সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের শিক্ষককের সাথে অশালিন আচরণের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ : কোচিং সীলগালাআশাশুনিতে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের অধিকার রক্ষায় অ্যাডভোকেসিদেবহাটা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ডালিমের মৃত্যুরেকর্ডীয় সম্পত্তিতে জোর পূর্বক ঢালাই রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ নলতা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমানের বিরুদ্ধেতালা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচনআশাশুনিতে অবঃ শিক্ষক-কর্মচারী ফোরাম গঠনআশাশুনিতে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রের সচিব ও ট্যাগ অফিসারকে অব্যাহতিসাতক্ষীরা জেলা হিউম্যান রাইটস জার্নালিষ্ট নেটওয়ার্কের কমিটি গঠনসাতক্ষীরায় ব্র্যাকের দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি পরিদর্শনব্রহ্মরাজপুরে ভেজাল দুধ তৈরির দায়ে জরিমানা – ৬ মাসের কারাদণ্ড

আশাশুনিতে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

আশাশুনি প্রতিনিধি: ভোলায় বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশে পুলিশের গুলিতে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আব্দুর রহিম ও জেলা ছাত্রদলের সভাপতি নুরে আলম হত্যার প্রতিবাদে আশাশুনিতে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে সদরের ব্রাক অফিসের সামনে উপজেলা যুবদলের আয়োজনে একটি বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে আশাশুনি-ঘোলা সড়ক প্রদক্ষিণ করে বটতলা চত্বরে প্রতিবাদ সমাবেশ করে।

যুবদলের আহ্বায়ক শরিফুল আহসান টোকন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মশিউল হুদা তুহিন।

বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক আমীর হোসেন বাদশা, যুগ্ম-আহ্বায়ক মিজানুর রহমান, যুবদলের সদস্য সচিব আবু জাহিদ সোহাগ, যুগ্ম-আহ্বায়ক হাফিজুল ইসলাম, আব্দুর রহিম, সাদিক আনোয়ার ছট্টু, রফিকুল ইসলাম, সেকেন্দার আলী বাদশা, যুবদল নেতা শফিউল আলম সুজন, বড়বাবু, শামীম রেজা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন শ্রীউলা ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম, রাজু আহমেদ, বড়দলের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম, আনুলিয়ার যুগ্ম আহ্বায়ক হাফিজুল ইসলাম, সদর ইউনিয়নের সদস্য সচিব হাসেমুজ্জামান হাসেম, প্রতাপনগরের আহ্বায়ক কেরামত আলী, সদস্য সচিব শফিকুল ইসলাম ও জোবায়ের আহমেদ প্রমুখ।

সমাবেশে বক্তারা ভোলায় বিএনপির শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ সমাবেশে পুলিশের গুলিতে নিহত দুই নেতা হত্যায় জড়িতদের বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়ে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি এবং পাশাপাশি নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচনের দাবি জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার থানাঘাটায় পীরত্ত্ব সম্পত্তি রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরা সদরের থানাঘাটা পীর শাহ মিয়া সাহেবের সম্পত্তি রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৪ জুলাই বৃহস্পতিবার সকালে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে সদর উপজেলার থানাঘাটা পীর শাহ মিয়া সাহেবের মাজার সম্পত্তি রক্ষা কমিটির আয়োজনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

সভাপতিত্ব করেন থানাঘাটা পীর শাহ মিয়া সাহেবের সম্পত্তি রক্ষা কমিটির সভাপতি ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সরদার নজরুল ইসলাম।

থানাঘাটা পীর শাহ মিয়া সাহেবের মাজারে সম্পত্তি রক্ষা কমিটির আয়োজনে মানববন্ধনে জেলা ভুমিহীন সমিতির সহ-সভাপতি শেখ শওকত আলীর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, জেলা ভুমিহীন সমিতির সভাপতি কওছার আলি, জেলা গনফোরামের সভাপতি আলী নুর বাবুল, জেলা ভুমিহীন সমিতির সাধারন সম্পাদক আব্দুস সামাদ গাজী,

জেলা নদী বন ও পরিবেশ রক্ষা কমিটির সভাপতি আদিত্য মল্লিক, সহ-সভাপতি মানবাধিকার কর্মী শেখ ফারুক হোসেন, সাংবাদিক সেলিম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, জেলা ভুমিহীন সমিতির সহ-সভাপতি শেখ হাফিজুর রহমান, ভুমিহীন নেতা ইউসুফ আলী, আশিক ইকবাল বাপ্পী, মাস্টার সুচিনচন্দ্র নাথ পাইক, লাবসা ভুমিহীন সমিতির সভাপতি শেখ রিয়াজুল ইসলাম, থানাঘাটা রওজা শরীফের সম্পত্তি রক্ষা কমিটির সাধারন সম্পাদক শেখ ফারুক হোসেন, শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ইসলাম ও ইসলামী ঐতিহ্য ধ্বংস করতে দেওয়া হবে না। লাবসার থানাঘাটা এলাকার মৃত আবুল হোসেনের পুত্র দখলবাজ ভুমিদস্যু কাজী আবু তাহের, কাজী আবু হায়দার পীরের ৩২ বিঘা সম্পত্তি ভোগদখল করে খাচ্ছে। এমনকি কৌশলে রেকর্ড করে অনেক জমি পীরে সম্পত্তি বিক্রি করে আত্মসাত করেছে। কীভাবে এই পীরত্ত্ব জমি রেকর্ড হয়। সনাতন ধর্মের এক ব্যক্তি এ দরগায় জমি দান করেছে। সেটি অন্যের নামে রেকর্ড হয় কীভাবে?

বক্তারা আরও বলেন পীরের সম্পত্তি বে-দখল হওয়া থেকে আমরা মুক্ত করবো-ইনশাল্লাহ। এই ভুমিদস্যুদের হাত থেকে পীরে জমি ফিরে দেওয়ার প্রশাসনের কাছে দাবি জানায়। আর যদি প্রশাসন ভুমিদস্যুদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে আগামীতে আমরা কঠোর আন্দোলনে হবে। পীরের সম্পত্তি রক্ষায় সেই আন্দোলনে সবাইকে অংশগ্রহণ করতে হবে। ৫ জুলাই থানাঘাটায় জুম্মা বাদ কর্মসূচী দেওয়া হয়েছে। কর্মসুচীতে সকল সামাজিক সংগঠনের ও সকল মানুষের অংশগ্রহনের জন্য আহবান জানান বক্তারা। পীর সাহেবের দরগায় শরীরের জমি রক্ষা করতে শেষ রক্তবিন্দু থাকা পর্যন্ত আমরা এর প্রতিবাদ করে যাব।

মানববন্ধনে, ভুমিহীন সমিতির নেতা মগবুল হোসেনসহ ভুমিহীন নেতা ও মহিলা নেত্রী সাহিদা আক্তার ময়না সহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও গ্রামবাসি উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটার শতবছরের ঐতিহ্যবাহী বটগাছটি ঘিরে গড়ে উঠতে পারে পর্যটনশিল্প

দেবহাটা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা উপজেলা একটি ঐতিহ্যবাহী ও বহু প্রাচীন ইতিহাসের ধারক ও বাহক উপজেলা হিসেবে পরিচিত। এখানে বৃটিশ আমলে ছিল পৌরসভা ও জমিদারদের বসবাস।

উপজেলা সদর থেকে টাউনশ্রীপুর পর্যন্ত মাত্র সাড়ে ৩ কিঃমিঃ এর মধ্যে ছিল ১৮ জন জমিদারের বসবাস। সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে এই টাউনশ্রীপুরে বাংলাদেশের দ্বিতীয় পৌরসভা ছিল। যার নাম ছিল দেবহাটা মিউনিসিপ্যালিটি এবং প্রতিষ্টা হয়েছিল ১৮৬৮ সালে। আর ১৯৫৫ সালে সেই পৌরসভার বিলুপ্তি ঘটে।

পৌরসভার চেয়ারম্যান ছিলেন জমিদারদের প্রধান বাবু ফনীভূষন মন্ডল। ফনীভূষন মন্ডল দেবহাটার উন্নয়নের স্বার্থে অনেক উন্নয়নমূলক কাজ করে গেছেন।

যার নিদর্শন স্বরুপ আছে দেবহাটা থানা ভবন, স্কুল, হাসপাতাল সহ বিভিন্ন স্থাপনা। তেমনি এখানে আরেকটি বড় ঐতিহ্যবাহী জিনিষ হচ্ছে সদরের শতবছরের প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী একটি বটগাছ। যার অপর নাম বনবিবিতলা। দেবহাটা উপজেলা সদর থেকে মাত্র ২ শত গজ পূর্বে এই গাছটি অবস্থিত। যে বটগাছটিকে ঘিরে রহস্য ও কৌতুহলের শেষ নেই। গাছটির না জানে কেউ জন্ম সাল বা না জানে কেউ জন্মের রহস্য। কথিত আছে শত বছরের পূর্বে একটি কাক উড়ে যাওয়ার সময় এখানে একটি ফল ফেলে দেয়। আর সেই ফল থেকেই এই গাছটির জন্ম। যে গাছটি এখন বিশাল বিস্তৃতি ঘটেছে।

তবে আসল গাছ যে কোনটি সেটা কেউ বলতে পারেনা। জানা যায়, গাছটি যেখানে অবস্থিত সে জায়গাটির মালিক ছিলেন জমিদার ফনীভূষন মন্ডল। সেসময় অনেকে গাছটি কাটতে চাইলে ফনীবাবু গাছটিকে দেবতা মনে করে হিন্দুদের প্রথা অনুযায়ী গাছটিকে কাটতে দেননি। সেসময় থেকে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা বাংলা ১লা মাঘ তারিখে গাছটিকে দেবতা মনে করে কলা, মিষ্টি, দুধ, মুরগী সহ বিভিন্ন জিনিষ দিয়ে মানত করত। বনবিবি মা সকলের মনবাসনা পূরন করে দিতেন বলে অনেকে জানান। পরবর্তীতে জমিদার ফনীভূষন গাছটিকে রক্ষানাবেক্ষনের জন্য জসিমউদ্দীন কারিকার নামে একজনকে দায়িত্ব দেন।

জসিমউদ্দীন দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে এখানে হিন্দুদের পাশাপাশি মুসলমানেরাও যাওয়া শুরু করে। জসিমউদ্দীন কারিকারের মৃত্যুর পর তার ছেলে আইজুদ্দীন কারিকার গাছটিকে দেখাশুনা করত। সেখান থেকে আজ পর্যন্ত এখানে ১লা মাঘ তারিখে বনবিবি মার নামে মেলা বসে। এই সুন্দর ও মনোরম জায়গাটি একদিকে যেমন হয়ে উঠতে পারে সরকারের রাজস্ব আয়ের একটি পহ্না ঠিক তেমনি হয়ে উঠতে পারে ভ্রমন পিপাসুদের বেড়ানোর মনোরম স্থান। কথিত আছে অনেক বছর আগে কোন এক ব্যক্তি এই গাছটির ডাল কাটলে গেলে সে এমন ভয়ঙ্কর জিনিষ দেখে যে দুইদিনের মধ্যে সে মারা যায়। এখানে অনেক দূর দূরান্ত থেকে মানুষেরা বেড়ানোর জন্য আসেন। অনেকে আবার বনভোজনের উদ্দ্যেশ্যেও এখানে আসেন। তাই এই ঐতিহ্যবাহী স্থানটিকে ঘিরে সরকারী বা বেসরকারী পর্যায়ে গড়ে উঠতে পারে একটি পর্যটন কেন্দ্র। দেবহাটা উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে প্রতিবছর পহেলা বৈশাখ এই বনবিবিতলায় জাকজমকপূর্নভাবে অনুষ্ঠিত হয়। ঐদিনে এখানে বিভিন্ন লোকজ ও বাউল সঙ্গীত সহ দেশী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। তাই স্থানীয়দের দাবী এই ঐতিহ্যবাহী স্থানটিকে আরো সুন্দর ও নান্দনিক করে গড়ে তুলতে সরকারীভাবে উদ্যোগ গ্রহন করা হোক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় মেডিকেল কলেজের নবাগত ইনটার্ণ চিকিৎসকদের বরণ

নিজস্ব প্রতিনিধি : ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের নবাগত ইনটার্ণ চিকিৎসকদের নবীন বরণ ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ আগস্ট) বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা মেডিকেল হাসপাতালের আয়োজনে
মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সম্মেলন কক্ষে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. শেখ কুদরত -ই- খুদা’র সভাপতিত্বে নবীন বরণ
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও সদর-২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি।

শোকাবহ আগস্টে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারসহ ২১ আগস্টে যারা শহিদ হয়েছেন সে সকল শহিদদের প্রতি গভীর
শ্রদ্ধা নিবেদন করে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা এমপি রবি বলেন, “সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ বাংলাদেশের সেরা কলেজের তালিকায় অবস্থান করে নিয়েছে। নবাগত ইনটার্ণ চিকিৎসকদেরকে এই কলেজের সুনাম ধরে রাখতে হবে।
ডাক্তারী পেশা একটি মহৎ পেশা। এই সেবামূলক পেশার মর্যদা রক্ষা করতে হবে।

মানব সেবার ব্রত নিয়ে নবাগতদের সামনে দিকে এগিয়ে যেতে হবে এবং সেই সাথে পিতা-মাতার স্বপ্ন পূরণ করতে হবে।’ বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. রুহুল কুদ্দুছ, সাতক্ষীরা বি এম এ’র সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. মনোয়ার হোসেন, স্বাচিপের সাতক্ষীরা জেলা সভাপতি ডা. মো. মোকলেছুর রহমান,

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের একাডেমিক কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক ডা. এ.এইচ.এস.এম কামরুজ্জামান, সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. অজয় কুমার সাহা, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গাইনি বিভাগীয় প্রধান ডা. শংকর
কুমার প্রসাদ, মেডিসিন বিভাগীয় প্রধান ডা. কাজী আরিফ আহমেদ,

মেডিকেল কলেজের কার্ডিওলজি কনসালটেন্ট ডা. সুমন কুমার দাস প্রমুখ। এ অভ্যার্থনা প্রদান অনুষ্ঠানে ৭০ জন নবাগত ইনটার্ণ চিকিৎসককে ফুল ও উপহার দিয়ে অভ্যর্থনা জানানো হয়। এসময় নবাগত ইনটার্ণ চিকিৎসকদের শপথ বাক্য পাঠ করান সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. শেখ কুদরত-ই-খুদা।
মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরের মাধ্যমে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচিতি উপস্থাপন করেন সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আর এম ও ডা. আহমেদ আল মারুফ। এসময় সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক ও নবাগত ইনটার্ণ
চিকিৎসকগণ উপস্থিত ছিলেন। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ডা. মাহমুদুল হাসান পলাশ ও ডা. সুতপা চ্যাটার্জি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার দাবীতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন

আসাদুজ্জামান : সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার দাবীতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন কর্মসুচি পালিত হয়েছে।

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা কমিটি সাতক্ষীরার জেলার শাখার আয়োজনে বৃস্পতিবার সকাল ১০ টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবরে সামনে উক্ত মানববন্ধন কর্মসুচি পালিত হয়।

সংগঠনটির সাতক্ষীরার আহবায়ক অধ্যক্ষ আশেক-ই-এলাহীর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব আলীনুর খান বাবুলের সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য রাখনে, সাতক্ষীরা সরকারি কলেেজ সাবেক অধ্যক্ষ আব্দুল হামিদ,

প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক কল্যাণ ব্যানার্জি, জাসদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি ওবায়দুস সুলতান বাবলু, সিপিবির জেলা সভাপতি আবুল হোসেন, জেলা নাগরিক কমিটির যুগ্ন-আহবায়ক অ্যাড. আজাদ হোসেন বেলাল,

বাংলাদেশ জাসদের জেলা সাধারন সম্পাদক ইদ্রিস আলী, জেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীস্টান ঐক্য পরষিদরে সাধারণ সম্পাদক স্বপন কুমার শীল, উদিচী সাতক্ষীরার সভাপতি শেখ সিদ্দিকুর রহমান, ডাঃ সুশান্ত ঘোষ, বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা সুশিলনের সহকারী পরিচালক জি.এম মনিরুজ্জামান, জেলা ভুমিহীন সমিতির সভাপতি কওসার আলী প্রমুখ।

বক্তরা বলনে, সারাদেশে যেভাবে সাম্প্রদায়কি শক্তি মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে তা খুবই উদ্বেগ জনক।

এ জেলায় যাতে কেউ কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটাতে না পারে সেজন্য সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা আহবান জানান বক্তারা। বক্তারা এ সময় আসন্ন দূর্গাপূজাকে সামনে রেখে প্রশাসনের নজরদারী বাড়ানোর দাবী জানান। একই সাথে তারা দেশব্যাপী সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট কারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জোরদাবী জানান।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের উপ-সম্পাদক হলেন আশাশুনির ইসরাফিল

নিজস্ব প্রতিনিধি :

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের উপ-কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মনোনীত হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০১৪-১৫ সেশন ও বঙ্গবন্ধু হলের মেধাবী শিক্ষার্থী এবং সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার চেউটিয়া গ্রামের কৃতি সন্তান সরদার মোঃ ইসরাফিল । ৩১ শে জুলাই সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত পত্রে তথ্য জানানো হয়।

ইতিপূর্বে ইসরাফিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু হলের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ২০১৮ -২০২২ সাল পর্যন্ত হল ছাত্রলীগের সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিত করেন।

এদিকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্র কমিটির উপ কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মনোনীত হওয়ায় কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের ধন্যবাদ জানিয়ে বৃহস্পতিবার সকালে তার গ্রামের বাড়ির এলাকায় মিষ্টি বিতরণ করা হয়েছে।

ইসরাফিল সাংবাদিকদের জানান, জাতির পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়নে দেশরত্ন শেখ হাসিনার হাত ধরে উন্নত-সমৃদ্ধ,অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মানের গর্বিত অংশীদার হওয়ার স্বপ্ন দেখি। এই স্বপ্ন যাত্রায় আমি সকলের দোয়া প্রার্থী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পানি খাওয়ার অপরাধে শিক্ষার্থীর হাত ভেঙে দিল শিক্ষক !

মেহেদী হাসান মারুফ, শ্যামনগর :
সাতক্ষীরার শ্যামনগরের ১০৩ নম্বর সেন্ট্রাল আবাদ চন্ডিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে হাত ভেঙে দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থী বাবা আবুল হোসেন।

অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম এস এম শহিদুল ইসলাম। আবাদ চন্ডিপুর বনবিবি তলার মৃত নুরবান সরদারের পুত্র তিনি। আহত শিক্ষার্থী আবুল হোসেন মেয়ে আনিসা আক্তার ঐ‌ বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থী ।

আহত আনিসা শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা গ্রহণ করে।

গত শনিবার ১ আগষ্ট ২ টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। তানিশা বলেন পানি খাওয়ার অপরাধে ওই দিন আরো ৭ জনকে পিটিয়ে জখম করা হয়।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে শিক্ষক শহিদুল ইসলাম মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছে। তবে তাঁর ব্যবহারিত মুঠোফোন নম্বরটি বন্ধ পাওয়া গেছে।

জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সৌভিক রায় বলেন, শিক্ষার্থীদের মারধর করেছে বলে শুনেছি। তবে আমি তখন বিদ্যালয়ে ছিলাম না। উপজেলা মাসিক মিটিং ছিলাম। পরে ঘটনাটি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে জানিয়েছি।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রফিজ মিয়া জানান, আমি প্রধান শিক্ষকের কাছে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছি, যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি, উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম জানান আমি প্রধান শিক্ষককে নির্দেশনা দিয়েছি সহকারী শিক্ষক শহিদুল ইসলামকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার জন্য।

এ ঘটনায় জড়িত সরকারি শিক্ষক এসএম শহিদুল ইসলামকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আহ্বান জানিয়েছে অভিভাবক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় মাদক মামলার আসামী হবি কর্তৃক সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ সাতক্ষীরায় ইটভাটায় কাজের প্রতিশ্রুতিতে ২ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা নিয়ে কাজ না করায় এবং ফেরত না দিয়ে মাদক মামলার আসামী হবি কর্তৃক উল্টো সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে উক্ত সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন, সদরের বল্লী ইউনিয়নের ভাটপাড়া গ্রামের মৃত শেখ গোলাম সরোয়ারের পুত্র ভুক্তভোগী সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শেখ হাবিবুর রহমান।

তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সাথে ভাটপাড়ায় ইটভাটা পরিচালনা করে আসছি। গতবছর ইটভাটার মিল নেওয়ার জন্য প্রতিবেশী কিনু সরদারের পুত্র হাবিবুর রহমান হবির শ্যালক তালার জালালপুর গ্রামের শাহাজানকে নিয়ে আমার কাছে আসেন হবি এবং দাদন হিসেবে টাকা দাবি করেন। সে সময় আমি বলি “আমি শাহাজানকে চিনি না, যদি হবি টাকার সকল দায় দায়িত্ব নেয় তাহলে আমি টাকা দিতে পারি। সে সময় হবি সকল দায়দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং এক পর্যায়ে হবির বাড়িতে বসেই তার মেঝ ভাই বজলুর রহমানের মাধ্যমে ২০ হাজার টাকা দিয়ে বায়না করি।

সে সময় তাদের বাড়ির অন্যান্য সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। এরপরও বিভিন্ন সময়ে মোট ২লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা আমি হবির কাছেই প্রদান করি। সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল মাজেদ টাকার দেওয়ার বিষয়টির স্বাক্ষী আছেন। কিন্তু ভাটার মৌসুম চালু হলেও তারা ভাটায় ওঠেননি। তারা ভাটায় না ওঠায় হবির কাছে টাকা ফেরত চাইলে আজ দেই, কাল দেই করে তালবাহানা করতে থাকেন। এ বিষয়ে তার বড় ভাই মতিয়ারের কাছে অভিযোগ করলে তিনি ২ লক্ষ টাকা এখনি দেবেন এবং বাকী টাকা পরে দেবেন বলে আশ^াস দিলেও পরবর্তীতে কোন টাকা দেননি। এখন ওই বজলুর রহমান বলছেন আমি যে ২০ হাজার টাকা হাতে করে নিয়েছি সেই টাকা আমি দিতে পারি। বাকী টাকা হবির কাছে দিয়েছো তার কাছ থেকেই নাও। তিনি আরো বলেন, হবি ও তার ভাই বজলু প্রতারক ও পর সম্পদ আত্মসাতকারী। ইউনিয়নের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সুভাষের সন্তানকে চাকুরি দেওয়ার নামে ৪ লক্ষ টাকা আত্মসাত করেছেন। যার প্রমান আমাদের কাছে সংরক্ষিত আছে। এছাড়া গোপালগঞ্জে ফেন্সিডিলের চালানসহ গ্রেফতার হয় হবি।

তারপরও প্রতিবেশি হিসেবে আমার কাছে তার শ্যালকের মিল দেওয়ার জন্য দাদন চাইলে আমি সরল মনে টাকা দেই। তবে পুরোটাকাই আমার কাছ থেকে গ্রহণ করে হবি। তিনি ওই টাকা তার শ্যালক শাহাজানকে দিয়েছেন কি না তা আমার জানা নেই। অথচ আমার ২লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা না দেওয়ার উদ্দেশ্যেই বিভিন্ন চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছেন ওই প্রতারক হবি। আমার টাকা না দেওয়ার জন্য গত ২ আগষ্ট ২০২২ তারিখে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে হাজির হয়ে মিথ্যাচার করে আমাকে সামাজিকভাবে হেয় করে ভিত্তিহীন সংবাদ সম্মেলন করেছেন। আমি উক্ত সংবাদ সম্মেলনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সংবাদ সম্মেলন থেকে তিনি এ সময় ওই প্রতারক হবির কবল থেকে তার পাওনা টাকা উদ্ধারের দাবিতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest