সর্বশেষ সংবাদ-
ব্রহ্মরাজপুরে ভেজাল দুধ তৈরির দায়ে জরিমানা – ৬ মাসের কারাদণ্ডদেবহাটায় পুলিশের অভিযানে আটক ভারতীয় রেনু পোনা খালে অবমুক্তসাধারণ সম্পাদকদের বড় ভাইয়ের মৃত্যুতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের শোকসাতক্ষীরায় আম সংগ্রহ শুরু : সিন্ডিকেটের কারণে ন্যায্য দাম না পাওয়ার শঙ্কা চাষিদেরসাতক্ষীরার বদরতলা-টু-ব্যাংদহা রোডে প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য শ্যামনগরে ২০ লাখ টাকার দাবিতে অপহৃত পশু চিকিৎসক  দু’দিন পর মুক্ত : আটক-৩সাতক্ষীরায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ’র সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণদেবহাটার পল্লীতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে জামায়াত নেতৃবৃন্দবিশ্বমুক্ত গণমাধ্যম দিবসে সাতক্ষীরায় অবস্থান কর্মসূচি খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক ওয়ার্কশপে অংশ নিলেন ৫ স্কাউটার

ম্যাচ ফিক্সিং : ১০ বছর নিষিদ্ধ পাকিস্তানি ওপেনার

খেলার খবর: ম্যাচ ফিক্সিং কেলেঙ্কারির দায়ে ১০ বছর নিষিদ্ধ করা হয়েছে পাকিস্তানের সাবেক ওপেনার নাসির জামশেদকে। পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) অসংখ্য ফিক্সিং কাণ্ডে বারবার তার নাম জড়িয়েছে।

এর আগে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) স্পট ফিক্সিং করে পুলিশের হাতে ধরা পড়েছিলেন নাসির। গত বছর পাকিস্কান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) তাকে সাময়িক নিষিদ্ধ করলেও সর্বশেষ পিএসএলে স্পট ফিক্সিং প্রমাণিত হওয়ায় এবার বড় শাস্তি দেওয়া হলো তাকে।

পিএসএলের গত বছরের আসরে স্পট ফিক্সিং নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছিল পাকিস্তানের ক্রিকেটাঙ্গণে। এই সকল অপকর্মের পেছনে একটি নামই বারবার ঘুরেফিরে আসছিল- নাসির জামশেদ। পিসিবির আইনি উপদেষ্টা তফাজুল রিজভি জামশেদ তাকে সকল স্পট ফিক্সিংয়ের ‘নাটের গুরু’ বলেছিলেন।  পিসিবি যে ৭টি ধারায় আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগ তুলেছিলে জামশেদের বিপক্ষে, তার মধ্যে পাঁচটিতেই আচরণ ভঙ্গের প্রমাণ পেয়েছে ট্রাইব্যুনাল।

একই অভিযোগে জামশেদের দুই সঙ্গী শারজিল খান ও খালিদ লতিফ ৫ বছর করে নিষিদ্ধ হয়েছেন। নাসির জামশেদকে সব ধরণের ক্রিকেট থেকে ১০ বছরের নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার ব্যাপারে পিসিবির আইনি উপদেষ্টা সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘নাসির জামশেদের বিপক্ষে পিসিবি একের অধিক অভিযোগ গঠন করেছিল এবং ট্রাইব্যুনালে তা প্রমাণ হওয়ায় তাকে ১০ বছর নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার এই মেয়াদ শেষেও সে ক্রিকেট কিংবা ক্রিকেট প্রশাসনের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারবে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘মুক্তিযোদ্ধা কোটা রেখে সব কোটা বাতিল হচ্ছে’

দেশের খবর: সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধা ছাড়া বাকি সব কোটা বাতিল হচ্ছে।

আজ শনিবার (১৮ আগস্ট ২০১৮) বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) ভবনে জাতীয় শোকদিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম।

মোহাম্মদ নাসিম বলেন, প্রধানমন্ত্রী কোটা আন্দোলনকারীদের কথা শুনেছেন। এক পর্যায়ে তিনি বলেছেন, কোটা থাকবে না। যেহেতু সাংবিধানিক ব্যাপার। একটি সিস্টেমের মধ্যে মীমাংসা করতে চান। তাই কোটা বাতিল নিয়ে কমিটি করে দিয়েছেন তিনি। কমিটি প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রতিবেদন দিয়েছে।

জানা গেছে, প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মুক্তিযোদ্ধার বিষয়টি ছাড়া তারা (কমিটি) কোটা বাতিল করতে রাজি আছেন। আর সেটি-ই হতে যাচ্ছে। একটি দীর্ঘদিনের ব্যবস্থা ছিল সেটি পরিবর্তন হতে যাচ্ছে।

সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা পদ্ধতি সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যে গত ২ জুলাই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সচিবকে প্রধান করে সাত সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে সরকার।

কোটা বাতিল সংক্রান্ত কমিটির প্রতিবেদন নিয়ে ১৩ আগস্ট বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম জানান, কোটা বাতিলে সচিব কমিটির প্রতিবেদন চূড়ান্ত।

মোহাম্মদ নাসিম আরও বলেন, আগামী নির্বাচন আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনেই হবে এবং এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়ে জয়ী করবে দেশের মানুষ। উপমহাদেশে জওহরলাল নেহেরুর পর সংসদীয় গণতন্ত্রে একটানা তিনবারের প্রধানমন্ত্রী হবেন শেখ হাসিনা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনান আর নেই

বিদেশের খবর: জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনান মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।

তিনি তাঁর অতুলনীয় কাজের জন্য নোবেল পুরস্কারও অর্জন করেন।

আর্ন্তজাতিক কুটনীতিকদের বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।

কফি আনানই ছিলেন প্রথম কালো আফ্রিকান যিনি প্রথমবারের মতো বিশ্বের সবচেয়ে বড় সংগঠন জাতিসংঘের সর্বোচ্চ পদে আসীন হন। তিনি দুই মেয়াদে ১৯৯৭ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত এই দ্বায়িত্ব পালন করেন।

সূত্র: বিবিসি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইয়াবাসহ পুলিশের এসআই আটক

দেশের খবর: চট্টগ্রামে আবুল বাশার নামে পুলিশের এক উপ-পরিদর্শককে (এসআই) আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-৭। এসময় তার কাছ থেকে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

শনিবার (১৮ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে মিরসরাইয়ের বারৈয়ারহাট এলাকা থেকে তাকে আটক করে র‌্যাব।

আটক আবুল বাশার বাহ্মণবাড়িয়া জেলা গোয়েন্দা পুলিশে কর্মরত রয়েছেন বলে জানা গেছে। তিনি কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার এলাকার আবদুল হামিদের ছেলে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে র‌্যাব-৭ এর সহকারী পুলিশ সুপার মো. নুরুজ্জামান বলেন, ফেনী ক্যাম্পের কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার শাফায়াত জামিল ফাহিমের নেতৃত্বে র‌্যাবের একটি টিম মিরসরাইয়ের বারৈয়ারহাট এলাকা থেকে ইয়াবাসহ আবুল বাশার নামে পুলিশের এক উপ-পরিদর্শককে (এসআই) আটক করেছে। তার কাছ থেকে প্রায় ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। চট্টগ্রাম থেকে ইয়াবাগুলো নিয়ে মোটরসাইকেলে করে ঢাকায় যাচ্ছিলেন বাশার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চেক প্রতারণার মামলায় নলতার কুখ্যাত ডুয়েল এখন কারাগারে

 

তরিকুল ইসলাম লাভলু : অনেকেরই কাছে ত্রাসের নাম ডুয়েল। বিএনপি নেতা মৃত ওয়াজেদ আলী বিশ্বাসের ছেলে এই সাইফুল ইসলাম ডুয়েল (৪৮)। খুলনা নিরালার বাসিন্দা হলেও জন্মস্থান সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতার কাজলায়। সখিপুর ডেলটা ফিস এর প্রোফাইটরও ছিল এই ডুয়েল। যেখান থেকে শতশত শ্রমিক ও ব্যবসায়ী সর্বশান্ত হয়েছে। আর মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়ে ডেলটা ফিস পরিত্যক্ত করে দিয়েছে। ব্যবসায়ীদের থেকে অর্থ হাতিয়ে নিয়ে উল্টো বিপাকে ফেলানোর অভিযোগও আছে তার বিরুদ্ধে। খুলনা, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে তার বিভিন্ন কোম্পানির ব্যবসা চলে। তার বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে ২০০৭ সালে তত্বাবধায়ক সরকারের সময় তাকে যৌথবাহিনী ও সেনাবাহিনী আটক করে বলেও জানা যায়।
সাইফুল ইসলাম ডুয়েল একইভাবে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে দেবহাটার মাটিকোমরা গ্রামের মৎস্য ব্যবসায়ী আলহাজ্ব আনারুল ইসলামকে। নলতা আহছানিয়া ফিসের প্রোপাইটর আনারুল ইসলাম ডুয়েলের কোম্পানিতে মাছ দেয়। লেনদেনের এক পর্যায় ২০১৬ সালের ১লা ডিসেম্বর ডুয়েল আনারুল ইসলামকে ৪ কোটি ১২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার একটি চেক দেয়। ন্যাশনাল ব্যাংক সাতক্ষীরা শাখার চেকটির নাম্বার ঘউঈ/ই- ৫৮৩৩১৮৬। পরবর্তিতে টাকা উত্তোলনের জন্য ব্যাংকে গেলে ঐ হিসাবে টাকা নেই বলে জানতে পারে আনারুল ইসলাম। এরপর আনারুলকে টাকা না দেওয়ার ফন্দি এঁটে উল্টো আনারুলকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করতে থাকে ডুয়েল। কিন্তু তার সব প্রতারণা ও ফন্দি ব্যর্থ হয়। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ চেকটি ২০১৭ সালের ১ ফেব্রুয়ারী ডিসঅনার করে দেয়। বিষয়টি নিয়ে আনারুল ইসলাম আদালতের স্বরণাপন্ন হলে ডুয়েলকে প্রথমে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়। কিন্তু সে বিষয়টি কোন তোয়াক্কা করেনি বলে জানা যায়। তারপর ১৭ সালের ২০ এপ্রিল নিগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্ট এ্যাক্ট এর ১৩৮ ধারার বিধান মোতাবেক সাতক্ষীরা জজকোর্টে মামলা দায়ের করেন বাদী আনারুল ইসলাম। মামলা চলাকালেও আসামী ডুয়েল কয়েকবার আদালত অবমাননা করেছে বলেও জানা গেছে। সর্বশেষ ১৭ আগস্ট বৃহঃবার ধূর্ত ডুয়েল আদালতে হাজির দিলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। এদিকে আনারুল ইসলাম আদালতের বিচারের উপর নির্ভর করে অর্থ ফেরতের প্রত্যাশা কামনা করছে বলেও জানান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রতিবন্ধী পূর্নবাসন কল্যাণ সমিতির ঈদ সামগ্রী বিতরণ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
প্রতিবন্ধী পূর্নবাসন কল্যাণ সমিতির উদ্যোগে সচেতন মূলক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিবন্ধী পূর্নবাসন কল্যাণ সমিতির সভাপতি রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন প্রতিবন্ধী পূর্নবাসন কল্যাণ সমিতির মহাসচিব আবুল কালাম আজাদ, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ, জাতীয় অন্ধ সংস্থার সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি শফিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আহাদ, প্রতিবন্ধী পূর্নবাসন নারী উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী সদস্য রেহেনা পারভীন, সভানেত্রী নুর জাহান খাতুন, দৃষ্টি প্রতিবন্ধী আসাদুল ইসলাম। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা ভূমিহীন সমিতির সভাপতি কওছার আলী, কালিগঞ্জ থানা প্রতিনিধি মোঃ গোলাম রব্বানী, দেবহাটা থানা প্রতিনিধি আকবার আলী, আব্দুস সাত্তার, জাহিদ হোসেন, জামাত আলী সহ সংস্থার নেতৃবৃন্দ। সভায় বক্তারা বলেন, গত জুন মাসের শেষ সপ্তাহে ২ হাজার কেজি চাউল জেলা প্রশাসকের ত্রাণ শাখা থেকে একটি স্বার্থান্বেষী মহল অবৈধভাবে উত্তোলন করে নিয়েছে। এব্যাপারে জেলা প্রশাসক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরেও কোনো ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়নি। আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা না নিলে সড়ক অবরোধ সহ বিভিন্ন কর্মসূচি দেওয়ার ঘোষণা করেন নেতৃবৃন্দ। বক্তারা আরো বলেন, আমরা প্রতিবন্ধী। আর বর্তমান সরকার প্রতিবন্ধীদের প্রতি খুব আন্তরিক। তিনি প্রতিবন্ধীদের জন্য মাসিক ৭শ টাকা করে সম্মানি ভাতা দিচ্ছে। কিন্তু বর্তমান বাজারে সেই অল্প টাকায় সংসার পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না। এজন্য মাসিক ৩ হাজার টাকা করে বরাদ্ধ দেওয়ার জন্য জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকারের প্রতি আকুল আবেদন জানান। পৌর এলাকায় কোনো প্রতিবন্ধীকে ভিজিএফ কার্ড প্রদান করা হয়নি। অথচ সরকার সকলের জন্যই বরাদ্ধ দিয়েছেন। যারা কার্ড পাওয়ার যোগ্য তাদেরকে যেন কার্ড দেওয়া হয় সে ব্যাপারে জেলা প্রশাসকের প্রতি আহবান জানান। বক্তারা আরো বলেন, বর্তমানে একটি কুচক্রি, স্বার্থান্বেষী মহল সাতক্ষীরা জেলা প্রতিবন্ধী পূর্নবাসন কল্যাণ সমিতি ও জাতীয় অন্ধ সংস্থা ভাঙার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। অনেকেই প্রতিবন্ধী না হয়েও প্রতিবন্ধী সেজে সংগঠনকে ধ্বংস করার পায়তারা করে স্বার্থ হাসিল করার চেস্টা করছে। এসকল দোষীদের থেকে সজাগ থাকতে এবং তাদের চিহিৃত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান প্রশাসন সহ উর্দ্ধতন কতৃপক্ষের কাছে। সমাবেশ শেষে প্রতিবন্ধী পূর্নবাসন কল্যাণ সমিতির পক্ষ থেকে জেলায় মোট ৪শ জন প্রতিবন্ধীকে ঈদ উল আযহা উপলক্ষে সেমাই, চিনি ও সোয়াবিন তেল প্রদান করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল সপ্তাহ ব্যাপী বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন: চরম দূর্ভোগে রোগীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক:
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে গত এক সপ্তাহ ধরে বিদ্যুত না থাকায় চরম বিপাকে পড়েছেন রোগিরা। বিশেষ করে সে সব রোগি আগে অপারেশন হয়েছেন তারা পড়েছে আরও চরম বিপাকে। এদিকে জেলা শহরের দুর দরান্ত থেকে অপারেশন করতে আসা অসহায় ও গরীব রোগিরা সদর হাসপাতালের দুরাবস্থা দেখে ফিরে যাচ্ছে। বিশেষ করে চরম বিপাকে পড়েছে সিজারিয়ান রোগিরা। সিজারিয়ান মা ও নবজাতক বাচ্চা অসহনীয় গরমে নাভিশ্বাস উঠে যাচ্ছে। দেখা দিচ্ছে নানাবিধ রোগ। এদিকে বিদ্যুতের পাশাপাশি পানি না থাকায় হাসপাতলে পরিবেশ দুষন দেখা দিয়েছে। নিচ থেকে পানি নিয়ে রোগিদের বাথরুম ও অন্যান্য কাজ সারতে হচ্ছে।

সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিসাধীন শেফালি খাতুনের স্বামী মহব্বত আলি জানান গত তিনদিন আগে তার স্ত্রীকে সিজার করার জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করি। হাসপাতল কতৃপক্ষ বলে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে বিদ্যুত নেই। তোমার স্ত্রীকে যদি সিজার করতে হয় তাহলে জেনারেটরে তেল কিনে দিতে হবে। আমি তেল কিনে দিলে তারপর ডাক্তারা আমার স্ত্রীকে সিজার করে।

রোগির আত্মীয় সিদ্দিকুর রহমান জানান, তার এক আত্মীয় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতলে ১০ দিন আগে ভর্তি হয়েছেন। এরপর থেকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে বিদ্যুত ও পানি নেই।
রোগিদের অসহনীয় কষ্ট হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, একটা জেলা শহরের হাসপাতালের অবস্থা এমন হতে পারে না। বিষয়টি তিনি উর্দ্বতন কতৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন ডা: তওহীদুর রহমান জানান, গত এক সপ্তাহ আগে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের ট্রান্সফরমারটি নষ্ট হয়ে যায়। সাতক্ষীরা সদর হাতপাতালের প্রয়োজন ১৫০ কেভি পাওয়ার ট্রান্সফরমার। বিদ্যুত অফিসে বারবার বলা হলেও তারা ৫০ পাওয়ার কেভির বেশি ট্রান্সফরমা দিতে পারছে না। এ বিষয়ে খুলনা স্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তরে ১৫০ পাওয়ার কেভি ট্রান্সফরমর চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। নতুন ট্রান্সফরমারটি পাওয়া গেলে অপারেশনসহ যাবতীয় কাজ করা যাবে বলে তিনি জানান।
তিনি আরও বলেন ৫০ কেভি পাওয়ার ট্রান্সফরমা লাগানো হয়েছে তাতে কাজ হচ্ছে না। বর্তমানে হাসপাতালে ২৫০/৩০০ জন রোগি ভর্তি আছে। দুর দরান্ত থেকে অপারেশন করতে আসা রোগিরা ফিরে যাচ্ছে বলে তিনি জানান। এ ছাড়া হাসপাতালের অপারেশন আপাতত বন্ধ আছে।

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মো: ইফতেখার হোসেন জানান, রোগিদের দুর্ভোগের কথা চিন্ত করে সাতক্ষীরা বিদ্যুত অফিস থেকে ৫০ কেভি পাওয়ারের একটি ট্রান্সফরমা লাগানো হয়েছে। নতুন ১৫০ কেভি ট্রান্সফরমটি দুই একদিনে মধ্যে হাতে পাওয়া যাবে। নতুন ট্রান্সফরমাটি হাতে পেলে আগের মত অপারেশনসহ যাবতীয় কার্যক্রম শুরু হবে বলে তিনি জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আদালতে শামির জয়, ক্ষুব্ধ হাসিন

অনলাইন ডেস্ক: ভারতীয় পেসার মোহাম্মদ শামি ও তার স্ত্রী হাসিন জাহানের বিতর্ক পুরো ক্রিকেট বিশ্বে সমালোচিত। তবে এবার হাসিন জাহানের দায়ের করা একাধিক মামলার একটিতে জয় পেলেন শামি। হাসিন জাহানের ভরণপোষণ আবেদন নাকচ করলেন বিচারক। প্রতি মাসে ৭ লক্ষ টাকা ভরণপোষণের দাবি জানিয়ে আদালতে আবেদন করেছিলেন হাসিন। যা কিনা নাকচ করেছে আদালত। এছাড়া তিন বছর বয়সী মেয়ের পড়াশোনা ও অন্যান্য খরচের জন্য আরও তিন লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন হাসিন। তিন লক্ষ না পেলেও কিছুটা ভরণপোষণ এক্ষেত্রে পাবেন হাসিন।

বৃহস্পতিবার আলিপুর আদালতের তিন নম্বর বিচারবিভাগীয় বিচারক নেহা শর্মা হাসিনের মাসে ৭ লক্ষ টাকা ভরণপোণের আবেদন খারিজ করেন। তবে মেয়ের পড়াশোনা ও অন্যান্য খরচ বাবদ মাসিক ৮০ হাজার টাকা শামিকে দিতে হবে। প্রত্যেক মাসের ১০ তারিখের মধ্যে এই টাকা হাসিনকে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

শামির আইনজীবী সেলিম রহমান বলেন, ‘আমার মক্কেল মেয়ের খরচ দেবেন, এটা আগেই আদালতকে জানিয়েছিলাম। আদালতে তা মঞ্জুরও হয়েছে। হাসিন যে সিনেমায় অভিনয় করছে ও মডেলিংয়ের দুনিয়ায় ফিরে গেছে, তার প্রমাণ আমাদের কাছে রয়েছে।’

প্রসঙ্গত, হাসিন যেহেতু ফের নিজের পুরনো পেশা মডেলিং শুরু করেছেন, তাই তাকে ভরণপোষণ দেওয়ায় আপত্তি জানানো হয়েছে শামির পক্ষ থেকে। তার আইনজীবী দাবি করেন, হাসিন এখন নিজেই উপার্জন করছেন। তাই শামির কাছে ভরণপোষণর কোন প্রয়োজন নেই। শুধু মডেলিং নয়, হাসিন অভিনয়ের জগতেও পা রেখেছেন। বলিউডের একটি আসন্ন সিনেমাতেও দেখা যাবে তাকে।

হাসিনের আইনজীবী জাকির হোসেন পাল্টা যুক্তি দেন, এখনও তার মক্কেল পাকাপাকি কোন কাজ পাননি। বরং তিনি কাজের খোঁজে রয়েছেন হাসিন। তাই এই মুহূর্তে ভরণপোষণ বন্ধ হলে সমস্যা হবে। কিন্তু, আদালত তাতে কর্ণপাত করেনি। এই রায়ের বিরুদ্ধে আবারও আদালতে যাওয়ার কথা ভাবছেন হাসিন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest