সর্বশেষ সংবাদ-
আশাশুনির কুল্যায় মাদক কারবারী ও অনলাইন জুয়াড়ীদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধনসাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিলসম্মিলিত সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠনগাজীপুরে ৫ খুন: পদ্মা সেতু থেকে লাফ দি‌য়ে অভিযুক্তের আত্মহত্যাষড়যন্ত্রের হাত থেকে বাঁচতে চায় আশাশুনির মাছ ব্যবসায়ী জুলফিকরদেবহাটায় পুলিশের অভিযানে আটক ভারতীয় রেনু খালে অবমুক্তপ্রেস ব্রিফিংয়ের আমন্ত্রণ জানিয়ে সাংবাদিকদের সাথে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের অসৌজন্যমুলক আচরণ:প্রতিবাদে প্রেস ব্রিফিং বর্জনআট বছর পর সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা সভাপতি রায়হান: সম্পাদক অর্ঘ্যWarum das Cleobetra Casino bei erfahrenen Spielern so beliebt istআশাশুনি উপজেলায় জলাবদ্ধতা সংকট নিরসনে গণতান্ত্রিক সংলাপ  

শ্যামনগর প্রতিনিধি :
৩১ জানুয়ারী সোমবার সন্ধ্যায় শ্যামনগর উপজেলা সদরের গরুর হাটখোলা মাঠে গন সংবধানা অনুষ্ঠিত হয়। বাজার ব্যবসায়ী বৃন্দের আয়োজনে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা নারী শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি চেয়ারম্যান সংবর্ধিত অতিথি এসএম জহুরুল হায়দার বাবু।

বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ হোসেন এর সভাপতিত্বে, উপস্থিত ছিলেন সাবেক উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবু দেবী রঞ্জন মন্ডল, সাবেক ডেপুটি কমান্ডার গাজী আবুল হোসেন, নকিপুর সরকারি এইচ সি পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক ড. মুহাম্মদ আব্দুল মান্নান, ন‌ঁওয়াবেকি কলেজ অধ্যক্ষ জুলফিকার আল-মেহেদী লিটন,

নকিপুর এইচ সি পাইলট মডেল মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক কৃষ্ণ নন্দ মুখার্জি, প্রভাষক মোশারফ হোসেন, ইউপি সদস্য সাংবাদিক এসে কে সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বাজারের উন্নয়নমূলক সকল প্রকার কর্মকাণ্ড যথাযথভাবে করার আহ্বান জানান। বাজার ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে সম্বর্ধিত অতিথিকে সোনার নৌকা উপহার দেওয়া হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এর সুস্থতা কামনা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক ভোরের ডাক পত্রিকার সাতক্ষীরা প্রতিনিধি ও দৈনিক দৃষ্টিপাতের মফস্বল বার্তা
সম্পাদক মোহাম্মাদ আলী সুজন করোনায় আক্রান্ত হয়ে ডা: কাজী আরিফ আহমেদ এর তত্ত্বাবধানে নিজ বাড়িতে চিকিৎসাধীন আছেন। তার আশু সুস্থ্যতা কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপী,

সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল, সাংগঠনিক সম্পাদক এম ঈদুজ্জামান ইদ্রিস, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, অর্থসম্পাদক শেখ মাসুদ হোসেন,
দপ্তর সম্পাদক শেখ ফরিদ আহমেদ ময়না, নির্বাহী সদস্য মকসুমুল হাকিম, সেলিম রেজা মুকুল, আব্দুল
গফুর সরদার, মাছুদুর জামান সুমন, এম শাহীন গোলদারসহ প্রেসক্লাবের সকল সদস্যবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ধুলিহরে এক যুবককে কুপিয়ে মারাত্মক জখমের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঠেকাতে গেলে সে সময় তার মাতাকেও মারপিট করে আহত করা হয়েছে।
রবিবার দুপুরে ধুলিহর ইউনিয়নের বালুইগাছা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন, বালুইগাছা গ্রামের আব্দুল গফফার গাইনের পুত্র রুহুল আমিন এবং মাতা মাছুরা খাতুন।
এঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে সাতক্ষীরা সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, জমি জমা সংক্রান্ত বিষয়ে বালুইগাছা গ্রামের মৃত কমির গাইনের পুত্র আব্দুল হাকিম, আছরোফ গাজীর পুত্র হাফিজুল ইসলাম, মৃত সামেদ আলী মন্ডলের পুত্র ইয়াছিন আলী গংদের সাথে আব্দুল গফফার গাইনদের বিরোধ চলে আসছিল। এর জের ধরে গত ৩০ জানুয়ারী দুপুরে কমির গাইনের পুত্র আব্দুল হাকিম, আছরোফ গাজীর পুত্র হাফিজুল ইসলাম, মৃত সামেদ আলী মন্ডলের পুত্র ইয়াছিন আলী মান্নান গাইনের পুত্র জাহিনুর ইসলাম, আব্দুল হাকিমের স্ত্রী হালিমাসহ ৪/৫ জন দেশীয় অস্ত্র সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আব্দুল গফফার গাইনের বাড়িতে প্রবেশ করে। সে সময় গফফার গাইনের পুত্র রুহুল আমিনকে মারপিট করতে থাকে। এতে তার স্ত্রী মাছুরা খাতুন বাধা দিতে গেলেও মারপিট করে গুরুতর আহত করে। সে সময় হামলাকারীরা রুহুলের শরীরের বিভিন্ন অংশে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মাক জখম করে। এছাড়াও বাড়ির আসবাবপত্র ভাংচুর করে অর্ধলক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি করে এবং তার স্ত্রীর গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এতে গফফার গাইনের পুত্র রুহুল আমীন মারাত্মক আহত হয়। বর্তমানে রুহুল আমীন সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এঘটনায় ন্যায় বিচার চেয়ে সাতক্ষীরা সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন গফফার গাইন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সিনহা হত্যায় প্রদীপ-লিয়াকতের ফাঁসির আদেশ

অনলাইন ডেস্ক : মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলায় সম্পৃক্ততা প্রমাণ পাওয়ায় বিতর্কিত ওসি (বরখাস্ত) প্রদীপ ও লিয়াকতের মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেলে ৩০০ পৃষ্ঠার রায় পাঠকালে তাদের দুজনের সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করেন কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাঈল।

দুপুর ২টা ২৫ মিনিটে এজলাসে এসে আদালতের কার্যক্রম শুরুর পর মামলা সম্পর্কে প্রাসঙ্গিক আলোচনা করেন বিচারক। এরপর শুরু করেন অপরাধের পর্যবেক্ষণ বয়ান। সাক্ষ্য-প্রমাণে কার কী অপরাধ দাঁড়িয়েছে সেসব তুলে ধরার পর হত্যায় সংশ্লিষ্টতার অপরাধ অনুসারে সাজা ঘোষণাকালে প্রধান দুই অভিযুক্তকে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। এমনটি জানিয়েছে বিচার সংশ্লিষ্ট সূত্র।

এর আগে সকালে আদালতে হাজির করা হয় মামলায় অভিযুক্ত বিতর্কিত ওসি (বরখাস্ত) প্রদীপ কুমার ও লিয়াকতসহ ১৫ আসামিকে।

আদালতের সরকারি কৌঁসুলি, বাদী পক্ষের আইনজীবী ও আসামি পক্ষের আইনজীবীসহ বাদী ও বিবাদীদের স্বজন এবং সংশ্লিষ্টরা এজলাসে উপস্থিত ছিলেন। রায় কেন্দ্র করে আদালতের চারপাশে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

নির্মম ও আলোচিত হত্যাকাণ্ডের ১৮ মাসের মাথায় রায় ঘোষণা হচ্ছে আজ। বিচারিক কার্যক্রম শুরু করে মাত্র ৩৩ কার্যদিবসে শেষ হয়েছে মামলাটির পরবর্তী কাজ।

কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালত সৃষ্টির ৩৮ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম এত দ্রুত কোনো হত্যা মামলার রায় ঘোষণা হচ্ছে। এর আগে হত্যা কিংবা ফৌজদারি কোনো মামলায় এত বিপুল সংখ্যক সাক্ষী নেওয়ার নজির নেই। তেমনটি নজির নেই এত স্বল্প সময়ে চার্জগঠন, শুনানি, সাক্ষ্যগ্রহণ, জেরা ও যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের।

সিনহা হত্যা মামলার রায়ের আগেই সবকিছুর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সোমবার সকাল থেকেই পুরো আদালত পাড়ায় কঠোর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। আদালত পাড়ার চারপাশে ও পয়েন্টে পয়েন্টে অবস্থান নিয়েছে নিরাপত্তাকর্মী। পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নানা বিভাগের লোকজন কয়েক স্তরের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় তৈরি করেছে।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, সিনহা হত্যা মামলার রায়কে ঘিরে যেন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেদিকে পুলিশের সর্বোচ্চ নজর রয়েছে। আদালতে নিরাপত্তার স্বার্থে পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি রয়েছে সাদা পোশাকের বিপুল সংখ্যক শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য।

কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট ফরিদুল আলম জাগো নিউজকে বলেন, কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালত সৃষ্টির ৩৮ বছরের ইতিহাসে এ প্রথম এত দ্রুত কোনো হত্যা মামলার রায় ঘোষণা হচ্ছে। এ মামলায় ৮৩ সাক্ষীর মধ্যে ৬৫ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। এর আগে হত্যা কিংবা ফৌজদারি কোনো মামলায় এত বিপুল সংখ্যক সাক্ষী নেওয়ার নজির নেই। তেমনটি নজির নেই এত স্বল্প সময়ে চার্জগঠন, শুনানি, সাক্ষ্যগ্রহণ, জেরা ও যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের। মাত্র ৩৩ কার্যদিবসে আমরা এ মামলার সব বিচারিক কার্যক্রম শেষ করতে সক্ষম হয়েছি। তেমনি সক্ষম হয়েছি সিনহা হত্যার বিষয়টি প্রমাণে। আমাদের আশা সর্বোচ্চ শাস্তি পাবেন ওসি প্রদীপ ও অভিযুক্তরা।

স্বল্প সময়ে সিনহা হত্যার রায় দেশে একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে বলে মন্তব্য করেন সরকারি এ আইনজীবী।

২০২০ সালের ৩১ জুলাই ঈদুল আজহার আগের রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিনড্রাইভ সড়কের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর এপিবিএন চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন মেজর সিনহা।

হত্যাকাণ্ডের চারদিন পর ৫ আগস্ট সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস বাদী হয়ে কক্সবাজার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিমের আদালতে হত্যা মামলা করেন। মামলায় টেকনাফ থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশসহ নয়জনকে আসামি করা হয়।

মামলায় প্রধান আসামি করা হয় বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক লিয়াকত আলীকে। ওসি (বরখাস্ত) প্রদীপ কুমার দাশকে করা হয় দুই নম্বর আসামি। মামলার তিন নম্বর আসামি বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত উপ-পরিদর্শক (এসআই) নন্দ দুলাল রক্ষিত। কক্সবাজারের র‌্যাব-১৫ মামলাটির তদন্তভার পায়।

ওই বছরের ৭ আগস্ট মামলার আসামি সাত পুলিশ সদস্য আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। পরে তদন্তে নেমে হত্যার ঘটনায় স্থানীয় তিন বাসিন্দা, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) তিন সদস্য ও ওসি প্রদীপের দেহরক্ষীসহ আরও সাতজনকে গ্রেফতার করে র্যাব। এরপর ২০২১ সালের ২৪ জুন মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি কনস্টেবল সাগর দেবের আদালতে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে আলোচিত এই মামলার ১৫ আসামির সবাই আইনের আওতায় আসেন।

এ মামলায় চার মাসের বেশি সময় তদন্ত শেষে ২০২০ সালের ১৩ ডিসেম্বর ৮৩ জন সাক্ষীসহ অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করা হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা র্যাব-১৫ এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ খায়রুল ইসলাম আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ১৫ জনকে আসামি করে দায়ের করা অভিযোগপত্রে সিনহা হত্যাকাণ্ডকে একটি পরিকল্পিত ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলার ১৫ আসামি হলেন- বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের তৎকালীন পরিদর্শক লিয়াকত আলী, টেকনাফ থানার বরখাস্ত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, প্রদীপের দেহরক্ষী রুবেল শর্মা, বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের বরখাস্ত উপ-পরিদর্শক (এসআই) নন্দদুলাল রক্ষিত, বরখাস্ত কনস্টেবল সাফানুর করিম, কামাল হোসেন ও আব্দুল্লাহ আল মামুন, বরখাস্ত সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) লিটন মিয়া, বরখাস্ত কনস্টেবল সাগর দেব, বরখাস্ত এপিবিএনের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. শাহজাহান, বরখাস্ত কনস্টেবল মো. রাজীব ও মো. আবদুল্লাহ। এছাড়া রয়েছেন টেকনাফ থানায় পুলিশের দায়ের করা মামলার সাক্ষী টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুরের মারিশবুনিয়া গ্রামের নুরুল আমিন, মো. নেজামুদ্দিন ও আয়াজ উদ্দিন।

দীর্ঘশুনানি, সাক্ষীদের জবানবন্দি, জেরা ও আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক শেষে গত ১২ জানুয়ারি রায়ের জন্য ৩১ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছিলেন বিচারক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় বিলুপ্তির পথে মেঠো পথের পরিবহন গরু গাড়ী

কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা ব্যুরো:
আমার গরুর গাড়িতে বউ সাজিয়ে ধুত্তুর ধুত্তুর ধুত্তুর-ধু সানাই বাজিয়ে’ অথবা ‘ওকি গাড়িয়াল ভাই কত রব আমি পন্থের দিকে চাইয়া,
ইত্যাদি গান এক সময় গাড়িয়ালের সাথে সাথে গ্রামবাংলার সহজ সরল মানুষ মুখে মুখে গেয়ে ফিরত সারাক্ষণ। আবহমান গ্রাম বাংলার প্রাচীন ঐতিহ্য ও দুর্গম মেঠো পথের একমাত্র পরিবহন গরুর গাড়ি কালের বিবর্তনে আজ হারিয়ে যেতে বসেছে। এক সময়ে মানুষের মালামাল পরিবহন ও দূর দূরান্তে যাতায়াতের জন্য দুই চাকাবিশিষ্ট গরু গাড়িই ছিল একমাত্র মাধ্যম।

কিন্তু আজ আর সেই ইনঞ্জিন বিহীন গাড়ী চোখে পড়েনা। কালের পরিক্রমায় আর যান্ত্রিকযুগের প্রযুক্তির ছোয়ায় সেই পরিবেশ বান্ধব পরিবহন আজ বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে চলে এসেছে। বৃহৎ আকৃতির গোলাকার বাবলা কাঠের তৈরী দুটি চাকা বিশিষ্ট গাড়ির বডি তৈরী করা হয় বাঁশ ও বাঁশের চটা দিয়ে যার পেছনের দিকে ২ থেকে আড়াই ফুট চওড়া, আর সামনের দিকে সরু হয়ে মাত্র ১ ফুট থাকে।

১২ থেকে ১৪ ফুট দুটি লম্বা বাঁশের মাঝাখানে বাঁশের চটা দিয়ে তৈরী বডির প্রায় মাঝামাঝি অংশে সেই বৃহৎ আকৃতির চাকা দুইটি কাঠের তৈরী ঝুরা বা এক্সেল লাগিয়ে দেওয়া হয়। সামনের দিকে গরুর ঘাড়ে বাঁধানোর জন্য আড়া-আড়িভাবে দেওয়া হয় ৪ থেকে ৫ ফুট লম্বা বাঁশের জোঙ্গাল। মালামাল বহনের জন্য গাড়ীর উপরে বেড়া লাগানো হয় গ্রামগঝেঞ্জ যাকে ঝোড়া বলে। আর মানুষ বা নতুন বর কনে বহনের জন্য ব্যবহার করা হয় ছাউনী, শাড়ী কাপড় দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয় সেই ছাউনী গুলি। যেটাকে গ্রামের মানুষ সইয়ে গাড়ী বলে। আর এই সব কাঠ ও বাঁশের তৈরী গরু গাড়িগুলি অধিকাংশ লোক জীবন জীবিকার তাগিদে ভাড়ায় ব্যবহার করতো। মধ্যবিত্ত ও ধনী শ্রেণির লোকেরা ঐতিহ্য ও ব্যাক্তিত্বের জন্য নিজেরা কর্মচারী রেখে গাড়ি ব্যবহার করতো। দেবহাটা উপজেলায় এক সময় এই গরুর গাড়ি তৈরী করে অনেক পরিবার জীবন জীবিকা নির্বাহ করতো। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত গরু গাড়ি তৈরীর মিস্ত্রিদের ছিল ব্যাস্ততা। দম ফেলার ফুসরত থাকতোনা তাদের। আজ যান্ত্রিক যুগের দাপটে সে সব কেবলই স্মৃতি। আজ আর মিস্ত্রি পাড়ায় বাজেনা হাতুড়ির শব্দ। নিশ্চুপ হয়ে গেছে গরু গাড়ী তৈরীর কারখানাগুলি।
উপজেলার কোড়া গ্রামের গাড়ি তৈরীর মিস্ত্রি আব্দুল খালেক হাসান আলি ।
আজ আর তা চোখে পড়েনা যন্ত্র চালিত গাড়ি ঘোড়ার কারণে সবই হারিয়ে গেছে। এবিষয়ে সিনিয়র কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ তিতুমীর বলেন, ডিজিটাল যুগে মানুষ এখন আর এসব আর ব্যবহার করতে চায়না। কিন্তু আমরা বাঙালি আর গরু গাড়ি বাঙালিদের ঐতিহ্য, এখনও দুর্গম মেঠো পথে বাঙালি ঐতিহ্য গরু গাড়ি দেখা যায়। আর এভাবেই এটা হয়তো যুগযুগ টিকে থাকবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
একসঙ্গে ৮ বউ নিয়ে একই ছাদের তলায় সংসার

ভিন্ন স্বাদের সংবাদ: এক সংসারে দুই বউয়ের কথাও শোনা গেলেও আটটি বউকে একত্রে নিয়ে সংসার করার ঘটনা অবিশ্বাস্য। থাইল্যান্ডের এক ব্যক্তি আট স্ত্রীকে নিয়ে একই ছাদের তলায় দিব্যি সংসার করছেন। বর্তমান যুগে যেখানে এক স্ত্রীকে নিয়েই অনেকে হিমশিম খান, যেখানে আকছার বিবাহবিচ্ছেদের মতো ঘটনা ঘটছে, এমন অবস্থায় এই ঘটনায় চোখ কপালে উঠছে অনেকের।

ওং ড্যাম সোরোট। গত কয়েক দিন ধরেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে নিয়ে বিপুল চর্চা হচ্ছে। সোরোট পেশায় এক জন ট্যাটু শিল্পী। সোরোটের দাবি, আট স্ত্রীকে নিয়ে সুখে সংসার করছেন তিনি। এমনকি স্ত্রীদের পরস্পরের মধ্যে কোনও অশান্তিও হয় না বলে জানিয়েছেন তিনি। আট স্ত্রী-ই তাকে খুব ভালবাসেন। যত্ন নেন। নিজেকে ভাগ্যবান বলেই দাবি করেছেন সোরোট।

আট স্ত্রীর সঙ্গে কী ভাবে আলাপ সে কথাও জানিয়েছেন সোরোট। সেই কাহিনিও মজার। প্রত্যেকের সঙ্গেই প্রথম দেখায় প্রেমে পড়েছিলেন তিনি। এবং বিয়েও করেন তাদের। প্রথম স্ত্রী নাং স্প্রাইটের সঙ্গে এক বন্ধুর বিয়েতে আলাপ হয়। প্রথম দেখাতেই প্রেমে পড়েন তার পর বিয়েও করেন তাকে। দ্বিতীয় স্ত্রী নাং এলকে দেখেছিলেন বাজার করতে গিয়ে। তৃতীয় স্ত্রী নাং নেনের সঙ্গে আলাপ হয় হাসপাতালে। চতুর্থ, পঞ্চম এবং ষষ্ঠ স্ত্রীর সঙ্গে সোরোটের আলাপ হয় যথাক্রমে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম এবং টিকটকে।

মায়ের সঙ্গে এক মন্দিরে গিয়ে সপ্তম স্ত্রী নাং ফিল্মের সঙ্গে আলাপ হয়েছিল সোরোটের। এবং অষ্টম স্ত্রী নাং মেইয়ের সঙ্গে আলাপ হয় সাত স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে মধুচন্দ্রিমায় গিয়ে। সোরোটের স্ত্রীরা জানিয়েছেন, তারা প্রত্যেকেই তাদের স্বামীকে সমান ভালবাসেন। শুধু তাই নয়, সোরোটের একের বেশি স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও তারা পরস্পরের বিরুদ্ধে লড়াই করেন না বলে জানিয়েছেন আট স্ত্রী-ই।

সাধারণত এক স্ত্রীকে নিয়ে সুখে সংসার করতেই অনেকে হিমশিম খান। সেখানে আট স্ত্রীকে নিয়ে কী ভাবে সংসার চালান সোরোট? অনেকেই মনে করেন সোরোটের প্রচুর সম্পত্তি। আর সেই সম্পত্তি দেখেই তাকে বিয়ে করতে রাজি হয়েছেন আট জন। কিন্তু এ ধারণা সত্য নয় বলে দাবি সোরোটের স্ত্রীদের। সোরোট এক জন ট্যাটু শিল্পী। তার পাশাপাশি, তার প্রত্যেক স্ত্রী-ই কিছু না কিছু রোজগার করে থাকেন। ফলে সংসার চালাতে কোনও সমস্যাই হয় না সোরোটের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের নিন্দা

বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের জেলা আইন বিষয়ক সম্পাদক এড. কু- তপন কুমারকে সাতক্ষীরা জজকোর্টের পিপি এড. আব্দুল লতিফ গতকাল রোববার ৬.৩৮ মিনিটে ০১৭১২ ০১০৬৯২ নং ফোন থেকে বলেন, “আমি লতিফ বলছি, আপনার কারনে বারে দুটো মার্ডার হবে, এ কারনে আপনার বিরুদ্ধে জিডি করতে যাচ্ছি বলে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। এছাড়া আইনজীবী সমিতির ভবনে প্রবেশ করতে নিষেধ করেন এবং প্রাণনাশের হুমকি প্রদর্শন করেন।” এঘটনার তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি বিশ্বজিৎ সাধু, সাধারণ সম্পাদক স্বপন কুমার শীল, প্রেসিডিয়াম সদস্য বিশ্বনাথ ঘোষ, সিদ্ধেশ্বর চক্রবর্তী, এড. সোমনাথ ব্যানার্জি, সুধাংশু শেখর সরকার, গৌর চন্দ্র দত্ত, যুগ্ম সম্পাদক নিত্যানন্দ আমীন, অধ্যক্ষ শিব পদ গাইন, প্রভাষক বাসুদেব সিংহ, সাংগঠনিক সম্পাদক অসীম দাস সোনাসহ প্রমুখ জেলা নেতৃবৃন্দ।
উল্লেখ: সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির ৮ নেতা পদত্যাগ করেছেন। কার্যকরি পরিষদের দুই তৃতীয়াংশ পদত্যাগ করায় সংগঠনের গঠনতন্ত্রের ১ খ -এর ৪ এর (চ) ধারা অনুযায়ী কার্যকরি পরিষদ বিলুপ্ত হয়েছে। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কার্যকরি পরিষদের দুই তৃতীয়াংশ পদত্যাগ করলে সর্বশেষ নির্বাচন কমিশনারই দায়িত্ব পালন করে। কিন্তু প্রধান নির্বাচন কমিশনার অসুস্থ হওয়ায় জেষ্ঠ্যতার ভিত্তিতে ভারপ্রাপ্ত নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব প্রাপ্ত হন এড. কু- তপন কুমার।
ওই ৮ নেতার পদত্যাগ এড. কু- তপন কুমার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে বিষয়টি অবহিত করেন এবং নোটিশ প্রদান করলে তারা নোটিশ গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে পিপি লতিফ তাকে হুমকি ধামকি প্রদর্শন করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বাংলাদেশ কৃষকলীগ,সাতক্ষীরা পৌর (জেলা সদর) অন্তর্গত ১নং ওয়ার্ড কৃষকলীগের বিশেষ বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৩০ জানুয়ারি ২০২২ রবিবার সকাল ১০টায় শহরের কাটিয়াস্থ কৃষকলীগের অস্থায়ী কার্যালয়ের সামনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওয়ার্ড কৃষক লীগের সভাপতি মোঃ শফি উদ্দিন’র সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ কাদের মোড়ল,র সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা কৃষক লীগের সভাপতি বাবু বিশ্বজিৎ সাধু।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মনজুর হোসেন। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা পৌর শাখা কৃষক লীগের সভাপতি মোঃ সামছুজ্জামান জুয়েল। আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য মীর মোশাররফ হোসেন মন্টু, জেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ম -আহবায়ক মোঃ উজ্জ্বল, ১নংওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ হাসানুজ্জামান। বর্ধিত সভায় বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন পৌর কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহ মোঃ আনারুল ইসলাম। বক্তব্য রাখেন পৌর কৃষক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ বাবলুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রদীপ চন্দ্র বিশ্বাস ও মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলাম।
প্রধান অতিথি বিশ্বজিৎ সাধু তার বক্তব্যে বলেন, কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে। বাংলার কৃষককে জাতীয় উন্নয়নের সাথে সম্পৃক্ত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ কে একটি অধিক উন্নত রাষ্ট্র বানানোর পরিকল্পনার বাস্তবায়ন ঘটাতে হবে। আর এই লক্ষ্য কে সামনে রেখে সাতক্ষীরা পৌর শাখা কৃষক লীগ কে সুসংগঠিত করার আহবান জানান তিনি। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest