সর্বশেষ সংবাদ-
আশাশুনির প্রতাপনগরে বেড়িবাঁধের বড় অংশ নদীগর্ভে : এমপির ঘটনাস্থল পরিদর্শনদেবহাটায় মাসিক আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন সমন্বয় সভাসাতক্ষীরায় তৃণমূল নারী সুরক্ষা ফোরামের সম্মেলনচৈতালী মুখার্জির কণ্ঠে কালজয়ী গানের মূর্ছনা, মুগ্ধ বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রউপজেলা সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সম্প্রীতি এইড ফাউন্ডেশনের সমন্বয় সভাশ্যামনগরে গাছ থেকে পড়ে এক ব্যবসায়ীর মৃত্যুসাতক্ষীরা মেডিকেলের শিশু ওয়ার্ডে টাকা ছাড়া মেলে না ছাড়পত্রতালায় জুয়েলারি দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি : ২৩ লাখ টাকার মালামাল লুটের দাবিশ্যামনগরে ১৫ পরিবার পেল ছাগল, ১৫ পরিবার পেল সেলাই মেশিনটেকসই বেড়িবাঁধ ও চলাচলের উপযোগী রাস্তা নির্মাণের দাবি এলাকাবাসীর

আসাদুজ্জামান ঃ সাতক্ষীরার কলারোয়ায় এক বৃদ্ধের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৪ নভেম্বর) সকালে উপজেলার চন্দনপুর ইউনিয়নের গয়ড়া গ্রামে পুলিশ আবু তালেব গাজী নামে ওই ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়।
আবু তালেব গাজী (৬৫) ওই গ্রামের মৃত বাবর আলী গাজীর পুত্র। তার স্ত্রী, দুই পুত্র ও দুই কন্যা রয়েছে।
স্থানীয় গয়ড়া গ্রামের ইউপি সদস্য শাহানুর রহমান জানান, রবিবার দিনগত রাতে এশার নামাজ পড়তে চন্দনপুর কলেজ মসজিদে যান তিনি। নামাজ শেষে দীর্ঘক্ষণ বাড়িতে না ফেরায় স্বজনেরা আশ-পাশে বিভিন্ন জায়গায় তাকে খোঁজাখুঁজি করে গভীর রাতে পার্শ্ববর্তী আমবাগানের একটি গাছের ডালে গলায় ফাঁস দেয়া অবস্থায় তাকে দেখতে পান।
পরবর্তীতে পুলিশকে খবর দিলে সোমবার সকালে পুলিশ গিয়ে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে স্বজনদের আবেদনের প্রেক্ষিতে লাশ দাফনের অনুমতি দেন।
মৃতের পুত্র গাজী মাসুদ আক্তার জানান, তার পিতার মানসিক অসুস্থ ছিলেন। এর আগেও একবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন।
কলারোয়া থানার এস.আই রবিউল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
নারী এবং যুবদের দক্ষতা বৃদ্ধিছাড়া প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়। অথচ নারী ও যুবদের বাদ দিয়েই স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে কোটি কোটি টাকার বাজেট করা হয়। নারী এবং যুবদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে স্থানীয় সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকা প্রয়োজন বলে মনে করেন সচেতন মহলের নেতৃবৃন্দ।

এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, বর্তমানে গ্রামীণ নারীর সংখ্যা ৫ কোটি ৩০ লাখ। গ্রামীণ নারীর বড় অংশই প্রান্তিক,দরিদ্র ও ভূমিহীন।

অন্যদিকে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সূত্রে ৫২ মিলিয়ন জনগণ যুব যা মোট জনসংখ্যার ৩৩% এর বেশি। বর্তমান বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ৪২.৫ ভাগ অর্থ্যাৎ প্রায় ৬ কোটি যুবক রয়েছে। সমাজের এতবড় একটি অংশের জনগোষ্ঠীর জন্য কোন বাজেট না রাখাটা নিশ্চয় উন্নয়নের জন্য বড় বাধা বলে মন্তব্য করেন অনেকে।

জানা গেছে, সাতক্ষীরা পৌরসভায় ২০২২-২০২৩ বছরে অর্থবছরে এডিপি, রাজস্ব এবং উন্নয়ন খাতে(প্রোজেক্ট) মোট ৭১ কোটি ৯৭ লক্ষ ১৪৩৮১ টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু দু:খজনক হলেও সত্য এত বড় বাজেটে যেটি বেশি দরকার ছিলো নারী ও যুবদের উন্নয়নের বরাদ্ধ রাখা। সেটি করা হয়নি। যদিও পৌরসভা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, মন্ত্রণালয় থেকে বাজেটে এধরনের কোন ফরমেট না থাকায় ইচ্ছা থাকলেও বরাদ্দ রাখা হয়নি। তবে আগামী বাজেটে অবশ্যই নারী ও যুবদের দক্ষতা উন্নয়নে একটি বড় বরাদ্ধ রাখা হবে।

স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে নারী ও যুব বান্ধব বাজেট বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক মোঃ মিজানুর রহমান রহমান সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, দেশে উন্নয়ন হলেও বৈষম্য বাড়ছে। বৈষম্য কমাতে হলে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান অর্থাৎ ইউনিয়ন পরিষদ,পৌরসভা,উপজেলাপরিষদ, সিটি কর্পোরেশন ও জেলা পরিষদে বরাদ্দ বাড়ানোর বিকল্প নেই। এ বরাদ্দ কমপক্ষে উন্নয়ন বাজেটের ৫ শতাংশ হওয়া উচিত। পাশাপাশি বিকেন্দ্রীকরণ নীতি প্রণয়ন ও তার আলোকে স্থানীয় সরকারের জন্য সমন্বিত আইন প্রণয়নে উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

যুব সংগঠক, জাগো যুব ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শেখ ফারুক হোসেন বলেন, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ৪২.৫ ভাগ যুবক। অর্থাৎ প্রায় ৬ কোটি যুবক রয়েছে। এই যুবকরা উন্নয়নশীল বাংলাদেশের অর্থনীতি তৈরিতে ভূমিকা রাখতে পারবে। কিন্তু আমরা দেখি স্থানীয় সরকার অর্থাৎ ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভায় তাদের জন্য কোন বাজেট থাকে না। যুবদের মান উন্নয়নে বা কর্মসংস্থার সৃষ্টিতে ইউনিয়ন পরিষদ কোন ভূমিকা রাখে না। যুবদের কোন কর্মপরিকল্পনা বা যুব বান্ধব কোন কর্মসূচিও নেই। ফলে কি হয় যুবকরা কর্মহীন হয়ে পড়ছে। অথচ বাংলাদেশের যুবরা ড্রোন তৈরি করছে, ব্যাটারি চালিত যন্ত্র, হেলিকপ্ট্যার তৈরি করছে। ট্রেন অটোমেটিক থেকে যাবে। কিন্তু অর্থনৈতিক সহযোগিতা না পাওয়ায় যুবরা থেকে যাচ্ছে। ফলে যুবকদের শক্তিক্রমশ ছিটকে পড়ছে। দেশের উন্নয়নে যুবদের সম্পৃক্ত করতে হলে অবশ্যই তাদের জন্য বাজেট রাখতে হবে।

সাতক্ষীরার বিশিষ্ট নাগরিক নেতা এ্যাড. ফাহিমুল হক কিসলু বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে নারী ও যুবদের দক্ষতা ও ক্ষমতায়নের জন্য আন্দোলন করে আসছি। বর্তমান সময়ে এসে সকলেরই সেই উপলদ্ধি হয়েছে দেশের উন্নয়নে সবার আগে নারী ও যুবদের জন্য কাজ করতে হবে। তাদের জন্য স্থানীয় সরকারসহ বিভিন্ন দপ্তরে বরাদ্ধ দিতে হবে। সরকার টিটিসি, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মাধ্যমে যুবদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে কাজ করছেন। কিন্তু প্রতিষ্ঠানগুলো শহর কেন্দ্রিক হওয়ার কারনে প্রত্যন্ত অঞ্চলের নারী ও যুবরা সকল ধরনের সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

যদি ইউনিয়ন পরিষদগুলোতে নারী ও যুবদের দক্ষতার জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়। তাহলেই প্রকৃত অর্থে উন্নয়ন সম্ভব। তবে এক্ষেত্রে অবশ্যই ইউনিয়ন পরিষদের বাজেটে এই খাতে বেশি পরিমাণে বরাদ্দ রাখতে হবে। অথবা কারিগরি প্রশিক্ষণের মত কর্মমূখি প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রত্যন্ত এলাকায় প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

সাতক্ষীরা পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতী বলেন, যুবদের জন্য বাজেটের কোন ফরমেট মন্ত্রনালয় থেকে দেওয়া হয়নি। তবে নারী ও যুবদের উন্নয়ন প্রয়োজন। সেকারনে আগামী বাজেটে অবশ্যই নারী এবং যুবদের জন্য বরাদ্ধ রাখা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেবহাটা প্রতিনিধি : দেবহাটায় ইউএনওর বদলীর আদেশ প্রত্যাহারের দাবীতে মুক্তিযোদ্ধা, জনপ্রতিনিধি ও সাধারন মানুষদের মানববন্ধন পালিত হয়েছে। দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী গত প্রায় ১ বছর আগে খুলনার পাইকগাছা থেকে বদলী হয়ে দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে যোগদান করেন। যোদগান পরবর্তী তিনি দেবহাটা উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা, অবৈধ দখলদারদের নিকট থেকে সরকারী ভূমি উদ্ধার করে সেখানে প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর নির্মান, অবৈধভাবে ইছামতি নদী থেকে বালু কাটা বন্ধ করাসহ দেবহাটা উপজেলাকে একটি আধুনিক উপজেলা গড়ার লক্ষ্যে কাজ শুরু করেন। যার কারনে কিছু অশুভ চক্রের রোষানালে পড়েন ইউএনও এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী।

সেই অশুভ চক্রটি ইউএনওর বদলী করিয়েছেন বলে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা, জনপ্রতিনিধিসহ সাধারন মানুষের অভিযোগ। গত সপ্তাহে ইউএনওর বদলীর আদেশ আসলে তারা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। যার কারনে রবিবার ১৩ নভেম্বর, ২২ ইং সকাল সাড়ে ১০ টার সময় দেবহাটা উপজেলার পরিষদের সামনে দেবহাটা-সখিপুর সড়কে মুক্তিযোদ্ধা, জনপ্রতিনিধিদের ব্যানারে দীর্ঘক্ষন মানববন্ধন করা হয়। উক্ত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন দেবহাটা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা ইয়াছিন আলী, দেবহাটা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান সবুজ, দেবহাটা ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী ইদ্রিস, বীর মুক্তিযোদ্ধা যুদ্ধকালীন কমান্ডার মোফাজ্জেল হোসেন মোফা,

সখিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম, ইউপি সদস্য মাহবুবুর রহমান বাবলু, ইউপি সদস্য হীরা, ইউপি সদস্যা ফারহানা পারভিন,প্রেসক্লাব সভাপতি মীর খায়রুল আলম, রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম প্রমুখ। এসময় বক্তারা বলেন, ইউএনও খালিদ হোসেন একজন কর্মমুখর মানুষ। তিনি সার্বক্ষনিক সাধারন মানুষের সেবায় কাজ করেন। সরকারী নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে তিনি কখনো কার্পন্য করেননা। বক্তারা বলেন, ইউএনও খালিদ হোসেনকে যেকোন সময় যেকোন প্রয়োজনে মানুষ কাছে পায়। তিনি যোগদানের পরে উপজেলার চেহারা পরিবর্তন করে দিয়েছেন। যেসকল অশুভ চক্র ইউএনওর নিকট থেকে অবৈধ সুবিধা নিতে পারেননি তারাই ইউএনওর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে তাকে বদলীর আদেশ করিয়েছে। বক্তারা ইউএনওর বদলীর আদেশ স্থগিত করতে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করে বলেন, সরকারের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে, সকল কাজ বাস্তবায়ন করতে এবং সাধারন মানুষের দাবীর প্রেক্ষিতে ইউএনও খালিদ হোসেনের বদলীর আদেশটি স্থগিত করা হোক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরা জেলা মাসিক আইন-শৃংখলা বিষয়ক কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা প্রশাসনের আয়োজনে রবিবার সকালে জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, আইন-শৃংখলা বিষয়ক কমিটির উপদেষ্টা সাতক্ষীরা সদর আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি।
সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির’র সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার কাজী মনিরুজ্জামান, সিভিল সার্জন ডা. মো. সবিজুর রহমান, পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি, কলারোয়া পৌর মেয়র আমিনুল ইসলাম বুলবুল,

দেবহাটা উপজেলা চেয়ারম্যান মুজিবর রহমান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা তুজ জোহরা, দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম খালিদ হোসেন, শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আকতার হোসেন, সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী নিজাম উদ্দিন,

সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপী, জজ কোর্টের পিপি এ্যাড. আব্দুল লতিফ, জেলা সমাজসেবা অধিদফতরের উপরিচালক সন্তোষ কুমার নাথ, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার অজিত কুমার সরকার, জেলা হিন্দু বৈদ্ধ্য খ্রিস্ট্রান ঐক্য পরিষদের সভাপতি বিশ^জিৎ সাধু, পরিবেশ অধিদপ্তর সাতক্ষীরার সহকারি পরিচালক সরদার শরিফুল ইসলাম, জেলা তথ্য অফিসার জাহারুল ইসলাম প্রমুখ।

সভায় এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়ি বহর হামলা মামলার অগ্রগতি, মাদক ও চোরাচালান মামলায় দ্রুত জামিন বন্ধে পাবলিক প্রসিউকিটরদের কার্যকর ভূমিকা, সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল স্থানান্তর অগ্রগতি, পৌর এলাকার জানজট নিরসনে শহরের পৌরসভার অন্তভূক্ত ইজিবাইকসহ অন্যান্য যানের কালার চিহ্নিতকরণসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সমগ্র অনুষ্ঠান মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরের মাধ্যমে সঞ্চালনা করেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রেজা রশিদ।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
ভোমরায় কথিত আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির নামে অবৈধভাবে টাকা উত্তোলন শুরু হয়েছে। উক্ত চাঁদাবাজি বন্ধের জন্য জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভোমরা সিএন্ডএফ এজেন্টস এসোসিয়েশন। একই সাথে উক্ত চাঁদা না দেওয়ার জন্য সকল সিএন্ডএফ সদস্যগণকে অনুরোধ করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক বরাবর ভোমরা সিএন্ডএফ এজেন্টস এসোসিয়েশন এর সাধারণ সম্পাদক এএসএম মাকছুদ খান স্বাক্ষরিত আবেদনে বলা হয়েছে, ১২ নভেম্বর শনিবার সন্ধ্যা ৭টায় সাতক্ষীরা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এর সভাকক্ষে ভোমরা সিএন্ডএফ এজেন্টস এসোসিয়েশনের সভাপতি কাজী নওশাদ দিলওয়ার এর সভাপতিত্বে ও সাতক্ষীরা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এর সভাপতি নাসিম ফারুক খান মিঠুর সমন্বয়ে কথিত ভোমরা আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতি কর্তৃক অবৈধভাবে টাকা উত্তোলন বন্ধকরণ বিষয়ে এক জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ভোমরা সিএন্ডএফ এজেন্টস এসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি শেখ এজাজ আহমেদ স্বপন, সাধারণ সম্পাদক এ এস এম মাকছুদ খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জি এম আমির হামজা, সাংগঠনিক, বন্দর, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক দিপংকর ঘোষ, অর্থ সম্পাদক মোঃ আধু মুছা, কার্যকরী সদস্য আশরাফুজ্জামান আশু।

উক্ত সভায় উপস্থিত সকলের পক্ষ থেকে জোর দাবী জানানো হয় যে, কথিত ভোমরা আমদানি রপ্তানিকারক সমিতি’র নামে অবৈধভাবে যে টাকা উত্তোলন করা হচ্ছে, অবিলম্বে তা বন্ধ করতে হবে। এছাড়া আরো দাবী জানানো হয় যে, উক্ত বিষয়ে এমপি, ডিসি, এসপিসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিতভাবে অবহিত করা হবে। অন্যথায়, এ কারণে ভোমরা স্থলবন্দরে কোন ধরনের উদ্ভূত পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে ভোমরা সিএন্ডএফ এজেন্টস এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে তার কোনপ্রকার দায়ভার গ্রহণ করা হবে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরায় অস্ত্রসহ সন্ত্রাসী সুকুমার দাস কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৬। গ্রেফতারকৃত সন্ত্রাসী পাটকেলঘাটার এলাকার বাসিন্দা।

গোপন সংবাদের ১২ নভেম্বর রাতে পাটকেলঘাটা থানার খলিষখালী এলাকায় থেকে তাকে গ্রেফতার করে। এসময় তার কাছ থেকে ১টি ওয়ান শুটার গান, ৪ রাউন্ড গুলি ও ১টি মোবাইল উদ্ধার করা হয়।

১৩ নভেম্বর বেলা সাড়ে ১১টায় র‌্যাব-৬ সাতক্ষীরার পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়টি জানানো হয়েছে।

র‌্যাব-৬ সাতক্ষীরার কোম্পানি কমান্ডার মেজর দয়াল জানান, র‌্যাব গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা থানা এলাকায় কতিপয় ব্যক্তি মাদকদ্রব্য ক্রয় বিক্রয়ের উদেশ্যে অবস্থান করছে। এমন খবরে র‌্যাব সদস্যরা পাটকেলঘাটা থানাধীন খলিশখালী এলাকায় আভিযান পরিচালনা করে অস্ত্রসহ সুকুমার দাস(৬৫) কে গ্রেফতার করে। এ সময় তার কাছ থেকে অস্ত্র গুলি এবং মোবাইল উদ্ধার করা হয়। জব্দকৃত আলামত ও গ্রেফতারকৃত আসামীকে পাটকেলঘাট থানায় করে আসামীর বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার আশাশুনির কাদাকাটি আরার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাষ্টদ্রোহী মামলার আসামী জামায়াত ক্যাডার বদিউজ্জামানের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্যের মাধ্যমে অর্ধকোটি টাকা আত্মসাতের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন, আশাশুনি কাদাকাটি গ্রামের মরহুম আলহাজ¦ দাউদ হোসেনের পুত্র একেএম ফজলুল হক। লিখিত অভিযোগে তিনি বলেন, কাদাকাটি ইউনিয়নের কাদাকাটি গ্রামে ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী কাদাকাটি আরার মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি অত্র এলাকার কিছু গুনি মানুষ প্রতিষ্ঠা করেন। বিদ্যালয়টির জমিদাতা ছিলেন আমার পিতা।

অত্র বিদ্যালয়ে আমি প্রথম ব্যাচের ছাত্র ছিলাম। অত্র বিদ্যালয় থেকে ইতোপূর্বে বহু শিক্ষার্থী ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার শিক্ষকসহ বহু সরকারি-বেসরকারি পেশায় নিয়োজিত আছেন। কিন্তু ২০১৩ সালে চিহ্নিত জামাত ক্যাডার বদিউজ্জামান প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদানের পর থেকে বিদ্যালয়টি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌছে গেছে। শিক্ষাদানের পরিবর্তে প্রধান শিক্ষক এখন নিয়োগ বাণিজ্যসহ বিভিন্ন কৌশলে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার কাজে ব্যস্ত রয়েছেন। ফলে বিদ্যালয়টির শিক্ষার মান ক্ষুন্ন হওয়ার পাশাপাশি বিদ্যালয়টির দীর্ঘদিনের অর্জিত সুনাম নষ্ট হচ্ছে। হাতিয়ে নিচ্ছেন শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির টাকা।

গ্রামে বহু শিক্ষিত ছেলে বেকার থাকা সত্ত্বেও গোপনে চাকরির বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই অন্য এলাকা থেকে ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগ দিয়ে ২০ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে প্রধান শিক্ষক নিজেই স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। এছাড়া ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারী ঝাড়–দার মো: জোহর আলীকে ২ মাস আগে অবসর দিয়ে তার ছিলে মো: সাইফুল্লাহকে চাকুরির প্রলোভন দেখিয়ে ৩লক্ষ ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

প্রধান শিক্ষক বদিউজ্জামান সাতক্ষীরা পৌর ৫নং ওয়ার্ড জামায়াতের আমীর। তার বিরুদ্ধে রাষ্টদ্রোহী ও নাশকতার মামলার যথাক্রমে ৩৮, জি আর ৮৩/১৩, তাং- ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, মামলা নং- ৪০, জি আর ২৯১/১৪, তারিখ- ১২ এপ্রিল ২০১৪। তিনি জামায়াতের সংগঠনের উচ্চপদে জড়িত থাকার কারনে সময়মত স্কুলে আসেন না। আসলেও সর্বোচ্চ এক ঘন্টা স্কুলে উপস্থিত থাকেন। সাতক্ষীরা শহরসহ জেলার বিভিন্ন অঞ্চলের জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের নিয়ে বিদ্যালয়ে গোপনে মিটিং করে বলে এলাকাবাসী ধারনা করছেন।

বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে মূল্যবান মেহগনি গাছ উধ্বর্তন কর্মকর্তার অনুমতি ছাড়াই বিক্রয় করে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন। আমার বিশ^স্ত সূত্রে জানাতে পারলাম স্কুলের সিসি ক্যামেরা বন্ধ করে পুরাতন রড বিক্রয় ও স্কুল গৃহের ছাদ পুরাতন রড দিয়ে ঢালাই দিয়েছেন। তিনি ঐতিহ্যবাহী কাদাকাটি আরার মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক, জেলা শিক্ষাসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার কাকবাসিয়া বঙ্গবন্ধু মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য নির্বাচনে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা পারভীন সুলতানা এর বিরুদ্ধে স্বজনপ্রীতি, আত্মীকরণ ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে কাকবাসিয়া গ্রামের মৃত কোমরউদ্দীন গাজীর ছেলে মোঃ শামছুর রহমান গাজী এই অভিযোগ করেন। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, দূর্নীতির মাধ্যমে পারভীন সুলতানা কাকবাসিয়া বঙ্গবন্ধু মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকার দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে প্রতিষ্ঠানটির সুনাম নষ্ট হওয়া শুরু করে।

বর্তমান প্রতিষ্ঠানটি দূনীতি গ্রস্থ প্রতিষ্ঠান হিসাবে চিহ্নিত হয়েছে। আমারা এলাকার ছেলে মেয়েদের অবিভাবক হিসাবে নিরবে তাকিয়ে থাকতে পারছিনা।

কোন অভিজ্ঞতা ও শিক্ষাগত যোগ্যতা ছাড়াই পারভীন সুলতানা থার্ড ক্লাস থাকা সত্বেও সার্টিফিকেট জাল জালিয়াতি করে এই বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকার দায়িত্ব পেয়েছেন। তার স্বামী শিহাবুদ্দীন এর সহায়াতায় দলীয় প্রভাব খাটিয়ে স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির কোন সদস্যকে তোয়াক্কা না করে অবৈধ বোর্ড গঠন করে তিনি সহকারি প্রধান শিক্ষিকা হিসাবে নিয়োগ পান। মোঃ রেজাউল করিম বাদী হয়ে পারভীন সুলতানার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয় দেওয়ানী আদালতে ১৩৫/২০০২ নং মামলা দয়ের করেন। উক্ত মামলায় পারভীন সুলতানাকে অবৈধ এবং অযোগ্য ঘোষনা করা হয়।

শামছুর রহমান গাজী আরো বলেন, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা পারভীন সুলতানা ১৩৫/২০০২ নং মামলার রায়ের বিরুদ্ধে দেওয়ানি আপিল ২৬/১১ নং মামলা দায়ের করলে আদালত তার আফিল খারিজ করেন। পরবর্তিতে পারভীন সুলতানা উক্ত খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত জেলা-জজ ২নং আদালতে মিস ০৩/২০১৭ নং মামলা দায়ের করে অদ্যবধি বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আমরা অবিভাবক এবং গ্রামবাসীরা লক্ষ্য করছি অনিয়ম, দূর্নীতি ও সেচ্ছাচারিতা ছাড়া স্বাভাবিক ভাবে তিনি প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত করছে না। বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানের কিছু শুন্য পদ আছে। সেখোনে নিয়োগ বানিজ্য করার লক্ষে তিনি নিজের ছেলেকে প্রতিষ্ঠানের দাতা সদস্য বানানোর জন্য ষড়যন্ত্র শুরু করেন। তিনি সম্পূর্ন গোপন করে নামে মাত্র পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে সমস্ত পত্রিকাগুলো একাই ক্রয় করেন। যার কারনে ওইদিন প্রকাশিত পত্রিকাটি বাইরে প্রকাশ করতে না দিয়ে দূনীতির পথ অবলম্বন করে তার ছেলে ইয়ামিনকে দাতা সদস্য তৈরি করেছেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ শামছুর রহমান দাতা সদস্য হওয়ার জন্য বিদ্যালয়ে গিয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকার কাছে কয়েকবার খোজখবর নেন। কিন্তু তিনি এই দাতা সদস্য হওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ন গোপন করেন। পরবর্তীতে ৫ নভেম্বর আমরা অবিভাবকরা জানতে পেরেছি যে, বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য করা হয়েছে অবৈধভাবে নিয়োগকৃত ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকার ছেলে মোঃ ইয়ামিনকে। কোন নোটিশ ও প্রচার প্রচারনা ছাড়াই কি করে তিনি দাতা সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন তা আমাদের বোধগম্য নয়। তিনি দূনীতি, অনিয়ম ও সেচ্ছাচারিতার উর্দ্ধে থেকে বঙ্গবন্ধু মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি পরিচালিত হোকা সেই আশা ব্যক্ত করে স্বচ্ছতার সাথে দাতা সদস্য গঠন প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করার জোর দাবি জানান। একই সাথে তিনি কাকবাসিয়া বঙ্গবন্ধু মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য পদটি বাতিল করে সকলের উপস্থিতিতে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় দাতা সদস্য গঠনে সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest