সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় অন্ত:স্বত্তা স্ত্রীকে জবাই করে হত্যার অভিযোগ: স্বামী পলাতকহিসাব বিজ্ঞান বিভাগের ৩০ মে রিইউনিয়নের লোগো উন্মোচনলীজ নিয়ে অবৈধভাবে সম্পত্তি দখল করতে না পেরে বিএনপির দুই নেতার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন মানববন্ধনের অভিযোগসাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের কোর কমিটির সভা অনুষ্ঠিতঅপরাধীকে অপরাধী হিসেবে আইনের আওতায় আনা হবে, সে যে দলেরই হোক –সাতক্ষীরার নবাগত এসপিআশাশুনির কুল্যায় মাদক কারবারী ও অনলাইন জুয়াড়ীদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধনসাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিলসম্মিলিত সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠনগাজীপুরে ৫ খুন: পদ্মা সেতু থেকে লাফ দি‌য়ে অভিযুক্তের আত্মহত্যাWaarom Fairplay casino online inloggen de toekomst van gokken verandert

ভিজিডি সদস্যদের জীবন দক্ষতা ও আয়বর্ধক মূলক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু

দুস্থ মহিলা উন্নয়ন কর্মসূচি(ভিজিডি) সদস্যদের জীবন দক্ষতা ও আয় বর্ধক মূলক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
বুধবার সকালে কুশখালী ইউনিয়ন পরিষদের এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, ইউনিয়ন পরিষদ সচিব কবিরুল ইসলাম।
মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ঢাকার সহযোগিতায় এবং প্রগতির বাস্তবায়নে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, প্রগতির সমন্বয়কারী শেখ রফিকুল ইসলাম ও মো: মাসুদুর রহমান।
ভিজিডি সদস্যদের জীবন দক্ষতা ও আয় বর্ধক মূলক প্রশিক্ষণ সহ স্বাস্থ্য সচেতনামূলক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশ গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতির ধুলিহর সম্পাদক গৌতম কুমারের সুস্থতা কামনা
প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
বাংলাদেশ গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতির সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর ইউনিয়ন শাখার সাধারণ সম্পাদক গৌতম কুমার সানার লিগামেন্ট অপারেশন করায় তার সুস্থতা কামনা করেছেন জেলা গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতির নেতৃবৃন্দ।
গতকাল তার বাড়িতে দেখতে যান জেলা সভাপতি মাহবুবুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন, দপ্তর সম্পাদক অপূর্ব মজুমদার, সদস্য আব্দুল খালেক, সদর উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক অনির্বাণ সরকার, সাতক্ষীরা পৌর শাখার সাধারণ সম্পাদক আল-আমিন হোসেন, ধুলিয়া ইউনিয়ন শাখার সভাপতি দিন দীপ্তি রায় প্রমূখ।
এ সময় অসুস্থ গৌতমের চিকিৎসা সংক্রান্ত খোঁজখবর নেয়া ও তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করা হয়।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ

অনলাইন ডেস্ক : সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী ফুটবলের ফাইনালে শক্তিশালী ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ। ভারতকে বাংলাদেশের মেয়েরা হারিয়েছে ১-০ গোলের ব্যবধানে।

বুধবার কমলাপুর বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে ৭৯ মিনিটে আনাই মগিনি এগিয়ে দেন বাংলাদেশকে। এই এক গোলই শেষ পর্যন্ত শিরোপা নির্ধারণ করে দেয়।

শাহেদা আক্তার রিপার ব্যাকহিল থেকে বল ধরেই দূল্লার শট করে আনাই গোল করলে উল্লাসে ফেটে পড়ে স্টেডিয়ামের দর্শকরা।

ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সঙ্গে শিরোপাও অক্ষুণ্ন রেখেছে বাংলাদেশের মেয়েরা। ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব-১৮ চ্যাম্পিয়নশিপে নেপালকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশ। সেই একই টুর্নামেন্ট এবার অনুষ্ঠিত হলো অনূর্ধ্ব-১৯ চ্যাম্পিয়নশিপ নামে।

টুর্নামেন্ট যখন অনূর্ধ্ব-১৮ বয়সের ছিল তখন বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ফাইনালে নেপালকে হারিয়ে। এবার শিরোপা ধরে রাখার মিশনটা ছিল আরও কৃতিত্বের। লিগ ম্যাচ, ফাইনাল- দু’বারই ভারতকে হারিয়েছে বাংলাদেশের মেয়েরা।

মারিয়া-আঁখিরা যোগ্যতর দল হিসেবেই চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। শুরু থেকে প্রাধান্য নিয়ে চাপ অব্যাহত রাখে ভারতের রক্ষণে। দু’বার দুটি গোলও বাতিল করেন রেফারি। এর মধ্যে দ্বিতীয় গোল বাতিলে বিস্মিত হয়েছেন সবাই।

মাঝ মাঠে মনিকা ও মারিয়াদের আধিপত্য এবং আক্রণভাগে তহুরাদের বারবার ভারতের ডিফেন্স চুরমার করায় বাংলাদেশ যে কোনো সময়ই গোল পেতে পারতো। কিন্তু সেই গোলের জন্য অপেক্ষা করতে হয়েছে ৭৯ মিনিট পর্যন্ত।

আনাই মগিনির গোলটি ছিল দেখার মতো। রিপার ব্যাকহিল ও আনাইয়ের লম্বা শট ভারতের পোস্টের সামনে গেলে ফ্লাইট মিস করে গোলরক্ষক। বল তার হাতে লাগলেও থামাতে পারেননি। বল কাঁপিয়ে দেয় ভারতের জাল।

খেলা শেষে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরস্কার বিতরণ করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল এমপি। উপস্থিত ছিলেন বাফুফে ও সাফ সভাপতি কাজী মো. সালাউদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মো. আবু নাইম সোহাগ, ফিফা কাউন্সিল মেম্বার মাহফুজা আক্তার কিরণসহ অন্য কর্মকর্তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নদী খননে মাথা গোজার ঠাঁই হারানোর শংকায় ব্যাংদহা আবাসন প্রকল্পের ১শ টি ভূমিহীন পরিবার

নিজস্ব প্রতিনিধি :
২০১৪ সালে নির্মিত ভূমিহীন আশ্রয়ন প্রকল্পের বাসিন্দাদের ভবন বাঁচিয়ে নদী খননের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ী ইউনিয়নের ব্যাংদহা আবাসন প্রকল্পের ১শ টি ভূমিহীন পরিবার।

ইতোমধ্যে অসহায় পরিবারগুলো সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগও দায়ের করেছেন।

জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশের মানুষ গৃহহীন থাকবে না। সে অনুযায়ী ২০১৪ সালে ফিংড়ী ইউনিয়নের জোড়দিয়া/মরিচ্চাপ নদীর চর ভরাটি জমিতে ব্যাংদহা আবাসন আশ্রয়ন প্রকল্প নির্মান করা হয়। সেখানে ২০টি ভবনে ৫টি করে মোট ১শ টি ভূমিহীন পরিবার বসবাস করে আসছেন। সে সময় ভূমি অফিস কর্তৃক যাচাই বাছাই পূর্বক প্রকৃত ভূমিহীনদেরকেই উক্ত প্রকল্পের ঘরগুলো পরিবার গুলোর কাছে হস্তান্তর করেন। কিন্তু চলতি অর্থ বছরে মরিচ্চাপ নদী খননের কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। খননের পূর্বে খনন এবং মাটি ফেলার জন্য সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে।

তাতে করে উক্ত ২০টি ভবনের ১২টিই কম বেশি ভাঙ্গা পড়বে। এতে করে ওই ভূমিহীন পরিবারগুলো মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হবে। এই তীব্র শীতে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে কোথায় আশ্রয় এ নিয়ে তাদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী নুরুল সরদার বলেন, আমি ভূমিহীন অসহায় মানুষ। থাকার মত ঘর ছিলো না। জমিও নেই। ফলে ছিন্নমুলের মত মানবেতর জীবন যাপন করতাম। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ন প্রকল্পে আশ্রয় পেয়ে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে শান্তিতে বসবাস করছিলাম। কিন্তু এখন যদি ওই ভবন ভেঙে দেওয়া হয় তাহলে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে খোলা আকাশের নিচে থাকা ছাড়া কোন উপায় নেই। তিনি ভূমিহীনদের ভবন বাঁচিয়ে নদী খননের জন্য সংশ্লিস্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। সেখানে বসবাসকারী মুকুল হোসেন অহিদুর রহমানসহ সকল বাসিন্দারাই একইভাবে তাদের আশ্রয়ন প্রকল্প বাঁচিয়ে নদী খননের দাবি জানিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিপিএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে না, চ্যাম্পিয়ন দল পাবে কোটি টাকা

খেলার খবর: করোনা পরিস্থিতি ও ঠাসা সূচির কারণে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) অষ্টম আসরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হওয়ার সম্ভাবনা নেই। এবারের আসরের শিরোপাজয়ী দল পাবে ১ কোটি টাকা। রানার-আপ দল পাবে ৫০ লাখ টাকা।

বুধবার (২২ ডিসেম্বর) গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইসমাইল হায়দার মল্লিক।

তিনি বলেন, প্রাইজমানি নিয়ে আজকে আমাদের সভায় কথা হয়েছে। এবার চ্যাম্পিয়ন দলের জন্য থাকছে ১ কোটি টাকা ও রানার-আপ দলের জন্য ৫০ লাখ টাকা।

পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ২০ জানুয়ারি থেকে বিপিএল শুরু হবে বলে জানিয়েছেন ইসমাইল হায়দার মল্লিক। তিনি জানান, নিউজিল্যান্ড সফর শেষে বাংলাদেশ দল দেশে ফেরার পর বিপিএল আয়োজন করতে চায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ও টুর্নামেন্টের গভর্নিং কাউন্সিল।

বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব আরো বলেন, নিউজিল্যান্ড থেকে ১৪ বা ১৫ তারিখ দেশে ফিরবে জাতীয় দল। খেলোয়াড়দের ৪-৫ দিন বিশ্রাম দেওয়ার পর ২০ জানুয়ারি থেকে বিপিএল শুরু করে ২০ ফেব্রুয়ারির মধ্যে শেষ করার ইচ্ছা আছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় বিয়ে গোপন রেখে নারী উদ্যোক্তার সাথে বিয়ে করে টাকা হাতিয়ে খুন জখমসহ মিথ্যা মামলায় হয়রানির হুমকি !

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ সাতক্ষীরায় দ্বিতীয় বিয়ে গোপন করে মিথ্যা আশ্বাসে নারী উদ্যোক্তার সাথে বিয়ে করে নগদ টাকা হাতিয়ে নেয়া দেলোওয়ার হোসেন ও একাধিক নাশকতা মামলার আসামী তার বাবাসহ কতিপয় ব্যক্তি কর্তৃক খুন জখমসহ মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে

সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে উক্ত সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন, সদর উপজেলা খলিলনগর মোল্লা পাড়া গ্রামের নুর উদ্দিনের কন্যা মোছা: বিলকিস নাহার। তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, আমি স্বামী পরিত্যাক্ত হয়ে ঢাকায় চাকুরিরত ছিলাম।

পরবর্তীতে বাড়ি ফিরে একটি মুরগির খামার করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলাম। এছাড়া কাথন্ডা বাজারে আমার একটি দোকান রয়েছে। সেটি ভাড়া দেওয়া রয়েছে। সম্প্রতি কাথন্ডা দফাদার পাড়া এলাকার কাথন্ডা মাদ্রাসার শিক্ষক একাধিক নাশকতা মামলার আসামী সামছুর রহমানের পুত্র দেলোওয়ার হোসেনের সাথে পরিচয় ঘটে। আমার খামারে আসা যাওয়ার সুবাদে এক পর্যায়ে দেলোওয়ার বলে আমার স্ত্রীর সাথে তালাক হয়ে গেছে, আপনিও স্বামী পরিত্যাক্ত সুতরাং আমরা দুজন বিবাহ করলে ব্যবসা পরিচালনা করা যাবো এবং আমরা উভয়ই সুখে শান্তিতে বসবাস করতে পারবো। তবে বর্তমানে গোপনে বিবাহ করতে হবে। কিছুদিন পরে বিষয়টি স্ব-স্ব পরিবারের লোকজনদের জানাবো। একজন নারীর স্বামী না থাকলে অনেকটা অসহায় লাগে এবং আমাদের সমাজও ভিন্ন চোখে দেখে। এসব বিবেচনা করে সরল বিশ্বাসে গত ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ ইং তারিখে ১লক্ষ টাকা দেন মোহর ধার্য্যে বিবাহ করি। বিবাহের কিছুদিন পর কাথন্ডা বাজারে একটি দোকান নেয় দোকানে মালমাল উঠানোর জন্য আমার কাছে টাকা চাইলে আমি সাড়ে ৪লক্ষ টাকা প্রদান করি। তবে দোকানে অল্প কিছু টাকার মালামাল উত্তোলন করে। এরপর আমাদের বিবাহের বিষয়টি জানা হওয়ার পর আমি জানতে পারি আমার স্বামী দেলওয়ার আমার সাথে প্রতারণা করেছে, আমাকে ঠকিয়েছে। প্রথম স্ত্রীর সাথে ছাড়াছাড়ি হয়ে যাওয়ার পর পাখি মনি নামে দ্বিতীয় স্ত্রীর সাথে বিবাহ করে এবং পাখি মনির গর্ভে একটি কন্যা সন্তানও রয়েছে। এরপর থেকে দোকান বন্ধ করে প্রতারক স্বামী দেলোওয়ার পলাতক রয়েছে। স্বামী পলাতক থাকলেও আমার শ্বশুর নাশকতা মামলার আসামী সামছুর রহমান তার পৌষ্য পুত্র আলমগীর, শ্বাশুড়ী আরেফা ফারজানা, দ্বিতীয় স্ত্রী পাখি মনি, পাখি মনির পিতার পরিবারের সদস্যরা আমাকে প্রকাশ্যে এবং বিভিন্ন মাধ্যমে আমাকে হত্যা করে গুম করে দেওয়াসহ মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানির হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে যাচ্ছে। তিনি আরো বলেন, আমি প্রথম স্বামীর সাথে ছাড়াছাড়ি হওয়ার পর নিজের মত করে বাঁচার জন্য উদ্যোক্তা হিসেবে মুরগির খামার পরিচালনা করে আসছিলাম। নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখেছিলাম। কিন্তু সে স্বপ্নকে বাধা গ্রস্থ করে দেলোওয়ার আমার ঢাল হিসেবে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়ে আমাকে নি:শ্ব করে নগদ টাকা হাতিয়ে পালিয়েছে। উপরোক্ত নাশকতা মামলার আসামীর পিতা এবং পরিবারের সদস্যরা আমাকে খুন জখমসহ মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানির হুমকি প্রদর্শণ করে যাচ্ছে। আমি বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছি। সংবাদ সম্মেলন থেকে তিনি এ সময় নিজেকে একজন অসহায় নারী উদ্যোক্তাকে হিসেকে তাকে পথে বাসানো পায়তারাবাজ দেলোওয়ার এবং তার বাবা একাধিক নাশকতা মামলার আসামী সামছুর, আলমগীরসহ হুমকিদাতাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উপর আঘাত করা মানে জাতির পিতার স্বপ্নের উপর আঘাত করা–সাতক্ষীরায় ধর্মপ্রতিমন্ত্রী

আসাদুজ্জামান ঃ ধর্মপ্রতিমন্ত্রী মো: ফরিদুল হক খান এমপি বলেছেন, দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উপর আঘাত করা মানে দেশের স্বাধীনতার উপর আঘাত করা, জাতির পিতার স্বপ্নের উপর আঘাত করা। তিনি বলেন,

গুজব ছড়িয়ে ফেসবুক-ইউটিউবে অসত্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে মানুষের মাঝে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা হচ্ছে। এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংয়লাদেশের মানুষ ধর্মপ্রান।

ধর্মের কথা শুনলে মানুষের অন্তর নরম হয়ে যায়। ওয়াজ মাহফিলে পবিত্র কোরআন ও হাদিসের আলোকে আলোচনা করতে হবে। এখানে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে কোনো দলের পক্ষে প্রচারণা কিংবা হিংসাত্মক বক্তব্য রাখা যাবে না। এরুপ করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় মসজিদ, মন্দির ও প্যাগোডা ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এর মাধ্যমে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও নৈতিকতা তথা অন্য ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা, মানবিকতা ও সহনশীলতার উপর গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষাদান করা হচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান আজ বুধবার সকালে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সম্প্রীতি ও সচেতনতা মূলক প্রচার-প্রচারনার আওতায় আন্তঃধমীয় সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। ধর্মবিষয়ক মন্ত্রানালয়ের ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সচেতনতা বৃদ্ধিকরন প্রকল্পের আয়োজনে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ূন কবিরের সভাপতিত্বে কর্মশালায় আরো বক্তব্য রাখেন, সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার শেখ মুজিবুর রহমান, সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আলহাজ¦ নজরুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ডেপুটি সেক্রেটারী আব্দুল্লাহ আল-শাহীন, ইসলামী ফাউন্ডেশনের খুলনা বিভাগীয় কর্মকর্তকর্তা ফজলুর রহমান,

সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু, তালা উপজেলা চেয়ারম্যান ঘোষ সনদ কুমার, প্রেসক্লাব সাধারন সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সুজন, জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি বিশ^জিত সাধু, সাধারন সম্পাদক স্বপন কুমার শীলসহ বিভিন্ন ধর্মীয় নেতারা।
সভায় জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানগন, ইমাম পরিষদের নেতৃবৃন্দ, আলেম ওলামাবৃন্দ, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দসহ সকল থানার পুলিশের কর্মকর্তা ও গনমাধ্যম কর্মীরা অংশ নেন।
তিনি আরো বলেন, ধর্মনিরপেক্ষতা মানে ধর্মহীনতা নয়, ধর্মনিরপেক্ষতার অর্থ হচ্ছে প্রতিটি ধর্মীয় সম্প্রদায়ের অনুসারীরা স্বাধীনভাবে নিবিঘেœ নিরাপদে এদেশে ধর্ম পালন করতে পারবে। প্রতিটি ধর্মের প্রতি রাষ্ট্র ও সরকার প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করবে।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে  সিবিও পর্যায়ের প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং সংগঠনের অন্তর্ভূক্তিকরন সভা
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
অক্সফ্যামের কারিগরি ও আর্থিক সহযোগীতায় ও সুশীলন রিকল-২০২১ প্রকল্পের বাস্তবায়নে স্থানীয় সরকার ও সরকারি দপ্তরের সাথে সিবিও পর্যায়ের প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও সংগঠনের অন্তর্ভুক্তিকরণ মিটিং অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২২ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় উপজেলার গ্রামীন কনভেনশন সেন্টারে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা এসএম আজিজুল হক, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আরিফুজ্জামান সহ আটুলিয়া ও বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের প্রতিবন্ধী সদস্য ও এলাকয় পরিচালিত প্রতিবন্ধী সংগঠনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় বক্তারা সরকারী দপ্তরের সেবাসমুহ প্রতিবন্ধী, সিবিও সদস্য, ইয়ুথ গ্রুপ সদস্য, প্রতিবন্ধী  সংগঠনের সদস্যদের মাঝে উপস্থাপন করেন।
বক্তারা আরও বলেন, পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো মানবসম্পদ। ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠন করতে হলে কাউকে পেছনে ফেলে নয়। সকলের অংশগ্রহণে প্রতিবন্ধীদের সাথে নিয়ে তাদের সম্পদে পরিণত করতে হবে। প্রতিবন্ধী মানে প্রতিবন্ধী নয়। আমরা সকলে যদি প্রতিবন্ধী ও অটিজম আক্রান্তদের বহুমুখী প্রতিভার স্বীকৃতি সংকল্পবদ্ধ হয়, তাদের মর্যাদার সঙ্গে জীবন যাপনের সুযোগ দিই তাহলে তারা সমাজের মূল ধারার সাথে সম্পৃক্ত হতে পারে।
প্রতিবন্ধী সংগঠনের প্রতিনিধিরা বলেন যে তাদের উন্নয়নের জন্য সমাজ তথা রাষ্ট্রের ভূমিকা আরও আন্তরিক হতে হবে।প্রতিবন্ধীরা সমাজের কোন বোঝা নয় তাদেরকে সমাজের মূলধারায় ফিরিয়ে আনতে হবে তাহলে সমাজের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। কাউকে পেছনে ফেলে নয় সকলে সকলকে নিয়ে যদি আমরা চলতে পারি তাহলে প্রতিবন্ধিতা কোন বোঝা হয়ে থাকবে না। তারা তাদের যে গুণ আছে তাই দিয়ে সমাজ উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারবে।
উপস্থিত প্রতিবন্ধী সদস্যরা তাদের পরিবার ও সমাজে তারা যে প্রতিবন্ধকতার শিকার হয় তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এসময় প্রতিবন্ধীরা বলেন, সমাজ আমাদেরকে ভাল চোখে দেখে না এজন্য আমরা অনেকটা পিছিয়ে আছি। আমাদের যদি সঠিকভাবে মূল্যায়ন করা হয় তাহলে আমরা সমাজের মূল ধারার সাথে ফিরে আসতে পারবো। মিটিংয়ে প্রতিবন্ধী সদস্য এবং প্রতিবন্ধী সংগঠনকে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে লিঙ্ক করানো হয় এবং সরকারি দপ্তরের সেবা দেওয়ার জন্য সবসময় সচেষ্ট থাকার আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। প্রশিক্ষনে সুশীলনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রকল্প সমন্বয়কারী এসএম জাকির হোসেন, এফএফ শহীদুল ইসলাম, দিবাকর ঘোষ প্রমুখ।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest