সর্বশেষ সংবাদ-
শাহজাতপুর বাজার বণিক সমিতির আহ্বায়ক আকরাম – সদস্য সচিব শফিকুলইন্টারনেট ব্যবহারকারী ৮৮% শিশু-কিশোর, ৫৩% অনলাইন যৌন হয়রানির শিকার২৪ ঘন্টা ধরে নিখোঁজ ব্যবসায়ী হাকিমের সন্ধান চায় পরিবারপুলিশও হবেন, দলীয় এজেন্ডাও বাস্তবায়ন করবেনএটা হতে পারে না, বললেন হাসনাতচতুর্থ ব্যারিকেড অতিক্রম করে বাহুবলে এনসিপি নেতারাদেবহাটায় ১০০ কেজি জেলি-পুশকৃত চিংড়ি জব্দ : তিন ব্যবসায়ীকে জরিমানাশ্যামনগরের ভেটখালী বিলে পানিতে জলাবদ্ধতা : কৃষকের মাথায় হাতসংবাদ সম্মেলনে রাস্তা দখলের অভিযোগ অস্বীকার : রাস্তাটি ক্রয়কৃত দাবি ওমর ফারুকেরদক্ষিণ আফ্রিকায় অগ্নিকাণ্ডে ৬ বাংলাদেশির মৃত্যুসাতক্ষীরায় ৩১ কোটি ৯৪ লাখ টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস করল ১৭ বিজিবি

আমেরিকা একঘরে হয়ে পড়েছে : মাহাথির

বিদেশের খবর: মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মাদ বলেছেন, পাশ্চাত্যের সঙ্গে ইরানের স্বাক্ষরিত পরমাণু সমঝোতা থেকে বেরিয়ে গিয়ে আমেরিকা একঘরে হয়ে পড়েছে। থাইল্যান্ডের বিপিএস বার্তা সংস্থাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে মাহাথির বলেন, পরমাণু সমঝোতা ত্যাগ করার কারণে আমেরিকা আগের চেয়ে বেশি একঘরে হয়ে পড়েছে। এর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ আন্তর্জাতিক সমাজ এই আন্তর্জাতিক সমঝোতা বাস্তবায়নের দৃঢ় অঙ্গীকার করেছে। খবর পার্স ট্যুডে।

মাহাথির মোহাম্মাদ বলেন, আন্তর্জাতিক চুক্তিগুলো থেকে আমেরিকার একের পর এক একতরফা বেরিয়ে যাওয়ার কারণে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ওয়াশিংটনের ভূমিকা রাখার সুযোগ সংকুচিত হয়ে এসেছে।

এছাড়া এ ধরনের একতরফা পদক্ষেপ নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এত বেশি সমালোচিত হচ্ছেন যে, তার পক্ষে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হওয়া সম্ভব নাও হতে পারে।

২০১৫ সালের জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি, রাশিয়া, চীন ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে পরমাণু সমঝোতা স্বাক্ষর করে ইরান। ২০১৬ সালের জানুয়ারি মাসে এ সমঝোতার বাস্তবায়ন শুরু হলেও চলতি বছরের মে মাসে ওই সমঝোতা থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে বের করে আনেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যুবলীগ নেতার শহিদ মিনার ভাংচুরের প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন

আসাদুজ্জামান: যুবলীগের নেতা কর্তৃক শহিদ মিনার ভাংচুর ও এক মানবাধিকার কর্মীর উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন কর্মসুচি পালিত হয়েছে। শনিবার দুপুরে সদর উপজেলার বাঁশদহা ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ডের আয়োজনে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন কর্মসুচি পালিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ডার হাসানুল ইসলাম, বাঁশদহা ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল মেমিন, মুক্তিযোদ্ধা সহিল উদ্দীন, জিয়াদ আলী, সাবেক ইউপি সদস্য আজিজুল ইসলাম প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, সদর উপজেলার বাঁশদহা ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম রিপন হাওয়ালখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্থাপিত শহিদ মিনারটি ভেঙে ফেলেছে, এক মানবাধিকার কর্মীকে মারপিট করে লাঞ্চিত করেছে এবং ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শফিউর রহমানকে লাঞ্চিত করেছে। এসব ঘটনার দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও পুলিশ কোন ব্যবস্থা নেয়নি। বক্তারা এ সময় রিপনকে অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের ফ্রেব্রুয়ারী মাসে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার হাওয়ালখালি গ্রামের আলাউদ্দীন ২০ হাজার টাকা খরচ করে প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে শহিদ মিনার নির্মাণ করেন। নির্মাণের চারদিন পরেই স্থানীয় বিরোধের জের ধরে যুবলীগ নেতা রিপন শহিদ মিনারটি ভেঙ্গে দেন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শফিউর রহমান প্রতিরোধে এগিয়ে এলে তাকেও লাঞ্চিত করেন তিনি। এছাড়া ঈদের দিন এক মানবাধিকার কমীকে মারপিট করে লাঞ্চিত করে এই যুবলীগ নেতা রিপন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে আটক ৪১

আসাদুজ্জামান: সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে চার মাদক মামলার আসামীসহ ৪১ জনকে আটক করা হয়েছে।
শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে শনিবার সকাল পযর্ন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। উদ্ধার করা হয়েছে ফেন্সিডিল ও ইয়াবাসহ বেশ কিছু মাদক দ্রব্য। এসময় বিভিন্ন অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে ৩টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আটককৃতদের মধ্যে, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ৯ জন, কলারোয়া থানা থেকে ৫ জন, তালা থানা ৫ জন, কালিগঞ্জ থানা ৭ জন, শ্যামনগর থানা ৩ জন, আশাশুনি থানা ৭ জন, দেবহাটা থানা ২ জন ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ৩ জনকে আটক করা হয়েছে।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক আজম খান তাদের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারতের সেই ‘চুমু বাবা’ এখন পুলিশের জালে

বিদেশের খবর: সাংসারিক সমস্যা থেকে শারীরিক সমস্যা? সংসারে স্বামীকে নিয়ে অশান্তি! দীর্ঘদিন ধরে সন্তান হচ্ছে না! পরকীয়ায় আসক্ত হয়েছেন স্বামী? স্বামীকে বশ করা যাচ্ছে না? কোনো চিন্তা নেই। সোজা চলে আসুন ‘চুমু বাবা’র কাছে! এক চুমুতেই কিস্তিমাত! এ ধরনের প্রচারণা চালিয়ে এত দিন ঠকানো হচ্ছিল নারীদের।

গ্রেপ্তার হওয়া চুমু বাবার কাছে প্রতারণার শিকার লোকজন জানায়, সংসারের যাবতীয় সমস্যা সমাধানের এই চুমুর নাম হচ্ছে ‘চমৎকারী চুমু’। বলা হতো, এই চুমুর এমনই গুণ যে একবার চুমু বাবার কাছে গিয়ে চমৎকারী চুমু খেলেই সব সমস্যা নিমেষেই দূর হয়ে যাবে। তবে শর্ত একটাই, চুমু বাবার কাছে আসতে হবে শুধু নারীদের।

এমনই রমরমা ব্যবসা ফেঁদে বসেছিলেন ভারতের আসাম রাজ্যের স্বঘোষিত চুমু বাবা রামপ্রকাশ চৌহান। কিন্তু চুমু বাবা সেজেও শেষ রক্ষা হলো না। চুমুর অলৌকিক ক্ষমতা তাঁকে পুলিশি গ্রেপ্তার ঠেকাতে পারল না। এই চুমু বাবার ভণ্ডামির হদিস পেয়েই আসাম পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে তাঁকে। সেই সঙ্গে ছেলের হয়ে প্রচারণা চালানোর অভিযোগে রামপ্রকাশ চৌহানের মাকেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

জানা গেছে, ভারতের আসাম রাজ্যের মরিগাঁও জেলার ভোরালটুপ গ্রামের বাসিন্দা রামপ্রকাশ চৌহান। বয়স ত্রিশের কোঠায়। স্বঘোষিত এই অলৌকিক ক্ষমতাধর চুমু বাবা তাঁর আখড়ায় সমস্যা নিয়ে যাওয়া নারীদের জড়িয়ে ধরে চুমু দিতেন, আর তাতেই নাকি সব সমস্যার সমাধান হয়ে যেত।

আজব এই চুমুর মাহাত্ম্য ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়তে থাকে গ্রামের পর গ্রাম, এমনকি বহু দূর অবধি। প্রতিদিন দলে দলে নারীরা আসতে থাকে নানা সমস্যা নিয়ে চুমু বাবার ডেরায়। ভক্ত সমাগমের জেরে বাড়ির সামনে চুমু বাবার মন্দিরও নির্মাণ করা হয়। আর ছেলের এমন মাহাত্ম্যের কথা রীতিমতো প্রচার করতে শুরু করে দিলেন চুমু বাবা রামপ্রকাশ চৌহানের মাও।

শেষমেশ স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের কাছ থেকে বিষয়টি জানতে পারে আসাম পুলিশ। তার পরই অভিযান চালিয়ে হাতেনাতে চুমু বাবা ও তাঁর মাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বুজরুকির মাধ্যমে নারীদের আলিঙ্গন করে চুমু খাওয়ার অভিযোগে চুমু বাবাকে যেমন গ্রেপ্তার করা হয়, তেমনি ছেলের এই ভণ্ডামি ব্যবসায় সাহায্য করার জন্য চুমু বাবার মাকেও গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

স্থানীয় মারিগাঁওয়ের পুলিশ অধিকর্তা জে বরা জানিয়েছেন, অভিযুক্ত চুমু বাবা রামপ্রকাশ চৌহানের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, বিভিন্ন রকমের সমস্যা দূর করে দেওয়ার নামে নারীদের জড়িয়ে ধরে চুমু খাওয়ার মাধ্যমে যৌন লালসা পূরণ করতেন তিনি। সে অভিযোগেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মুসলিম ব্রাদারহুডের মতোই আরএসএস : রাহুল

বিদেশের খবর: ভারতের হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস) ইসলামপন্থী সংগঠন মুসলিম ব্রাদারহুডের মতোই বলে মন্তব্য করেছেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। স্থানীয় সময় গতকাল শুক্রবার যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

রাহুলের এ বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে আরএসএসের মিত্র ক্ষমতাসীন বিজেপি। তারা তাঁকে এজন্য ক্ষমা চাইতে বলেছে।

রাহুল গান্ধী বলেন, ‘আরএসএস ভারতের প্রকৃতি বা চরিত্র বদলানোর চেষ্টা করছে। ভারতের আর কোনো সংগঠন নেই যারা সব প্রতিষ্ঠান দখল করতে চায়। আমরা সম্পূর্ণরূপে নতুন চিন্তা নিয়ে কাজ করছি। প্রাচীন ধারণাকে পুনর্জন্ম দেওয়া হয়েছে। এই চিন্তা আরব বিশ্বের মুসলিম ব্রাদারহুডের মধ্যে পরিলক্ষিত হয়। এই চিন্তা যে মতাদর্শ ধারণ করে তা সব প্রতিষ্ঠানকে উপড়ে ফেলতে চায় এবং এই চিন্তা অন্য সব চিন্তাকে দুমড়েমুচড়ে দিতে চায়।’

এর জবাবে রাহুলের উদ্দেশে বিজেপির মুখপাত্র সমবিত পত্র বলেন, ‘আপনি কি মুসলিম ব্রাদারহুড সম্পর্কে কিছু জানেন? বেশ কয়েকটি দেশ এটাকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করেছে। আপনি এর সঙ্গে আরএসএস ও বিজেপির তুলনা করছেন।’

কংগ্রেস সভাপতি আরো বলেন, তাঁর দল ভারতের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ রাখে আর বিজেপি-আরএসএস তাদের বিভক্ত করে, তাদের মধ্যে ঘৃণা ছড়ায়।

রাহুল বলেন, ‘বিজেপি-আরএসএস আমাদের নিজেদের জনগণকে বিভক্ত করছে। তারা আমাদের নিজেদের মধ্যে ঘৃণা ছড়াচ্ছে। আমাদের কাজ হলো মানুষকে ঐক্যবদ্ধ রাখা এবং দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। আর আমরা এটা করে দেখিয়েছি।’ তিনি বলেন, ‘আমরা ভারতকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই এবং আপনি কোথাও শুনবেন না কোনো ভারতীয় ঘৃণা ছড়াচ্ছে। এটাই আমাদের সংস্কৃতি, এটাই আপনাদের সংস্কৃতি।’

বিজেপির মুখপাত্র সমবিত পত্র বলেন, ‘রাহুল, আপনার কোনো আক্কেল হলো না, ভারতকে বুঝতে পারলেন না। আপনার কোনো নেতৃত্বগুণ নেই। আপনি কেবল প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ঘৃণা করতেই জানেন। আপনি প্রধানমন্ত্রী মোদি, বিজেপি ও আরএসএসকে ঘৃণা করেন। আর আপনি এই ঘৃণা থেকেই দায়িত্বজ্ঞানহীন ও অপরিপক্ব বক্তব্য দিয়েছেন।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তিন দিন পর থেকে বৃষ্টিপাত বৃদ্ধির সম্ভাবনা

দেশের খবর: আগামী ৭২ ঘণ্টা পর থেকে ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্নস্থানে বৃষ্টিপাত বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়া আগামী ৪৮ ঘণ্টায় বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা কম রয়েছে।

আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক বলেন, এই সময়ে সকল সমুদ্রবন্দরে লঘুচাপ থাকছে। দক্ষিণাঞ্চলের নদীবন্দরসমূহে ১ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখানো হয়েছে।

আজ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জানানো হয়, চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। এ ছাড়া সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।

আবহাওয়ার বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মৌসুমী অক্ষের বর্ধিতাংশ ভারতের পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, বিহার, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের উপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় বিরাজ করছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রোহিঙ্গা সংকটের বর্ষপূর্তি; উখিয়া ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের বিক্ষোভ

দেশের খবর: কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিক্ষোভ করেছে রোহিঙ্গারা। শানিবার রোহিঙ্গা সংকটের এক বছর পূর্ণ হওয়ায় নিরাপদ প্রত্যাবাসনের দাবিতে এই বিক্ষোভ করেন। শনিবার (২৫ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১১টা পর্যন্ত টেকনাফ এবং উখিয়ার কুতুপালং, বালুখালী ও মধুরছড়ার বিভিন্ন ক্যাম্পে এক সঙ্গে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে রোহিঙ্গারা। এতে রোহিঙ্গা নেতারা বক্তব্য রাখেন।

বিক্ষোভে রোহিঙ্গা নেতারা বলেন,‘মিয়ানমারের রাখাইনে সেনাবাহিনী ও উগ্রপন্থী মগররা আমাদের ওপর নির্বিচারে হত্যা, ধর্ষণ ও বর্বর নির্যাতন চালিয়েছে। বাধ্য হয়ে আমাদের প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে হয়েছে। কিন্তু, এক বছর পার হয়ে গেলেও আন্তর্জাতিক মহল এখনও পর্যন্ত কোনও ধরনের সুরাহা করতে পারেনি। আমরা আমাদের মাতৃভূমি মিয়ানমারে চাই ফেরত যেতে। এজন্য আমাদের নিরাপদ পরিবেশ, নাগরিকত্ব ও একটি রাষ্ট্রের যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা দিতে হবে।

উখিয়ায় বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় একটি অংশের রোহিঙ্গা নেতা মোহাম্মদ ইদ্রিস বলেন,‘রোহিঙ্গা নির্যাতনের এক বছর পেরিয়ে গেছে। কিন্তু, আমাদের ভাগ্যের কোনও উন্নয়ন হয়নি। এজন্য আন্তর্জাতিক মহলকে নাড়া দিতে আজকের এই বিক্ষোভ সমাবেশ।’

উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের রোহিঙ্গা নেতা মোহাম্মদ আবু তাহের বলেন,‘সকাল থেকে আমরা আমাদের ব্লকে শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ করছি। এতে করে অন্তত আমাদের মনে একটু হলেও শান্তি আসবে। আমরা আমাদের অধিকার ফিরে পেতে চাই। আমরা দেশে ফিরে যেতে চাই।’

উখিয়ার বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের লালু মাঝি বলেন,‘আমাদের এই বিক্ষোভ মিয়ানমারের বিরুদ্ধে। আমরা আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য এই বিক্ষোভ সমাবেশ করছি। আজ এক বছর পার হলেও আমরা সুষ্ঠু বিচার নিয়ে সন্দিহান। আমরা বিচার চাই, মিয়ানমারের শাস্তি চাই।’

উখিয়ার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল খায়ের এর সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,‘আজ সকালে হঠাৎ করেই রোহিঙ্গারা ক্যাম্প থেকে রাস্তার নামার চেষ্টা করে। আমরা বাধা দিলে তারা ক্যাম্পের ভেতরেই শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোপ সমাবেশ করার অনুরোধ জানায়। পরে উখিয়া ও বালুখালীর বিভিন্ন ক্যাম্পে রোহিঙ্গারা তাদের কর্মসূচি পালন করে। রোহিঙ্গারা প্রতিবাদ সরূপ প্রায় দুই ঘণ্টা তাদের বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। এতে কোনও ধরণের অপ্রীতিকার ঘটনা ঘটেনি।’

১৯৮০ সালে আইন করে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার পর মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের ওপর দমন নিপীড়ন শুরু করে । এর পর নানা অজুহাতে রোহিঙ্গাদের ওপর নেমে আসে বর্বর নির্যাতন। গত ১৯৭৮ ও ১৯৯২ সাল থেকে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে পালিয়ে আসা শুরু করে। মিয়নমার সেনাবহিনী রোহিঙ্গাদের ওপর ২০১৬ সালের ৯ অক্টোবর এবং ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট ভয়াবহ নির্যাতন শুরু করে।
মুলত ২০১৭’র আগস্টের পর থেকে ধাপে ধাপে সামরিক প্রচারণা চালিয়ে সেখানকার বাসিন্দাদের রোহিঙ্গাবিদ্বেষী করে তোলা হয়। ফলে নিপিড়নের মুখে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে আসতে বাধ্য হয়। কিন্তু এবার প্রায় ৭ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আসে। নতুন পুরনো মিলিয়ে বাংলাদেশে রোহিঙ্গা সংখ্যা এখন ১১ লাখ ১৬ হাজার ৪১৭জন। এর বাইরেও দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে প্রায় তিন লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলকাতার সিরিয়াল; মমতার হস্তক্ষেপেই শুরু হলো শুটিং

বিনোদন সংবাদ: অবশেষে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপেই কাটল কলকাতার বাংলা মেগা সিরিয়ালের জট। গতকাল শুক্রবার থেকে ফের শুরু হচ্ছে টলিউডের কাজ। এবং আই আশ্বাস প্রদান করেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী।

বৃহস্পতিবার (২৩ আগস্ট) বিকেল ৪টা থেকে নবান্নে বৈঠকে বসেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে হাজির ছিলেন প্রযোজক গোষ্ঠী থেকে শুরু করে আর্টিস্ট ফোরাম, টেকনিশিয়ান এবং বিভিন্ন চ্যানেলের প্রতিনিধিরা। আর সেখানেই সব পক্ষের অভাব, অভিযোগের কথা শোনেন মুখ্যমন্ত্রী।

বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী জানান, আমাদের টেলি ইন্ডাস্ট্রি বাংলার গর্ব। বাংলার এই শিল্প বহু মানুষের কর্মসংস্থানের যোগান দেয়। তাই সব পক্ষ যাতে খোলামেলাভাবে আলোচনা করে সমস্যার সমাধান করতে পারে, তার জন্যই ডাকা হয় বৈঠক। শুধু তাই নয়, বৈঠকে প্রত্যেকে খোলামেলাভাবে আলোচনা করেছেন। এক সঙ্গে কাজ করতে হলে মতবিরোধ থাকতেই পারে। কিন্তু, সে সব মিটে গেছে। শুক্রবার থেকে ফের শুরু হবে শুটিং।

তবে প্রযোজক থেকে শুরু করে আর্টিস্ট ফোরাম কিংবা টেকনিশিয়ানদের কাজ করতে যাতে কোনো অসুবিধা না হয়, তার জন্য শিগগিরই একটি যৌথ কমিটি গঠন করা হবে। ওই কমিটিতে থাকছেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, প্রসেনজিত চট্টোপাধ্যায়, শ্রীকান্ত মোহতা, নিসপাল সিং রানে, শৈবাল বন্দ্যোপাধ্যায়, স্বরূপ বিশ্বাস, অপর্ণা ঘটক, লিনা গঙ্গোপাধ্যায়, জি বাংলার সম্রাট ঘোষ সহ অন্য চ্যানেলের প্রতিনিধিরাও। প্রত্যেক মাসে এই কমিটি বৈঠকে বসবে। মিটিয়ে নেবে নিজেদের মধ্যের যেকোনো ভুলবোঝাবুঝি।

মুখ্যমন্ত্রী আরো বলেন, কাজ করতে গিয়ে কারো সঙ্গে যাতে কারো মতবিরোধ না হয়, তা দেখাই এই কমিটির প্রধান কাজ। পাশাপাশি শিল্পীরা যাতে প্রতিমাসের ১৫ তারিখের মধ্যে বেতন পেয়ে যান, সেই বিষয়টিও দেখা হবে গুরুত্ব দিয়ে।

পাশাপাশি প্রযোজক থেকে টেকনিশিয়ান বা শিল্পীদের যদি কোনো অভিযোগ থাকে, এই কমিটি সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বৃহস্পতিবারের বৈঠকে সবকিছু সসম্মানে মিটে গেছে। খুব শিগগিরই টেলিভিশনের পর্দায় দর্শক আবার বাংলা সিরিয়াল দেখতে পাবেন বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী। সেই সঙ্গে বাংলার টেলিশিল্প ভবিষ্যতে আরো ভালো জায়গায় পৌঁছবে বলেও আশা প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী।

উল্লেখ্য, গত শনিবার থেকে বন্ধ হয়ে যায় রায় সব বাংলা সিরিয়ালের নতুন এপিসোডের শুটিং। প্রযোজক গোষ্ঠী এবং আর্টিস্ট ফোরামের মধ্যে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিরোধের কারণেই বন্ধ হয়ে যায় সিরিয়ালের শুটিং।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest