সর্বশেষ সংবাদ-
কালিগঞ্জে মৎস্য ঘেরে বিষ প্রয়োগ- ২০ লাখ টাকার ক্ষতিসাংবাদিক শরীফুল্লাহ কায়সার সুমনের সুস্থতা কামনায় প্রেসক্লাবের বিবৃতিচ্যানেল ওয়ানে জাকিরের নিয়োগ : প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের অভিনন্দনসাতক্ষীরা’র শ্যামনগরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সংঘর্ষে আহত ১৪কালিগঞ্জে বিএনপির সভাপতির বিরুদ্ধে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে সম্পত্তি দখল ও লুটপাটের অভিযোগসাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনসাতক্ষীরায় মেডিকেল ভ্যালু ট্রাভেল খাতে জ্ঞান বিনিময়-কৌশলগত সহযোগিতার সেমিনারসাতক্ষীরায় জলবায়ু সহনশীলতায় নারী নেতৃত্বের ভূমিকা বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালাশ্যামনগরে সুপেয় পানির সংকট তুলে ধরতে দৌড়ে অংশ নিল ২ শতাধিক মানুষসাতক্ষীরায় হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন’র উদ্বোধন

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরার তালা উপজেলা পরিষদের জমিতে দোকান নির্মানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নাম ভাঙ্গিয়ে দুই ব্যবসায়ির নিকট থেকে অবৈধভাবে ৪ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা চাঁদা নেয়ার অভিযোগে এক আওয়ামীলীগ নেতাসহ দুই জনের বিরুদ্ধে চাাঁদাবাজি মামলা দায়ের হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: ফরিদ হোসেন বাদি হয়ে ওই দুই জনের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার বিকেলে তালা থানায় এ মামলাটি দায়ের করেন। মামলা নং-৭। মামলায় যাদের আসামি করা হয়েছে তারা হলেন, সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ সদস্য ও তালা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মীর জাকির হোসেন ও তার সহযোগী সৈয়দ তরিকুল ইসলাম।
তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: ফরিদ হোসেন জানান, তালা উপজেলা পরিষদের প্রাচীরের পাশের জায়গা দখল করে সম্প্রতি দোকান ঘর নির্মান করেন হারান সাধু নামে এক ব্যবসায়ী। এ জন্য ওই ব্যবসায়ীর নিকট থেকে আমাকে (ইউএনওর) ম্যানেজ করতে জেলা পরিষদের সদস্য মীর জাকির হোসেন ও তার সহযোগী তরিকুল ইসলাম ২ লক্ষ টাকা নেন। এছাড়া অপর এক পাট ব্যবসায়ী কুমারেশ ঘোষের কাছে থেকে আরও ২ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা নেন তারা। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উক্ত ঘর নির্মাণে বাঁধা দিলে একপর্যায়ে বিষয়টি জানাজানি হয়। পরে ওই দুই ব্যবসায়ী আমার কাছে বিষয়টি স্বীকার করেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরও জানান, বিষয়টি জানার পর তিনি তাৎক্ষণিকভাবে ওই দুই জনের নামে তালা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
এ ব্যাপারে মীর জাকির হোসেনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি নিয়ে লেখা-লেখির কিছু নেই বলে জানান। তিনি আরো জানান, বিষয়টি মিমাংসার চেষ্টা চলছে।
তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান হাফিজুর রহমান এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: ফরিদ হোসেনের নাম ভাঙিয়ে তালা বাজারের দুই ব্যবসায়ীর নিকট থেকে ৪ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা চাঁদা গ্রহণ করায় তিনি বাদি হয়ে উক্ত দুই জনের নামে মামলা দায়ের করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দৌলতদিয়া যৌনপল্লির এক যৌনকর্মীর দায়ের করা মামলায় রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান গোলাম মাহাবুব রাব্বানীকে (৪২) কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে আদালতে আত্মসমর্পণ করে পুনরায় জামিন আবেদন করেন মাহাবুব। আদালতের বিচারক আবেদনটি নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
আদালত-সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দৌলতদিয়া যৌনপল্লির একজন যৌনকর্মী নিজেকে গোলাম মাহাবুব রাব্বানীর স্ত্রী এবং তাঁদের নয় বছর বয়সী একটি ছেলে রয়েছে বলে দাবি করে গত বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর রাজবাড়ীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা করেন। ওই মামলায় মাহাবুব হাইকোর্ট থেকে চার সপ্তাহের নেন। জামিনের মেয়াদ শেষ হলে মাহবুব দুপুরে আইনজীবীর মাধ্যমে রাজবাড়ীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করেন।
এর আগে আদালত এ বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য দৌলতদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানকে নির্দেশে দিয়েছিলেন। এরপর ইউপি চেয়ারম্যান চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, ‘মামলার তদন্তের জন্য অভিযুক্ত গোলাম মাহাবুব রাব্বানীকে নোটিশ দিয়ে হাজির হতে বললে তিনি লোক মারফত সময় নিয়ে কালক্ষেপণ করলেও হাজির হননি। তদন্তে প্রতীয়মান হয়, যৌনপল্লিতে আসা-যাওয়ার সুবাদে কয়েক বছর আগে গোলাম মাহাবুব রাব্বানীর সঙ্গে এক যৌনকর্মীর সঙ্গে সখ্য গড়ে ওঠে এবং তাঁরা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। অতঃপর ওই যৌনকর্মীর গর্ভে একটি পুত্রসন্তান জন্মগ্রহণ করে। এ ছাড়া তিনি যৌনপল্লি থেকে অন্যত্র বসবাসের প্রলোভন দেখিয়ে মেয়েটির যৌনপল্লিতে থাকা মায়ের বাড়ি বিক্রি করাসহ ছয় লাখ টাকা হাতিয়ে নেন। পরবর্তী সময়ে স্ত্রী ও সন্তানের মর্যাদা না দিয়ে তাঁকে নানাভাবে নির্যাতন করতেন।’

তবে, গোলাম মাহবুবের স্ত্রী গোয়ালন্দ পৌরসভার কাউন্সিলর আফরোজা রাব্বানী সাংবাদিকদের কাছে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, কয়েক বছর আগে দৌলতদিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জুলহাসকে দুর্বৃত্তরা হত্যা করে। জুলহাস ছিল মাহবুবের চাচাতো ভাই। এ নিয়ে দৌলতদিয়া ইউপির চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম মণ্ডলের সঙ্গে মাহবুবের বিরোধ সৃষ্টি হয়। ওই বিরোধের অংশ হিসেবে দৌলতদিয়া যৌনপল্লির একজন যৌনকর্মী দিয়ে আদালতে মিথ্যা মামলা করা হয়। যে মামলায় মাহবুবকে কারাগারে যেতে হলো।

সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) উজির আলী শেখ বলেন, যৌনকর্মীর দায়ের করা মামলায় মাহাবুব রাব্বানী উচ্চ আদালত থেকে চার সপ্তাহের জামিন নেন। জামিনের মেয়াদ শেষ হলে উচ্চ আদালত তাঁকে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন। মেয়াদ শেষ হওয়ায় আজ তিনি আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে আদালত তা নাকচ করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

যুক্তরাজ্যের ‘প্রথম মুসলিম’ হিসেবে সমকামী বিয়ে করেছেনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত যুবক জাহেদ চৌধুরী। যুক্তরাজ্যের পশ্চিম মিডল্যান্ডের ওয়ালসাল শহরে জাহেদ চৌধুরী ও সিন রোগান বিয়ে করেন। মুসলিম সঙ্গীর অংশগ্রহণে এটিই যুক্তরাজ্যের প্রথম সমাকামী বিবাহ বলে দাবি করা হচ্ছে। খবর টেলিগ্রাফের।

খবরে বলা হয়, ওয়ালসাল শহরের বিবাহ রেজিস্ট্রি অফিসে পাঞ্জাবী-পাজামা পরে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন জাহেদ ও রোগান। তাদের বিয়ের ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে অনলাইনে। ওয়েস্ট মিডল্যান্ডসে বিয়ের পরে জাহেদ বলেছেন, ‘গোটা বিশ্বকে দেখাও যে তুমি চাইলে মুসলিম হয়েও সমকামী হতে পারো। ‘

বিয়ের পর ২৪ বছর বয়সী জাহেদ মিডিয়াকে বলেন, পরিবারের কাছ থেকে সহায়তা পেতেন না তিনি। তা ছাড়া স্কুলে লাঞ্ছনার শিকার হতেন জাহেদ। এমনকি স্থানীয় মসজিদে তার প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ করা হয় বলেও জানান তিনি। পরবর্তীতে জাহেদ নিজের লিঙ্গ পরিবর্তনের চেষ্টা করেন। তার যৌণগত আচরণ পরিবর্তনের জন্য গার্লফ্রেন্ডের ব্যবস্থা করা হয়, পরিবার তাকে হজ্ব পালনে সৌদি আরবে নিয়ে যান। বাংলাদেশে এনেও ধর্মীয় নিয়ম-কানুন পালনে সচেষ্ট করা হয় তাকে। এক পর্যায়ে তিনি আত্মহত্যা করার চেষ্টা করেন।

সে সময় রোগানের সাথে দেখা হয় তার। রোগানকে দেখে জীবনের মানে খুঁজে পান তিনি। তারা ২০১৫ সাল থেকে একসাথে থাকা শুরু করেন। পরবর্তীতে জাহেদ গত বছর স্বামী রোগানের জন্মদিনে তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন।

জাহেদের স্বামী ১৯ বছর বয়সী রোগান বলেন, প্রত্যেকটা পদক্ষেপে সঙ্গীর পাশে দাঁড়াবেন তিনি। তিনি বলেন, সমকামী হওয়া ভুল কিছু নয়। এটা কোন ধাপ নয়। মানুষের শুধু কিছুটা সমর্থণ দরকার।

এদিকে এ ঘটনার পর থেকে ব্রিটেনের মুসলিম কমিউনিটিতে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। অনেক মুসলিম পরিবার চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। এছাড়া বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তোলপাড় শুরু হয়েছে।

উল্লেখ্য, ব্রিটেনের মুসলিম কাউন্সিল, যা ৫শ’ টিরও বেশি সংগঠন ও মসজিদের প্রতিনিধিত্ব করে, ২০১৩ সালে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে চার্চ অফ ইংল্যান্ডের যৌন বিবাহের বৈধতার বিরোধীতা করে। এদিকে স্কটল্যান্ডে একই বিবাহের বৈধতা পায় কিন্তু উত্তর আয়ারল্যান্ডে বেআইনী হয়, যেখানে সরকার ও ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন বিরোধী দলের মধ্যে জোটের ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশের প্রেক্ষিতে প্রচারাভিযানীরা পরিবর্তনের দাবি জানাচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মশা থেকে বাঁচতে দিনে দুপুরে এই যুবক মশারির ভিতরে গিয়ে বসে পড়েছে। ঘটনাটি আফ্রিকায়। যানা যায় আফ্রিকায় প্রতি মিনিটে ম্যালেরিয়ায় ভুগেই মারা যায় অন্তত দু’জন শিশু। তাই মশার কামড় থেকে মানুষকে বাঁচাতে সারা দিনমান কাজ করছে তাঞ্জানিয়ার ছোট্ট শহর ‘সিটি অফ মসকিটো’, অর্থাৎ ‘মশার নগর’৷

তাঞ্জানিয়ার প্রত্যন্ত এক শহর ইফাকারা। ইফাকার শব্দের অর্থ ‘যেখানে আমি মৃত্যু বরণ করি’। নামেই বোঝা যায় বসবাসের জন্য শহরটি আসলে কেমন। মানুষ যেন সেখানে জীবন উপভোগের কথা, সুখে-স্বাচ্ছ্যন্দে কিছুদিন বাঁচার কথা ভাবতেই পারে না, জন্মের পর থেকে আসল কাজই যেন মশার কামড়ে রোগাক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর অপেক্ষা করা।

সেখানে মশার কবল থেকে মানুষ বাঁচাতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে ইফাকারা হেল্থ ইন্সটিটিউট (আইএইচআই)। তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে মশা এবং মশাবাহিত রোগে মৃত্যুহার অনেক কমেছে৷ কতটা কমেছে তা জানানোর আগে শহরটিতে মশা কত বেশি ছিল সে সম্পর্কে একটু ধারণা নেয়া যাক৷ আইএইচআই-এর গবেষক বলছিলেন, ‘‘আমি যখন এখানে কাজ শুরু করি, তখন আলোর ফাঁদ পেতে যে মশাগুলো ধরা হতো, সেগুলো গুনে শেষ করা যেত না। প্রতিদিন ওজন করা হতো। কোনো কোনো রাতে মশা সংগ্রহের ব্যাগ ভরে মশা উপচে পড়তো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ইসলামি জঙ্গিগোষ্ঠী আইএস এর প্রধান আবু বকর আল-বাগদাদী সিরিয়াতেই নিহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে ‘দি ‍সিরিয়ান অবসারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস ওয়ার মনিটর’।

মসুলে নিজেদের দখল হাবানোর একদিন পর বুধবার বিষয়টি নিশ্চিত করল সংগঠনটি।

সিরিয়ার দেইর এজর প্রদেশে অবস্থান করা আইএস এর শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দের কাছ থেকে বাগদাদীর নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম খবর প্রকাশ করে।

পর্যবেক্ষক দলের পরিচালক রামি আবদেল রহমান এএফপিকে বলেন, ‘বাগদাদী নিহত হওয়ার বিষয়টি আমরা আজকেই জেনেছি, কিন্তু তিনি কখন এবং কিভাবে নিহত হয়েছেন আমরা তা জানি না।’

সিরিয়া এবং ইরাকে শক্ত ঘাঁটি রয়েছে আইএস এর। দেশ দুটির বিভিন্ন শহর একর পর এক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে নিজেদের দখলে নিয়েছে তারা। তবে সম্প্রতি কোনঠাসা হয়ে পড়েছে জঙ্গি সংগঠনটি।

দুটি দেশেই নিয়ন্ত্রণ হারাতে বসেছে তারা। গতকালই ইরাকের মসুলে দখল হারিয়েছে। সেখানে বিজয় উদযাপন করেছে স্বয়ং ইরাকের প্রধানমন্ত্রী। তবে এখনো সিরিয়ার দেইর এজর প্রদেশে আইএস এর শক্ত অবস্থান রয়েছে।

আবদেল রহমার আরও বলেন, ‘বাগদাদী কিছুদিন আগেও দেইর এজর প্রদেশে ছিলেন, তবে তিনি এখানে নাকি অন্য কোথাও নিহত হয়েছেন তা জানতে পারিনি।’

সবশেষ ২০১৪ সালে সংবাদ মাধ্যমে উপস্থিত হয়েছিলেন বাগদাদী। সে সময়ে তিনি মধ্যপ্রাচ্যে কথিত খেলাফত সৃষ্টির ঘোষণা দিয়েছিলেন।

এরপর বেশ কয়েকবার সংবাদ মাধ্যমে তার মৃত্যুর সংবাদ প্রকাশিত হয়। অবশ্য সে সব খবরের সত্যতা পাওয়া যায়নি।

গত ১৬ জন রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, রুশ বিমান বাহিনীর হামলায় রাকায় আইএস প্রধান বাগদাদী হয়েছে। এরপর ২৯ জুন রাশিয়া বাগদাদীর মৃত্যুর খবর শতভাগ নিশ্চিত করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আশাাশুনি ব্যুরো : আশাশুনিতে ১ম শ্রেণীর ছাত্র রানা গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। আশাশুনি উপজেলার সদর ইউনিয়নের সবদালপুর গ্রামের মোঃ মুনছুর সরদারের পুুত্র ও সবদালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১ম শ্রেণির ছাত্র মোঃ রানা (৭) নিজ মায়ের উপর অভিমান করে মঙ্গলবার নিজ বাড়ির ঘরের আড়ার সাথে গলায় গামছা পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন আশাশুনি থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহিদুল ইসলাম শাহীন।
রানা মঙ্গলবার দুপুরের দিকে সে স্কুল থেকে বাড়ি ফিরে মায়ের কাছ ভাত খেতে চায়। তখন তার বড় ভাই ভাত খাচ্ছিল। মা পানি এনেই ভাত দেবে বলে পানি আনতে যায়। শিশুটি এ সময় ঘরের একটি কক্ষে ঢুকে টেবিলের উপর উঠে গামছা দিয়ে ঘরের আড়ার সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। তার মা পানি এনে ভাত দিয়ে রানাকে খুঁজে না পেয়ে ঐ কক্ষের দরজা বন্ধ দেখে জানালা দিয়ে দেখেন সে আড়ার সাথে ঝুলছে। দ্রুত দরজা ভেঙ্গে তাকে নামানো হলেও ততক্ষণে তার মৃত্যু হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বিরল রোগে আক্রান্ত সাতক্ষীরার শিশু মুক্তামনির চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের (ঢামেক) বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন। তিনি বলেন, ‘মুক্তার চিকিৎসার দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক ডা. জুলফিকার লেনিন আমাকে ফোন করে একথা জানিয়েছেন।’ প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার খবর শুনে মুক্তামনির বাবা মো. ইব্রাহীম হোসেন ফোনে ডেইলি সাতক্ষীরাকে বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ। আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞ। আপনারা আমার মেয়ের জন্য দোয়া করবেন।’
এ বিষয়ে ডা. জুলফিকার লেনিন বলেন, ‘আমরা মুক্তামনি’র অসুখের সংবাদ দেখে সাতক্ষীরায় খোঁজ নেই। পরে ডা.সামন্ত লাল সেনকে ফোন করি বিষয়টি দেখার জন্য। তিনি জানান, ইতোমধ্যেই মুক্তামনিকে বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। তখন তাকে বলি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মুক্তামনির চিকিৎসার যাবতীয় দায়িত্ব নিয়েছেন, তার চিকিৎসায় যেন কোনও ঘাটতি না থাকে।’
বিরল রোগে আক্রান্ত সাতক্ষীরার ১১ বছরের মুক্তামনিকে মঙ্গলবার সকালে ঢামেকের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। তার এক হাত ফুলে গিয়ে দেহের চেয়েও ভারি হয়ে গেছে। সাদা রঙের শত শত পোকা ঘুরে বেড়াচ্ছে সেই ফুলে যাওয়া অংশে। শরীরের অসহ্য ব্যথা ও যন্ত্রণায় মুক্তামনি বসতেও পারে না। খেলতে পারে না, স্কুলেও যেতে পারে না সে।

মঙ্গলবার মুক্তামনিকে ভর্তি করার পর বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল বলেন, ‘আমরা মেয়েটির রোগের নাম এই মুহূর্তে বলতে পারছি না। তবে এটি একটি ইনফেক্টেড কেস। আজ তার সব ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। বুধবার (১২ জুলাই)এর রিপোর্ট নিয়ে আলোচনা করে আমরা একটা সিদ্ধান্তে আসব। বুধবারই হয়তো তার রোগের কারণ জানা যাবে।’

মুক্তামনির চিকিৎসার জন্য ৮ সদস্যের একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। মেডিক্যাল বোর্ডের সদস্যরা হলেন- বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন, ইউনিটের বর্তমান পরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ, একই ইউনিটের চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. সাজ্জাদ খন্দকার, ঢামেক হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশিদ আলাম, মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা. টিটু মিয়া, বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. রায়হানা আউয়াল ও ঢামেক হাসপাতালের চর্মরোগ বিভাগের চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. রাশেদ মোহাম্মদ খান।
এ বিষয়ে ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন,‘আজকে আমরা মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করেছি। মুক্তার চিকিৎসা সবকিছু এই বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী হবে। আজই আমরা তার সব ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করব।’ তিনি আরও বলেন, ‘মুক্তামনি রক্তশূন্যতা ও পুষ্টিহীনতায় ভুগছে। তাকে রক্ত ও পুষ্টিকর খাবার দিতে হবে। অপারেশনের জন্য তাকে উপযুক্ত করতে দুই-তিন সপ্তাহ সময় লাগবে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ডেস্ক রিপোর্ট : গত মে মাসের প্রথম দিকে সাতক্ষীরা-০৪ আসনের সংসদ সদস্য জগলুল হায়দারের মাটির টুকরি মাথায় এবং শ্রমিকদের সাথে ভাত খাওয়ার একটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। ফেসবুকে এটিতে লাইক দিয়েছেন অনেকে। শেয়ার হয়েছে অনেকবার। তার এ ধরনের ছবি নিয়মিত প্রকাশিত হচ্ছে ফেসবুকে। এসব নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে নানা ধরনের মন্তব্য করছেন ফেসবুক ব্যবহারকারীরা।
এর কিছুদিন পর আওয়ামী লীগের আরেকজন সংসদ সদস্য এবং দলের প্রচার সম্পাদক হাছান মাহমুদ তার নির্বাচনী এলাকায় মাটি কাটছেন, এমন ছবি ফেসবুকে ভাইরাল হয়।
এর পর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলকের রিক্সা চালানোর ছবি দেখা গেল ফেসবুকে। এটিও ভাইরাল!
সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ছবি কি কেবলই কৌতুকের জন্য, নাকি আগামী নির্বাচন সামনে রেখে তৃণমূল পর্যায়ে জনসংযোগ বাড়ানোর লক্ষ্যে একটি সচেতন কৌশল?
আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্যরা মনে করেন, সাধারণ মানুষের সাথে তারা কতটা আন্তরিকভাবে মিশতে পারেন এগুলো তার উদাহারণ। কিন্তু তাদের সমালোচকরা বলছেন এসব প্রচারণার একটি অংশ।
সম্প্রতি আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য এবং নেতাদের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড ফেসবুকে তুলে ধরার একটি জোর প্রচেষ্টা দেখা যাচ্ছে। অনেকে মনে করেন নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে তারা তত বেশি সক্রিয় হচ্ছেন।
কয়েক মাস আগে আওয়ামী লীগের গবেষণা সংস্থা সিআরআই-এর তরফ থেকে একটি ওয়ার্কশপ আয়োজনের মাধ্যমে সংসদ সদস্যদের ফেসবুকে সক্রিয় হবার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। এর পর থেকে দেখা যাচ্ছে দলটির নেতারা নানাভাবে নিজেদের ফেসবুকে তুলে ধরার চেষ্টা করছেন।
সংসদ সদস্য জগলুল হায়দার বিবিসিকে বলেন, “আমি দুইবার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলাম। তখন থেকে সাধারণ মানুষের সাথে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। আমি প্রথম ২০১৪ সালে একটি ভাঙ্গা বাঁধ মেরামতের কাজ শুরু করি। কিন্তু সে সময় মিডিয়া বিষয়টা তেমনভাবে প্রচার করেনি। আমি এর মধ্যে কোন রাজনীতি খুঁজি না এবং এর মধ্যে আমার কোন দূরভিসন্ধিও নাই।”
আওয়ামী লীগ মনে করে বর্তমান সময়ে সংবাদপত্র কিংবা টেলিভিশনের তুলনায় ফেসবুকের মাধ্যমে মানুষের কাছে দ্রুত এবং কার্যকরীভাবে পৌঁছানো সম্ভব। সেজন্য ফেসবুকে সংসদ সদস্যদের সক্রিয় হবার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। কিন্তু মাটি কাটা কিংবা রিক্সা চালানোর বিষয়টিকে তারা প্রচারনার অংশ হিসেবে বর্ণনা করতে চান না।
আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক এবং সংসদ সদস্য হাছান মাহমুদ বিবিসিকে বলেন, সম্প্রতি চট্টগ্রাম অঞ্চলে ঝড় এবং বৃষ্টিপাতের কারণে তার নির্বাচনী এলাকায় ২৮জন মানুষ নিহত এবং ১২৪টি রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাস্তা সংস্কারের জন্য নেতা কর্মীদের উৎসাহ দিতে তিনি নিজে মাটি কাটতে নেমেছেন বলে জানান হাছান মাহমুদ।
মাহমুদ বলেন, “রাস্তা মেরামতের কাজ তাদের নয়। রাস্তা মেরামতের কাজ সরকারী বিভিন্ন সংস্থার। কিন্তু এ কাজে আমাদেরও যে অংশগ্রহণ করা প্রয়োজন, সেটি বোঝানোর জন্যই আমি নেতা-কর্মীদের সাথে নিয়ে ব্যাপক পরিকল্পনার অংশ হিসেবে উদ্বোধন করেছিলাম।”
মাহমুদ দাবী করেন, তিনি মাটি কাটার পর সে কাজ এখনো চলমান আছে। সেজন্য বিষয়টিকে ফেসবুক প্রচারণার অংশ বলে মনে করেন না তিনি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং রাজনীতি বিশ্লেষক আসিফ নজরুল মনে করেন, আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা বিভিন্নভাবে ফেসবুকে নিজেদের তুলে ধরার চেষ্টা করছেন।
অধ্যাপক নজরুল নিজেও ফেসবুকে বেশ সক্রিয় এবং তার তিন লাখের বেশি ফলোয়ার আছে। তিনি প্রতিনিয়িত ফেসবুক ব্যবহারকারীদের মনোভাব বোঝার চেষ্টা করেন। আওয়ামী লীগ নেতাদের ফেসবুক প্রচারণার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ” এটার কতটা ইতিবাচক ফল হবে আর কতটা নেতিবাচক ফল হবে সেটা বলা সম্ভব না।”
তিনি করেন, যে সংসদ সদস্যের সাথে তাঁর নির্বাচনী এলাকার জনগণের ভালো যোগাযোগ আছে, তিনি যদি ফেসবুক কাজে লাগিয়ে প্রচারণা করেন তাহলে সেটি হয়তো ভালো প্রভাব ফেলবে।
কিন্তু জনগণের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ততা না থাকলে শুধু ফেসবুক প্রচারণা কতটা কাজে দেবে সে বিষয়ে সন্দিহান অধ্যাপক নজরুল।
সূত্র : বিবিসি বাংলা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest