সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের শিক্ষককের সাথে অশালিন আচরণের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ : কোচিং সীলগালাআশাশুনিতে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের অধিকার রক্ষায় অ্যাডভোকেসিদেবহাটা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ডালিমের মৃত্যুরেকর্ডীয় সম্পত্তিতে জোর পূর্বক ঢালাই রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ নলতা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমানের বিরুদ্ধেতালা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচনআশাশুনিতে অবঃ শিক্ষক-কর্মচারী ফোরাম গঠনআশাশুনিতে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রের সচিব ও ট্যাগ অফিসারকে অব্যাহতিসাতক্ষীরা জেলা হিউম্যান রাইটস জার্নালিষ্ট নেটওয়ার্কের কমিটি গঠনসাতক্ষীরায় ব্র্যাকের দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি পরিদর্শনব্রহ্মরাজপুরে ভেজাল দুধ তৈরির দায়ে জরিমানা – ৬ মাসের কারাদণ্ড

কলারোয়ায় প্রতিপক্ষের হামলায় শিশুসহ আহত-৮

 

কলারোয়া প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার কলারোয়ায় প্রতিপক্ষের হামলায় শিশুসহ ৮জন আহত হয়েছে। আহতদের কলারোয়া সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে- রবিবার (১০জুলাই) বেলা ২টার দিকে উপজেলার উত্তর রঘুনাথপুর গ্রামে। ওই গ্রামের কৃষক আহত ফারুক হোসেন (৩৪) জানান, তার পৈত্রিক ২শতক জমিতে তিনি বসত ঘর নির্মাণ করছিলেন। শনিবার সকালে প্রতিপক্ষ একই গ্রামের হানিফ কোন কারণ ছাড়াই ঘর নির্মাণে বাধা দিয়ে অশালিন ভাষায় গালমন্দ করে হুমকি দিয়ে চলে যায় ।

এর পরে পবিত্র ঈদুল-আযহার দিন রোববার বেলা ২টার দিকে হানিফ এর নেতৃত্বে রবিউল, ইসমাইল, রুহুল আমিন, ইয়াছিন, শাহিনুর, নুরনাহার, নুরজাহান লাবণী, রিজিয়া, রওশন, রাবেয়া ও মমতাজ দলবদ্ধ হয়ে লোহার রড লাঠিসোটা নিয়ে ফারুক হোসেনের ঘর নির্মাণে বাধা দিয়ে হুমকি প্রদান করে। এতে ফারুক হোসেন প্রতিবাদ করাতে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে সন্ত্রাসী কায়দায় লাঠিসোটা নিয়ে হামলা করে। তাদের এলোপাতাড়ী হামলায়-ফারুক (৩৪), মারুফ (২৮), বিলকিস বেগম (২৫), ওজিয়ার (৬০), আমেনা খাতুন (৪০), রিজিয়া খাতুন (৫৫), সোহানা (২৫) ও শিশু রিয়াদ (১৭মাস) আহত হয়। আহতদের কলারোয়া সরকারী হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা ন্যায় বিচার পেতে কলারোয়া থানা পুলিশের সহযোগিতা কমনা করেছেন।

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সাতক্ষীরায় পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপিত হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিনিধি: ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত হয়ে মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামনার মধ্য দিয়ে সারাদেশের ন্যায় সাতক্ষীরাতে পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপিত হচ্ছে।

রবিবার (১০ জুলাই) সকালে যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের আমেজে সাতক্ষীরায় পবিত্র ঈদুল আযহার জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা ঈদের নামাজ আদায় ও পশু কুরবানির মধ্য দিয়ে পালন করেছে ধর্মীয় দ্বিতীয় বৃহত্তম এ উৎসব।
মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে পশু কোরবানির মধ্য দিয়ে মুসলিমরা তাদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আযহা উদযাপন করে। ঘরে ঘরে ত্যাগের আনন্দে মহিমান্বিত হয়েছে মন।

হযরত ইব্রাহিম (আ.)-এর আত্মত্যাগ ও অনুপম আদর্শ্যের প্রতিকী নিদর্শন হিসেবে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার বছর আগে থেকে শুরু হয় কোরবানির এই প্রচলন। আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের নির্দেশে হজরত ইব্রাহিম (আ.) তার প্রাণপ্রিয় পুত্র হজরত ইসমাইল (আ.)-কে কোরবানী করতে উদ্যত হয়েছিলেন। সে সময় আল্লাহ্ পাক বেহেস্ত থেকে একটি দুম্বা ঐ একই কোরবানী করান। ঐ পরীক্ষায় হযরত ইব্রাহিম (আ.)-এর আত্মত্যাগ মহান আল্লাহ তায়ালা খুশি হয়ে যান। ওই অনন্য ঘটনার স্মরণেই ঈদুল আজহায় পশু কোরবানির এ রেওয়াজ চালু হয়। মহান আল্লাহ পাকের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ, তার সন্তুষ্টি অর্জন এবং তারই রাস্তায় সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের এ ঐতিহাসিক ঘটনার ধারাবাহিকতায় মুসলিম বিশ্বে কোরবানী ও ঈদুল আযহা উদযাপিত হয়ে আসছে।

রবিবার সকাল সাড়ে ৭টায় সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদ-উল আজহার ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। জামাত পরিচালনা করেন হাফেজ মাওলানা জালাল উদ্দীন।

কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে জামাতে অংশ নেন, সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির,
কেন্দ্রীয় ঈদগাহ কমিটির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ নাজমুল হক বকুল, সহ রাজনীতিবিদ, কূটনীতিক, সরকারি ঊচ্চপদস্থ কর্মকর্তাসহ সাধারণ মানুষ।

নামাজের পূর্বে বক্তব্যে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির বলেন, ‘আমরা আজকে ত্যাগের মহিমা নিয়ে এখানে একত্রিত হয়েছি। এ দিনটি ত্যাগের দিন। ত্যাগের যে মহিমা আমাদের স্পর্শ করে আমরা যেন সারা জীবন সেটি ধারণ করতে পারি।

তিনি আরো বলেন, কোরবানির পর যে বজ্য থাকে সেটি সেখানে সেখানে না ফেলার জন্য অনুরোধ জানান।’ জামাত শেষে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সুখ ও সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেয়া হয় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
এছাড়া শহরের বাইরে বিভিন্ন স্থানেও ঈদের জামাত শান্তিপূর্ণ ভাবে অনুষ্ঠিত হয় পবিত্র ঈদ উল আযহার জামাত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মহিষাডাংগায় ঐতিহ্যবাহী জগন্নাথ দেবের উল্টো রথযাত্রা অনুষ্ঠিত

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

উৎসবমুখর ও ধর্মীয় ভাবগম্ভীর পরিবেশের মধ্য দিয়ে আশাশুনির উপজেলার মহিষাডাংগা গ্রামে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় অনুষ্ঠান শ্রী শ্রী জগন্নাথ দেবের উল্টো রথযাত্রা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রথযাত্রা উপলক্ষে শনিবার বিকালে বিভিন্ন বয়সী শত শত নারী-পুরুষ ঢাক-ঢোলসহ দেবতার পুজো অর্চনা পালন করেন।

আশাশুনি উপজেলার মহিষাডাংগা স্কুলমাঠ সংলগ্ন সার্বজনীন কালী মন্দির থেকে জগন্নাথ দেবের মূর্তি সুসজ্জিত রথে করে শত শত ভক্তবৃন্দ রশি দিয়ে রথ টেনে এ পূর্ণ্য তীর্থে নিজেদের সম্পৃক্ত করে।

এ যাত্রাটি মহিষাডাংগা সার্বজনীন কালী মন্দির থেকে মহিষাডাংগা বাজারের ঘুরে মন্দিরে এসে পৌঁছে। এবং সন্ধ্যায় গ্রামের শিল্পীদের নিয়ে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সমাপ্তি হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দক্ষিণবঙ্গের আজব যান হেলিকপ্টার : রাজপথে বিমানের ছোঁয়া

আচ্ছা আপনি কি কখনো দ্বিচক্রযান হিসেবে হেলিকপ্টারকে কল্পনা করে দেখেছেন? যে হেলিকপ্টার আকাশে ওড়ে না বরং রাস্তায় চলে! কী ভাবছেন? সড়কপথে হেলিকপ্টার তাও দ্বিচক্রযান, মশকরা নাকি? না মোটেও মশকরা নয়। এমন হেলিকপ্টারের দেখা মিলবে দক্ষিণবঙ্গের জেলা সাতক্ষীরায়।

বাংলাদেশের একমাত্র জেলা সাতক্ষীরা যেখানে হেলিকপ্টার রাস্তায় চলে। এই হেলিকপ্টার হচ্ছে বাই সাইকেলেত পিছনের ক্যারিয়ারে ফোম বা গদি বেঁধে আরেকজনকে বসানোর এক অভিনব ব্যবস্থা। এই হেলিকপ্টারের জন্য “হিরো রিয়েল” বাইসাইকেলের ব্যবহার ছিল বেশি। কেননা এটি অন্যান্য সাইকেলের তুলনায় মজবুত এবং হিরো রিয়েলের ক্যারিয়ার ছিল অপেক্ষাকৃত বড়। সাইকেলের ক্যারিয়ারে স্ক্রুর সাহায্যে কাঠের তক্তা আটকানো হতো এবং তার ওপরে বসানো হতো গদি বা ফোম। এই গদি বা ফোমে সাধারণত এক বা দুজন মানুষকে বহন করার ব্যবস্থা প্রচলিত ছিল। এই হলিকপ্টার মূলত ভাড়ায় চালিত যান আর এর চালককে “পাইলট” অভিহিত করা হতো।

হেলিকপ্টারের যথার্থ কোনো ইতিহাস জানা যায় না। তবে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের অন্যতম উপন্যাস “পূর্ব-পশ্চিম” এ সুনীল সাতক্ষীরা অঞ্চলের কথা লিখতে গিয়ে হেলিকপ্টার সম্পর্কে একটি কথিত গল্পের অবতারণা করেছিলেন। কোনো এক ধনাঢ়্য ব্যবসায়ী সাতক্ষীরা অঞ্চলে এসেছিলেন ব্যবসায়ের প্র‍য়োজনে। তখন বৃষ্টি কাদার সময়। রাস্তাঘাট ডুবতে বসেছে। সাতক্ষীরা অঞ্চলের জমিদার সেই ব্যবসায়ীকে আপ্যায়নের উদ্দ্যেশ্যে বাইসাইকেলের ক্যারিয়ার সুসজ্জিত করে তার কর্মচারীকে পাঠান তাকে নিয়ে আসার জন্য এবং এর নামকরণ করেন হেলিকপ্টার। হেলিকপ্টারের উদ্ভাবন ঠিক কার হাত ধরে হয়েছিল তা বলা মুশকিল। তবে কথিত আছে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার জনৈক ব্যক্তি এটি উদ্ভাবন করেন।

স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে অর্থাৎ এই বছর পঞ্চাশেক আগেও বাংলাদেশের অন্যতম উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরার অধিকাংশ রাস্তাঘাটই ছিল অনুন্নত। প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোতে ছিল না কোনো পাকা রাস্তা। নিচু কাচা রাস্তায় সামান্য বৃষ্টি হলেই উঠে যেত পানি। অত্যন্ত কাদার কারণে কোনো যানবাহন চলাচল করতে পারত না। ঠিক এরকম প্রেক্ষাপটে বাণিজ্যিকভাবে চালু হয় হেলিকপ্টার সার্ভিস। তৎকালীন সময়ে সাতক্ষীরার বিভিন্ন এলাকায় কথিত ছিল – “হেলিকপ্টার রাজপথে বিমানের ছোঁয়া”। সত্তর আশির দশকে সাতক্ষীরায় এসেছেন অথচ হেলিকপ্টারে চড়েন নি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দায়।

শুধুমাত্র প্রত্যন্ত অঞ্চলে মানুষ বহনই নয়, সংবাদপত্র পৌঁছানোর কাজেও সহায়ক ভূমিকা রাখত এই হেলিকপ্টার। হকাররা হেলিকপ্টার ব্যবহার করে সুন্দরবনসংলগ্ন শ্যামনগর উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় পৌঁছে দিতেন সংবাদপত্র। সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ, আশাশুনি ও শ্যামনগর উপজেলায় হেলিকপ্টারের প্রচলন ছিলো সবচেয়ে বেশি। হেলিকপ্টারে যাতায়াত আভিজাত্যের প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত ছিল এ অঞ্চলে। সাতক্ষীরা অঞ্চলের বহু বেকার যুবক ও বৃদ্ধ বাইসাইকেল হেলিকপ্টার চালিয়ে উপার্জন করেছেন অর্থ, চালিয়েছেন সংসার, করেছেন ক্ষুধার নিবৃত্তি। বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির যুগে বাইসাইকেল হেলিকপ্টার অনেকের কাছে হাস্যরসের সঞ্চার ঘটালেও তৎকালীন সময় ও যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রেক্ষাপটে হেলিকপ্টার ছিল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি বাহন।

বর্তমানে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি আর যুগের হাওয়া বদলে বিলুপ্তি ঘটেছে বাইসাইকেল হেলিকপ্টারের। তবে এর বদলে চালু আছে মোটরসাইকেল হেলিকপ্টার।বর্তমানে জেলাবাপী প্রায় ১৫হাজার মোটরসাইকেল চালক মোটরসাইকেল হেলিকপ্টার ব্যবস্থাটি চালু রেখেছে।

লেখা : অনুস্কা ব্যানার্জী, শিক্ষার্থী, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে সাতক্ষীরার ঈদ উদযাপন

ফয়জুল হক বাবু : সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে সাতক্ষীরার কয়েকটি স্থানে পবিত্র ঈদ- উল- আযহার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকাল সাড়ে সাতটায় সদর উপজেলার বাউখোলা গ্রামে মসজিদে প্রথম ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় ঈদের নামাজে ইমামতি করেন, মাওলানা মহব্বত আলী।

ঈদের নামাজে সাতক্ষীরার ইসলামকাটি, গোয়ালচত্তর, ভাদড়া, ঘোনা, মিরগিডাঙ্গা, খুলনার পাইকগাছাসহ প্রায় ২০ গ্রামের মানুষ অংশ গ্রহণ করেন।

এছাড়াও সদরের ভাড়ুখালি ও তালার খলিষখালিতে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। মসুল্লিরা জানান, গত এক যুব ধরে তারা সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ঈদুল আজহা ও ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করে আসছেন।

সেই ধারাবাহিকতায় আজ শনিবার তারা সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ঈদুল আজহা উদযাপন করছেন।
নামাজ শেষে মুসুল্লিরা আল্লার নৈকট্য লাভের আশায় বাড়িতে গিয়ে পশু কোরবানি করেন ।।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে দু’পক্ষের সংঘর্ষে প্রাণ গেল দুই জনের

নিজস্ব প্রতিনিধি : :
সাতক্ষীরা শ্যামনগরের ফ্যান সংস্কার করাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের জেরে দুই নিহত হয়েছেন। শুক্রবার রাতে শ্যামনগর উপজেলার রমজাননগর ইউনিয়নের টেংরাখালীতে এঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই আমির হোসেন নামের একযুবক নিহত হন এবং পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজে আব্দুল কাদেরে মৃত্যু হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাতক্ষীরা শ্যামনগরের ফ্যান সংস্কার করাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের সূত্রপাত। রমজাননগর ইউনিয়নের টেংরাখালী ৮ নম্বর ওয়ার্ড আরশাদ আমিন এর মোড়ে রেজাউল এর দোকানে বৃহস্পতিবার বিকালে ফ্যান সংস্কার করতে যান আব্দুল কাদের। সেখানে বসে থাকা মৃত দাউদ গাজীর পুত্র আব্দুল আজীজ আব্দুল কাদেরের সাথে বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার ৮ জুলাই বিকালে ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে সাংগঠনিক আলোচনা করার সময় বিএনপি সমর্থিত ইউপি সদস্য আব্দুল হামিদ লালটু ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড ইউপি সদস্য আজগার আলি বুলু নেতৃত্বে শতাধিক লোকজন নিয়ে সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল বারী আওয়ামীলীগ অফিসে বসে থাকা অবস্থায় হামলা করে।

তাদের বাধা দিতে গেলে মৃত আবুল গাজীর পুত্র মোঃ আমির হোসেন, এবং ছাকাত শেখের পুত্র ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য আব্দুল কাদের মো: আব্দুল বারী গাজীর পুত্র ইব্রাহিম গাজী, কফিল উদ্দিন গাজীর পুত্র মোহাম্মদ হান্নান, সিদ্দিকী কয়াল এর পুত্র ইসমাইল, সিদ্দিক গাজীর পুত্র আক্তার ও ইমাম গাজী, মৃত আজাদ গাজীর পুত্র আব্দুল কাদের ও আবু বক্কর সিদ্দিক, আলমগীর কয়ালকে মারপিট করে গুরুতর জখম করে। তাদের উদ্ধার করে শ্যামনগর হাসপাতালে ভর্তি করে।

হাসপাতালের কর্তব্যরত মেডিকেল অফিসার জানান, আমীর হোসেন হাসপাতালে পৌঁছানোর পূর্বেই মারা গেছেন। এছাড়া ছাকাত শেখের পুত্র আওয়ামী লীগের সদস্য আব্দুল কাদের শারীরিক অবস্থা অবনতি দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য সাতক্ষীরা মেডিকেলে প্রেরণ করা হয়। পরে তার অবস্থার অবনতি হওয়ায় সাতক্ষীরা থেকে ঢাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠায় পথিমধ্যে তার মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল বারী।

এদিকে, বর্তমান ইউপি সদস্য আব্দুল হামিদ লালটু সমর্থিত আহতরা হলেন রশিদ কাওয়াল এর পুত্র নাসিরুদ্দিন, মোহাম্মদ আলী মোল্লার পুত্র সোবাহান, সুলতান গাজীর পুত্র সাদেক, লালটু গাজীর পুত্র আলাউদ্দিন, ইউপি সদস্য আবদুল হামিদ লালটুর পুত্র মেহেদী হাসান বাবু, দাউদ গাজীর পুত্র আজিজ গাজী, ইমাম গাজীর পুত্র হাফিজুর, ফারুক মোল্লা, সিরাজুল ও হোসেন। কর্তব্যরত চিকিৎসক মো: শিরুজ্জামান বলেন, সংঘর্ষে নিহত ১ জনকে ময়নাতদন্তের জন্য এবং আহত ৯ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাজী ওয়াহিদ মুর্শেদ বলেন, সংঘর্ষের খবর শোনা মাত্রই ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌছে পরিস্থিত নিয়ন্ত্রনে আনে। তদন্ত পূর্বক দোসীদের শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। নিহতদের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।
এ ঘটনার পর থেকে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। আওয়ামীলীগ নেতার মৃত্যুত শোক প্রকাশ করেছেন ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি সাধারণ সম্পাদকসহ নেতৃবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে  দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত -১, আহত-২০। 
নিজস্ব প্রতিনিধি ::
সাতক্ষীরার শ্যামনগরের রমজান নগর ইউনিয়নের টেংরাখালীতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বর্তমান ও সাবেক দুই ইউপি সদস্যের গ্রুপের সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছে। সময় আহত হয়েছেন আরো ২০ জন।
শুক্রবার  সন্ধ্যা ৭ টার দিকে রমজাননগর ইউনিয়নের ৮ নং ইউপ সদস্য আব্দুল হামিদ লাল্টু ও সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল বারী গ্রুপের সদস্যদের মাঝে তুমুল সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে ৷
নিহতের নাম আমির হোসেন (৩৫)। তিনি টেংরাখালী গ্রামের আবুল সরকারের পুত্র। শ্যামনগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিবেশ শান্ত করে ৷ আহত উভয় পক্ষ শ্যামনগর  উপজেলা হাসাপাতালে ভর্তি রয়েছে ৷ শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী ওয়াহিদ মূর্শেদ এক জন নিহতে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ সময় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। কি নিয়ে সংঘর্ষ হয়েছে তা জানি না। তবে সেখানে পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে ৷##
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাঁশদহার হাওয়াল খালি দক্ষিণপাড়া জামে মসজিদ কমিটির আলোচনা

জুলফিকার আলী ঃ সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বাঁশদহা ইউনিয়নের হাওয়াল খালি গ্রামের দক্ষিণপাড়া ঐতিহ্যবাহী জামে মসজিদ কমিটির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার জুম্মা নামাজের পরে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন, মসজিদ কমিটির সভাপতি বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক এ এইচ এম কামরুজ্জামান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপদেষ্টা মন্ডলির সভাপতি সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ রাহাতুল্লাহ সরদার, সহ-সভাপতি তৌহিদুর রহমান খোকন, সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান সবুজ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডাক্তার কাবুল হোসেন,

কোষাধক্ষ্য ফজলু রহমান, মসজিদের ইমাম হাফেজ হযরত আলী , মোয়াজ্জেম আবুল খায়ের। মসজিদ কমিটির সদস্য আবু রায়হান, বরকতউল্লাহ সরদার, একুব আলী, মিজানুর রহমান বাবু, আব্দুল্লাহ সহ স্থানীয় মুসল্লী বৃন্দ। এ সময় মসজিদের সার্বিক উন্নয়নের বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest