সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটায় দুর্বিষহ জীবন যাপন করছেন পত্রিকা বিক্রেতা আলাউদ্দিনসাতক্ষীরা সরকারি কলেজের শিক্ষককের সাথে অশালিন আচরণের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ : কোচিং সীলগালাআশাশুনিতে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের অধিকার রক্ষায় অ্যাডভোকেসিদেবহাটা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ডালিমের মৃত্যুরেকর্ডীয় সম্পত্তিতে জোর পূর্বক ঢালাই রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ নলতা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমানের বিরুদ্ধেতালা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচনআশাশুনিতে অবঃ শিক্ষক-কর্মচারী ফোরাম গঠনআশাশুনিতে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রের সচিব ও ট্যাগ অফিসারকে অব্যাহতিসাতক্ষীরা জেলা হিউম্যান রাইটস জার্নালিষ্ট নেটওয়ার্কের কমিটি গঠনসাতক্ষীরায় ব্র্যাকের দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি পরিদর্শন

ভোমরা হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়ন রেজি: নং খুলনা ১১৫৫ এর নির্বাচনে সভাপতি নজরুল: সম্পাদক রশিদ

শনিবার সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোমরা বডার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ত্রি-বার্ষিক প্রতিনিধি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে সভাপতি পদে নজরুল ইসলাম ঘোড়া প্রতিক নিয়ে ৪৯৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়।

সহ-সভাপতি মো: তুহিন হোসেন উড়োজাহাজ প্রতিক নিয়ে ৬১২ ভোট, সাধারণ সম্পাদক পদে মো: হারুনার রশিদ হারিকেন প্রতিক নিয়ে ৪৬১ ভোট, সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে আব্দুল আলিম হাতপাখা প্রতীক নিয়ে ৬৩৪ ভোট,

সাংগঠনিক সম্পাদক পদে আবু সাঈদ টেবিল প্রতিক নিয়ে ৫৩৩ ভোট, দপ্তর সম্পাদক পদে আসাদুল ইসলাম সিলিং ফ্যান প্রতিক নিয়ে ৬৬২, সমাজকল্যাণ সম্পাদক পদে মো: সাদেক আলী টেবিল ঘড়ি প্রতিক নিয়ে ৬৬৪ ভোট।

কার্যনির্বাহী কমিটির তিনটি পদে ৮ জন প্রতিদ্বিন্দ্বতা করে। প্রথম স্থান আব্দুস সাত্তার প্লাস প্রতিক নিয়ে ৪৯৪ ভোট, মুনসুর আলী পালকি প্রতিক নিয়ে ৪৮৪ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় ও রকিবুল হাসান হারুন তলোয়ার প্রতীক নিয়ে ৪৪২ ভোট পেয়ে তৃতীয় হয়েছেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন শেখ হারুন উর রশিদ। সহকারী কমিশনারদ্বয় এড. শেখ তামীম আহমেদ সোহাগ ও শেখ সাহাঙ্গীর হোসেন শাহীন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
 নারী দিয়ে ব্লাকমেইল করে ৪ লক্ষাধিক চাঁদা আদায়ের অভিযোগ : পাটকেলঘাটার রিপনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা, 
নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার তালায় নারী দিয়ে ব্লাক মেইল করে প্রায় ৪ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ তৈলকুপী গ্রামের রিপন সরদার বিরুন্ধে। এ ঘটনায় সাতক্ষীরা আদালতে মামলা দায়ের করেছে ভুক্তভূগীর পরিবার। অভিযুক্ত রিপন সরদার পাটকেলঘাটার তৈলকুপি গ্রামের আমিন সরদারের ছেলে।
সাতক্ষীরা বিজ্ঞ আমলী ০৩ নং আদালতে মামলা দাখিল করেন যুগিপুকুরিয়া গ্রামের শরিতুল্লাহ সরদারের পুত্র ফান্টু সরদার। যাহার ধারা নং ৪০৬,৪২০ ও ৫০৬।
উল্লেখিত মামলার বিবরন সম্পর্কে জানা যায়, আসামী রিপন অত্যান্ত ধূর্ত, প্রতারক, পরসম্পদ লোভী, পরসম্পদ আর্তসাৎকারী, ন্যাস্ত সরল বিশ্বাস ভঙ্গকারী এবং বিভিন্ন মানুষের ভুয়া বিয়ে দিয়ে ব্লাকমেইল করে প্রতারনার আশ্রয় গ্রহন করিয়া টাকা পয়সা আদায় করে থাকে।
এছাড়াও বহু অপকর্মের হোতা রিপন সরদারের বিরুদ্ধে এলাকার অসহায় নিরিহ মানুষকে জিম্মি করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া, সংসারে অশান্তি লাগিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া, আওয়ামীলীগ কর্মী পরিচয় দিয়ে জাতির জনকের ছবি ঝুলিয়ে খাস সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল করে দোকান নির্মান করে বিক্রয় করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া, চাঁদাবাজি,  সরকারি গাছকাটা, ডাকাতি সহ বহু অপকর্মের সাথে রিপন জাড়িত।
গত ইং-১২-০৫-২০২২ তারিখে খজ ৪৮২১৫৮৩ ও কড ৭৩০৯০৪ নং ১৫০ টাকার একটি এফিডেভিট করিয়া আমাকে ব্লাকমেইল করার জন্য তানিয়া সুলতানা নামের একজন মহিলাকে দেখাই এবং উক্ত তানিয়াকে তালাক প্রদান করেছি বলে আমাকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মামলা মোকাদ্দামার ভয় ভীতি দেখাইয়া আমার কাছ থেকে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা আর্তসাৎ করে।
মামলার বাদি ফান্টু সরদার জানান,  আমি একজন ক্ষুদ্র ফল ব্যবসায়ী। আমার দুইপুত্র এবং একটি প্রতিবন্ধী কন্যা সন্তান রয়েছে। পাটকেলঘাটা পাচরাস্তার মোড়ে ব্যবসা পরিচালনার সুবাদে রিপন সরদারের সাথে আমার পরিচয় হয়। রিপনের সাথে আমার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকায় তার উপর অগাথ আস্থা ছিলো। রিপন গোপনে ফাঁদ পাতে। আর সে কারনে তার পূর্ব পরিচিতি তৈলকুপি গ্রামের সিরাজুল ইসলামের স্ত্রী তানিয়া সুলতানার সাথে যোগসাজস করে। একপর্যায়ে ওই তানিয়া সুলতানার ছবি এবং আমার ছবি ব্যবহার করে একটি ১৫০ টাকার স্ট্যাম্পে ভূয়া এফিডেভিট তৈরি করে তার সাথে আমি বিবাহ করেছি মর্মে একটি ভুয়া কাগজ প্রদর্শন করে ব্লাক মেইলের মাধ্যমে আমার কাছে অর্থ আদায় করতে থাকে এক পর্যায়ে প্রায় ৪ লক্ষ টাকা আমার নিকট থেকে বিভিন্ন সময় নিয়ে থাকে। আমি টাকা দিতে অস্বীকার করায় ওই ভূয়া এফিডেভিটের কাগজ আমার স্ত্রী সন্তানদের কাছে পৌছে দিতে এবং এলাকায় প্রচার করে হয়রানি করবে মর্মে হুমকি প্রদর্শন করতে থাকে। আমি লোক লজ্জার ভয়ে লিচুর মৌসুমের ব্যবসার টাকা থেকে বিভিন্ন সময়ে রিপন সরদার কে ৩লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা প্রদান করি। সে আবারো টাকা দাবি করতে থাকে। আমার কাছে আর কোন টাকা না থাকায় তাদের টাকা দিতে না পারায় আমার কাছ থেকে জোরপূর্বক রিয়েলমি মোবাইল ফোন নিয়ে নেয় পাটকেলঘাটা থানার তৈলকুপী গ্রামের রিপন সরদার।
এরপর আবারো টাকা চাইলে না দিতে পারায় ওই ভূয়া এফিডেভিটের কাগজপত্র আমার স্ত্রী সন্তানসহ পরিবারের লোকজনদের কাছে দিয়ে দেয়। এতে পরিবারের অশান্তি সৃষ্টি হয়েছে। অথচ ওই তানিয়ার সাথে আমার কোন সম্পর্ক ইতোপূর্বেও ছিলো না। বর্তমানে নেই। শুধু মাত্র অর্থের লোভে ফাঁদ পেতে রিপন সরদার একটি মিথ্যা কাল্পনিক নাটক সাজিয়েছে। এখনো রিপন প্রতিনিয়ত আমাকে খুন জখমের হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে চাঁদাদাবি করে যাচ্ছে। এঘটনায় আমি আদালতে মামলা দাখিল করেছি।
বহু অপকর্মের হোতা রিপন সরদার কে দ্রুত গ্রেফতার পুর্বক আমার টাকা আদায় সহ শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক।
মামলার আসামী রিপন সরদার কে মুঠোফোনে  একাধিকবার কল দিয়ে পাওয়া যায়নি।
এই বিষয়ে তানিয়া সুলতানা বলেন, একই গ্রামে বাড়ি হওয়ায় রিপন সরদারের সাথে পূর্ব পরিচয় থাকায় আমাকে চাকুরী দেবে বলে আমার আইডি কার্ড ও ছবি নিয়েছিলো। পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে আমাকে ব্লাক মেইলে বাধ্য করে ফান্টু সরদারের সাথে জোরপূর্বক কথা বলায়। একপর্যায়ে সে ভুয়া বিয়ের নাটক সাজিয়ে ফান্টু সরদারের কাছ থেকে ভয়ভীতি দেখিয়ে বিভিন্ন সময়ে ৪ লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। বহু অপকর্মের হোতা রিপন সরদার কে প্রশাসনের মাধ্যমে দৃষ্টান্ত মূলত শাস্তি দাবি জানাচ্ছি। যাহাতে এই ধরনের কাজ ভবিষ্যতে ধূর্ত রিপন আর কাউকে বিপদে ফেলতে না পারে।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিসিএস ক্যাডার কর্মকর্তাবৃন্দের উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানবন্ধন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : গফরগাও সরকারি কলেজ, ময়মনসিংহে কর্মরত বিসিএস ক্যাডার কর্মকর্তাবৃন্দের উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় কর্মবিরতি ও মানবন্ধন পালন করেছে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতি।

বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির দেশব্যাপি অংশ হিসেবে সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতি,

কলেজ ইউনিট এক মানববন্ধন কর্মসুচির আয়োজন করে।

রোববার সকালে সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতি সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজ শাখার সভাপতি প্রফেসর বাসুদেব বসু,

সহ-সভাপতি প্রফেসর আবু হেনা মোস্তফা কামাল, সাধারণ সম্পাদক মোঃ শফিকুর রহমান, যুগ্ম-সম্পাদক শরিফ-উল- আলমসহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজ এর শিক্ষক পর্ষদ সম্পাদক মোঃ আজিজুর রহমান।
বক্তারা এই হামলার তীব্র নিন্দা জানান এবং অবিলম্বে দোষীদের আইনের আওতায় আনার ব্যাপারে শিক্ষাবান্ধব সরকারেরর প্রতি জোর অনুরোধ জানান

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় বিমাতা ভাই ও ভাইপোদের হামলায় আহত আনছার আলীর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরায় জমি জমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে বিমাতা ভাই ও ভাইপোদের হামলায় গুরুতর আহত আনছার আলী মারা গেছেন। রোববার ভোরে খুলনা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

নিহত আনছার আলী(৫৫) সাতক্ষীরা সদরের লাবসা ইউনিয়নের কৈখালী গ্রামের মৃত. এছেম আলীর সরদারের পুত্র।

জানা গেছে, জমি জমা সংক্রান্ত বিষয়ে লাবসা ইউনিয়নের কৈখালী গ্রামের মৃত. এছম আলী সরদারের প্রথম স্ত্রীর পুত্র আনছার আলীদের সাথে দ্বিতীয় স্ত্রীর পুত্র মেম্বর হোসেন আলী গংয়ে বিরোধ চলে আসছিল। গত ৯জুন ২২ তারিখ রাত ৮টার দিকে আনছার আলীর পুত্র আব্দুর রাজ্জাক বাইপাস সংলগ্ন নিজ মৎস্য ঘেরে অবস্থান করছিল।

এসময় ঘেরের ভেড়ীর মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে মেম্বর হোসেন আলীর নেতৃত্বে তার মাদক ব্যবসায়ী পুত্র রুবেল, জুয়েল ও জুলু দেশীয় অস্ত্র সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে রাজ্জাকের উপর হামলা চালিয়ে বেধড়ক মারপিট করতে থাকে।

তাদের মারপিটে রাজ্জাক অচেতন হয়ে পড়লে তার পিতা আনছারী আলী ছেলেকে রক্ষা করতে ঘটনাস্থলে গেলেই রুবেল ছুটে এসে তার বুকে লাথি মারে। এতেই আনছার আলী মাটিতে লুটিয়ে পড়লে মেম্বর হোসেন এবং তার অন্য দুইপুত্র জুয়েল ও জুলু তাকে বেধড়ক মারপিট করে মৃত ভেবে ফেলে রেখে যায়।

পরবর্তীতে স্থানীয়রা আব্দুর রাজ্জাক এবং তার পিতা আনছার আলীকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। এঘটনায় আব্দুর রাজ্জাক বাদী হয়ে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

যার মামলা নং-২৮, ১১/০৬/২২। এঘটনার পর থেকে ইউপি সদস্য হোসেন আলীসহ তার তিনপুত্র পলাতক রয়েছে।
এদিকে, গুরুতর আহত আনছার আলীর অবস্থার অবনতি হলে তাকে খুলনা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। রোববার সকালে খুলনায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় আনছারী মারাযান।
এবিষয়ে নিহতের পুত্র আব্দুর রাজ্জাক বলেন, মেম্বর হোসেনের নেতৃত্বে তার তিনপুত্র আমাকে প্রায় মেরেই ফেলেছিল। আমার পিতা আনছার আলী তাদের হাত আমাকে উদ্ধার করতে গিয়ে তাদের হামলায় নিজেই মারা গেছেন। তিনি পিতাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার পূর্বক দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এঘটনায় সাতক্ষীরা সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত বিশ্বজিত অধিকারী বলেন, মারপিটের ঘটনায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। আহতদের মধ্যে আনছারী রোববার মারা গেছেন। ওই মামলাটিই হত্যা মামলা হিসেবে গণ্য হবে। এছাড়া আসামীদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশ অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। আসামীরা সকলেই পলাতক থাকায় তাদের আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে আসামী গ্রেফতারে পুলিশে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রসুল (সঃ) মা আয়েশা(রাঃ)কে নিয়ে কুটুক্তি ও অবমানানকর মন্তব্য করার প্রতিবাদে শ্যামনগরে বিক্ষোভ 

শ্যামনগর প্রতিনিধিঃ

সাতক্ষীরা’র শ্যামনগরে বিশ্ব মানবতার মুক্তির দূত মুহাম্মদুর রসুল(সঃ) ও মা আয়েশা(রাঃ) কে নিয়ে
কুটুক্তি ও অবমানানকর মন্তব্য করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার ১১ জুন বিকাল ৫টায় সর্বস্তরের উলামায়ে কেরাম ও তৌহিদী জনতার আয়োজনে বিক্ষোভ মিছিল বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক হাফেজ মোখলেছুর রহমানের সভাপতিত্বে থানা জামে মসজিদের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জে,সি কমপ্লেক্স চত্বরে এসে শেষ হয়।
বিক্ষোভ মিছিলে বক্তব্য রাখেন,উপজেলা ওলামা পরিষদের সভাপতি থানা মাদ্রাসার মুহতামিম ও উপজেলা পরিষদ জামে মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি আব্দুল খালেক, মুফতি জিয়াউর রহমান ফারুকী, মুহাদ্দেস খাইরুল বাশার,মাওঃ আবুবকর সিদ্দিক,মুফতি মাওছুফ সিদ্দিকী,উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক এম, কামরুজ্জামান সহ মাদ্রাসার প্রধান গন। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বিক্ষোভ সমাবেশের বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব হাফেজ মাওলানা মেসবাহউদ্দীন।
বক্তাগণ বলেন,১৯৭১সলে মুক্তিযুদ্ধ কালিন ভারত আমাদের সহযোগিতা করেছিলেন, তাই বলে এই নয় যে, আমাদের ধর্ম ইসলামের প্রতি আঘাত করবে,তা সারা বিশ্বের মুসলিম কখনো মানবে না।ভারতের ক্ষমতাশালী দল বিজেপির মুখপাত্র নুপুর শর্মা ও মিডিয়া সেলের প্রধান নবীর জিন্দা, আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) ও মা আয়েশা (রাঃ) সম্পর্কে অবমানাকর ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছেন।
সারা বিশ্বের মুসলমানের কাছে প্রিয় নবী সম্মান নিজের জীবনের চেয়ে ও মূল্যবান।আমরা এর তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।অবিলম্বে ভারতের পণ্য বর্জন করতে হবে,দুই কুলাঙ্গারকে অবিলম্বে ফাঁসি দিতে হবে, তাহলে আরো কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দেওয়া হবে। বিক্ষোভ মিছিলে উপজেলার বিভিন্ন স্তর থেকে হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা অংশগ্রহণ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে আহত

আসাদুজ্জামান ঃ সাতক্ষীরায় জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে প্রতিপক্ষরা। শনিবার (১১ জুন) বেলা ১১টার দিকে সদর উপজেলার লাবসা ইউনিয়নের থানাঘাটা গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে।

এ ঘটনায় পাঁচজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরাও কয়েকজনের নামে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি এজহার জমা দিয়েছেন গুরুতর আহত সদর হাসপাতালে চিসিাধীন জমির মালিক জয়নাল আবেদীন (৫৫)।

তিনি লাবসা ইউনিয়নের থানাঘাটা কলোনীপাড়া এলাকার মৃত গোলাম রাজ্জাকের ছেলে।
এজহার সূত্রে জনা গেছে, থানাঘাটা কলোনীপাড়া এলাকার জয়নাল আবেদীনের থানাঘাটা কাজিপাড়া এলাকায় ৫ কাটা জমি রয়েছে। সেই জমিতে তিনি একটি মহিলা এতিমখানা নির্মাণ করার সিদ্ধান্ত নেন।

সেই অনুযায়ী তিনি সেখানে আজ কাজও শুরু করছিলেন। কাজ শুরুর এক পর্যায়ে পূর্ব থেকে ওৎ পেতে থাকা তার প্রতিপক্ষ থানাঘাটা কলোনীপাড়া এলাকার এ্যাপোলো, রাজন, সুমন হোসেন, এপ্যালোর স্ত্রী পারভীনা ও সুমন হোসেনের স্ত্রী পারুলসহ অজ্ঞাত আরও কয়েকজন জয়নাল আবেদীনকে একা পেয়ে দেশীয় অস্ত্র শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তার উপর অতর্কিত হামলা চালায়।

একপর্যায়ে এ্যাপোলো তার হাতা থাকা লোহার রড দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে জয়নাল আবেদীনের মাথায় আঘাত করে গুরুতর হাড়ভাঙ্গা জখম করে। পরে উল্লেখিতরা সবাই মিলে তাকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে বাম হাতে থ্যাতলানো জখমসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্তজমাট-ফোলা জখম করে। তারা এ সময় তার জমিতে থাকা পাকা দেওয়াল ভেঙে আর্থিক ক্ষতিসাধনও করে।

পরে আহত জয়নাল আবেদীনের আত্মচিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এলে প্রতিপক্ষরা তাকে হত্যার হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। এরপর স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
সাতক্ষীরা সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) বিশ^জিত অধিকারী জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কর্মীসভা

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কর্মীসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে সাতক্ষীরায়। জেলা কৃষকদলের আয়োজনে শনিবার সকালে শহরের কামালনগর তুফান কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত কর্মীসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, কৃষকদল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি আলহাজ¦ আ.ন.ম খলিলুর রহমান ওরফে ভিপি ইব্রাহিম।
কর্মীসভার উদ্বোধন করেন, সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আহবায়ক অ্যাড. সৈয়দ ইফতেখার আলী। জেলা কৃষক দলের আহবায়ক আহসানুল কাদির স্বপনের সভাপতিত্বে কর্মীসভায় প্রধান বক্তা ছিলেন,

ষকদল কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ারুল ইসলাম বাদশা। কর্মীসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, কৃষকদল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সমবায় সম্পাদক কৃষিবিদ সিরাজুন্নবী মামুন, সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব চেয়ারম্যান আব্দুল আলিম, যুগ্ন আহবায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব, কৃষকদল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারন সম্পাদক অ্যাড. আব্দুস সালাম খান,

ত্রান ও পুর্নবাসন সম্পাদক সেলিম চৌধুরী, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নাইম, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ¦ মোল্যা কবির হোসেন, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক কাদের সিদ্দিকী, সহ-বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মহিউদ্দীন খান শ্যামল, সহ-যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক গ্জী আমিনুর রহমান মিনু, সহ-জলবায়ু সম্পাদক অ্যাড. মাহমুদুল আলম শাহিন, সদস্য কামরুজ্জামান বকুল, আবু তায়েব রমিজ উদ্দীন রুমি, সাতক্ষীরা জেলা কৃষকদলের সভাপতি আলহাজ¦ আব্দুস সামাদ, জেলা যুবদল সভাপতি আবু জাহিদ ডাবলু,

জেলা ছাত্রদল সভাপতি শেখ শরিফুজ্জামান সজল, জেলা মহিলাদল সভাপতি ফরিদা আক্তার বিউটি, জেলা যুবদল সাধারন সম্পাদক এইচ আর মুকুল, জেলা স্বেচ্ছাসেবকদল সাধারন সম্পাদক অ্যাড. কামরুজ্জামান ভুট্টো, জেলা শ্রমিকদল সাধরন সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, জেলা ছাত্রদল সাধারন সম্পাদক মোমতাজুল ইসলাম চন্দন প্রমুখ।

সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন, জেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব শাহিনুর রহমান শাহিন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় নেতা ভিপি ইব্রাহিম বলেন, বর্তমান সরকারের অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে অসহনীয় হয়ে উঠেছে মানুষের জীবন। সরকার দ্রব্যমূল্যের লাগাম টেনে ধরতে ব্যর্থ হয়েছে যার কারনে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য সাধারন মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। সাধারন মানুষ এখন অতিকষ্টে জীবন যাপন করছে। তিনি অবিলম্বে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য মূল্যের নিয়ন্ত্রনসহ অসুস্থ বিএনপি চেয়ারপর্সন বেগম খালেদা জিয়া ও ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের

নিঃশর্ত মুক্তি এবং খালেদা জিয়াকে বিদেশে সুচিকিৎসার জোর দাবী জানান। কর্মীসভা শেষে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ও ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ সকল অসুস্থ নেতা-কর্মীদের রোগ মুক্তি কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালায় মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাইয়ে নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে অমুক্তিযোদ্ধাকে তালিকা ভূক্তির চেষ্টা

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ সাতক্ষীরার তালায় প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাইয়ে নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে অমুক্তিযোদ্ধাকে তালিকা ভূক্তির চেষ্টার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে উক্ত সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন, উপজেলার পাটকেলঘাটা থানার দক্ষিণ শার্শা গ্রামের মৃত ফকির আহমেদ গাজীর পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা তবিবুর রহমান।

তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, আমি তালা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক সাংগঠনিক কমান্ডার। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিলাম। আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর মুক্তিযোদ্ধার পরিবার, সন্তান ও পোষ্যদের জন্য কিছু সুযোগ সুবিধা দিয়ে আসছেন।

এ সুবিধা ভোগের উদ্দেশ্যে কতিপয় অমুক্তিযোদ্ধা জালিয়াতির মাধ্যমে সনদপত্র সৃষ্টি করে মুক্তিযোদ্ধা না হয়েও মুক্তিযোদ্ধাদের দেওয়া সুবিধা ভোগ করে আসছেন। যে কারনে বর্তমানে মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাচাই শুরু হয়েছে। আমি ধানদিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা। এই ইউনিয়নের কৃষ্ণনগর গ্রামের প্রয়াত লোলিত মোহন সাহা মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না।

১৯৭১ এর পর দীর্ঘকাল যাবত কখনো তাকে মুক্তিযোদ্ধা দাবিও করেনি তার পরিবার। অথচ পত্রপত্রিকার মাধ্যমে ২০১৯ সালে জানতে পেরেছি তার পুত্ররা যথাক্রমে বীরেন্দ্র নাথ সাহা, প্রতাপ কুমার সাহা ও পৌত্র সুমন সাহা মুক্তিযোদ্ধার একটি সাময়িক সনদ জালিয়াতির মাধ্যমে সৃষ্টি করেছে। ওই জাল সনদে তারা সরকারি চাকুরি করে আসছেন। প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য দেওয়া সুবিধা জালিয়াতির মাধ্যমে অন্য কেউ ভোগ করবে এটি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে আমি মেনে নিতে না পেরে আদালতে একটি মামলা দায়ের করি। পিবিআই তদন্ত করে ওই সনদটি সঠিক নয় মর্মে উল্লেখ করে একটি রিপোর্টও প্রদান করেন।

অথচ ১৪৮৬০ নং সনদ প্রদর্শন করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে বীরেন্দ্র নাথ সাহা ও প্রতাপ কুমার সাহা এবং পৌত্র উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা হিসেবে সুমন সাহা চাকুরি করে আসছেন। এবিষয়ে সকল দপ্তরে অভিযোগ করা হলেও মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে ম্যানেজ করে বহাল তবিয়তে চাকুরি করে যাচ্ছেন ওই অমুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা।

তিনি বলেন, তাদের পিতা লোলিত মোহনের লাল মুক্তিবার্তা, গেজেট নেই তবুও জালিয়াতির মাধ্যমে সাময়িক সনদে বছরের পর বছর চাকুরি করে আসছেন। সম্প্রতি তালায় মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই শুরু হলে অমুক্তিযোদ্ধা পিতাকে মুক্তিযোদ্ধা বানিয়ে গেজেট ভুক্ত করতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন। চলমান যাচাই-বাছাই কমিটিতে বিভিন্ন প্রকার অসামঞ্জস্যপূর্ণ আবেদন ও কাগজপত্র দাখিলসহ অর্থের বিনিময়ে ভাড়াটে স্বাক্ষী উপস্থাপন করেছেন।

আমি এর বিরুদ্ধে অভিযোগ করলেও যাচাই-বাছাই কমিটি আমার আপত্তির কোন মূল্যায়ন করছেন না। সাক্ষ্যদেওয়া ব্যক্তিরা দাবি করছেন, লোলিত মোহন নৌ কমান্ডে যুদ্ধ করেছেন, আবার গেজেট ভুক্তির আবেদনে মুজিব বাহিনী তথা তোফায়েল আহমেদ এর নেতৃত্বে যুদ্ধ করেছেন বলে দাবি করেন। আবার আবেদনের সাথে তোফায়েল আহমেদ স্বাক্ষরিত সনদের পরিবর্তে দেখাচ্ছেন ওসমান গণি স্বাক্ষরিত সনদ। ওই অমুক্তিযোদ্ধাকে তালিকাভুক্তির জন্য মোটা অংকের অর্থের প্রলোভনে কতিপয় বীর মুক্তিযোদ্ধারা সাক্ষী দিচ্ছেন এবং স্বাক্ষীগুলোর সঠিকতা যাচাই-বাছাই কমিটি যথাযথ নীতিমালা অনুসরন করছেন না বা স্বাক্ষীদের কোন প্রকার জেরা করা হচ্ছে না। তিনি আরো বলেন, আমি ওই জালিয়াতির বিরুদ্ধে সক্রিয় প্রতিবাদ করায় আমার বিরুদ্ধে সংখ্যালঘু নির্যাতনের মিথ্যা অপবাদ লাগিয়ে ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছেন ওই অমুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা। আমি দুর্নীতির সাথে আপোষ করি না।

মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের অংশ না নিয়েও মুক্তিযোদ্ধা সেজে সুবিধা ভোগ করবে এটি হবে না। সংবাদ সম্মেলন থেকে তিনি এ সময় ওই অমুক্তিযোদ্ধা যাতে কোন ভাবেই গেজেটভুক্ত হতে না পারে সে বিষয়ে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল, সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক, নিরাপত্তা গোয়েন্দা এন এস আই,সিআইডিসহ সরকারের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোশারফ হোসেন মশু, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোড়ল আবু বক্কার, বীর মুক্তিযোদ্ধা এসএম মো: ফজলুল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: নেছার ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: আলতাফ হোসেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest