picture-tala-satkhira-03-01-17সেলিম হায়দার: রেশমা বেগম (১৫)। দুই বছরের ছেলে জিসানকে নিয়ে ইটের ভাটায় কাজ করছে সে। ছেলেকে কখনো কোলে, কখন কাঁধে নিয়ে চলছে তার কাজ। সাথে আছে ছোট ভাই মালেক (৬)। সেও ইট ভাটার শ্রমিক। ভাই-বোনে ১০ টাকা হাজার চুক্তিতে ইট উল্টানোর কাজ করছে ইটের ভাটায়। খেয়ে না খেয়ে দিন চলে রেশমা-মালেকের। যে বয়সে রেশমা ও মালেকের বিদ্যালয়ে থাকার কথা ছিল, তাদের কাঁধে এখন সংসারের বোঝা। যে হাতে রঙ-পেন্সিলে ছবি আঁকার কথা ছিল, সে হাতে উল্টাতে হচ্ছে ভাটার ইট। যে চোখ স্বপ্ন দেখতো এক সোনালী আগামীর, সে চোখ শুধুই রোজগারের পথ খুঁজে বেড়াচ্ছে। শৈশব-কৈশোরের উল্লাস-উচ্ছাসের আনন্দ ওদের কাছে মলিন হয়ে গেছে। এ বয়সেই তাদের সংসারের ঘানি টানতে হচ্ছে। রেশমা ও মালেক সাতক্ষীরার তালা উপজেলার জেঠুয়া গ্রামের কুদ্দুস শেখের মেয়ে ও ছেলে। হত দরিদ্র পরিবারে জম্ম তাদের। বাড়ির পাশর্^বর্তী গোনালী এলাকার আরবিএস ইটের ভাটায় ভাই-বোন মিলে এখন কাজ করছে। ঢাকার এক বাসায় গৃহকর্মীর কাজ করতো রেশমা। সেখানে কুমিল্লার ছেলে সবুজ ভুইয়ার সাথে পরিচয় হয় তার। পরিচয়ের পর গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক। তিন বছর আগে সবুজের সাথে বিয়ে হয় রেশমার। তাদের সাংসারিক জীবনে এক পুত্র সন্তানের জন্ম হয়। নাম তার জিসান (২)। কিন্তু পাঁচ মাস আগে রেশমার স্বামী ফেলে রেখে চলে যায় তার নিজ বাড়ি কুমিল্লায়। এখন কাজ না করলে কে দিবে তার ছেলে জিসানের মুখে ভাত এমন প্রশ্ন রেশমার। সোমবার (২ জানুয়ারী) বিকালে তালা উপজেলার গোনালী আরবিএস ইটের ভাটায় গিয়ে দেখা হয় রেশমার সাথে। ছেলে জিসান কখনও কোলে, কখন কাঁধে। কখনও পিঠে। আর ইট উল্টানোর কাজ তার। এক হাজার ইট উল্টালে পাবে ১০ টাকা। ছোট ছেলেকে নিয়ে কি করবে রেশমা। ভেবেই পারছে না সে। ছোট ভাই মালেক আর রেশমা মিলে ইট উল্টানো কাজ করছে। সাথে সহযোগীতা করছে তার বৃদ্ধ মা আনোয়ারা বেগম। রেশমা জানান, কাজ না করলে কে ক্ষেতে দিবে তাদের। স্বামী চলে গেছে প্রায় পাঁচ মাস। দরিদ্র বাবার সংসারে কত সময় বসে খাওয়া যায়। বাধ্য হয়ে ইটের ভাটায় কাজ নিয়েছি। ছোট ভাইকেও সাথে নিয়ে এসেছি। ও আমার সাথে যা সহযোগিতা করে তা অনেক। ছেলেকে মানুষের মত মানুষ করতে আজ কাজ বেছে নিয়েছি। কাজ করে ছেলেকে মানুষ করবো। ওর বাপ এখন আর কোন খোজ নেয় না। ছোট মালেকের কাছে প্রশ্ন তুমি স্কুলে যাও না ? উত্তরে মালেক বলে,‘আমি কাজ করছি দেখেন না। আপার সাথে কাজ করছি। কখন যাবো স্কুলে।’ রেশমার মা আনোয়ারা বেগম জানান, তার পাঁচ ছেলে মেয়ে। বড় মেয়ে বিয়ে দিয়েছেন। মেজো মেয়ে তার কাছে। ছোট মেয়ে ঢাকায় একটি বাসায় গৃহকর্মীর কাজ করে। দুই ছেলে আর মেজো মেয়ে আমার কাছে থাকে। ওর বাবা এখন আর কাজ করতে পারে না। অনেক কষ্টের মধ্যে দিন পার করতে হয় তাদের। কখনও খাওয়া হয়, কখনও খাওয়া হয় না। শ্রমিক সর্দ্দার ছাত্তার হোসেন জানান, ১০ টাকা হাজারে তারা ইট উল্টানোর কাজ করছে। সপ্তাহে তারা ৬০০/৭০০ টাকা পাবে। ওরা নতুন কাজ শুরু করেছে। সপ্তাহে ওদের টাকা পরিশোধ করা হবে। আরবিএস ভাটার মালিক মুন্না হোসেন জানান, তারা শ্রমিক সর্দার সাত্তারের সাথে চুক্তি করে কাজে এসেছে। কম-পেল কী বেশি পেল সেটা আমাদের বিষয় না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

স্বাস্থ্য ডেস্ক: অনেক সময় ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তের সুগার অনেক কমে গিয়ে হাইপোগ্লাইসেমিয়া হতে পারে। এ বিষয়ে কথা বলেছেন ডা. কমল কলি হোসেন। বর্তমানে তিনি চিকিৎসা বিজ্ঞানে উচ্চতর এমডি ডিগ্রি লাভ করেন। বর্তমানে তিনি ক্যালিফোর্নিায়াতে মেডিসিন বিভাগে প্রাইভেট প্র্যাকটিস করছেন।প্রশ্ন : অনেক দিন ধরে যারা ডায়াবেটিসে ভুগছে তাদের কিন্তু সুগার কমে যাওয়ার একটি বিষয় থাকে। হাইপোগ্লাইসেমিয়া হতে পারে। এই জিনিসটি কতখানি ঝুঁকিপূর্ণ এবং সেই ক্ষেত্রে করণীয় কী? উত্তর : এটা একদম সত্যি কথা। অনেক সময় হয়তো রোগী ওষুধটা খেল, হয়তো দৌড়াতে গেল, কিংবা কিছু খেল না, তখন অবশ্যই সুগার কমে যেতে পারে। সুগার কমে যাওয়ার প্রথম লক্ষণ হলো খারাপ লাগতে শুরু করবে। হয়তো অলসবোধ হবে একটু ঘাম হবে। আর সুগার যদি বেশি কমতে থাকে, তখন ঘাম হবে। ত্বকটা একটু সাদা হয়ে যাবে। অনেক সময় সুগার এত কমে যায় যে অজ্ঞান হয়ে যেতে পারে। তবে তার আগে হয়তো কথা বলতে একটু জড়তা আসবে। সেটা  বুঝতে হবে। যখনই একটু অস্থিরতা দেখা দেবে, কপাল একটু ঘা্মছে কিংবা তার মাথাব্যথা হচ্ছে, তাকে একটু অন্য রকম লাগছে, কিংবা একটু ঝিমিয়ে পড়ছে, তখনই সবাইকে জানতে হবে যে সুগারটা কমে গেলে কী করতে হবে। বেশি হলে কী করতে হবে? কী কী জটিলতা হবে? এটা কিন্তু একটি শিক্ষার বিষয়। ডায়াবেটিসের শিক্ষা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটা চিকিৎসার মধ্যেই পড়ে। কী কী খাবে সেটিও কিন্তু শিক্ষার আওতায় পড়ে। প্রশ্ন : তাৎক্ষণিকভাবে কী করতে হবে? উত্তর : যদি সম্ভব হয় সঙ্গে সঙ্গে একটু কমলার রস খাইয়ে দেবেন। আরেকটি হলো যারা ইনসুলিন নেয় তাদের কাছে একটি গ্লুকাগন ট্যাবলেট থাকতে পারে। ট্যাবেলটাও যদি মুখের ভেতর ঢুকিয়ে দেয়,তখন সুগারটা বাড়ে। তখন রোগী একটু কথা বলতে শুরু করে, সুগারটা বাড়ে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ক্রীড়া ডেস্ক: নিউজিল্যান্ডের সবচেয়ে বেশি ব্যাটিং সহায়ক উইকেট। ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি ম্যাচে নেপিয়ারের এ মাঠেই হয় সবচেয়ে বেশি রান। ১৮০-২০০ রানও নাকি এখানে নিরাপদ নয়। কিন্তু আজ বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের সময় মনে হচ্ছিল ভুল…সবই ভুল। ম্যাকলিন পার্কের উইকেটে ব্যাটিং করা আসলে খুব কঠিন। ব্যাটিং-স্বর্গ হিসেবে যে উইকেটের পরিচয়, সেখানে ৮ উইকেট হারিয়ে টেনেটুনে ১৪১ রান করলে এমন মনে হতে বাধ্য। ম্যাচের ফলাফল এরপর কি হতে পারে সেটা খেলা শেষ হওয়ার আগেই অনুমান করা গেছে। ৪৬ রানে ৩ উইকেট হারানোর সাময়িক ধাক্কা কাটিয়ে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে নিউজিল্যান্ড জিতেছে ৬ উইকেটে। বাংলাদেশের বোলিংয়ের সময় বলার মতো ঘটনা আছে হাতে গোনা। মোস্তাফিজুর রহমানের দু-একটি ভালো বলে ‘ইশশ…’ করে ওঠা আর আয়েশি ফিল্ডিংয়ের কারণে ফিল্ডারদের ‘হাফ চান্স’ হাতছাড়া করা। এর বাইরে নিউজিল্যান্ডের সামনে কোনো প্রতিরোধই গড়তে পারেনি বাংলাদেশ। অপরাজিত ৭৩ রান করে স্বাগতিক অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন বলতে গেলে একাই বের করে নিয়েছেন ম্যাচ। পঞ্চম উইকেটে তার আর কলিন ডি গ্র্যান্ডহোমের ৮১ রানের জুটিতেই দুই ওভার বাকি থাকতেই খেলা শেষ। উইকেটে বাউন্স ছিল স্বাভাবিক, ব্যাটে বল এসেছে শট খেলার প্রলোভন জাগিয়ে। তেমন মুভমেন্টও ছিল না। কিন্তু শট নির্বাচনে বিচক্ষণতা তো থাকতে হবে! ফুলটস বলে ক্যাচ দিয়ে আসলে উইকেট ঘাসের হলেই কি আর সিমেন্টের হলেই কি! নিউজিল্যান্ডের দুই অভিষিক্ত খেলোয়াড়ই এই সুযোগে নিয়ে নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিয়েছেন ৫ উইকেট। বেন হুইলার দুটি ও লকি ফার্গুসন তিনটি। ফার্গুসনের প্রথম দুই উইকেট আবার সাব্বির রহমান ও সৌম্য সরকারকে পর পর ফিরিয়ে। ক্যারিয়ারের প্রথম দুই বলে পর পর দুই উইকেট এর আগে নিয়েছিলেন কেবল অস্ট্রেলিয়ার মাইকেল ক্যাসপ্রোভিজ। তাই বলে এমনটি ভাবার কারণ নেই যে নিউজিল্যান্ডের বোলাররা ভয়ংকর বল করেছেন। বাংলাদেশের ব্যাটিংটাই হয়েছে ভুলে ভরা। আবারও অদ্ভুত সব শট আর বাজে সব আউটে ব্যাটিং-স্বর্গে ধুঁকেছে তারা। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই ম্যাট হেনরির অফ স্টাম্পের ওপরের বলটা কবজি ঘুরিয়ে লেগ সাইডে খেলতে গেলেন ওপেনার ইমরুল কায়েস, কট বিহাইন্ড। তামিম হুইলারের শর্ট বলে পুল করতে গিয়ে লং লেগে ক্যাচ। সাব্বির তো ক্যাচ তুলে দিলেন ফুলটস বলেই। ফার্গুসনের পরের বলটা অবশ্য ভালো ছিল। ১৪৮ কিমি গতির বল, আউট সুইংও ছিল কিছুটা। উইকেটে এসে কিছু বুঝে ওঠার আগেই সৌম্যর ব্যাট ছুঁয়ে বল জমা পড়ে গালিতে দাঁড়ানো অ্যান্ডারসনের হাতে। ৩০ রানে চার উইকেট নেই। ম্যাকলিন পার্কের ব্যাটিং-স্বর্গ তখন ‘বধ্যভূমি’ বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের জন্য। মাহমুদউল্লাহ তবু আশা জাগিয়েছিলেন। সাত নম্বরে নেমে তিন ছক্কা আর তিন বাউন্ডারিতে ৪৭ বলে ৫২ রানের ইনিংসটি দিয়ে নিউজিল্যান্ডের দর্শকদেরও যথেষ্ট হাততালি পেলেন। ওয়ানডে সিরিজের তিন ম্যাচে মাত্র ৪ রান করে একটু যেন গুটিয়ে গিয়েছিলেন মাহমুদউল্লাহ। তবে খোলস ছেড়ে বের হতে খুব একটা সময় নেননি তিনি। সাকিব আল হাসানের সঙ্গে ৩৭ ও মোসাদ্দেকের সঙ্গে ৩২ রানের দুই জুটির সৌজন্যে মাহমুদউল্লাহই কিছুটা পথে নিয়ে আসেন বাংলাদেশের ইনিংস। ২০ তম ওভারে আউট হয়েছেন শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে। ধ্বংসস্তূপের মধ্যে তার লড়াই করে যাওয়া ‘সাবাসি’ পেল স্থানীয় দর্শকদেরও। এ ছাড়া তরুণ মোসাদ্দেকের ১৭ বলে ২০ রানের ইনিংসে মারা দুটি ছক্কাও বেশ বিনোদনদায়ী ছিল। প্রথমটি স্যান্টনারের ফুলটসে। লেগ স্টাম্প থেকে একটু বেরিয়ে মারা সে ছক্কাটি গেছে মিড উইকেট দিয়ে। পরের ওভারের প্রথম বলে ফার্গুসনকে কাভারের ওপর দিয়ে মারা দ্বিতীয় ছক্কাটিতেই অবশ্য বেশি আগ্রাসী মনে হয়েছে মোসাদ্দেককে। তবে ম্যাকলিন পার্কে নিউজিল্যান্ডকে হারাতে এসব যথেষ্ট ছিল না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ক্রীড়া ডেস্ক: মেয়েদের এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ ফুটবলের আঞ্চলিক বাছাইয়ে ইরানের সঙ্গে প্রথম ম্যাচে গোটা চারেক সহজ সুযোগ নষ্ট করেছিল ঢাকার বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে। গ্রুপ পর্বের পাঁচ ম্যাচে বাংলাদেশ প্রতিপক্ষের জালে ঢুকিয়েছিল ২৬ গোল। অথচ দলের অন্যতম স্ট্রাইকার সিরাত জাহান স্বপ্নার নামের পাশে কোনো গোলই ছিল না! মাত্র পাঁচ মাসেই যেন অনেক পরিণত রংপুরের এই ফুটবলার।শিলিগুড়ির কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়ামে সেই স্বপ্নার পায়েই ফুটছে স্বপ্নের ফুল। মেয়েদের সাফের প্রথম ম্যাচে আফগানিস্তানকে ৬-০ গোলে হারানোর দিনেও গোল ছিল স্বপ্নার। ভারতের সঙ্গে গ্রুপ পর্বে গোল না পেলেও খেলেছে দুর্দান্ত ফুটবল। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় মালদ্বীপের বিপক্ষে সেমিফাইনালে তো সব আলো টেনে নিল নিজের দিকেই। ছোটখাটো গড়নের কিশোরী স্বপ্না। মাঠে পায়ের কাজে প্রতিপক্ষকে ব্যতিব্যস্ত রাখলেও মাঠের বাইরে একেবারেই চুপচাপ। সেমিফাইনালে মালদ্বীপকে ৬-০ গোলে উড়িয়ে দেওয়ার ম্যাচে প্রথমবারের মতো হ্যাটট্রিক পেয়েছে আন্তর্জাতিক আসরে। সেই রোমাঞ্চ ছুঁয়ে গেলেও কথাবার্তায় যেন তার কোনো ছাপ নেই। বাংলাদেশকে ফাইনালে তোলার পর বলছিল, ‘দেশের হয়ে গোল করতে পেরেছি, প্রথমবার ফাইনালে উঠেছি, এ জন্য খুব ভালো লাগছে। আসলে এমন কোনো লক্ষ্য ছিল না যে আমিই গোল করব। যার কাছে বল দিলে গোল করাতে পারব, সেটাই চেষ্টা করেছি। কিন্তু অন্যদের চেয়ে আমিই বেশি বল পেয়েছি, সুযোগগুলোও কাজে লাগিয়েছি।’স্বপ্না, সাবিনা ও নার্গিস—এই ত্রয়ীয় আক্রমণে কাল দিশেহারা ছিল মালদ্বীপ। তিনজন একসঙ্গে এভাবে সাফল্য পাওয়ার রহস্যটাও জানালেন স্বপ্না, ‘আমরা অনেক দিন ধরে একসঙ্গে অনুশীলন করছি। এ জন্যই ওদের সবার সঙ্গে আমার দারুণ বোঝাপড়া। তা ছাড়া জাতীয় মহিলা চ্যাম্পিয়নশিপ ও বিজেএমসিতে সাবিনা আপুর সঙ্গে খেলেছি। আমাদের অনুশীলনের ধরনটাও একই।’প্রথম হ্যাটট্রিক-নায়িকা হওয়ার পর এটিকেই ক্যারিয়ারের সেরা ম্যাচ বলল স্বপ্না, ‘এটা আমার জীবনের স্মরণীয় ম্যাচ।’ তবে তিনি টুর্নামেন্ট স্মরণীয় করে রাখতে চায় ফাইনাল জিতে, ‘আমাদের প্রথম লক্ষ্য ছিল সেমিফাইনালে ওঠা। আপাতত সেটা পূরণ হয়েছে। এবার ফাইনাল খেলব। হতে পারে ভারত দক্ষিণ এশিয়ার সেরা দল, তাই বলে ওদের একটুও ছাড় দেব না।আল্লাহর রহমতে চ্যাম্পিয়ন হয়েই দেশে ফিরতে চাই।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

8ওয়ানডে সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার পর এবার বাংলাদেশের সামনে টি-টোয়েন্টি মিশন। নিউজিল্যান্ড সফরে ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে আজ সকালে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। প্রথম টি-টোয়েন্টির জন্য ঘোষিত ১৫ সদস্যের দল থেকে বাদ পড়লেন ওয়ানডে স্কোয়াডের মিরাজ ও তানভীর, ঢুকলেন তাইজুল ও শুভাগত হোম। ওয়ানডেতে প্রত্যাবর্তনের পর ২০ ওভারের সিরিজেও আছেন মুস্তাফিজুর রহমান।

প্রথম টি-টোয়েন্টির দল: মাশরাফি মর্তুজা (অধিনায়ক), তামিম ইকবাল, ইমরুল কায়েস, সৌম্য সরকার, সাব্বির রহমান, মাহমুদউল্লাহ, সাকিব আল হাসান (সহঅধিনায়ক), মোসাদ্দেক হোসেন, রুবেল হোসেন, তাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান, শুভাগত হোম, শুভাশীষ রায়, তাইজুল ইসলাম ও নুরুল হাসান সোহান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

2বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘কানাডাতে বেগমপল্লি তৈরি হচ্ছে। শুনতে পাই, ক্ষমতাসীনদের সহধর্মিণীরা সেখানে বাড়ি তৈরি করছেন। সিঙ্গাপুরে, ফ্ল্যাট তৈরি হচ্ছে, ব্যাংককে, মালয়েশিয়ায় হচ্ছে। এখন টাকা রাখার নাকি জায়গা নেই।’

সোমবার বিকেলে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় মির্জা ফখরুল ইসলাম এ কথা বলেন।

ফখরুল বলেন, আজ কেউ নিরাপদ নয়। গাইবান্ধায় সাঁওতালদের জমি দখলে কারা নেতৃত্ব দিল—স্থানীয় সাংসদ ও আওয়ামী লীগের নেতা। ভিডিওতে দেখলাম, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিজেরা আগুন দিচ্ছে। তাহলে মানুষ কোথায় যাবে, কার কাছে যাবে। নাসিরনগরে জমি দখল করার জন্য হিন্দুদের মন্দির-বাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হলো। সবই এ সরকারের আমলে।’

মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, বর্ডারে যখন গুলি হয়, ফেলানি ঝুলে থাকে, যখন তিস্তার পানি দেয় না; তখন প্রতিবাদ করে না। কিন্তু বিরোধীরা কথা বললেই তাদের গুলি করে।

জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান টি আই এম ফজলে রাব্বী চৌধুরীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন দলের মহাসচিব মোস্তফা জামাল হায়দার, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এস এম এম আলম, আহসান হাবীব, নওয়াব আলী আব্বাস, কাজী জাফরের বড় মেয়ে কাজী জয়া প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

5ভারতের সুপ্রিম কোর্ট রায় দিয়েছে, ভোট চাইবার সময় রাজনীতিকরা ধর্ম বা জাতপাতের ব্যবহার করতে পারবেন না। “নির্বাচনী প্রক্রিয়া একটি ধর্মনিরপেক্ষ তৎপরতা। এতে ধর্মের কোন ভূমিকা নেই,” আদালত তার রায়ে উল্লেখ করেন।

রায়ে আরো বলা হয় ধর্ম বা বর্ন প্রথাকে ব্যবহার করে ভোট চাওয়া নির্বাচনী আইনে দুর্নীতি বলে বিবেচনা করা হবে। এই ঐতিহাসিক রায়টি এমন এক সময়ে দেয়া হলো যখন আর কয়েক সপ্তাহ পর ভারতের উত্তর প্রদেশ রাজ্যে নির্বাচন হতে যাচ্ছে। পাশাপাশি পাঞ্জাব, উত্তরাখণ্ড, গোয়া এবং মনিপুরের রাজ্য বিধান সভাতেও নির্বাচন আসছে।

প্রধান বিচারপতি টিএস ঠাকুরের সভাপতিত্বে সুপ্রিম কোর্টের সাতজন বিচারকের একটি বেঞ্চ এই রায় প্রদান করেন।

মহারাষ্ট্র রাজ্যে ১৯৯০ সালে দায়ের করা এক মামলার শুনানির সময় এই বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। এই রায়ের মাধ্যমে সে দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার অবসান ঘটলো। তবে রায়টি সর্বসম্মত ছিল না। চারজন বিচারপতি রায়ের পক্ষে মতামত দেন। তিনজন বিচারপতি রায়ের সাথে একমত হতে পারেননি।

যে তিন বিচারপতি ভ্ন্নিমত প্রকাশ করেন, তারা বলেন যে ধর্ম, বর্ণ ইত্যাদি নিয়ে আলোচনার অধিকারকে সংবিধানে গ্যারান্টি দেয়া হয়েছে।

বিষয়টি সুরাহা করতে সংসদে আলোচনা করা উচিত বলে ঐ তিন বিচারক মনে করেন। ভারতের নির্বাচনে ধর্ম এবং জাতপাত অনেক সময়ই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বেশিরভাগ দলই প্রার্থী মনোনয়ন কিংবা প্রচারের সময় এই বিষয়গুলোকে বিবেচনার মধ্যে রাখে।বিবিসি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

rrrrr৪ লাখ ৯৭ হাজার ৬৭২ জন নতুন ভোটার নিয়ে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। সোমবার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপ কালে এ তথ্য জানান ইসির সচিব মোহাম্মদ আবদুল্লাহ।

তিনি বলেন, যেসব নাগরিকের ভোটার হওয়ার বয়স থাকা সত্ত্বেও বিভিন্ন কারণে ভোটার হতে পারেননি তাদেরকে ভোটার তালিকা হাল-নাগাদের আওতায় এনে খসড়া তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

সচিব বলেন, ২০১৫ সালে ১১ লাখ ২৬ হাজার ৬৫৫ জন নাগরিকের তথ্য নেয়া হয়। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ লাখ ৮১ হাজার ৯২৯ জন । আর ২০১৬ সালের ২৫ নভেম্বর থেকে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৩ লাখ ৭১ হাজার ১৭ জনের তথ্য নেয়া হয়। পুরুষ ভোটার ২ লাখ ২০ হাজার ৮৮৩ জন। মহিলা ১ লাখ ৫০ হাজার ১৩৪ জন।

মোহাম্মদ আবদুল্লাহ বলেন, সবমিলে মোট ১৪ লাখ ৯৭ হাজার ৬৭২ জন নতুন ভোটার নিয়ে খসরা ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে সোমবার। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৯ লাখ ২ হাজার ৮১২ জন। নারী ভোটার ৫ লাখ ৯৪ হাজার ৮৬০ জন।

এসব ভোটারের বিষয়ে দাবি আপত্তির শেষ তারিখ ১৭ জানুয়ারি, দাবি নিস্পত্তি ২২ জানুয়ারি, ২৭ জানুয়ারি রেজিস্ট্রেশন অফিসার কর্তৃক দাবি আপত্তি সংশোধনীর জন্য দাখিলকৃত দরখাস্তের আপত্তি গৃহীত হবে। ৩১ জানুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে ইসি।

সচিব আরো বলেন, নতুন ভোটরসহ দেশে বর্তমানে ভোটারের সংখ্যা ১০ কোটি ১৪ লাখ ৪০ হাজার ৬০১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৫ কোটি ২০ লাখ ৬৪ হাজার ১৮ জন।

দেশে বর্তমানে যেসব ভোটার রয়েছে তাদের সঙ্গে নতুন এ ভোটারদের যুক্ত করা হয়েছে । গত ২৫ নভেম্বর থেকে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত নিবন্ধনের সুযোগ দেয়া হয়েছিল। ২০১৭ সালের ১ জানুয়ারিতে যারা ভোটারযোগ্য ছিলেন তাদেরকে এ সুযোগ দেয়া হয়েছে।

এই হাল-নাগাদে যাদের জন্ম ১ জানুয়ারি ১৯৯৯ বা তার পূর্বে অথচ ভোটার তালিকা হালনাগাদ ২০১৫-২০১৬ কার্যক্রমে নিবন্ধন করা হয়নি তাদেরকে নিবন্ধিত করা হয়েছে।

এর আগে ২০১৬ সালের ৩১ জানুয়ারি ভোটার তালিকা প্রকাশ করে ইসি। ওই হাল-নাগাদ কার্যক্রমে ইসির টার্গেট ৭২ লাখ থাকলেও নিবন্ধিত হয় প্রায় ৪৪ লাখ ৩৩ হাজার নাগরিক।

উল্লেখ্য, ২০০৮ সালে প্রথম ছবিযুক্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ শুরু হয়। সে সময় ৮ কোটি ১০ লাখের বেশি নাগরিককে তালিকাভুক্ত করে জাতীয় পরিচয়পত্রও দেওয়া হয়। ইতোমধ্যে ২০১০, ২০১২, ২০১৪ ও ১৬ সালে ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে ইসি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest