সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের শিক্ষককের সাথে অশালিন আচরণের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ : কোচিং সীলগালাআশাশুনিতে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের অধিকার রক্ষায় অ্যাডভোকেসিদেবহাটা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ডালিমের মৃত্যুরেকর্ডীয় সম্পত্তিতে জোর পূর্বক ঢালাই রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ নলতা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমানের বিরুদ্ধেতালা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচনআশাশুনিতে অবঃ শিক্ষক-কর্মচারী ফোরাম গঠনআশাশুনিতে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রের সচিব ও ট্যাগ অফিসারকে অব্যাহতিসাতক্ষীরা জেলা হিউম্যান রাইটস জার্নালিষ্ট নেটওয়ার্কের কমিটি গঠনসাতক্ষীরায় ব্র্যাকের দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি পরিদর্শনব্রহ্মরাজপুরে ভেজাল দুধ তৈরির দায়ে জরিমানা – ৬ মাসের কারাদণ্ড

ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২৫৯

দেশের খবর:এবার ঈদুল আজহার ছুটিতে মাত্র ১৩ দিনে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ২৫৯ জন। এই প্রাণহানির সংখ্যা গত দুই বছরের চেয়ে কিছুটা কম। কিন্তু দুর্ঘটনার সংখ্যা বেড়েছে।
আজ শুক্রবার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানায় বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।
সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়, গত ১৬ থেকে ২৮ আগস্ট পর্যন্ত ঈদযাত্রার ১৩ দিনে সড়কে ২৩৭টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ২৫৯ জন। এ ছাড়া আহত হয়েছেন ৯৬০ জন।
বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী জানান, গত ঈদুল ফিতরের তুলনায় এবার দুর্ঘটনা ১৪ দশমিক ৪৪ শতাংশ, প্রাণহানি ২৩ দশমিক ৫৯ শতাংশ এবং আহত ২৪ দশমিক ১১ শতাংশ কমেছে। তবে গত ব্ছরের ঈদুল আজহার তুলনায় দুর্ঘটনার সংখ্যা বেড়েছে ১৩ দশমিক ৫ শতাংশ এবং আহতের সংখ্যা বেড়েছে ১১ দশমিক ৬৭ শতাংশ।
মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, এবার র‍্যাব, পুলিশ, বিআরটিএর নানামুখী তৎপরতায় দুর্ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতি কিছুটা কম হলেও পরিবহন সেক্টরের নৈরাজ্য ও সড়কে হত্যা থামানো যাচ্ছে না। তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পরে আপনারাই দেখেছেন, আমাদের সব সংস্থা কিন্তু সবার ঘুম ভেঙেছে প্রকৃতপক্ষে। আমরা পুলিশকে সরব থাকতে দেখেছি।’
সম্মেলনে সেইফ রোড অ্যান্ড ট্রান্সপোর্ট অ্যালায়েন্সের (স্রোতা) আহ্বায়ক ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, ‘দুর্ঘটনা তো হতেই পারে নানা কারণে। কিন্তু যেই দুর্ঘটনা একটা হেলপার বা একটা চালকের স্বেচ্ছাচারিতার কারণে একজনকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে মৃত্যু ঘটাল অথবা প্রতিযোগিতা করতে গিয়ে মৃত্যু ঘটাল অথবা মালিকপক্ষের চাপের মুখে প্রতিযোগিতা করতে বাধ্য হয়ে চালকরা সড়ক দুর্ঘটনা ঘটাচ্ছে; ওইটাই আমাদের ব্যথিত করে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মুক্তিযুদ্ধের ছবি ব্যবহার করে রোহিঙ্গাবিরোধী প্রচারণা চালাচ্ছে মিয়ানমার

বিদেশের খবর: ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের ছবি ব্যবহার করে রোহিঙ্গাবিরোধী প্রচারণা চালাচ্ছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। সে সময় বাঙালিদের ওপর পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর গণহত্যার ছবিকেই মিয়ানমার সেনারা রাখাইনে রোহিঙ্গা মুসলিমদের দ্বারা বৌদ্ধ জনগোষ্ঠী নিধনের ছবি হিসেবে প্রচারণা চালাচ্ছে।

মিয়ানমার সেনাবাহিনীর পাবলিক রিলেশন অ্যান্ড সাইকোলজিক্যাল ওয়ারফেয়ার ডিপার্টমেন্ট ১১৭ পৃষ্ঠার ওই বইটি জুলাই মাসে প্রকাশ করে। তারা েওই বইয়ে প্রকাশিত ছবিকে ‘ডকুমেন্টারি ফটো’ বলে উল্লেখ করেছে। অথচ এর মধ্যে বেশ কিছু ছবি বাংলাদেশের মুক্তযুদ্ধকালীন ছবি। ওই বইয়ে ব্যবহৃত আটটি ঐতিহাসিক ছবি বিশ্লেষণ করে বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, এগুলোর মধ্যে তিনটি ছবি ভুয়া। ছবিগুলো বিকৃত করা হয়েছে।

বইটিতে প্রকাশিত ছবিগুলো রাখাইনের উত্তরাঞ্চলের বলে দাবি করা হয়েছে। তবে প্রকৃতপক্ষে এর মধ্যে একটি বাংলাদেশের মুক্তযুদ্ধকালীন ছবি এবং অপরটি তানজানিয়ার ছবি। তৃতীয় একটি ছবির বর্ণনায় দাবি করা হয়েছে, বাংলাদেশ থেকে রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে প্রবেশ করছে। অথচ প্রকৃতপক্ষে তা দেখাচ্ছে যে তারা ওই এলাকা ত্যাগ করছে।

একটি ছবিতে দেখা গেছে, এক ব্যক্তি কৃষিকাজে ব্যবহৃত একটি সরঞ্জাম নিয়ে দুইটি মৃতদেহের কাছে দাঁড়িয়ে আছেন। ওই ছবির ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, ১৯৪০ সালে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার সময় রোহিঙ্গা কর্তৃক বৌদ্ধদের হত্যার ছবি এটি।কিন্তু ওই ছবিটি বিশ্লেষণ করে রয়টার্স বলছে, প্রকৃতপক্ষে এটি বাংলাদেশের ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনীর চালানো গণহত্যার ছবি। যখন হাজার হাজার বাংলাদেশিকে হত্যা করেছিল পাক হানাদার বাহিনী। অথচ সেই ছবিকে বলা হচ্ছে রাখাইনের ছবি।

অন্য একটি ছবিতে দেখা গেছে, লং মার্চ করে যাচ্ছে অসংখ্য মানুষ। ছবির ক্যাপশনে দাবি করা হয়েছে, মিয়ানমারের নিম্নাঞ্চলীয় এলাকা ব্রিটিশ উপনিবেশের দখলে যাওয়ার পর বাঙালিরা মিয়ানমারে অনুপ্রবেশ করছে। ঔপনিবেশিক যুগে মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ হিসেবে ছবিটি দেখানো হয়েছে।

১৯৪৮ সালে ঔপনিবেশিক যুগের সমাপ্তি ঘটে। কিন্তু ওই ছবিটি বিশ্লেষণ করে রয়টার্স নিশ্চিত করেছে যে, ১৯৯৬ সালে রুয়ান্ডার গণহত্যা থেকে বাঁচতে তানজানিয়ায় পালাতে থাকা শরণার্থীদের রঙ্গিন এই ছবিটিকে সাদা-কালো রূপ দেওয়া হয়েছে। পিটসবার্গ পোস্ট গেজেট পত্রিকার জন্য ওই ছবিটি তুলেছিলেন মারথা রিয়াল। তবে ওই ছবিটি মিয়ানমারের এভাবে ব্যবহারের প্রসঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও পিটসবার্গ পোস্ট গেজেটের তরফ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

এছাড়া আরও একটি সাদা কালো ছবি প্রকাশিত হয়েছে যেখানে একটি ভাঙ্গাচোরা নৌকায় অনেক মানুষকে দেখা যাচ্ছে। নৌকার এই ছবিটি উল্টো করে দেয়া হয়েছে। পানি পথে বাঙালিরা মিয়ানমারে প্রবেশ করছে বলে দাবি করা হলেও রয়টার্স বলছে, এটি ২০১৫ সালের ছবি। সেসময় রোহিঙ্গা এবং বাংলাদেশি অভিবাসীরা মিয়ানমার ছাড়ছে। নৌপথে হাজার হাজার মানুষ মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডে যাওয়ার চেষ্টা করছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শহিদ আলাউদ্দিন হত্যার বিচার বাস্তবায়নে সংগ্রাম কমিটি গঠন

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরার দৈনিক পত্রদূত সম্পাদক শহীদ স ম আলাউদ্দিন হত্যা মামলার বিচার বাস্তবায়ন সংগ্রাম কমিটি গঠন করা হয়েছে।

শুক্রবার সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের শহীদ স ম আলাউদ্দিন মিলনায়তনে প্রয়াত এই সম্পাদকের ৭৪তম জন্মদিন ও হত্যা মামলা সংক্রান্ত মতবিনিময় সভায় এ কমিটি গঠন করা হয়।

সভায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু আহমেদের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের সংসদ সদস্য মুস্তফা লুৎফুল্লাহ, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, সাতক্ষীরা জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোশারফ হোসেন মশু, সাতক্ষীরা ল’ কলেজের অধ্যক্ষ অ্যাডভোকেট এসএম হায়দার আলী, সাতক্ষীরা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি নাছিম ফারুক খান মিঠু, সাতক্ষীরা জজ কোর্টের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট ওসমান গনি, সাতক্ষীরা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু সায়ীদ, বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ সুভাষ সরকার, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সুভাষ চৌধুরী, সাবেক সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জি, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদ আব্দুল বারী, নাগরিক আন্দোলন মঞ্চ সাতক্ষীরার আহ্বায়ক এড. ফাহিমুল হক কিসলু, ডেইলি সাতক্ষীরার সম্পাদক হাফিজুর রহমান মাসুম, জেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক ইদ্রিস আলী, জেএসডির কেন্দ্রীয় নেতা সুধাংশু সরকার প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, ১৯৯৬ সালের ১৯ জুন নিজ পত্রিকা অফিসে কর্মরত অবস্থায় ঘাতকদের গুলিতে নিহত হন দৈনিক পত্রদূত সম্পাদক শহীদ স ম আলাউদ্দিন। এরপর ২২ বছর অতিবাহিত হলেও আজও এ হত্যাকাণ্ডের বিচার পায়নি সাতক্ষীরাবাসী। হত্যা মামলা হলেও তা কোয়াশমেন্ট করে রাখা হয়েছিল দীর্ঘদিন। এর পর বিচার প্রক্রিয়া শুরু হলেও তা প্রভাবিত করতে হত্যাকারীরা ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছে। এ মামলায় ন্যায় বিচারের দাবিতে সাতক্ষীরাবাসী ফের রাজপথে নামবে।

সভায় সর্বসম্মতিক্রমে স ম আলাউদ্দিন হত্যা মামলার বিচার বাস্তবায়ন সংগ্রাম কমিটি গঠন করা হয়।

কমিটিতে সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের সংসদ সদস্য মুস্তফা লুৎফুল্লাহ, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, সাতক্ষীরা জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোশারফ হোসেন মশু, ডেপুটি কমান্ডার আবু বকর সিদ্দিক, সাতক্ষীরা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি নাছিম ফারুক খান মিঠু, সাতক্ষীরা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু সায়ীদ, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু আহমেদ, জেলা নাগরিক কমিটির আহবায়ক আনিসুর রহিম, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারী, পত্রদূতের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক লাইলা পারভীন সেঁজুতি, বাসদ নেতা শেখ আজাদ হোসেন বেলাল, জাতীয় পার্টির সভাপতি আহজার হোসেন, সাংবাদিক হাফিজুর রহমান মাসুম, জাসদ নেতা শেখ ওবায়দুস সুলতান বাবলু, জেএসডি নেতা সুধাংশু শেখর সরকার, জাসদের জেলা সেক্রেটারি ইদ্রিস আলী, ভোমরা সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান নাসিম, জেলা সিপিবির সভাপতি আবুল হোসেন, গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক আলী নুর খান বাবুল, বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের আল মাহমুদ পলাশ, সাহিত্যিক গাজী শাহজান সিরাজসহ ৩১জনকে সদস্য করা হয়েছে।

এই কমিটি শহীদ স ম আলাউদ্দিন হত্যা মামলার বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম অব্যাহত রাখবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

প্রসঙ্গত, আধুনিক সাতক্ষীরার রূপকার দৈনিক পত্রদূত সম্পাদক শহীদ স ম আলাউদ্দিন সাবেক প্রাদেশিক পরিষদ সদস্য, সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর ও সাতক্ষীরা চেম্বার অব কমার্সের প্রতিষ্ঠাতা। তিনি সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিমান বিধ্বস্ত, ১৫ সেনাসহ নিহত ১৮

বিদেশের খবর: আফ্রিকার দেশ ইথিওপিয়ায় একটি সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়েছে। এ সময় বিমানে থাকা ১৫ সেনা সদস্য এবং তিন সাধারণ নাগরিকের সবাই নিহত হয়েছেন। দেশটির রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত সংবাদ সংস্থা ফানার বরাতে এ খবর দিয়েছে এএফপি।
সংবাদ সংস্থা ফানা জানিয়েছে, দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় শহর দিরে দাওয়া থেকে উড্ডয়ন করে বিশপ্থুতে ইথিওপিয়ান বিমান বাহিনীর সদরদপ্তরে যাওয়ার সময় মাঝপথে ওরমিয়া এলাকায় হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়। বিশপ্থু দেশটির রাজধানী আদ্দিস আবাবার দক্ষিণাঞ্চলীয় রিসোর্ট এলাকা।
ওরমিয়ার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা আদ্দিসু আরেগা ফেসবুকে এক পোস্টে জানিয়েছেন, হেলিকপ্টার বিধ্বস্তের কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। যারা তাদের জীবন হারিয়েছে তাদের জন্য গভীর দুঃখ প্রকাশ করছি।
এর আগে ২০১৩ সালে দেশটিতে একটি সামরিক কার্গো বিমান বিধ্বস্ত হয়ে চার ক্রু নিহত হন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৩৭ বাঙালি কবির ইংরেজি কবিতাসংগ্রহ এখন আমাজনে

অনলাইন ডেস্ক: ৩৭ জন বাঙালি কবির প্রায় সাড়ে তিন’শ কবিতা নিয়ে প্রকাশিত হয়েছে ৫৫০ পৃষ্ঠার ইংরেজি কবিতাসংগ্রহ ‘আন্ডার দি ব্লু রুফ’। এই প্রথমবারের মতো বাঙালি কবিদের এরকম একটি সংকলন প্রকাশ করেছে আমাজন। বইটি পৃথিবীর যে কোনো জায়গা থেকে আমাজনে লগ ইন করে অর্ডার করা যাবে। বইটি অনলাইনে কেনা যাচ্ছে মাত্র ২০ ডলারে।
এই গ্রন্থটি প্রকাশের মধ্য দিয়ে বাঙালি কবিদের আন্তর্জাতিক বাজারে পদার্পণ শুরু হল। বইটি সম্পাদনা করেছেন নিউইয়র্কে বসবাসরত কবি কাজী জহিরুল ইসলাম। এই কবিতাসংগ্রহে অন্তর্ভূক্ত হয়েছে শামীম আজাদ, মাহবুব হাসান, মাসুদ খান, কাজী জহিরুল ইসলাম, দিলারা হাফিজ, সুব্রত অগাস্টিন গোমেজ, মুজিব ইরম, মজনু শাহ, আবু সাঈদ ওবায়দুল্লাহ, সালেম সুলেরী, শাহ আলম দুলাল, শাকিল রিয়াজ, আবু যুবায়ের, আহমেদ জামিল, আহমেদ মূসা, অজিত পাত্র, একেএম আবদুল্লাহ, আলম সিদ্দিকী, অশোক কর, ফকির সেলিম, ফেরদৌস নাহার, লালন নূর, শিউলি জাহান, মোহাম্মদ নাসিরুল্লাহ, মনিজা রহমান, নাজমুন নাহার, কাজী আবরার জহির, রবিশঙ্কর মৈত্রী, রিপা নূর, রওনক আফরোজ, সাকিফ ইসলাম, শুকা গাঙ্গুলি, সুজন বড়ুয়া সাইম, উদয় শংকর দূর্জয়, ভায়লা সালিনা লিজা, জেবুন্নেসা জ্যোৎস্না এবং জাকির হোসেন।
এই গ্রন্থে অন্তর্ভূক্ত কবিরা সকলেই কোনো না কোনো কারণে বর্তমানে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন। কবিদের অনেকে নিজেই নিজের কবিতা বাংলা থেকে ইংরেজিতে অনুবাদ করেছেন, আবার কেউ কেউ সরাসরি ইংরেজিতেই লিখেছেন। অনেকে পেশাগত অনুবাদকের কাছ থেকে সাহায্য নিচ্ছেন। বাংলা থেকে ইংরেজি অনুবাদে কবিদের সাহায্য করেছেন সিদ্দিক মাহমুদ, লুবনা ইয়াসমীন, ইমরান খান, ফখরুজ্জামান চৌধুরী প্রমূখ। প্রচ্ছদের জন্য নির্বাচিত ছবিটি শিল্পী রাগীব আহসানের একটি পেইন্টিং থেকে নেওয়া হয়েছে।
সম্পাদক কাজী জহিরুল ইসলাম জানান, বইটি আমাজনে প্রকাশ করতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত, পৃথিবীর যে কোনো জায়গা থেকে সংগ্রহ করতে আর কোনো বাধা থাকল না। আমাদের উচিত ভাষার দেয়াল ভেঙে বেরিয়ে আসা, নইলে পৃথিবীর মানুষ জানতে পারবে না বাঙালি কবিরা কত ভালো কবিতা লেখেন। যাত্রা শুরু হল। এখন থেকে এ জাতীয় এন্থলজিই শুধু নয়, বাঙালি কবিদের একক ইংরেজি কবিতার বই বের হবে। সাহস করে পাহাড়ে উঠতে শুরু করলে একসময় ঠিকই মানুষ চূড়ায় পৌঁছে যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নিষিদ্ধ হতে পারেন সাব্বির

খেলার খবর: ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সিরিজে সুবিধা করতে পারেননি সাব্বির রহমান। ওয়ানডে সিরিজের তিন ম্যাচে তার স্কোর ৩, ১২, ১২। এছাড়া মাঠের বাইরের বিতর্ক তো ছিলই। সব মিলে এশিয়া কাপের দল থেকে সাব্বিরের বাদ পড়া অনিবার্যই ছিল। তবে শাস্তিটা আরও কঠিন হতে পারে সাব্বির রহমানের জন্য। ঘরোয়া ক্রিকেটে ছয় মাসের নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ করা সাব্বিরকে জাতীয় দল থেকেও ৬ মাসের জন্য নিষিদ্ধ করতে পারে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
শাস্তি চূড়ান্ত করার আগে অবশ্য আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ পাচ্ছেন সাব্বির। শনিবার বিসিবি কার্যালয়ে সাব্বিরের শুনানি হবে। বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন ইঙ্গিত দিয়েছেন, এশিয়া কাপের দল থেকে সাব্বিরের বাদ পড়া শৃঙ্খলাভঙ্গের ফল।
তিনি বলেন, কিছু ব্যক্তিকে আমরা শাস্তি দিয়েছি। যদি দেখি তাতেও কোনো প্রভাব পড়ছে না, তখন তো আমাদের কড়া শাস্তি দিতেই হবে। কেউ যদি খারাপ কিছু করে, নিশ্চয়ই আমরা চেষ্টা করবো তাকে বিরত রাখার। কেউ যদি বিরত না হয় তখন আমাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। সে জাতীয় দলে খেলতে পারবে না। কেউ যদি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলতে না পারে এরচেয়ে বেশি আর কী করতে পারব। আমরা তো কাউকে জেল দিতে পারবে না।
বোর্ডের একটি সূত্রে জানা গেছে, সাব্বিরকে ৩ বছর নিষিদ্ধ করার আলোচনা হয়েছিল বিসিবি সভায়। তবে এ ক্রিকেটারের ভবিষ্যতের কথা ভেবে শাস্তি কমিয়ে ৬ মাস করার কথা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘আর্টিফিশিয়াল সুইটেনার’ ভয়ংকর!

স্বাস্থ্য কণিকা: এখন মোটামুটি সবাই জানে যে কৃত্রিম মিষ্টিবর্ধক উপাদান মোটেও স্বাস্থ্যকর নয়। কারণ এই চিনি সিনথেটিক উপাদান দিয়ে বানানো হয়। এটা হজম করা দেহের জন্য খুব কঠিন কাজ। যদিও এর ব্যবহার ব্যাপক হারে চলছেই। এই কৃত্রিম মিষ্টি উপাদান সম্পর্কে কয়েকটি তথ্য দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা
এটা নিরাপদ নয়
এর স্বাদ যতই সুস্বাদু হোক না কেন, এটা মারাত্মক ক্ষতিকর। এসসালফেম পটাসিয়াম কিংবা এস কে এবং অ্যাস্পার্টেমের মতো সুইটেনার প্রায় গোটা বিশ্বেই নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবু কয়েকটি দেশে ঠিকই বিক্রি হচ্ছে। এগুলো চরমভাবে বিপজ্জনক এবং ক্যান্সারের ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে।

বিপাকক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়
নিয়মিত খেলে দেহের বিপাকক্রিয়া ধীর হতে থাকে। ইনসুলিন ও গ্লুকাগনের ভারসাম্য নষ্ট হয়। দ্বিতীয়টি রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। এ পরিস্থিতিতে আপনার ক্ষুধা বাড়বে। ফলে আপনি বারবার খেতে থাকবেন এবং স্থূলতার আশঙ্কা দেখা দেবে। ওজন হয়ে উঠবে অস্বাস্থ্যকর।

রোগের ঝুঁকি
বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ গবেষণায় বলা হয়, টাইপ ২ ডায়াবেটিস এবং মেটাবলিক রোগসহ আরো নানা অসুখ-বিসুখের ঝুঁকি বাড়ে আর্টিফিশিয়াল সুইটেনারের কারণে। এগুলো ক্রনিক কিডনি ডিজিস ও নিউরোলজিক্যাল সমস্যার জন্যও দায়ী হয়ে ওঠে।

গর্ভের শিশুর জন্য হুমকি
যারা গর্ভধারণ করেছে তাদের জন্য এই উপাদান ভয়ংকর। গর্ভে শিশুর বেড়ে ওঠা অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। এমনকি ভ্রূণের পর্যায়ে থাকলে তা নষ্টও হয়ে যেতে পারে।

চিনি খাওয়ার নেশা বাড়ে
কৃত্রিম চিনি বা মিষ্টিজাতীয় উপাদান নিয়মিত খেলে আসলে মিষ্টি খাওয়া নেশা হয়ে যায়। ফলে একই উপাদান বেশি বেশি খাওয়ার প্রবণতা বাড়ে। এটা স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মেক্সিকোয় ক্ষমতা পেল বামপন্থী কংগ্রেস

বিদেশের খবর: নির্বাচনে জয়লাভের পর মেক্সিকোর সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রথম বামপন্থী কংগ্রেস বুধবার শপথ গ্রহণ করেছে। শপথ গ্রহণের সময় প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড্রেস ম্যানুয়েল লোপেজ ও বরাডোরের সাম্প্রতিক প্রতিষ্ঠিত দল মোরানার নেত্বাধীন জোটের আইনপ্রণেতারা তার নাম ধরে আনন্দ প্রকাশ করেন ও স্লোগান দেন।
নতুন সরকার নিম্নকক্ষে শপথ নিয়েছেন। সেখানে এখন তারা চালকের আসনে থাকবেন।
সিনেটে এ অনুষ্ঠান আরো জাঁকজমকপূর্ণ হলেও সেখানে ক্ষমতার ভারসাম্য একই রয়ে গেছে।
লোপেজ ওবারাডোর মেক্সিকোর আধুনিক গণতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট হতে যাচ্ছেন। তিনি কংগ্রেসের উভয় কক্ষে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছেন।
নতুন এ আইনসভার অধিবেশন শনিবার বসতে যাচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest