সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটায় কমিউনিটি শিশুদের জন্মদিন উদযাপনআশাশুনিতে ৮শ লিটার পেট্রোল জব্দ: ১০হাজার টাকা জরিমানাসাংবাদিক জিন্নাহ’র ওপর সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানিয়ে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের বিবৃতিদেবহাটা উপজেলাকে শিশু শ্রমমুক্ত করতে সুশীলনের অবহিতকরন সভা সাতক্ষীরায় এনটিভির সাংবাদিককে পিটিয়ে জখম: জমির মালিককে আটকে রেখে নির্যাতনসাতক্ষীরায় বেশী দামে তেল বিক্রির অভিযোগে ৫ হাজার টাকা জরিমানা: দুই মাসের জেলΟδηγός για αρχάριους στο Casino Spinfest και πρώτα βήματα επιτυχίαςMassimizza le tue vincite con i bonus del casinò online Winnitaকালিগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক ঘের মালিকের মৃত্যুআর্ন্তজাতিক বর্ণ বৈষম্য বিলোপ দিবসে ৮ দফা দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন

এবছর ঈদকে কেন্দ্র করে দর্শকদের জন্য তিনটি ছবি মুক্তি পেয়েছে। এর মধ্যে যৌথ প্রযোজনার দুটি ছবিরই কেন্দ্রীয় চরিত্রে দুই বাংলার দুই জনপ্রিয় অভিনেতা শাকিব খান ও জিৎ। ২৩৫টি সিনেমা হলে এই দুটি ছবি মুক্তি পেলেও ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খানের কাছে এক প্রকার হেরে গেছেন একাধিক হিট ছবি উপহার দেওয়া কলকাতার অভিনেতা জিৎ।

মুক্তিপ্রাপ্ত তিনটি ছবির মধ্যে সবচেয়ে কম প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে বাংলাদেশে নির্মিত শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস অভিনীত ‘রাজনীতি’ ছবিটি। বুলবুল বিশ্বাস পরিচালিত এই ছবিটি দেশের ৪০টি সিনেমা হলে দেখা যাবে।

বাকি দুটো যৌথ প্রযোজনার ছবি। এর একটি শাকিব খান ও শুভশ্রী অভিনীত ‘নবাব’ এবং কলকাতার জিৎ, শুভশ্রী ও বাংলাদেশের নুসরাত ফারিয়া অভিনীত ‘বস টু’। বাংলাদেশের জাজ মাল্টিমিডিয়া ও কলকাতার এস কে মুভিজ প্রযোজিত ‘নবাব’ সারা দেশে ১২৪টি সিনেমা হলে মুক্তি পেয়েছে। এবং জাজ মাল্টিমিডিয়া ও জিতের প্রতিষ্ঠান জিৎ’স ফিল্মওয়ার্কস প্রাইভেট লিমিটেডের ‘বস টু’ মুক্তি পেয়েছে ১১১টি হলে।

যদিও নিয়ম না মেনে যৌথ প্রযোজনার ছবি বানানোর অভিযোগ তুলে নবাব ও বস-২ এর মুক্তি ঠেকাতে আন্দোলনে নামেন এফডিসিভিত্তিক বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিবার। এমনকি তারা দুদিন সেন্সর বোর্ড ঘেরাও করেও রাখেন। কিন্তু পরে দুটি ছবিই সেন্সর বোর্ড থেকে ছাড়পত্র পায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সারা দেশে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ঈদের জামাত শেষ হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ঈদের দিন সোমবার সকালে গণভবনে সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রী এই সন্তোষ প্রকাশ করেন।

শুভেচ্ছা বিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসী ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের ঈদের শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, ‘এবারের ঈদ অত্যন্ত ভালোভাবে এবং শান্তিপূর্ণ হয়েছে।প্রত্যেকটা জামাত শান্তিপূর্ণভাবে হয়েছে। কোনোরকম অঘটন ঘটেনি। এ জন্য আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। আর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সকলেই চমৎকার কাজ করেছেন। এ জন্য তাঁদের ধন্যবাদ জানাই।’

‘দেশের সাধারণ জনগণ সচেতন ছিলেন, সচেষ্ট ছিলেন।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এক মাস সিয়াম সাধনা করে এ ঈদ উৎসব। এটা সবার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ঈদের আনন্দ প্রত্যেক মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছানোর লক্ষ্য আমাদের। দেশের মানুষের সার্বিক নিরাপত্তা, চিকিৎসা ব্যবস্থা, শিক্ষা ব্যবস্থা, ভূমিহীন মানুষের গৃহনির্মাণ নিশ্চিত করতে কাজ করছি।’

উন্নত দেশ গড়তে সবার সহযোগিতা চান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের মানুষের আর্থসামাজিক উন্নতি হচ্ছে। মানুষ আজ আনন্দঘন পরিবেশে ঈদ উদযাপন করেছে। আশা করি, মানুষের জীবনমান আরো উন্নত হবে।’

‘বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। সারা বিশ্বের কাছে উন্নয়নের রোল মডেল। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট আমরা যে মর্যাদা হারিয়ে ছিলাম, তা আমরা এখন ফিরে পেয়েছি। আজ আবার আমাদের দেশ জেগে উঠেছে।’

সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে দেশের উন্নয়নের পরিকল্পনাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমরা ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলেছি, যাতে বাংলাদেশের অর্থনীতি শক্তিশালী এবং মজবুত হবে। দেশের মানুষের ভাগ্য আরো পরিবর্তন হবে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দিনাজপুর শহরের গোর-এ-শহীদ ঈদগাহে একত্রে পাঁচ লাখ মুসল্লি ঈদের জামাতে অংশ নিয়েছেন বলে দাবি করেছেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও দিনাজপুর-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) ইকবালুর রহিম।
ঈদের জামাত শেষে সাংবাদিকদের কাছে এই দাবি করেন তিনি।
এর আগে সকাল ৯টায় গোর-এ-শহীদ ঈদগাহে ঈদুল ফিতরের একমাত্র জামাত অনুষ্ঠিত হয়। সেই জামাতে ইমামতি করেন আলহাজ সামসুল হক কাশেমী।
নামাজের আগে ঈদগাহ ও আশপাশের এলাকাজুড়ে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়। মোতায়েন ছিল পুলিশ, র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশসহ (বিজিবি) আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

গোর-এ-শহীদ ময়দানে এ বছর মোট ৬২ একর জায়গাজুড়ে ঈদের নামাজের আয়োজন করা হয়। এতে অংশ নিতে দিনাজপুরে ছুটে আসেন পাশের জেলা ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, নীলফামারী ও জয়পুরহাট জেলার মুসল্লিরা। বাস-ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহনে করে ঈদের নামাজে অংশ নেন আশপাশের জেলার লোকজন।

ঈদের নামাজে জাতীয় সংসদের হুইপ ছাড়াও অন্যদের মধ্যে অংশ নেন বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম, দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মীর খায়রুল আলম, পৌরসভার মেয়র জাহাঙ্গীর আলম, পুলিশ সুপার (এসপি) হামিদুল আলমসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

ঈদের নামাজ শেষে জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম বলেন, ‘উপমহাদেশের সর্ববৃহৎ ঈদের নামাজ আদায় করলাম। এখানে পাঁচ লক্ষাধিক মুসল্লি শান্তিপূর্ণভাবে ঈদের জামাত আদায় করেছেন।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ভারতীয় একটি প্রতিষ্ঠানকে বাংলাদেশের ১০ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রায় ১০০ কোটি টাকার বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি সরবরাহের আদেশ দিয়ে বিপাকে পড়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। গত মার্চে অ্যাঞ্জেলিক ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড নামে একটি ভারতীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি সরবরাহের চুক্তি করে।
জানা গেছে, সম্প্রতি ভি কে লাম্বা একজন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর দফতরে একটি চিঠি পাঠিয়ে জানায় অ্যাঞ্জেলিক ইন্টারন্যাশনাল বিভিন্ন ধরনের দুর্নীতি ও অনিয়মে জড়িত এবং ওই প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পর্যায়ের পরিচালকের বিরুদ্ধে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা তদন্ত করছে। এর প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে আবেদনটি অনুসন্ধানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে।

গত ৫ মার্চ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর বাস্তবায়নাধীন সেকেন্ডারি এডুকেশন সেক্টর ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রামের আওতায় অ্যাঞ্জেলিক ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডকে কাজ দেওয়া হয় এবং চুক্তিপত্র সম্পাদন করা হয়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মাদ জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে একটি নির্দেশনা পেয়েছি তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অন্যান্য অভিযোগ সত্যি কি না সেটি জানার জন্য।’

আমরা ইতিমধ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে বিষয়টি জানিয়েছি এবং তাদের অনুরোধ করেছি বিষয়টি ভারতীয় দূতাবাসে জানানোর জন্য এবং কাছ থেকে এ বিষয়ে একটি রিপোর্ট সংগ্রহের জন্য। এ রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে আগামী কর্মপন্থা নির্ধারণ করা হবে বলেও তিনি জানান।

উল্লেখ যে, ভিকে লাম্বা প্রধানমন্ত্রীর দফরে চিঠি লিখে জানায় অ্যাঞ্জেলিক ইন্টারন্যাশনালের বিরুদ্ধে আফ্রিকার কয়েকটি দেশে অনেকগুলি দুর্নীতি মামলা আছে এবং সেখানে তারা বিভিন্ন জনকে ঘুষ দিয়েছে। চিঠিতে আরও বলা হয়, অ্যাঞ্জেলিক ইন্টারন্যাশনালের পরিচালক ও মালিক অজয় কিষাণ গোয়েল ও এম পি গুপ্তের বিরুদ্ধে ভারতের সিবিআই তদন্ত করছে এবং কোর্টে চার্জশিট জমা দেওয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

‘এবার থামেন,১০ বছর তো অনেক দুর্নীতি, লুটপাট করেছেন, গুম করেছেন। দেশ বাঁচাতে এবার নিরপেক্ষ নির্বাচন দিন’- বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। সরকারকে উদ্দেশ্য করে সোমবার ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে বিএনপিপ্রধান এসব কথা বলেন। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে খালেদা জিয়া সরকারের নানা কর্মকাণ্ডেরর সমালোচনা করেন।
খালেদা জিয়া বলেন, ‘গত ১০ বছরে অনেক করেছেন। গুম, খুন করেছেন। আল্লাহর কাছে বিচার হবে। এবার থামেন, নিরপেক্ষ নির্বাচন দিন।’

দেশের অর্থনেতিক বৈষম্যের কথা উচ্চারণ করে খালেদা জিয়া বলেন, ‘একশ্রেণির বিত্তশালীরা বিদেশে গিয়ে মার্কেট করছে। আরেক শ্রেণি দুর্যোগের মধ্যে পড়ে আছে। দেশের মানুষ তো এখন ব্যাংকে টাকা রাখে না। কিন্তু যারা টাকা লুটপাট করেছে তাদের টাকা তো বিদেশে পাচার হয়ে গেছে।’

দেশে দুর্ভিক্ষ অবস্থা বিরাজ করছে এমন অভিযোগ করে খালেদা জিয়া বলেন, ‘হাওরে এই ঈদের সময় দুর্ভিক্ষ চলছে। তারা একবেলাও খেতে পারছে না। বিশেষ করে হাওড়ের আগাম বন্যায় সেখানে বিপর্যয় এসেছে।’
আওয়ামী লীগ দেশকে সন্ত্রাস, দুর্ভিক্ষ, দুর্নীতি দিতে পারে মন্তব্য করে খালেদা জিয়া বলেন, ‘তারা হাওরের খোঁজ নিচ্ছে না। পাহাড় ধস হলেও সেখানে হেলিকপ্টারে করে ত্রাণ দেওয়া যেতে পারতো, কিন্তু তারা তা করেনি।’

খালেদা জিয়া তার বক্তব্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় নিয়েও কথা বলেন। এর মধ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ও শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়েও সরকারের সমালোচনা করেন তিনি।

সোমবার দুপুরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান হয়। ঈদের দিন দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে কূটনীতিক, বিশিষ্ট নাগরিক-পেশাজীবী এবং দলীয় নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন তিনি। এর আগে ১২টা ২৬ মিনিটে এই  মিলনায়তনে আসেন খালেদা জিয়া। শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে প্রায় ১৮ মিনিট বক্তব্য দেন তিনি।
শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে প্রচণ্ড ভিড় দেখা গেছে। হাজার হাজার নেতাকর্মী এসেছেন খালেদা জিয়ার সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করতে। এসময় বিএনপির স্থায়ী সদস্য কমিটির ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়সহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

এ যেন সেই আগের জার্মানি। নিজেদের অর্ধ থেকে খেলা গড়ে হঠাৎ গতি বাড়িয়ে আক্রমণ। মাঝমাঠে বারবার দিক পরিবর্তন। ক্যামেরুনের বিপক্ষে নবীনদের দিয়ে সেই খেলাটাই খেলালেন জোয়াকিম লো। ৩-১ গোলের জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে সেমি নিশ্চিত হয়েছে তার দলের। সেমিতে তাদের প্রতিপক্ষ মেক্সিকো। অন্য ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করে সেমি নিশ্চিত হয়েছে চিলির। তাদের প্রতিপক্ষ পর্তুগাল।

জার্মানি এদিন একমাত্র স্ট্রাইকার টিমো ঋনারকে সামনে রেখে ৩-৬-১ ফর্মেশনে দল সাজায়। ক্যামেরুন আক্রমণাত্মক ফর্মেশন ৪-৩-৩ এ যায়।

আক্রমণভাগের বাঁ-দিক থেকে ড্রাক্সলার শুরু থেকে ক্যামেরুনের জন্য হুমকি হয়ে ওঠেন। ২১ এবং ২৮তম মিনিটে দারুণ দক্ষতায় বক্সের কাছে বল নিয়ে গেলেও টার্গেট ঠিক রাখতে পারেননি।

সময় যত বাড়তে থাকে, ক্যামেরুনও নিজেদের গুছিয়ে আক্রমণে উঠতে থাকে।

৪৩তম মিনিটে বাঁ-দিক থেকে ড্রাক্সলার প্লাটেনহার্ডটকে দারুণ একটি পাস দেন। ঋনারকে চোখে রেখে বিপজ্জনক নিচু ক্রস পাঠান তিনি। কিন্তু স্ট্রাইকার ঋনার অফসাইড হওয়ায় সুযোগটি লুফতে ব্যর্থ হন।

৪৫তম মিনিটে জার্মানিকে বাঁচিয়ে দেন বার্সার হয়ে খেলা গোলরক্ষক টের স্টেগেন। ক্যামেরুনের আঙ্গুইসা বক্সের ডান কোনা থেকে বলের নিচে টোকা দিয়ে ব্যাকপোস্টে বল রাখেন। স্টেগেন কোনমতে পাঞ্চ করে কর্নার বানিয়ে দলকে বিপদের হাত থেকে বাঁচান।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে, ৪৮তম মিনিটে গোলের দেখা পায় জার্মানি। ড্রাক্সলারের সঙ্গে দারুণ বোঝাপড়ায় দিমিরবে ক্যারিয়ারের প্রথম আন্তর্জাতিক গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। মাঝমাঠের ঠিক উপরে বল পান ড্রাক্সলার। প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারকে ডজ দিয়ে দেখার মতো ব্যাকপাসে মিডফিল্ডার কিরেম দিমিরবেকে বল ছাড়েন। দিমিরবে বল নিয়ে সামনে এসে জায়গা বানিয়ে গোলের ডানকোনা দিয়ে বক্সের বাইরে থেকেই জাল খুঁজে নেন।

৫৩ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে আরেকটি মাটিকামড়ানো পাস দেন ওই ড্রাক্সলার। স্ট্রাইকার টিমো ঋনার ফাঁকায় থেকে বল ধরেন। দ্রুত গতিতে সামনে এগিয়ে যান। শটও নেন। কিন্তু ভারসাম্য ঠিক রাখতে পারেননি।

পরের মিনিটে ঋনার আরেকটি সুযোগ হাতছাড়া করেন। গোলরক্ষককে একা পেয়েও বিট করতে ব্যর্থ হন। পা দিয়ে কোনমতো বল দূরে ঠেলে দেন ক্যামেরুনের গোলরক্ষক। ফিরতি বল পান কিমিচ। তিনি শটও নেন। বার্সার রিজার্ভ গোলরক্ষক ওনডোয়া ডাইভ দিয়ে বল ক্লিয়ার করেন।

দল যখন একের পর কাউন্টার অ্যাটাকে দিশেহারা, তখন মাঝমাঠে সতেজতা আনতে ডোজুমকে উঠিয়ে নেন ক্যামেরুন কোচ ব্রুস। নাগামেলুকে স্মরণ করেন তিনি।

৬৪ মিনিটে মবৌকা লালকার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন। রেফারি প্রথমে ভুল করে সিয়ানিকে লাল কার্ড দেখান। ক্যামেরুনের খেলোয়াড়রা তর্ক জুড়ে দিলে মাঠের রেফারি রিভিউ নিয়ে ভিডিও পরখ করেন। সাইডলাইনের পাশে মনিটর দেখে তিনি নিশ্চিত হন ফাউল ছিল মবৌকার। পরে সিদ্ধান্ত বদল করে ‘আসল দোষী’কে মাঠ থেকে বের করে দেন। ১০ জনের ক্যামেরুন পরে লড়াই করেও ব্যবধান কমিয়ে রাখতে পারেনি।

ঠিক পরের মিনিটে ঋনার অতিমানবীয় এক হেডে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। এটি তার প্রথম আন্তর্জাতিক গোল। জার্মানির মিডফিল্ডার ই ক্যান লম্বা পাসে উইঙ্গার কিমিচকে বল দেন। কিমিচ ডান কোনায় ছিলেন। তখন বক্সের ভেতর ঋনারকে চোখে রেখে সুস্বাদু ক্রস পাঠান। এক ড্রপে বল আসে ঋনারের কাছে। রিসিভ করতে গেলে সময় নষ্ট হবে। আগুয়ান গোলরক্ষক তাতে বলে আসার সুযোগ পাবেন। সেই চিন্তা থেকে ঋনার ডাইভ দিয়ে হেড দেন। গোল!

মাঝমাঠে গতি আনতে ৭৩তম মিনিটে জোয়াকিম লো মিডফিল্ডার রুডিকে উঠিয়ে নেন। মাঠে আসেন আরেক মিডফিল্ডার বেঞ্জামিন হেনরিকস। লো এখানেই ক্ষান্ত দেন না। খেলার গতি বাড়াতে আক্রমণভাগে শক্তি বাড়ান। ৭৮তম মিনিটে মিডফিল্ডার দিমিরবেকে উঠিয়ে ফরওয়ার্ড ব্রানডটকে নামিয়ে দেন।

কয়েক সেকেন্ড বাদে ডিফেন্ডার নিকলাস সুলের ভুলে গোলহজম করতে হয় জার্মানিকে। পাতে আম্বৌকার তার সামনে থেকে হেড করে যান। অথচ তিনি বলে না যেয়ে হাত দিয়ে হালকা একটু ধাক্কা দেয়ার চেষ্টা করেন। ডিফেন্ডারের এহেন কাণ্ড দেখে স্টেগেন ক্ষোভ ঝাড়েন। ততক্ষণে বল জালে!

আক্রমণভাগে শক্তি বাড়িয়ে ফল পান লো। ব্রানডট দারুণ ড্রিবলিংয়ে বল বাড়ান আরেক বদলি খেলোয়াড় হেনরিকসকে। তিনি বল দেন বক্সের ভেতর অলস দাঁড়িয়ে থাকা স্ট্রাইকার ঋনারকে। ঋনার রিসিভ না করেই গোলে বিদ্যুৎগতির শট নেন। হয়ে যায় তার দ্বিতীয় গোল।দুদলের ব্যবধান ৩-১!

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক: ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে রোববার সারাদেশে পালিত হয়েছে হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব শ্রী শ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা। পরমাত্মায় জীবাত্মার মুক্তিকে চিরমুক্তি বলে বিশ্বাস করে হিন্দু সম্প্রদায়। সেই পারলোকিক মুক্তি কামনায় ভগবানের কৃপা প্রার্থনা করে রথযাত্রার র‌্যালি ও আলোচনা সভাসহ সকল কার্যক্রম পালন করে থাকেন তারা। মানভঞ্জনের পর শ্রীকৃষ্ণের বৃন্দাবন ফেরার তিথিকে হিন্দু সম্প্রদায় রথযাত্রা হিসেবে উদযাপন করে থাকে। আষাঢ় মাসের শুক্লা দ্বিতীয়া তিথিথে শুরু হয় এ উৎসব, আর একাদশী তিথিতে হয় প্রত্যাবর্তন। অর্থাৎ রথযাত্রার প্রথম দিন, যেখান থেকে টেনে নিয়ে যাওয়া হয়। আট দিন পর আবার সেখানেই ফিরিয়ে আনা হয়। সেটাই হলো উল্টো রথ। সারা দেশের ন্যয় পুরাতন সাতক্ষীরা মায়ের বাড়ির নাট মন্দিরে রোববার সকাল ৮টা থেকেশুরু হয় মুল আচার অনুষ্ঠান। বিকেল সাড়ে তিনটায় সময় রথযাত্রা উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। জয়মহাপ্রভু সেবক সংঘের সভাপতি বিশ্বনাথ ঘোষের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম। সম্মানিত অতিথি ও উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রী শ্রী রাধা শ্যামসুন্দর মন্দিরের অধ্যক্ষ পরমপুরুষ কৃষ্ণদাস ব্রহ্মচারি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি বিশ্বজিৎ কুমার সাধু। জয়মহাপ্রভু সেবক সংঘের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ডাঃ সুশান্ত কুমার ঘোষ, সংগঠণের সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক রঘুজিৎ গুহ, জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি ম-লীর সদস্য গোষ্ট বিহারী ম-ল, জেলা মন্দির সমিতির উপদেষ্টা ধীরু ব্যানার্জী, রথযাত্রা আয়োজক কমিটির আহবায়ক জিতেন্দ্র নাথ ঘোষ, সদস্য সচিব প্রাণনাথ দাস, সদর উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নিত্যানন্দ আমিন, যুব কমিটির সভাপতি রণজিৎ বিশ্বাস, সহসভাপতি সুমন অধিকারী প্রমুখ। পরমপুরুষ কৃষ্ণদাস ব্রহ্মচারি বলেন, রথযাত্রায় ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকল জাতি ও জগতের সকল প্রাণীর মঙ্গল কামনা করা হয়। বিশ্ব শান্তির জন্য ভক্তরা আজ সম্মিলিত প্রার্থনায় জগন্নাথ দেবের আরাধনা করছেন। হিন্দুরা চায় সাম্প্রদায়িক শক্তি ও অশুভ চেতনার বিনাশ হোক। এ জগৎ যেন সকলের বাসযোগ্য ভূমিতে পরিণত হয়। আলোচনা সভা শেষে বিকেল সাড়ে চারটায় মায়ের বাড়ি থেকে জগন্নাথ, সুভদ্রা ও বলরামকে নানা উপাচারে সাজিয়ে বের হয় রথ। এর সঙ্গে যোগ দেয় বাজুয়ারডাঙার রথ। এ রথের রশি ধরে টেনে নিয়ে বের হন কয়েক হাজার নারী, পুরুষ ও শিশু। ভক্তদের বিশ্বাস এ রথের দড়ি ধরে টানলে তাদের আর পূর্ণজন্ম হবে না। রথযাত্রার র‌্যালিটি সাতক্ষীরা শহরের নবারুর মোড়, পৌরদীঘি, পাকাপুলের মোড়, পোষ্ট অফিস মোড়, ফুড অফিস মোড়, সরকারি কলেজ হয়ে আবারো মায়ের বাড়িতে ফিরে আসে। আগামি ৩ জুলাই আবারো বের হবে উল্টো রথ। এ উপলক্ষে আয়োজন করা হবে র‌্যালি ও আলোচনা সভার। মায়ের বাড়ি ছাড়া কাটিয়া মায়ের মন্দিরে রথযাত্রা উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে ধুলিহার থেকে একটি রথ যোগ দেয়। এ ছাড়া কলারোয়া উপজেলার জয়নগর, তালা উপজেলার গোপালপুর, কালিগঞ্জের কালিবাড়ি,বালিয়াডাঙা, শ্যামনগর ও দেবহাটায় রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ধুলিহর প্রতিনিধি : সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব শ্রীশ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা উৎসব রোববার সকাল থেকে শুরু হয়েছে। আগামী ৩ জুলাই উল্টো রথযাত্রার মধ্য দিয়ে এ উৎসব শেষ হবে। এরই ধারাবাহিকতায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর রাধা-গোবিন্দ মন্দির কমিটির আয়োজনে রোববার দুপুরে ডিবি ইউনাইটেড হাইস্কুল গেট থেকে রথযাত্রা আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হয়। রথযাত্রা উদযাপন কমিটির সভাপতি কানাই লাল সাহা কানুর সভাপতিত্বে লাল ফিতা কেটে রথযাত্রার উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মেরিনা আক্তার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ব্রহ্মরাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও মুক্তিযোদ্ধা এস, এম শহিদুল ইসলাম, মেম্বার রেজাউল করিম মঙ্গল, দূর্গাপূজা কমিটির সভাপতি স্বপন সাহা, রথযাত্রা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক তনুপ সাহা, সুবীর সাহা, বিন্দা সাহা, গোবিন্দ লাল সাহা, গৌর চন্দ্র পাল, পুুরোহিত ভবসিন্ধু বর, ঠাকুর দাশ কর্মকার, বিপ্লব সাধু, রিপন সাহা, মদন মোহন দত্ত, সুব্রত বিশ্বাস, শ্যাম সুন্দর সাধু খাঁ, ব্রহ্মরাজপুর পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ এস, আই এমদাদুল হক প্রমূখ। রথযাত্রাটি ব্রহ্মরাজপুর ডিবি ইউনাইটেড হাইস্কুল গেট থেকে শুরু হয়ে কাটিয়া কর্মকারপাড়া সার্বজনীন মন্দিরে গিয়ে শেষ হয়। আগামী ৩ জুলাই উল্টো রথযাত্রা কাটিয়া কর্মকারপাড়া সার্বজনীন মন্দির থেকে শুরু হয়ে ব্রহ্মরাজপুর রাধা-গোবিন্দ মন্দিরে গিয়ে শেষ হবে বলে আয়োজক কমিটি জানিয়েছে। রোববারের রথযাত্রায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিপুল সংখ্যক নারী-পুরষ অংশগ্রহন করে। রথযাত্রাটি পৃষ্টপোষকতা করছেন সাতক্ষীরার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী দীনবন্ধু মিত্র ও গৌর দত্ত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest