সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় তারেক রহমানের ৮ দফার লিফলেট ছড়িয়ে দিল ‘আমরা বিএনপি পরিবার’সাতক্ষীরায় রাইচ মিলের কালো ধোঁয়া ও বর্জ্যে অতীষ্ট এলাকাবাসী: ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সড়ক অবরোধপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদসাতক্ষীরায় মাদক এবং মাদক বিক্রির অবৈধ টাকাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারতালায় বাস মোটরসাইকেল সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতার মৃত্যুঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিতআশাশুনিতে হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলার তদন্তে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারদেবহাটায় সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের মতবিনিময়৯নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়াসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা

অবশেষে মুক্তি পাচ্ছে ‘অনুপ্রবেশ’

বিনোদন সংবাদ: অবশেষে আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর মুক্তি পেতে যাচ্ছে তাপসকুমার দত্তের প্রথম ছবি অনুপ্রবেশ। এর আগে প্রযোজক ও পরিবেশক সমিতি থেকে ৩০ মার্চ ও ২০ জুলাই দুই দফা মুক্তির তারিখ ঠিক করার পরও বিভিন্ন কারণে পিছিয়ে যায় এ ছবির মুক্তি।

ছবিটি ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল, রাশিয়ার গোল্ডেন ব্রিজ ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল, ব্রিটেনের রেইনবো ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল-সহ এখন পর্যন্ত অনুপ্রবেশ বিশ্বের ছয়টি আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে নির্বাচিত ও প্রশংসিত হয়েছে।

সময় প্রকাশন থেকে ২০১৫ সালে প্রকাশিত হয় তাপস কুমারের (অদ্বয় দত্ত) ‘অনুপ্রবেশ’ নামের একটি পরাবাস্তববাদী উপন্যাস। এর পরের বছর উপন্যাসটির চলচ্চিত্রায়নের কাজ শুরু করেন লেখক নিজে।

তাপসকুমার বলেন, সম্পূর্ণ মৌলিক কাহিনির ছবি অনুপ্রবেশ- যার প্রকরণ বা ধরন (জেন্র)-এর মতো সিনেমা বাংলাদেশে আগে কখনো নির্মিত হয়নি। কারণ, অনুপ্রবেশ-এ রয়েছে বিস্ময়কর তিনটি টাইম ট্রাভেল। এ-জন্য অনুপ্রবেশ ছবিটা দেখতে দেখতে একজন দর্শক কখনই বুঝতে পারবেন না, এর পরে কী হবে!
কিন্তু ছবির নাম কেন অনুপ্রবেশ রাখা হলো-এ প্রশ্নের জবাবে পরিচালক ও প্রযোজক তাপসকুমার বলেন, বছর পাঁচেক আগে মার্কিন এক গবেষকের একটি রিপোর্ট পড়ে বেশ চমক লাগে। সেই গবেষক নানা রকম তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেখিয়েছেন, এই পৃথিবী মানুষের শরীরের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়, কারণ পৃথিবীতে মানুষ হলো অনুপ্রবেশকারী। মানুষের পূর্বপুরুষের জন্ম অন্য একটি গ্রহে। তাপসকুমার এই তত্ত্বকে অবলম্বন করে রচনা করেন সুররিয়েলিস্টিক ও ফিলসফিক্যাল উপন্যাস ‘অনুপ্রবেশ’। ২০১৬ সালে শুরু করেন এই উপন্যাসের চলচ্চিত্রায়নের কাজ।

‘অনুপ্রবেশ’ ছবিটিতে অভিনয় করেছেন ভারতের বিখ্যাত অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। বাংলাদেশের পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়, আলতাফ হোসেন, অলিউল হক রুমীর পাশাপাশি অভিনয় করেছেন সম্পূর্ণ নতুন দুটি মুখ আনোয়ার সায়েম ও সানজিয়া ইসলাম। দুটি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন রূপঙ্কর ও শুভমিতা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে এএসআই রুবেলের বিরুদ্ধে ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি: কালিগঞ্জ থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক রুবেলের বিরুদ্ধে ইসমাইল হোসেন (২৮) নামে এক নিরীহ যুবককে আটক করে বেধড়ক মারপিট ও মাদক ব্যবসায়ী বানিয়ে ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে অর্থবাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। সে উপজেলার মথুরেশপুর ইউনিয়নের উজায়মারী গ্রামের আমির আলী গাজীর ছেলে। আহত ওই যুবক কালিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বেডে ব্যথা ও যন্ত্রণায় কাতরানো অবস্থায় সরেজমিনে দেখাযায়। ভুক্তভোগী ইসমাইল হোসেন জানান, তিনি ইটভাটায় ট্রলিতে মাটি বহনের কাজ করেন। জ¦রে আক্রান্ত হয়ে সোমবার সন্ধ্যায় তিনি ধলবাড়িয়া চৌমুহনী বাজার থেকে ওষুধ কিনে নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন। বাড়ির কাছাকাছি পৌছানোর পর পুলিশের কথিত সোর্স হিসেবে পরিচিত চরদাহ গ্রামের গোলাম মোস্তফা ওরফে রাজমিস্ত্রী খোকনের ছেলে খালিদ হোসেন (২৬) ও মোটরসাইকেলে থাকা অপর দু’ব্যক্তি হঠাৎ তাকে মারপিট শুরু করে। তিনি মারধরের কারণ জানতে চাইলে ওই দুই ব্যক্তি নিজেদের পুলিশ পরিচয় দিয়ে তাকে হাতকড়া পরিয়ে গাছের ডাল ভেঙ্গে বেপরোয়া মারধর করে মোটরসাইকেলে তুলে নেয়ার চেষ্টা করতে থাকে। কিছুক্ষণের মধ্যে সাদা পোষাকে ঘটনাস্থলে পৌছান কালিগঞ্জ থানার বহুলালোচিত উপ-সহকারী পরিদর্শক রুবেল। পৌছেই ইসমাইলের মুখে কানে চড় মারেন রুবেল। এতে তার কান দিয়ে রক্ত বের হতে থাকে। এএসআই রুবেল মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে ইসামাইলকে আখ্যায়িত করে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে দেয়া (ডিএমসি) ফুটবল মাঠের পাশে নিয়ে কিছুক্ষণ বসিয়ে রাখে। সেখানে আবারও মারপিট করে মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে স্বাকারোক্তি আদায়ের জন্য আরেক দফা চেষ্টা করা হয়। ব্যর্থ হয়ে এএসআই রুবেলসহ অন্যরা ইসমাইল হোসেনকে কালিগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনের পিছনে নিয়ে যায়। সেখানে পিছমোড়া করে দু’হাতে কড়া লাগিয়ে মোটরসাইকেলের সাথে বেধে হাত ও পায়ের গিরায় লাঠি দিয়ে পিটাতে থাকে রুবেল ও অপর দু’ব্যক্তি। কিছুক্ষণ পর ইসমাইল হোসেনের নিকট থেকে তার পিতার মোবাইল নাম্বার নিয়ে ফোন করে ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন রুবেল। টাকা আদায়ে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভূমিকা পালন করতে থাকে কথিত সোর্স খালিদ হোসেন। ইসমাইলের পিতা আমির আলী গাজী অনেক কাকুতি মিনতি করে এএসআই রুবেলকে ৩০ হাজার টাকায় তার ছেলেকে মুক্তি দেয়ার ব্যাপারে রাজি করান। খালিদের উপস্থিতিতে এএসআই রুবেলকে ৩০ হাজার টাকা এনে দিলে রাত ২ টার দিকে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনের পিছন থেকেই ইসমাইল হোসেনকে তার পিতার হাতে তুলে দেয়া হয়। বিষয়টি কাউকে জানালে পরবর্তীতে ধরে এনে ক্রসফায়ার দেয়া হবে হুমকি প্রদান করে একটি সাদা কাগজে স্বাক্ষর করিয়ে নেয় তারা।
একদিকে প্রচন্ড জ¦র, অপরদিকে পুলিশের বেধড়ক মারপিটে আহত ইসমাইল হোসেন বাড়িতে চিকিৎসা করে উপকার না পেয়ে বাধ্য হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছেন। সেখানে তিনি যন্ত্রণায় ছটফট করছেন। ইসমাইল হোসেনের পিতার নিকট মুঠোফোনে বিষয়টি জানতে চাইলে ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে কিছু বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন।
এব্যাপারে জানার জন্য এএসআই রুবেল হোসেনের মুঠোফোনে (০১৭২৯৭২৮৭৭৪) একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাসান হাফিজুর রহমান বলেন, এব্যাপারে মৌখিক অভিযোগ পেয়েছিলাম। কিন্তু ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে এএসআই রুবেলের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ না দেয়ায় এখনও পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘এর চেয়ে ব্রাজিলের কাছে হারা ছিল সম্মানের’

খেলার খবর: সেমিফাইনালেই শেষ হয়ে গেল বেলজিয়ামের বিশ্বকাপ স্বপ্ন। কিন্তু পল পগবা, কিলিয়ান এমবাপেদের ফ্রান্সের কাছে এই হার গায়ে জ্বালা ধরিয়ে দিচ্ছে তাদের।। তাদের কাছে ফ্রান্স কোনো ভালো দলই নয়! মঙ্গলবার রাতে দিদিয়ের দেশ্যমের দেশের কাছে ১-০ গোলে হেরে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেছে রোমেলু লুকাকুরা। দলটির গোলকিপার থিবো কুর্তোস কোনোভাবেই এই পরাজয় মেনে নিতে পারছেন না।

ব্রাজিলের বিপক্ষে রাশিয়া বিশ্বকাপ কোয়ার্টার ফাইনালে অনবদ্য কিছু সেভ করেছিলেন থিবো কুর্তোস। সেমিফাইনালে ফ্রান্সের বিপক্ষেও বেশ কয়েকটি ভালো সেভ দিয়েছেন বেলজিয়ামের এই গোলকিপার। কিন্তু তার পরও শেষ রক্ষা হয়নি। ম্যাচের ৫১ মিনিটের সময় ডিফেন্ডার স্যামুয়েল উমতিতি হেড থেকে করা গোলে শেষ পর্যন্ত জয় পায় ফ্রান্স। কুর্তোস বলেছেন, ‘কোনো ভালো দলের কাছে হারিনি। এমন দলের কাছে হেরেছি যারা আমাদের থেকে খারাপ খেলেছে।’

ফ্রান্সের খেলার ধরণে কুর্তোয়া হতাশ। বেলজিয়ামের গোলকিপার বলছিলেন, ‘ফ্রান্স ফুটবল খেলেনি এই ম্যাচে। ১১ জন ফুটবলারকে গোলপোস্টের ৪০ গজের মধ্যে রেখে শুধু ডিফেন্স করে গেছে। আমরা একের পর এক আক্রমণ করেছি। আর ওরা শুধু সেগুলো রুখেছে। ফ্রান্সের জয় তাই ফুটবলের লজ্জা। উরুগুয়ের বিপক্ষে ওরা ফ্রি-কিক আর বিপক্ষ গোলকিপারের ভুলে জিতেছে। ফ্রান্সের বিপক্ষে আমাদের জিততে না পারাটা হতাশার।’

যদিও পরিসংখ্যান কিন্তু অন্য কথা বলছে। মাত্র ৩৬ শতাংশ বল নিজেদের দখলে রেখেও ফ্রান্স ১৯টি শট নিয়েছে বেলজিয়ামের গোল লক্ষ্য করে। এদিকে, বেলজিয়াম মোট ৯টি শটের মধ্যে ৩টি রাখতে পেরেছে ফ্রান্সের গোলে। তবে ক্ষেপে থাকা কুর্তোস আরও বলেছেন, ‘কর্নার থেকে একটা হেড ছাড়া ফ্রান্স আর কিছুই করেনি। তাদের স্ট্রাইকাররাও নিজেদের ৩০ গজের বাইরে খেলেননি। আমি কোয়ার্টার ফাইনালে ব্রাজিলের হারকেই বেশি পছন্দ করতাম। কারণ তারা এমন একটি দল ছিল, যারা অন্তত ফুটবলটা খেলতে চেয়েছিল।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বহিস্কৃত দলিল লেখকদের ছবি সম্বলিত ব্যানার টানালো সাতক্ষীরা রেজিস্ট্রি অফিস

নিজস্ব প্রতিবেদক :
অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগে বরখাস্ত হওয়া ৫ দলিল লেখককে ছবি সম্বলিত ব্যানার ঝুলিয়ে জনসাধারণ কে শতর্ক করেছে সাতক্ষীরা সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিস কর্তৃপক্ষ। সাতক্ষীরায় দুর্নীতি দমন কমিশন(দুদক) এর কমিশনার এ.এফ. এম আমিনুল ইসলাম এর উপস্থিতিতে ও সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোঃ ইফতেখার হোসেনের নির্দেশে সদর সাব রেজিস্ট্রার লুৎফর রহমান মোল্যা স্বাক্ষরিত এ ব্যানার টানানো হয়।
গত ৩ জুলাই সাতক্ষীরা শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে অনুষ্ঠিত গনশুনানী অন্তে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। এর প্রেক্ষিতে ৯ জুলাই উক্ত বিজ্ঞপ্তি টানানো হয়। যার গনশুনানী নং-৯৫।
ওই ৫ দলিল লেখক হলেন, রেজিষ্ট্রি অফিস পাড়া এলাকার এ.কে এম মুনসুর রহমান(লাইসেন্স নং- ০১/৯৫), খানপুর এলাকার মোঃ শাহিদুজ্জামান (লাইসেন্স নং- ৫৬/৮৭), চেলারডাঙ্গী এলাকার হারুনার রশিদ(লাইসেন্স নং- ১৭/১০), কাটিয়া এলাকার খায়রুল ইসলাম খান(লাইসেন্স নং- ৪৪/৭৯) ও সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল লেখক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাটিয়া এলাকার মনিরুজ্জামান মনি(লাইসেন্স নং-০৯/০৬)।
ব্যানারে জনসাধারণের শতর্ক করে উক্ত ৫ দলিল লেখকদের সাথে কোন প্রকার আর্থিক লেনদেন না করার অনুরোধ করা হয়েছে। যদি কেউ তাদের আর্থিক লেনদেন তার দায় রেজিষ্ট্রি অফিস গ্রহণ করবে না। এছাড়া উক্ত দলিল লেখকদের অফিস চত্বরে চলাচল এবং অফিসে প্রবেশ সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় বিশ^ জনসংখ্যা দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা

দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটায় বিশ^ জনসংখ্যা দিবস-২০১৮ তে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের আয়োজনে “পরিকল্পিত পরিবার সুরক্ষিত মানবাধিকার” এই শ্লোগানে বুধবার সকাল সাড়ে ১০ টায় সখিপুরস্থ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে থেকে একটি র‌্যালী বের হয়। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হলরুমে এক আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ-আল আসাদ। প্রধান অতিথি ছিলেন দেবহাটা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আলহাজ¦ আব্দুল গনি। বিশেষ অতিথি ছিলেন যথাক্রমে উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুব আলম খোকন ও উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আফরোজা পারভিন। উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রনজিৎ কুমার রায়ের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুল লতিফ। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা অধীর কুমার গাইন, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মিসেস নাজমুন নাহার, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা ইসরাঈল হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটা ইউএনওর বৃক্ষ রোপনে জাতীয় পুরষ্কার  লাভ

কে.এম রেজাউল করিম, দেবহাটা ব্যুরো ॥ দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ-আল আসাদ বৃক্ষ রোপনে প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় পুরষ্কার ২০১৭ সম্প্রতি পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রনালয় বন শাখা-২ এর ২২.০০.০০০০.০৬৭.৪৩.০০০৯.১৬-১৬৩ নং স্মারকে “গ” শ্রেনীতে দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এই পুরষ্কারের জন্য মনোনিত হন। আগামী ১৮ জুলাই ২০১৮ তারিখে প্রধানমন্ত্রী এই পুরষ্কার প্রদান করবেন বলে সূত্রে জানা গেছে। উপজেলা নির্বাহী অফিস সূত্র জানায়, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ-আল আসাদ দেবহাটা উপজেলায় যোগদানের পর থেকে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের পাশাপাশি বৃক্ষ রোপনের উপর কাজ করেন। তারই ফলশ্রুতিতে তিনি দেবহাটা উপজেলার মধ্যে একটি ঔষধী গাছের বাগান রোপন করেন। সেখানে তিনি বিভিন্ন প্রজাতির দূর্লভ গাছের চারা রোপন করেছেন। এছাড়া তিনি প্রায় ৩ একর জায়গায় বিভিন্ন প্রজাতির বনজ, ফলজ, ভেষজ (ঔষধী) ছাড়াও শোভাবর্ধনকারী ও দেশীয় বিলুপ্ত প্রায় গাছের চারা রোপন করেছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ-আল আসাদ জানান, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, দেশীয় ফল, টক জাতীয় ফল, ঔষধী গাছ রক্ষা, নতুন প্রজন্মকে বর্নিত গাছসমূহের সাথে পরিচিতি ঘটানো এবং বিলুপ্তপ্রায় গাছসমূহকে বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করার জন্য এই বৃক্ষ রোপন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক পাওয়া পুরষ্কার সকল দেবহাটাবাসীর বলে তিনি জানান। ইউএনও বলেন, আরো একাধিক বাগান সৃষ্টি এবং বৃহৎ পরিসরে বৃক্ষ রোপন করে জনগনকে সম্পৃক্ত করে বৃক্ষ রোপনে উৎসাহ প্রদান করা হবে। উল্লেখ্য, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ-আল আসাদ দেবহাটায় যোগদানের পর থেকে দেবহাটা উপজেলা পরিষদের সীমানা প্রাচীর, দেবহাটা রুপসী ম্যানগ্রোভকে আরো উন্নত ও বিনোদনমূলক করা, উপজেলা গেট নির্মান, উপজেলা মুক্ত মঞ্চ নির্মান, উপজেলা ভূমি অফিসের সামনে সেবা গ্রহনকারীদের জন্য কাচারী ঘর নির্মান, উপজেলা পরিষদের শোভা বর্ধন করা সহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ পরিচালনা করেছেন।

1 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হলমার্কের চেয়ারম্যান জেসমিনের কারাদণ্ড

দেশের খবর: সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিল না করার অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় হলমার্কের চেয়ারম্যান জেসমিন ইসলামের তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

আজ বুধবার ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন।

দুদকের আইনজীবী মোহাম্মাদ মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর জানান, বিচারক আসামি জেসমিন ইসলামকে কারাদণ্ডের পাশাপাশি ২০ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন এবং সে টাকা আগামী ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে রাষ্ট্রের অনুকূলে আদায়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর জানান, রায় ঘোষণার সময় হলমার্কের চেয়ারম্যান জেসমিন ইসলামকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে তাকে সাজা পরোয়ানাসহ ফের কারাগারে প্রেরণ করা হয়। জেসমিন ইসলাম হলমার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তানভীর মাহমুদের স্ত্রী। তানভীর মাহমুদও হলমার্কের আরেক মামলায় কারাগারে আটক আছেন।

আসামির পক্ষে আইনজীবী শফিকুল ইসলাম জানান, তিনি ওই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিলে যাবেন।

২০১৩ সালের ১২ ডিসেম্বর সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিল না করার অভিযোগে দুদক কমিশনের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন রমনা থানায় মামলা দায়ের করেন।

নথি থেকে জানা যায়, প্রাথমিক অনুসন্ধানে জেসমিন ইসলামের নামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জনের তথ্য-উপাত্ত পায় দুদক। এর পর দুদক তাকে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নির্দেশ দেয়। নির্দেশ অনুযায়ী সম্পদ বিবরণী জমা না দিয়ে তিনি আইনজীবীর মাধ্যমে সময় বাড়ানোর আবেদন করেন। তবে সময় বাড়ানোর পরও সম্পদ বিবরণী দাখিল না করায় মামলা দায়ের করা হয়।

পরবর্তী সময়ে ২০১৪ সালের ২২ অক্টোবর দুদকের উপপরিচালক মনজুর মোরশেদ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬(গ) ধারায় ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

২০১৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি এ আদালত অভিযোগ গঠন করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আমার বয়স ৪৬ নয়, বাড়ি গোপালগঞ্জ : জয়া

বিনোদন সংবাদ: ইদানীং বয়সের ভুল তথ্য প্রচার নিয়ে বেশি ভাবাচ্ছে অভিনেত্রী জয়া আহসানকে।

শুধু তাই নয়, জয়ার পারিবারিক তথ্যও ভুলভাবে গণমাধ্যমে উপস্থাপিত হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী।

তাই গণমাধ্যমে তার বয়স নিয়ে ভুল তথ্য প্রচার না করার জন্য সাংবাদিকদের আহ্বান জানিয়েছেন জয়া।

এ নিয়ে মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাসও দিয়েছেন তিনি।

জয়া লিখেছেন- ‘বিরসা দাশগুপ্তের ‘ক্রিসক্রস’ চলচ্চিত্রের টিজার ও গান মুক্তি পেল। অপ্রত্যাশিত সাড়া পেয়েছি আমরা। ভালো হোক কিংবা মন্দ- আমার অভিনীত চলচ্চিত্র কিংবা আমার কাজ নিয়ে বেশিরভাগ চলচ্চিত্র দর্শকই গুরুত্বের সঙ্গে মতামত দেন। কখনও আমার কাজ আমার ভক্তদের গর্ব বাড়িয়ে দেয়, কখনও আমি তাদের হতাশ করি।

তবে যারা আমার কাজ অপছন্দ করেন কিংবা যারা আমাকে অপছন্দ করেন, তাদের আমি অপছন্দ করি না। বরং তাদের ব্যাপারে আমি আরও অনেক বেশি যত্নশীল। গঠনমূলক সমালোচনাই তো একজন শিল্পীকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছে দেয়। আমি আমার অভিনয় জীবনে বরাবরই সমালোচকদের দেখানো পথে চলার চেষ্টা করেছি।

তবে শুধু ‘বলার জন্য বলা’ নেতিবাচক মন্তব্য কখনও আমার ভেতর প্রতিক্রিয়া তৈরি করতে পারেনি। এ ক্ষেত্রে আমি নির্ভার।’

তিনি আরও লিখেছেন- ‘তবে ইদানীং দুয়েকটি বিষয় আমাকে কিছুটা ভাবিয়ে তুলেছে। বিশেষ করে ইদানীং বেশ কয়েকজন বিভিন্ন পত্রপত্রিকা/উইকিপিডিয়ার তথ্যসূত্র টেনে আমার বয়স নিয়েও বেশ চর্চা করছেন। বলা হচ্ছে- আমার বয়স নাকি ৪৬ বছর! গুজব-গুঞ্জন আমি বরাবরই খাবারের লবণের মতো উপভোগ করে গেছি।

দুয়েকজন সমবয়সী কিংবা আমার চেয়ে বয়সে বড় শ্রদ্ধাভাজন সহকর্মী (বিশেষ করে বেশ কয়েকজন অভিনেত্রী) গণমাধ্যমে নিজেদের অধিকার মনে করে আমার বয়স (ভুল তথ্য) নিয়ে চর্চা করেছে- বিষয়টি মজার।

তাই এতদিন উপভোগ করেই গেছি। তবে খুব সম্ভবত আমার চুপ থাকাটাকে অনেকে ‘মৌনতা সম্মতির লক্ষণ’ হিসেবে ধরে নিয়েছেন। নিন্দুকেরাও ‘অস্ত্র’ হিসেবে আমার বয়সের ভুল তথ্য প্রচার করে আনন্দ পাচ্ছেন।’

একজন শিল্পীর প্রকৃত পরিচয় তার কাজ বলে মনে করেন জয়া। তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে আমি প্রথম ও শেষবারের মতো সবার উদ্দেশ্যে বলতে চাই- বয়স নয়, একজন শিল্পীর প্রকৃত পরিচয় হওয়া উচিত তার কাজে।

জয়া আরও বলেন, ‘৪৬ কিংবা ৫৬ কিংবা তার চেয়েও বেশি বয়স হলেই অভিনেত্রীরা কাজের অযোগ্য কিংবা তারুণ্যদীপ্ত চরিত্রে অভিনয় করতে পারবেন না- এমন ধারণা বিশ্বের কোনো চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রিজই পোষণ করেন না। তাই ব্যক্তি জয়া আহসানের যে বয়স, তা নিয়ে আমি এতটুকু বিচলিত নই।’

সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি লিখেছেন- ‘ভুল তথ্য প্রচার করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমাকে হেয় করার চেষ্টা থেকে বিরত থাকার জন্য সবার উদ্দেশ্যে অনুরোধ করছি। বিশেষ করে আমার কাজ যারা পছন্দ করেন, দায়িত্বশীল যেসব সাংবাদিক আমাকে নিয়ে দু কলম লেখার মতো যোগ্য মনে করেন, তারা ভবিষ্যতে বিষয়টি সংবেদনশীলভাবে দেখবেন বলেই আশা করছি।

কারণ প্রকৃত সত্য হল- ৪৬ বছর আগে আমার বাবা-মায়ের বিয়ে তো দূরের কথা, দেখাও হয়নি। এতদিন বিষয়টি হেসেই উড়িয়ে দিয়েছি। তবে ইদানীং বিষয়টি মাত্রাতিরিক্ত আকার ধারণ করায় পরিবার ও কাছের বন্ধুদের অনুরোধে লিখতে বাধ্য হয়েছি।

সংশ্লিষ্টদের কাছে অনুরোধ, একজন শিল্পীর জীবনবৃত্তান্ত তুলে ধরার আগে ন্যূনতম একবার তার সঙ্গে কথা বলা উচিত। কারণ শুধু বয়স ভুলের তথ্যই নয়, বিভিন্ন মাধ্যমে উল্লেখ করা হয়েছে, আমার আরও দুই বোন ও এক ভাই রয়েছে (প্রকৃত তথ্য : আমরা দুই বোন ও এক ভাই)। বলা হয়, আমার বাড়ি ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়ায় (প্রকৃত তথ্য : গোপালগঞ্জ)।

শুধু তাই নয়, আমার বাবার নামও লেখা হয় আলী আহসান সিডনী (প্রকৃত তথ্য : অভিনেতা জিতু আহসানের বাবা প্রখ্যাত অভিনেতা সৈয়দ আহসান আলী সিডনী। আমার বাবা ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা এএস মাসউদ)। রয়েছে আরও অনেক ভুল তথ্য।

আশা করছি ভুল শুধরে ভবিষ্যতে আমরা প্রতিটি শিল্পী সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানার চেষ্টা করব। কারণ ভক্তরা যেমন তার পছন্দের শিল্পী সম্পর্কে ভুল তথ্য কিংবা ভুল ব্যাখ্যা পড়তে পছন্দ করেন না, শিল্পীরাও প্রতিনিয়ত ভুল তথ্য দিয়ে ভক্তদের বিভ্রান্ত করতে চান না।
প্রিয় সাংবাদিক ভাইদের কাছে বিনীত অনুরোধ, একজন অভিনেতার কাজ নিয়ে লেখার সময় যদি তার বয়সের বিষয়টি না আসে, একজন অভিনেত্রীর ক্ষেত্রেও সে বিষয়টি অপ্রাসঙ্গিকভাবে আসাটা কতটা যৌক্তিক, তা নিয়ে কিন্তু আমাদের ভেবে দেখার অবকাশ রয়েছে। সবার জন্য রইল শুভ কামনা।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest