এবছর ঈদকে কেন্দ্র করে দর্শকদের জন্য তিনটি ছবি মুক্তি পেয়েছে। এর মধ্যে যৌথ প্রযোজনার দুটি ছবিরই কেন্দ্রীয় চরিত্রে দুই বাংলার দুই জনপ্রিয় অভিনেতা শাকিব খান ও জিৎ। ২৩৫টি সিনেমা হলে এই দুটি ছবি মুক্তি পেলেও ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খানের কাছে এক প্রকার হেরে গেছেন একাধিক হিট ছবি উপহার দেওয়া কলকাতার অভিনেতা জিৎ।
মুক্তিপ্রাপ্ত তিনটি ছবির মধ্যে সবচেয়ে কম প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে বাংলাদেশে নির্মিত শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস অভিনীত ‘রাজনীতি’ ছবিটি। বুলবুল বিশ্বাস পরিচালিত এই ছবিটি দেশের ৪০টি সিনেমা হলে দেখা যাবে।
বাকি দুটো যৌথ প্রযোজনার ছবি। এর একটি শাকিব খান ও শুভশ্রী অভিনীত ‘নবাব’ এবং কলকাতার জিৎ, শুভশ্রী ও বাংলাদেশের নুসরাত ফারিয়া অভিনীত ‘বস টু’। বাংলাদেশের জাজ মাল্টিমিডিয়া ও কলকাতার এস কে মুভিজ প্রযোজিত ‘নবাব’ সারা দেশে ১২৪টি সিনেমা হলে মুক্তি পেয়েছে। এবং জাজ মাল্টিমিডিয়া ও জিতের প্রতিষ্ঠান জিৎ’স ফিল্মওয়ার্কস প্রাইভেট লিমিটেডের ‘বস টু’ মুক্তি পেয়েছে ১১১টি হলে।
যদিও নিয়ম না মেনে যৌথ প্রযোজনার ছবি বানানোর অভিযোগ তুলে নবাব ও বস-২ এর মুক্তি ঠেকাতে আন্দোলনে নামেন এফডিসিভিত্তিক বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিবার। এমনকি তারা দুদিন সেন্সর বোর্ড ঘেরাও করেও রাখেন। কিন্তু পরে দুটি ছবিই সেন্সর বোর্ড থেকে ছাড়পত্র পায়।

সারা দেশে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ঈদের জামাত শেষ হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
দিনাজপুর শহরের গোর-এ-শহীদ ঈদগাহে একত্রে পাঁচ লাখ মুসল্লি ঈদের জামাতে অংশ নিয়েছেন বলে দাবি করেছেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও দিনাজপুর-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) ইকবালুর রহিম।
ভারতীয় একটি প্রতিষ্ঠানকে বাংলাদেশের ১০ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রায় ১০০ কোটি টাকার বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি সরবরাহের আদেশ দিয়ে বিপাকে পড়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। গত মার্চে অ্যাঞ্জেলিক ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড নামে একটি ভারতীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি সরবরাহের চুক্তি করে।
‘এবার থামেন,১০ বছর তো অনেক দুর্নীতি, লুটপাট করেছেন, গুম করেছেন। দেশ বাঁচাতে এবার নিরপেক্ষ নির্বাচন দিন’- বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। সরকারকে উদ্দেশ্য করে সোমবার ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে বিএনপিপ্রধান এসব কথা বলেন। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে খালেদা জিয়া সরকারের নানা কর্মকাণ্ডেরর সমালোচনা করেন।
এ যেন সেই আগের জার্মানি। নিজেদের অর্ধ থেকে খেলা গড়ে হঠাৎ গতি বাড়িয়ে আক্রমণ। মাঝমাঠে বারবার দিক পরিবর্তন। ক্যামেরুনের বিপক্ষে নবীনদের দিয়ে সেই খেলাটাই খেলালেন জোয়াকিম লো। ৩-১ গোলের জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে সেমি নিশ্চিত হয়েছে তার দলের। সেমিতে তাদের প্রতিপক্ষ মেক্সিকো। অন্য ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করে সেমি নিশ্চিত হয়েছে চিলির। তাদের প্রতিপক্ষ পর্তুগাল।
নিজস্ব প্রতিবেদক: ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে রোববার সারাদেশে পালিত হয়েছে হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব শ্রী শ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা। পরমাত্মায় জীবাত্মার মুক্তিকে চিরমুক্তি বলে বিশ্বাস করে হিন্দু সম্প্রদায়। সেই পারলোকিক মুক্তি কামনায় ভগবানের কৃপা প্রার্থনা করে রথযাত্রার র্যালি ও আলোচনা সভাসহ সকল কার্যক্রম পালন করে থাকেন তারা। মানভঞ্জনের পর শ্রীকৃষ্ণের বৃন্দাবন ফেরার তিথিকে হিন্দু সম্প্রদায় রথযাত্রা হিসেবে উদযাপন করে থাকে। আষাঢ় মাসের শুক্লা দ্বিতীয়া তিথিথে শুরু হয় এ উৎসব, আর একাদশী তিথিতে হয় প্রত্যাবর্তন। অর্থাৎ রথযাত্রার প্রথম দিন, যেখান থেকে টেনে নিয়ে যাওয়া হয়। আট দিন পর আবার সেখানেই ফিরিয়ে আনা হয়। সেটাই হলো উল্টো রথ। সারা দেশের ন্যয় পুরাতন সাতক্ষীরা মায়ের বাড়ির নাট মন্দিরে রোববার সকাল ৮টা থেকেশুরু হয় মুল আচার অনুষ্ঠান। বিকেল সাড়ে তিনটায় সময় রথযাত্রা উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। জয়মহাপ্রভু সেবক সংঘের সভাপতি বিশ্বনাথ ঘোষের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম। সম্মানিত অতিথি ও উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রী শ্রী রাধা শ্যামসুন্দর মন্দিরের অধ্যক্ষ পরমপুরুষ কৃষ্ণদাস ব্রহ্মচারি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি বিশ্বজিৎ কুমার সাধু। জয়মহাপ্রভু সেবক সংঘের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ডাঃ সুশান্ত কুমার ঘোষ, সংগঠণের সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক রঘুজিৎ গুহ, জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি ম-লীর সদস্য গোষ্ট বিহারী ম-ল, জেলা মন্দির সমিতির উপদেষ্টা ধীরু ব্যানার্জী, রথযাত্রা আয়োজক কমিটির আহবায়ক জিতেন্দ্র নাথ ঘোষ, সদস্য সচিব প্রাণনাথ দাস, সদর উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নিত্যানন্দ আমিন, যুব কমিটির সভাপতি রণজিৎ বিশ্বাস, সহসভাপতি সুমন অধিকারী প্রমুখ। পরমপুরুষ কৃষ্ণদাস ব্রহ্মচারি বলেন, রথযাত্রায় ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকল জাতি ও জগতের সকল প্রাণীর মঙ্গল কামনা করা হয়। বিশ্ব শান্তির জন্য ভক্তরা আজ সম্মিলিত প্রার্থনায় জগন্নাথ দেবের আরাধনা করছেন। হিন্দুরা চায় সাম্প্রদায়িক শক্তি ও অশুভ চেতনার বিনাশ হোক। এ জগৎ যেন সকলের বাসযোগ্য ভূমিতে পরিণত হয়। আলোচনা সভা শেষে বিকেল সাড়ে চারটায় মায়ের বাড়ি থেকে জগন্নাথ, সুভদ্রা ও বলরামকে নানা উপাচারে সাজিয়ে বের হয় রথ। এর সঙ্গে যোগ দেয় বাজুয়ারডাঙার রথ। এ রথের রশি ধরে টেনে নিয়ে বের হন কয়েক হাজার নারী, পুরুষ ও শিশু। ভক্তদের বিশ্বাস এ রথের দড়ি ধরে টানলে তাদের আর পূর্ণজন্ম হবে না। রথযাত্রার র্যালিটি সাতক্ষীরা শহরের নবারুর মোড়, পৌরদীঘি, পাকাপুলের মোড়, পোষ্ট অফিস মোড়, ফুড অফিস মোড়, সরকারি কলেজ হয়ে আবারো মায়ের বাড়িতে ফিরে আসে। আগামি ৩ জুলাই আবারো বের হবে উল্টো রথ। এ উপলক্ষে আয়োজন করা হবে র্যালি ও আলোচনা সভার। মায়ের বাড়ি ছাড়া কাটিয়া মায়ের মন্দিরে রথযাত্রা উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে ধুলিহার থেকে একটি রথ যোগ দেয়। এ ছাড়া কলারোয়া উপজেলার জয়নগর, তালা উপজেলার গোপালপুর, কালিগঞ্জের কালিবাড়ি,বালিয়াডাঙা, শ্যামনগর ও দেবহাটায় রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।
ধুলিহর প্রতিনিধি : সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব শ্রীশ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা উৎসব রোববার সকাল থেকে শুরু হয়েছে। আগামী ৩ জুলাই উল্টো রথযাত্রার মধ্য দিয়ে এ উৎসব শেষ হবে। এরই ধারাবাহিকতায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর রাধা-গোবিন্দ মন্দির কমিটির আয়োজনে রোববার দুপুরে ডিবি ইউনাইটেড হাইস্কুল গেট থেকে রথযাত্রা আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হয়। রথযাত্রা উদযাপন কমিটির সভাপতি কানাই লাল সাহা কানুর সভাপতিত্বে লাল ফিতা কেটে রথযাত্রার উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মেরিনা আক্তার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ব্রহ্মরাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও মুক্তিযোদ্ধা এস, এম শহিদুল ইসলাম, মেম্বার রেজাউল করিম মঙ্গল, দূর্গাপূজা কমিটির সভাপতি স্বপন সাহা, রথযাত্রা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক তনুপ সাহা, সুবীর সাহা, বিন্দা সাহা, গোবিন্দ লাল সাহা, গৌর চন্দ্র পাল, পুুরোহিত ভবসিন্ধু বর, ঠাকুর দাশ কর্মকার, বিপ্লব সাধু, রিপন সাহা, মদন মোহন দত্ত, সুব্রত বিশ্বাস, শ্যাম সুন্দর সাধু খাঁ, ব্রহ্মরাজপুর পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ এস, আই এমদাদুল হক প্রমূখ। রথযাত্রাটি ব্রহ্মরাজপুর ডিবি ইউনাইটেড হাইস্কুল গেট থেকে শুরু হয়ে কাটিয়া কর্মকারপাড়া সার্বজনীন মন্দিরে গিয়ে শেষ হয়। আগামী ৩ জুলাই উল্টো রথযাত্রা কাটিয়া কর্মকারপাড়া সার্বজনীন মন্দির থেকে শুরু হয়ে ব্রহ্মরাজপুর রাধা-গোবিন্দ মন্দিরে গিয়ে শেষ হবে বলে আয়োজক কমিটি জানিয়েছে। রোববারের রথযাত্রায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিপুল সংখ্যক নারী-পুরষ অংশগ্রহন করে। রথযাত্রাটি পৃষ্টপোষকতা করছেন সাতক্ষীরার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী দীনবন্ধু মিত্র ও গৌর দত্ত।