাংশ অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করার মতো অস্থায় নেই। দু-একটা ওষুধ ছাড়া প্রায় ড্রাগই রেজিস্টেন্ট হয়ে গেছে। এ অবস্থা থেকে আমাদের পরিত্রাণ পেতে হবে, নয়তো মৃত্যুপথযাত্রী রোগীর জন্যও একসময় কোনও ড্রাগ থাকবে না।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

এতদিন মেসির সামনে ছিলেন মুর্তিমান আতঙ্ক। পরপর দুটি কোপা আমেরিকা ফাইনালে মেসিদের কাঁদিয়েছেন তিনি। এবার একই অভিজ্ঞতা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকেও দিলেন ক্লদিও ব্রাভো। চিলির গোলরক্ষক ব্রাভো একাই বলতে গেলে হারিয়ে দিয়েছেন রোনালদোর পর্তুগালকে। টাইব্রেকারে টানা তিনটি শট ফিরিয়ে দেন এবং শেষ মুহূর্তের নায়কে পরিণত হন তিনি।

ফিফা কনফেডারেশন্স কাপের সেমিফাইনালে দু’দলের খেলাই ছিল গোলশূন্য ড্র। নির্ধারিত সময়, অতিরিক্ত ৩০ মিনিট নিষ্প্রাণ ফুটবলই খেলে গেছে চিলি এবং পর্তুগাল, দু’দলই। কেউ কারও জালে বল প্রবেশ করাতে পারেনি।

শেষ পর্যন্ত খেলা গড়াল ভাগ্য নির্ণায়ক টাইব্রেকারেই। এখানে এসেই নায়ক হয়ে গেলেন চিলির গোলরক্ষক ক্লদিও ব্রাভো। রোনালদোদের টানা তিনটি টাইব্রেকারের শট ফিরিয়ে দেন তিনি এবং পর্তুগালকে একাই হারিয়ে দেন। টাইব্রেকারে পর্তুগিজদের ৩-০ ব্যবধানে হারিয়ে কনফেডারেশন্স কাপের ফাইনালে উঠে গেলো কোপা আমেরিকা চ্যাম্পিয়ন চিলি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest