সর্বশেষ সংবাদ-
হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের ৩০ মে রিইউনিয়নের লোগো উন্মোচনলীজ নিয়ে অবৈধভাবে সম্পত্তি দখল করতে না পেরে বিএনপির দুই নেতার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন মানববন্ধনের অভিযোগসাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের কোর কমিটির সভা অনুষ্ঠিতঅপরাধীকে অপরাধী হিসেবে আইনের আওতায় আনা হবে, সে যে দলেরই হোক –সাতক্ষীরার নবাগত এসপিআশাশুনির কুল্যায় মাদক কারবারী ও অনলাইন জুয়াড়ীদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধনসাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিলসম্মিলিত সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠনগাজীপুরে ৫ খুন: পদ্মা সেতু থেকে লাফ দি‌য়ে অভিযুক্তের আত্মহত্যাWaarom Fairplay casino online inloggen de toekomst van gokken verandertMonster Casino et sports en ligne une alliance pour les amateurs de paris sportifs

বউ পালার ক্ষমতা থাকলে পুরুষ একের অধিক বিয়ে করতে পারে: সুবাহ

বিনোদন ডেস্ক: আলোচিত মডেল ও অভিনেত্রী সুবাহ শাহ হুমায়রাকে বিয়ে করেছেন গায়ক ইলিয়াস হোসেন। এবার ইলিয়াসের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে দ্বিতীয় স্ত্রী মডেল কারিন নাজকে ডিভোর্স না দিয়েই সুবাহকে বিয়ে করেছেন তিনি। এ বিষয়ে কারিন আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন।

এদিকে, এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে রবিবার আত্মপক্ষ সমর্থন করে সুবাহ লিখেছেন, ‌‘ডিভোর্স লেটার দেখেই জড়িয়ে ছিলাম আমি, তাও বৈধভাবে। এমনকি কারিন এবং তার মা সুকন্যাকে, দিপাকেও আমি নিজেই সব খুলে বলেছি যে আমরা দুজন বিয়ে করে ফেলবো। ইলিয়াস আমাকে বিয়ে করতে চায়, আমিও চাই। তাও ২ মাস আগে।
এখন যদি ওই মহিলারা অস্বীকার করেন যে সে কিছুই জানেন না! মানুষকে উল্টা পাল্টা মিথ্যা বলে। আমার কাছে প্রমাণ আছে যে জানিয়েছিলাম তাদেরকে অনেক আগেই…
আর যদি কোনো পুরুষের ক্ষমতা থাকে বউ পালার- সে একের অধিক বিয়ে করতে পারে।
আর এমন তো না যে ডিভোর্স না দিয়ে বাচ্চা রেখে বিয়ে করেছে ইলিয়াস!
আর আমি তো জানি ইলিয়াসের সাথে কারিনই লিভ টুগেদার করেছিলো। কারণ হলো, ওই বিয়ের কনো বৈধ কাবিননামাই নেই! হাহাহা…
ওই মেয়ে থাকে বিদেশে। তিন বছর ধরে বাংলাদেশে আসে না। শুধু মোবাইলে মোবাইলে কথা বললে কি সংসার হয় নাকি?
ওই মেয়ে কারিন এবং তার মায়ের অনেক অবৈধ সম্পর্ক আছে বিদেশে এবং বাংলাদেশে- এটাও আমি জানি।।
সে মানসিকভাবে প্যারা দিতো সবসময়- এটা ইলিয়াসের সার্কেলের সবাই জানে যে, ওরা বিবাহিত কখনো সুখী ছিল না।
আর ওই মেয়ে তিন বছর ধরে বাংলাদেশে আসে না, শারিরীক সম্পর্ক ছিল না।
আমি তখন ইলিয়াসের ভালো বন্ধু ছিলাম। পরে আমাদের দু’জনের ভালোলাগা থেকেই বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে আমরা পারিবারিকভাবে সবাইকে জানিয়ে যা করার করেছি। আমরা তো পাপ কিছু করিনি।
আমাকে আর ইলিয়াসকে যদি আপনাদের ভালো না লাগে প্লিজ এড়িয়ে যেতে পারেন। আমাদের দুজনকে অনুসরণ করার দরকার নাই। লাইক দেওয়ার দরকার নাই।
আমরা দু’জন দু’জনের সাথে ভালো আছি সংসার নিয়ে আলহামদুলিল্লাহ!
আমরা চেয়েছিলাম যখন ফাইনালি বড় করে অনুষ্ঠান করব তখন মিডিয়া-পাবলিককে বলবো। কিন্তু এতো অশান্তির জন্য তা করা সম্ভব হলো না। আমাদের জন্য দোয়া করবেন।।
বিনা কারণে বিব্রত করলে মানহানি মামলা করতে বাধ্য হবো। আইন সবার জন্যই সমান।
আমার কিছু বলার নেই আর।’

জানা গেছে, কারিন নাজ সুইডেনের স্টোকহোমে থাকেন। বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি মিউজিক ভিডিওতে মডেল হয়েছেন তিনি। কারিনকে বিয়ের আগে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী এক বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে বিয়ে করেছিলেন ইলিয়াস। সেই সংসার বেশিদিন দীর্ঘস্থায়ী হয়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিশ্ব অর্থনীতিতে ২০৩৬ সালে বাংলাদেশ হবে ২৪তম

অর্থনীতির খবর: যুক্তরাজ্যের অর্থনৈতিক গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর ইকোনমিক্স অ্যান্ড বিজনেস রিসার্চের (সিইবিআর) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বর্তমান গতিতে এগিয়ে গেলে ​বৈশ্বিক অর্থনীতির তালিকায় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থান উন্নীত হবে ২৪-এ। চলতি বছর তালিকায় ৪২তম অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।

‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক লিগ টেবিল ২০২২’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এ পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এতে মূলত সামনের বছর এবং আগামী ১৫ বছরে বিশ্বের কোন দেশের অর্থনীতি কী হারে বাড়বে, এরই পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। সিইবিআর প্রতিবছর এই রিপোর্ট প্রকাশ করে। শনিবার রাতে প্রকাশিত হয় সংস্থার ১৩তম প্রতিবেদন।

এতে বলা হয়, ৮ বছর পরেই চীন হবে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতি।২০৩১ সাল নাগাদ বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হবে ভারত। আর এ সময় দ্বিতীয় হবে যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি চতুর্থ ও জাপান পঞ্চম।

বাংলাদেশ প্রসঙ্গে প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ এখন বিশ্বের ৪২তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ। ২০২২ সালে বাংলাদেশের অবস্থান হবে ৪১তম, ২০২৬ সালে ৩৪তম ও ২০৩১ সালে ২৯তম। ২০৩৬ সাল নাগাদ ১৯৩টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান বহু ধাপ ওপরে উঠে হবে ২৪তম অর্থনৈতিক শক্তি। অর্থাৎ আগামী ১৫ বছরে বাংলাদেশের অর্থনীতি ১৮ ধাপ এগিয়ে যাবে।

এতে আরো বলা হয়, ২০২১ সালে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৭৩৩ ডলার। এই হিসাবটা পিপিপি বা পারচেজিং পাওয়ার (ক্রয়ক্ষমতা) প্যারিটিকে হিসাবে নিয়ে করা। বাংলাদেশকে এখন একটি নিুমধ্যম আয়ের দেশ বলে গণ্য করা হয়। ২০৩৬ সাল নাগাদ বিশ্বের প্রথম ২৫টি দেশের তালিকায় যুক্ত হবে তিনটি নতুন দেশ: ভিয়েতনাম, ফিলিপাইন ও বাংলাদেশ। এর মধ্যে ভিয়েতনামের অবস্থান হবে ২০, বাংলাদেশের ২৪ ও ফিলিপাইনের ২৫। এ সময় যেসব অর্থনীতিকে বাংলাদেশ ছাড়িয়ে যাবে তার মধ্যে রয়েছে মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ডেনমার্ক, হংকং, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিসর, নরওয়ে, আর্জেন্টিনা, ইসরাইল, আয়ারল্যান্ড, অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, সুইডেন ও তাইওয়ান। বর্তমান বিশ্ব সূচকে এই দেশগুলো বাংলাদেশের ওপরে, কারণ তাদের অর্থনীতি বাংলাদেশের চেয়ে বড়

ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক লিগ টেবিল প্রতিবেদনে বলা হয়, আগামী বছরে বিশ্বের শীর্ষ ১০ অর্থনীতির তালিকার শীর্ষে থাকবে যুক্তরাষ্ট্র। শীর্ষ দশে থাকা অন্য দেশগুলো যথাক্রমে-চীন, জাপান, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, ভারত, ফ্রান্স, ইতালি, কানাডা ও দক্ষিণ কোরিয়া।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জয়নাল হাজারীর জীবনাবসান

রাজনীতির খবর: আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য জয়নাল হাজারী আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

আজ সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে রাজধানীর ল্যাব এইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি।

হাসপাতালের গণসংযোগ কর্মকর্তা চৌধুরী মেহের এ খোদা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ৭৮ বছর বয়সী এই রাজনীতিবিদ কিডনি হৃদরোগসহ বার্ধক্যজনিত নানা সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে জামানাত হারালেন নৌকার তিন প্রার্থী

নিজস্ব প্রতিনিধি :
চতুর্থ ধাপে অনুষ্ঠিত হওয়ায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে শ্যামনগর উপজেলার ৯ ইউনিয়নের ৩টি’তে আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। উপজেলার আটুলিয়া ও রমজাননগর ইউনিয়ন থেকে চেয়ারম্যান পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তারা জামানত হারিয়েছেন।

জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়ায় তিন প্রার্থী হলেন আটুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি গাজী কামরুল ইসলাম, সাবেক ছাত্রলীগ(রাঃ বিঃ) নেতা রমজাননগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য মোঃ শাহানুর আলম এবং কাশিমাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি সমশের ঢালী।

নির্বাচন অফিস সুত্রে জানা যায় আটুলিয়া ইউনিয়নে ২০৮০৭ ভোট পড়লেও আওয়ামী লীগের প্রার্থী গাজী কামরুল ইসলাম মাত্র ৬৯৩ ভোট পেয়েছেন। একইভাবে রমজাননগরে মোট ১৫০২৬ ভোট গণনা সত্ত্বেও নৌকার প্রার্থী পানয় মাত্র ৬৯৫ ভোট। এছাড়া কাশিমাড়ী ইউপিতে মোট ১৭১১৭ ভোট পড়লেও আওয়ামীলীগের প্রার্থী সমশের ঢালী ১৫২৬ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন।
সাতক্ষীরা জেলা নির্বাচন অফিসার নাজমুল করিম বলেন, নির্বাচনের কাজে ব্যস্ত থাকায় কারা জামানত হারিয়েছেন সেটি হিসাব করা হয়নি। তবে কাস্ট হওয়া মোট ভোটের ৮ ভাগের ১ ভাগ ভোট না পেয়ে থাকলে ওই প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন বলে জানান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার ১০ ইউপিতে বিজয়ী প্রার্থীরা কে কত ভোট পেলেন

মেহেদী মারুফ : চতুর্থ ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার ৯ টি ও তালা উপজেলার একটিসহ মোট ১০ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগের নৌকা প্রতিকের তিন জন ও বাকী ৭ জনস্বতন্ত্র প্রার্থী বেসরকারী ভাবে জয়লাভ করেছেন। নির্বাচনে তালা উপজেলার কুমরিা ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থী আজিজুল ইসলাম পেয়েছেন ৭০০৮ ভোট তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের অধ্যাপক ইদ্রিস আলী পেয়েছেন ৬৪২৭ভোট।
শ্যামনগর উপজেলার কাশিমাড়ী ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী গাজী আনিছুজ্জামান আনিচ পেয়েছেন ৯৯৮৯ ভোট, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী আব্দুর রউফ পেয়েছেন ৫১২০ ভোট, নুরনগর ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ দলীয় প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান বখতিয়ার আহমেদ পেয়েছেন ৫৭৬০ ভোট, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি গোলাম আলমগীর পেয়েছেন৪২৮২ ভোট, কৈখালীতে স্বতন্ত্র ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম পেয়েছেন ৫৩৫৪ ভোট, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি নৌকার প্রার্থী জি এম রেজাউল করিম পেয়েছেন ৪৪৭০ ভোট, দ্বীপ ইউনিয়ন গাবুরায় স্বতন্ত্র টেবিল ফ্যান প্রতীকের প্রার্থী বিএনপি নেতা জি এম মাসুদুল আলম পেয়েছেন ৬৭৬৬ ভোট, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি নৌকার প্রার্থী জি এম শফিউল আযম লেলিন পেয়েছেন ৬২১৩ ভোট, বুড়িগোয়ালীনি ইউনিয়নের চশমা প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী জামায়াত সমর্থিত হাজী নজরুল ইসলাম পেয়েছেন ৮৪৩৮ ভোট, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি নৌকার প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান ভবতোষ কুমার মন্ডল পেয়েছেন ৬২৩৩ ভোট, রমজাননগর ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী শেখ আল মামুন পেয়েছেন ৫৪৬৬ ভোট, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি মটরসাইকেল প্রতীকের প্রার্থী ৪৬৮৯ ভোট, পদ্মপুকুর ইউনিয়নে বিএনপি নেতা চশমা প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ আমজাদুল ইসলাম পেয়েছেন ৭০৩৯ তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি নৌকা প্রতীকের প্রার্থী এস এম আতাউর রহমান পেয়েছেন৪২৩৯ ভোট,আটুলিয়া ইউনিয়নে স্বতন্ত্র আনারস প্রার্থীকের প্রার্থী আওয়ামীলীগ বিদ্রোহী আবু সালেহ বাবু পেয়েছেন ১০৮৫৫ ভোট, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি মটরসাইকেল প্রতীকের প্রার্থী সৈয়দ কামাল উদ্দিন পেয়েছেন ৮০৮৮ ভোট, মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ সমর্থিত নৌকার প্রার্থী অসীম কুমার মৃধা পেয়েছেন ৯২৬১ ভোট, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি চশমা প্রতীকের প্রার্থী ৭৬০৬ ভোট। ###

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বিশেষ ডেস্ক: আলোচিত মামলার তদন্তে অগ্রগতি নেই। বছরজুড়েই কমেছে অভিযান, মামলা ও গ্রেফতার। গুরুত্বপূর্ণ মামলাগুলোতে এক পা এগোলে, পিছিয়েছে দুই পা। ফলে নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও আলোচিত মামলার সুরাহা করতে পারেননি কর্মকর্তারা। কোনো কোনো মামলায় শুধুই দায় এড়াতে অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ করেই থেমে গেছে দুদক। হলমার্ক, বেসিক ব্যাংকের মতো আলোচিত দুর্নীতির মামলা বয়ে বেড়াচ্ছে সংস্থাটি। চলতি বছরের নভেম্বর পর্যন্ত হয়নি গণশুনানিও। নিষ্পত্তি কমেছে ফাঁদ মামলার।

বছরের শেষে এসে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) ২০২১ সালের কার্যক্রম ও দুর্নীতি দমনে সংস্থার ভূমিকা বিশ্লেষণে এমন চিত্রই উঠে এসেছে। ফলে দুর্নীতি দমনে রাষ্ট্রীয় এই সংস্থাটির সক্ষমতা নিয়েও আরও এক দফায় প্রশ্ন উঠেছে জনমনে।

তবে দুদক সংশ্লিষ্টরা সংস্থার ‘দুর্বলতা’ এড়িয়ে সব সময় বলে আসছেন, শুধু দুদক দিয়ে দেশে দুর্নীতি প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। পরিবার থেকেই দুর্নীতি প্রতিরোধের শিক্ষা নিয়ে এই সামাজিক ব্যাধি থেকে সমাজ-রাষ্ট্রকে মুক্ত করতে হবে।

দুদক সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত দুদকে ১১ হাজার ৮২৮টি অভিযোগ জমা পড়েছে। সেই হিসাবে প্রতিমাসে জমা পড়েছে গড়ে এক হাজার ১৮৩টি অভিযোগ। তবে ২০২০ সালে মাসে গড়ে এক হাজার ৫৪১টি অভিযোগ জমা পড়েছিল। ওই বছর মোট ১৮ হাজার ৪৮৯ অভিযোগ জমা পড়ে।

২০২০ সালে দুদকের এনফোর্সমেন্ট ইউনিট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ৪৮৭টি অভিযান পরিচালনা করে। তবে চলতি বছরের ১০ মাসে এনফোর্সমেন্ট ইউনিট অভিযান চালিয়েছে মাত্র ১১১টি। দীর্ঘদিন ধরে ‘ফাঁদ মামলা’ ও গণশুনানি বন্ধ ছিল। তবে নভেম্বরে কয়েকটি ফাঁদ মামলা ও গণশুনানি হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বর্তমানে সাবেক সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান ও পুরোনো অভিযোগের অনুসন্ধান, তদন্ত ও অভিযোগপত্র চূড়ান্ত করতেই বেশি সময় কাটছে দুদক কর্মকর্তাদের। মেয়াদোত্তীর্ণ অনুসন্ধান ও মামলার সংখ্যা এক হাজার ৩২২টি, যা মোট অনুসন্ধান ও মামলার এক-চতুর্থাংশ।

এ প্রসঙ্গে দুদক সচিব আনোয়ার হোসেন হাওলাদার বলেন, নতুন কমিশন ও করোনার কারণে দীর্ঘদিন কার্যক্রমে গতি পায়নি। তবে নতুন কমিশন দ্রুতই নিষ্পত্তি না হওয়া অনুসন্ধান ও তদন্ত শেষ করতে গুরুত্ব সহকারে কাজ করছেন।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহকে চলতি বছরের ৩ মার্চ দুদকের চেয়ারম্যান নিয়োগ দেয় সরকার। একই দিনে দুদকের কমিশনারের দায়িত্ব পান মো. জহুরুল হক। তিনি বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) সাবেক চেয়ারম্যান। ১০ মার্চ থেকে চেয়ারম্যান ও সচিব আনুষ্ঠানিকভাবে দুদকে কার্যক্রম শুরু করেন।

মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ দুদক চেয়ারম্যান পদে ইকবাল মাহমুদের স্থলাভিষিক্ত হন। জহুরুল হক দুদকের কমিশনার (তদন্ত) পদে এ এফ এম আমিনুল ইসলামের স্থলে দায়িত্ব আসেন। দায়িত্বগ্রহণের পর অনুসন্ধান, তদন্তে দীঘসূত্রতা কমানোর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও তার প্রতিফলন ছিল না বছরজুড়ে।

হলমার্ক-বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারি যেন গলার কাঁটা

আলোচিত অনেক মামলার নিষ্পত্তি করতে পারছে না দুদক। এরমধ্যে হলমার্ক কেলেঙ্কারি ও বেসিক ব্যাংকের দুর্নীতি সংস্থাটির গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ছয় বছরেও বেসিক ব্যাংকের দুর্নীতি প্রতিবেদন দিতে পারেনি দুদক। ওই ঘটনায় দায়ের হওয়া ৫৬টি মামলার দৃশ্যমান তেমন অগ্রগতিও নেই। মামলাগুলো নিয়ে কার্যত মুখে কুলুপ এঁটে বসে আছেন দুদক কর্মকর্তারা।

দুদক সূত্র জানিয়েছে, ঋণের নামে ২০০৯ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত বেসিক ব্যাংক থেকে সাড়ে চার হাজার কোটি টাকা লোপাটের অভিযোগ অনুসন্ধানে নামে দুদক। ২০১৫ সালে দুই হাজার ৩৬ কোটি টাকা ঋণের নামে আত্মসাতের প্রাথমিক তথ্য-প্রমাণ পাওয়ায় ৫৬টি মামলা করে সংস্থাটি। এসব মামলায় আসামি করা হয় ব্যাংকটির কর্মকর্তা, ঋণগ্রহীতাসহ ১২০ জনকে।

বিগত ছয় বছরে বিদায় নিয়েছেন দুদকের দুজন চেয়ারম্যান। তবে বহুল আলোচিত বেসিক ব্যাংককাণ্ডে করা মামলাগুলোর দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি দেখাতে পারেনি দুদক।

জানা যায়, কোনোরকম নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে পরিচালনা পর্ষদে প্রভাব খাটিয়ে কয়েকশো ব্যক্তিকে হাজার কোটি টাকা ঋণ দিয়েছিলেন ব্যাংকটির চেয়ারম্যার আবদুল হাই বাচ্চু। মূলত ঋণের নামে এসব অর্থ লুট করা হয়েছে। লোপাটের ঘটনায় আবদুল হাই বাচ্চুসহ দেড় শতাধিক ব্যক্তির সম্পৃক্ততাও মিলেছে দুদকের তদন্তে। ২০১৭ সালে দুবার ও ২০১৮ সালে একবার আবদুল হাই বাচ্চুকে জিজ্ঞাসাবাদ করেই দায় শেষ করেছে দুদক।

বেসিক ব্যাংকের মতোই দীর্ঘ আট বছর ধরে হলমার্ক কেলেঙ্কারির অনুসন্ধান ও তদন্তের ভার বয়ে বেড়াচ্ছে দুদক। ২০১০ থেকে ২০১২ সালের মার্চ পর্যন্ত সোনালী ব্যাংকসহ দেশি-বিদেশি ৪১টি ব্যাংকের বিভিন্ন শাখা থেকে হলমার্ক নামের অখ্যাত ব্যবসায়ী গোষ্ঠী প্রায় সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা তুলে নেয়।

২০১৪ সালের বিভিন্ন সময়ে ফান্ডের মোট এক হাজার ৯৫৪ কোটি ৮৩ লাখ ৭১ হাজার ৭৮৩ টাকা আত্মসাতের দায়ে ৩৮ মামলায় ৩৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দিতে সক্ষম হয় দুদক। এরপর থেকে কার্যত স্থবির মামলাটির কার্যক্রম। লোপাট হওয়া টাকার মধ্যে হলমার্ক গ্রুপের কাছ থেকে আদায় হয়েছে মাত্র ৫৬৭ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। বাকি টাকা এখনো অনাদায়ী। যা আদায় হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।

হলমার্ক ও বেসিক ব্যাংকের মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে দুদক চেয়ারম্যান মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ বলেন, ‘অনন্তকাল ধরে কিছুই চলতে পারে না। আমরা দ্রুতই চেষ্টা করছি মামলাগুলো শেষ করার। আশা করি, খুব দ্রুতই শেষ হবে সবকিছু।’

পি কে হালদারের মামলায়ও স্থবিরতা

আর্থিক খাতে অনিয়মের আরেক নাম পি কে (প্রশান্ত কুমার) হালদার। এই কাণ্ডের তদন্ত চলছে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে। ২০১৪ থেকে ২০১৮ সালে রিলায়েন্স ফিন্যান্স ও এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) থাকাকালীন কাগুজে প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ দিয়ে প্রায় সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করে বিদেশে পাচার করে কানাডায় পালিয়েছেন পি কে হালদার।

২০১৯ সালে ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানের সময় প্রায় ২৭৫ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে পি কে হালদারের বিরুদ্ধে প্রথম মামলা করে দুদক। চলতি বছরের ৮ জানুয়ারি দুদকের অনুরোধে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা দিয়ে রেড অ্যালার্ট জারি করে ইন্টারপোল।

অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় পি কে হালদারসহ ৮৩ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত করছে দুদক। এখন পর্যন্ত গ্রেফতার হয়েছেন ১১ জন। জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে অর্ধশতাধিক ব্যক্তিকে। গ্রেফতাকৃতদের মধ্যে উজ্জ্বল কুমার নন্দী ছাড়াও তার সহযোগী শংখ বেপারী, রাশেদুল হক এবং সর্বশেষ পি কে হালদারের বান্ধবী অবান্তিকা বড়াল আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তবে তা নিয়ে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি দেখাতে পারেনি সংস্থাটি।

একইভাবে হেফাজত নেতাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা, ক্যাসিনো কেলেঙ্কারি ও স্বাস্থ্যখাতের অনিয়মের তদন্ত চলছে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে।

দুদকের কার্যক্রমে এমন ‘গা-ছাড়া’ মনোভাবের পেছনে নেতৃত্বকে দায়ী করছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। তিনি বলেন, ‘নেতৃত্বের দুর্বলতার কারণেই দুদকের কাজে ভাটা পড়েছে।’

ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, করোনাভাইরাস সংকটকালে অভাবনীয় দুর্নীতির বেশ কয়েকটি ঘটনা সামনে এসেছে। দেশে যে দুর্নীতি সর্বব্যাপী রূপ নিয়েছে, তা এসব ঘটনা দেখলেই স্পষ্ট হয়। এটা এখন অপ্রিয় সত্য।

পাচার হওয়া টাকা ফেরত আনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সিঙ্গাপুর থেকে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনা সম্ভব হয়েছে। কাজেই একটি ক্ষেত্রে এটি ঘটে থাকলে অন্যক্ষেত্রে কেন হবে না। চেষ্টা থাকলে অবশ্যই সেটা সম্ভব।

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, সরকারি প্রকল্পে ব্যাপক লুটপাট হচ্ছে। গণমাধ্যমে আমরা সে খবর দেখছি। এসবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বা তদন্ত করার কোনো উদ্যোগ দেখছি না। দুর্নীতি থেকে মুক্তি চাইলে দুদককে আরও বেশি কার্যকর হতে হবে।

দুদক চেয়ারম্যান মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ বলেন, দুদকের মতো একটি প্রতিষ্ঠান দিয়ে শুধু দুর্নীতিবাজদের ধরে একটি সমাজকে পরিশুদ্ধ করা দুরূহতম কাজ। আইন প্রয়োগ করে দুর্নীতি নির্মূল করা সম্ভব নয়। তবে দুর্নীতিবাজদের অবশ্যই আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হবে।

দুদকের কার্যক্রমে উল্টো সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন সংস্থার চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, ‘করোনার প্রাদুর্ভাবের মধ্যেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে জরুরি দায়িত্ব পালনে মাঠে থেকেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। আক্রান্ত হয়েছেন মহাপরিচালক ও পরিচালকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী। দুদকের একজন পরিচালকসহ তিনজন প্রাণ হারিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অগ্নিকাণ্ড ও হতাহতের ঘটনায় লঞ্চের মালিক গ্রেপ্তার

দেশের খবর: ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে এমভি অভিযান-১০ লঞ্চে অগ্নিকাণ্ড ও হতাহতের ঘটনায় নৌযানটির মালিক হামজালাল শেখকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যা ব)। সোমবার (২৭ ডিসেম্বর) সকালে কেরাণীগঞ্জ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‍্যাবের লিগ্যাল আ্যন্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

গত ২৩ ডিসেম্বর দিনগত রাতে ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে বরগুনাগামী লঞ্চ এমভি অভিযান-১০ এ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৪১ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এদের মধ্যে ৩৭ জনেরই বাড়ি বরগুনায়। এছাড়াও আহত রয়েছেন শতাধিক যাত্রী, নিখোঁজও আছেন অনেকে।

পরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নৌ আদালতে করা মামলায় লঞ্চের চার মালিকসহ আটজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। রোববার দুপুরে নৌপরিবহন আদালতের বিচারক যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ জয়নাব বেগম এ পরোয়ানা জারি করেন।

নৌপরিবহন অধিদপ্তরের প্রসিকিউটিং অফিসার বেল্লাল হোসাইন জানান, রোববার দুপুরে নৌপরিবহন অধিদপ্তরে অবস্থিত নৌ আদালতে অধিদপ্তরের প্রধান পরিদর্শক শফিকুর রহমান এই মামলা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
“পাপ বাপকেও ছাড়ে না”

রাজনীতির খবর: ডাকসুর সাবেক ভিপি ও গণ অধিকার পরিষদের সদস্য সচিব নুরুল হক নুর তার ফেসবুক পেজে লিখেছেন-

ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস!

যে রাব্বানী ছাত্রলীগের নেতা থাকাকালীন ক্ষমতার দম্ভে বিভিন্ন ক্যাম্পাসে অসংখ্য ভিন্নমতের শিক্ষার্থীকে মারধর, অত্যাচার, নির্যাতন, হামলা-মামলা করেছে। আজ রাব্বানী নিজ এলাকায় তার দলের নেতা-কর্মীদের দ্বারাই হামলার শিকার।

স্থানীয় কয়েকজন বলেছে, মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলার ইশিবপুর ইউপি নির্বাচনে কেন্দ্র দখল করতে গেলে নিজ দলের নেতা-কর্মীরাই তাকে প্রতিহত করে। পাপ বাপকেও ছাড়ে না!

যাই হোক, প্রকৃত ঘটনার তদন্ত সাপেক্ষ অন্যায়ের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানাই। সংঘাত-সহিংসতাকে কখনোই সমর্থন করি না। সম্প্রীতি, সহনশীলতার রাজনীতি চাই।

উল্লেখ্য, মাদারীপুরে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে লড়ে হেরে গেছেন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর মামা সালাহ উদ্দিন আহমেদ। রোববার (২৬ ডিসেম্বর) রাত ১০টার দিকে রাজৈর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা নাননী খান ফল ঘোষণা করেন।

এর আগে বিকেলে মামার পক্ষে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে হামলার শিকার হন ছাত্রলীগের সাবেক এই সাধারণ সম্পাদক। ওই সময় তার আঙুলে জখম হয়। পরে তাকে রাজৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

জানা গেছে, চতুর্থ ধাপের ইউপি নির্বাচনে রোববার মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার ছয়টি ইউপিতে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। এই নির্বাচনে রাজৈর উপজেলার ইশিবপুর ইউপি থেকে চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ করেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ঢাকসু) সাবেক জিএস গোলাম রাব্বানীর মামা সালাহ উদ্দিন আহমেদ।

নির্বাচনের আগে বেশ কয়েক দিন থেকেই মামা সালাহ উদ্দিন আহমেদের পক্ষে প্রচারে অংশ নিয়েছিলেন গোলাম রাব্বানী। দুপুরে এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আহত হয়েছিলেন তিনি। পরে নির্বাচনি ফলাফলে জানা যায়, চেয়ারম্যান পদে পরাজিত হয়েছেন তার মামা সালাহ উদ্দিন আহমেদ। তবে কতো ভোটে তিনি পরাজিত হয়েছেন, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest