সর্বশেষ সংবাদ-
দৈ‌নিক পত্রদূ‌ত সম্পাদক স. ম আলাউদ্দী‌নের ৩১তম হত্যা দিব‌স উপলক্ষে আলোচনাসভাশ্যামনগরে মালঞ্চ নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যুকালীগঞ্ঞ্জের মথুরেশপুর ইউনিয়নের দুদলী বিএনপি অফিসের সামনে থেকে দুটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধারসাতক্ষীরা জেলা পরিষদের লাইসেন্স পাইয়ে দিতে ঘুষ দাবির অভিযোগ : উচ্চমান সহকারী রাকেশের বিরুদ্ধে তদন্ত সম্পন্নসাতক্ষীরায় নাগরিক সংলাপ: ‘আমরা আর ডুবতে চাই না, এখনই সম্ভাব্য জলাবদ্ধতা নিরসনের উদ্যোগ নিন’সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া অফিসারের অপসারণ দাবিতে নারী খেলোয়াড়দের মানববন্ধনসাতক্ষীরা পুলিশ কর্তৃক উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন ও বিকাশের টাকা প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তরসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভাশ্যামনগরে দুই সাংবাদিকে হত্যার হুমকি ও মিথ্যা মামলা প্রতিবাদে মানবন্ধনশ্যামনগরে অবৈধ বালু উত্তোলনের সময় বাল্কহেড জব : দুইজনের কারাদণ্ড

ঈদের ছুটি ৩ দিনই থাকছে

ঈদুল ফিতরের ছুটি তিনদিনই বহাল থাকছে। এবারের ঈদে আশা করা হয়েছিল সরকারি ছুটি তিনদিন থেকে বাড়িয়ে ছয়দিন করা হবে। কিন্তু সেই সুখবর আর পেলেন না সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

সোমবার জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব উপস্থাপনের কথা ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা হয়নি।

মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেন, ছুটি বাড়ানোর বিষয়ে আজকের বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়নি। ফলে আপাতত ঈদের সরকারি ছুটি তিনদিনই থাকছে।

তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ছয়দিনের ছুটির প্রস্তাবটি অনুমোদন হলে আগামী ২৮ ও ২৯ জুন সরকারি ছুটি হতো। কিন্তু ২৮ জুন সংসদে ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পাস হওয়ার কথা রয়েছে। তাই গুরুত্বপূর্ণ এ সময়ে এ সিদ্ধান্ত নেয়নি সরকার।

ঈদে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি তিনদিন থেকে দ্বিগুণ করার বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রলালয় থেকে মন্ত্রিসভায় পাঠানো সারসংক্ষেপে বলা হয়, ঈদের ছুটির সময় যানবাহনের ওপর মাত্রাতিরিক্ত চাপ, দুর্ঘটনা বৃদ্ধিসহ দীর্ঘ ট্রাফিক জ্যামের সৃষ্টি হয়। ঈদের ছুটি শেষে অফিস খোলার পরবর্তী দু-একদিন কর্মচারীদের উপস্থিতি কম থাকে। তা সত্ত্বেও অফিসের ইউটিলিটি সার্ভিস, লিফট, গাড়ি চালু রাখতে হয়। ফলে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও প্রয়োজনীয় জিনিসের সর্বোচ্চ ব্যবহার হয়।

এজন্য পবিত্র ঈদুল ফিতর ও আজহার তিনদিনের ছুটির সঙ্গে নৈমিত্তিক ছুটি ২০ দিনের পরিবর্তে ১৪ দিন রেখে বাকি ছয়দিন দুই ঈদের সঙ্গে তিনদিন করে সমন্বয় করা যায়। অন্য ধর্মাবলম্বীরা ঈদের ছুটি ভোগ করেন বিধায় তাদের প্রধান দুটি ধর্মীয় উৎসবের সরকারি ছুটির সঙ্গে দু’দিন করে চারদিন ঐচ্ছিক ছুটি দেয়া হবে। ফলে বিভিন্ন পর্বের জন্য বিদ্যমান ছুটির ভারসাম্য বজায় থাকবে। এতে যানবাহনের ওপর চাপ, যানজট ও দুর্ঘটনা হ্রাস পাবে। ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফিরে আসার প্রবণতা বৃদ্ধি পাবে।

প্রস্তাব অনুসারে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বাৎসরিক ২০ দিনের নৈমিত্তিক ছুটি থেকে ছয়দিন কেটে নিয়ে দুই ঈদের ছুটির সঙ্গে তিনদিন করে যুক্ত করে ঈদের ছুটি বৃদ্ধি করা হবে। এ ছুটির সঙ্গে কাউকে ঐচ্ছিক ছুটি দেয়া হবে না। এছাড়া অন্য ধর্মাবলম্বীরা ঈদের ছুটি ভোগ করে বিধায় তাদের প্রধান দুটি ধর্মীয় উৎসবে সরকারি ছুটির সঙ্গে দুদিন করে চারদিন ঐচ্ছিক ছুটি দেয়া হবে।

গত কয়েক বছর ধরে ঈদের ছুটি বাড়ানো নিয়ে বিতর্ক চলছে। গত বছর ঈদের ছুটি বাড়িয়ে তা আবার সাপ্তাহিক ছুটি শনিবারের সঙ্গে সমন্বয় করা হয়। তখন অনেকেই বদলি ছুটির পরিবর্তে নৈমিত্তিক ছুটির সঙ্গে সরকারি ছুটি সমন্বয়ের তাগিদ দেন।

বিশ্বের অনেক দেশেই ধর্মীয় বা জাতীয় উৎসবে দীর্ঘ ছুটি দেয়ার রেওয়াজ রয়েছে। ঈদে ছুটি বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন সময় পুলিশের পক্ষ থেকে সরকারকে প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। তাদের যুক্তি হচ্ছে, মাত্র তিনদিন ছুটি থাকায় একসঙ্গে প্রচুর লোক ঢাকা ও বিভিন্ন শহর থেকে গ্রামের উদ্দেশে রওনা হন। এতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এ সময় ঘরমুখো মানুষ নানা হয়রানির মুখে পড়েন। অবশেষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ইনোভেশন টিম থেকে ঈদের ছুটি দ্বিগুণের প্রস্তাব করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারতকে গুঁড়িয়ে চ্যাম্পিয়ন পাকিস্তান

দুই দলের প্রথম দেখায় ব্যাটে-বলে সুবিধা করতে না পারা পাকিস্তান হেরেছিল বড় ব্যবধানে। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে নিয়েছে মধুর প্রতিশোধ। শিরোপাধারীদের বিধ্বস্ত করে প্রথমবারের মতো জিতেছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির শিরোপা।

ফাইনালে ক্যারিয়ার সেরা ব্যাটিংয়ে ফখর জামান আর শেষের ঝড়ে মোহাম্মদ হাফিজ দলকে এনে দিয়েছিলেন বিশাল সংগ্রহ। জিততে রেকর্ড গড়তে হতো ভারতকে, অসাধারণ বোলিং করা মোহাম্মদ আমির, জুনায়েদ খান, হাসান আলিরা তার ধারে কাছে যেতে দেননি বিরাট কোহলির দলকে।

এক পেশে ফাইনালে উজ্জ্বীবিত পাকিস্তান জিতেছে ১৮০ রানে। ওয়ানডেতে রানের দিক থেকে চির প্রতিদ্বন্দ্বীদের বিপক্ষে এটাই তাদের সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয়। আগের সেরা ছিল ২০০৫ সালে দিল্লিতে ১৫৯ রানের জয়।

লন্ডনের ওভালে রোববার টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ৪ উইকেটে ৩৩৮ রান করে পাকিস্তান। কোনো টুর্নামেন্টের ফাইনালে এটাই তাদের সর্বোচ্চ রান। ওয়ানডেতে আগে ব্যাট করে এটাই ভারতের বিপক্ষে তাদের সর্বোচ্চ রান। এর আগে দুইবার ৩২৯ রান করেছিল পাকিস্তান।

শিরোপা ধরে রাখতে পাকিস্তানের বিপক্ষে নিজেদের সর্বোচ্চ রান তাড়া, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে সর্বোচ্চ রান তাড়া আর ইংল্যান্ডের মাটিতে নিজেদের সর্বোচ্চ রান তাড়ার রেকর্ড গড়তে হতো ভারতকে। ব্যাটিং ব্যর্থতায় লক্ষ্য ছোঁয়ার আশাও জাগাতে পারেনি। ৩০ ওভার ৩ বলে গুটিয়ে যায় ১৫৮ রানে।

চোট কাটিয়ে ফেরা বাঁহাতি পেসার আমির শুরুতেই কাঁপিয়ে দেন ভারতকে। লক্ষ্য তাড়ায় পথ দেখাতে দলটি তাকিয়ে ছিল ছন্দে থাকা টপ অর্ডারের তিন ব্যাটসম্যানের দিকে। তাদের দ্রুত বিদায় করে কাজটা ভীষণ কঠিন করে তুলেন আমির।

তৃতীয় বলেই এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন রোহিত শর্মাকে। পরের ওভারে আমির শিকার আরও বড়। লক্ষ্য তাড়ার মাস্টার ব্যাটসম্যান কোহলিকে ফেরান মাত্র ৫ রানে। আগের বলেই ফিরতে পারতেন ভারতের অধিনায়ক, স্লিপে তার ক্যাচ জমাতে পারেননি আজহার আলি। পরের বলে ব্যাটের কানায় লেগে ক্যাচ যায় পয়েন্টে।

দুই সঙ্গী দ্রুত বিদায়ে সবে ডানা মেলতে শুরু করেছিলেন টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক শিখর ধাওয়ান। তাকে সরফরাজের গ্লাভসবন্দি করে ম্যাচ প্রায় মুঠোয় নিয়ে নেন আমির।

৩৩ রানে টপ অর্ডারের তিন ব্যাটসম্যানকে হারানো ভারত তাকিয়ে ছিল দুই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান যুবরাজ সিং ও মহেন্দ্র সিং ধোনির দিকে। দলের বিপদে ত্রাতা হতে পারেননি তারা।

লেগ স্পিনার শাদাব খানের বলে রিভিউ নিয়ে যুবরাজকে বিদায় করে পাকিস্তান। হাসান আলিকে উড়ানোর চেষ্টায় সীমানার কাছে ধরা পড়েন ধোনি। ১৮ বছর বয়সী লেগ স্পিনার শাদাবের দ্বিতীয় শিকার কেদার যাদব।

হার্দিক পান্ডিয়ার ছক্কা বৃষ্টিতে সপ্তম উইকেটে ৯.৩ ওভারে রবীন্দ্র জাদেজা সঙ্গে গড়ে উঠে ৮০ রানের জুটি। পাকিস্তানের স্পিনারদের দিশেহারা করে দেওয়া পান্ডিয়া ফিরেন ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট হয়ে। ক্ষোভ-হতাশা নিয়ে ফেরা অলরাউন্ডারের ৪৩ বলে খেলা ৭৬ রানের বিধ্বংসী ইনিংসটি গড়া ৬টি ছক্কা ও ৪টি চারে।

এরপর আর বেশিদূর এগোয়নি ভারতের সংগ্রহ। মাত্র ৬ রানে দলটি হারায় শেষ ৪ উইকেট।

দুই পেসার আমির ও হাসান নেন তিনটি করে উইকেট। দুটি উইকেট শাদাবের।

এর আগে বোলারদের লড়াইয়ের পুঁজি এনে দেওয়ার পথে পাকিস্তানের শুরুটা ছিল সতর্ক। দুই ব্যাটসম্যানকে বেধে রেখেছিলেন ভুবনেশ্বর কুমার। তার ৫ ওভারের প্রথম স্পেলে ডট ছিল ২৩টি। জাসপ্রিত বুমরাহর এলোমেলো বোলিংয়ের সঙ্গে ভাগ্যেরও খানিকটা সহায়তা পেয়েছিল পাকিস্তান।

৩ রানে ক্যাচ দিয়েও নো বুমরাহর ‘নো’ বলের কল্যাণে বেঁচে যান জামান। আজহার আলির সঙ্গে গড়েন ২৩ ওভারে ১২৮ রানের চমৎকার এক জুটি। দুই বিশেষজ্ঞ স্পিনার রবিন্দ্র জাদেজা ও রবীচন্দ্রন অশ্বিনকে দুই জনে খেলেছেন খুব সহজে।

আইসিসি টুর্নামেন্টে ভারতের বিপক্ষে এটাই পাকিস্তানের শতরানের প্রথম উদ্বোধনী জুটি। ১৯৯৬ সালে সাঈদ আনোয়ার, আমির সোহেলের ৮৪ ছিল আগের সেরা।

ভুল বোঝাবুঝিতে ভাঙে পাকিস্তানের উদ্বোধনী জুটি। ৬টি চার আর একটি ছক্কায় ৫৯ রান করে ফিরেন আজহার। তার বিদায়ের পর রানের গতি বাড়ানোর দিকে মনোযোগ দেন জামান।

দ্বিতীয় উইকেটে বাবর আজমের সঙ্গে গড়েন ৭২ রানের দারুণ এক জুটি। ৬০ বলে অর্ধশতক স্পর্শ করা জামান তিন অঙ্কে যান ৯২ বলে। শেষ পর্যন্ত ১০৬ বলে ফিরেন ১২টি চার আর তিনটি ছক্কায় ১১৪ রান করে। ওয়ানডেতে বাঁহাতি উদ্বোধনী ব্যাটসম্যানের এটাই প্রথম শতক।

শুরুতে আঁটসাঁট বোলিং করা ভুবনেশ্বরকে উড়ানোর চেষ্টায় ফিরেন শোয়েব মালিক। আগের ম্যাচে বাংলাদেশের দুই থিতু ব্যাটসম্যানকে বিদায় করে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া অনিয়মিত স্পিনার কেদার যাদবের এবার শিকার বাবর। টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান ফিরেন চারটি চারে ৪৬ রান করে।

পাকিস্তান ইনিংসের তখনও ৭.৩ ওভার বাকি। অবাক করে দিয়ে অধিনায়ক সরফরাজের জায়গায় ব্যাটিংয়ে আসেন ইমাদ ওয়াসিম। প্রমোশন পাওয়া এই অলরাউন্ডার মোহাম্মদ হাফিজের সঙ্গে অবিচ্ছিন্ন পঞ্চম উইকেটে গড়েন ৭১ রানের জুটি।

৩৪ বলে অর্ধশতক পাওয়া হাফিজ অপরাজিত ৫৭ থাকেন রানে। ৩৭ বলে খেলা তার ঝড়ো ইনিংসটি গড়া ৪টি চার আর তিনটি ছক্কায়।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

পাকিস্তান: ৫০ ওভারে ৩৩৮/৪ (আজহার ৫৯, জামান ১১৪, বাবর ৪৬, মালিক ১২, হাফিজ ৫৭*, ওয়াসিম ২৫*; ভুবনেশ্বর ১/৪৪, বুমরাহ ০/৬৮, অশ্বিন ০/৭০, পান্ডিয়া ১/৫৩, জাদেজা ০/৬৭, কেদার ১/২৭)

ভারত: ৩০.৩ ওভারে ১৫৮ (রোহিত ০, ধাওয়ান ২১, কোহলি ৫, যুবরাজ ২২, ধোনি ৪, কেদার ৯, পান্ডিয়া ৭৬, জাদেজা ১৫, অশ্বিন ১, ভুবনেশ্বর ১*, বুমরাহ ১; আমির ৩/১৬, জুনায়েদ ১/২০, হাফিজ ০/১৩, হাসান ৩/১৯, শাদাব ২/৬০, ওয়াসিম ০/৩, জামান ০/২৫)

ফল: পাকিস্তান ১৮০ রানে জয়ী

ম্যান অব দ্য ম্যাচ: ফখর জামান

ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট: হাসান আলি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
লন্ডনে মসজিদে গাড়ি হামলায় বাংলাদেশি নিহত

যুক্তরাজ্যের উত্তর লন্ডনে মসজিদের কাছে পথচারীদের ওপর গাড়ি উঠিয়ে দেয়ার ঘটনায় নিহত ব্যক্তি বাংলাদেশি বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানিয়েছে টেলিগ্রাফ।
প্রত্যক্ষদর্শীদের একজনের ভাতিজা সুলতান আহমেদ জানান, নিহত ব্যক্তি ছিলেন একজন বয়স্ক বাংলাদেশি। তিনি সেভেন সিস্টার্স রোডে অবস্থিত মুসলিম ওয়েলফেয়ার মসজিদে রোববার সন্ধ্যায় ইফতার শেষে মাগরিবের নামাজ পড়তে গিয়েছিলেন।
সুলতান আহমেদ বলেন, ‘আমার চাচা মাত্র মসজিদ থেকে বের হয়ে এগোচ্ছিলেন। এমন সময় তার সামনে থাকা একজন বয়স্ক লোক অসুস্থ হয়ে মাটিতে পড়ে যান। তখন সেখানে থাকা মুসল্লিদের অনেকেই ওই লোকের চারপাশে ভীড় করেন তাকে সাহায্য করার জন্য। ঠিক সেই সময়েই ওই ভীড়ের ওপর উঠে পড়ে গাড়িটি।’
কাভার্ড ভ্যানের ওই অতর্কিত হামলায় মাটিতে শুয়ে থাকা বৃদ্ধ সাথে সাথেই মারা যান বলে জানান সুলতান আহমেদ। চাচার বক্তব্যের বরাতে তিনি জানান, হামলাকারী গাড়িচালক ‘আমি সব মুসলিমকে হত্যা করতে চাই’ বলেও চিৎকার করছিল।
অন্য কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, হামলা চালানো ওই ভ্যানটি নামাজ শেষ করে লোকজন বের হওয়ার অপেক্ষায় বেশ কিছুক্ষণ ধরেই রাস্তার এক পাশে পার্ক করা ছিল।
এ ঘটনায় আহত হয়েছে ১০ জন। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মে একে ‘সম্ভাব্য সন্ত্রাসী হামলা’ হিসেবে দেখে কাজ করতে লন্ডন পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন।

লন্ডন মেট্রোপলিটান পুলিশ জানায়, রোববার স্থানীয় সময় রাতে উত্তর লন্ডনে ফিন্সবারি পার্ক মসজিদের কাছে ১০-১৫ জন পথচারীর ওপর দ্রুত গতিতে একটি কাভার্ড ভ্যান গাড়ি উঠে যায়। এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়। রোববার দিবাগত রাত ১২.২০-এ পুলিশকে খবর দেয়া হয়।
তারপর থেকেই নিরাপত্তার স্বার্থে ঘটনাস্থলে অবস্থান করছে পুলিশ।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, হামলার সময়টায় রাস্তায় বহু মানুষের ভীড় ছিল।মনে করা হচ্ছে, হামলার শিকার বেশিরভাগ মানুষই সারাদিনের রোজা শেষে ইফতার করে মাগরিবের নামায আদায় করতে মসজিদে গিয়েছিলেন এবং নামায শেষে সেখান থেকে ফিরছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নিবন্ধিত হতে হবে সকল অনলাইন গণমাধ্যমকে

জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালার খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়।
বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের বলেন, দেশের সব অনলাইন গণমাধ্যমকে নিবন্ধিত হতে হবে এবং সম্প্রচার মাধ্যমের (বেতার, টেলিভিশন) মতো অনলাইন গণমাধ্যমও দেখভাল করবে সম্প্রচার কমিশন। অনলাইন গণমাধ্যমে কমিশনের নিকট থেকে নিবন্ধন নিতে হবে। তবে পত্রিকার অনলাইন ভার্সনের জন্য আলাদাভাবে নিবন্ধন করতে হবে না। নিবন্ধন ফি কত হবে তা কমিশন নির্ধারণ করবে।
তিনি বলেন, নতুন করে প্রায় ১৮০০ অনলাইন গণমাধ্যম নিবন্ধনের আবেদন করেছে। তবে ১৯৭৩ সালের আইন অনুযায়ী যেসব অনলাইনের নিবন্ধন আছে তাদের নতুন করে আর নিবন্ধন নেয়ার প্রয়োজন নেই।
নীতিমালায় বলা হয়েছে, অপরাধ নিবারণ ও নির্ণয়ে অথবা অপরাধীদের দণ্ড বিধানে নিয়োজিত সরকারি কর্মকর্তাদের হাস্যকর করে এবং তাদের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করে এমন তথ্য প্রচার করা যাবে না। সশস্ত্র বাহিনী এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত দায়িত্বশীল অন্য কোনো বাহিনীর প্রতি কটাক্ষ, বিদ্রূপ বা অবমাননা করা যাবে না।
এ ছাড়া রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে এমন তথ্য ফাঁস করা যাবে না। ধর্মীয় মূল্যবোধে আঘাত সৃষ্টি করতে পারে, আইন-শৃঙ্খলা ভঙ্গ করতে উৎসাহ প্রদান করতে পারে এবং আইন-শৃঙ্খলা ভঙ্গের প্রতি সহানুভূতি সৃষ্টি করে এমন ধরনের তথ্য ও উপাত্ত প্রচার করা যাবে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শেখ হাসিনা সরকার শিক্ষার প্রতি সর্ব্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে- শিক্ষাবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে এমপি রবি

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরা সদর উপজেলার গরীব ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে শিক্ষা বৃত্তি প্রদান করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে সদর উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে সদর উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নূর হোসেন সজলের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে সদর উপজেলার গরীব ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে শিক্ষা বৃত্তি বিতরণ করেন সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। এসময় তিনি বলেন, ‘শিক্ষা হচ্ছে জাতির অধিকার। শিক্ষাকে আমরা সব থেকে বেশি গুরুত্ব দিই। শিক্ষা ছাড়া দেশ এগোতে পারে না। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকার বিএ, এমএ এমনকি পিএইচডি পর্যন্ত বৃত্তির ব্যবস্থা করেছে। বঙ্গবন্ধু সারাজীবন ক্ষুধা-দারিদ্র মুক্ত বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছেন। আমরা সেই ক্ষুধা-দারিদ্র মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে চাই। এ জন্যই আমরা শিক্ষাকে বেশি গুরুত্ব দিই।’
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান বাবু। এসময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. জাহিদুল ইসলাম, সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. নজরুল ইসলাম, সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. জালাল উদ্দিন প্রমুখ। সাতক্ষীরা সদর উপজেলার গরীব ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে শিক্ষা বৃত্তি প্রদান -২০১৭ অনুষ্ঠানে প্রাথমিকস্তর, মাধ্যমিকস্তর ও কলেজ পর্যায়ে ১ শ’ জন ছাত্র- ছাত্রীর মাঝে ৪ হাজার টাকা হিসাবে মোট ৪ লক্ষ টাকা বিতরণ করা হয়। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সদর উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আবুল হোসেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সংবাদ প্রকাশের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চোরাচালানী চক্রের ৬৭ লক্ষাধিক টাকার ভারতীয় মালামাল ধরা পড়ল

হাসান হাদী: ডেইলি সাতক্ষীরা ও আজকের সাতক্ষীরায় দেবহাটার কোমরপুর নিমতলার চোরাচালানী ঘাট নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের ২৪ঘণ্টার মধ্যে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় চোরাচালানী পণ্য আটক হয়েছে।
পারুলিয়া এলাকা থেকে ৬৭ লাখ ৩২ হাজার ৮’শ টাকার ভারতীয় শাড়ি, থ্রিপিচ ও পাঞ্জাবীসহ বিভিন্ন মালামাল জব্দ করেছে বিজিবি সদস্যরা। রোববার গভীর রাতে দেবহাটা উপজেলার পারুলিয়া ঘোষপাড়া পাকা রাস্তার পার্শ্ব থেকে উক্ত মালামাল গুলো জব্দ করা হয়। জব্দকৃত মালামালের মধ্যে রয়েছে, ভারতীয় উন্নত মানের ৮০ পিচ থ্রি পিছ, ৭৬ পিচ পাঞ্জাবী, ৬৪০ মিটার থান কাপড়, ইমিটেশনের ৩৭০ টি গলার হার, ৬১০ জোড়া কানের দুল, ৪২২ জোড়া কানের ফুল, ৭৬০ টি চুলের ক্লিপ, ৭০ টি আংটি, ৫৬ জোড়া নুপুর, ১২৪০ টি গলার চেইন, ৯ হাজার ২০০ জোড়া হাতের চুড়ি, ১৫২ পিচ জোড়া হাতের পলা, ১২৭২ পিচ চশমা। তবে, এ ঘটনায় বিজিবি কোন চোরাকারবারীকে আটক করতে সক্ষম হননি।
বিজিবি জানায়, দেবহাটা সীমান্ত এলাকা থেকে ট্রাক ভর্তি বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মালামাল আনা হচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৩৮ বিজিবির আওতাধীন বাঁকাল চেক পোস্টের হাবিলদার মোঃ হাবিবুল্লাহ আল বাকীর নেতৃত্বে একটি টহল দল রোববার গভীর রাতে দেবহাটা উপজেলার পারুলিয়া ঘোষপাড়া পাকা রাস্তার পর্শ্বে অভিযান চালায়। এ সময় সেখান থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৬৭ লাখ ৩২ হাজার ৮’শ টাকার উক্ত মালামাল গুলো জব্দ করা হয়। পরে মালামাল গুলো সাতক্ষীরাস্থ শুল্ক গুদামে জমা করা হয়।
বিজিবি ৩৮ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল আরমান হোসেন পিএসসি এ ঘটনা নিশ্চিত করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাবের ইফতার মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি, কালিগঞ্জ : কালিগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাবের ইফতার মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠান ২২ রমজান সোমবার বিকেলে উপজেলা অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছে। রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি অধ্যাপক নিয়াজ কওছার তুহিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্জ নজরুল ইসলাম। প্রধান অতিথি বলেন, দেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে সাংবাদিকবৃন্দ বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকেন। তাদের ক্ষুরধার লেখনিতে সমাজ থেকে অন্যায় অত্যাচার অনিয়ম দুর হয়। তিনি সাতক্ষীরার বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনাগুলো চিহিৃত করে ইলেকট্রোনিক্স ও প্রিন্ট মিডিয়ার মাধ্যমে জাতির কাছে তুলে ধরার পাশাপশি এগুলো সমাধানের উপায় সম্পর্কে মতামত প্রকাশের জন্য সাংবাদিকদের প্রতি আহবান জানান।
রিপোর্টার্স ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক এসএম গোলাম ফারুক ও অর্থ সম্পাদক গাজী মিজানুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি, ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এসএম জগলুল হায়দার, কালিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কালিগঞ্জ ইউনিটের কমান্ডার আলহাজ্জ্ব শেখ ওয়াহেদুজ্জামান, কালিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার গোলাম মাঈনউদ্দিন হাসান, দৈনিক আজকের সাতক্ষীরা পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হাফিজুর রহমান মাসুম, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড সাতক্ষীরা জেলা ইউনিটের সদস্য সচিব ও জেলা মহিলা আ. লীগের যুগ্ম-সম্পাদক লায়লা পারভীন সেঁজুতি, কালিগঞ্জ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মীর্জা সালাহ্উদ্দীন, কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) লস্কর জায়াদুল হক, জেলা পরিষদ সদস্য এসএম আসাদুর রহমান সেলিম, জেলা পরিষদ সদস্য নুরুজ্জামান জামু, কুশলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার শেখ মেহেদী হাসান সুমন, শ্যামনগর প্রেসক্লাবের সভাপতি জিএম আকবর কবীর প্রমুখ।
রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শেখ ইকবাল আলম বাবলু’র সার্বিক ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তারালী ইউপি চেয়ারম্যান এনামুল হোসেন ছোট, ধলবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্জ্ব গাজী শওকাত হোসেন, চাম্পাফুল ইউপি চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক গাইন, মথুরেশপুর ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান গাইন, কাটুনিয়া রাজবাড়ী ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল ওহাব, উপজেলা প্রকৌশলী সাহাবুল আলম, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম, ইসলামী ব্যাংক কালিগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক মো. মজিবুর রহমান, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন কমিটি কালিগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি অধ্যাপক সনৎ কুমার গাইন, সাধারণ সম্পাদক ডা. মিলন কুমার ঘোষ, দেবহাটা প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব আর কে বাপ্পা, সাংবাদিক জিএম আব্বাস উদ্দীন, শ্যামনগর প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক হাজী মুরাদ, সাবেক সহ-সভাপতি মোস্তফা কামাল, কুশলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি কাজী কাহফিল অরা সজল, দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি গোবিন্দ মন্ডল, ধলবাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সজল মূখার্জী, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক তানভীর আহম্মেদ উজ্জ্বল, উপজেলা তরুণ লীগের সভাপতি শেখ শাহজালাল, জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি জাহিদ হাসান, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি নাজমুল আহছান, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি গৌতম কুমার লস্কার, সহ-সভাপতি শাওন আহম্মেদ সোহাগ, বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতবৃন্দ, সাংবাদিক, এনজিও প্রতিনিধি ও স্থানীয় সুধীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। দোয়ানুষ্ঠান পরিচালনা করেন উপজেলা পরিষদ জামে মসজিদের খতিব মাওলানা আকরাম হুসাইন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জেলা আ. লীগের সভাপতির উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক : পবিত্র মাহে-রমজানের নাজাতের ২২তম দিনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সাতক্ষীরা জেলা শাখার উদ্যোগে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ৬৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার ২২ রমজানে শহরের তুফান কনভেনশন সেন্টার এন্ড রিসোর্টে -এ জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুনসুর আহমেদ এর সভাপতিত্বে ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। তিনি ইফতারের আগে প্রতিটি টেবিল ঘুরে ঘুরে দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং উপস্থিত সর্বস্তরের মানুষের সাথে পবিত্র মাহে রজমানের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। ইফতার মাহফিলে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সহকারী পুলিশ সুপার মেরিনা আক্তার, জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মফজুলার রহমান খোকন, যুগ্ম সম্পাদক সৈয়দ ফিরোজ কামাল শুভ্র, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক সরদার মুজিব, প্রচার সম্পাদক শেখ নুরুল হক, জেলা আওয়ামীলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক পিপি এড. ওসমান গণি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এড. স.ম গোলাম মোস্তফা, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক এনামুল হক বিশ্বাস, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক মো. আব্দুল গণি, সাংগঠনিক সম্পাদক জাফরুল আলম বাবু, জেলা আওয়ামীলীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ হায়দার আলী তোতা, সাবেক দপ্তর সম্পাদক আজিবর রহমান প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য প্রণব ঘোষ বাবলু, জাফর রহমান বাবলু, মমতাজুন্নাহার ঝর্ণা, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কোহিনুর ইসলাম, জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান সৈয়দ আমিনুর রহমান বাবু, জেলা পরিষদের সদস্য এড. শাহনওয়াজ পারভীন মিলি, সদস্য এপিপি এড. অব্দুল লতিফ, ডা. মুনসুর আহমেদ, এড. শহিদুল ইসলাম পিন্টু, সাঈদ মেহেদী, আতাউর রহমান দোলন, সরদার মুজিব, এড. আজহারুল ইসলাম, সাবেক জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমা›ন্ডার মীর মাহমুদ হাসান লাকী, মীর তানজীর আহমেদ, জেলা কৃষকলীগের সভাপতি বিশ্বজিৎ সাধু, সাধারণ সম্পাদক মন্জুর হোসেন, জেলা শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা এম.এ খালেক, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মো. আব্দুল্লাহ সরদার, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ নিজাম উদ্দিন, বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতা স্মৃতি সংসদের জেলা সভাপতি সৈয়দ জয়নুল আবেদীন জসি, ঘোনা ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ ফজলুর রহমান, জেলা শ্রমিকলীগ নেতা শেখ তহিদুর রহমান ডাবলু, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি শেখ মারুফ হাসান মিঠু, সাধারণ সম্পাদক মীর মোস্তাক আলী, পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি শেখ কামরুল হক চঞ্চল, সাধারণ সম্পাদক শেখ মুশফিকুর রহমান মিল্টন, খন্দকার আরিফ হাসান প্রিন্স, ইউপি সদস্য এস.এম রেজাউল ইসলাম, সাবেক ছাত্রলীগের সভাপতি কাজী আক্তার হোসেন, শহর স্বেচ্ছাসেবকলীগের আহবায়ক জিল্লুর রহমান, মাজহারুল আজমসহ জেলা, সদর, পৌর আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ, আওয়ামীলীগের সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ। মোনাজাতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তাঁর সহধর্মিণী বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবসহ ১৫ আগস্টের সকল শহীদ, শহীদ জাতীয় চার নেতা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সকল শহীদের রূহের মাগফেরাতও প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সুস্থ্যতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়। ইফতারের আগে দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি, শান্তি, উন্নয়ন ও সাফল্য কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন পুরাতন কোর্ট সমজিদের ইমাম হাফেজ ক্বারী শেখ ফিরোজ আহমেদ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর-রশিদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest