full_1370070616_1487752145সবুজ রঙের গুল্মজাতীয় একটি উপকারি উদ্ভিদ তুলসী। তুলশী গাছের পাতায় রোগ সারানোর অনেক উপকারি গুণ রয়েছে। তুলসীপাতার রস বা চা প্রতিদিন একগ্লাস করে পান করলে, আমাদের কিডনিতে পাথর হওয়ার শঙ্কা কমে যায়। আর যদি কিডনিতে পাথর জমে তাহলে তুলসী পাতার রস টানা ৬ মাস পান করলে সেই তা গলে প্রস্রাবের সঙ্গে বেরিয়ে যায়।

সর্দি, কাশি, কৃমি, প্রস্রাবে জ্বালা কমায়, হজম কারক ও কফ গলাতেও দারুণ কাজ করে তুলসীপাতা। ক্ষত সারাতে এটি এন্টিসেপটিক হিসেবেও কাজ করে।

তুলসিপাতা দিয়ে চা ও মিশ্রণ তৈরির কয়েকটি প্রস্তুত প্রণালী নিচে তুলে দেয়া হলো:

তুলসীর পানি প্রস্তুত:
এই মিশ্রণটি গলা ব্যথা ও খুসখুসে কাশি কমিয়ে আপনাকে আরাম দেবে।

উপকরণ: দুই কাপ পানি ও কয়েকটি পাতা।

প্রস্তুত প্রণালী:
একটি পাত্রে দুই কাপ পানি নিন। এর সঙ্গে কয়েকটি তুলসিপাতা সিদ্ধ করুন। ফুটে উঠলে নামিয়ে পান করতে পারেন।

তুলসী-চা প্রস্তুত:
এই চা পান করলে আপনার শরীর উষ্ণ থাকবে।

উপকরণ: ১০-১৫টি তুলসীপাতা, গুড়, পানি ও লেবুর রস।

প্রস্তুত প্রণালী:
প্রথমে গুড় ও তুলসীপাতা বেটে নিন। এর মধ্যে দেড় কাপ পানি ও এক চামচ লেবুর রস মিশিয়ে চুলায় বসান। মিশ্রণটি ফুটে উঠলে নামিয়ে ফেলুন।

ভেষজ তুলসী-চা প্রস্তুত:
এই ভেষজ তুলসী-চা আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়া রোগ থেকে বাঁচানোর ক্ষমতা রাখে।

উপকরণ: এক টুকরো আদা, গোলমরিচ, লবঙ্গ, তুলসীপাতা, দারুচিনি, এলাচ পরিমাণ মতো।

প্রস্তুত প্রণালী:
পরিমাণমতো পানিতে উপরের উপকরণগুলো মিশিয়ে জ্বাল দিন। ১০ মিনিট পর নামিয়ে ছেকে পান করতে পারেন।

এবার জেনে নেই কিভাবে হার্বাল জুস তৈরি করা যায়।
হার্বাল জুস প্রস্তত:
এই জুস প্রতিদিন পান করলে হজমশক্তি বাড়বে এবং পানিশূন্যতা থেকেও আপনাকে রক্ষা করবে।

উপকরণ: আজওয়াইন, তুলসীপাতা, জিরা, আমচুর গুঁড়া, লবণ এবং পুদিনা পাতা পরিমাণ মতো।

প্রস্তুত প্রণালী:
চার কাপ পানিতে উপরের উপকরণগুলো মিশিয়ে ১০-১৫ মিনিট জ্বাল দিন। এরপর পান করুন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ইনিংসে বল বাকি একটি। সেঞ্চুরি থেকে ২ রান দূরে। যেটা হতে যাচ্ছে রেকর্ড গড়া শতক! রস টেলর হয়তো ঝুঁকিটা নিতে প্রস্তুত। কিন্তু কাজটা সহজ করে দিলেন ওয়েন পারনেল। অফস্টাম্পের বাইরে ফুলটস। কাভার দিয়ে সেটা বাউন্ডারির বাইরে পাঠাতে সমস্যা হলো না কিউই ব্যাটসম্যানের। ধরা দিলো ইতিহাস। নাথান অ্যাস্টলকে পেছনে ফেলে নিউজিল্যান্ডের হয়ে ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির মালিক বনে গেলেন টেলর। এই স্টাইলিশ ব্যাটসম্যান দুর্দান্ত সেঞ্চুরিটির দিনে দেশের হয়ে দ্রুততম ৬ হাজার রানের মাইলফলকও স্পর্শ করেছেন।

টেলরের দুই দেশী রেকর্ডের দিনে সিরিজে ফিরেছে নিউজিল্যান্ড। ক্রাইস্টচার্চে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৬ রানে জিতে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে এখন ১-১ সমতায় কিউইরা। হ্যামিল্টনে প্রথম ওয়ানডেতে ৪ উইকেটে জিতে এগিয়ে গিয়েছিল প্রোটিয়ারা।

হ্যাগলি ওভালে বুধবার শুরুতে ব্যাট করে নির্ধারিত ওভারে ৪ উইকেটে ২৮৯ রান তোলে নিউজিল্যান্ড। টেলর চতুর্থ উইকেটে কেন উইলিয়ামসনকে নিয়ে ১০৪ রানের জুটিতে ইনিংসের ভিত্তি গড়েন। অধিনায়ক উইলিয়ামসন ৪ চারে ৭৫ বলে ৬৯ রানে ফিরেছেন।

পরে জেমস নিশামকে নিয়ে পঞ্চম উইকেটে ১২৩ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে দলকে চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ এনে দেন টেলর। ৬ চারে ৫৭ বলে ৭১ রানে অপরাজিত ছিলেন নিশাম। আর ১৪তম ওভারে ক্রিজে আসা টেলরের নামের পাশে ১০২ রান। ৮ চারে ১০৮ বলে নিজের ইনিংসটি সাজিয়েছেন তিনি। ক্যারিয়ারের ১৭তম ওয়ানডে সেঞ্চুরি তার।

যে ইনিংসটি তাকে বসিয়ে দিয়েছে অ্যাস্টলের ওপরে। ফেব্রুয়ারির শুরুতে হ্যামিল্টনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অ্যাস্টলের কিউইদের সর্বোচ্চ ১৬টি ওয়ানডে সেঞ্চুরির পাশে বসেছিলেন টেলর। কিউইদের ইতিহাসের অন্যতম সেরা এই ব্যাটসম্যান টেস্টেও দেশের জার্সিতে সর্বোচ্চ শতক ছোঁয়ার অপেক্ষায় আছেন। ব্ল্যাক ক্যাপসদের জার্সিতে টেস্টে সর্বোচ্চ ১৭টি সেঞ্চুরির তালিকায় কিংবদন্তি মার্টিন ক্রো’কে স্পর্শ করার অপেক্ষায় ১৬টি সাদা পোশাকের শতক হাঁকানো ৩২ বর্ষী টেলর।

বোলারদের নৈপুণ্যে টেলরের শতকটি অবশ্য বৃথা যায়নি। রান তাড়া করতে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকা নির্ধারিত ওভারে ৯ উইকেটে ২৮৩ রানের বেশি এগোতে পারেনি। কুইন্টন ডি ককের ৫৭ রানে ভালোভাবেই এগোচ্ছিল প্রোটিয়ারা। কিন্তু হাশিম আমলা ১০, ফ্যাফ ডু প্লেসিস ১১, জেপি ডুমিনি ৩৪, ডেভিড মিলার ২৮ রানের ইনিংসগুলো বড় করতে না পারায় চাপে থাকে দলটি।

অধিনায়ক এবি ডি ভিলিয়ার্স ৪৫ রানের ইনিংস খেলে চেষ্টা করেছিলেন। পরে ৪ চার ও ২ ছয়ে ২৭ বলে ৫০ রানের ঝড় তুলে আশা জাগান ডোয়াইন প্রিটোরিয়াস। কিন্তু বাকিরা রান ও বলের হিসেবের চাহিদায় পর্যাপ্ত জ্বালানি যোগান দিনে না পারায় ৬ রান দূরেই আটকে যেতে হয় প্রোটিয়াদের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

bnp-logo26 canada-court_bnpবাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপিকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে অভিহিত করেছেন কানাডার ফেডারেল আদালত।

বিএনপির সদস্য হওয়ার কারণে একজন বাংলাদেশী নাগরিকের রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন নাকচ করে দেয়ার বিরুদ্ধে করা জুডিশিয়াল রিভিউ আবেদন নিষ্পত্তি করতে গিয়ে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তার সিদ্ধান্ত বহালের পাশাপাশি দলটিকে সন্ত্রাসী সংগঠন বলে মন্তব্য করেন ফেডারেল আদালতের বিচারক।

কানাডাভিত্তিক বাংলা নিউজ পোর্টাল নতুনদেশ ডটকম জানিয়েছে, কানাডা সরকার বিএনপিকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করেনি বলে আবেদনকারীর বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করেও আদালত বলেন, ‘তালিকাভুক্তি সম্পূর্ণ আলাদা বিষয়। এটি কানাডার গভর্নর কাউন্সিল ঠিক করে। এর সঙ্গে রাজনৈতিক ইস্যু জড়িত থাকে। আমি এই যুক্তি গ্রহণ করছি না।’

কানাডা তালিকাভুক্ত করেনি বলেই ইমিগ্রেশন অফিসার বিএনপিকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন না- এমন কোনো যুক্তিও এই মামলায় আসেনি।

ফেডারেল আদালতের বিচারক হেনরি এস ব্রাউন গত ২৫ জানুয়ারি ওই মামলাটির রায় ঘোষণা করেন। জুডিশিয়াল রিভিউ আবেদন নিষ্পত্তি করতে গিয়ে তিনি বাংলাদেশের রাজনীতি, বিএনপির পরিচালিত লাগাতার হরতাল এবং হরতালকে কেন্দ্র করে পরিচালিত সন্ত্রাসী তৎপরতা সম্পর্কে নিজের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন।

মোহাম্মাদ জুয়েল হোসেন গাজী নামে ঢাকার মিরপুরের স্বেচ্ছাসেবক দলের একজন কর্মীর রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন নাকচ হওয়ার পরি তিনি ফেডারেল কোর্টে এই জুডিশিয়াল রিভিউ আবেদন করেন।

রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন গ্রহণ করে ২৮ এপ্রিল, ২০১৫ তাকে স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে প্রথম পর্যায়ের অনুমোদন দেয়া হলেও ২০১৬ সালের ১৬ মে তাকে কানাডায় প্রবেশের অযোগ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়। বিএনপির সদস্য হওয়ায় তাকে কানাডায় প্রবেশের অনুপোযুক্ত হিসেবে ঘোষণা করে বলা হয়, ‘বিএনপি সন্ত্রাসী কাজে লিপ্ত ছিল, লিপ্ত আছে বা লিপ্ত থাকবে – এটি বিশ্বাস করার যৌক্তিক কারণ আছে।

এই সিদ্ধান্তের পক্ষে যুক্তি দিতে গিয়ে সংশ্লিষ্ট ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা কানাডার ক্রিমিনাল কোডের ধারা তুলে ধরে  বলেন, ‘বিএনপির ডাকা হরতাল  বাংলাদেশের অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। বিএনপি কর্মীদের হাতে মালামালের ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াও মৃত্যু এবং আহত হওয়ার ঘটনা ঘটে। আমি লক্ষ্য করেছি অতীতে কোনো কোনো ঘটনায় বিএনপির নেতৃত্ব নিজেদের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেছে এবং সন্ত্রাসী তৎপরতার নিন্দা করেছে। কিন্তু বিএনপির দাবি দাওয়া সরকারকে মানতে বাধ্য করতে লাগাতার হরতালের কারণে সৃষ্ট সহিংসতা প্রমাণ করে, এটি নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের বাইরে চলে গিয়েছে।’

জুডিশিয়াল রিভিউর নিষ্পত্তি করতে গিয়ে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তার সিদ্ধান্তকে যৌক্তিক উল্লেখ করে বিচারক হেনরি এস ব্রাউন বলেন, কানাডার আইনে সন্ত্রাসী কার্যক্রমের যে সংজ্ঞা দেওয়া আছে তার আলোকে যথেষ্ট তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতেই ওই কর্মকর্তা এ উপসংহারে পৌঁছেছেন।

বাংলাদেশের সব সন্ত্রাসীই বড় দুটি দলের সাথে সম্পৃক্ত, তারা হয় আওয়ামী লীগ না হয় বিএনপি’ – আবেদনকারীর এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে আদালত বলেন, বিএনপি সন্ত্রাসী সংগঠন কি না এই প্রশ্নে অফিসার সিদ্ধান্ত  দিয়েছেন। আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসী সংগঠন কি না – সে প্রশ্ন বিবেচনার জন্য আদালতের সামনে নেই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

tarek-masud_mishuk-munirমর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার তাকের মাসুদ এবং এটিএন নিউজের সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মিশুক মুনীরসহ ৫ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় করা মামলায় অভিযুক্ত বাসচালকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত।

এর আগে গত রোববার দুপুরে মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আল মাহমুদ ফায়জুল কবিরের আদালতে যুক্তিতর্ক শেষে রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন।

ওইদিন আসামীপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক বাসচালক জামির হোসেনের জামিন বহাল রাখেন।

২০১২ সালের ১৬ এপ্রিল মামলাটি বিচারিক আদালতে আসার ৫০টিরও বেশি কার্যদিবসে ৩৯জন  সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। এদের মধ্যে রাষ্ট্রপক্ষে ২৪জন ও আসামীপক্ষে ২জন সাক্ষীর সাক্ষ্য নেয়া হয়। মামলায় আসামীর বিরুদ্ধে ৫টি অভিযোগ গঠন করা হয়েছে।

২০১১ সালের ১৩ আগষ্ট মানিকগঞ্জে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের জোকায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় মিশুক মুনীর ও তারেক মাসুদসহ ৫জন নিহত হন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

imagesনিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা সদর ঝাউডাঙ্গা সীমান্তের বিজিবির সদস্যরা অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশি সুপারী উদ্ধার করেছে। মঙ্গলবার সকালের দিকে উপজেলার হরিনা গ্রামের মধ্যে থেকে এই সুুপারী উদ্ধার করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঝাউডাঙ্গা বিজিবি ক্যাম্পের হাবিলদার ফজলুল হকের নেতৃত্বে ঐই গ্রামের মধ্যে টহলরত অবস্থায় চোরাচালানীদের তাড়া করে বাংলাদেশি ১বস্তা ৪০ কেজি সুপারী উদ্ধার করে। তবে উদ্ধারের সময় বিজিবি কোন চোরাচালানীকে আটক করতে পারেনি। বিজিবি’র অভিযানে উদ্ধারকৃত সুপারীর আনুমানিক মূল্যে ৪০হাজার টাকা। জব্দকৃত সুপারী সাতক্ষীরা কাস্টমস কোরিডোরে জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

libyaভূমধ্যসাগরের লিবিয়া উপকূলে ৭৪ জন শরণার্থীর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।সোমবার সকালে লিবিয়ার উপকূলীয় শহর জাওয়িয়া’য় এসব মৃতদেহের সন্ধান মিলে।

ধারণা করা হচ্ছে, মৃতরা আফ্রিকা থেকে ইউরোপের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছিলেন। মঙ্গলবার মৃতদেহের সন্ধান পাওয়ার খবর নিশ্চিত করেছে লিবিয়ান রেড ক্রিসেন্ট।

কাতার ভিত্তিক নিউজ চ্যানেল আল-জাজিরার অনলাইন প্রতিবেদনে বলা হয়, ছয় ঘণ্টার চেষ্টায় এসব মৃতদেহ উদ্ধার করেন উদ্ধারকর্মীরা। ওই এলাকায় আরও মৃতদেহের সন্ধান পাওয়া যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

লিবিয়ান রেড ক্রিসেন্ট-এর মুখপাত্র মোহাম্মদ আল মিসরাতি গণমাধ্যমকে বলেন, ঘটনাস্থল সংলগ্ন এলাকায় পরিত্যাক্ত প্রায় রাবারের তৈরি একটি নৌকা পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, এতে আরও শরণার্থীরা ছিলেন। এ ধরনের নৌকায় সাধারণত ১২০ জনের মতো আরোহী থাকেন।

টুইটারে এ ঘটনার কিছু ছবি প্রকাশ করেছে লিবিয়ান রেড ক্রিসেন্ট। এসব ছবিতে সৈকতে সাদা-কালো ব্যাগে মোড়ানো শরণার্থীদের মৃতদেহের সারি দেখা গেছে। লিবিয়া উপকূলে শরণার্থীদের মৃতদেহ উদ্ধারে এটাই সাম্প্রতিককালের সবচেয়ে বড় ঘটনা।

জাতিসংঘের শরণার্থী-বিষয়ক সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) মতে, ২০১৬ সালে ইউরোপে পাড়ি জমাতে গিয়ে ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবিতে আড়াই হাজারের বেশি মানুষ মারা গেছে। তবে ২০১৫ সালে সংখ্যা ছিল অনেক বেশি। ওই বছর প্রথম পাঁচ মাসে সাগর পাড়ি দিতে গিয়ে ১ হাজার ৮৫৫ জন শরণার্থী মারা যায়। ২০১৪ সালের প্রথম পাঁচ মাসে এই সংখ্যা ছিল মাত্র ৫৭।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

16923433_737633329728625_335550345_nপ্রেস বিজ্ঞপ্তি: মহান একুশের প্রভাত ফেরিতে অংশ নিয়ে ঢাকায় কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সম্পাদক ও আঞ্চলিক যুদ্ধাপরাধী নির্মূল কমিটির কেন্দ্রীয় আহবায়ক জনাব কামরুজ্জামান সোহাগ।
উল্লেখ্য, কামরুজ্জামান সোহাগ সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার কেরালগাতা ইউনিয়নের সন্তান। তিনি বর্তমানে একজন সফল ব্যবসায়ী ও তরুণ আ.লীগ নেতা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

c81c78609fe918b0d88e679990a2762a-58ac96d360063মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুক্তরাজ্য সফর বাতিল নিয়ে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে উত্তপ্ত বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার পার্লামেন্টের ওয়েস্টমিনিস্টার হলে তিন ঘণ্টার এ বিতর্কে অংশ নেন  লেবার পার্টি’র টিকিটে হ্যাম্পস্টেড অ্যান্ড কিলবার্ন আসন থেকে নির্বাচিত এমপি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বোন শেখ রেহানার মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিক। এ সময় তিনি বলেন, ‘আমি তার (ট্রাম্প) সবচেয়ে বড় দুঃস্বপ্ন। আমি একজন রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থীর (শেখ রেহানা) মেয়ে। আর আমি বেড়ে উঠেছি একটি মুসলিম পরিবারে। এর চেয়েও ভয়ঙ্কর কথা হলো, আমি এমন একজন নারী যার নিজস্ব অভিমত রয়েছে। যে কারণেই হোক, আমার মনে হয় না আমি তার ক্রিসমাস কার্ডের তালিকায় থাকব।’ ওই বিতর্ককে কেন্দ্র করে অধিবেশন কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ এমপিরা।

ট্রাম্পের যুক্তরাজ্য সফরের বিরুদ্ধে তীব্র জনমতের প্রসঙ্গ টেনে টিউলিপ বলেন, ‘লাখ লাখ মানুষ পিটিশনে স্বাক্ষর করে জানিয়েছেন যে, তারা ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাষ্ট্রীয় সফর চান না। হোয়াইট হলসহ সারাদেশেই হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভ করে জানিয়েছেন যে, তারা ট্রাম্পকে এই দেশে স্বাগত জানাতে রাজি নন।’

টিউলিপ আরও বলেন, ‘ব্রিটিশ জনগণ শ্রদ্ধা ও সহিষ্ণুতায় বিশ্বাসী। আমাদের পরস্পরের প্রতি সম্মান রয়েছে। আমরা যদি অবিচারের বিরুদ্ধে কথা না বলি আর ধর্মান্ধতাকে চ্যালেঞ্জ না জানাই, তবে আমরা নিজেদের মূল্যবোধকে ধরে রাখতে পারব না। ট্রাম্পের ঘৃণা ও ধর্মান্ধতার বিষবাষ্প, নারীবিদ্বেষ ও বিভাজনের মন্ত্র ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য তাকে আমাদের আমন্ত্রণ জানানো উচিত হবে না।’

ওই বিতর্কের আগে উত্থাপন করা হয় দু’টি পিটিশন। এর মধ্যে একটি ট্রাম্পের যুক্তরাজ্য সফরের বিরুদ্ধে। এতে স্বাক্ষর ছিল ১৮ লাখ মানুষের। অন্যদিকে ট্রাম্পের সফরকে সমর্থন জানিয়ে অন্য একটি পিটিশনে স্বাক্ষর ছিল ৩ লাখ মানুষের। যুক্তরাজ্যের সংসদের নিয়ম অনুযায়ী, এক লাখ স্বাক্ষর রয়েছে এমন যেকোনও পিটিশনকেই সংসদে বিতর্কের জন্য উত্থাপন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

বেনথাল গ্রিন অ্যান্ড বাউ আসনের সংসদ সদস্য রুশনারা আলী বিতর্কে ট্রাম্পের সফরকে রাষ্ট্রীয় সফর থেকে অবনমিত করে সরকারি সফর করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘নির্যাতন সম্পর্কে ট্রাম্পের মন্তব্য এবং তার নারীবিদ্বেষী ও মুসলিমদের বিরুদ্ধে অবস্থানের কারণে তাকে একটি রাষ্ট্রীয় সফরে আমন্ত্রণ জানানো হলে তা আমাদের রানি ও আমাদের রাজত্বের জন্য বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হবে। সরকারের উচিত হবে, এই সফরকে দু’টি সরকারের মধ্যেকার একটি সফর হিসেবে সীমাবদ্ধ রাখা।  রানিকে এর বাইরে রাখা।’

ইয়েলিং সেন্ট্রাল অ্যান্ড অ্যাকটন আসনের লেবারদলীয় সংসদ সদস্য রুপা হকও একই ধরনের মন্তব্য করেন। তিনি ট্রাম্পের মূল্যবোধকে ‘সন্দেহজনক’ অভিহিত করে বলেন, ‘আজকে ট্রাম্প, এরপর তুরস্কের এরদোয়ান কিংবা তার পরদিন ইসরায়েলের নেতানিয়াহুর মতো মানুষ, যাদের সন্দেহজনক মূল্যবোধ বা অতীত ইতিহাস রয়েছে, তাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা আমাদের গুরুত্বপূর্ণ বন্ধু হওয়ার সক্ষমতাকে হুমকিতে ফেলেছে।’

যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অ্যালান ডানকানের সম্মতিতে পিটিশন কমিটির সদস্য পল ফ্লিন এই বিতর্কের সূচনা করেন।  এসময় ডানকান বলেন, ‘সরকার দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার মেয়াদ শুরু করেছেন এমন একটি সময়ে তাকে রাষ্ট্রীয় সফরে আমন্ত্রণ জানানোর মাধ্যমে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ককে তাৎপর্যপূর্ণভাবে সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তটি সর্বোতভাবে বৈধ।’ তিনি আরও বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ওবামা ও প্রেসিডেন্ট জর্জ ডাব্লিউ বুশ উভয়েই তাদের প্রথম মেয়াদেই যুক্তরাজ্যে রাষ্ট্রীয় সফর করেছেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকেও তার দায়িত্ব নেওয়ার পরই রাষ্ট্রীয় সফরে আমন্ত্রণ জানানো সম্পূর্ণরূপে উচিত হবে।’

তবে ডানকানের এমন অবস্থানের বিরুদ্ধে অনেক সংসদ সদস্যই তীর্যক মন্তব্য করেছেন। তারা ট্রাম্পকে ‘বর্ণবাদী ও যৌনবৈষম্যবাদী’ বলেও অভিহিত করেছেন। তাদেরই একজন লেবার দলের সংসদ সদস্য নাজ শাহ। তিনি বলেন, ‘ট্রাম্পকে আমন্ত্রণ জানানোর মাধ্যমে কেবল তার কৃতকর্ম ও বিভাজন, বর্ণবাদ ও নারীবিদ্বেষী বার্তাকেই মদদ দেওয়া হয়। তাকে আমন্ত্রণ জানিয়ে বৈধতা দেওয়ার মাধ্যমে আমরা তার কৃতকর্মের সমর্থন জানাতে পারি না।’

স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টির (এসএনপি) সংসদ সদস্য অ্যালেক্স স্যালমন্ড তার বক্তব্যে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে’র যুক্তরাষ্ট্র সফরকালে শারীরিক ভাষার সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের পক্ষ থেকে ট্রাম্পকে আমন্ত্রণকালে তিনি (থেরেসা মে) যেভাবে তোষামোদপূর্ণ আচরণ করেছেন তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। পারস্পরিক মূল্যবোধের নামে এমন আচরণ পীড়াদায়ক।’

সংসদ সদস্যদের বিতর্কের সময় সংসদের বাইরে ট্রাম্পের রাষ্ট্রীয় সফরের বিরোধিতাকারী শত শত ব্যক্তি হাজির হয়ে বিক্ষোভ করেন। ট্রাম্পের বিরুদ্ধে স্লোগানে মুখর ছিলেন তারা। এসব বিক্ষোভকারীদের হাতে ছিল প্ল্যাকার্ড। এগুলোতে লেখা ছিল, ‘বর্ণবাদকে না বলুন, ট্রাম্পকে না বলুন।’ যুক্তরাজ্যব্যাপী আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় বইয়ে দেওয়া এই রাষ্ট্রীয় সফর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে আগস্ট বা সেপ্টেম্বর মাসে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest