সর্বশেষ সংবাদ-
আশাশুনির কুল্যায় মাদক কারবারী ও অনলাইন জুয়াড়ীদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধনসাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিলসম্মিলিত সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠনগাজীপুরে ৫ খুন: পদ্মা সেতু থেকে লাফ দি‌য়ে অভিযুক্তের আত্মহত্যাষড়যন্ত্রের হাত থেকে বাঁচতে চায় আশাশুনির মাছ ব্যবসায়ী জুলফিকরদেবহাটায় পুলিশের অভিযানে আটক ভারতীয় রেনু খালে অবমুক্তপ্রেস ব্রিফিংয়ের আমন্ত্রণ জানিয়ে সাংবাদিকদের সাথে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের অসৌজন্যমুলক আচরণ:প্রতিবাদে প্রেস ব্রিফিং বর্জনআট বছর পর সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা সভাপতি রায়হান: সম্পাদক অর্ঘ্যWarum das Cleobetra Casino bei erfahrenen Spielern so beliebt istআশাশুনি উপজেলায় জলাবদ্ধতা সংকট নিরসনে গণতান্ত্রিক সংলাপ  

আশাশুনি প্রতিনিধি:
আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও প্রবীণ আওয়ামীলীগ নেতা কনক চন্দ্র সরকার পরলোক গমন করেছেন।

শুক্রবার দুপুর আনুমানিক ১.৪৫ টার দিকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি পরলোক গমন করেন। কাদাকাটি ইউপির বর্তমান চেয়ারম্যান দিপংকর কুমার সরকার দীপ এর বাবা কনক চন্দ্র সরকার (৭৫) চেয়ারম্যান থানাকালীন সময়ে ২০১০ সালে স্টোকে আক্রান্ত হন। তারপর থেকে অধ্যবধি পর্যন্ত তিনি অসুস্থ অবস্থায় ছিলেন। বৃহস্পতিবার আরও বেশী অসুস্থ হয়ে পড়লে শুক্রবার সকালে তাকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রবীণ এই রাজনীতিবীদ সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।
এক সময়ের তুখোড় এই রাজনীতিবীদ ৩৯ বছর জনপ্রতিনিধি হিসাবে মানুষের সেবা করেছেন। তিনি সর্বপ্রথম ১৯৭৩ সালে তৎকালীন বৃহত্তর দরগাহপুর ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বর নির্বাচিত হন। এসময় তিনি ঐ ইউনিয়ন পরিষদের একটানা ৩ বারসহ মোট ৪ বার মেম্বর ছিলেন।

এরপর ১৯৯২ সালে তিনি ঐ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এরপর ১৯৯৭ সালে বৃহত্তর দরগাহপুর ইউনিয়ন বিভক্ত হওয়ার পর থেকে ২০১০ সালে অসুস্থ হওয়াকালীন সময় পর্যন্ত তিনি কাদাকাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন।

এছাড়াও তিনি ছিলেন একজন প্রবীণ আওয়ামীলীগ নেতা। তিনি দীর্ঘদিন যাবত উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ছিলেন। কাদাকাটি ইউনিয়ন পরিষদ বিভক্ত করাসহ ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নে ঐ সময় তার ভূমিকা ছিল প্রশংসনীয়। তিনি ছিলেন সৎ ও সদালাপী একজন মানুষ। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও ৫ ছেলেসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। এদিকে, তার মৃত্যুর খবর শুনে বিশিষ্ট শিল্পপতি খায়রুল মোজাফফার মন্টু, আশাশুনি উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান অসীম বরণ চক্রবর্তী, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক শম্ভুজিত মন্ডল, খাজরা ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক শাহনেওয়াজ ডালিম, দপ্তর সম্পাদক ও বড়দল ইউপির নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যান জগদীশ চন্দ্র সানা, দরগাহপুর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ মিরাজ আলী, পাইকগাছার লস্কর ইউপি চেয়ারম্যান তুহিন কাগুজী, শ্রমিকলীগ নেতা ঢালী সামছুল আলম, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারন সম্পাদক রনজিৎ বৈদ্যসহ শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ ও সর্বস্তরের মানুষ গভীর শোক প্রকাশ ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাতে তার বাড়িতে ছুটে আসেন। এছাড়াও তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডাঃ আ ফ ম রুহুল হক এমপি, আশাশুনি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এবিএম মোস্তাকিমসহ উপজেলা এবং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ, সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ, কাদাকাটি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জিয়াউর রহমানের জন্মদিনে ভুরুলিয়া ইউপিতে  দোয়া

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৮৬তম জন্মদিন উপলক্ষে ২১শে জানুয়ারি শুক্রবার ভুরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপি’র,অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত হয়।

প্রধাণ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালিগঞ্জ সরকারী কলেজের সাবেক ভিপি, শ্যামনগর উপজেলা বিএনপি’র সিনিয়র সহ সভাপতি, সাবেক চেয়ারম্যান জি.এম লিয়াকত আলী
ভুরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ইসমাইল হোসেন মালির সভাপতিত্বে ও ২নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক গাজী শাহিনুর রহমান এর সঞ্চালনায় –
উপস্থিত ছিলেন ভুরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপি’র সহ সভাপতি গাজী আজিবার রহমান, সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের সহ সভাপতি ইঞ্জিঃ সাইফুদ্দীন আহমেদ,

শ্যামনগর উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক কমিটির ১নং সদস্য সুলতানুল আরিফিন সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের সদস্য জাহাঙ্গীর হোসেন শ্রমিক নেতা আঃ কাদের, যুবনেতা মোকলেছুর রহমান,ইব্রাহিম,শিমুল সেচ্ছাসেবক দলের নেতা রাজু ,আব্দুল মজিদ, সিরাজুল, ছাত্র নেতা মনিরুল ইসলাম , রাব্বি, বিল্লাহ,খোকন, ইমরান, শরিফ,মাহিন,কামরুল, হাবিব,বাবু,আশিক প্রমূখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব পরীক্ষা স্থগিত

অনলাইন ডেস্ক : করোনা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এ অবস্থায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এসব পরীক্ষার সময়সূচি পরবর্তীতে জানানো হবে।

এদিকে করোনাভাইরাস সংক্রমণ ব্যাপক হারে বেড়ে যাওয়ায় ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এই নির্দেশনা ২১ জানুয়ারি থেকেই কার্যকর হবে। এ ছাড়া আরও চারটি নির্দেশনা জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

এতে আরও বলা হয়েছে, স্কুল কলেজের মতো এই সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও নিজ নিজ ক্ষেত্রে অনুরূপ ব্যবস্থাগ্রহণ করবে। পাশাপাশি রাষ্ট্রীয়, সামাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয় সমাবেশ বা অনুষ্ঠানসমূহে ১০০ জনের বেশি জনসমাগম করা যাবে না।

এসব ক্ষেত্রে যারা যোগদান করবেন তাদের অবশ্যই করোনা প্রতিরোধী টিকার সনদ বা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আরটি পিসিআর টেস্টের ফল সঙ্গে আনতে হবে।

সরকারি-বেসরকারি অফিস, শিল্প কলকারখানাগুলোতে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আবশ্যিকভাবে করোনা টিকার সনদ গ্রহণ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে দায়িত্ব বহন করতে বলা হয়েছে।

বাজার, মসজিদ, বাসস্ট্যান্ড, লঞ্চঘাট, রেলস্টেশনসহ সবধরনের জনসমাবেশে বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিষয়টি মনিটর করতে বলা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ

অনলাইন ডেস্ক : দেশে সার্স-কোভ-২ বা কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে সরকার।

শুক্রবার মন্ত্রপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, আজ থেকে আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্কুল, কলেজ ও সমপর্যায়ের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়কে নিজ নিজ ক্ষেত্রে অনুরুপ ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

এদিকে আজ বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কনফারেন্স রুমে এক সাংবাদিক সম্মেলনেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তের বিষয়টি জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা এবিএম খুরশিদ আলমসহ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনান্য কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

গত প্রায় দেড় মাস ধরে অব্যাহতভাবে বাড়ছে করোনার সংক্রমণ। অতি সংক্রামক ধরন ওমিক্রনও ইতিমধ্যে দেশে শনাক্ত হয়েছে। নতুন শনাক্তদের বেশির ভাগ ওমিক্রনে আক্রান্ত বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সরকার ইতিমধ্যে ওমিক্রন ঠেকাতে ১১ দফা বিধিনিষেধ জারি করেছে। এরমধ্যেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের ঘোষণা এলো

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রুচিসম্মত সুস্বাদু ও স্বাস্থ্যকর খাবার সরবরাহের প্রত্যয়ে যাত্রা করলো সুমাইয়া’স কিচেন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা শহরসহ আশপাশের এলাকায় রুচিসম্মত, সুস্বাদু ও স্বাস্থ্যকর রান্না করা খাবার সরবরাহের প্রত্যয়ে যাত্রা করলো সুমাইয়া’স কিচেন।

ক্রেতা সাধারণ সুমাইয়া’স কিচেন থেকে প্রাথমিকভাবে চিকেন বিরিয়ানী, চিকেন খিচুড়ি, রোস্ট পোলাও, গাজরের হালুয়াসহ বিভিন্ন ধরনের পিঠা ক্রয় করতে পারবেন।

ফেসবুক ভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠানটি রথখোলার রাজ স্টোরের সামনে থেকে পরিচালিত হবে।

সুমাইয়া’স কিচেনের পরিচালক সোনিয়া মিজান জানান, ফেসবুকে পেজ (facebook.com/sumaiyaskitchenfood) ও মোবাইলের (০১৭১৬০৫৯৭৭৫) মাধ্যমে শর্ত অনুযায়ী খাবারের অর্ডার গ্রহণ এবং সরবরাহ করা হবে। তিনি বলেন, আমরা খাবারের কোয়ালিটির দিকটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি। #

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিপিএম-পিপিএম পদক পাচ্ছেন ২৩০ পুলিশ সদস্য

অনলাইন ডেস্ক : ২০২০ ও ২০২১ সালে অসীম সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ২৩০ পুলিশ সদস্যকে বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম) ও রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম) দেওয়া হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে সিনিয়র সহকারী সচিব সিরাজাম মুনিরার সই করা এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, অসীম সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ২০২০ সালে ১৫ জন পুলিশ সদস্যকে বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম) ও ২৫ জনকে রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম) দেওয়া হচ্ছে।

২০২০ সালে পদক পেলেন যারা

এতে বলা হয়, গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদ্ঘাটন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, দক্ষতা, কর্তব্যনিষ্ঠা, সততা ও শৃঙ্খলামূলক আচরণের মাধ্যমে প্রশংসনীয় অবদানের জন্য ২৫ জন পুলিশ সদস্যকে বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম-সেবা) ও ৫০ জনকে রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম-সেবা) দেওয়া হচ্ছে।

এছাড়াও পৃথক আরেকটি প্রজ্ঞাপনে অসীম সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ২০২১ সালে ১৫ জন পুলিশ সদস্যকে বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম) ও ২৫ জনকে রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম) দেওয়া হচ্ছে।

২০২১ সালে পদক পেলেন যারা

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদ্ঘাটন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, দক্ষতা, কর্তব্যনিষ্ঠা, সততা ও শৃঙ্খলামূলক আচরণের মাধ্যমে প্রশংসনীয় অবদানের জন্য ২৫ জন পুলিশ সদস্যকে বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম-সেবা) ও ৫০ জনকে রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম-সেবা) দেওয়া হচ্ছে।

পুলিশ সদরদপ্তর সূত্রে জানা যায়, বিপিএম সাহসিকতা ও সেবা এবং পিপিএম সাহসিকতা ও সেবা- এই চারটি ক্যাটাগরিতে প্রতিবছর এই পুরস্কার দেওয়া হয়। প্রতিবছর পুলিশ সপ্তাহের বার্ষিক পুলিশ প্যারেডে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এ পদক পরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। যারা এ পদকে ভূষিত হন তাদের নামের শেষে পিপিএম-পিপিএম উপাধি যুক্ত হয়।

আগামী ২৩ জানুয়ারি রাজারবাগে অনুষ্ঠিতব্য পুলিশ সপ্তাহে ভার্চুয়ালি যুক্ত হবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যদের হাতে এসব পদক তুলে দেবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

এদিকে সেবা, সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য ২০২০ সালে বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম) এবং প্রেসিডেন্ট পুলিশ পদক (পিপিএম) পান ১১৮ জন। ২০১৯ সালে ৩৪৯ জন পুলিশ সদস্যকে বিপিএম-পিপিএম পদক দেওয়া হয়েছিল।

এর আগে যথাক্রমে ২০১৮ সালে ১৮২ জন, ২০১৭ সালে ১৩২ জন, ২০১৬ সালে ১২২ জন, ২০১৫ সালে ৮৬ জন কর্মকর্তা বিপিএম-পিপিএম পদক পেয়েছেন।

অন্যদিকে, প্রশংসনীয় ও ভালো কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ পুলিশের ৪০১ কর্মকর্তা ও সদস্যের ‘আইজিপি’স এক্সেমপ্ল্যারি গুড সার্ভিসেস ব্যাজের (আইজিপি ব্যাজ) তালিকা চূড়ান্ত হয়েছে। পুলিশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ এ পুরস্কার এবারের পুলিশ সপ্তাহের অনুষ্ঠানে দেওয়া হবে।

চলতি বছরের পুলিশ সপ্তাহের শেষদিন ছয়টি বিশেষ ক্যাটাগরিতে মনোনীতদের এ পুরস্কার দেবেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ।

পুলিশ সদরদপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) মো. কামরুজ্জামান এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, কনস্টেবল থেকে শুরু করে ডিআইজি পদমর্যাদার ৪০১ কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্য ‘আইজিপি ব্যাজ’ পাচ্ছেন।

গতবারের চেয়ে ১৯৪ জন কম পুলিশ সদস্যকে এ পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে। সর্বশেষ ২০২০ সালের পুলিশ সপ্তাহে আইজিপি ব্যাজ পেয়েছিলেন ৫৯৫ জন সদস্য।

জানা যায়, মনোনীত ৪০১ জনের মধ্যে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে ১৪২ জন, ‘বি’ ক্যাটাগরিতে ৭৩ জন, ‘সি’ ক্যাটাগরিতে ১০১ জন, ‘ডি’ ক্যাটাগরিতে ২২ জন, ‘ই’ ক্যাটাগরিতে ৫৪ জন ও ‘এফ’ক্যাটাগরিতে ৯ জন রয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দুর্নীতি রোধে ডিসিদের সহযোগিতা চাইলো দুদক

অনলাইন ডেস্ক : দুর্নীতি রোধে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) সহযোগিতা চেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের তৃতীয় ও শেষ দিনের নবম অধিবেশন শেষে দুদক চেয়ারম্যান মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

তিনি বলেন, দুদকের অন্যতম একটি কাজ হলো সচেতনতা বৃদ্ধি। দুর্নীতি যেন না হয়। দুর্নীতি থেকে যেন মানুষ দূরে থাকে এটাও কিন্তু দুদকের অন্যতম কাজ। এজন্য আমরা ডিসিদের অনুরোধ জানিয়েছি।
তারা আমাদের সবসময় সাহায্য করেন, আরও যেন সাহায্য করেন সে অনুরোধ জানিয়েছি।

দুদক চেয়ারম্যান বলেন, একজন জেলা প্রশাসক জানেন তার অফিসে কোথায় কোথায় দুর্নীতির সুযোগ আছে। কোন অফিসে কোথায় কোথায় দুর্নীতির সুযোগ আছে, এটা কিন্তু জেলা প্রশাসকরা জানেন।
ওই জায়গায় তারা যেন সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করেন।

তিনি আরও বলেন, আমাদের আরেকটি কাজ হলো গণশুনানি। আপনারা জানেন যে প্রযুক্তির উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে দুর্নীতির ধরনও পরিবর্তন হয়ে যায়।
কোথাও যদি গণশুনানি করা হয় তাহলে দুর্নীতির নতুন ধরনগুলো জানা যায়। করোনার কারণে এটি এখন সীমিত আছে। আমরা ডিসিদের বলেছি তারাও যেন গণশুননি করেন। আমরাও করবো। কোথায় নতুন রূপে দুর্নীতি হয় এবং কিভাবে তা বন্ধ করা যায় সে বিষয়ে তারা যেন সহযোগিতা করেন।

ডিসিরা কাজ করতে গিয়ে কোনো চ্যালেঞ্জের কথা বলেছেন কিনা- জানতে চাইলে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, আমাদের একটি সমস্যা হলো তদন্ত বা অনুসন্ধানে একটু সময় লেগে যায়।
এটার কারণে হয়তো অনেক অভিযোগ থাকলেও সমস্যা হয়। এটা আমাদের একটি সীমাবদ্ধতা। এটা আমরা অ্যাড্রেস করার চেষ্টা করছি। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যেন তদন্ত শেষ হয় আমরা সেই চেষ্টা করছি।

মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ বলেন, দুর্নীতি এমন একটি জিনিস, প্রমাণ পাওয়াটা খুব কঠিন। অকাট্য প্রমাণ ছাড়া তো আমরা এগোতে পারি না।
কারণ এটি না হলে আদালত মামলা গ্রহণ করবে না। যিনি ঘুষ নেন ও যিনি দেন, তারা কেউই তো স্বীকার করেন না।

এটি কমিয়ে আনতে আমরা চেষ্টা করছি। আমাদের যারা অনুসন্ধান করেন তাদেরকেও আমরা জবাবদিহির আওতায় আনারচেষ্টা করছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় প্রতিবন্ধী শিশুদের মাঝে কম্বল বিতরণ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
সাতক্ষীরায় “চিলড্রেন রাইটস” নামের একটি স্বেচ্চাসেবী সংগঠন প্রতিবন্ধী শিশুদের মাঝে কম্বল বিতরণ করেছে। বৃহস্পতিবার সকালে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব সম্মেলন কক্ষে ২০ জন প্রতিবন্ধী শিশুর মাঝে এসব কম্বল বিতরন করা হয়।

সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপী, দৈনিক প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিনিধি কল্যান ব্যানার্জী, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম কামরুজ্জামান প্রতিবন্ধী শিশুদের হাতে কম্বল তুলে দেন।

এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক সেলিম রেজা মুকুল, সাংবাদিক বীর মুক্তিযোদ্ধা কালিদাস কর্মকর, সাংবাদিক শেখ ফরিদ আহমেদ ময়না, সাংবাদিক আব্দুল জলিল, সাংবাদিক আব্দুল আলিমসহ চিলড্রেন রাইটস এর প্রতিনিধি দল।

কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চিলড্রেন রাইটস এর প্রতিষ্ঠাতা ফাহিম শাহরিয়ার।

প্রসঙ্গত. সাতক্ষীরায় শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে চিলড্রেন রাইটস নামের সংগঠনটি। সাতক্ষীরার বিভিন্ন স্কুল ও কলেজ পড়–য়া শিক্ষার্থীরাই এই সংগঠনটি পরিচালনা করছেন। ইতোপূর্বে সংগঠনটি সমাজের অসহায় ও অবহেলিত শিশুদের নিয়ে বিভিন্ন ক্যাম্পেইন, শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, শীতবস্ত্র বিতরণসহ বিভিন্ন কাজ করে আসছে।

এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব হলরুমে প্রতিবন্ধী শিশুদের মাঝে কম্বল বিতরণের আয়োজন করে সংগঠনটি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest