সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটায় কমিউনিটি শিশুদের জন্মদিন উদযাপনআশাশুনিতে ৮শ লিটার পেট্রোল জব্দ: ১০হাজার টাকা জরিমানাসাংবাদিক জিন্নাহ’র ওপর সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানিয়ে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের বিবৃতিদেবহাটা উপজেলাকে শিশু শ্রমমুক্ত করতে সুশীলনের অবহিতকরন সভা সাতক্ষীরায় এনটিভির সাংবাদিককে পিটিয়ে জখম: জমির মালিককে আটকে রেখে নির্যাতনসাতক্ষীরায় বেশী দামে তেল বিক্রির অভিযোগে ৫ হাজার টাকা জরিমানা: দুই মাসের জেলMassimizza le tue vincite con i bonus del casinò online Winnitaকালিগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক ঘের মালিকের মৃত্যুআর্ন্তজাতিক বর্ণ বৈষম্য বিলোপ দিবসে ৮ দফা দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনFaire une pause stratégique : comment la fonction « cool‑off » transforme les tournois de casino en ligne en moments de jeu responsable

তালায় ঈদের মেহেদী আর নুতন জামা পরেই মারা গেলো শিশু সুরাইয়া

ঈদের মেহেদী আর নতুন জামা পরেই চির বিদায় নিলো চার বছর বয়সী সুরাইয়া
খাতুন। নির্মম বেদনাদায়ক ঘটনাটি সাতীরার তালা উপজেলার ইসলামকাটি ইউনিয়নের
নারায়ণপুর গ্রামে। রোববার (২৫ জুন) সকাল ১০টার দিকে নিজ বাড়িতে বিদ্যুতের
তারে জড়িয়ে বিদ্যুতস্পৃষ্ট হয় সুরাইয়া। তাৎনিক উদ্ধার করে তালা হাসপাতালে
নিয়ে গেলে ডাক্তার সুরাইয়াকে মৃত ঘোষণা করেন। মেয়ের শোকে মা-বাবা
সঙ্গাহীন ও পাগল প্রায়। কান্নাজড়িত কন্ঠে মেয়ের বাবা হাসানুর সরদার
জানান, শনিবার বাজার থেকে মেহেদী ও নুতন কিনে দিয়েছি। কি খুশি আমার
মেয়েটা। রাতেই হাতে মেদেহী লাগিয়েছে। সকালে নতুন জামা পরেছে। হাসিখুশি
মেয়েটা আমার আর বেঁচে নেই। তালা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ হাসান
হাফিজুর রহমান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এদিকে শিশু সুরাইয়া
খাতুনের মৃত্যুতে গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আজ রোববার (২৫ জুন) সন্ধ্যায় আকাশে পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেছে। আগামীকাল সোমবার (২৬ জুন) পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। মুসলিম সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর। আর এই ঈদকে ঘিরে প্রতিটি মুসলিম ঘরে ঘরে নানা ধরনের আয়োজন দেখা যায়। পরিবার পরিজন নিয়ে ঈদের আনন্দ ভাগাভাবি করছে নাড়ির টানে ছুটে গেছেন লাখ মুসলিম। সকাল হতেই দলবেধে ঈদের জামাতে অংশ নিতে রওনা হয় ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।

ঈদ মানেই এক অনাবিল আনন্দ। ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করার জন্য একসঙ্গে নামাজ আদায় করবে শিশু থেকে বৃদ্ধ, সবাই শামিল হবেন ঈদগাহ ময়দানে। দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ শেষে মুসল্লিরা দুনিয়া-আখেরাত এবং দেশ-জনগণের উন্নতি ও সমৃদ্ধি কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করবেন। এরপর সবাই কোলাকুলি করবেন।

ইতোমধ্যে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাব-গাম্ভীর্য ও উৎসাহ-উদ্দীপনায় ঈদ উদযাপনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। ঢাকায় ঈদের প্রধান জামায়াত অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ৮টায়। আবহাওয়া দুর্যোগপূর্ণ থাকলে সকাল ৯টায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ঈদের প্রধান জামায়াত অনুষ্ঠিত হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ত্বকের সৌন্দর্যে নিমপাতার ফেসপ্যাক

ঔষধি গাছ হিসেবে বেশ পরিচিত নিম। ঔষধি গুণাবলি ছাড়াও এটি অনেক ধরনের রূপ চর্চার কাজেও ব্যবহৃত হয়ে থাকে। অনেক প্রসাধনীতে নিম পাতার রস ব্যবহার করা হয়। ব্রণ দূর করে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে নিম এবং নিমের নির্যাস বেশ উপকারি। নিমের এমন কিছু ফেসপ্যাক নিয়ে আমাদের আজকের আলোচনা।

১। নিম এবং হলুদের ফেসপ্যাক
কয়েকটি নিমের পাতা, অল্প হলুদের গুঁড়ো এবং ঠান্ডা দুধ দিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। এই পেস্টটি ত্বকে লাগিয়ে রাখুন। ম্যাসাজ করে লাগান। তারপর ১৫ মিনিট পর শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। নিম এবং হলুদ ত্বকের ইনফেকশন এবং ব্যাকটেরিয়া দূর করে দেয়। এটি তৈলাক্ত এবং ব্রণ প্রবণ ত্বকের জন্য বেশ কার্যকর।

২। নিম, লেবু, এবং গোলাপ জলের ফেইস প্যাক
একটি পাত্রে নিম পাতার পাউডার নিন। এতে গোলাপ জল এবং লেবুর রস মেশান। এই প্যাকটি মুখে ভাল করে লাগান। ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর প্যাক শুকিয়ে গেলে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাক মাত্র ২ দিনে আপনার মুখের ব্রণ দূর করে ফেলবে।

৩। নিমের পানি
নিমপাতা সিদ্ধ করে নিন। এবার এই পাতার পেষ্ট করে নিন। এই পেষ্ট আপনার মুখে লাগিয়ে নিন। ৫ থেকে ১০ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এবং দেখুন ম্যাজিক। নিয়মিত ব্যবহারে আপনার ত্বক দাগহীন উজ্জ্বল হয়ে যাবে। এটি যেকোন প্রকার অ্যালার্জি বা চুলকানি দূর করে থাকে।

৪। নিম এবং দুধের প্যাক
একটি পাত্রে নিম পাউডার নিন এবং তার সাথে কিছু দুধ মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে ফেলুন। এবার তাতে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস দিয়ে দিন। মুখ ও ঘাড়ে লাগান। শুকিয়ে গেলে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।

৫। নিম বেসন এবং টকদই এর প্যাক
শুষ্ক ত্বকের জন্য এই প্যাকটি অনেক বেশি কার্যকরী। ১ চা চামচ বেসন, ১ চামচ টকদই-এর সাথে নিম পাউডার দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে নিন। এই প্যাক মুখে ও ঘাড়ে ভাল করে লাগান। শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি ত্বককে নরম কোমল করার সাথে সাথে ব্রণের দাগ দূর করে দেবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বাদশাহ সালমানের গত বছরের মিশর সফরের সময় লোহিত সাগরের দুটো দ্বীপ সৌদি আরবকে দেয়ার ব্যাপারে চুক্তি হয়। প্রেসিডেন্ট সিসি সেই চুক্তি অনুমোদনের পর প্রতিবাদকারীরা বলছেন, তিনি সৌদি সাহায্যের লোভে জায়গা ‘বেঁচে’ দিচ্ছেন।

বাদশাহ সালমানের গত বছরের মিশর সফরের সময় লোহিত সাগরের দুটো দ্বীপ সৌদি আরবকে দেয়ার ব্যাপারে বিতর্কিত একটি চুক্তি হয়।

গত সপ্তাহে মিশরের সংসদ ঐ চুক্তি অনুমোদন করে।

এখন সেটি অনুমোদন করেছেন মিশরের সাবেক সেনাপ্রধান এবং প্রেসিডেন্ট আব্দুল ফাত্তাহ আল সিসি।

কিন্তু এই চুক্তি নিয়ে মিশরে বিক্ষোভ জোরদার হচ্ছে। প্রতিবাদকারীরা বলছেন, প্রেসিডেন্ট সিসি সৌদি সাহায্যের লোভে দেশের জায়গা ‘বেঁচে’ দিচ্ছেন।

সেই সাথে শুরু হয়েছে আইনি লড়াই।

মিশরের একটি আদালত সৌদি আরবের কাছে দ্বীপ হস্তান্তরের চুক্তি বাতিল ঘোষণা করে রায় দিয়েছে। তবে অন্য আরেকটি আদালত চুক্তিকে বৈধ বলে রায় দেয়।

চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখন মিশরের সাংবিধানিক আদালতের কাছে। তারা এখনো কোনো রায় দেয়নি।

প্রেসিডেন্ট সিসি বলছেন দ্বীপ দুটোর প্রকৃত মালিক সৌদি আরব। ১৯৫০ এ সৌদিরা তাদের প্রতিরক্ষায় মিশরকে ঐ দুই দ্বীপে সৈন্য মোতায়েনের অনুমতি দিয়েছিলো। এখন শুধু সৌদি আরবের দ্বীপ তিনি ফিরিয়ে দিচ্ছেন।

তবে বিরোধীরা বলছেন, যেহেতু ২০১৩ সালে মোহাম্মদ মোরসির সরকারকে সেনা অভ্যুত্থানে উৎখাতের পর থেকে সৌদি আরব জেনারেল সিসিকে সমর্থন করে আসছে, সে কারণে সৌদিদের খুশি করতে সংবিধান লঙ্ঘন করছেন প্রেসিডেন্ট।

কেন লোহিত সাগরের এই দুই দ্বীপ গুরুত্বপূর্ণ?

-সানাফির এবং টিরান নামে এই দুই দ্বীপ দুটো খুব কাছাকাছি। এগুলোর মধ্যে দূরত্ব ৪ কিলোমিটার।

-টিরানের অবস্থান আকাবা উপসাগরের ঠিক মুখে। এলাকাটি কৌশলগতভাবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। লোহিত সাগরে ঢোকার জন্য ইসরায়েল এটি ব্যবহার করে।

-বেসামরিক লোকজন দ্বীপ দুটোতে বসবাস করেনা। মিশরের সৈন্য এবং বহুজাতিক শান্তিরক্ষীরা এখানে মোতায়েন।

-ইসরায়েল ১৯৫৬ এবং ১৯৬৭ সালের যুদ্ধে দুবারই দ্বীপ দুটো দখল করে। পরে আবার মিশরকে ফিরিয়ে দেয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মোশাররফের ‘যমজ ৭’

মোশাররফের ‘যমজ ৭’

কর্তৃক Daily Satkhira

এক্কা নিক্কা ও কদু আজাদ। এক মোশাররফ। তিন চরিত্র। জনপ্রিয় সিক্যুয়াল যমজ নাটকের। এবার এ যমজরা আসছেন অভিনতো হিসেবে। ইউরোপ থেকে একমাত্র শ্যালক রানা এসছেন।

দুলাভাই কদু আজাদকে নিয়ে কক্সবাজার বেড়াতে যাবেন তিনি। সঙ্গে নিয়েছেন বোকা ও চালাক দুই ভাগ্নে এক্কা ও নিক্কাকে। কক্সবাজার গিয়ে পরিচয় হয় এক শুটিং ইউনিটের সঙ্গে। পরিচালকের কাছে প্রস্তাব পায় অভিনয় করার। আর এ অভিনয়ের শুটিং করতে গিয়ে কদু আজাদ ও তার দুই ছেলের নানান কান্ড ঘটতে থাকে।

অনিমেষ আইচ’র রচনা ও আজাদ কালামের পরিচালনায় নাটকের প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন মোশাররফ করিম। তার সঙ্গে রয়েছেন প্রভা। নির্মাতা বলেন, এবারের নাটকটিতে আগের বারের চেয়ে কিছুটা ভিন্নতা আনার চেষ্টা করা হয়ছে। আশা করছি ঈদে নাটকটি দর্শকদের বিনোদনের খোরাক মেটাবে।

ঈদের তৃতীয় দিন রাত ৮টা ৩৫মিনিটে নাটকটি দেখানো হবে আরটিভিতে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশ ছেড়ে শ্রীলঙ্কার কোচ হবেন হাথুরুসিংহে!

শ্রীলঙ্কা জাতীয় দলের কোচ হিসেবে ৪৫ মাস কাজ করার চুক্তি ছিল গ্রাহাম ফোর্ডের। কিন্তু মাত্র ১৫ মাস যেতে না যেতেই নিজের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা জানান তিনি। তার এই আকস্মিক সিদ্ধান্তে বিস্মিত শ্রীলঙ্কান ক্রিকেট সংস্লিষ্ট সকলে।

তবে এই মুহূর্তে অতীত নিয়ে পড়ে না থেকে ফোর্ডের যোগ্য উত্তরসূরি খুঁজে বের করার মিশনে নেমেছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট (এসএলসি)। এবং তাদের প্রথম পছন্দ চণ্ডিকা হাথুরুসিংহে। ইতিমধ্যেই তারা নাকি নিজেদের প্রস্তাব নিয়ে হাথুরুসিংহের সাথে যোগাযোগও করে ফেলেছে, এমনটাই খবর শ্রীলঙ্কান গণমাধ্যমের।

হাথুরুসিংহে এই মুহূর্তে বাংলাদেশের প্রধান কোচ। ২০১৪ সালে দুই বছরের চুক্তিতে বাংলাদেশের কোচ হয়ে আসেন তিনি। এরপর গত বছর জুনে আরও তিন বছরের জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)-র সাথে চুক্তি নবায়ন করেন তিনি। ২০১৯ সালে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে অনুষ্ঠিতব্য ক্রিকেট বিশ্বকাপ পর্যন্ত টাইগারদের সাথে থাকার কথা রয়েছে তার।

হাথুরুসিংহের অধীনে গত তিন বছরে ব্যাপক উন্নতি হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় দলের। শুরুর দিকে, এবং এখনও, বিভিন্ন ব্যাপারে হাথুরুসিংহের ‘স্বৈরাচারী’ মনোভাব নিয়ে সোচ্চার হয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট সংশ্লিষ্ট অনেকে।

আবার এ কথাও ভুলে যাওয়ার নয় যে তার অধীনেই ২০১৫ বিশ্বকাপের কোয়ার্টারফাইনাল, ২০১৬ এশিয়া কাপের ফাইনাল ও সর্বশেষ ২০১৭ চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সেমিফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। এছাড়া ভারত, পাকিস্তান, দক্ষিণ আফ্রিকার মত দলের বিপক্ষে দ্বিপক্ষীয় সিরিজে জয়, প্রথমবারের মত ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডকে টেস্ট ম্যাচে হারানো ও শ্রীলঙ্কায় গিয়ে তাদেরকে টেস্টে হারানো – সবই হয়েছে তারই অধীনে। তাই বিসিবি যে খুব সহজে হাথুরুসিংহেকে ছাড়তে চাইবে না, সে কথা বলাই বাহুল্য।

তারপরও হাথুরুসিংহের সাম্প্রতিক কিছু মন্তব্য আশাবাদী করেছে এসএলসিকে। যদিও এসএলসির সাথে তার অতীত সম্পর্ক খুব একটা মধুর নয়, তবু যখন বাংলাদেশ গত মার্চে শ্রীলঙ্কা সফরে গিয়েছিল, তাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল তিনি আবারও শ্রীলঙ্কার কোচ হতে আগ্রহী কিনা। আর তার জবাবে তিনি ইতিবাচক সাড়াই দিয়েছিলেন।

সে সময়ে ক্রিকইনফোকে বলেছিলেন, ‘তারা (এসএলসি) আমাকে ডাকলে আমি অবশ্যই আসব। আমি আজ যে অবস্থানে রয়েছি তার সবটাই আমি শিখেছি শ্রীলঙ্কায় খেলার সময়ে। ২০ বছর ধরে শ্রীলঙ্কায় শেখার পর আমি অস্ট্রেলিয়ায় গিয়েছি এবং সেখানেও অনেক কিছু শিখেছি। কিন্তু শ্রীলঙ্কা যদি কখনো আমাকে ডাকে, আমি খুশি মনে সেই ডাকে সাড়া দেব, এবং নিজ দেশের জন্য কিছু একটা করার চেষ্টা করব।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ঈদের জামাতের পরে শেষে শুভেচ্ছা বিনিময়ের জন্য জড়ো হওয়া মানুষদের মিলনমেলায় গাড়ি হামলার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাটি ঘটেছে ইংল্যান্ডের নর্থইস্ট শহর নিউক্যাসেলের এক মসজিদের পাশে।কোনো হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও এতে আহত হয়েছেন পাঁচজন।

নিউক্যাসেলের ওয়েস্টগেট স্পোর্ট সেন্টারের বাইরে এই ঘটনার পরপরই ৪২ বছর বয়সী এক নারীকে আটক করে পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তিনিই গাড়িটা চালাচ্ছিলেন। তবে এটাকে কোনো সন্ত্রাসী হামলা বলতে চায়না পুলিশ।

লন্ডনের ফিন্সবুরি পার্ক মসজিদে গাড়ি চালিয়ে বহু হতাহতের ঘটনার সাতদিনের মধ্যেই এই ঘটনা ঘটলো। স্থানীয় সময় সকাল নয়টার দিকে ওই এলাকার বাসিন্দারা যখন সেখানে ঈদ উদযাপনের জন্য জড়ো হয়েছিলো তখনইওই ঘটনা ঘটে।

ইংল্যান্ডের নর্থইস্ট অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আহতদের উদ্ধার করা হয়েছে এবং সেখানে পুলিশের হেলিকপ্টার রয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রমজান পেরিয়ে ঈদের নামাজ শেষে আমরা একে অন্যর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করছিলাম। হঠাৎ এক নারী সবার উপরে গাড়ি নিয়ে উঠে আসে। আমরা তখন গাড়িটি থামানোর চেষ্টা করছিলাম। আহতদের মধ্যে শিশুও ছিলো এবং কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছে।

স্থানীয় পুলিশের মুখপাত্র বলেছেন, পুলিশি তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। তবে এটা সন্ত্রাসী হামলা নয় বলেই প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিলুপ্তির পথে ঈদ কার্ড

তরিকুল ইসলাম লাভলু : মুসলীম সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব হচ্ছে দুđটি ঈদ। এর মধ্যে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর একটি। আর এই উৎসবে মেতে উঠেছে গোটাবিশে^র মুসলমানরা। সকল হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে একে অন্যের সঙ্গে কুশল বিনিময়ের মাধ্যেমে এ উৎসবটি পালন করবে। তবে ঈদকার্ডের বিষয়টি ভিন্ন। কয়েক বছর আগেও প্রচুর পরিমানে ঈদকার্ডের প্রচলন ছিলো। কিন্তু বর্তমান তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবহার দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় প্রায় বিলীন হতে চলেছে ঈদকার্ডের মাধ্যমে শুভেচ্ছা প্রচলনটি। হারিয়ে যাচ্ছে অনেকদিনের এই সাংস্কৃতি ও ঐতিহ্যর গতি। ফেসবুক, ম্যাসেঞ্জার, টুইটার, ইমো, স্কাইপ, ই-মেইল, হোয়াটসআপ, টেংগো, ভাইবারসহ নানা ধরনের প্রযুক্তি এই স্থানগুলো দখল করে নিয়েছে। প্রিন্টিং হাউসগুলো এখন আর আগের মতো অর্ডার পাচ্ছেনা। প্রায় বিলীন হয়ে যাওয়ার পথে এই শিল্প। অসাম্প্রদায়িক বাঙালির প্রাণের উৎসবকে সামনে রেখে একসময় প্রিন্টিং হাউসগুলো ব্যস্ত থাকতেন। কিন্তু এখন আর সেই ব্যস্ততা দেখা যাচ্ছেনা। প্রযুক্তির কাছে হার মানতে হচ্ছে ঈদকার্ড ব্যাবসায়ী মহলকে। সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা বাজারে এক ষ্টেশনারী ব্যবসায়ী বলেন, আগের মত বর্তমানে ঈদ কার্ডের তেমন একটা বেচা-কেনা নেই। তথ্য প্রযুক্তির পাশে দাড়াতে পারছেনা ঈদ কার্ডের সাংস্কৃতি।
একজন ঈদ কার্ড ক্রেতা বলেন, আমরা ছোট বেলায় ঈদ আসলে সর্বপ্রথম আমাদের বন্ধু এবং বান্ধবীদেরকে ঈদকার্ড দিয়ে শুভেচ্ছা জানাতাম। কিন্তু মানুষ এখন ভিন্ন ভিন্ন প্রযুক্তির মাধ্যমে একে অন্যকে শুভেচ্ছা বার্তা পাঠাচ্ছে। ক্ষুদে বার্তার মাধ্যমে অল্প টাকায় কম সময় ব্যয় করে অনেক দ্রুত শুভেচ্ছা বার্তা পৌঁছে দিচ্ছে শুভাকাঙ্খীদের হাতে। এ জন্য ঈদ কার্ডের চাহিদা আগের মতো নেই। আর এটির ব্যবহার ক্রমে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।
কলেজ ছাত্রী মৌসুমী জাহান নামের একজন ক্রেতা বলেন, ফেসবুকে ঢুকলেই হরেক রকমের ঈদ শুভেচ্ছা ছবি, আল্পনায় তুলি দিয়ে আঁকা অনেক শুভেচ্ছা বার্তা দেখা যায়। এজন্য মানুষ সময় বাঁচানোর জন্য বিভিন্ন প্রযুক্তির মাধ্যমে শুভেচ্ছা পাঠিয়ে দেয়। দেশে বর্তমানে অনলাইনের যুগ চলছে। ফেসবুক, ম্যাসেঞ্জার, টুইটার, ইমো, স্কাইপ, ই-মেইল, হোয়াটসআপ, টেংগো, ভাইবারসহ বিভিন্ন ধরনের যোগাযোগ মাধ্যমে মানুষ এখন আমন্ত্রন বা শুভেচ্ছা জানায়। তাই কেউ ঈদ কার্ডের প্রয়োজন আছে এমনটাই মনে করেনা। তারপরেও আমি ঈদের শুভেচ্ছা বার্তা কিনতে এসেছি কারণ বন্ধুদের কার্ডের মাধ্যমে  দাওয়াত দেওয়ার মজাটাই অন্য রকম।
নতুন আরও একটি প্রযুক্তির নাম হচ্ছে মোবাইল এসএমএস এর মাধ্যমে অল্প খরচে বন্ধুদের ঈদের নিমন্ত্রন জানানো। বর্তমানে মোবাইলে ১০ পয়সা খরচ করে এসএমএস এর মাধ্যমে শুভেচ্ছা বার্তা পাঠায় এতে সময় বাঁচে সাথে টাকাও বাঁচে সুতরাং সবাই সেটাই করছে। ১৫ টাকা দিয়ে কার্ড না কিনে একটা এসএমএস এর মাধ্যমে মাত্র ১০ পয়সা ব্যয় করবে এটাই স্বাভাবিক। কষ্ট করে দোকানে এসে কার্ড ক্রয় করে আবার বন্ধুদের কাছে পৌঁছে দেয়া কষ্টসাধ্য।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest