সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় মে দিবসে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‌্যালি  অধিকার বঞ্চিত বাংলাদেশের চা শ্রমিকরাসাতক্ষীরার উপকূলে এখনো বৈষম্যের শিকার নারী শ্রমিকরাসুস্থ থাকতে হলে অবশ্যই বোতলজাত সায়াবিন তেল খেতে হবে– সাতক্ষীরায় এডভোকেসি সভায় বক্তারাদেবহাটায় এসিল্যান্ডের উপস্থিতিতে ৪৮ ক্যারেট ক্যামিক্যাল মিশ্রিত আম বিনষ্ট‘আমাদের দুর্ভাগ্য একজন দুর্নীতিবাজ, অপদার্থ এখনও রাষ্ট্রপতি’বুধহাটা দারুল উলুম মাদ্রাসার মুহতামিমকে তাড়াতে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে  হয়রানির অভিযোগকালীগঞ্জের নলতায় সড়ক ও জনপদ থেকে উচ্ছেদের পরেও পুনরায় অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের হিড়িকসাতক্ষীরায় তিন দিনব্যাপী প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনসারা দেশে ঝড়-বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস: নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত

সাতক্ষীরা পৌরসভার ওয়াস ব্যবসায়ী মহিলা সমবায় সমিতির সদস্যদের দক্ষতা বৃদ্ধি মূলক ফলোআপ প্রশিক্ষণ

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা পৌরসভার ওয়াস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সদস্যদের দক্ষতা বৃদ্ধি মূলক ফলোআপ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।

২১ আগস্ট রোববার সাতক্ষীরা ম্যানগ্রোভ সভাঘরে দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন হোপ ফর দি পুওরেষ্ট (এইচপি) এর টাউন কো-অর্ডিনেটর মৃনাল কুমার সরকার ও মার্কেট ডেভেল্পমেন্ট অফিসার নন্দিতা রানী দত্ত।

প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সমবায় সমিতির সদস্যবৃন্দ তাদের প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ক দক্ষতা অর্জন করবেন এই উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে প্রশিক্ষণ পরিচালনা করা হয়।

ওয়াস ব্যবসায়ীগণ প্রতিষ্ঠানের কর্মী ব্যবস্থাপনা, সংগঠনের সংবিধান সম্পর্কিত দল গঠন ও নেতৃত্ব উন্নয়ন বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করেন। এছাড়া অর্থ ব্যবস্থাপনা, অর্থ সংগ্রহের কৌশল ও পদ্ধতি বিষয়ক দক্ষতা অর্জন করেন। ব্যবসায়ী সাবিহা খাতুন, রাবেয়া খাতুন, ফরিদা খাতুন, মনিরা খাতুন, রাবেয়া খাতুন, সালমা খাতুন, জেসমিন আরা, মনোয়ারা খাতুন, পিংকী দাশ, তিলোকা রানী রায়, রেহেনা খাতুন, সখিনা খাতুন, রওশনারা, আফরোজা, জেসমিন আরাসহ অন্যান্য সদস্য অংশগ্রহণ করেন। সাতক্ষীরা পৌরসভা হতে উপস্থিত ছিলেন ৭,৮,৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোছাঃ রাবেয়া পারভীন ও সাতক্ষীরা পৌরসভার সমাজ উন্নয়ন কর্মকর্তা ও ওয়াস এসডিজি ফোকাল পার্সন মোঃ জিয়াউর রহমান। উপজেলা সমবায় অফিস থেকে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমবায় অফিসার মোঃ কারিমুল হক ও সহকারী সুপারভাইজার শেখ মিজানুর রহমান। প্রশিক্ষণ সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করেন আশা’র জেলা ব্যবস্থাপক মোঃ আশরাফুল ইসলাম ও সাংবাদিক এম. বেলাল হোসেন। উল্লেখ্য, এইচপি নেদারল্যান্ডস ভিত্তিক দাতা সংস্থা সীমাভীর অর্থায়নে সাতক্ষীরা ও কলারোয়া পৌরসভায় ওয়াস বিষয়ক একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো ওয়াস উদ্যোক্তা তৈরী এবং সফল ওয়াস ব্যবসায়ী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা যা প্রত্যক্ষভাবে এলাকার ওয়াস ব্যবস্থার মান বৃদ্ধি করবে যেটি বাংলাদেশ সরকারের স্থায়িত্বশীল উন্নয়ন অভিষ্ট ২০৩০ অর্জনে অবদান রাখবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গ্রেনেড হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সভা

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ- ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয় সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে।

২১ আগস্ট রোজ রবিবার সকাল ১১ টায় কলেজ প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ মিছিল হয়, মিছিল শেষে প্রতিবাদ সমাবেশ হয়। প্রতিবাদ সমাবেশের সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এস এম আশিকুর রহমান।

সঞ্চালনা করেন সাতক্ষীরা পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ তৌহিদ হাসান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ হাসানুজ্জামান নিশান, জেলা ছাত্রলীগ নেতা খায়রুল্লা আরাফাত, পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট শাখার সভাপতি আবিদ হাসান, ১ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি কাজী মুনতাসির আহম্মেদ, সরকারি কলেজ ছাত্রলীগ নেতা সামিউর সানজির, ইকবাল মাহমুদ, আশিকুর রহমান, সিটি কলেজ ছাত্রলীগ নেতা তৌকির প্রমুখ। এছাড়াও বিভিন্ন ইউনিটের নেতা কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে আদিবাসী মুণ্ডা সম্প্রদায়ের উপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার ধুমঘাটে আদিবাসী মুণ্ডা সম্প্রদায়ের উপর হামলা চালিয়ে তিন নারীকে পিটিয়ে জখম ও একজনকে পিটিয়ে হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিভিন্ন সামাজিক ও মানবাধিকার সংগঠণ রবিবার সকাল ১১টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে এ কর্মসুচি পালন করে।

জেলা নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব অ্যাড. আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে মানববন্ধন কর্মসুচি চলাকালে বক্তব্য দেন সাবেক অধ্যক্ষ আব্দুল হামিদ, সাংবাদিক কল্যাণ ব্যাণার্জী, অধ্যাপক আনিসুর রহিম, অ্যাড. আবুল কালাম আজাদ, প্রেসক্লাব সভাপতি মমতাজ আহম্মদ বাপ্পি, মানবাধিকার কর্মী রঘুনাথ খাঁ, মাধব চন্দ্র দত্ত, জ্যোস্না দত্ত, অ্যাড. মনিরউদ্দিন, ফণীন্দ্রনাথ মুণ্ডা, তারপদ মুণ্ডা, জয়দেব মুণ্ডা, প্রশান্ত মুণ্ডা, গোপাল মুণ্ডা, ফরিদা আক্তার বিউটি, আফজাল হোসেন, রানা লুইস গাইন, মরিয়ম মান্নান, ভূমিহীন নেতা আব্দুস সামাদ, অসিত মুণ্ডা, ধীমান সরকার প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, আদিবাসি মুণ্ডা সম্প্রদায়ের জমি প্রজাস্বত্ব আইনে জেলা প্রশাসকের অনুমতি ছাড়া হস্তান্তরযোগ্য নয়।

অথচ শ্যামনগরের শ্রীফলকাটি গ্রামের রাশেদুল ও এবাদুল ধুমঘাটের মুল্লুক চাদ মুণ্ডার আট বিঘা জমি জাল জালিয়াতির মাধ্যমে কাগজপত্র তৈরি করে শুক্রবার সকালে জবরদখলের চেষ্টা করে। সেখানে বসবাসরত ২২টি মুণ্ডা সম্প্রদায়ের মানুষজনকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তাদের ধানের বীজতলা পাওয়ার টিলার দিয়ে চষে দেওয়া হয়। বাধা দেওয়ায় তিন নারী ও এক পুরুষকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করা হয়।

শনিবার বিকেলে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নরেন্দ্র মুণ্ডা মারা যায়।এ ঘটনায় পুলিশ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ। এ ছাড়া কৈখালি ইউনিয়নের সাহেবখালিতে কর্ণ মুণ্ডা, সঞ্জিত মুণ্ডা ও খুকুমনি মুণ্ডার উপর হামলা চালানো হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ভোলা আদালতে দেওয়া হয়েছে মিথ্যা মামলা। হামলার সঙ্গে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা শুকুর আলী, যুবলীগ নেতা ফিরোজ হোসেনসহ বিভিন্ন রাজৈ নতিক দল ও বংশীপুরের দুটি ক্লাবের বেশ কিছু সদস্য জড়িত।
অবিলম্বে হামলার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান বক্তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালায় পরিবেশবান্ধব মৃৎশিল্প কেন্দ্র পরিদর্শনে বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি দল

তালা প্রতিনিধি:
সাতক্ষীরার তালায় উন্নয়ন প্রচেষ্টার সাসটেইনেবল এন্টারপ্রাইজ প্রজেক্ট (এসইপি)-এঁর মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রম পরিদর্শন করেছে বিশ্ব ব্যাংকের একটি প্রতিনিধি দল। রোববার (২১ আগস্ট) সকালে তালার মাঝিয়াড়ায় অবস্থিত পরিবেশবান্ধব মৃৎশিল্প কেন্দ্রটি পরিদর্শন করেন।

এসময় বিশ^ ব্যাংকের প্রতিনিধি দলে সিনিয়র এনভায়র্নমেন্টাল স্পেশালিস্ট ও টাস্ক টিম লিডার উন জু এলিসনের নেতৃত্বে ৬ সদস্যের দলটি পরিবেশবান্ধব মৃৎশিল্প কেন্দ্রটি ঘুরে দেখেন। পরিদর্শনকালে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের উপ-মহাব্যবস্থাপক ও এসইপি প্রকল্প সমন্বয়কারী জহির উদ্দিন আহম্মদ, উন্নয়ন প্রচেষ্টার নির্বাহী পরিচালক সেখ ইয়াকুব আলীসহ প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে শনিবার (২০ আগস্ট) সকালে বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিরা তালা উপজেলার জেয়ালা গ্রামের ঘোষ পাড়ায় পরিবেশসম্মত ও নিরাপদ গাভিপালন, দুগ্ধজাত পণ্য উৎপাদন, উন্নয়ন প্রচেষ্টা কর্তৃক স্থাপিত কমিউনিটি ভিত্তিক গোবর সংগ্রহ কেন্দ্র, ড্রেনেজ সিস্টেম, গোবর থেকে পরিবেশগতভাবে নিরাপদ গোবর সার (ভার্মি কম্পোস্ট) ও ্ট্রাইকো কম্পোস্ট তৈরির কারখানা পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে ঘোষ পাড়ার শতাধিক খামারি ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ব্যবসায়ীদের সাথে মতবিনিময় করেন।

বিকালে দলটি পাইকগাছার বোয়ালিয়ায় মৃৎশিল্পীদের কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। এছাড়াও তারা প্রকল্পের আওতায় গঠিত পরিবেশ ক্লাবের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। পরিদর্শন শেষে বর্জ্য বস্থাপনা ও পরিবেশগতভাবে নিরাপদ পণ্য উৎপাদনে স্থানীয় খামারিদের প্রশংসা করেন বিশ্বব্যাংক ও পিকেএসএফ-এর প্রতিনিধি দল।

এ বিষয়ে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের উপ-মহাব্যবস্থাপক ও এসইপি প্রকল্প সমন্বয়কারী জহির উদ্দিন আহম্মদ বলেন, “ক্ষুদ্র-উদ্যোগসমূহে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ধারণা এক রকমের অনুপস্থিত ছিলো। অথচ বাংলাদেশের মোট জিডিপি’র প্রায় ২৫ শতাংশের যোগান দেয় এই খাত। তাই এসইপি-এর আওতায় আমরা টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ধারণা যুক্ত করেছি। আর এই বিষয়ে উন্নয়ন প্রচেষ্টা জেয়ালা গ্রামকে একটি উদাহরণ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে”।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ সরকারের সহায়তায় এবং বিশ্বব্যাংক ও পিকেএসএফ-এর যৌথ অর্থায়নে বাস্তবায়িত হচ্ছে পাঁচ বছর মেয়াদী সাসটেইনেবল এন্টারপ্রাইজ প্রজেক্ট (এসইপি)। প্রকল্পটির আওতায় দেশব্যাপী ৩০টি ব্যবসা উপখাতের আওতায় ৬৪টি উপ-প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে ৪৭টি বেসরকারি উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান। ক্ষুদ্র-উদ্যোগসমূহে পরিবেশগতভাবে টেকসই চর্চা বৃদ্ধি করার জন্য ৫০ হাজারেরও অধিক ক্ষুদ্র-উদ্যোগে বিভিন্ন আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে এই প্রকল্পের মাধ্যমে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গ্রেনেড হামলার প্রতিবাদে আশাশুনিতে তাঁতীলীগের প্রতিবাদসভা

বাংলাদেশ তাঁতীলীগ আশাশুনি উপজেলা শাখার উদ্যোগে একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা প্রতিবাদে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আশাশুনি উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম হুমায়ুন কবির সুমন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আশাশুনি সদর ইউনিয়ন শাখার সভাপতি মোঃ আব্দুল্লাহেল বাকী বাচ্চু।

সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ তাঁতী লীগ আশাশুনি উপজেলা শাখার সভাপতি মোঃ হুমায়ুন কবির রাসেল। পরিচালনায় মোঃ নাজমুল হাসান ও জুয়েল রানা।

অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আশাশুনি উপজেলা তাঁতী লীগের সহসাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মিনারুল ইসলাম মোঃ রুবেল হোসেন, উপজেলা তাঁতী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আল মামুন, উপজেলা তাঁতী লীগের দপ্তর সম্পাদক ইলিয়াস হোসেন, সদস্য আসাদুল ইসলাম বাপ্পি কলেজ ছাত্রলীগের শাওন ,বিদ্যুৎ,মিলন, রুবেল, সুমন, পাপ্পু। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ আশাশুনি সদর ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইদ্রিস আলী। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় প্রধান শিক্ষককে মারধরের প্রতিবাদে  ক্লাস বর্জন : সভাপতিকে গ্রেপ্তারের আল্টিমেটাম

নিজস্ব প্রতিনিধি :

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুস সালামকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত, মারধর ও নিয়ম বহির্ভূত ভাবে বহিষ্কার করার প্রতিবাদে প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি ও খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মাহাবুবর রহমানের শাস্তি ও বিচারের দাবিতে সাতক্ষীরা-আশাশুনি সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। এসময় সড়কের কয়েক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়।

পরে পুলিশ ও স্থানীয় সরকার দলীয় নেতাকর্মীদের আশ্বাসে অবরোধ সরিয়ে বিদ্যালয় মাঠে ক্লাস বর্জন করে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। এসময় প্রতিষ্ঠানটির সভাপতিকে যতোদিন বিচারের আওতায় আনা না হবে ততোদিন পর্যন্ত শ্রেণীকক্ষে পা রাখবেন না জানিয়ে শিক্ষার্থীরা অনিদিষ্টকালের জন্য ক্লাস বর্জনের ঘোষণা দেন। এ সময় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষককে স্বপদে বহাল ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মাহাবুবুর রহমানকে বহিষ্কারের দাবি জানিয়ে বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকেন।

এর আগে শনিবার (২০ আগস্ট) সকালে বিদ্যালয়ের ভেতরেই প্রধান শিক্ষক আব্দুস সালামকে শারীরিকভাবে লাঞ্চিত ও মারধর করেন বিদ্যালয়টির সভাপতি মাহবুবর রহমান। পরে শিক্ষককে মারধরের প্রতিবাদে ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে আন্দোলন করেন। এসময় তারা আন্দোলনে মাহবুবর রহমানকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করে শাস্তি ও বিচারের দাবি জানান।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, এসএমসি কমিটির নির্বাচনে বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক আব্দুস সালাম কোন পক্ষ অবলম্বন না করায় প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি ও খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মাহাবুবর রহমানের সাথে মনোমালিন্য সৃষ্টি হয় তার। এর এক পর্যায়ে প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি তার নিজের লোকজন দিয়ে বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে একাধিক দূর্নীতির অভিযোগ আনেন। আর কোনপ্রকার তদন্ত ছাড়াই শনিবার (২০ আগস্ট) সকালে প্রধান শিক্ষক আব্দুস সালামকে দু’মাসের জন্য বহিষ্কার করেন প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি মাহাবুবর রহমান। এসময় জোরপূর্বক ভাবে গলাধাক্কা দিয়ে বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষককে মারধর করে তার রুম থেকে টেনে হেঁচড়ে বের করেন তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিদ্যালয়টির একাধিক সহকারি শিক্ষকসহ ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারীরা জানান, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে যেসকল অভিযোগ এনে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে সেগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা। পূর্ব শত্রুতার কারনে প্রধান শিক্ষককে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে দীর্ঘদিন ধরে ষড়যন্ত্র করতে থাকেন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মাহাবুবর রহমান। এরই অংশ হিসেবে প্রধান শিক্ষককে নিয়ম বহির্ভূত ভাবে বহিষ্কারের পাশাপাশি তাকে মারধর করেন প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি।

প্রধান শিক্ষক দূর্নীতিগ্রস্থ না বরং প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি মাহাবুবর রহমান দূর্নীতিগ্রস্থ জানিয়ে তারা বলেন, পুরো বিদ্যালয়টা প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি মাহাবুবর রহমানের জিম্মায়। তার বিরুদ্ধে একাধিক দূর্নীতির মামলা রয়েছে। তবে তার দূর্নীতিতে সাফাই না দেয়ায় এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা তাদের।

প্রধান শিক্ষককে মারধর প্রসঙ্গে তারা বলেন, বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক যদি দূর্নীতিগ্রস্থ হয় তাহলে তার জন্য দেশে প্রচলিত আইন রয়েছে। তবে আইনের উর্দ্ধে যেয়ে একজন শিক্ষককে মারধর করার পাশাপাশি গলা ধাক্কা দিয়ে অফিস রুম থেকে বের করাটা সভাপতির ঠিক হয়নি। তাছাড়া বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভায় সবার সর্বসম্মতিক্রমে প্রধান শিক্ষককে বহিস্কার করা হয়েছে বলে জানানো হয়। তবে আদেও ওই মাসিক সভায় এধরণের কোন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। সভাপতি তার একক ক্ষমতাবলে এসব করেছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

এব্যাপারে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, প্রধান শিক্ষককের বিরুদ্ধে স্কুলের ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী নিয়োগে অনিয়ম, শিক্ষার্থীদের কাছে বই বিক্রিসহ স্কুল ফান্ডের টাকা উত্তোলনের মিথ্যা অভিযোগ সাজিয়ে কোনপ্রকার তদন্ত ছাড়া প্রধান শিক্ষক আব্দুস সালামকে মারধরসহ তাকে বহিস্কার করার প্রতিবাদে তারা ক্লাস বর্জন করে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন।

এসময় প্রধান শিক্ষককে স্বপদে বহাল রেখে স্কুল কমিটির সভাপতি মাহবুবুর রহমান বহিষ্কার করলে তারা আবার শ্রেনীকক্ষে যোগদান করবেন বলে জানান।

এ ব্যাপারে বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক আব্দুস সালাম জানান, আমাকে গতকাল স্কুল কমিটির সভাপতি মাহবুবুর রহমান গায়ে হাত তুলে লাঞ্চিত করেন এবং আমার বিরুদ্ধে শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম শিক্ষার্থীদের কাছে বই বিক্রি স্কুল ফান্ডের টাকা উত্তোলন এসব মিথ্যা অভিযোগ সাজিয়ে কোন তদন্ত ছাড়া আমাকে বহিস্কার করা হয়েছে। পরে স্কুলের শিক্ষার্থী জানতে পেরে সকাল থেকে ক্লাস বর্জন করে আন্দোলন করছে। আমি তাদেরকে ক্লাস যাওয়ার কথা বলেছি তবে তারা না করে আন্দোলন করছে।

এব্যাপারে অভিযুক্ত বিদ্যালয়টির সভাপতি মাহাবুবর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তার ব্যবহৃত নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়।

এপ্রসঙ্গে সাতক্ষীরা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ্ আল মামুন বলেন, বিষয়টি সমন্ধে কোনকিছু জানেননা তিনি। খোজঁ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাতেমা তুজ জোহরা বলেন, বিষয়টি দুঃখজনক। খোজঁখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তারকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন

আশাশুনি প্রতিনিধি:

আশাশুনিতে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তারকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে। রবিবার সকাল ১১টায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইয়ানুর রহমানের উপস্থিতিতে পুলিশের একটি চৌকস দল তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করে।

পরে বাসুদেবপুর জামে মসজিদ চত্বরে জানাজা নামাজ শেষে তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়।

মাওঃ আহসানুল্লাহ’র পরিচালনায় জানাজা নামাজে উপস্থিত ছিলেন সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল হান্নান, ইউপি চেয়ারম্যান রুহুল কুদ্দুস, প্রাক্তন ভাইস চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মতিয়ার রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা রুহুল কুদ্দুস, জাবেদ আলি খাঁ, আব্দুস সালাম, রশিদুল আলমসহ বীর মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ, শিক্ষক, সাংবাদিক, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও ইউপি সদস্যবৃন্দ।

মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তার (৭২) হার্ড স্টক হয়ে দীর্ঘ তিন বছর পড়িত অবস্থায় ছিলেন। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তার নিজ বাসভবনে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ২ছেলে ও ১কন্যা সন্তান রেখে গেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার শ্যামনগরের মুন্ডা পল্লীতে সন্ত্রাসীদের হামলায় আহত নরেন মুন্ডার মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগরে মন্ডা সম্প্রদায়ের জমি জবরদখলে বাধা দেওয়ায় সন্ত্রাসীদের হামলায় গুরুতর আহত নরেন্দ্রনাথ মু-া (৭০) মারা গেছেন।
শনিবার বিকেলে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় নিহত নরেন্দ্র মুন্ডাকে দেখতে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজেল মর্গে যান বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির পলিট গুলো সদস্য অ্যাডভোকেট মোস্তফা লুৎফুল্লাহ এমপি ।

এর আগে শুক্রবার সকালে শ্যামনগরের ধুমঘাটে আদিবাসি মু-া সম্প্রদায়ের জমি দখলে নিতে হামলা চালায় শ্রীফলাকাটি গ্রামের রাশেদুল ইসলাম ও ইবাদুল ইসলামের নেতৃত্বে শতাধিক সন্ত্রাসী। এ ঘটনায় মারাত্মকভাবে আহত হওয়ায় নরেনসহ সুলতা মুন্ডা, বিলাসী মুন্ডা এবং রানী মুন্ডাকে প্রথমে শ্যামনগর হাসপাতাল ও পরে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এঘটনায় শনিবার সকালে ফণীন্দ্র মু-া বাদি হয়ে ৩০ জন জ্ঞাত ও ১৬০/১৭০ জনকে অজ্ঞাত আসামী করে শ্যামনগর থানায় মামলা করা হয়। মামলায় শ্রীফলাকাটি এলাকা থেকে ২জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, বংশীপুর গ্রামের নুর হোসেন ও শ্রীফলাকাটি গ্রামের নুর মোহাম্মদ।

শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী ওয়াহিদ মোর্শেদ জানান, ধুমঘাট গ্রামে আদিবাসি মু-া সম্প্রদায়ের সাড়ে ২৭ বিঘা জমির দখল নিতে শুক্রবার হামলা চালানোর অভিযোগ উঠে শ্রীফলকাটি গ্রামের এবাদুল ইসলামের নেতৃত্বে দুই শতাধিক ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে। দখল পেতে বাঁধা দেওয়ায় মু-াদের পিটিয়ে জখম করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয় রিনা মু-া (৩৫), সুলতা মু-া (৪০), বিলাশী মু-া (৩৬) ও নরেন্দ্রনাথ মু-াকে (৭০)। চিকিৎসাধীন অবস্থায় নরেন্দ্র মু-া শনিবার মারা গেছেন। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest