সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের শিক্ষককের সাথে অশালিন আচরণের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ : কোচিং সীলগালাআশাশুনিতে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের অধিকার রক্ষায় অ্যাডভোকেসিদেবহাটা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ডালিমের মৃত্যুরেকর্ডীয় সম্পত্তিতে জোর পূর্বক ঢালাই রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ নলতা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমানের বিরুদ্ধেতালা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচনআশাশুনিতে অবঃ শিক্ষক-কর্মচারী ফোরাম গঠনআশাশুনিতে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রের সচিব ও ট্যাগ অফিসারকে অব্যাহতিসাতক্ষীরা জেলা হিউম্যান রাইটস জার্নালিষ্ট নেটওয়ার্কের কমিটি গঠনসাতক্ষীরায় ব্র্যাকের দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি পরিদর্শনব্রহ্মরাজপুরে ভেজাল দুধ তৈরির দায়ে জরিমানা – ৬ মাসের কারাদণ্ড

সাতক্ষীরার সীমান্তবর্তী শাখরা-কোমরপুর ব্রিজ এখন মরন ফাঁদ

দেবহাটা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা জেলার সীমান্তবর্তী শাখরা-কোমরপুর সংযোগ আয়রন ব্রীজ এখন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। ঝুঁকি নিয়ে ব্রীজটি পার হচ্ছে হাজার হাজার মানুষ। দ্রুত সংস্কার করা না হলে ঘটে যেতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। ভূক্তভোগীরা দ্রুত ব্রীজ সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, কুলিয়া, পারুলিয়া, লাবণ্যবতী খালের উপর নির্মিত ব্রিজটি দুটি উপজেলার সাথে মিশে গেছে। তৎকালিন সময় নৌকায় পার হতেন দুপাড়ের মানুষ। মানুষের এই দূর্ভোগ কমাতে ১৯৯১ সালে খালের উপর আওয়ামী লীগ দলীয় সরকার ক্ষমতাকালিন তৎকালিন যোগাযোগ মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু চলাচলের সুবিধার্থে দুই উপজেলার সংযোগ সৃষ্টির লক্ষে ব্রীজটি নির্মান পরবর্তী উদ্বোধন করেন।

ব্রীজটি ভোমরা স্থলবন্দর টু কালিগঞ্জ বাইপাস সড়ক হিসাবে ব্যবহার হয়। দীর্ঘ সময় পার হওয়ায় ব্রীজের কার্যক্ষমতা নষ্ট হতে বসেছে। কিন্তু কয়েক যুগ পার হওয়ায় বর্তমানে ব্রিজটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। এতে যোগ হয়েছে চরম ভোগান্তি। ৫০ টি পাতের ব্রিজের প্রায় ৩০টি নষ্ট হয়ে গেছে। কোথাও কোথাও ভেঙ্গে ব্রিজের নিচের পানি ও মাটি দেখা যাচ্ছে। টিনের পাত ভেঙে নষ্ট হওয়ায় যানবহনের চাকা আটকে ছোট-বড় দূর্ঘটনা লেগেই আছে প্রতিনিয়ত।

খোঁজ নিয়ে আরো জানা যায়, এই ব্রীজটি দিয়ে শাঁখরা বাজার, ইউনিয়ন ভূমি অফিস, ভোমরা ইউনিয়ন পরিষদ, শাঁখরা-কোমরপুর এজি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, শাঁখরা-কোমরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভোমরা ইউনিয়ন দাখিল মাদ্রাসা, পোষ্ট অফিসসহ বিভিন্ন শিক্ষা ও ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠানে দৈন্দিনিক চলাচল করতে হয়। এছাড়া ভোমরাস্থল বন্দরের বিভিন্ন পণ্য আনা নেওয়া করা হয় ব্রীজটি দিয়ে। বর্তমানে ব্রীজটি নড়বড়ে ও একাধীক স্থানে ভেঙে যাওয়ায় ব্রীজ দিয়ে সাধারণ মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।
ক্ষোভ প্রকাশ করে পথচারী শহিদুল ইসলাম বলেন, ব্রিজটি দীর্ঘ দিন ধরে নষ্ট হলেও দেখার কেউ নেই। ভোমরা বন্দরের মত ব্যস্ততম সড়কের সাথে মিলিত হওয়া ব্রিজটি যদি চলাচল বন্ধ হয় তাহলে হাজারও মানুষের দূর্ভোগের শেষ থাকবে না। বিভিন্ন পণ্য আমদানি-রপ্তানি করতে বাড়তি খরচ যোগ হবে।
স্থানীয় বাসিন্দা গোপাল বিশ্বাস জানান, ব্রীজটির টিনের পাত নষ্ট হওয়ায় চলাচলের ব্যাপক সমস্যা হচ্ছে। আমরা খুব ভয়ে ব্রীজ পার হচ্ছি। জানি না কবে এই সমস্যার সমাধন হয়।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আবদুল আলিম জানান, শাখরা-কোমরপুর ব্রীজটি সংস্কার খুবই জরুরী। এই ব্রীজ দিয়ে অসংখ্য মানুষ প্রতিদিন চলাচল করে। কিন্তু ব্রীজটি সংস্কার না হওয়ায় সর্বস্থরের মানুষের খুবই কষ্ট পোহাতে হচ্ছে। আমরা দাবি করছি যাতে দ্রæত সংশ্লিষ্ট কর্তপক্ষ দ্রুত সমস্যা সমাধান করেন।
সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য আল-ফেরদাউস আলফা জানান, নির্মানের দীর্ঘ সময় পার হওয়ায় ব্রিজটির আয়ূকাল শেষ হয়েছে। যার ফলে ভেঙে যাচ্ছে। বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, ২০২১ সালের ৪ জানুয়ারী সন্ধ্যায় মুজিব বর্ষের উপহার গৃহহীনদের ঘর উপহার কর্মসূচি পরদর্শনে এসে ব্রীজটির করুণ দশা পরিদর্শন করেন সাবেক জেলা প্রশাসক এস,এম মোস্তফা কামাল। তিনি সংস্কারের আশ্বাস দিলেও কোন উদ্যোগ দেখা মেলেনি।
এদিকে ব্রীজটিতে পুরোপুরি চলাচল বন্ধ হওয়ার আগে সংস্কার করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটার নোড়ার পলদাগা ভুমিহীন সমিতির কমিটির অনুমোদন

দেবহাটার নোড়ার পলদাগা ভুমিহীন সমিতির কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। গত ৩১ জুলাই ২২ তারিখে সাতক্ষীরা জেলা ভূমিহীন সমিতির সভাপতি মো: কওছার আলী ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ স্বাক্ষরিত একপত্রে সিরাজুল ইসলামকে সভাপতি ও মো: আমজাদ হোসেন কে সাধারণ সম্পাদক করে ৩৪ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।
কমিটির অন্যরা হলেন, উপদেষ্টা নওয়াব আলী মিস্ত্রি,শেখ মোকারম হোসেন, গাজী শহিদুল্যা, সহ-সভাপতি ইয়াদ আলী মোড়ল, শেখ সফি আহম্মেদ, গোলাম সানা, আয়ুব হোসেন,সহ-সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন গাজী, আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, কোষাধ্যক্ষ কেনারাম মন্ডল, সহ-কোষাধ্যক্ষ সাইফুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীরহোসেন, ত্রান বিষয়ক সম্পাদক শেখ তাইজুল ইসলাম, সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক শহিদুল সরদার, দপ্তর সম্পাদক শহিদুর সরদার,ক্রীড়া সম্পাদক সেলিম সরদার,

পরিবেশ সম্পাদক নরেশ কুমার মন্ডল, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক কুরমান গাজী, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মাদ আলী মোল্লা, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক অর্জুন মৃধা, প্রচার সম্পাদক আলিম সরদার এবং সদস্য যথাক্রমে শিমুল বিশ^াস, আকবর আলী, আলমগীর গাজী পুটু, রনজীত মন্ডল, সুশীল মন্ডল,সাইফুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম, ইসমাইল হোসেন, লিয়াকত হোসেন,

শহিদুল গাজী ও সাদ্দাম হোসেন। উক্ত কমিটি আগামী ২বছরের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এন আই যুব ফাউন্ডেশনের আজীবন সদস্য সংগ্রহ ও মতবিনিময় সভা

এন আই যুব ফাউন্ডেশনের আজীবন সদস্য সংগ্রহ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার শিমুলবাড়িয়া এন আই যুব ফাউন্ডেশনের নিজস্ব কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সদস্য সংগ্রহ ও মতবিনিময় সভায় সভাপতি করেন এন আই যুব ফাউন্ডেশনের সভাপতি শামছুর রহমান।

প্রধান অতিথি ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক নজরুল ইসলাম।

অন্যান্যের উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শেখ আব্দুর রশিদ, সাগঠনিক সম্পাদক এন আই ফাউন্ডেশন এর সাধারণ সম্পাদক শেখ মনিরুল হোসেন মাসুম, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি শ্যামিউল ফেরদৌস পলাশ ‘ এন আই ফাউন্ডেশন ফিফংড়ী ইউনিয়ন বাজার শাখার সভাপতি সেলিম রেজা, ব্যংদহ বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক ; ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বাবু সন্জয় দাশ, এন আই ফাউন্ডেশন ব্যংদাহ শাখার সভাপতি মোনায়েম হোসেন। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন অজয় সরকার। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালায় ঐতিহ্যবাহী দড়াটানা প্রতিযোগিতা

তালা অফিস ॥
শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদ তালা উপজেলা শাখার উদ্যোগে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী দড়াটানা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকালে তালা মোবারকপুর, রহিমাবাদ,খাজরা যুব কমিটির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় তালা ব্রীজ সংলগ্ন এলাকায় চার দলীয় দড়াটানা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
তালা উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদের সভাপতি সাংবাদিক মীর জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে উক্ত দড়াটানা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তালা উপজেলা চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কুমার।

দড়াটানা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রশান্ত কুমার বিশ্বাস, তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জিহাদ ফখরুল আলম খান, তালা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আলাউদ্দীন জোয়ার্দার, তালা উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি ও তালা সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সাংবাদিক এস. এম. নজরুল ইসলাম, তালা সদর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন প্রমূখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা জেলা মন্দির সমিতির কমিটি গঠন

সাতক্ষীরা জেলা মন্দির সমিতির কমিটি গঠন করা হয়েছে। গতকাল মন্দির সমিতির সংশোধিত গঠনতন্ত্রের আলোকে সাবজেক্ট কমিটির সর্বসম্মত মতামতের ভিত্তিতে ত্রি-বার্ষিক মেয়াদে ১৬ জন সম্পাদক মন্ডলী মনোনীত করে মন্দির সমিতির নতুন কমিটি গঠন করা হয়।

সাবজেক্ট কমিটির আহবায়ক বিশ^নাথ ঘোষের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত সকল সদস্যের সর্বসম্মতিক্রমে কমিটি প্রকাশ করা হয়।
নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ হলেন, সভাপতি এড.সোমনাথ ব্যানার্জী, সহ-সভাপতি দিলিপ কুমার চ্যাটার্জী,স্বপন কুমার শীল, জীতেন্দ্র নাথ ঘোষ, দাস সোনাতন চন্দ্র, এড.তারক কুমার মিত্র, সাধারণ সম্পাদক নিত্যানন্দ আমিন,

যুগ্ম সম্পাদক বিকাশ চন্দ্র দাস,সহ-সম্পাদক সঞ্জীব কুমার ব্যানার্জী, কোষাধ্যক্ষ আনন্দ কুমার সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রাণ নাথ দাস, সাহিত্য সম্পাদক অসীম কুমার দাস সোনা,সাংস্কৃতিক সম্পাদক পলাশ দেবনাথ, অডিটর বলাই দে, প্রচার সম্পাদক কার্ত্তিক চন্দ্র বিশ^াস, দপ্তর সম্পাদক করুনাময় ঘোষ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জাতীয় শ্রমিক লীগ সাতক্ষীরা জেলা শাখার বর্ধিত সভা

জাতীয় শ্রমিক লীগ সাতক্ষীরা জেলা শাখার আহবায়ক মো: আব্দুল্লাহ সরদারের সভাপতিত্বে সংগঠনের এক বিশেষ বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৩০ জুলাই রোজ শনিবার সকাল ১১ ঘটিকায় খুলনা রোড মোড়স্থ জেলা শ্রমিক লীগের অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বর্ধিত সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা শ্রমিক লীগের সদস্য সচিব মাহমুদুল আলম বিবিসি, জেলা শ্রমিক লীগের সদস্য শেখ রবিউল ইসলাম রবি,

শেখ আজাদুল ইসলাম, কাজী আখতারুজ্জামান মহব্বত, শেখ মকসুর রহমান, মোহাম্মদ ইদ্রিস আলী, জাকির হোসেন টিটু, ফিরোজ হোসেন,পৌর শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক আব্দুল আজিজ বাবু, সদস্য সচিব মোঃ মিজানুর রহমান, শ্যামনগর উপজেলা শ্রমিক লীগের সদস্য সচিব সম আব্দুস সালাম, কালিগঞ্জ উপজেলা শ্রমিকলীগের আহ্বায়ক আমির হোসেন খান, দেবহাটা উপজেলা শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন, কলারোয়া উপজেলা শ্রমিক লীগের আহবায়ক মনজুরুল ইসলাম মিঠু, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা শ্রমিক লীগের নেতা শিমুল হোসেন, পাটকেলঘাটা থানা শ্রমিক লীগের সদস্য সচিব মোঃ রিপন হোসেন, মোহাম্মদ ইদ্রিস আলী হান্নান,

মিজানুর রহমান, ইসমাইল হোসেন, সাইফুল ইসলাম, মো: সেলিম হোসেন প্রমূখ।

সভায় বক্তারা আগামী ১৫ই আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে জেলা জাতীয় শ্রমিক লীগের পক্ষ থেকে খুলনা রোড মোড়স্থ বিদ্যুৎ সাব স্টেশন গেটের সামনে খাদ্য বিতরণ, কোরআন খানি, দোয়া অনুষ্ঠান ও বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল এ ফুল দিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানানো এবং ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহতদের স্মরণে আলোচনা সভা করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় এবং প্রত্যেক উপজেলা/ থানায় জাতীয় শ্রমিক লীগের নেতৃত্বে উপরোক্ত কর্মসূচি পালন করা হবে। জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মাসব্যাপী কর্মসূচিতে জাতীয় শ্রমিক লীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে সক্রিয় অংশগ্রহণ করা হবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জমি-জমার বিরোধে মিথ্যা হত্যা মামলায় বেমাতা ভাইসহ  তার দুইপুত্রকে ফাঁসিয়ে হয়রানির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরায় জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মিথ্যা হত্যা মামলায় বেমাতা ভাইসহ তার দুইপুত্রকে ফাঁসিয়ে কারাগারে পাঠিয়ে হয়রানি ও নারীকেহ ত্যা চেষ্টার মামলা আসামীদের গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন,

সদরের কৈখালী গ্রামের আলী হোসেন মেম্বরের স্ত্রী নাছিমা খাতুন। লিখিত অভিযোগে তিনি বলেন, আমার স্বামী সদরের লাবসা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের নির্বাচিত ইউপি সদস্য। গত ১১ জুন২২ সাতক্ষীরা সদর থানার লাবসা ইউনিয়নের কৈখালি গ্রামের মৃত আনছার আলী সরদারের পুত্র আমজেদ হোসেন বাদি হয়ে স্বামী আলী হোসেন, তিন পুত্র জুয়েল হোসেন, জুলফিকার ও রুবেল হোসেনের নামে মিথ্যা হত্যা মামলা দায়ের করেন। যার নং : ২৮, জিআর নং : ৪৫৭/২০২২।

পুলিশ মেজো পুত্র মামলার ১ নং আসামী জুয়েল হোসেনকে খুলনা থেকে গ্রেফতার করে। স্বামী, দুই পুত্র বিজ্ঞ উচ্চ আদালত হাইকোর্ট থেকে চার সপ্তাহের জামিন নিয়ে গত ১৮ জুলাই আদালতে হাজিরা দিলে তাদের জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠায়। সে হিসাবে আমার বাড়িতে পুরুষশূণ্য হয়ে যায়। ২৬ জুলাই বিকালে আদালত থেকে বাড়ি ফিরি দেখি কৈখালি বাজারে ইমান হোসেন আমাদের জায়গা দখল করে প্রাচীর নির্মাণ করছে। এঘটনা লাবসা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল আলিমের কাছে অভিযোগ দিলে তিনি ইমান হোসেনকে বলে কাজ বন্ধ করে দেন। পূণরায় উক্ত কাজে আমি সহ আমার পুত্রের বউয়েরা তাদের নিষেধ করার ফলে ইমান হোসেন ও তার পুত্র নাঈম হোসেন গংয়েরা আমাদের উপর হামলা চালিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আমার মাথায় কোপ মারে।

বউমাদের শ্লীলতাহানী করে। পরে স্থানীয়রা আমাকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ঘটনায় ২৭ জুলাই ২০২২ আমার ভাই মোশাররফ হোসেন বাদি হয়ে সদর থানায় মামলা দায়ের করে। যার নং : ৬৩। উক্ত মামলা হওয়ার পরেও তারা গ্রেফতার হয়নি। উল্টো ইমান হোসেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে ২৭ জুলাই সংবাদ সম্মেলন করেছে। হত্যা মামলার বাদি ও স্বাক্ষীদের পরিকল্পিত মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে এবং তার বড় ভাইকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা। সেখানে মারপিটের কোনো ঘটনাই ঘটেনি। আনছার আলী সরদারের বয়স ৮০ বছর। তার কোন তদন্তই করা হয়নি। সে সময় ভাসুরের ছোটপুত্র আব্দুর রাজ্জাকের সাথে আমার ছোট ছেলে রুবেলের সাথে কথাকাটাকাটি হয়। সেখানে আমার স্বামী আলী হোসেন মেম্বর এবং বড়পুত্র জুলফিকার ছিলেন না। এমনকি আনছার আলীও ছিলেন না। কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে তিনি আওয়াজ পেয়ে ঘটনাস্থলে যাওয়ার পথে স্ট্রোকে আক্রান্ত হলে তাকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে খুলনা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় আমার পরিবারের সদস্যদের নামে মিথ্যা মামলা করে। তিনি ইমাম হোসেন ও নাঈম হোসেনকে দ্রুত গ্রেফতার ও স্বামী,পুত্রদের হত্যা মামলার দায় থেকে অব্যহতির ব্যবস্থা গ্রহনে পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষে আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জামায়াত-বিএনপি পরিবারের সন্তানদের দিয়ে কেরালকাতা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কমিটি গঠনের প্রতিবাদ

নিজস্ব প্রতিনিধি : জামায়াত বিএনপির পরিবারের সন্তানদের দিয়ে কলারোয়ার কেরালকাতা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কমিটি গঠনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন, কলারোয়ার কেরালকাতা ইউনিয়নের নাকিলা গ্রামের আব্দুর রউফের পুত্র শাহারিয়ার কবির হৃদয়।

একই সাথে তিনি ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতির পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন। লিখিত অভিযোগে তিনি বলেন, আমার বড় চাচা মরহুম আব্দুল হামিদ চেয়ারম্যান সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। পিতা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। আমি কেরালকাতা
ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি পদপ্রার্থী ছিলাম, কাজিরহাট কলেজ ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জুবায়ের মাহমুদ জীবন এবং ১নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি আপন হোসেন প্রার্থী ছিলো। এছাড়া সেক্রেটারী পদেও আওয়ামীলীগ পরিবারের সন্তানরা প্রার্থী ছিলো। কিন্তু কলারোয়া উপজেলা ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ অজানা কারানে আওয়ামীলীগ পরিবারের সন্তানদের বাদ দিয়ে অত্র এলাকার চিহ্নিত জামায়াত-বিএনপি পরিবারের সন্তানদের ইউনিয়ন ছাত্রলীগের নেতৃত্বে নিয়ে এসেছেন। এর মধ্যে কেরালকাতা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি পদ হাতিয়ে নেওয়ায় আব্দুল্লাহ আল মামুনের পিতা হানেফ গাজী বিএনপি মতাদর্শের রাজনীতির করেন। সে যুদ্ধাপরাধী মামলার আসামী জামায়াত নেতা আবু তালেব
সরদারের সাথে সরকার বিরোধী কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করে। যার কিছু প্রমানআমাদের কাছে রয়েছে।
এছাড়া উপজেলার বিএনপিরপ্রচার সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাকসহ বিভিন্ন জামায়াত-বিএনপি নেতাকর্মীদের সাথে তার চলাফেরা রয়েছে।
সাধারণ সম্পাদক হওয়া শিহাব হোসেনের পিতা আলীনুর রহমান চিহ্নিত জামায়াত পরিবারের সন্তান। তার পিতাসহ পরিবারের সদস্যরা জামায়াতের বিভিন্ন নাশকতা মুলক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। এসব বিষয় অবগত হয়েও উপজেলার নেতৃবৃন্দ অজানা কারনে তাদেরকে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বানিয়েছেন। আমি সভাপতি প্রার্থী হলেও ওই কমিটিতে আমাকে সহ-সভাপতির পদ দেওয়া হয়েছে। আমি একজন আওয়ামী পরিবারের সন্তান। বঙ্গবন্ধু আদর্শের রাজনীতি লালন করি। কোনভাবেই ওই জামায়াত-বিএনপি পরিবারের সন্তানদের নেতৃত্ব মেনে নেওয়া আমার পক্ষে সম্ভব নয়। এবিষয়ে ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক এবং কলারোয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতির কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেও কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। যে কারণে আমি জামায়াত-বিএনপির পরিবারের সন্তানদের নেতৃত্বাধীন ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কমিটি হতে স্বেচ্ছায় পদ ত্যাগ করছি। সাথে সাথে তিনি এবিষয়টি তদন্ত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগসহ কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ
সম্পাদকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest