সর্বশেষ সংবাদ-
কালিগঞ্জে মৎস্য ঘেরে বিষ প্রয়োগ- ২০ লাখ টাকার ক্ষতিসাংবাদিক শরীফুল্লাহ কায়সার সুমনের সুস্থতা কামনায় প্রেসক্লাবের বিবৃতিচ্যানেল ওয়ানে জাকিরের নিয়োগ : প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের অভিনন্দনসাতক্ষীরা’র শ্যামনগরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সংঘর্ষে আহত ১৪কালিগঞ্জে বিএনপির সভাপতির বিরুদ্ধে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে সম্পত্তি দখল ও লুটপাটের অভিযোগসাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনসাতক্ষীরায় মেডিকেল ভ্যালু ট্রাভেল খাতে জ্ঞান বিনিময়-কৌশলগত সহযোগিতার সেমিনারসাতক্ষীরায় জলবায়ু সহনশীলতায় নারী নেতৃত্বের ভূমিকা বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালাশ্যামনগরে সুপেয় পানির সংকট তুলে ধরতে দৌড়ে অংশ নিল ২ শতাধিক মানুষসাতক্ষীরায় হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন’র উদ্বোধন

সব জল্পনা-কল্পনার অবসান হলো। ভারতের নতুন কোচের দায়িত্ব দেয়া হলো রবি শাস্ত্রিকেই। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর বিদায়ী কোচ অনিল কুম্বলের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন তিনি। তাকে কোচ নিয়োগের দায়িত্ব ছিল ভারতীয় বোর্ডের গঠন করা ক্রিকেট পরামর্শক কমিটির।

যে কমিটিতে শচীন টেন্ডুলকার, ভিভিএস লক্ষ্মণের সঙ্গে ছিলেন সৌরভ গাঙ্গুলিও। ভারতের নতুন কোচ হিসেবে শাস্ত্রিকে মানতে পারছেন না সাবেক এই অধিনায়ক! তার মানে, কোনো চাপে অনিচ্ছা সত্ত্বেও বোর্ডের সিদ্ধান্ত মেনে নিতে হয়েছে গাঙ্গুলিকে! ভারতীয় মিডিয়ার খবর এমনই।

 নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিসিসিআইয়ের এক কর্তা বলেন, ‘প্রথমে শাস্ত্রিকে কোচ করতে মোটেই রাজি ছিলেন না গাঙ্গুলি। তবে জহির খানকে বোলিং কোচ হিসেবে নিয়োগ দেয়ায় আর আপত্তি করতে পারেননি গাঙ্গুলি। জহির খান এমন একজন বোলার, যার প্রতিভা নিয়ে সন্দেহ নেই কারোরই।’

জহির খানের প্রশংসায় ওই কর্তা আরও যোগ করেন, ‘জহির খান আধুনিক ক্রিকেটের সঙ্গে শুধু পরিচিতই নন, কোচিংয়েও যথেষ্ট অভিজ্ঞ। ক্যারিয়ারের শেষদিকে খেলার সময় জহির অনুজ বোলারদের মাঠেই পরামর্শ দিতেন। জাতীয় দলের উঠতি পেসাররা জহিরের থেকে অনেক কিছু শিখতে পারবে। আইপিএলে দিল্লি ডেয়ারডেভিলসের হয়েও বোলারদের মেন্টরের ভূমিকা পালন করেছে সে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বাংলা চলচ্চিত্রের প্রবাদপুরুষ সত্যজিৎ রায় তাঁর রচিত চলচ্চিত্র-রচনা, আঙ্গিক, ভাষা ও ভঙ্গি প্রবন্ধে বলেছেন, নাটকের দ্বন্দ্ব, উপন্যাসের কাহিনী ও পরিবেশ বর্ণনা, সংগীতের গতি ও ছন্দ, পেইন্টিং সুলভ আলোছায়ার ব্যঞ্জনা এসবই চলচ্চিত্রে স্থান পেয়েছে। কিন্তু ইমেজ ও ধ্বনির যে ভাষা, দেখানো-শোনানোর বাইরে যার প্রকাশ নেই, সে একেবারে স্বতন্ত্র ভাষা। ফলে বক্তব্য এক হলেও ভঙ্গির তফাৎ হতে বাধ্য। এ ভঙ্গি চলচ্চিত্রের বিশেষ ভঙ্গি। তাই অন্য শিল্প-সাহিত্যের লক্ষণ থাকা সত্ত্বেও চলচ্চিত্র অনন্য।

এমন অনন্য শিল্পের ধারক ও বাহক অথবা সব পর্যায়ের কুশীলব যাঁরা হন, তাঁদের জ্ঞানবুদ্ধি আর চিন্তা-চেতনাটা নিশ্চিতই হওয়া উচিত সমাজের আর পাঁচটা মানুষের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা, বুদ্ধিদীপ্ত ও উচ্চমার্গীয়। খুব স্বাভাবিকভাবেই চলচ্চিত্র পরিবারের সঙ্গে যুক্তরা সাধারণের কাছে তারকা খ্যাতিসম্পন্ন হন। তাঁদের একনজর দেখবার জন্য এবং তাঁদের কথা শোনার জন্য মুখিয়ে থাকেন সবাই। চলচ্চিত্র তারকাদের অঙ্গভঙ্গি, কথাবার্তা, স্টাইল, ফ্যাশন এবং চালচলন অনুসরণ করাটাও সাধারণের রোজকার অভ্যাস। কিন্তু চলচ্চিত্রের সেই মানুষরা যদি হোন বিপথগামী? তাঁদের আচরণ যদি হয় পাড়াগাঁওয়ের স্বার্থপর যাচ্ছেতাই মোড়লদের মতো? তবে বাংলা সিনেমার চিরায়ত সংলাপটা মনে করা ছাড়া আর গতি থাকে না, ‘ছেড়ে দে শয়তান!’

গণমাধ্যমে খবর বেরিয়েছে, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির সভাপতি ইফতেখার উদ্দিন নওশাদের ওপর হামলায় অভিযোগে চিত্রনায়ক রিয়াজ, খল অভিনেতা মিশা সওদাগর ও খোরশেদ আলম খসরু প্রযোজিত সিনেমা হলে প্রদর্শন না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এ ঘোষণা দিয়েছেন চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির নেতারা। কেউ কি কখনো ভাবতে পেরেছিলেন, একজন শিল্পী তাঁরই সহশিল্পী বা চলচ্চিত্র-সংশ্লিষ্টের গায়ে হাত তুলতে পারেন? এই একটা উদাহরণই বাংলা চলচ্চিত্র পরিবারের এ সময়ের অধঃপতন ও নিমজ্জন প্রমাণে যথেষ্ট। কিন্তু ঘটনা কেবল এটা নয়। গেল কয়েক মাস ধরেই যৌথ প্রযোজনার ছবি ও দক্ষিণ এশিয়া আঞ্চলিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (সাফটা) আলোকে কলকাতার সঙ্গে চলচ্চিত্র বিনিময় নিয়ে সিনেমাপাড়া বেশ সরগরম। একপক্ষ এসব চুক্তি মেনে কলকাতা থেকে আধুনিক নির্মাণশৈলীর সিনেমা এনে হলে প্রদর্শন করে দেশীয় সিনেমার বাজারকে ঝুঁকির মুখে ফেলছেন। আবার আমাদের এখান থেকে বিনিময়ে যেসব চলচ্চিত্র কলকাতায় পাঠানো হচ্ছে, সেসব দেখবার রুচি সে দেশ বা এ দেশের দর্শকদের কারোরই নেই। এমন এক পরিস্থিতিতে যে যেভাবে পারছেন, একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছেন, দেখে নেওয়ার হুমকি দিচ্ছেন। ফেসবুকে বা টেলিভিশনের লাইভ অনুষ্ঠানে প্রতিপক্ষের ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কুৎসা রটনা পর্যন্ত করছেন।

সিনিয়র অভিনেতাদের অসম্মান করে বক্তব্য দিচ্ছেন অনেকে। আবার সিনিয়ররা অনেককে আগুনে ঝাঁপ না দিতে হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন। সিনিয়র আর্টিস্ট মৌসুমীকে বয়স্ক বলেছেন মিশা সওদাগর। আর কী চাই? ওমর সানী নিজের রেস্টুরেন্টে বসে ফেসবুক লাইভে মিশাকে একহাত নিয়েছেন। অবস্থাটা এমন যে কেউ কারো কথাই সইতে পারছেন না।

চলচ্চিত্র শিল্পী বা পরিচালক সমিতির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে একে অপরকে ঘায়েল করার বিষয়টি এতটা খেলো দেখঅ গেছে যে তাতে অনুমান করা যায়, জাতীয় রাজনীতির নোংরা ধারাটা চলচ্চিত্র পাড়াতেও ভালোই সংক্রমিত হয়েছে। কিন্তু চলচ্চিত্রের মতো একটা শক্তিশালী শিল্পমাধ্যমের পরিবেশটা এভাবে এতটা কলুষিত হতে আছে? শিল্পীদের কি এমনতর ঝগড়া-কলহ-নোংরামি সাজে?

যে যেভাবে পারছে, যখন তখন যাকে তাকে বহিষ্কার করছে, এফডিসিতে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করছে। কারো মধ্যে এখন আর স্থৈর্য নেই, একে অপরের প্রতি ন্যূনতম শ্রদ্ধাবোধটুকু অবশিষ্ট নেই।

শিল্পীরা এতটা অহংকারী হয়ে উঠেছে যে নিজেকে ছাড়া অন্য কাউকে মানুষ বলেই গণ্য করছেন না। তাঁদের ব্যক্তিগত জীবনেও অন্ধকারচর্চাটা অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। শাকিব খান, অপু বিশ্বাস, তাঁদের সন্তান আব্রাম ও অপর নায়িকা বুবলীকে নিয়ে যে বাস্তবধর্মী সিরিওকমেডি গত কিছুদিন দেখল সবাই, তা যেকোনো ফিকশনধর্মী জটিল গ্রাম্য চলচ্চিত্র গল্পকেও হার মানিয়েছে। কিন্তু একজন নাগরিক শিল্পীর কি বাস্তবজীবনেও গ্রামীণ লোভী মাতবর সাজলে চলে?

বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের নিয়ন্ত্রণ যাদের হাতে তথ্য মন্ত্রণালয়, এফডিসি, সেন্সর বোর্ড, বাংলাদেশ টেলিভিশন, শিল্পী-পরিচালক-প্রযোজক সমিতি, তারা কি চলচ্চিত্র পরিবারের মূল্যবোধের এমন অবক্ষয়ের বিষয়টি টের পাচ্ছেন না?

শিল্পীদের তো মহত্ত্ব চর্চা করবার কথা, মহানুভব হয়ে উঠবার কথা। তিনি হবেন অনুসরণীয়, অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব। কোথায় হারিয়ে গেল রাজ্জাক-কবরী, শাবানা-আলমগীর বা ববিতা-জাফর ইকবালদের আমল? পুঁজিবাদ আর সস্তা জনপ্রিয়তাই কি তবে সব গিলে খাচ্ছে। চলচ্চিত্র পরিবারের এই অবক্ষয়টাতে মিডিয়াও তাঁদের স্বার্থ বুঝে হাওয়া দিচ্ছে। শিল্পীরা যে নিজেরাই মারামারি-গালাগালি করে নিজেদের অধঃপাতে নিয়ে যাচ্ছে, এ নিয়ে কারো মুখে কোনো রা নেই। কোনো সুশিক্ষিত বা স্বশিক্ষিত মানুষ কি আমাদের চলচ্চিত্র পরিবারে নেই?

এমন এক হ-য-ব-র-ল পরিস্থিতিতে ভালো চলচ্চিত্র আশা করা যায় কি? এখনো চলচ্চিত্রের আবেদন সব শিল্পের ওপরে। বৈশ্বিকভাবে চলচ্চিত্রের যে আধুনিকায়ন হয়েছে তার ছিটেফোঁটাও কি বাংলাদেশে আছে? উৎকর্ষতায় নিজেদের ছাড়িয়ে যাওয়ার সদিচ্ছা কারোর মধ্যে না থাকুক একে অপরকে নিচু করবার ক্ষেত্রে কারো আগ্রহের সীমা-পরিসীমা নেই। বছরে দু-চারজন পরিচালকের হাতে খুব স্বল্প সংখ্যক ভালো চলচ্চিত্র নির্মিত হলেও নানা চাপে পড়ে সেসব আর পাদপ্রদীপের আলোয় আসে না। সার্বিকভাবে বাংলা চলচ্চিত্র থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হচ্ছে মানুষ। নিতান্ত বাধ্য হয়ে তারা ঝুঁকছে কলকাতা, মুম্বাই আর হলিউডে।

নন্দনতাত্ত্বিকদের মতে, শিল্প শিল্পীর অনুভবকে, অনুভূতিকে প্রকাশ করে। একজন শিল্পীর শিল্পসত্তা অনির্ভর, অসীম ও ক্ষয়হীন। শিল্প ও শিল্পীর মাধ্যমেই মহাসত্তার প্রকাশ। শিল্পের গোড়ার কথাই হলো ‘রিয়েলিটি’ বা পরম সত্যকে প্রকাশ করা। আর মহত্তম শিল্প থেকেই তার কাঙ্ক্ষিত সত্য ও সুন্দরকে খোঁজে পায় শিল্পরসিক। কিন্তু আমাদের চলচ্চিত্র পরিবারে মহত্তম শিল্প বিনির্মাণ করতে পারেন এমন শিল্পী কোথায় পাব? আলো নয়, মননশীলতা নয়, অতল অন্ধকারকেই যে আমরা গন্তব্য করে চলেছি!

ফারদিন ফেরদৌস : সংবাদকর্মী, মাছরাঙা টেলিভিশন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কাতারের উপর সৌদি আরবের অবরোধের কারণে মারা পড়ছে শত শত উট। সৌদি ভূখণ্ড থেকে কাতারের কৃষকদের বহিষ্কারের কারণে পানির অভাবে মারা যাচ্ছে এসব প্রাণী। দুটি দেশের মধ্যে কূটনীতিক টানাপোড়েন শুরু হলে তার প্রভাব গিয়ে পড়ে উটগুলোর উপরও। আগে মুক্তভাবে পানি ও খাবার গ্রহণ করতে পারলেও এখন সৌদি সীমান্তে চলাচল করতে পারছে না কাতারের কৃষকদের উঠগুলো।

দুদেশের সীমান্তে অনেক উটকে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা গেছে। অবরোধ শুরু হওয়ার পর সৌদি সীমান্ত থেকে উটগুলো ফিরিয়ে নিয়ে আসতে কৃষকরা বেশ ঝামেলায় পড়ে গিয়েছিল।

খুব অল্প সময়ের নোটিশে সৌদি ছাড়ার নির্দেশনা আসলে কৃষকরা বেশ বিপাকে পড়ে। নিজেদের উট চিহ্নিত করতে বেশ কষ্ট পোহাতে হয়। আর অল্প সময়ের মধ্যে বিশাল সংখ্যক উট নিরাপদ জায়গায় নিয়ে আসা যায়নি।

জানা গেছে, প্রতিদিন মাত্র কয়েকশ’ উটকে সীমান্ত পার হতে দেওয়া হতো। বেশিরভাগ উটকেই এমন একটি জায়গায় জড়ো করা হয়েছিল যেখানে তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রির উপরে। কাতারের উপর অবরোধ আরোপ করা হলে সৌদি আরব থেকে কাতারি কৃষকদের কিছু অংশ প্রথম দিকেই ফিরে আসে। কিন্তু বেশিরভাগ কৃষকই দুই সপ্তাহেও ফিরতে পারেননি।

কাতারের আবু সামরার এলাকার হুসেইন এল মারি নামে একজন উট মালিক বলেন, আমি সৌদি আরব থেকে ফিরেছি। দেখেছি রাস্তার পাশে একশ’রও বেশি মৃত উট। এছাড়া রয়েছে মালিকবিহীন শত শত উট ও ভেড়া।

বিভিন্ন প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, কাতার অবরোধের ফলে ১২ হাজার থেকে ২৫ হাজার প্রাণীর উপর প্রভাব পড়েছে। অনেক প্রাণী হারিয়ে গেছে। খাবার ও পানির অভাবে কয়েকশ’ মারা গেছে।

উল্লেখ্য, সৌদি আরবের সঙ্গে কাতারের একমাত্র স্থল সীমান্ত। প্রায় ৪৪০০ কিলোমিটার সীমান্তে উট ও ভেড়াকে ঘাস খাওয়ানোর জন্য প্রতিবেশী দেশটির ভূখণ্ডও ব্যবহার করতেন কাতারের কৃষকরা। কিন্তু সন্ত্রাসবাদের সমর্থন দেয়ার কথিত অভিযোগ এনে গত ৫ জুন কাতারের ওপর সর্বাত্মক অবরোধ আরোপ করে সৌদি জোট। বন্ধ করে দেয়া হয় সীমান্ত। এর প্রভাব পড়ে উট ও ভেড়ার মতো নিরীহ প্রাণীর উপরও।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর আপনার প্রথম কাজটি কি? চা বা কফি পান করা? বেড টি ছাড়া অনেকেই দিন শুরু করতে পারেন না। খালি পেটে অ্যাসিডিক কিছু না পান করে, আপনি বরঞ্চ নাস্তা খাওয়ার পরেই চা বা কফি পান করুন। এতে আপনার হজম-শক্তি ঠিক থাকার পাশাপাশি পেটের কোনো রকম সমস্যাও হবে না।

পেট খালি থাকলে যদি প্রথমেই চা-কফি খেয়ে ফেলেন, শরীরের অ্যাসিড লেভেল দ্রুত বাড়বে ও কোষ্ঠকাঠিন্যর মতো সমস্যা শুরু হবে। তা ছাড়াও সারাদিন বমিবমিভাব শুরু হবে সকাল থেকেই। অনেকেই এই সমস্যার ভুক্তভোগী। তাদের মধ্যে বমি বমি ভাব বেশি।

ভেবে দেখেছেন কি, এই সমস্যার আসল কারণ কি? ভালো করে ভেবে দেখুন আপনিও সেই দলে, যে দলের মানুষ খালি পেটে চা-কফি খাওয়ায় বিশ্বাসী। শরীরে অ্যাসিডের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ার কারণে বমিভাবও বেড়ে যায় অনেকগুণ। তেমনটাই মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

হজম ক্ষমতাকেও অনেকটাই কমিয়ে দিতে পারে এই খারাপ স্বভাব। বদহজম কিংবা দেরিতে হজম হওয়ার সমস্যা তৈরি হতে পারে। ঘুমের সমস্যাও তৈরি হতে পারে। তাই খালি পেটে চা-কফি নয়। তার আগে অন্তত দুটি বিস্কুট খেয়ে নিন। না হলে, জলখাবার খেয়ে চা খান।

মোদ্দা কথা একটাই, নিজের স্বাস্থ্যের খেয়াল নিজেকেই রাখতে হবে। সবসময় মনে রাখবেন, জীবনধারণে ছোটোখাটো ক্রটি থেকেই বড়সড় সমস্যার সূত্রপাত! তাই খালি পেটে চা-কফি আর নয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মিমি প্রায় সবসময় খুবই খোলামেলা স্বভাবের। প্রেম,কাজ থেকে শুরু করে তাঁর ঘরের খবর সবই প্রায় সকলে জানেন। কিন্তু হঠাৎ ছেলে এল কোথা থেকে? মিমির এই ছেলের কথা শুনে তো মিমির ফ্যানদের প্রায় কপালে হাত দেওয়ার জোগাড়। মিমি তাহলে কি বিবাহিত? আর বিয়েই বা হল কবে?

এত জল্পনা না রেখে আসল কথাটা বলে দেওয়াই ভালো। মিমির দুই ছেলে হল তাঁর দুই পোষা কুকুর। এই দুজন ছেলে চিকু ও ম্যাক্স, তাদের কে সন্তানের মতই ভালবাসেন মিমি। তাঁর নিজের ছেলের মতই দেখেন দুজনকে। আর এই দুই সন্তানের মধ্যে একজনকে খুব শীঘ্রই দেখা যাবে বড় পর্দায়। ‘ ধনঞ্জয়’ ছবির মধ্যে দিয়ে ডেবিউ করতে চলেছে তাঁর এক ছেলে। ছবির পরিচালক অরিন্দম শিল।

প্রায় ১৩ বছর আগের নাম ধনঞ্জয়। কিন্তু এই নামটা এখনও যেন টাটকা সকলের মনে৷ যার ফাঁসি নিয়ে তৈরি হয়েছিল চরম বিতর্ক। সেই ধনঞ্জয়ের আইনজীবী হিসেবেই দেখা যাবে টলি কুইন মিমিকে। এই ছবিতে একেবারে অন্যধরনের একটি চরিত্রে দেখা যাবে মিমিকে। তাঁকে কমার্শিয়াল ছবিতেই বেশি দেখা গিয়েছে। তবে ‘পোস্ত’ ছবিতে তাঁর অভিনয় অন্যভাবে দাগ কেটে গিয়েছে সিনেমাপ্রেমীদের মনে৷ সব ঠিক থাকলে, ১১ ই অগাস্ট মুক্তি পাবে ছবিটি। সূত্র: কলকাতা নিউজ24×7

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

যুব বিশ্ব অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপে প্রথমবারের মতো সেমিফাইনালে উঠেছেন বাংলাদেশের মোহাম্মদ জহির রায়হান। গতকাল নাইরোবিতে অনুষ্ঠিত ৪০০ মিটার দৌড়ের হিটে রায়হান ৪৮.০০ সেকেন্ড সময় নিয়ে উঠে গেছেন সেমিফাইনালে। অ্যাথলেটিকের যে কোনো পর্যায়ের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে এটাই বাংলাদেশের কোনো অ্যাথলেটের প্রথম সেমিফাইনালে ওঠা। বলতে গেলে সেরা সাফল্য। বাংলাদেশের অ্যাথলেটিকে নতুন ইতিহাস গড়লেন বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) এই যুবক।

কিন্তু যুব বিশ্ব অ্যাথলেটিক চ্যাম্পিয়নশিপে কেনিয়া যাওয়ার আগে আত্মবিশ্বাস নিয়েই জহির বলেছিলেন, ‘যদি থাইল্যান্ডের টাইমিংয়ের কাছাকাছি থাকতে পারি তাহলে সেমিফাইনালে উঠতে পারবো।’ এবার সেটা তিনি করে দেখালেন। যুব হোক কিংবা সিনিয়র বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের কোনো অ্যাথলেটের পদকের স্বপ্ন দেখা বাড়াবাড়ি। জহিরও সেটা দেখছেন না। তবে সেমিতে ওঠার লক্ষ্য নিয়েই তিনি নাইরোবি গিয়েছিলেন। দৌড় শেষের পর জহির জানান, ‘আমি প্রত্যাশার চেয়েও বেশি ভালো করেছি। দোয়া করবেন, যাতে সেমিতে আরো ভালো টাইমিং করতে পারি।’

গত মে মাসে থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত এশিয়ান যুব অ্যাথলেটিকের সেমিফাইনালে জহির সময় নিয়েছিলেন ৪৯.১২ সেকেন্ড। নাইরোবিতে তিনি টাইমিং কমিয়েছেন ১.১২ সেকেন্ড। জহিরে সাফল্যে উচ্ছ্বসিত তার বিকেএসপির কোচ আবদুল্লাহ হেল কাফি জানান, ওর মধ্যে বরাবর ভালো করার একটা তাড়না আছে, যা ওকে দিন দিন ভালো স্প্রিন্টার হতে সাহায্য করছে। ও যদি এই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে পর্যাপ্ত অনুশীলনের মধ্যে থাকে, তবে জহিরকে দিয়ে এসএ গেমসে পদকের আশা করতে পারি আমরা।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ডেস্ক রির্পোট : ‘ছোট ভাই আল-আমিনের বয়স দেড় বছর। কেবল কথা বলতে শিখেছে। আমাকে আপা বলে ডাকে। কিন্তু কপাল খারাপ হাতের কারণে তাকে একবারের জন্যও কোলে নিতে পারিনি। হাতটা ঠিক হলে প্রথমে তাকে কোলে নেব।’ আবেগাপ্লুত হয়ে এভাবেই নিজের ইচ্ছার কথা জানায় সাতক্ষীরার ‘বিরল রোগে’ আক্রান্ত এবং বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মুক্তামণি।
বুধবার সকালে ঢামেক বার্ন ইউনিটের ৬০৮ (এ-বি) কেবিনে শুয়ে থাকা মুক্তার সঙ্গে কথা হয়। মুক্তা বলে, ওর (ছোট ভাই আল-আমিন) কান্না শুনি, কথা শুনি। তবে একদিনের জন্যও কোলে নিতে পারিনি। দোয়া করবেন যাতে হাত ভালো হয় এবং আল-আমিনকে কোলে নিতে পারি। এর আগে মঙ্গলবার সকালে সাতক্ষীরা থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে আনা হয় মুক্তাকে। সেখানে দু’দিন ধরে তার বিভিন্ন টেস্ট করেন চিকিৎসকরা। গত দু’দিনে হাতে একাধিকবার ড্রেসিংয়ের কারণে প্রচ- ব্যথা অনুভব করছে সে। মুক্তা জানায়, আগে একা একা টয়লেটে যেতে পারতাম, এখন তাও পারি না। ব্যথায় গত রাতে ঘুমাতে পারিনি।
বুধবার সকালে বার্ন ইউনিটের ষষ্ঠ তলার কেবিনে গিয়ে ব্যথায় কাতর হয়ে শুয়ে থাকতে দেখা যায় মুক্তাকে। ঢামেক বার্ন ইউনিটের নার্সরা তার বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার রক্ত সংগ্রহ করছেন। তবে রক্তশূন্যতার কারণে বাম হাতের কয়েকটি পয়েন্টে সিরিঞ্জ ঢুকিয়ে রক্ত সংগ্রহে ব্যর্থ হন চিকিৎসকরা। ব্যথায় যখন মুক্তা কান্না করছিল তখন গামছা দিয়ে তার মুখ ঢেকে রাখেন বাবা-মা।
সকাল থেকে তিনবার মুক্তাকে দেখতে এসেছেন বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন। একে একে ঘুরে গেছেন মেডিকেল বোর্ডের অন্য সদস্যরাও। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, মুক্তার হাতের রোগসহ তার শরীরের মোট ওজন ২৪ কেজি।
মুক্তার বাবা ইব্রাহীম হোসেন বলেন, ‘চিকিৎসকের ভুল চিকিৎসার জন্য আজ মেয়ের এ অবস্থা। দেরিতে হলেও তার যে সঠিক চিকিৎসা হচ্ছে এজন্য আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জানাচ্ছি। এখন একটাই চাওয়া, আল্লাহ যেন তাকে সুস্থতা দেয়। সে যেন স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসে। ঢাকা মেডিকেলের ডাক্তার, দেশবাসী ও প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমি কৃতজ্ঞ।’ হাসপাতালে মুক্তার সঙ্গে তার বাবা-মা ছাড়াও জমজ বোন হিরামণি এবং দেড় বছরের ছোট ভাই আল-আমিন রয়েছে। বোনের সুস্থতার অপেক্ষায় থাকা হিরামণি বলে, আমি চাই মুক্তা সুস্থ হয়ে আমার সঙ্গে খেলাধুলা করুক।
মেয়ের সুস্থতায় বুক ভরা আসায় আছেন মা আসমা। তিনি বলেন, চিকিৎসকরা মুক্তার সুস্থতা নিয়ে আশাবাদী। গত দেড় বছরে এরকম কথা আর কেউ বলেনি। কেবিন থেকে চলে আসার আগে চোখ ছোট করে মুক্তা বলে, আমার জন্য আপনারা দোয়া করবেন। আমি যেন তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরতে পারি।
মুক্তার চিকিৎসার বিষয়ে চিকিৎসকরা আশাবাদ জানালেও ‘অনেক দেরি হয়ে গেছে’ বলে মন্তব্য করেছেন ঢামেকের ঊর্ধ্বতন এক চিকিৎসক। তার প্রকৃত রোগের বিষয়ে নিশ্চিত হতে আরও কয়েকদিন সময় লাগবে বলেও জানান চিকিৎসকরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

এস এম, আহম্মাদ উল্যাহ বাচ্ছু : কালিগঞ্জ উপজেলার জনগুরুত্বপূর্ন ছোট-বড় কার্পেটিং সড়কগুলো জরাজীর্ণ হয়ে চলাচলের অনুপযোগি হয়ে পড়েছে। স্থানীয়, আঞ্চলিক ও জাতীয় সংবাদ কর্মীদের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (ফেসবুকে) সচিত্র ছবি ও সংবাদ প্রকাশ করে ঝড় তুললেও টকন নড়েনি সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের। তাই দক্ষিণ জনপদের অবহেলিত সাধারণ মানুষের চলাচলের জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি বিবেচনা করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আশু হস্তক্ষেপ করেছে এলাকাবাসী। সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলা এলাকার মহাসড়কসহ ছোট-বড় কার্পেটিং রাস্তা গুলোর অধিকাংশ জায়গায় পিচ দেওয়া কার্পেটিং উঠে গেছে। সড়ক ও জনপদ বিভাগ নামকাওয়াস্তে লোক দেখানো পুটিং করে কিছুদিন যেতে না যেতেই পূর্বের ন্যায় আবারও সড়কগুলি খানা খন্দে পরিণত হচ্ছে। বর্ষ মৌসুমের শুরুতেই সাতক্ষীরা-মুন্সিগঞ্জ মহাসড়কের অতি ব্যস্ততম রাস্তা ‘বাস টার্মিনাল থেকে কলেজ মোড়’ পর্যন্ত সড়ক দিয়ে চলাচল অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। কালিগঞ্জ টু বাঁশতলা কার্পেটিং রাস্তা দিয়ে যাত্রী সাধারণ অতি ঝুকি নিয়ে চলাচলের বিষয়টি পত্রিকায় ব্যাপক ঝড় তুললেও টনক নড়েনি কতৃপক্ষের। এমনি ভাবে উপজেলা সদরের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে কার্পেটিং সড়কটি দীর্ঘ কয়েক বছর বেহালদশার মধ্যে থাকলেও সংস্কারের কোন ধরণের উদ্যোগ নেয়নি কোন দপ্তর। ফলে প্রতিদিন হাসপাতালে রোগী আনা নেওয়া ও চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে রোগী ও যাত্রী সাধারণের। সামান্য বৃষ্টি হলেই হাসপাতালের সামনে জমে থাকে হাঁটু পানি। রাস্তার দুই ধারে অপরিকল্পিত দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠায় পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা নেই এখানে। অপর দিকে কালিগঞ্জ টু আশাশুনি সড়কের অধিকাংশ জায়গায় কার্পেটিং ও খোয়া উঠে যেয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্ঠি হয়েছে। একটু বৃষ্ঠি হলেই স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি যাত্রী সাধারণের চলাচলে ভোগান্তির শেষ থাকেনা। বালিয়াডাঙ্গা বাজার হয়ে খানপুর পর্যন্ত কার্পেটিং সড়ক, বালিয়াডাঙ্গা বাজার থেকে রামনগর হয়ে কুশুলিয়া পুলিন বাবুর হাট, পারুলগাছা মোড় হয়ে দুম্বোপোতা মোড় পর্যন্ত কার্পেটিং সড়ক, পিরোজপুর মোড় হয়ে সেকেন্দারনগর চৌমহনী কাপেটিং সড়ক, উপজেলা পরিষদ মোড় হয়ে ছনকা কার্পেটিং সড়ক, বালিয়াডাঙ্গা বাজার হয়ে তালতলা খেয়াঘাট কার্পেটিং সড়ক, নলতা চৌমহুনী হয়ে বাগবাটি পর্যন্ত কার্পেটিং সড়ক, নলতা কালিবাড়ী হয়ে তারালী বাজার কার্পেটিং সড়ক, কাজলা মোড় হয়ে বাবুরাবাদ জায়েদানগর কার্পেটি সড়ক, উত্তর কালিগঞ্জ সার্জিক্যাল মোড় হয়ে খানজিয়া কার্পেটিং সড়ক, ভাড়াশিমলা মোড় হয়ে খাদ্যগুদাম কার্পেটিং সড়ক, রতনপুর বাজার হয়ে বাঁশঝাড়িয়া বিজিবি ক্যাম্প কার্পেটিং সড়ক, ধলবাড়িয়া চৌমহুনী হয়ে উকসা বিজিবি ক্যাম্প কার্পেটি সড়ক, শীতলপুর মোড় হয়ে বসন্তপুর বিজিবি ক্যাম্প কার্পেটিং সড়ক। মান্দারতলা সরকারি প্রাইমারী স্কুল মোড় থেকে মোহাম্মাদ নগর মাদ্রাসা কার্পেটি সড়ক, কালিগঞ্জ সাব-রেজিষ্ঠ্রি অফিসের সামনে থেকে গোলখালী হয়ে হেন্নাপোতা কার্পেটিং সড়ক, দক্ষিণশ্রীপুর বাজার হয়ে উত্তরশ্রীপুর কার্পেটিং সড়ক, বন্দকাটি গোরস্থান মোড় হয়ে সরদার পাড়া মোড় পর্যন্ত কার্পেটিং সড়কসহ বিভিন্ন জনগুরুত্বপূর্ন সড়ক গুলো সংস্কারের অভাবে যাত্রী সাধারণের চলাচলে একবারেই অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest