সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটায় দুর্বিষহ জীবন যাপন করছেন পত্রিকা বিক্রেতা আলাউদ্দিনসাতক্ষীরা সরকারি কলেজের শিক্ষককের সাথে অশালিন আচরণের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ : কোচিং সীলগালাআশাশুনিতে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের অধিকার রক্ষায় অ্যাডভোকেসিদেবহাটা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ডালিমের মৃত্যুরেকর্ডীয় সম্পত্তিতে জোর পূর্বক ঢালাই রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ নলতা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমানের বিরুদ্ধেতালা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচনআশাশুনিতে অবঃ শিক্ষক-কর্মচারী ফোরাম গঠনআশাশুনিতে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রের সচিব ও ট্যাগ অফিসারকে অব্যাহতিসাতক্ষীরা জেলা হিউম্যান রাইটস জার্নালিষ্ট নেটওয়ার্কের কমিটি গঠনসাতক্ষীরায় ব্র্যাকের দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি পরিদর্শন

দেবহাটা সীমান্ত এলাকা থেকে শরীয়তপুরের ছাত্রী উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিনিধি:
প্রেমের ফাঁদে ফেলে অষ্টম শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রীকে ভারতে পাচারের চেষ্টাকালে পুলিশের তrপরতায় উদ্ধারকৃত স্কুলছাত্রীকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।সোমবার দুপুরে দেবহাটা থানায় স্কুলছাত্রীকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তবে গ্রেফতার হয়নি অভিযুক্ত সুমন হোসেন ও তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা।

এর আগে রোববার রাতে সাতক্ষীরার দেবহাটা থানার এস আই নুর মোহাম্মাদের নেতৃত্বে পুলিশ তrপরতা চালিয়ে ওই স্কুল ছাত্রীকে দেবহাটা থানারে পদ্মশাখরা সীমান্ত এলাকা থেকে উদ্ধার করে।
সুমন সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার ঢেপুখালীর আব্দুর সবুর সরদারের মেঝ ছেলে। ভুক্তভোগী স্কুল ছাত্রী শরীয়তপুর জেলার জাজিরা থানার বাসিন্দা| ।

ভুক্তভোগী স্কুল ছাত্রীর মা বলেন, গত বৃহস্পতিবার ( ২জুন) সকালে আমার মেয়ে স্কুলে পরিক্ষা দিতে যায় কিন্তু বিকাল হলেও বাড়িতে ফেরেনি। অনেক খোঁজা খুজির পর তাকে না পেয়ে জাজিরা থানায় জিডি করি। পরবর্তীতে পুলিশের তrপরতায় দেবহাটা সীমান্ত এলাকা থেকে আমার মেয়েকে উদ্ধার করে পুলিশ।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সুমনের বাবা সবুর সরদার জানান, ছেলে শরীয়তপুরেেইটভাটায় কাজ করতে যাওয়ার সুবাদে মেয়েটির সাথে তার পরিচয়। সেই সূত্রে সুমনের হাত ধরে মেয়েটি পালিয়ে আসে। তাকে অপহরণ করা হয়নি বলে দাবি করেন সবুর সরদার।
দেবহাটা থানার এসআই নুর মোহাম্মদ জানান, গোপন সূত্রে পুলিশ জানতে পারে মেয়েটি দেবহাটা উপজেলার আতাপুর গ্রামে সুমনের ভগ্নীপতি সাহেব আলী সরদারের বাড়িতে রয়েছে। তবে মেয়েটিকে সরিয়ে ফেলার কারণে অভিযান চালিয়ে প্রথমে উদ্ধারে ব্যর্থ হই। পরবর্তীতে ভারতে পাঁচারকালে দেবহাটার পদ্মশাখরা সীমান্ত এলাকা থেকে মেয়েটিকে উদ্ধার করা হয়। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পাঁচারকারি সুমন ও তার ভগ্নিপতি সাহেব আলী পালিয়ে যায়।
দেবহাটা থানার fvicÖvß Kg©KZ©v শেখ ওবায়দুল্লাহ জানান, শরীয়তপুর জেলার জাজিরা থানা এলাকা থেকে হারিয়ে যাওয়া আষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী দেবহাটা থানা এলাকায় আছে,এমন সংবাদের ভিত্তিতে ৭ঘন্টার অভিযানে মেয়েটিকে উদ্ধার করে সোমবার দুপুরে তাকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান wZwb। #
mvZ¶xiv cÖwZwbwa| ZvsÑ০৬.০৬.২২

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা আহছানিয়া মিশন আদর্শ আলিম মাদ্রাসার নতুন অধ্যক্ষ আলতাফ হোসেন

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা আহছানিয়া মিশন আদর্শ আলিম মাদ্রাসার নতুন অধ্যক্ষ হিসেবে মোহাম্মদ আলতাফ হোসেনকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটি ও শিক্ষকবৃন্দ।

রবিবার (০৫ জুন) বেলা ১১টায় মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এর রুমে নতুন অধ্যক্ষ হিসেবে মোহাম্মদ আলতাফ হোসেন দায়িত্বভার গ্রহণ করলে তাকে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটি ও শিক্ষকবৃন্দ বরণ করে নেন এবং তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা আহছানিয়া মিশন আদর্শ আলিম মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ফিরোজ কামাল শুভ্র, সাতক্ষীরা আহছানিয়া মিশনের
সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুর রব ওয়ার্ছি, জেলা নাগরিক অধিকার ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সহ-সভাপতি অধ্যাপক মোজাম্মেল হোসেন, আহছানিয়া মিশন আদর্শ আলিম মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সদস্য প্রকৌশলী শেখ তহিদুর রহমান ডাবলু, সাপ্তাহিক ইচ্ছেনদী পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক মো. আবু শোয়েব এবেল, আব্দুল আহাদ, আহছানিয়া মিশন আদর্শ আলিম মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান, সহকারি অধ্যাপক মো. আব্দুল হামিদ আজাদী, প্রভাষক নুর আহম্মাদ,

প্রভাষক মো. আনোয়ারুল ইসলাম, প্রভাষক মো. মনিরুল ইসলাম, প্রভাষক নাছির উদ্দীন, মো. তৈয়্যবুর রহমান, মো. আবুল বাসার, মো.
মোমিন আলী, মো. মিজানুর রহমান, মো. শহিদুল্লাহ, মেহেরুন নাহার, সাজেদা খাতুন, এন.ইউ.এম সাইফুল আলম, মো. আব্দুল করিম, মো. আব্দুল হামিদ, হাসনাহেনা পারভীন, মো. আমিনুর রহমান, মো. সিদ্দিকুর রহমান, কামরুজ্জামান, মো. সাইফুল ইসলাম, মো. হাবিবুর রহমান, মো. জাকারিয়া হোসাইন, মো. শামছুর রহমান ও সেলিনা খাতুন প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সীতাকুণ্ড বিস্ফোরণে বাড়ছে লাশ, নিহত বেড়ে ৪৯

দেশের খবর: সীতাকুণ্ডের সোনাইছড়ি ইউনিয়নে বিএম কনটেইনার ডিপোতে বিস্ফোরণের ঘটনাতে নিহতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। এ ঘটনায় রোববার বিকেল সাড়ে ৫টায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ৪৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। দগ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন চার শতাধিক। তাদের মধ্যে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীও রয়েছেন।

আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ২৫টি ইউনিট। তাদের সঙ্গে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৫০ জন সদস্য।

নিহতদের মধ্যে এ পর্যন্ত সাতজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন কুমিরা ফায়ার স্টেশনের নার্সিং অ্যান্টেনডেন্টস মো. মনিরুজ্জামান (৩২), নোয়াখালী চাটকিল উপজেলার আব্দুর রশিদের ছেলে ফায়ার সার্ভিসের কর্মী আলা উদ্দিন (৩৫), বাঁশাখালী উপজেলার চনুয়া ইউনিয়নের মধুখালী গ্রামের বাসিন্দা মমিনুল হক (২৪), একই উপজেলার চারিয়ার নাপুরা এলাকার মাহমুদুর রহমানের ছেলে মো. মহিউদ্দীন (২৪), ভোলা জেলার হাবিবুর রহমান (২৬), রবিউল আলম (১৯) ও ডিপোর ফ্রক অপারেটর বাশখালীর নাপোড়া এলাকার হাসান আলীর ছেলে তোফায়েল আহমেদ (২২)। ।

এর আগে গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ভয়াবহ এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দগ্ধ ৬০-৭০ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

রোববার সকালের দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আলাউদ্দিন তালুকদার বলেন, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৩২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হলো। দগ্ধদের মধ্যে অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, ডিপোতে আমদানি-রপ্তানির বিভিন্ন মালামালবাহী কনটেইনার ছিল। ডিপোর কনটেইনারে রাসায়নিক ছিল। এজন্য আগুন লাগার পর দ্রুত চারদিকে ছড়িয়ে পড়ায় হতাহত বেশি হয়েছে।

চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ শামীম আহসান বলেন, মরদেহগুলো হাসপাতালের মর্গে রয়েছে।

চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক নিউটন দাশ বলেন, বিএম কনটেইনার ডিপোতে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সব ইউনিটে সেখানে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। এখনো আগুন নিয়ন্ত্রণে না আসায় চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।

এ বিষয়ে ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মো. মাইন উদ্দিন জানান, আগুন নেভাতে গিয়ে ফায়ার সার্ভিসের পাঁচজন কর্মী নিহত ও আহত হন ২১ জন। এ ছাড়াও অনেকেই নিখোঁজ রয়েছেন।

এদিকে, ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. আশরাফ উদ্দিন জানান, অগ্নিকাণ্ডে নিহত প্রত্যেক পরিবারকে ৫০ হাজার টাকা ও আহতদের ২০ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় নাশকতা মামলার আসামী কর্তৃক জমি দখল চেষ্টা !

দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটায় নাশকতা মামলার আসামীসহ কয়েক কুচক্রী কর্তৃক পৈত্রিক সম্পত্তি জবর দখলে অপচেষ্টা ও ষড়যন্ত্রের বিষয়ে অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন দেবহাটা উপজেলার নওয়াপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মাহমুদুল হক লাভলু বিশ্বাস।

রবিবার ৫ জুন, ২২ ইং সকাল ১০ টার সময় দেবহাটা রিপোটার্স ক্লাবে এই সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি। এসময় লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, দেবহাটা থানার শ্বেতপুর মৌজার এসএ খতিয়ান-৯৮, ২৫, ৯৩, দাগ নং- ১৪৭, ৬৬, ৮৩, ৬৯, ৮১।

যার বর্তমান বিআরএস খতিয়ান-২০, ১১১, ৬০ এবং দাগ নং- ১৪৮, ৩৭, ৮০, ৮২, ৮৮ তে মোট সম্পত্তির পরিমান ২ একর ৯১ শতক। উক্ত খতিয়ান ও দাগের এসএ এবং আরএস খতিয়ান অনুযায়ী ১। নাংলা গ্রামের চিকন বিশ্বাসের ছেলে এছমদ্দিন বিশ্বাস, ২। নাংলা গ্রামের সোনাই বিশ্বাসের ছেলে তফিলউদ্দিন, ৩। ছায়েম বিশ্বাসের দুই ছেলে রহমতুল্যা বিশ্বাস ও নেছারদ্দিন বিশ্বাস এবং ৪। নাংলা গ্রামের আইনদ্দিন বিশ্বাস গং ও তার ছেলে আব্দুল জব্বার বিশ্বাসের মালিকানা বিদ্যমান। উক্ত এসএ ও আরএস অনুযায়ী ছায়েম বিশ্বাসের দুই ছেলে রহমতুল্যা ও নেছারদ্দিনের জমির মালিকানা বাদে বাকি আমরা ৩ শরিকদার মিলে মোট ১ একর ৯০ শতক জমি পাব।

কিন্তু আমাদের মালিকানা থাকা সত্ত্বেও দেবহাটা উপজেলার নওয়াপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারন সম্পাদক নাংলা গ্রামের মৃত বরকতুল্যা বিশ্বাসের ছেলে দেবহাটা থানায় চার্জশীটভুক্ত নাশকতা ও সন্ত্রাসী কার্য্যকলাপের অপরাধের আসামী কামাল হোসেন বিশ্বাস ও অপর ষড়যন্ত্রকারী মৃত নেছারদ্দিনের ছেলে নাজমুছ শাহাদাত নফর বিশ্বাস প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে আমাদের সম্পত্তি জবরদখল করে দীর্ঘদিন ভোগদখল করছে। কামাল ও নফর বিশ্বাস ছাড়াও মৃত ইউসুফ বিশ্বাসের ছেলে আকরাম বিশ্বাস, নফর বিশ্বাসের ছেলে রঞ্জু বিশ্বাস, মৃত রুহুল কুদ্দুস বিশ্বাসের দুই ছেলে বাচ্চু বিশ্বাস ও শান্ত বিশ্বাস,

ফয়জুল করিম বিশ্বাসের চার ছেলে এহছান বিশ্বাস, বাবু বিশ্বাস, রতন বিশ্বাস ও অলিউল বিশ্বাস, মৃত রফিকুল ইসলাম বিশ্বাসের ছেলে ময়নদ্দিন বিশ্বাস একত্রে মিলে আমাদের জমি জবরদখল করে আছে। আমরা তাদেরকে আমাদের নামীয় জমিটুকু ছেড়ে দিতে বললে তারা আমাদেরকে বিভিন্ন প্রকারের হুমকি, ভয়ভীতি, মিথ্যা মামলা দেয়া ও এমনকি আমাদেরকে জীবননাশসহ ক্ষতি করার ভয় দেখিয়ে আসছে। যার কারনে গত কয়েকমাস পূর্বে নাশকতা মামলার আসামী কামাল হোসেন বাদী হয়ে সাতক্ষীরা যুগ্ম জেলা জজ ২য় আদালতে আমাদের শরিকদার ১শত জনের অধিককে বিবাদী করে ২০৩/২১ নং মামলা দায়ের করে। উক্ত মামলাটি চলমান থাকা সত্ত্বেও কয়েকদিন আগে কামাল গং দেবহাটা থানায় আমাদের নামে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে।

এবিষয়ে থানা কর্তৃপক্ষ একজন বিজ্ঞ আইনজীবির সহায়তায় শালিশ মিমাংসা করে উক্ত জমিতে আমাদের মালিকানা শর্ত বিরাজমান আছে মর্মে সিদ্ধান্ত জানায়। যার কারনে তারা আমাদের জমি ফেরত না দেওয়ার বাহানায় আবারো নানারকম ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। তারা আমাদের নামে নানারকম অপপ্রচার ও ভিত্তিহীন কথাবার্তা বলছে।
তিনি বলেন, আমাদের ঐ জমির শরিকদারেরা অনেকেই আছে দিনহীন অসহায়। তারা বর্তমানে অনেকেই মানবেতর জীবনযাপন করে। ঐ জমিটুকু পেলে হয়তো তারা পরিবার পরিজন নিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতে পারবে। কিন্ত কামাল ও নফর বিশ্বাস গং জমি না দিয়ে উল্টো নানারকম হুমকি ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। বর্তমানে তারা পরিবার পরিজন নিয়ে অসহায়ভাবে ও জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলেও দাবি করেন তিনি। তিনি বিষয়টির সুষ্টু তদন্তপূর্বক তাদের রেকর্ডিও জমি ফিরে পেতে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি। উল্লেখ্য যে, উক্ত কামাল তার নামে মামলার কারনে নাংলার তার বাড়িঘর ছেড়ে নলতাতে ভাড়া বাসায় দীর্ঘদিন বসবাস করছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালন

নিজস্ব প্রতিনিধি : “প্রকৃতিক ঐকতানে টেকসই জীবন” এই প্রতিপাদ্যে সাতক্ষীরায় বিশ্ব পরিবেশ ২০২২ পালন করা হয়েছে।

রবিবার (০৫জুন) সকালে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন ও জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের আয়োজনে দিবসটি উপলক্ষে র‌্যালি, আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণী ও স্কুলের শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক কাজী আরিফুর রহমান’র সভাপতিত্বে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সদর-২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী-পরিচালক সরদার শরীফুল ইসলাম,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো.আসাদুজ্জামান, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আমানুল্লাহ আল হাদি, সাতক্ষীরা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন অফিসার অর্ঘ্য দেবনাথ, জেলা শিল্পকলা একাডেমির সদস্য সচিব মুশফিকুর রহমান মিলটন প্রমুখ।

এর আগে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি র‌্যালি বের করে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে আবার জেলা প্রসাসকের কার্যালয়ে এসে শেষ হয়। ###

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অগ্নিকাণ্ডের লাইভ করতে গিয়ে প্রাণ হারালেন তরুণ

অনলাইন ডেস্ক: চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার প্রচারে ফেসবুকে লাইভে গিয়েছিলেন তরুণ অলিউর রহমান।

আর লাইভ করতে গিয়েই প্রাণ গেল এ তরুণের।

তার ক্ষতবিক্ষত মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (চমেক) রয়েছে।

এ খবর নিশ্চিত করেছেন তার সহকর্মী রুয়েল ও পরিবার।

জানা গেছে, অলিউর রহমান মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার কর্মধা ইউনিয়নের ফটিগুলী গ্ৰামের আশিক মিয়ার ছেলে। তিনি সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোর একজন শ্রমিক ছিলেন।

শনিবার রাতে আগুন লাগার সময় অক্ষত ও নিরাপদেই ছিলেন অলিউর। খাবারের জন্য ডিপো থেকে চলে আসায় রাত ৯টার বিস্ফোরণে ভয়াবহতা থেকে বেঁচে যান।

কিন্তু রাত ১১টা থেকে ফেসবুকে লাইভে যুক্ত হন তিনি। আর লাইভ চলাকালীন হঠাৎ আরেকটি ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। এরপর থেকে তার লাইভটি অন্ধকার দেখা যাচ্ছিল।

অলিউরের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে তার সহকর্মী রুয়েল বলেন, আমরা ওই সময় খাবারের জন্য ডিপো থেকে চলে আসি। কিন্তু ফেসবুকে লাইভ করার জন্য অলিউর সেখানে থেকে যায়। যে কারণে মৃত্যু ঘটল তার। পরে আরেকটি বিস্ফোরণে তার মৃত্যু হয়েছে। তার ক্ষতবিক্ষত মরদেহ চমেকে রয়েছে। এখন তার মরদেহ নেওয়ার জন্য স্বজনরা চট্টগ্রাম যাচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সীতাকুণ্ড বিস্ফোরণ : ফায়ার সার্ভিসের ৫ কর্মীসহ নিহত বেড়ে ৩৭

অনলাইন ডেস্ক : হুইসেল বাজিয়ে আসছে অ্যাম্বুলেন্স। আর সেই অ্যাম্বুলেন্স থেকে নামানো হচ্ছে পুড়ে যাওয়া একের পর এক মরদেহ। এ যেন লাশের মিছিল। সেই মিছিলে এখন পর্যন্ত যোগ হলো ৩৭টি মরদেহ। নিহতদের মধ্যে পাঁচজন ফায়ার সার্ভিসের কর্মী রয়েছেন।

এছাড়া আহত হয়েছেন আরও চার শতাধিক। তাদের মধ্যে ডিপোর শ্রমিক, স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরাও রয়েছেন।

শনিবার রাতে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে বিস্ফোরণে ঘটলো এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। এরপর রোববার সকালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে আসতে শুরু করে মরদেহ। এখনো এসব মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করা জানা যায়নি।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে হাসপাতাল সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ধারণা করা হচ্ছে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি সেনাবাহিনী, রোভার স্কাউট এবং রেড ক্রিসেন্টের স্বেচ্ছাসেবকরা কাজ করছেন। তবে ডিপোর আগুন এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি।

আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হলো, তা এখনো জানা যায়নি। এ বিষয়ে বিএম কন্টেইনার ডিপোর পরিচালক মুজিবুর রহমান বলেন, ডিপো ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জড়িতদের অনেকেই আহত থাকায় সঠিক কী কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে কন্টেইনার থেকেই আগুন ধরেছে বলে ধারণা করছি।

পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্র জানায়, আগুনের লেলিহান শিখা এক কনটেইনার থেকে অন্য কনটেইনারে ছড়িয়ে পড়ে। একটি কনটেইনারে রাসায়নিক থাকায় বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণে ঘটনাস্থল থেকে কেঁপে ওঠে অন্তত চার কিলোমিটার এলাকা। আশপাশের বাড়িঘরের জানালার কাচ ভেঙে পড়ে।

বিএম কন্টেইনার ডিপোর পরিচালক বলেন, আহতরা যাতে সর্বোচ্চ চিকিৎসা পায় সে ব্যবস্থা করা হচ্ছে। চিকিৎসার সম্পূর্ণ ব্যয়ভার বহন করবো আমরা। এ দুর্ঘটনায় যারাই হতাহত হয়েছে তাদের সর্বোচ্চ ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। পাশাপাশি সব হতাহতের পরিবারের দায়িত্ব নেওয়া হবে।

এসময় তিনি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে সবাইকে পাশে থাকার আহ্বান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ত্রিশমাইল মোড়ের মেইন সড়কের বুক উচু-নিচু : দূর্ঘটনার আশঙ্কা

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ সড়ক ও জনপদ বিভাগ (সওজ) এর সাতক্ষীরা টু খুলনা মহাসড়কের নগরঘাটা ত্রিশমাইল মোড়ে রাস্তার উপর পিচ উঠে গিয়ে বড় বড় স্তূপে পরিনত হয়েছে৷ ফলে যে কোন মূহুর্তে গাড়ীর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বড় ধরনের দূর্ঘটনার আশঙ্কা করছে পথচারীরা ৷ রাস্তাটি অতিদ্রুত সংস্কার না হলে দূর্ঘটনার কবলে পড়ে ঘটতে পারে প্রাণহানির ঘটনা৷

জানা গেছে, প্রতিদিন এই সড়কে ছোট বড় অসংখ্য যানবাহন যাতায়াত করে রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলা শহরে ৷ বিশেষ করে ভোমরা স্থলবন্দরের মালবোঝায় ভারী যানবাহনগুলো এই সড়ক বয়ে প্রতিনিয়ত যাতায়াত করতে দেখা যায় ৷

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বুক ফুলে উচু পিচের সড়কের উপর দিয়ে প্রতিনিয়ত প্রাইভেটকারসহ ছোট ছোট গাড়ীর বডিতে জোরে ঘষা লেগে বিকট শব্দ শোনা যায় ৷ যার কারণে সওজের একটু অবহেলায় গাড়ীগুলোর ব্যাপক ক্ষতির সম্মূখিন হতে হচ্ছে ৷

এমতাবস্থায় সড়কের ঝুকিপূর্ণ এই পিচের স্তূপগুলো অতিদ্রুত সংস্কারপূর্বক দূর্ঘটনার কবল থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে পথচারীসহ এলাকাবাসী ৷

এবিষয়ে সাতক্ষীরা সড়ক ও জনপদের নির্বাহী প্রকৌশলী মীর নিজাম উদ্দীন বলেন, আমি দেখেছি, দ্রুত সংস্কার করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest