সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটায় দুর্বিষহ জীবন যাপন করছেন পত্রিকা বিক্রেতা আলাউদ্দিনসাতক্ষীরা সরকারি কলেজের শিক্ষককের সাথে অশালিন আচরণের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ : কোচিং সীলগালাআশাশুনিতে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের অধিকার রক্ষায় অ্যাডভোকেসিদেবহাটা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ডালিমের মৃত্যুরেকর্ডীয় সম্পত্তিতে জোর পূর্বক ঢালাই রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ নলতা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমানের বিরুদ্ধেতালা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচনআশাশুনিতে অবঃ শিক্ষক-কর্মচারী ফোরাম গঠনআশাশুনিতে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রের সচিব ও ট্যাগ অফিসারকে অব্যাহতিসাতক্ষীরা জেলা হিউম্যান রাইটস জার্নালিষ্ট নেটওয়ার্কের কমিটি গঠনসাতক্ষীরায় ব্র্যাকের দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি পরিদর্শন

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরায় বৃক্ষরোপন কর্মসূচি

নিজস্ব প্রতিনিধি :

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরায় বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

গতকাল সাতক্ষীরা মিশন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কারিমা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বল ফিল্ড চত্বরের ফলজ বৃক্ষ রোপন করা হয়।
সুন্দরবন ফাউন্ডেশন ও কোস্টাল ডিজাস্টার হিউম্যানট্রেনিয়ান নেটওয়ার্ক এর সহযোগিতায় ও পরিবেশ অধিদপ্তর এর আয়োজনে বৃক্ষরোপন কর্মসূচিতে ফলজ চারা রোপন করেন সরদার শরীফুল ইসলাম উপ-পরিচালক পরিবেশ অধিদপ্তর সাতক্ষীরা।

উক্ত কর্মসূচিতে উপস্থিত থেকে বৃক্ষরোপন কর্মসূচিতে অংশগ্রহন করেন শেখ আফজাল হোসেন নির্বাহী পরিচালক সুন্দরবন ফাউন্ডেশন, সাতক্ষীরা, মোছাঃ শামিমা খাতুন প্রধান শিক্ষক সাতক্ষীরা মিশন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, মোঃ আজিজুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কারিমা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, সাতক্ষীরা, বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ ও ছাত্র-ছাত্রী বৃক্ষরোপন কর্মসূচিতে স্বতস্ফুর্তভাবে অংশগ্রহন করেন।
একই সাথে ছাত্র-ছাত্রীদের বৃক্ষরোপন ও পরিবেশ সংরক্ষণ সম্পর্কে সচেতনতা গড়ে তুলতে উদ্বুদ্ধ করেন ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

কালিগঞ্জ প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার কালিগঞ্জের কৃষ্ণনগর ইউপি চেয়ারম্যান সাফিয়া পারভীনের বিরুদ্ধে সরকারি প্রকল্প অনিয়ম দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশকে কেদ্র করে সাংবাদিক আফজাল হোসেন ও আব্দুল মাজিদ এর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মিথ্যা মামলা দায়েরের প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

কালিগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাবে আয়োজিত ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচিতে রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক নিয়াজ কওছার তুহিন এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন দৈনিক আজকের সাতক্ষীরা পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি জিএম মামুন,

দৈনিক আলাকিত বাংলাদেশ এর উপজলা প্রতিনিধি শেখ আব্দুল হামিদ, দৈনিক সাতনদী’র সিনিয়র রিপোর্টার হাফিজুর রহমান, দৈনিক সাতঘরিয়া’র কালিগঞ্জ ব্যুরো প্রধান ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক গাজী মিজানুর রহমান, শ্যামনগর রিপার্টার্স ক্লাবের মারুফ বিল্যাহ রুবেল, শ্যামনগর সুদরবন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বিলাল হোসেন, দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সদস্য জিএম আব্বাসউদ্দীন, দৈনিক কালের চিত্র’র কালিগঞ্জ ব্যুরা প্রধান ইউপি সদস্য এসএম গোলাম ফারুক, কালিগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফিফা রেফারী শেখ ইকবাল আলম বাবলু প্রমুখ। দৈনিক সুপ্রভাত সাতক্ষীরা পত্রিকার নিজস্ব প্রতিনিধি শেখ শাওন আহমেদ সোহাগের সঞ্চালনায় মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন,

কৃষ্ণনগর ইউপি চেয়ারম্যান সাফিয়া পারভীনের বিরুদ্ধে রাস্তা নির্মাণ প্রকল্পের অনিয়ম ও দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশ করায় সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে তার গাত্রদাহ শুরু হয়। নিজস্ব লোক হিসেবে পরিচিত ফার্নিচার ব্যবসায়ী শংকরপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলামকে বাদী করে দৈনিক পত্রদূত’র কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন প্রতিনিধি ও দৈনিক স্পদন পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি সহকারী শিক্ষক আফজাল হোসেন এবং দৈনিক দৃষ্টিপাত পত্রিকার কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন প্রতিনিধি সহকারী শিক্ষক আব্দুল মাজিদ এর নামে চাঁদাবাজি ও হামলার মিথ্যা অভিযোগ দেয়। গত ৫ জুন দিবাগত রাত ইউপি চেয়ারম্যান সাফিয়া পারভীন নিজ থানায় উপস্থিত থেকে মামলা রেকর্ড করিয়েছেন। তদন্ত ছাড়াই থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মিজানুর রহমান মামলা রেকর্ড করেছেন যা মোটেই কাম্য নয়। প্রায় দু’বছর পূর্বে পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মিজানুর রহমান কালিগঞ্জ থানায় যোগদান করেন। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। তারা বলেন, সাংবাদিকরা সমাজের অনিয়ম অসঙ্গতি তুলে ধরে প্রশাসন ও রাষ্ট্রকে সহায়তা করছে। সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা নিয়ে দুর্নীতিবাজদের উৎসাহিত করা হলো। অবিলম্বে হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং কৃষ্ণনগর ইউপি চেয়ারম্যানসহ যারা এই ঘটনার সাথে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশ সুপার ও উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বক্তারা। মানববন্ধনে কালিগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাবের সাংবাদিকসহ বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকক্ট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দও বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশে বছরে মাথাপিছু খাদ্য অপচয় ৬৫ কেজি!

ভিন্নরকম খবর: বিশ্বে প্রতি বছর যত খাবার উৎপাদন হয় তার একটি বড় অংশ মাঠ থেকে আর খাবার টেবিল পর্যন্ত পৌঁছায় না। উচ্ছিস্ট হিসেবে অপচয় হয়ে যায়। খাদ্য অপচয়ের ক্ষেত্রে উন্নত, উন্নয়নশীল আর অনুন্নত কেউই বাদ যায় না বাংলাদেশেও প্রতি বছর যত খাবার উৎপাদন হয়, বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো তারও একটি বড় অংশ নষ্ট হয়ে ভাগাড়ে যায়।

২০২১ সালে জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা ইউনেপ ফুড ওয়েস্ট ইনডেক্স নামে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে, যাতে বলা হয়েছে- বাংলাদেশে বছরে এক কোটি ৬ লাখ টন খাদ্য অপচয় হয়। মাথাপিছু খাদ্য অপচয়ের হারও বাংলাদেশে অনেক বেশি। খবর বিবিসি বাংলার।

ইউনেপের ওই ইনডেক্স অনুযায়ী একজন বাংলাদেশি বছরে ৬৫ কেজি খাদ্য উপাদান কিংবা তৈরি খাদ্য নষ্ট করেন। কিন্তু বাংলাদেশের মতো একটি দেশে খাবারের এত অপচয় কেন হয়? কিভাবেই বা সেটি ঠেকানো যাবে? এ নিয়ে একটি বিশেষ প্রতিবেদন করেছে বিবিসি বাংলা।

এতে বলা হয়, দক্ষিণ এশিয়ায় ভারত ও পাকিস্তানের পর তৃতীয় সর্বোচ্চ খাদ্য অপচয় হয় বাংলাদেশে।

খাদ্য অপচয় বলতে কী বোঝায়?

উৎপাদনের শুরু থেকে অর্থাৎ সেটি মাঠে শস্য উৎপাদন হোক কিংবা সবজি, ফল, মাংস, ডিম বা দুধ যাই হোক না কেন, সেটি মানুষের খাবারের প্লেটে যদি না পৌঁছায়, অথবা প্লেটে পৌঁছেও নষ্ট হয় তবে সাধারণভাবে তাকে খাদ্য অপচয় বলা যায়।

উৎপাদনের পর যদি সেটি খাওয়ার যোগ্য না হয়, মানে সেটি যদি পচে যায়, বা মান সম্পন্ন না হয়, সেটিও খাদ্য অপচয় বলে গণ্য হয়।

ইংরেজিতে বিষয়টি বোঝানোর জন্য ‘ফুড লস’ এবং ‘ফুড ওয়েস্ট’ দুইটি শব্দ ব্যবহার করা হয়। কিন্তু বাংলায় এ দুইটিকেই খাদ্য অপচয় বলে বর্ণনা করা হয়।

২০২১ সালে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা এফএও বাংলাদেশে একটি গবেষণা চালায় যাতে বলা হয়, বাংলাদেশে উচ্চ আয়ের পরিবারে বেশি খাদ্য অপচয় হয়।

ওই গবেষণা দলের প্রধান ছিলেন ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের হর্টিকালচার বিভাগের অধ্যাপক কামরুল হাসান ।

তিনি বলেছেন, তাদের গবেষণায় তারা দেখতে পেয়েছেন উচ্চ আয়ের পরিবারে এক মাসে মাথাপিছু ২৬ কেজি খাদ্য অপচয় হয়। সে তুলনায় মধ্য এবং নিম্ন আয়ের পরিবারে অপচয় কম হয়।

কিভাবে নষ্ট হয়?

অধ্যাপক কামরুল হাসান বলেছেন, বাংলাদেশে কয়েকটি ধাপে খাদ্য অপচয় হয়। তবে ফসলের ক্ষেত থেকে খাদ্যসামগ্রী বাজারে এসে পৌঁছানোর মধ্যবর্তী পর্যায়ে সবচেয়ে বড় অপচয়টি হয়। এর মধ্যে ফসল তোলার পর্যায়ে এক ধরণের অপচয় হয়, এরপর মজুদ বা সংরক্ষণ করা এবং ব্যাপারীর মাধ্যমে সেটি বাজারজাত করার সময় আরেকবার অপচয় হয়।

এরপর দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে যখন বড় শহরে ফসল, সবজি ও ফল, মাংস, ডিম, বা দুগ্ধ ও দুগ্ধজাত পণ্য আসে তখন আরেক দফায় অপচয় হয়।

কারণ হিসেবে অধ্যাপক কামরুল হাসান বলেছেন, দেশে কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার কম, ফলে মাঠ থেকে ফসল তোলা, প্রক্রিয়াকরণ এবং মজুদ, তারপর সেগুলো বাজারে পরিবহন-এর প্রতিটি পর্যায়েই অপচয় হয়।

এফএও’র গবেষণায় দেখা গেছে, শস্যদানা মানে চাল, গম ও ডাল এসব উৎপাদন থেকে মানুষের প্লেট পর্যন্ত পৌঁছানোর আগেই প্রায় ১৮ শতাংশ অপচয় হয়। ফল আর সবজির ক্ষেত্রে অপচয় হয় ১৭ থেকে ৩২ শতাংশ পর্যন্ত।

কেন মাথাপিছু খাদ্য অপচয় এত বেশি?

বাংলাদেশের আর্থিক অবস্থা এখন মধ্যম আয়ে উন্নীত হয়েছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও দেশে মাথাপিছু খাদ্য অপচয়ের যে হিসাব তা যথেষ্ট বেশি বলে মনে করেন গবেষকেরা।

অধ্যাপক হাসান মনে করেন, বাংলাদেশের কৃষিতে প্রযুক্তির কম ব্যবহার, সংরক্ষণের ব্যবস্থা পর্যাপ্ত না থাকা, এবং বিকল্প সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকাই খাদ্য অপচয়ের প্রধান কারণ।

তিনি বলেন, কৃষক যদি তার উৎপাদিত ফসল সংরক্ষণ ঠিকমত না করতে পারে তাহলে তার ক্ষতি হবেই। ধরুন, কোল্ড স্টোরেজ না থাকার কারণে তাকে হয়তো শাক আজকেই বিক্রি করতে হবে, কিন্তু বিক্রি না হলে সেটা পুরো নষ্ট হয়ে গেল।

কিভাবে ঠেকানো যাবে?

খাদ্যের অপচয়ের সঙ্গে আরো অনেক অপচয় এবং ক্ষতি হয়। এর মানে হচ্ছে উৎপাদনের পেছনে যে অর্থ লগ্নি করা হয়, যে পরিমাণ পানি ও জ্বালানি বিনিয়োগ করা হয়েছে, ফসল তোলা এবং পরিবহণ ও বাজারজাতকরণ এই প্রতিটি ক্ষেত্রে শ্রম ও অর্থ এবং প্রাকৃতিক শক্তির অপচয় হওয়া।

নষ্ট হওয়া খাবার জলবায়ু পরিবর্তনেও নেতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। এর মানে হচ্ছে চাহিদা পূরণে বেশি বেশি উৎপাদন প্রক্রিয়ায় যেতে হবে যা জমির উর্বরতা কমিয়ে দেয়।

আবার ভাগাড়ে ঠাঁই হওয়া ফেলে দেয়া খাবার পচে মিথেন গ্যাস তৈরি করে। জাতিসংঘের হিসেব অনুযায়ী ২০৭৫ সাল নাগাদ বিশ্বের জনসংখ্যা দাঁড়াবে ৯৫০ কোটি।

এই বিপুল জনসংখ্যার চাহিদা মেটানোর জন্য ভবিষ্যতে আরও খাদ্যের দরকার হবে। শুধুমাত্র অপচয় বন্ধ করেই এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব বলে মনে করেন গবেষকেরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস, জলবায়ু পরিবর্তনে গোলটেবিল বৈঠক

আশাশুনি প্রতিনিধি:
আশাশুনিতে কারিতাস’র সমন্বিত দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসের মাধ্যমে কমিউনিটির সক্ষমতা বৃদ্ধি (আইডিআরআর) প্রকল্পের স্টেকহোল্ডারদের সাথে দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস, জলবায়ু পরিবর্তন, অভিবাসন ও স্মার্ট সিটি বিষয় গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে কারিতাস, জার্মানির আর্থিক সহায়তায় কারিতাস বাংলাদেশ’র খুলনা অঞ্চলের ইন্টিগ্রেটেড আইডিআরআর প্রকল্প এ বৈঠকের আয়োজন করে।

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা, সহকারি কমিশনার (ভূমি) শাহীন সুলতানা।

প্রকল্পের ফিল্ড অফিসার আলোইসিয়াস গাইনের উপস্থাপনায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অসীম বরণ চক্রবর্তী, মোসলেমা খাতুন মিলি, কৃষি অফিসার রাজিবুল হাসান, সমাজসেবা অফিসার রফিকুল ইসলাম,

কারিতাসের ডিএম তাপস সরকার, আইডিআরআর প্রকল্পের প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর পবিত্র কুমার মণ্ডল, মিল কো-অর্ডিনেটর মেহেদী হাসান খান, আশাশুনি প্রেসক্লাব ও রিপোর্টার্স ক্লাবের সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দক্ষিণ দেবনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে বদলির দাবি

নিজস্ব প্রতিনিধি :
বিদ্যালয়ের অর্থ আত্মসাতসহ নানা অভিযোগে দক্ষিণ দেবনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে বদলির দাবিতে জেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর অভিযোগ লিখিত দায়ের করা হয়েছে।

গত ৩ জুন ২০২২ তারিখে বিদ্যালয়ের সভাপতি গোলাম মোস্তফা, লাবসা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি এড. মোস্তাফিজুর রহমান শাহনেওয়াজসহ এলাকাবাসী এ অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোছা: সাহিদা খাতুন দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ের উন্নয়নমূলক কাজ করেন না। সংস্কারের বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাত করে আসছেন। বিদ্যালয়ের পুরাতন বেঞ্চ, চেয়ার বিক্রয় করে আত্মাসাত করেন।

এছাড়া বিদ্যালয়ের লেখাপড়ার মান দিন দিন নষ্ট হচ্ছে।

ফলে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ক্রয়ম কমে যাচ্ছে। এবিষয়ে প্রতিবাদ করলে তিনি বিদ্যালয়ের অভিভাবকসহ এলাবাসীর সাথে খারাপ আচরণ করেন। বিদ্যালয়ে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে দ্রুত প্রধান শিক্ষক সাহিদা খাতুকে বদলীর দাবি জানিয়েছেন তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় চাকুরি দেওয়ার নামে স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেত্রী আয়শা’র বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ন আহবায়ক আয়শা সিদ্দিকা বিরুদ্ধে চাকুরি দেওয়ার নাম করে টাকা আত্মসাৎ অভিযোগ উঠেছে। তবে এ অভিযোগকে গুজব দাবি করেছেন স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেত্রী আয়াশ সিদ্দিকা।
এঘটনায় দেবহাটা থানার সখিপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলাম এর পুত্র হাফিজুল ইসলাম সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের কার্যালয় লিখিত অভিযোগ করেন।

পুলিশ সুপার আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সাতক্ষীরা ডিবি পুলিশের ওসি কে নির্দেশ দিয়েছেন।
অভিযোগে বলেন সাতক্ষীরা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা ও আহবায়ক কমিটির যুগ্ম-আহবায়ক আয়শা সিদ্দিকা ও স্বামী আফছার উদ্দীন আমার পূর্ব পরিচিত আমাকে এনএসআই (গোয়েন্দা শাখার জুনিয়ার ফিল্ড অফিসার) পদে চাকুরি দিবে বলে বিগত ২০১৯ সালে আয়শা সিদ্দিকা ভাড়া নেওয়া বাড়ীতে বসে আমার নিকট হইতে দুই কিস্তিতে সর্বমোট সাত লক্ষ দুই হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। টাকা গ্রহন করার সময় আমাকে বলে যে, ছয় মাসের মধ্যে আমাকে চাকুরি দিবে।

নির্ধারিত সময় অতিবাহিত হওয়ার পরও আমার চাকুরি না দেওয়ায় আমি বাধ্য হয়ে আয়শা সিদ্দিকার কাছে আমার টাকা গুলি ফেরত চাই । কিন্তু আমার টাকা গুলি দিচ্ছে না।

দুই বছর যাবত আমাকে ঘুরাচ্ছে। বর্তমানে আমার টাকা দিবে না বলিয়া বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করছে। আয়শা সিদ্দিকা ভাড়া নেওয়া বাড়ীতে যাইয়া আমার পাওনা টাকা চাইলে আমাকে মান- অপমান জনক কথা বার্তা বলে, বিভিন্ন ধরনের হুমকি প্রদান করে আর বলে যে , তাহারা কোন টাকা দিতে পারবে না বলে তাগিড়য়ে দেয়।

এবিষয়ে অভিযুক্ত আয়েশা সিদ্দিকা বলেন, এটি একটি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র। আমি যখন সাতক্ষীরা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ছিলাম ঠিক তখনই এই গুজবটা তোলা হয়েছিল স্থানীয় কোন জনপ্রশাসন প্রতিনিধি কে না জানিয়ে অভিযোগটা করা হয়েছিল বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদে। এই যে টাকা দিয়ে চাকরি নেয়ার অভিযোগ টাতো থানায় করা উচিত ছিল, কিংবা স্থানীয় জনপ্রতিনিধির কাজ করা উচিত ছিল।

তারা আমাকে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য সরাসরি কেন্দ্রে অভিযোগ করেছে। যখন কেন্দ্র থেকে তারা কোনো সুফল পায়নি তখন থানায় একটা অভিযোগ করেছেন।

এবিষয়ে সাতক্ষীরা ডিবি পুলিশের ওসি বাবুল আক্তার বলেন, এবিষয়ে এসপি স্যারের কাছে ভুক্তভোগীরা একটি অভিযোগ দিয়েছিল। বিষয়টির সমাধানের জন্য ১৫ তারিখে উভয়পক্ষকে নিয়ে বসাবসির দিন রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভোমরায় পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালিত

নিজস্ব প্রতিনিধি :
কাস্টমস লাইসেন্সের বিভিন্ন ধারা-উপধারা সংশোধনসহ বিভিন্ন দাবিতে সাতক্ষীরার ভোমরায় পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালিত হচ্ছে। সোমবার সকাল থেকে এই কর্মবিরতি শুরু হয়। ফলে আমদানি রপ্তানী কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের এই বন্দরটিতে।

ভোমরা স্থলবন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট এ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মাকসুদ খান জানান,ফেডারেশন অব বাংলাদেশ কাস্টমস সিএন্ডএফ এজেন্ট এ্যাসোসিয়েশনের দেশব্যাপী ডাকা কর্মবিরতি আমরা পালন করছি।

পরবর্তীতে কেন্দ্রের নির্দেশনা অনুযায়ী কর্মসূচি পালিত হবে।
তিনি আরও জানান,কাস্টমস-এর কিছু কালো আইনের কারণে আমরা নিস্পেষিত হচ্ছি।

একটি লাইসেন্সের কোনো সমস্যা হলে বাকী দুটো পোর্টে আমদানি-রপ্তানীর সুযোগ হারাচ্ছে ব্যবসায়ীরা।

এছাড়া উত্তরাধিকার সূত্রে লাইসেন্স প্রাপ্তির ক্ষেত্রে বিভিন্ন জটিলতা তৈরি করছে কাস্টমস-এর জটিল ধারাগুলো। তাই আমরা চাচ্ছি,সরকার লাইসেন্স প্রাপ্তি ও ব্যবহারের জটিল ধারাগুলো তুলে দিক।
ভোমরা শুল্ক স্টেশনের সহকারি কমিশনার আল আমিন জানান,ব্যবসায়ীরা আজকে কলমবিরতিতে রয়েছেন। তাই আমদানি-রপ্তানী বন্ধ রয়েছে।

ভোমরা বন্দও সূত্রে জানা গেছে,প্রতিদিন সাড়ে তিনশ’ থেকে ৪শ’ পণ্যবাহি ট্রাক স্থলবন্দওে প্রবেশ করে ও বের হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জ দুই সাংবাদিকের নামে মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলা !

কালিগঞ্জ প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা কালিগঞ্জে দুই জন সাংবাদিকের নামে মিথ্যা মামলা নিয়েছেন চাঁদাবাজির দায়ের করা হয়েছে।

মিথ্যা মামলার শিকার সাংবাদিকরা হলেন কালিগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাবের সদস্য যশোর থেকে প্রকাশিত দৈনিক স্পন্দন পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি ও সাতক্ষীরা থেকে প্রকাশিত দৈনিক পত্রদূত পত্রিকার কৃষ্ণনগর প্রতিনিধি সহকারী শিক্ষক আফজাল হোসেন (৩৩) এবং দৈনিক দৃষ্টিপাত পত্রিকার কৃষ্ণনগর প্রতিনিধি সহকারী শিক্ষক আব্দুল মাজেদের (৩৬) বিরুদ্ধে থানায় মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলা হয়েছে।
কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের শংকরপুর গ্রামের রুহুল আমিন গাজীর ছেলে ফার্নিচার ব্যবসায়ী সিরাজুল ইসলাম (৩৯) বাদী হয়ে রবিবার (৫ জুন) রাতে আফজাল হোসেন ও আব্দুল মাজেদসহ অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জনের বিরুদ্ধে এই মিথ্যা কাল্পনিক মামলাটি দায়ের করেছেন।
জানাযায়, সম্প্রতি কৃষ্ণনগর ইউপি চেয়ারম্যান সাফিয়া পারভীনের বিরুদ্ধে প্রকল্পে অনিয়ম দুর্নীতি সংক্রান্ত বিষয়ে পত্রিকায় বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশিত হলে ওই দুই সাংবাদিকদের উপর ক্ষিপ্ত হন তিনি।

এরই জের ধরে রবিবার দিবাগত রাতে ইউপি চেয়ারম্যান সাফিয়া পারভীন থানায় নিজে উপস্থিত থেকে দু’জন প্রতিথযশা সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরে ভূমিকা রাখেন। মামলায় যাদের স্বাক্ষী করা হয়েছে তারা সবাই চেয়ারম্যান সাফিয়া পারভীনে কর্মী সমর্থক ও বাদীর দোকানের কর্মচারী। আর অভিযোগ পাওয়ার সাথে সাথে তদন্ত ছাড়াই চাঁদাবাজি ও হামলার বিষয়ে মামলা রেকর্ড করলেন থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ও ভারপ্রাপ্ত ওসি মিজানুর রহমান। তদন্ত ছাড়াই মামলাটি রেকর্ড করা হয়েছে বলে স্বীকার করে সাংবাদিকদের মুঠোফোনে ভারপ্রাপ্ত ওসি মিজানুর রহমান জানান, এখন তদন্ত করে ঘটনা সত্য হলে চার্জশীট দেয়া হবে আর মিথাা হলে ফাইনাল রিপোর্ট দেয়া হবে।

এদিকে দু’জন সাংবাদিক ও শিক্ষকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করায় সোমবার বিকেল ৫ টায় রিপোর্টার্স ক্লাবের এক জরুরি সভা আহ্বান করা হয়। রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক নিয়াজ কওছার তুহিন এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক প্রধান শিক্ষক শেখ ইকবাল আলম বাবলুর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সহ সভাপতি আহাদুজ্জামান আহাদ, সাদেকুর রহমান. যুগ্ম সম্পাদক ইউপি সদস্য এসএম গোলাম ফারুক, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ শাওন আহম্মেদ সোহাগ, অর্থ সম্পাদক প্রধান শিক্ষক গাজী মিজানুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক এমডি আরাফাত আলী, তথ্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক বাবলা আহম্মেদ, নির্বাহী সদস্য অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক সনৎ কুমার গাইন, সাংবাদিক মাসুদ পারভেজ ক্যাপ্টেন, হাবিবুল্যাহ বাহার প্রমুখ। কোন তদন্ত না করেই একটি অভিযোগের ভিত্তিতে চাঁদাবাজির মামলা রেকর্ড করার ঘটনায় সাংবাদিকগণ চরম ক্ষোভ ও হতাশা ব্যক্ত করে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। অবিলম্বে এই মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানানোর পাশাপাশি মিথ্যা হয়রানিমূলক মামলা দায়েরকারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশ সুপারসহ উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সাংবাদিকবৃন্দ।

এছাড়া ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশকে কেন্দ্র করে চেয়ারম্যান তার পোষা বাহিনীর এক সদস্যকে ব্যবহার করে অবৈধ পন্থায় সাংবাদিকদের দমন করতে থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ও ভারপ্রাপ্ত ওসি মিজানুর রহমানের সহযোগিতায় মিথ্যা মামলা দায়ের করে যে ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছেন তার প্রতিবাদে মঙ্গলবার (৭ জুন) সকাল ১১ মানববন্ধন কর্মসূচি পালনের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। উক্ত মানববন্ধন কর্মসূচিতে সকল সাংবাদিক ও বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষকে অংশগ্রহণের জন্য সভা থেকে আহ্বান জানানো হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest