সর্বশেষ সংবাদ-
গড়েরকান্দা মাদকমুক্ত সামাজিক উন্নয়ন ও জনকল্যাংণ সংঘের পরিচিতি সভামানুষের দুর্ভোগ লাঘবে স্বেচ্ছাশ্রমে রাস্তা মেরামত করল ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনসাতক্ষীরায় জমকালো আয়োজনে ‘৪ দলীয় কাবাডি টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিতশাহজাতপুর বাজার বণিক সমিতির আহ্বায়ক আকরাম – সদস্য সচিব শফিকুলইন্টারনেট ব্যবহারকারী ৮৮% শিশু-কিশোর, ৫৩% অনলাইন যৌন হয়রানির শিকার২৪ ঘন্টা ধরে নিখোঁজ ব্যবসায়ী হাকিমের সন্ধান চায় পরিবারপুলিশও হবেন, দলীয় এজেন্ডাও বাস্তবায়ন করবেনএটা হতে পারে না, বললেন হাসনাতচতুর্থ ব্যারিকেড অতিক্রম করে বাহুবলে এনসিপি নেতারাদেবহাটায় ১০০ কেজি জেলি-পুশকৃত চিংড়ি জব্দ : তিন ব্যবসায়ীকে জরিমানাশ্যামনগরের ভেটখালী বিলে পানিতে জলাবদ্ধতা : কৃষকের মাথায় হাত

ট্রাম্প টয়লেট টিস্যুর ব্যাপক চাহিদা!

অনলাইন ডেস্ক: নানা কারণে বিতর্ক পিছু ছাড়ছেনা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। এবার আলোচনার নতুন টপিকস টয়লেট টিস্যু। ট্রাম্পের ছবি সম্বলিত টয়লেট পেপার তৈরি করেছে বিশ্বের কয়েকটি কোম্পানী। চীনের একটি কম্পানি ট্রাম্পের মুখের ছবি দেয়া টয়লেট পেপার তৈরি করেছে। খোদ যুক্তরাষ্ট্রের বাজারেই এখন এই টিস্যুর রমরমা ব্যবসা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ২টি ট্রাম্প টয়লেট পেপার রোলের মূল্য ৯.৯৫ ডলার। ৫টি ট্রাম্প টয়লেট পেপার রোলের মূল্য ১৬.৯৫ ডলার এবং ১০টি ট্রাম্প টয়লেট পেপার রোলের মূল্য ২৬.৯৫ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। এই টয়লেট পেপারের প্রত্যেকটি শিটে রয়েছে ট্রাম্পের চুম্বনরত ক্ল্যাসিক ছবি।

জানা গেছে, দোকানে এসেই লোকে নাকি ট্রাম্প টয়লেট টিস্যুর খোঁজ করছেন। ট্রাম্পবিরোধী আন্দোলনে চীনের আরো কয়েকটি কোম্পানির স্লোগান, ‘ডাম্প উইথ ট্রাম্প।’

চীনের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করার কারণেই চীনের শত্রু হতে হয় ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। তাঁর অভিযোগ ছিল, আমেরিকার কর্মসংস্থান চুরি করে আমেরিকার বাজারই দখলে নিয়েছে চীন। এই অভিযোগের প্রতিবাদ জানাতেই চীনের বিভিন্ন কম্পানি ট্রাম্প টয়লেট পেপার তৈরি করা শুরু করেছে বলে জানা গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফেসবুকে ১৫হাজার লাইক ছাড়া মিলবে না নমিনেশন

অনলাইন ডেস্ক: ভারতের রাজনীতির মাঠে গণসংযোগ ও প্রচারণায় এবার গুরুত্ব পাচ্ছে ভার্চুয়াল জগত। ভোটের লড়াইয়ে নজড় কাড়তে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মেই বেশি মনোনিবেশ করছে দেশটির রাজনৈতিক দলগুলো। ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে বিজেপি পুরনো সদস্য হলেও পাল্লা দিয়ে চলেছে বিরোধী কংগ্রেসও।
আর তাই মধ্যপ্রদেশের আগামী বিধানসভা নির্বাচনের টিকিট পেতে হলে এবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফলোয়ার থাকতেই হবে কংগ্রেস নেতাদের। এমনই নির্দেশ মধ্যপ্রদেশের প্রদেশ কংগ্রেসের।
ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রদেশ কংগ্রেস কমিটি একটি চিঠিতে জানিয়েছে, যে সব কংগ্রেস নেতা ভোটে টিকিট পেতে ইচ্ছুক, তাঁদের ফেসবুকে ১৫ হাজার লাইক, টুইটারে ৫ হাজার ফলোয়ার এবং হোয়াটসঅ্যাপে তৃণমূল স্তরে মজবুত একটি গ্রুপ থাকতেই হবে। না থাকলে, টিকিট কংগ্রেসের টিকিট পাওয়া যাবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
কংগ্রেসের এই নির্দেশিকায় বিধায়ক এবং সদস্যদেরও বলা হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজেদেরকে আরও জনপ্রিয় করে তোলার জন্য। ভোটে টিকিট পেতে ইচ্ছুক প্রার্থীরা আগামী ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তাঁদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পরিকল্পনার খসড়া জমা দিতে হবে ।
প্রসঙ্গত, মধ্যপ্রদেশে ‘সাইবার ওয়ারিয়রস’ নামে একটি শক্তিশালী আইটি সেল রয়েছে বিজেপির। সেখানে প্রতি দিন ৬৫ হাজার কর্মী কাজ করে চলেছেন। তাদের সঙ্গে পাল্লা দিতে কংগ্রেস তৈরি করেছে ‘রাজীব কা সিপাহি’ নামে একটি আইটি সেল। রাজীব গান্ধীর হাত ধরেই প্রথম দেশে ডিজিটাল বিপ্লব ঘটে বলে দাবি কংগ্রেসের। সেই কারণেই এই নাম রাখা হয়েছে। তাদের এই সেলে প্রায় ৪ হাজার কংগ্রেস কর্মী কাজ করছে।
মধ্যপ্রদেশ বিজেপির আইটি সেলের প্রধান শিবরাজ সিং ধাবি জানিয়েছেন, গত তিন মাসে ৬৫ হাজার কর্মী নিয়োগ করা হয়েছে। খুব শীঘ্রই আরও ৫ হাজার কর্মী নিযুক্ত করা হবে।
তবে বিজেপির আইটি সেলের প্রধানের মতে, ফেসবুক, টুইটারের থেকে হোয়াটসঅ্যাপে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে এবারের নির্বাচনে। প্রান্তিক মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে হোয়াটসঅ্যাপকেই প্রধান হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরের কাশিমাড়ীতে এমপি জগলুল হায়দারের উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত

শ্যামনগর ডেস্ক: বর্তমান সরকারের উন্নয়ন ও সফলতা জনগণের কাছে তুলে ধরার লক্ষ্যে সোমবার বিকালে শ্যামনগর উপজেলার শংকরকাটি সুন্নিয়া দাখিল মাদ্রাসায় স্থানীয় আ.লীগের উদ্যোগে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সরকারের সফলতা ও উন্নয়নের কথা তুলে ধরেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এস.এম জগলুল হায়দার। এসময় এমপি জগলুল হায়দার সরকারের বিভিন্ন সফলতা ও উন্নয়নের কথা উল্লেখ করে আরও বলেন, ‘জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে চলমান উন্নয়ন-অগ্রগতিকে ত্বরান্বিত করতে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে। একাত্তরের পরাজিত শত্রুরা এখনও নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। একাত্তরের চেতনায় সব ষড়যন্ত্রকে গুড়িয়ে দিতে হবে ।’

একাত্তরের পরাজিত শত্রুরা বাংলাদেশের উন্নয়ন সহ্য করতে পারে না। ওরা বাংলাদেশকে থামিয়ে দিতে চায়। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিকেরা বেঁচে থাকতে তা কখনোই হতে দেয়া হবে না। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে চলছে, আমাদের সকলকে এই ধারা অব্যাহত রাখতে হবে।

সবশেষে এমপি জগলুল হায়দার উপস্থিত সকলকে আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বিপুল ভোটে নৌকা প্রতীকে বিজয়ী করার আহবান জানান।

কাশিমাড়ী ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি আলহাজ্ব শমসের আলী ঢালীর সভাপতিত্বে এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বুড়িগোয়ালিনী ইউপি চেয়ারম্যান ভবতোষ কুমার মণ্ডল, প্রভাষক ওলিউর রহমান, কাশিমাড়ী ইউনিয়ন আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক এস.এম আবুল হোসেন, শ্যামনগর উপজেলা শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদের সভাপতি জিএম রহমত আলী, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি হাফিজুর রহমান, ইউনিয়ন মহিলা আ.লীগের সভানেত্রী সুফিয়া খাতুন, সাধারণ সম্পাদিকা মাহফুজা খাতুন, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ০১ নং ওয়ার্ডের সভাপতি মো. মনিরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মো. ইউনুস আলী, ০২ নং ওয়ার্ডের সভাপতি আব্দুল জব্বার, সাধারণ সম্পাদক রনজিত মন্ডল, ০৩ নং ওয়ার্ডের সভাপতি গাজী নুরুল হক বাচ্চু, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওহাব, ০৪ নং ওয়ার্ডের সভাপতি হাবিবুল্লাহ পাড়, সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রহমান মোড়ল, ০৫ নং ওয়ার্ড আ.লীগের সভাপতি সানাউল্লাহ সরদার, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, ০৬ নং ওয়ার্ডের সভাপতি মো. রাজগুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মো. কামাল হোসেন, ০৭ নং ওয়ার্ডের সভাপতি আব্দুল হক তরফদার, ০৮ নং ওয়ার্ডের সভাপতি আশরাফ হোসেন মিন্টু, শ্রমিকলীগ নেতা আব্দুল ওহাব পিয়াদা সহ স্থানীয় আ.লীগ ও এর অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও এলাকার কয়েক শতাধিক নারী-পুরুষ।
সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন আ.লীগ নেতা মো. আব্দুল আলীম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গোপনে বিয়ে করেছেন যেসব বলিউড তারকা

বিনোদনের খবর: তারকাদের বিয়ে নিয়ে ভক্ত ও দর্শকদের আগ্রহের সীমা নেই কে কবে বিয়ে করছেন। কাকে বিয়ে করছেন এ নিয়ে অধীর হয়ে অপেক্ষা করেন তারা। আর বলিউডে সেটা আরও একধাপ এগিয়ে। কিন্তু বলিউডে এমন কয়েকটি বিয়ে হয়েছে যেখানে ঢাক-ঢোল পেটানো দূরে থাক বিয়ের খবরটিই অনেকে প্রকাশ করেন নি। বিয়ের কাজটা গোপনেই সেরে নিয়েছেন। চলুন এমন সব তারকা জুটিদের সম্পর্কে জেনে নিই।

সঞ্জয় দত্ত ও মান্যতা:
২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিয়ে করেন সঞ্জয় ও মান্যতা। গোয়ায়, স্পেশাল ম্যারেজ অ্যাক্ট ১৯৫৪ আইনে তারা বিয়ে করেন। তাদের বিয়েতে নিমন্ত্রিত ছিল শুধু ঘনিষ্ঠ বন্ধুবান্ধব ও পরিবারের লোকরা। রিয়া পিল্লাইয়ের সঙ্গে বিচ্ছেদের এক মাসের মধ্যেই মান্যতাকে বিয়ে করেন সঞ্জয়।

রানি মুখার্জি ও আদিত্য চোপড়া:
রানি মুখার্জি আর আদিত্য চোপড়ার সম্পর্কের কথা বলিউডে অনেক দিন ধরে শোনা যাচ্ছিল। কিন্তু বিয়েটা হঠাৎই সেরে ফেলেন রানি। তাও এ দেশে নয়। ইটালিতে। বিয়ে হয়ে যাওয়ার পর খবরটা জানাজানি হয়। আর এখন তো তাদের জীবনে ছোট্ট আদিরাও এসে গেছে।

প্রীতি জিনতা ও গেনে গুডএনাফ:
কবীর বেদি যখন প্রীতিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন, প্রীতি স্বীকার করে নিয়েছিলেন যে বিয়ে তিনি করে ফেলেছেন। প্রীতির বিয়েতে অবশ্য বলিউডের তেমন কেউ নিমন্ত্রিত ছিলেন না। শুধু ছিলেন সুসান খান ও ফ্যাশন ডিজাইনার শ্রুতি গোয়েল।

মিনিষা লাম্বা ও রিয়ান থাম:
গত বছর ৬ জুলাই বিয়ে করেন মিনিষা লাম্বা ও রিয়াম থাম। সেই সময় শহিদ কাপুরের বিয়ে নিয়ে চর্চা চলছিল। মিনিষার বিয়ে হয়ে যায় মিডিয়ার আড়ালেই। তাদের বিয়ের খবর সামনে আসে পূজা বেদির টুইটের মাধ্যমে।

কবীর বেদি ও পরভিন দুসাঞ্জ:
৭০ বছরের জন্মদিনে বিয়ে করেন কবীর বেদি। পাত্রী পরভিন দুসাঞ্জের বয়স ৪২ বছর। কবীরের এটি চতুর্থ বিয়ে। পরভিনের প্রথম। শুধু ফ্যানদের নয়, এঁদের বিয়ে অবাক করেছিল কবীরের মেয়ে পূজা বেদিকেও। বিয়েতে তিনি নিমন্ত্রিত ছিলেন না। এরপর টুইটারে পূজা নরম গরম কথা শোনান পরভিনকে। এ নিয়ে বাবা-মেয়ের মধ্যে ছোট্ট ঝামেলাও হয়।

কুণাল কাপুর ও নয়না বচ্চন:
আমিতাভ বচ্চনের ভাইয়ের মেয়ে নয়না বচ্চনকে গত বছরই বিয়ে করেন কুণাল কাপুর। দিনটি ছিল ৯ ফেব্রুয়ারি। বিয়ের আগে দুই বছর ধরে ডেট করেছিলেন কুণাল ও নয়না। অমিতাভের মেয়ে শ্বেতা তাদের পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মৃত্যুদণ্ডের পর বিচারকের কলমের নিব ভাঙার কারণ

অনলাইন ডেস্ক: সেই ব্রিটিশ আমল থেকেই চলে আসছে এই প্রথা। মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পরে বিচারক বা বিচারপতিরা কলমের নিব ভেঙে ফেলেন। কিন্তু তারা কেন এমনটি করে থাকেন তা হয়তো অনেকেই জানেন না। বিচারক বা বিচারপতিতের এই কলমের নিব ভেঙ্গে ফেলার পেছনে রয়েছে যুক্তিসঙ্গত কারণ বা ব্যাখ্যা।
জানা গেছে, এই কলমের নিব ভেঙ্গে ফেলার কারণ একটি নয়, একাধিক।

প্রথমত, এটি একটি প্রতীকী বি‌ষয়। ব্যাখ্যা হল, যে কলম একজনের জীবন নিয়ে নিয়েছে, তা যেন আর কারও জীবন নিতে না পারে।

দ্বিতীয় ব্যাখ্যাটিও এর সঙ্গেই সম্পৃক্ত। বলা হয়ে থাকে বিচারক বা বিচারপতি ওই মৃত্যুদণ্ড এবং সেটার বিষণ্নতা থেকে নিজেদের দূরে রাখতে চান। সে কারণেই পেনের নিবটি ভেঙে ফেলেন। একজন বিচারক বা বিচারপতি তার দেওয়া মৃত্যুদণ্ড ফিরিয়ে নিতে পারেন না।

তৃতীয় ব্যাখ্যা হিসেবে বলা হয়, তিনি যাতে কোনওভাবেই মৃত্যুদণ্ড ফিরিয়ে নেওয়ার কথা ভাবতে না পারেন।

চতুর্থ ব্যাখ্যা, সব মৃত্যুই দুঃখের হয়ে থাকে। কিন্তু তারপরও কখনো মৃত্যুদণ্ডের মতো চরম শাস্তির প্রয়োজন হয়ে পড়ে। তাই কলমের নিব ভেঙে ফেলা হয় এটা বোঝাতে যে, মৃত্যুদণ্ড একটি দুঃখজনক ব্যাপার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশকে আরো ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দিচ্ছে ভারত

দেশের খবর: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আগামী ১০ সেপ্টেম্বর ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হচ্ছেন। ঢাকা ও নয়াদিল্লির কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানায়, সেদিন ভারত থেকে বাংলাদেশে আরো ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে। শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদি আনুষ্ঠানিকভাবে তা উদ্বোধন করবেন। নতুন করে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বহরমপুর গ্রিড থেকে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার আন্ত বিদ্যুৎ সংযোগ গ্রিডে যুক্ত হবে। এই ৫০০ মেগাওয়াটের মধ্যে ৩০০ মেগাওয়াট আসবে ভারতের সরকারি খাত ‘ন্যাশনাল থার্মাল পাওয়ার প্লান্ট’ (এনটিপিসি) থেকে। অন্য ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আসবে ভারতের বেসরকারি খাত ‘পাওয়ার ট্রেডিং করপোরেশন’ (পিটিসি) থেকে।

জানা গেছে, বর্তমানে ভারত থেকে আমদানি করা বিদ্যুতের পরিমাণ ৬৬০ মেগাওয়াট। এর মধ্যে ৫০০ মেগাওয়াট পশ্চিমবঙ্গের বহরমপুর থেকে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় যুক্ত হয়েছে। বাকি ১৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য থেকে কুমিল্লায় বিদ্যুৎ গ্রিডে যুক্ত হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে ভারত থেকে প্রথমবারের মতো বিদ্যুৎ আমদানি শুরু হয় কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা দিয়ে। পরের বছর দুই দেশের বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ স্টিয়ারিং কমিটি ভেড়ামারা আন্ত সংযোগ গ্রিডের সক্ষমতা বাড়াতে উদ্যোগ নেয়। এরপর নতুন করে আরো ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির জন্য নতুন সাবস্টেশন নির্মাণ ও এর সঙ্গে ভেড়ামারা-ঈশ্বরদী ২৩০ কিলোভোল্ট (কেভি) ‘ডাবল সার্কিট সঞ্চালন লাইন’ নির্মাণ করা হয়েছে।

জানা গেছে, গত ১১ এপ্রিল সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি ভারতের এনটিপিসি ও পিটিসি থেকে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করে। এর আওতায় আগামী বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত স্বল্প মেয়াদে এবং ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০৩৩ সালের ৩১ মে পর্যন্ত দীর্ঘ মেয়াদে বিদ্যুৎ আমদানির কথা রয়েছে। এনটিপিসি থেকে আমদানি করা বিদ্যুতের দাম স্বল্প মেয়াদে ইউনিটপ্রতি চার টাকা ৭১ পয়সা এবং দীর্ঘ মেয়াদে ছয় টাকা ৪৮ পয়সা ধরা হয়েছে।

অন্যদিকে পিটিসি থেকে আমদানি করা বিদ্যুতের দাম স্বল্প মেয়াদে ইউনিটপ্রতি চার টাকা ৮৬ পয়সা ও দীর্ঘ মেয়াদে ছয় টাকা ৫৪ পয়সা ধরা হয়েছে।

গত ফেব্রুয়ারি মাসে ঢাকায় প্রকাশিত ‘বাংলাদেশ-ভারত বিদ্যুৎ বাণিজ্য থেকে অর্থনৈতিক সুবিধা’ শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই বাণিজ্য দুই দেশের জন্যই লাভজনক। বাংলাদেশের কাছে ভারতের বিদ্যুৎ অন্য যেকোনো উেসর তুলনায় সাশ্রয়ী।

কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানায়, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক। ২০১৩ সালে পশ্চিমবঙ্গ থেকে এবং ২০১৬ সালে ত্রিপুরা থেকে বাংলাদেশে আমদানি শুরু হয়েছে। সাতক্ষীরা রামপালে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ও ভারতের এনটিপিসির মধ্যে সমান (৫০:৫০) অংশীদারি এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক মৈত্রী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে। গত বছর এপ্রিল মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরের সময় বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতীয় সরকারি/বেসরকারি কম্পানিগুলো তিন হাজার ৬০০ মেগাওয়াটেরও বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন/সরবরাহ/অর্থায়ন বিষয়ে চুক্তি সই করে।

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে জ্বালানি খাতে সহযোগিতার ক্ষেত্রেও গত দুই বছরে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। ভারতের সরকারি খাতের অনেক প্রতিষ্ঠান যেমন ইন্ডিয়ান ওয়েল করপোরেশন, নুমালিগড় রিফাইনারি লিমিটেড, পেট্রোনেট এলএনজি লিমিটেড তেল-গ্যাস খাতে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে কাজ করছে। নুমালিগড় রিফাইনারি লিমিটেড থেকে বাংলাদেশে ডিজেল সরবরাহের জন্য ভারতের পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ি থেকে বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর পর্যন্ত ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী পাইপলাইন নির্মাণে অর্থায়ন করতেও ভারত রাজি হয়েছে। এ ছাড়া ভারতের তেল ও প্রাকৃতি গ্যাস করপোরেশন (ওএনজিসি) বিদেশ লিমিটেড অয়েল ইন্ডিয়া লিমিটেডের সঙ্গে কনসোর্টিয়ামের ভিত্তিতে দুটি ব্লকে অনুসন্ধান চালাচ্ছে।

আখাউড়া-আগরতলা রেললাইন প্রকল্প উদ্বোধনের অপেক্ষায়

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি জানান, আখাউড়া-আগরতলা রেললাইন প্রকল্পের বাংলাদেশ অংশের কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হতে যাচ্ছে আগামী ১০ সেপ্টেম্বর। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কাজের উদ্বোধন করার কথা রয়েছে।

ভিডিও কনফারেন্স উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া রেলওয়ে জংশন স্টেশনে এক সুধী সমাবেশ আয়োজনেরও কথা রয়েছে। ওই সুধী সমাবেশে বাংলাদেশ সরকারের একাধিক মন্ত্রীও উপস্থিত থাকতে পারেন বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।

রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোফাজ্জেল হোসেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ভিডিও কনফারেন্স উপলক্ষে সাইট পরিদর্শন করতে গত ১ সেপ্টেম্বর আখাউড়ায় এসে তিনি সাংবাদিকদেরকে এসব তথ্য জানান।

আখাউড়া-আগরতলা রেললাইন প্রকল্পটি নির্মাণ হলে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরো জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রথম দিকে পণ্যবাহী ট্রেন চলাচল করতে পারে বলে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে ধারণা পাওয়া গেছে।

২০১৬ সালের ৩১ জুলাই একই প্রকল্পের ভারতের আগরতলা অংশে কাজের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশের রেলপথমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক, ভারতের রেলপথমন্ত্রী সুরেশ প্রভাকর প্রভু। এরই মধ্যে ভারতের অংশে রেলপথ নির্মাণের কাজ অনেক দূর এগিয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাওলি দামের নতুন সিনেমা ‘সিজনস গ্রিটিংস’

বিনোদন সংবাদ: পাওলি দাম। টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রীদের একজন। ‘অগ্নি পরীক্ষা’ সিনেমার মাধ্যমে ২০০৬ সালে টলিউডে পা রাখলেও সমরেশ মজুমদারের উপন্যাস কালবেলা নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্রটি তাকে জনপ্রিয়তার শিখরে পৌঁছে দেয়।

এরপর বাংলা ও হিন্দি ভাষার অনেক দর্শকপ্রিয় সিনেমা উপহার দিয়েছেন এই অভিনেত্রী।

এবার ‘সিজনস গ্রিটিংস’ নামের নতুন একটি সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন পাওলি দাম। এটির মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করবেন তিনি। গুরুত্বপূর্ণ একটি চরিত্রে অভিনয় করবেন লিলেট দুবে। রাম কমলের সঙ্গে সিনেমাটি যৌথভাবে পরিচালনা করবেন অভ্র চক্রবর্তী। এর গল্প লিখেছেন রঞ্জীব মজুমদার। চিত্রনাট্য ও সংলাপ লিখেছেন চন্দ্রোদয় পাল।

এ প্রসঙ্গে রাম কমল বলেন, ‘এত বড় মাপের দুজন প্রতিভাবান অভিনয়শিল্পী একসঙ্গে কাজ করতে রাজি হওয়ায় সত্যি আমি খুব খুশি। পাওলিকে আমি ব্যক্তিগতভাবে চিনি। ও মেয়ের ভূমিকায় অভিনয় করবে, আর মায়ের চরিত্র করবে লিলেট।’

পাওলি বলেন, ‘রাম কমল যখন চিত্রনাট্য পড়ছিলেন, আমি চোখের সামনে যেন তা দেখতে পাচ্ছিলাম। তিনি অন্যরকম কিছু করার চেষ্টা করছেন। আর প্লট নিয়ে খুব বেশি কিছু এখনই বলতে পারব না।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শার্শায় ডাক্তারের ভুল অপারেশনে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে প্রসূতি মা সাবিনা

মোঃ রাসেল ইসলাম (যশোর)প্রতিনিধি: শার্শায় ভুল অপারেশনে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে এক প্রসূতি মা সাবিনা(৩০)। সে শার্শার শ্যামলাগাছী গ্রামের প্রবাসী জামাল উদ্দীনের স্ত্রী। পারিবারিক সূত্রে জানাযায়, ১৯ শে জুলাই প্রসূতি সাবিনার প্রসববেদনা উঠলে নাভারন সেবা ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভর্তি হয়। ক্লিনিক কত্রিপক্ষ তাকে তড়িঘরি করে সিজারিয়ান করে এবং একটি পুত্র সন্তান জন্ম নেয়। ২৪ শে জুলাই তাকে ছাড় পত্র দেয়। বাড়ি ফেরার পর থেকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে থাকে। ও সময় ক্লিনিক কত্রি পক্ষের সাথে রক্তক্ষরণ বিষয়ে যোগাযোগ করলে তারা বলে এরকম কিছুদিন হবে পরে ঠিক হয়ে যাবে। এর পরথেকে দিন দিন অবস্থার অবনতি হলে সাবিনার পরিবার তাকে যশোর নোভা ক্লিনিকে ভর্তি করে।সেখানে পরিক্ষা নিরক্ষা চালালে পেটের ভিতরে শিশুর অবশিষ্ট ফুলের অংশ আছে বলে রিপোর্টে জানা যায়। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে সেখানে দুই ব্যাগ রক্ত দেয়া হয়।

সেখানেও সাবিনার উন্নতি না হয়াই বাড়ি ফিরে এসে পুনরায় যশোর সদর হাসপাতাল ও কুইন্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেও আলট্রাসনোগ্রাম রিপোর্টে পেটের ভিতর শিশুর অবশিষ্ট ফুলের অংশ আছে বলে জানা যায়। বর্তমানে সাবিনা কুইন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। প্রতিনিয়ত তার উন্নত চিকিৎসার স্বার্থে একের পর এক রক্ত দিতে হচ্ছে। বর্তমানে এতেও তার উন্নত না হয়াই অবনতির দিকে যাচ্ছে সাবিনা। যন্ত্রণায় ছটফট করছে সাবিনা। এ ব্যাপারে সাবিনার পাশে থাকা শাশুড়ির সাথে যোগাযোগ করলে তিনি উপরোক্ত তথ্য গুলি বর্নণা করেন। যার ভয়েস রেকর্ড কৃত আছে।

সর্বশেষ পহেলা সেপ্টেম্বর রাতে হাসপাতালের বেডে থাকা সাবিনার সর্বশেষ অবস্থা জানতে চাইলে তিনি বিষয় টি পত্রিকায় প্রকাশ না করার জন্য অনুরোধ করেন। তিনি আরো জানান, বিষয়টি জানাজানি হলে তাকে চাপের মুখে থাকতে হবে। এজন্য বিষয়টি গোপন করার জন্য এড়িয়ে যেতে বলেন। এ ব্যাপারে সাবিনার ছাড়পত্রে লিখিত ডাক্তার এ,বি,এম আক্তার মারুফের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি সাবিনার সিজারিয়ান করিনাই। বিষয়টি আমার জানা নেই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest