সর্বশেষ সংবাদ-
কালিগঞ্জে মৎস্য ঘেরে বিষ প্রয়োগ- ২০ লাখ টাকার ক্ষতিসাংবাদিক শরীফুল্লাহ কায়সার সুমনের সুস্থতা কামনায় প্রেসক্লাবের বিবৃতিচ্যানেল ওয়ানে জাকিরের নিয়োগ : প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের অভিনন্দনসাতক্ষীরা’র শ্যামনগরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সংঘর্ষে আহত ১৪কালিগঞ্জে বিএনপির সভাপতির বিরুদ্ধে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে সম্পত্তি দখল ও লুটপাটের অভিযোগসাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনসাতক্ষীরায় মেডিকেল ভ্যালু ট্রাভেল খাতে জ্ঞান বিনিময়-কৌশলগত সহযোগিতার সেমিনারসাতক্ষীরায় জলবায়ু সহনশীলতায় নারী নেতৃত্বের ভূমিকা বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালাশ্যামনগরে সুপেয় পানির সংকট তুলে ধরতে দৌড়ে অংশ নিল ২ শতাধিক মানুষসাতক্ষীরায় হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন’র উদ্বোধন

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা ও সিনিয়র হোয়াইট হাউজ উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনার কাতারের সবচেয়ে ধনী ব্যবসায়ীদের একজনের কাছ থেকে ৫০ কোটি মার্কিন ডলারের ঋণ পেতে ব্যর্থ হওয়ার পরপরই দেশটির বিরুদ্ধে শ্বশুরকে কঠোর ব্যবস্থা নিতে চাপ দেয়া শুরু করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

পরপর ঘটা এ দু’টো ঘটনাকে যুক্ত করে দুয়ে দুয়ে চার মেলাচ্ছেন অনেকেই। বিশ্লেষকদের মতে, কুশনারের রিয়েল এস্টেট সংক্রান্ত বিভিন্ন লেনদেন এবং ট্রাম্পের আন্তর্জাতিক ইস্যুজনিত জটিলতার মধ্য দিয়ে অন্তত এটুকু বোঝা যায়, ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যেই অসংখ্য স্বার্থের অন্তর্দ্বন্দ্ব রয়েছে।

ব্রিটিশ দৈনিক ইন্ডিপেন্ডেন্ট জানায়, রিয়েল এস্টেট ব্যবসার প্রথম দিকে কুশনার ব্যবসার উদ্দেশ্যে নিউইয়র্কের ৬৬৬ ফিফথ অ্যাভিনিউয়ে ১৮০ কোটি মার্কিন ডলার দিয়ে একটি বাড়ি কিনেছিলেন। ওই সময় এত বেশি অর্থের বিনিময়ে একটি ভবন কেনা সেটাই প্রথম।

বর্তমানে ভবনটির এক-চতুর্থাংশেরও বেশি অফিস স্পেস খালি আছে। নিউইয়র্ক টাইমসের দেয়া তথ্য অনুসারে, গত বেশ কয়েক বছর ধরে ভবনটি থেকে যে আয় হয় তা এর জন্য নেয়া ঋণ শোধ করার জন্য যথেষ্ট নয়। এ কারণে কুশনার কোম্পানিজ এই মাল্টিমিলিয়ন-ডলার ঘাটতি বিভিন্নভাবে চাপা দিতে বা পুষিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছে।কাতার-জ্যারেড কুশনার

২০১৫ সালে একদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প জোরেসোরে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছিলেন, অন্যদিকে জ্যারেড কুশনার তার বাবার সঙ্গে মিলে ডকবতে থাকা প্রপার্টিটাকে বাঁচাতে চেষ্টা করছিলেন। একটা সময় বাপ-ছেলে মিলে কাতারি বিলিওনিয়ার শেখ হামাদ বিন আবদুল্লাহ আল-থানিকে (এইচবিজে) সম্ভাব্য বিনিয়োগকারী হিসেবে চিহ্নিত করেন।

দ্য ইন্টারসেপ্ট জানায়, আলোচনার পর এইচবিজে শতকোটি ডলারের এই প্রকল্পে ৫০ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করতে রাজি হন। কিন্তু শর্ত রাখেন, প্রকল্পের বাকি অর্থ কুশনার কোম্পানিজকে নিজে নিজে যোগাড় করতে হবে।

বাকি অর্থের ব্যবস্থা করতে কুশনারের এই রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠান চীনের আনব্যাং ইনস্যুরেন্স কোম্পানির শরণাপন্ন হলে কোম্পানিটি চলতি বছরের মার্চের শুরুর দিকে ৪শ’ কোটি ডলারের নির্মাণ ঋণ দিতে রাজি হয়। কিন্তু নবগঠিত ট্রাম্প প্রশাসনের মাঝে স্বার্থের দ্বন্দ্ব দেখে কয়েক সপ্তাহ পরই সরে পড়ে।

আনব্যাংয়ের সমর্থন হারানোর কারণে কুশনার কোম্পানি এইচবিজে’র দেয়া শর্ত পূরণে ব্যর্থ হয়। ইন্ডিপেন্ডেন্ট জানায়, কাতারের সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র অনুসারে ওই বিলিওনিয়ার ঋণচুক্তিটি বাতিল করে দেন। তবে অন্য আরেকটি শর্ত বলেছে, তিনি চুক্তিটি আপাততঃ স্থগিত রাখেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কবি, প্রাবন্ধিক ও রাজনৈতিক ভাষ্যকার ফরহাদ মজহার অপহৃত হওয়ার ঘটনায় চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া থেকে এক নারীকে ঢাকায় এনে জবানবন্দি নেওয়ার ব্যবস্থা করল পুলিশ। জবানবন্দিতে ওই নারী বলেছেন, তাঁর জন্য ‘টাকা সংগ্রহ’ করতে ওই দিন ফরহাদ মজহার বাসা থেকে বেরিয়েছিলেন।

গতকাল দুপুরে ঢাকার মহানগর হাকিম সত্যব্রত শিকদারের কাছে ওই নারী জবানবন্দি দেন। জবানবন্দিতে তিনি বলেন, তাঁর বাড়ি পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায়। তবে তিনি ওই জেলার দক্ষিণ সোনাখালীতে থাকেন। ডিবি পুলিশ চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় এক আত্মীয়ের শ্বশুরবাড়ি থেকে সোমবার তাঁকে ঢাকায় নিয়ে আসে।

জবানবন্দিতে ওই নারী বলেন, ২০০৬ অথবা ২০০৭ সালের মাঝামাঝি ফরহাদ মজহারের এনজিও উবিনীগে তিনি চাকরি পান। সেখানে ফরহাদ মজহারের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। পরে তিনি ফরহাদ মজহারের ভক্ত হন। তিনি বলেন, ফরহাদ মজহার তাঁকে প্রয়োজন মোতাবেক মাসে ১০-১২ হাজার টাকা করে দিতেন। গত ১৬ এপ্রিল তিনি ফরহাদ মজহারের কাছে টাকা চান। গত ৩ জুলাই ফরহাদ মজহার তাঁকে ফোন করে বলেন, তাঁর টাকা জোগাড় করার জন্য তিনি বেরিয়েছেন। এরপর ১১টার দিকে তিনি ফরহাদ মজহারকে ফোন করে জিজ্ঞেস করেন, তিনি অপহৃত হয়েছেন কি না। ফরহাদ মজহার ভালো আছেন বলে তাঁকে জানান। সন্ধ্যা সাতটার দিকে তিনি তাঁকে ফোন করে একটি অ্যাকাউন্ট নম্বর চাইলে তিনি তাঁকে ডাচ্-বাংলার অ্যাকাউন্ট নম্বর দেন। ফরহাদ মজহার তাঁকে দুটি নম্বর থেকে ১৫ হাজার টাকা পাঠান।

ওই নারীর জবানবন্দির ব্যাপারে জানতে চাইলে ফরহাদ মজহারের স্ত্রী ফরিদা আখতার বলেন, ‘সংবাদকর্মীদের কাছে থেকে এটা শুনে আমি হতভম্ব। এটা অবিশ্বাস্য। আগে যা শুনেছি আর এখন যা শুনছি, তার মধ্যে কিছুই মিলছে না। অপহরণের ঘটনাটিকে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য এটা করা হতে পারে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

‘রিভলবার রানি’ সিনেমার মতোই মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে উত্তর প্রদেশের বুন্দেলখন্ডে এক নারী বিয়ের আসর থেকে বরকে তুলে নিয়ে যান। দাবি, ওই বর অশোক যাদবের সঙ্গে তাঁর প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। গত মে মাসের ঘটনায় আটক হয়ে ছিলেন ওই নারী। প্রেমিকের বিয়ে ভেঙে দিয়ে এখন তাঁর সঙ্গেই ঘর বেঁধেছেন ২৫ বছরের বর্ষা সাহু নামের দুর্ধর্ষ প্রেমিকা।

হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে জানানো হয়, বর অপহরণের ঘটনায় মামলা, আটক ও জামিনের ঝক্কি সামলে গত রোববার রাজ্যের হামিরপুরের একটি মন্দিরে বিয়ে করেন অশোক ও বর্ষা। বিয়েতে শতাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন। আট বছর ধরে অশোক ও বর্ষার মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল।

বিয়ের দিন বর্ষা হলুদ শাড়ি পরে কনে সেজেছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমি ভীষণ আনন্দিত। এই দিনটির জন্য আমাকে অনেক সংগ্রাম করতে হয়েছে। প্রথমে বিয়ের আসর থেকে অশোককে অপহরণ করতে হয়েছে। পরে হামিরপুর জেলা কারাগার থেকে তাঁকে মুক্ত করে নিয়ে আসতে হয়েছে।’

প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত ১৫ মে বিয়ের আসর থেকে অশোক অপহরণ হওয়ার পর তাঁর বিরুদ্ধে একটি প্রতারণার মামলা হয়। বুন্দেলখন্ডের ভবানী গ্রামে যে মেয়ের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হওয়ার কথা ছিল, তাঁরাই ওই মামলা করেন। এ মামলায় হামিরপুর জেলা কারাগারে আটক থাকার পর গত শুক্রবার জামিনে মুক্তি পান অশোক। মুক্তির দিন কারাগারের বাইরে অপেক্ষায় ছিলেন প্রেমিকা বর্ষা। পরে সেখানেই তাঁরা ঘোষণা দেন, শিগগির বিয়ে করতে যাচ্ছেন তাঁরা।

প্রতিবেদনে বলা হয়, অশোক ও বর্ষার বিয়ের পুরো আয়োজন সম্পন্ন করে শিবসেনার স্থানীয় একটি ইউনিট। রাজ্যের শিবসেনা সভাপতি রতন ব্রহ্মচারী ঘোষণা দিয়েছেন, তাঁরা একটি সংস্থা খুলতে যাচ্ছেন। প্রেমিকদের কাছে থেকে প্রতারিত হওয়া মেয়েদের সহায়তা দেবে ওই সংস্থা।

রতন ব্রহ্মচারী বলেন, ‘আমাদের সংস্থার নাম হবে “রিভলবার রানি”। এই সংস্থার প্রধান হবেন বর্ষা। প্রতারণা করা প্রেমিকদের সঙ্গে মেয়েদের আবার সম্পর্ক তৈরি করতে এই সংস্থা কাজ করবে।’

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিয়ের দিন অশোক ও বর্ষা রীতি অনুযায়ী শত শত মানুষের সামনে মালাবদল করেন ও সাত পাক ঘোরেন। অপহরণের পর অশোকের পরিবার বর্ষার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ না আনলেও অশোকের জামিন নিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে বর্ষা নিজেই অশোকের জামিনের ব্যবস্থা করেন। বিয়ের অনুষ্ঠানে বর্ষার স্বজনেরা উপস্থিত থাকলেও অশোকের পরিবারের কেউ উপস্থিত ছিলেন না।

১৫ মে রাতে দামি ব্র্যান্ডের একটি গাড়ি নিয়ে বিয়ের আসরে ঢোকেন বর্ষা। তাঁর সঙ্গে দুজন যুবকও ছিলেন। বর অশোকের মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে তিনি বলেন, ‘এই লোকটা আমাকে ভালোবাসে, কিন্তু অন্য একজনকে বিয়ে করে সে আমার সঙ্গে প্রতারণা করছে। আমি এটা হতে দেব না।’ পরে অশোককে গাড়িতে তুলে নিয়ে যান তিনি। ঘটনার ৪৮ ঘণ্টা পর দুজনকেই পুলিশ আটক করে।

এ সময় বর্ষা পুলিশকে বলেছিলেন, ওই রাতে তিনি (বর) গাড়ির কাচে টুকটুক শব্দ করেন। এরপর দরজা খুললে নিজের ইচ্ছাতেই গাড়িতে ওঠেন। এই বিয়েতে তিনি রাজি ছিলেন না। ওই মেয়েকে বিয়ের জন্য প্রস্তুতও ছিলেন না। মেয়ের পরিবার জানত যে ছেলে অন্য একজনকে ভালোবাসেন। কিন্তু তাদের ভাষ্য, তাদের মেয়ে পরিস্থিতি সামলে নেবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) পদে আপাতত রদবদল হচ্ছে না। বর্তমান আইজিপি এ কে এম শহীদুল হক এই পদে থাকছেন। আগামী বছরের জানুয়ারিতে তাঁর অবসরে যাওয়ার কথা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, গত বৃহস্পতিবার আইজিপি বদলের প্রাথমিক প্রক্রিয়া শুরু হলেও পুলিশ ও সরকারের ভেতরে একটি অংশের আপত্তির কারণে তা আর এগোয়নি।
জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেন, আইজিপি বদলের আলোচনা শুরু হয়েছিল এটা ঠিক, তবে সেটা আর কার্যকর হয়নি। এটা আপাতত হচ্ছেও না। কেন হঠাৎ করে আইজিপি বদলের আলোচনা শুরু হলো? জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গুরুত্বপূর্ণ পদের কর্মকর্তাদের নিয়ে আলোচনা হতেই পারে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাও বলেছেন, তিনিও মনে করেন এখনই আইজিপি বদল হচ্ছে না। বর্তমান আইজিপি এ কে এম শহীদুল হক অবসরে যাওয়া পর্যন্ত এই পদে থাকছেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানায়, গত বুধবার সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে নতুন আইজিপির ব্যাপারে প্রস্তাব তৈরি করতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে বলা হয়। সে অনুযায়ী পুলিশের বিশেষ শাখার অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক জাবেদ পাটোয়ারীর নাম আইজিপি হিসেবে প্রস্তাব করা হয়। এই প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠানোর আগেই ফাঁস হয়ে যায়। এরপর শুরু হয় নানা গুঞ্জন। পুলিশ ও সরকারের ভেতরেও এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। পুলিশ কর্মকর্তাদের একটি অংশ এই প্রস্তাবের বিরোধিতায় নামে। এর সঙ্গে সরকারের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি যুক্ত হন। গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এ নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনার একপর্যায়ে প্রক্রিয়াটি থেমে যায়।
জানতে চাইলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মোজাম্মেল হক খান বলেন, আইজিপি বদল হচ্ছে কি না, সেটা তাঁর জানা নেই।
পুলিশ সদর দপ্তরের একাধিক কর্মকর্তা বলেন, বর্তমান আইজিপি শহীদুল হক ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর বর্তমান পদে যোগ দেন। তিনি স্বাভাবিক অবসরে যাবেন আগামী বছরের ৩১ জানুয়ারি। এরপর যাঁকে এই পদে নিয়োগ দেওয়া হবে, তিনি আগামী জাতীয় নির্বাচন পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করতে পারেন। এ জন্য পরবর্তী আইজিপি কাকে করা হবে, সেটা সরকারের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান আইজিপির মতো জাবেদ পাটোয়ারীও বিসিএস ১৯৮৪ ব্যাচের কর্মকর্তা। তাঁর স্বাভাবিক অবসরে যাওয়ার কথা ২০২০ সালের এপ্রিলে।
সূত্র : প্রথম আলো

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

গুঞ্জন ছিল আগে থেকেই। এবার তা সত্যে রূপ নিলো। বিপিএলের আসন্ন মৌসুমে চিটাগং ভাইকিংস ছেড়ে রংপুর রাইডার্সে নাম লেখালেন ক্রিকেটের ছোট ফরম্যাট টি-টোয়েন্টির অন্যতম তারকা ক্রিকেটার ক্রিস গেইল। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দলটির প্রধান নির্বাহী ইশতিয়াক সাদেক।

গেইলকে চুক্তিবদ্ধ করার প্রসঙ্গে ইশতিয়াক সাদেক জানান, ইতোমধ্যে আমরা বিপিএলের জন্য গেইলের সাথে চুক্তি করেছি। তবে ব্যস্ত মৌসুম থাকার ফলে তাকে পুরো টুর্নামেন্টে পাওয়া দুষ্কর। আমরা যদি কোয়ালিফাই করি তাহলে ২-৪ ম্যাচের জন্য তাঁকে বিপিএলে দেখা যাবে।

 এদিকে আসন্ন মৌসুমে শুরুর আগেই চমক দেখানো শুরু করেছে রংপুর রাইডার্স। আর চমকটা শুরু হয়েছিল মালিকানা বদলের মাধ্যমে। রংপুরের মালিক এখন বসুন্ধরা গ্রুপ। দলকে শক্তিশালী ভীত এনে দেয়ার লক্ষ্যে এবার তারা চুক্তি করেছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের অস্ট্রেলিয়ান কোচ টম মুডির সঙ্গে।

শুধু কোচ কেন, দেশি-বিদেশি তারকা ক্রিকেটারের সমাবেশ ঘটিয়ে চমক দিতে যাচ্ছে রংপুর রাইডার্স। বিদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে শ্রীলঙ্কান অলরাউন্ডার থিসারা পেরেরার সঙ্গে থাকছেন দুই ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটার স্যামুয়েল বদ্রি এবং জনসন চার্লসও। ইংল্যান্ডের অলরাউন্ডার রবি বোপারা খেলবেন এ দলের হয়ে। সঙ্গে ফ্রাঞ্চাইজিটি চেষ্টা চালাচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকার পেস অলরাউন্ডার ক্রিস মরিসকে দলে নেয়ার।

দেশি তারকাদের মধ্যে রংপুর রাইডার্স স্পিনার আরাফাত সানি, পেসার রুবেল হোসেনকে রেখে দিচ্ছে। এছাড়া আইকন হিসেবে নাসির হোসেনকে দলে নেওয়ার চেষ্টা করছে দলটি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বর্ষা মৌসুম চলছে। এ সময় ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ বেড়ে নানা রোগব্যাধি দেখা দিতে পারে। শরীর কতটা সুস্থ থাকবে, তা এ সময় খাদ্যাভ্যাসের ওপর নির্ভর করে। তাই বর্ষা মৌসুমে বাজার থেকে সঠিক সবজি বাছাই করে কেনা জরুরি। এ সময় বাজারে বেশ কিছু নতুন সবজি পাওয়া যায়। সেখান থেকে উপযোগী সবজি বেছে নিতে পারেন। বিশেষজ্ঞরা পুষ্টিমান বিবেচনায় মৌসুমি সবজি খেতে পরামর্শ দেন।

ভারতের পুষ্টিবিদ সিমরান সাইনির মতে, বর্ষার মৌসুম ভালো। তবে এ সময় সবুজ পাতাযুক্ত শাকসবজিতে বেশি ব্যাকটেরিয়া থাকে বলে তা না কেনাই ভালো। এতে নানা স্বাস্থ্য সমস্যা তৈরি হয়। এ সময় শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর দিকে গুরুত্ব বেশি দিতে হয়। কারণ, যেকোনো সময় অসুস্থ হওয়ার আশঙ্কা থাকে। পুষ্টিকর শাকসবজি খেলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে।

বর্ষার সময় খাওয়ার উপযোগী কয়েকটি সবজি সম্পর্কে জেনে নিন:

লাউ: বর্ষার সময় সেরা ও স্বাস্থ্যকর সবজি বিবেচনা করা হয় লাউকে। এতে দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় রূপে প্রচুর ডায়েটারি আঁশ থাকে। ফলে পরিপাক নালি ভালো থাকে। এ ছাড়া এতে আয়রন, ভিটামিন বি, সি থাকে, যা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টকে কার্যকরে সাহায্য করে। এ ছাড়া কম ক্যালরির খাবার হিসেবে পেট হালকা রাখে লাউ। লাউয়ে প্রচুর পানি থাকায় দেহের পানির পরিমাণ ঠিক রাখতে সাহায্য করে। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে, ত্বকের স্বাভাবিক ঔজ্জ্বল্য বজায় রাখে এবং ডায়রিয়ায় পানিশূন্যতা দূর করতে সাহায্য করে। এতে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস থাকায় দাঁত ও হাড়কে মজবুত করে।

করলা: করলা তেতো হলেও অনেকের প্রিয় সবজি। ভাজি, ভর্তা আর ব্যঞ্জনে করলার কদর অনেক। মানবস্বাস্থ্যের জন্য এই সবজির উপকারী গুণও কম নয়। এটি ভিটামিন সি ভর্তি, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এটি বর্ষার মৌসুমে শরীর সুস্থ রাখতে দারুণ উপকারী। পুষ্টিবিদদের তথ্য অনুযায়ী, নিয়মিত করলা খেলে রোগবালাই থাকে ১০০ হাত দূরে। এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের দূষণ দূর করে। হজমপ্রক্রিয়ায় গতি বাড়ায়। পানির সঙ্গে মধু ও করলার রস মিশিয়ে খেলে অ্যাজমা, ব্রংকাইটিস ও গলার প্রদাহে উপকার পাওয়া যায়। করলার রস শক্তিবর্ধক হিসেবেও কাজ করে। এটি স্ট্যামিনা বাড়ানোর পাশাপাশি ভালো ঘুমে সহায়তা করে।

পটোল: বর্ষার মৌসুমে শরীর সুস্থ রাখতে বেশি করে পটোল খেতে পারেন। বর্ষার মৌসুমে সর্দি-জ্বর, কাশি, মাথাব্যথার সমস্যা দেখা দেয়। পটোল খেলে এসব সমস্যা দূর হয়। এতে প্রচুর অ্যান্টিঅ্যাক্সিডেন্ট, ভিটামিন এ ও সি আছে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। পটোলে ফাইবার থাকে, যা খাদ্য হজমে সাহায্য করে। পটোলে ক্যালরির পরিমাণ কম থাকে। তাই ওজন কমানোর জন্য নিশ্চিন্তে পটোলের তরকারি খেতে পারেন। এটি পেট ভরা রাখতে ও ক্ষুধা কমাতে সাহায্য করে।

আলু: বর্ষার সময় আলু খাওয়া নিরাপদ। এতে ব্যাকটেরিয়া কম থাকে। গোল আলু ও মিষ্টি আলু উভয়ই খাওয়া যায়। মিষ্টি আলুতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ ও প্রচুর আঁশ আছে। গোল আলুতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে। পটাশিয়ামের পরিমাণ বেশি। গোল আলু খুব দ্রুত হজম হয় যেকোনো বয়সের মানুষের।

কাঁকরোল: ক্যাকটাসের মতো রঙিন সবজি কাঁকরোলের নানা গুণ। প্রোটিন, আয়রন ও আঁশে ভরা সবজি এটি। বর্ষার মৌসুমে পেট ঠিক রাখতে কাঁকরোল খুব ভালো সবজি। হজমপ্রক্রিয়া ঠিক রাখতে তাই এ সময় বেশি করে কাঁকরোল খেতে পারেন। কাঁকরোলে প্রচুর ভিটামিন ও মিনারেল থাকে, যা চোখের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। এ ছাড়া এতে কার্বোহাইড্রেট, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও এনজাইম থাকে।

সতর্কতা: বর্ষার মৌসুমে এসব সবজি কেনার পর অবশ্যই দু-তিনবার ভালো করে ধুয়ে তারপর রান্না করতে হবে। এতে জীবাণু বা কোনো রাসায়নিক থাকলে তা দূর হবে। মনে রাখতে হবে, এ সময় যা খাবেন তা যেন অবশ্যই পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত হয়। তা না হলে বিপদ। এ সময় বাইরের খাবার বিশেষ করে ফুটপাতের ভাজাপোড়া যতটা পারেন কম খাবেন। তা না হলে পেটের পীড়ায় ভুগতে হতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সর্বশেষ অনুষ্ঠিত জি-২০ সম্মেলনে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ঘিরে থাকা বিশ্বনেতাদের ভাইরাল হওয়া ছবিটি আসল নয়। ফেসবুক টুইটারসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবিটি নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা।

ছবিতে দেখা যায়, দুই পাশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান তার দিকে গভীর মনযোগে তাকিয়ে আছেন। পুতিনের ঘাড়ের উপর ঝুঁকে আছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত কাভুসগলু। ঠিক পেছনে জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেলও পুতিনের দিকে তাকিয়ে আছেন। যেন খুব গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা চলছে এবং সবাই পুতিনের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছেন।

বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় একটি দৈনিকসহ কয়েকটি গণমাধ্যমে জি-২০ সম্মেলনের ছবি হিসেবে এই ছবিটি প্রকাশ করা হয়।

কিন্তু সেই ছবিটি ভুয়া। আসল ছবিটিতে চেয়ারটি ফাঁকা। ফটোশপের মাধ্যমে সেখানে পুতিনের ছবি বসানো হয়েছে। ফাঁকা চেয়ারটি যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী টেরিজা মে’র জন্য নির্ধারিত আসন। ছবিটি জি-২০ সম্মেলনের প্রথম দিন শুক্রবার তোলা হয়েছিল।

সোশ্যাল মিডিয়াতে অনেকে অভিযোগ করেছেন, রাশিয়ার গণমাধ্যম ছবিটি বিকৃত করে পুতিনকে মাঝে বসিয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

জম্মু-কাশ্মিরে অমরনাথ যাত্রায় সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় সাত তীর্থযাত্রী নিহত হয়েছে। এদের মধ্যে ছয়জনই নারী। সোমবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৮টায় অনন্তনাগে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় কমপক্ষে আরো ১৯ জন আহত হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে জম্মু-কাশ্মিরে এটাই সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা।

তীর্থযাত্রা শেষে ফেরার সময় তীর্থযাত্রীদের বহনকারী একটি বাস লক্ষ্য করে গুলি চালায় সন্ত্রাসীরা। পাহালগাম থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরের একটি মন্দিরে ওই তীর্থযাত্রার আয়োজন করা হয়েছিল।

 মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, আমাদের মূল্যবোধ এবং সংস্কৃতির ওপর এটা একটি আকস্মিক হামলা। অপরাধীদের কোনো ভাবেই ছেড়ে দেয়া হবে না বলে নিশ্চিত করেন তিনি। অনন্তনাগের স্থানীয় হাসপাতালে আহতদের দেখতে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

এদিকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক টুইট বার্তায় জম্মু ও কাশ্মীরের শান্তিপূর্ণ অমরনাথ যাত্রার ওপর নিষ্ঠুর হামলায় ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করেছেন। ভারত কখনো এমন কাপুরুষোচিত হামলার কাছে মাথা নত করবে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest