সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটায় দুর্বিষহ জীবন যাপন করছেন পত্রিকা বিক্রেতা আলাউদ্দিনসাতক্ষীরা সরকারি কলেজের শিক্ষককের সাথে অশালিন আচরণের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ : কোচিং সীলগালাআশাশুনিতে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের অধিকার রক্ষায় অ্যাডভোকেসিদেবহাটা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ডালিমের মৃত্যুরেকর্ডীয় সম্পত্তিতে জোর পূর্বক ঢালাই রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ নলতা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমানের বিরুদ্ধেতালা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচনআশাশুনিতে অবঃ শিক্ষক-কর্মচারী ফোরাম গঠনআশাশুনিতে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রের সচিব ও ট্যাগ অফিসারকে অব্যাহতিসাতক্ষীরা জেলা হিউম্যান রাইটস জার্নালিষ্ট নেটওয়ার্কের কমিটি গঠনসাতক্ষীরায় ব্র্যাকের দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি পরিদর্শন

বিশ্বনবী সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্যের প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় প্রতিবাদ মিছিল

আসাদুজ্জামান :
সম্প্রতি ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপির মুখপাত্র নুপুর শর্মা ও মিডিয়া সেল প্রধান নবীন জিন্দাল কর্তৃক বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ (সা:) এবং আয়েশা সিদ্দিকা (রা:) কে নিয়ে অশ্লীল ও অবমাননাকর মন্তব্য করার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সাতক্ষীরা জেলা শাখার আয়োজনে শুক্রবার বাদ জুম্মা শহরের শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক থেকে একটি প্রতিবাদ মিছিল বের হয়।

মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে আবারো একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়। প্রতিবাদ মিছিলে সাতক্ষীরা জেলা শহরের বিভিন্ন মসজিদ থেকে মুসল্লিরা খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে আব্দুর রাজ্জাক পার্কে উপস্থিত হন। এসময় শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কটি বিশাল জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

এরপর সেখানে অনুষ্ঠিত হয় বিশাল এক প্রতিবাদ সমাবেশ। সমাবেশে এ সময় বক্তব্য রাখেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি মোহাদ্দিস মোস্তফা সামছুজ্জামান, মাও. নেছার উদ্দিন, মাও. আব্দুল হামিদ প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন, ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ সাতক্ষীরার সভাপতি মোবাশ্বেরুল ইসলাম ত্বকি।

বক্তারা এ সময় ভারতের উগ্র সাম্প্রদায়িক ক্ষমতাসীন বিজেপির মুখপাত্র নুপুর শর্মা ও মিডিয়া সেল প্রধান নবীন জিন্দাল কর্তৃক বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ (সা:) এবং আয়েশা সিদ্দিকা (রা:) কে নিয়ে অশ্লীল ও অবমাননাকর মন্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। একই সাথে তাদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবী জানান এবং অবিলম্বে কুরুচিপূর্ণ এমন মন্তব্যের জন্য বিজেপি সরকারকে মুসলিম উম্মাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনার আহবান জানান। অন্যথায় মুসলিম বিশ্ব দেশটির সাথে সকল সম্পর্ক ছিন্ন করবে বলে হুশিয়ারী দেন বক্তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে নবজাতকের লাশ উদ্ধার

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনিতে একটি খাল থেকে এক নবজাতকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার দরগাহপুর ইউনিয়নের শ্রীধরপুর গ্রামের ধেপুয়ার খালের পানিতে একটি শপিং ব্যাগের ভেতর লাশটিকে ভাসতে দেখে স্থানীয়রা থানাপুলিশে খবর দেয়।

এরপর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এসআই হাবিব খাল থেকে লাশটিকে উদ্ধার করেন।
থানা অফিসার ইনচার্জ মমিনুল ইসলম পিপিএম জানান- খবর পেয়ে খালে ভাসতে দেখা লাশটি উদ্ধার করা হয়েছে।

দাফনের জন্য স্থানীয় মেম্বরের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

তদন্ত চলছে, অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মেম্বর শরিফুল ইসলাম সবুজ জানান- থানাপুলিশের নির্দেশনায় মৃত নবজাতক ছেলেটির লাশ কালাবাগী বাজারের পাঞ্জেগানা মসজিদের পাশে দাফন করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে বুধবার রাতে কোন এক সময় নবজাতকের লাশটি একটি শপিং ব্যাগে করে খালে ফেলা দেওয়া হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ট্রাক ভর্তি চাউল জব্দ : ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা শহরের চালতেতলা এলাকায় মিনিকেট চাউলের বস্তায় প্রক্রিয়াকরণ করা আঠাশ চাউল ভর্তি করার অভিযোগে মিল মালিক তপন কুমার সাহাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার দিকে চালতেতলার তাপস এগ্রো ইন্ড্রাষ্ট্রিজে অভিযান চালিয়ে ট্রাকভর্তি চাউল জব্দ করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও সদর উপজেলা খাদ্য বিভাগ।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন অধিদপ্তর,সাতক্ষীরার সহকারি পরিচালক নাজমুল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, শহরের চালতেতলা এলাকার একটি রাইচ মিলে প্রতারনা মাধ্যমে মিনিকেট চাউলের বস্তার মধ্যে আঠাশ চাউল প্রসেসিং করে তা বস্তাবন্দী করে ট্রাক ভর্তি করে রাজধানী ঢাকায় পাঠানো হচ্ছে, এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালানো হয়।

এ সময় সেখান থেকে ট্রাক ভর্তি চাউল জব্দ করার পর মিল মালিক তপন কুমার সাহাকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের ৪৪ ও ৪৫ ধারায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সাথে উক্ত রাইচ মিলে গোডাউন ভর্তি চাউল মজুদ রাখায় তা আগামী তিনদিনের মধ্যে বাজারজাত করনের নির্দেশ দেয়া হয়।
অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক হুমায়ন রশিদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ধুলিহরে জনশুমারি ও গৃহগণনায় চারদিনের প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু

নিজস্ব প্রতিনিধি :
‘জনশুমারিতে তথ্য দিন, পরিকল্পিত উন্নয়নে অংশ নিন’ প্রতিপাদ্যে ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা উপলক্ষে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর ইউনিয়নের গণনাকারী ও সুপারভাইজারদের চারদিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুন) সকালে ধুলিহর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মিজানুর রহমান চৌধুরী ওই প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন করেন এবং প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে ট্যাব বিতরণ । প্রশিক্ষণ চলবে ১২ জুন পর্যন্ত।

ধুলিহর-ব্রহ্মরাজপুর (ডি. বি) মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্কুলের প্রধান শিক্ষকের প্রতিনিধি এসএম শহীদুল ইসলাম। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ৪নং জোনাল অফিসার উপসহকারী কৃষি অফিসার সুমন কুমার সাহা। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আইটি অফিসার অজয় কুমার দাশ।

অনুষ্ঠানেরর উদ্বোধক ধুলিহর ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান চৌধুরী বলেন, আগামী ১৫ জুন থেকে ২১ জুন পর্যন্ত দেশে প্রথমবারের মতো ডিজিটাল পদ্ধতির জনশুমারি ও গৃহ গণনা অনুষ্ঠিত হবে। এবারের শুমারিতে ‘নিখুঁত’ এবং ‘বিশুদ্ধ’ তথ্য পাওয়া যাবে। দেশের সকল মানুষের আর্থ-সামাজিক তথ্য সংগ্রহে সারাদেশে আগামী ১৫ থেকে ২১ জুন সাতদিন একযোগে জনশুমারি ও গৃহ গণনা করবে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।
তিনি আরও বলেন, দেশের ইতিহাসের ষষ্ঠতম এই জনশুমারি কার্যক্রম ডিজিটাল পদ্ধতিতে হওয়ায় আমরা নিখুঁত ও বিশুদ্ধ তথ্য পাব। এতে সকল তথ্যই সবার জন্য উম্মুক্ত থাকবে।

তিনি বলেন, এর আগে প্রতি ১০ বছর পরপর আদম শুমারি নামে দেশের জনসংখ্যার শুমারি করা হতো। এবারেরর জনশুমারির অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে ব্যষ্টিক ও সামষ্টিক পর্যায়ে ব্যক্তি ও গৃহের তথ্য নিয়ে সারাদেশে কোন জেলায় কত মানুষ ও তাদের আর্থ-সামাজিক অবস্থা কী তা বিশ্লেষণ করা। এরপর সরকার ওই তথ্য নিয়ে দেশের বৈষম্য নিরুপণের উদ্যোগ গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করবে। এ জন্য সকল ধরনের খানাভিত্তিক আর্থ-সামজিক জরিপের জন্য নমুনা ফ্রেম প্রস্তুত করা হবে। এবারের জনশুমারিতে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সিস্টেম (জিআইএস) ভিত্তিক ডিজিটাল ম্যাপ ব্যবহার করে ডিজিটাল পদ্ধতিতে তথ্য সংগ্রহ ও বিন্যাস করা হচ্ছে। জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২-এর মাধ্যমে বাংলাদেশের সকল গৃহ, সাধারণ, প্রাতিষ্ঠানিক ও বস্তি খানা, ভাসমান জনগোষ্ঠী, খানায় বসবাসরত সকল সদস্যের তথ্য সংগ্রহ করা হবে।

প্রকল্পের আওতায় গৃহের সংখ্যা ও ধরণ, বাসস্থানের মালিকানা, খাবার পানির প্রধান উৎস, টয়লেটের সুবিধা, বিদ্যুৎ সুবিধা, রান্নার জ্বালানির প্রধান উৎস এসব তথ্যও সংগ্রহ করা হবে।
জনমিতির পাশাপাশি আর্থ-সামাজিক তথ্য অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, বৈদেশিক রেমিট্যান্স, খানা সদস্যদের বয়স, লিঙ্গ, বৈবাহিক অবস্থা, ধর্ম, প্রতিবন্ধিতা, শিক্ষা, কর্ম, প্রশিক্ষণ, মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহার, ব্যাংক, মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, জাতীয়তা, নিজ জেলা ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হবে। জরিপের তথ্য নিয়ে স্থানীয় ও জাতীয় নির্বাচনের নির্বাচনী এলাকা নির্ধারণের জন্য তথ্য সরবরাহ করা হবে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা সংশ্লিষ্ট সকলকে সঠিক তথ্য দিয়ে প্রকল্পটির সফলতায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান। প্রশিক্ষণে ৭১জন গণনাকারী অংশ গ্রহণ করেন।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা পৌর মেয়র চিশতির বিরুদ্ধে নিয়ম ভঙ্গ করে পৌরসভার ঠিকাদারির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ সাতক্ষীরা পৌরসভার মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতির বিরুদ্ধে এবার নিয়ম ভঙ্গ করে পৌরসভার ঠিকাদারি কাজে অংশগ্রহণ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন শহরের কাছারীপাড়া এলাকার মৃত মোজাম্মেল হকের ছেলে ঠিকাদার এম.এম মজনু।

তবে, তার বিরুদ্ধে দুর্নীতিসহ নানা অভিযোগ প্রমানিত হওয়ায় তিনি মেয়র পদ হারাবেন বলেই হয়তো ঠিকাদারি কাজে অংশগ্রহণ করেছেন বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
ঠিকাদার এম.এম মজনু তার লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, সাতক্ষীরা পৌরসভার মেয়র তাজকিন আহমেদ পৌরসভার জলবায়ু সহিষ্ণু অবকাঠামো প্রতিষ্ঠানিকরণ প্রকল্পের সাড়ে চার কোটি টাকার ঠিকাদারি কাজে অংশগ্রহণ করেছেন।

যেটি সাতক্ষীরা পৌরসভার ৬৩৭৫৯৮০ নাম্বারের সি.আর.আই.এম/এস.এ.টি পি.ও.ইউ /ডাব্লুউ. এস- ০১ প্যাকেজের কাজ।
তিনি তার অভিযোগে আরো উল্লেখ করেন, মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি মের্সাস সাজেদা ও কোম্পানি এর মাধ্যমে এবারও টেন্ডারে অংশ গ্রহন করেছেন। এর আগে তিনি মের্সাস সাজেদা ও কোম্পানি এর মাধ্যমে সাউথ বাংলা এগ্রিকালচারাল ব্যাংক এর সাতক্ষীরা শাখার মের্সাস তাজকিন আহমেদ নামীয় হিসাব নং-০০২৮১১১০০৪৮৭৬ থেকে ০৬৮৮২৫৩ ও ০৬৮৮২৫০ পে-অর্ডার এর মাধ্যমে টেন্ডারে অংশ গ্রহণ করেন। যে বিষয়ে মন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত প্রতিবেদনে প্রমাণিত হয়েছে ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পৌরসভার এক কর্মচারী বলেন, মেয়র মহোদয় একজন প্রথম শ্রেণির ঠিকাদার তিনি পৌরসভার সকল লাভজনক কাজ নিজে করে থাকেন।  ইতিপূর্বে তিনি পৌরসভার সম্প্রসারণ এর কাজ অন্য ঠিকাদারের কাছ থেকে জোরপূর্বক ক্রয় করে তিনি তা নিজে বাস্তবায়ন করেছেন। তিনি এবি ব্যাংক এর সাতক্ষীরা শাখার ৬১৯৭৮৮৩ চেক এর মাধ্যমে মোঃ তাজকিন আহমেদ নামীয়
৪২১২২৭৪১৪৪৩০০ নং থেকে ৪ (চার) লক্ষ টাকা ঠিকাদার খোকাকে প্রদান করে উক্ত পৌরসভা ভবণ সম্প্রসারণ করার কাজ ক্রয় করে নেন । স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ তোফায়েল আহমেদ বলেন, পৌরসভা আইন অনুযায়ী  মন্ত্রণালয় যদি কোন ব্যবস্থা নেন তাহলে মেয়র পদে তিনি আর থাকতে পারবেন না।
এছাড়া তিনি তার নির্বাচনী হলফনামায়ও মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন বলে জানা গেছে। এব্যাপারে কেউ নির্বাচন কমিশনে চ্যালেঞ্জ করলে মেয়রের মনোনয়ন অবৈধ
ঘোষণা হবে।  এ ব্যাপারে টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামন বলেন, স্থানীয় সরকার পৌরসভা আইন-২০০৯ অনুসারে পৌরসভার মেয়র, কাউন্সিলররা ঠিকাদারি কাজে অংশ গ্রহন করতে পারবেন না। সাতক্ষীরা পৌর সভার মেয়র যেটি করেছেন,
অন্যায়ভাবে করেছেন, ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। নতুন করে যদি আবার ঠিকাদারি কাজে অংশগ্রহণ করে থাকেন তাহলে সেটাও ক্ষমতার অপব্যবহার। একারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করতে পারবেন বলে তিনি আরো
জানান।
তবে, এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে সাতক্ষীরা পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতির মোবাইল নাম্বারে ফোন দিলে তিনি তার ফোনটি রিসিভ করেন নি। উল্লেখ্য ঃ এর আগে গত ১৩ জানুয়ারি ২০২২ তারিখে মেয়রের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরা
পৌরসভার ১১জন কাউন্সিলর স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। স্থানীয় মন্ত্রণালয়ের একজন যুগ্ম সচিবের নেতৃত্বে একটি কমিটি বিষয়টি তদন্ত করে তার প্রতিবেদনও জমা দিয়েছেন। এরপর গত (২৭ এপ্রিল) মেয়রের দুর্নীতির
বিষয়ে তদন্ত করেন দুদক। এ সব তদন্তে তার বিরুদ্ধে বেশকিছু অভিযোগ প্রমানিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঠিকাদার এমএম মজনু।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে মাটি বহন ডম্পার গাড়ী উল্টে  এক যুবকের মৃত্যু

 

মেহেদী হাসান মারুফ :
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার কৈখালী ইউনিয়নে মাটি বহনের কাজে ব্যবহৃত ডাম্পার ট্রাক্টর খাদে পড়ে নাজমুল হোসেন (৩০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। নিহত নাজমুল উপজেলার কৈখালী ইউনিয়নের জাদা মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকার মৃত আব্দুল জব্বার মোল্লার বড় ছেলে।

বৃহস্পতিবার (০৯ জুন) সকাল ৭টার দিকে উপজেলার কৈখালী ইউনিয়নের জাদা মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী রাশিদুল ইসলাম ও আবদুস সালাম জানান, নাজমুল নিজে ওই ডাম্পারের মালিক হলেও অনিয়মিত চালক ছিলেন। তার মালিকানাধীন অপর একটি ডাম্পার অচল অবস্থায় পড়ে থাকায় তা উদ্ধার করার জন্য রওনা হয়ে জাদা মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছে রাস্তা ঘুরতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে ডাম্পার ট্রাক্টরটি। এতে ঘটনাস্থলেই নাজমুলের মৃত্যু হয়। পরে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় তার মরদেহ উদ্ধার করে স্থানীয়রা।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সদস্যদের পাশাপাশি শ্যামনগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা বাস্তবায়নের দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
সুন্দরবন এলাকার প্রতিবেশ ও জীব বৈচিত্র সুরক্ষা এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ ও পরিবেশগত মান উন্নয়নের দাবিতে সাতক্ষীরায় মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ইসিএ বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধনটি বুধবার বেলা ১১ টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে এনসিআরবি ও সিডিএইসএন আয়োজনে ও সুন্দরবনে ফাউন্ডেশন সাতক্ষীরার বাস্তবায়নে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে সুন্দরবন ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শেখ আফজাল হোসেনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন দৈনিক প্রথম আলোর প্রতিবেদক কল্যাণ ব্যানার্জী। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন জেন্ডার ডেভলপমেন্ট ফোরাম সাতক্ষীরার শাখার সভাপতি ফরিদা আক্তার বিউটি, সুন্দরবন ফাউন্ডেশনের প্রেগ্রামার অফিসার রেহেনা পারভীন প্রমূখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন অপরিনামদর্শী কর্মকান্ডের ফলে দেশের প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র নানানভাবে ক্ষতিগ্রস্তের সম্মুখীন। তাই গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সর্বশেষ সংশোধিত ২০১০) অনুসারে বিভিন্ন সময়ে কিছু এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষনা করেন তার মধ্যে ১৯৯৯ সালে সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলার সুন্দরবন রিজার্ভ ফরেস্টের চর্তুদিকে ১০ কিমি বিস্তৃত এলাকাকে এই ঘোষনার আওয়াতায় নিয়ে আসেন। কিন্ত এই এলাকা রক্ষার জন্য তেমন কোন গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। বক্তারা আরা বলেন ইসিএ এর সকল কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে প্রাকৃতিক বন ও গাছপালা কর্তন বা আহরণ, সকল প্রকার শিকার ও বন্যপ্রাণী হত্যা,

ঝিনুক, কোরাল, কচ্ছপ, অন্যান্য বন্যপ্রাণী ধরা বা সংগ্রহ, প্রাণী ও উদ্ভিদের আবাসস্থল ধ্বংসকারী সকল প্রকার কার্যকলাপ, ভুমি এবং পানির প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য নষ্ট পরির্বতন করতে পারে এমন সকল কাজ, মাটি, পানি, বায়ু ও শব্দ দুষণকারী শিল্প বা প্রতিষ্ঠান স্থাপনা, মাছ এবং অন্যান্য জলজ প্রাণীর ক্ষতিরকারক যে কোনো প্রকার কার্যাবলী, অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের পয়:প্রণালী সৃষ্ট র্বজ্য ও তরল র্বজ্য নির্গমন এবং কঠিন বর্জ্য অপসারণ, যান্ত্রিক বা ম্যানুয়াল বা অন্য কোনো পদ্ধতিতে পাথরসহ অন্য যে কোনো খনিজ সম্পদ আহরণ করবার ক্ষেত্রে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলেও সময়ের ব্যবধানে মাঠ পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, পাশর্^বর্তী বাজার ও জনগোষ্ঠী পলিথিন-প্লাষ্টিকসহ নানান অপচনশীল ও ক্ষতিকর বর্জ্য ফেলে স্বাভাবিক জীবন-যাপন প্রক্রিয়াকে পরিবেশ দূষণের দিকে তরান্নিত করছে। যা এই অঞ্চলের পরিবেশবাদী জনগোষ্ঠী মনে করে এই সুষ্ঠু তদারকই মাধ্যমে পরিবেশ-প্রকৃতি ফিরিয়ে আনা সম্ভব। পেরে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নদী খননে অনিয়মের প্রতিবাদসহ টিআরএম চালু ও টেকসই বেড়িবাঁধের দাবিতে শহরে কদমতলায় পথসভা

প্রেসবিজ্ঞপ্তি: সাতক্ষীরায় বেতনা ও মরিচ্চাপ নদী  খননে অনিয়মের প্রতিবাদসহ টিআরএম চালু বাস্তবায়ন এবং নদীর টেকসই বেড়ীবাধ নির্মান ও নৌ-খাল দ্রুত খনন বাস্তবায়নের দাবিতে পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকাল ৫ টায় সাতক্ষীরার শহরের কদমতলা বাজার মহাসড়কে পথসভা  অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত পথসভা সভাপতিত্ব করেন, নদী বন ও পরিবেশ রক্ষা কমিটি, সাতক্ষীরা জেলা শাখার সহ- সভাপতি সেলিম হোসেন।

জেলা নদী বন ও পরিবেশ রক্ষা কমিটির আয়োজনে অনুষ্ঠিত পথসভায় বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা জেলা নদী, বন ও পরিবেশ রক্ষা কমিটির সভাপতি আদিত্য মল্লিক, সহ-সভাপতি মোঃ আব্দুস সামাদ, মানবাধিকার কর্মী শেখ ফারুক হোসেন, যুগ্ন সাংগঠনিক সম্পাদক আল হেলাল,  দপ্তর সম্পাদক শেখ হাফিজুর রহমান,  মীর আশিক ইকবাল (বাপ্পী), ইউসুফ আলী সরদার, তথ্য বিষয়ক সম্পাদক শেখ রেজাউল ইসলাম বাবলু, জাহাঙ্গীর আলম, ভুমিহীন নেতা মগবুল হোসেন প্রমুখ।

জেলা নদী বন ও পরিবেশ রক্ষা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমানের সঞ্চালনায় পথসভায় বক্তারা বলেন, বেতনা মরিচচাপ খননের জন্য বাজেট সঠিকভাবে খননের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে কিন না তার জন্য সচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং কার্যক্রম সমন্বয় ও গতিশীল করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সমন্বয়ে একটি ফোরাম গঠন করতে হবে। যে কোন ধরনের বিপর্যয় এড়ানোর জন্য নির্ধারিত সময়ে বেতনা, মরিচচাপ খনন ও পার্শ্ব খালের সাথে সংযোগ টি আর এম, বাস্তবায়ন টেকসই বেড়িবাঁধ অসহায় ভূমিহীনদের ক্ষতিপূরণ দিয়ে স্থায়ী বসবাসের ব্যবস্থা করতে হবে।

মজুমদার খাল  কুচুরিপনা ও ময়লা আবর্জনা ভরে গেছে। তাই নৌ-খাল দ্রুত খনন বাস্তবায়ন করতে হবে।  সাতক্ষীরাবাসি জলাবদ্ধতার হাত থেকে রক্ষা করতে বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রীর কর্তৃক নদী খননে কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন। আর এখানকার পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্তৃকপক্ষদের যোগসাজে ঠিকাদাররা নদী খননে গভীরতা না করে বেড়িবাঁধ উচু করে নদী খননে কাজ যেনতেন করে দায়সারের চেষ্টা করছেন তারা।

পানি উন্নয়ন বোর্ড অফিস। নদীর গভীরতা সহ বেড়িবাঁধ টেকসই করতে হবে।  টি আর এম বাস্তবায়ন না হলে সরকার বেতনা ও মরিচচাপ খনন করার পর কোন আশার আলোর মুখ দেখবে না। অববাহিকার মানুষ ভয়াবহ জলাবদ্ধতার পরিস্থিতির মধ্যে পড়বে। বক্তারা আরও বলেন, পরিবেশ রক্ষার সাথে বেতনার ধার দিয়ে অবৈধ ইটভাটা হয়েছে।  ইটভাটা স্থাপনের পাশে রয়েছে  স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা,  কৃষি গবেষণায় অফিস, কারিগর প্রশিক্ষন কেন্দ্র (টিসিসি), কৃষি গবেষণা পরমানু অফিস। তাই ১০০ গজ দুরে ইটভাটা করতে হবে। বসতি এলাকায় ইটভাটা করা যাবে না।

সাধারন মানুষের দাবী গুরুত্ব প্রদানে সক্রিয় জন অংশগ্রহন সহ টি আর এম বাস্তবায়নের মাধ্যমে পলি ব্যবস্থাপনা হলে বেতনা মরিচচাপের পাশ্ববর্তী এলাকার মানুষ উপকৃত হবে।
অত্র এলাকার মানুষের সমস্যার সমাধান হবে। কৃষি মৎস্যসহ এলাকার জীব বৈচিত্র্য রক্ষা পাবে। ভূ- গর্ভস্থ পানি স্থির ও বৃদ্ধি পাবে ফলে মানুষের জীবন জীবিকার পরিবেশ ফিরে আসার মাধ্যমে এলাকার ব্যাপক উন্নয়ন হবে বলে ব্যক্ত করেন। তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সহ সংশ্লিষ্টদের  কাছে টিআরএম পদ্ধতি চালু বাস্তবায়ন ও টেকসই বেড়িবাঁধের দাবিসহ নৌ-খাল দ্রুত খননে দাবি জানান পথসভার সাতক্ষীরার সাধারণ মানুষ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest