সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় পৌর ও সদর উপজেলা তাঁতীদল এর সাংগঠনিক আলোচনা সভাকলারোয়া রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি মোস্তাক- সম্পাদক ফারুকীসাতক্ষীরা সদরের ৫ নং শিবপুর ইউনিয়নে কৃষক দলের কর্মীসভা অনুষ্ঠিতশ্যামনগরে চেয়ারম্যান প্রার্থী গাজী শাহ আলমের ব্যানার কেটে নষ্ট করার অভিযোগসাতক্ষীরা- খুলনা মহাসড়কের আঠারো মাইলে ঝরলো ৬ প্রাণতালা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ফেসবুক পোস্ট ঘিরে বিতর্ক, নিন্দা সাংবাদিকদেরইছামতীতে নেই সেই মিলনমেলা : শান্তিতেই শেষ দেবহাটার বিজয়া দশমীদেবহাটায় দুর্গাপূজার নবমীতে বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আশরাফুল আলমআশাশুনিতে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজসাতক্ষীরায় বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সাবেক মেয়র চিশতি

নিজস্ব প্রতিবেদক : ‘শেখ হাসিনার উন্নয়ন প্রতিবন্ধী ভাতার প্রবর্তন’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে সাতক্ষীরা পৌর এলাকার প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মাঝে প্রতিবন্ধী ভাতার বই বিতরণ করা হয়েছে। রবিবার সকালে সাতক্ষীরা পৌরসভার কনফারেন্স রুমে পৌরসভা ও শহর সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতির সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মাঝে ভাতার বই বিতরণ করেন সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। এসময় তিনি বলেন, ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ জননেত্রী শেখ হাসিনা সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে এগিয়ে নিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। প্রতিবন্ধীরা যেন সমাজের বোঝা হয়ে না থাকে সে জন্য তাদের কল্যাণে এই প্রতিবন্ধী ভাতার ব্যবস্থা করেছেন এবং দিনে দিনে এর পরিমান বৃদ্ধি পাবে। সরকার প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সুবর্ণ নাগরিক পরিচয় পত্র দিয়েছে। এসময় তিনি ২০০৪ সালের ২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় দ্রুত বাস্তবায়ন করে দোষীদের দৃষ্ট্রান্তমূলক শাস্তি ও বিচার দাবী করেন’।
সাতক্ষীরা পৌর এলাকার নতুন ও প্রতিস্থাপন করা ৭৩ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তির মাঝে এই ভাতার বই বিতরণ করা হয়।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পৌর কাউন্সিলর শেখ শফিক উদ দৌলা সাগর, মো. শফিকুল আলম বাবু, কাজী ফিরোজ হাসান, জাহাঙ্গীর হোসেন কালু, শাহিনুর রহমান শাহিন, শেখ আব্দুস সেলিম ও শহিদুল ইসলাম প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন শহর সমাজসেবা অফিসার শেখ সহিদুর রহমান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : গাছ আমাদের বাঁচিয়ে রাখে। গাছ বাঁচিয়ে রেখে গাছের সাথে বন্ধত্ব অটুট থাকুক। গাছ কাটবো না। গাছের ও মানুষের কোন ক্ষতি করব না। এ কথা বলে হাত উচু করে গাছ ধরে শপথ নিয়েছে সাতক্ষীরার তুজুলপুরের দুশতাধিক শিক্ষার্থী। রবিবার দুপুরে সদর উপজেলার তুজুলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গাছের পাঠশালার আয়োজনে তুজুলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি ফারুক হোসেনের সভাপতিত্বে গাছের সাথে বন্ধুত্ব গড়ার শপথ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে শিক্ষার্থীদের সাথে শপথ বাক্য পাঠ করেন সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। এসময় তিনি বলেন, গাছ আমাদের পরম বন্ধু। পরিবেশের ভার ভারসাম্য রক্ষায় বেশি বেশি করে গাছ লাগানোর বিকল্প নেই। আমরা জঙ্গিবাদ, মাদক, বাল্যবিবাহ কে না বলে বেশি বেশি গাছ লাগাবো।
শপথ পাঠ করাণ গাছের পাঠশালার সাংবাদিক পরিচালক ইয়ারব হোসেন। পরে ফলজ গাছের চারা বিতরণ শেষে শিক্ষার্থীরা এই শপথ নেয়। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ঝাউডাঙ্গা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ খলিলুর রহমান, সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান সৈয়দ আমিনুর রহমান বাবু, জেলা পরিষদের সদস্য ওবায়দুর রহমান লাল্টু, তুজুলপুর জিসি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম, উক্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোছা. মৌলুদা খাতুন, কৃষক ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রহমান, ঝাউড়াঙ্গা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি রমজান আলী বিশ্বাস, আগরদাড়ি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান হবি, ফারুক হোসেন ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আবু মোত্তালিব প্রমুখ।
সাংবাদিক ইয়ারবের নিজ উদ্যোগে দ’ুশতাধিক ফলজ গাছের চারা বিতরণের ব্যবস্থা করেন। তুজুলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় দ’ুশতাধিক শিক্ষার্থীদের মাঝে ডালিম গাছের চারা তুলে দেন প্রধান অতিথি মীর মোন্তাক আহমেদ রবি এমপি।
গাছের চারা পেয়ে ইমানুর হোসেন, আলী হোসেন, শিক্ষার্থী অনুভূতি ব্যক্ত করে বলে, আমরা গাছ পেয়ে খুব খুশি। এই গাছ আমরা আমাদের বাড়িতে লাগাবো। আমরা নিয়মিত গাছের পরিচর্যা করবো। আমরা গাছ নষ্ট বা কাটবো না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি, কালিগঞ্জ : কালিগঞ্জ রোকেয়া মনসুর মহিলা কলেজে বিশ^কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৭৬তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ‘সীমার মাঝে অসীম তুমি, বাজাও আপন সুর, তোমার মাঝে আমার প্রকাশ, তাই এত মধুর’- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আলোচনা সভা, কবিতা আবৃত্তি ও সঙ্গীতানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। রোকেয়া মনসুর মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ একেএম জাফরুল আলমের সভাপতিত্বে ২২ শ্রাবণ রোববার বেলা সাড়ে ১২ টায় কলেজের হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কবি গুরুর বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবন সম্পর্কে আলোচনা করেন প্রধান অতিথি অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক বিশিষ্ট সাহিত্যিক গাজী আজিজুর রহমান।
কলেজের দর্শন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শ.ম মমতাজুর রহমানের সঞ্চালনায় বিশেষ এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এবং বক্তব্য রাখেন রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক নিয়াজ কওছার তুহিন। সহকারী অধ্যাপক নুরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম, আব্দুল আজিজ, প্রভাষক মাসুদুর রহমান, বিলকিস আক্তার, রতন কুমার ঘোষ, গ্রন্থাগারিক আরেফা ফারজানা, সাইফুজ্জামান, ক্রীড়া শিক্ষক সৈয়দ মাহমুদুর রহমান প্রমুখ। অনুষ্ঠানে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কবিতা আবৃত্তি করেন ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক প্রবীর কুমার দেবনাথ। বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সুফিয়া খাতুন, অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী প্রিয়াংকা আচার্য্য, উচ্চ মাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী পূজা দত্ত ও একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী মনিষা প্রমুখ রবীন্দ্র সঙ্গীত পরিবেশন করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কালিগঞ্জ ব্যুরো : কালিগঞ্জে অবশেষে অপহরণের সাজানো ঘটনায় আদালতে নির্দেশে পিতা ছেলেকে আসামি করে থানায় মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। অথচ অপহরণ মামলা রেকর্ড হওয়ায় নিজ বাড়ি থেকে ভিকটিম কে উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে (৬ আগষ্ট) রোববার উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রামে। সরেজমিন, থানা ও এলাকাবাসী সূত্রে জানাযায়, উপজেলার ১ নং কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রামের শেখ রওশান আলীর সাথে প্রতিবেশী মাস্টার আব্দুস সত্তারের মাত্র ৬ শকত জমি নিয়ে দীর্ঘদিন পারিবারিক ভাবে বিরোধ চলে আসছিল। “প্রেম না মানে বাঁধা” এই প্রবাদে দুটি তরুণ তরুণীর মনে হয়েছে প্রেমের সম্পর্কে তাদের বিয়ে হলে দীর্ঘ দিনের বিরোধ মিটে যাবে। কালিকাপুর গ্রামের আক্তার ফারুক ঢালীর দশম শ্রেনীতে পড়–য়া কন্যা ফারজানা আক্তার লাকি (১৬) সাথে প্রতিবেশী সাবেক প্রধান শিক্ষক শেখ রওশান আলীর মাস্টার্স পাশ ছেলে শেখ মোস্তাফিজুর রহমান রাজুর সাথে দীর্ঘ দিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। এরই ভিত্তিতে গত বছরের ২৬ মার্চ বাড়ির পার্শ্বে মাহফিলের মাঠে ছেলে ও মেয়ের চলাফেরা কথা বার্তায় প্রেমের বিষয়টি জনাজানি হলে উভয় পরিবারের মধ্যে নতুন করে সৃষ্টি হয় চরম বিরোধ। মেয়ের পিতা কোন ভাবেই তাদের সম্পর্ক মেনে নিতে ও বিয়ে দিতে রাজি না হওয়ায় ২৪ জুলাই সকালে প্রেমের টানে (এসএসসি পরীক্ষার্থী) ফারজানা আক্তার লাকি বোরকা পরে প্রেমিক রাজুর বাড়িতে চলে আসে। এদিকে রাজুর পিতা-মাতা লাকিকে বার বার বুঝিয়েও বাড়িতে পাঠাতে ব্যার্থ হয়ে শেষমেষ থানা পুলিশকে বিষয়টি অবগত করে। ঐদিন অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) রাজিব হাসান কালিকাপুর গ্রামে ঘটনা স্থল রাজুদের বাড়িতে যেয়ে লাকিকে বুঝিয়ে তাদের বাড়িতে রেখে আশার সংবাদ পেয়ে মেয়ের পিতা-মাতা ঘরে তালা লাগিয়ে বাড়ি থেকে চলে যায়। এসময় থানা পুলিশ স্কুল ছাত্রী লাকিকে নিয়ে পার্শ্ববর্তী মানপুর গ্রামে তার নানা আব্দুর রউফ গাজির বাড়িতে রেখে আসে। এসময় বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক তোলপাড়ের সৃষ্ঠি হয়। ধুরন্ধর লাকির দাদা সাত্তার ঢালীর দীর্ঘ দিনের প্রতিপক্ষ শেখ রওশান আলীকে জব্দ করতে পুতনি অপহরণ হয়েছে মর্মে ছেলে আক্তারকে দিয়ে ২৬ জুলাই সাতক্ষীরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগটি আমলে নিয়ে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক মোঃ আশরাফুল ইসলাম থানায় মামলা রেকর্ড করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের আদেশ দেন। নির্দেশ পেয়ে অফিসার ইনচার্জ লস্কর জায়দুল হক শেখ মোস্তাফিজুর রহমান রাজু ও তার পিতা সাবেক প্রধান শিক্ষক শেখ রওশান আলীর বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০(সংশোধনী-২০০৩) এর ৭/৩০ ধারায় ৬ আগষ্ট মামলা রুজু করে মামলা নং ২। এদিকে মামলা রেকর্ড হওয়ার পরেই কালিগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক আসাদুজ্জামান, এমদাদ হোসেনসহ সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্স ভিকটিমকে নিজ বাড়ি থেকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। আজ তাকে সাতক্ষীরা আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দীর জন্য আনা হবে বলে থানা পুলিশ জানিয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আশাশুনি ব্যুরো : বাংলাদেশের উপকুলীয় এলাকার বিপদাপন্ন জনগোষ্ঠীর এবং প্রতিষ্ঠান সমূহের দুর্যোগ ও জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি হ্রাস, জীবিকা রক্ষার সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষে আশাশুনিতে ফলজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে। রবিবার দুপুর ১২টায় বড়দল ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে কনসার্ন ওয়াল্ড ওয়াইড এ সহযোগিতায় সুশীলনের বাস্তবায়নে রেজিনিয়েন্স প্রকল্পের আওতায় এ চারা বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। বড়দল ইউপি চেয়ারম্যান উপস্থিত থেকে ৮২ উপকারভোগী পরিবারের মধ্যে ১২টি করে গাছের চারা বিতরণ করেন। এসময় কনসার্ন টেকনিকাল অফিসার হাসিনা নিয়াজি, বড়দল ইউনিয়ন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা দিপক কুমার, সুশিলনের প্রজেক্ট ম্যানেজার বশির আহম্মেদ, সুশীলনের শেখ সবুর সরদার, ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা টিটু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি : পাটকেলঘাটায় সাতক্ষীরা বন বিভাগের আয়োজনে ও সরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সার্বিক সহযোগিতায় ২ হাজার ৫শ নারকেল গাছের চারা রোপনের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।
রবিবার বিকাল ৫টায় পাটকেলঘাটা ভিক্ষুক পুনর্বাসন চত্বরে সরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমানের সভাপতিত্বে কপোতাক্ষ নদের তীরে নারিকেল চারা রোপনের শুভ উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মোঃ মহীউদ্দীন। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন তালা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কুমার, তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদ হোসেন।
এসময় বক্তব্য রাখেন তালা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ইখতিয়ার হোসেন, তালা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) লিটন আলী, জেলা পরিষদ সদস্য কাজী নজরুল ইসলাম হিল্লোল, পাটকেলঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ মহিবুল ইসলাম, তালা উপজেলা আ’লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. শেখ আব্দুস সামাদ, তালা প্রেসক্লাবের আহবায়ক প্রণব ঘোষ বাবলু, জেলা বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মারুফ বিল্লাহ, মিজানুর রহমান, সরুলিয়া ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারন সম্পাদক বিশ্বাস আতিয়ার রহমান। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান পিন্টু, এ্যাড. কার্ত্তিক চন্দ্র, মাস্টার শেখ আব্দুল হাই, আ’লীগ নেতা শেখ টিপু সুলতান, মাহবুব হোসেন মিন্টু, রহমত আলী মিঠু, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আব্দুল লতিফসহ সরুলিয়া ইউপির সকল সদস্য।
জেলা প্রশাসক তার বক্তব্যে বলেন, পাটকেলঘাটাকে উপজেলা ঘোষণা করা হলে এলাকার উন্নয়ন আরো বৃদ্ধি পাবে। পাটকেলঘাটা উপজেলা হওয়া এলাকার মানুষের যৌক্তিক দাবি। বক্তরা পাটকেলঘাটাকে উপজেলা ঘোষণার জোর দাবি করলে জেলা প্রসাসক জনগণের দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্তকর্তাকে এ ব্যাপারে পূর্ণাঙ্গ একটি প্রতিবেদন দ্রুত জমাদানের নির্দেশ প্রদান করেন। সমগ্র অনুষ্ঠাটি পরিচালনা করেন মাহফুজুর রহমান মধু। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদ হোসেন বলেন পাটকেলঘাটার মানুষের নিরাপত্তার জন্য বিভিন্ন পয়েন্টে সিসি ক্যামেরা বসানো হবে। আলোচনা শেষে প্রধান অতিথি কপোতাক্ষ নদের তীরে নারিকেলের চারা রোপন শুভ উদ্বোধন করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজের ভাই কর্তৃক মুক্তিযোদ্ধার দখলীয় ও ক্রয়কৃত সম্পত্তি জবর দখলের চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সদর উপজেলার বৈচনা গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। ওই মুক্তিযোদ্ধা সদর উপজেলার ওরা ১৩ জন খ্যাত মুক্তিযোদ্ধাদের অন্যতম মুসা আমিন। সে উপজেলার বৈচনা গ্রামের মৃত আব্দুল মালেক গাজীর ছেলে।
ভুক্তভোগী মুক্তিযোদ্ধা মুসা আমিন জানান, ১৯৬৫ সালে তার ছোট মামা মোহাম্মাদ গাজী সরকার বাহাদুরে কাছ থেকে বৈচনা মৌজার ৫২ ও ৩১ নং খতিয়ানের ২৫৬৬, ২৫৩০, ২৫৬০, ২৫৬২, ২৫৬১ দাগে ৩৪ শতক জমি নিয়ে তারা বসবাস শুরু করেন। উক্ত সম্পত্তি মামা মৃত্যুর পূর্বে আমাদের ৫ ভাইবোনদের মাঝে বন্টন করে দেন। কিন্তু আমার সেঝ ভাই রফিকুল ইসলাম বান্টু তার ভাগের টুকু বিক্রি করে দেয়। এরপর বান্টু ও তার স্ত্রী আমাদের ৪ ভাই বোনের সম্পত্তি গ্রাস করার জন্য বিভিন্ন পায়তারা শুরু করে। আমাকে সর্বশান্ত করার জন্য একের পর এক মিথ্যা হায়রানী মূলক মামলা দিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু আমাকে কোনভাবে দমন করতে না পেরে ২০০৯ সালে রফিকুল নিজের ছেলেকে হত্যা করে আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করে। সে সময় আমি ১০৭ ধারায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করি। বিচারক তথ্য প্রমান যাচাই করে ঘটনা মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় মোচলেকা দিয়ে চলে যায় রফিকুল ইসলাম। তিনি আরো জানান, চলতি বছরের ১৩ জুন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ১৪৫ ধারার বিধান মতে একটি মামলা করি যা বর্তমানে চলমান আছে।
এদিকে ভোমরা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব রফিকুল ইসলাম,সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার নির্দেশে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে লাল ফ্লাক দিয়ে জমির সিমানা নির্ধারণ করেছেন এবং মুক্তিযোদ্ধা মুসা আমিন যেন উক্ত জমিতে বসবাস করতে পারেন তিনি সে ব্যাপারে সমাধানের চেষ্টা করছেন বলে জানা গেছে।
অপরদিকে রফিকুল ইসলাম বান্টু ও তার ছেলে প্রতিনিয়তই মুক্তিযোদ্ধা মুসা আমিন ও তার পরিবারের উপর হামলা চালানোর চেষ্টা করে এবং তাদের লাঞ্চিত করার চেষ্টা করে এবং লাঠি,দা নিয়ে সবসময় পাহারা দেয়। এসব ঘটনায় মুক্তিযোদ্ধা মুসা আমিনসহ তার পরিবার বর্তমানে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। তারা প্রতিনিয়তই ভয়ের মধ্যে দিয়ে দিন কাটাচ্ছেন।
এব্যাপারে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বারবার এটি মিমাংসার চেষ্টা করলেও রফিকুল ইসলাম বান্টুর কারনে তা সম্ভব হয় নি বলে জানান তারা।
এঘটনায় রফিকুল ইসলাম বান্টুর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জালিয়াতির কথা অস্বীকার করে বলেন ওই সম্পত্তি পাওয়ার জন্য আবেদন করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কলারোয়া ডেস্ক : কলারোয়া সরকারি কলেজের কর্মচারী আব্দুল আজিজ (৫৭) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না..রাজিউন)। শনিবার সন্ধ্যার পর বুকে ব্যাথা অনুভব করলে তাকে কলারোয়া হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার পর সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নেয়ার পথে রাত ৮টার দিকে তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ৩ পুত্র ও ১ মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

এদিকে, রবিবার বেলা ১১টার দিকে কলারোয়া সরকারি কলেজ মাঠে মরহুম আব্দুল আজিজের জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজাপূর্ব আলোচনায় প্রয়াতের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বক্তব্য রাখেন কলারোয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর বাসুদেব বসু, প্রাক্তন অধ্যক্ষ প্রফেসর আবু নসর, অধ্যাপক আবু বক্কর ছিদ্দিকী, প্রফেসর নজরুল ইসলাম, কলারোয়া পৌরসভার মেয়র গাজী আক্তারুল ইসলাম, অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক, অধ্যাপক আব্দুল মজিদ প্রমুখ।
পরে পৌর সদরের ঝিকরা গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে প্রয়াত আব্দুল আজিজের দাফন সম্পন্ন হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest