সর্বশেষ সংবাদ-
শাহজাতপুর বাজার বণিক সমিতির আহ্বায়ক আকরাম – সদস্য সচিব শফিকুলইন্টারনেট ব্যবহারকারী ৮৮% শিশু-কিশোর, ৫৩% অনলাইন যৌন হয়রানির শিকার২৪ ঘন্টা ধরে নিখোঁজ ব্যবসায়ী হাকিমের সন্ধান চায় পরিবারপুলিশও হবেন, দলীয় এজেন্ডাও বাস্তবায়ন করবেনএটা হতে পারে না, বললেন হাসনাতচতুর্থ ব্যারিকেড অতিক্রম করে বাহুবলে এনসিপি নেতারাদেবহাটায় ১০০ কেজি জেলি-পুশকৃত চিংড়ি জব্দ : তিন ব্যবসায়ীকে জরিমানাশ্যামনগরের ভেটখালী বিলে পানিতে জলাবদ্ধতা : কৃষকের মাথায় হাতসংবাদ সম্মেলনে রাস্তা দখলের অভিযোগ অস্বীকার : রাস্তাটি ক্রয়কৃত দাবি ওমর ফারুকেরদক্ষিণ আফ্রিকায় অগ্নিকাণ্ডে ৬ বাংলাদেশির মৃত্যুসাতক্ষীরায় ৩১ কোটি ৯৪ লাখ টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস করল ১৭ বিজিবি

যৌতুকের দাবীতে গৃহবধু নির্যাতনের শিকার

পলাশ দেবনাথ নুরনগর : শ্যামনগর উপজেলার নুরনগরের ছোট শ্যামনগর গ্রামে যৌতুকের দাবীতে এক গৃহবধুকে অমানবীক নির্যাতন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সূত্রে জানা যায় ৭বছর পুর্বে বিবাহ হয় ছোট শ্যামনগর গ্রামের আব্দুর রহিমের কন্যা রওশানারা খাতুনের সাথে দুরমুজখালী গ্রামের মোক্তার হোসেনের ছেলে ফয়সাল হেসেনের। রওশানার খাতুনের দুইটি পুত্র সন্তান আছে। বিবাহের পর থেকে সাংসারিক জীবন ভাল চলছিল না তাদের। অত্র এলাকার জনপ্রতিনিদিদের ভাষ্যমতে তাদের সাংসারিক গোলযোগ নিয়ে কয়েক বার গ্রাম্য শালিস বসিয়ে এত দিন যাবত চলছে তাদের সংসার। হঠাৎ গত বুধবার ঈদুল আযহার দিন রওশানার পিতা জামাই মেয়ে দাওয়াত করলে দাওয়াতে আসে তারা এবং দুপুরে খাওয়া দাওয়ার পর রওশানারা মাধ্যমে তার পিতার কাছে যৌতুকের দাবী করে। কিন্তু রওশানার পিতা দরিদ্র হওয়ায় পিতার কাছে যৌতুকের কথা বলতে পারিনি সে। এই জন্য শোশুরের বাড়িতেই জামাই ফয়সাল তার বউকে বেধড়ক মারধর করতে থাকে। এমতাবস্থায় রওশানারার পিতা দিশা কুল না পেয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্যা আছিয়া বেগমকে জানান। সাথে সাথে ইউপি সদস্যা আছিয়া বেগম ঘটনা স্থলে আসেন। এবং ফয়সালকে শ্যামনগর থানা পুলিশে সপর্দ করেন। তার পরিবারের সদস্যরা তাৎক্ষনিক নির্যাতনের শিকার রওশানারা খাতুনকে শ্যামনগর হাসপাতালে ভর্তি করেন। দুই সন্তানের জননী রওশানারা এখন উক্ত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। পরিবারের সদস্যরা জানায় এবিষয় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মনোনয়ন প্রত্যাশী আসাদুজ্জামান বাবু’র দোয়া কামনা

 

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর বাজার জামে মসজিদে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসাবে মুসুল্লীদের কাছে দোয়া কামনা করেছেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু। শুক্রবার জুম্মার নামাজের পূর্বে মসজিদের মুসুল্লীদের দোয়া কামনা করেন তিনি। এসময় আসাদুজ্জামান বাবু বলেন, স্বাধীনতা পরে বাংলাদেশে যত উন্নয়ন হয়েছে। সবই সম্ভব হয়েছে জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকারের সময়ে। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ ডিজিটালের ছোয়া পেয়েছে। মানুষ ঘরে বসে সকল প্রকার সেবা পাচ্ছে। গ্রামের কুড়ি থেকে সুদুর আমেরিকাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভিডিও কলের মাধ্যমে কথা বলতে পারছে। স্মার্ট কার্ড পাচ্ছে। পদ্মা সেতু প্রায় শেষ পর্যায়ে। দেশের এ উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আগামী নির্বাচনে তিনি দলীয় জননেত্রীর নৌকা প্রতীককে আবারো বিজয়ী করার আহ্বান জানান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাবেক সাব-রেজিষ্ট্রার শেখ করিমুলের দাফন সম্পন্ন

 

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাবেক সাব-রেজিষ্ট্রার শেখ করিমুল আলম ওরফে করিম জান আর নেই। গত ১৯আগষ্ট রাত ৮টা ৫৭মিনিটে ভারতের অন্ধপ্রদেশে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে তিনি ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না…….রাজিউন)। তিনি ক্যান্সারে আক্রান্ত হলে ভারতের ভেলোরে চিকিৎসা করতে যান। কিন্তু সেখান থেকে তাকে ফেরত পাঠানো হলে ফিরে আসার সময় অন্ধপ্রদেশে পথিমধ্যে তিনি ইন্তেকাল করেন। গত ২২আগষ্ট ঈদের দিন দুপুরে তার লাশ শহরের কাটিয়া কাছারিপাড়াস্থ নিজ বাড়িতে আনা হয়। পরে বাদ আসর জানাজা নামাজের পর রসুলপুর সরকারি কবরস্থানে দাফন করা হয়। জানাজা নামাজে উপস্থিত ছিলেন তালা-কলারোয়া আসনের সংসদ সদস্য এড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ, বিশিষ্ট সমাজ সেবক আলহাজ্ব আবুল কালাম বাবলা, জেলা সৈনিক লীগের সভাপতি মাহমুদ আলী সুমন, পৌর আওয়ামীলীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মাদ আলী সুজন, বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী আবু আফফান রোজ বাবু, সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের যুগ্ম আহবায়ক মেহেদীআলী সুজয় সহ গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। জানাজা নামাজ পরিচালনা করেন পুরাতন কোট মসজিদের ইমাম হাফেজ ফিরোজ আহমেদ। এদিকে, শুক্রবার মরহুমের নিজ বাড়িতে এক দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। উল্লেখ্য, সাবেক সাব-রেজিষ্ট্রার শেখ করিমুল আলম ওরফে করিম জান সাবেক সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম এড. এন্তাজ আলীর শ্যালক ও দৈনিক কালের চিত্র পত্রিকার মফস্বল বার্তা সম্পাদক মেহেদীআলী সুজয়ের সেজ মামা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরের গ্রাম পুলিশের জমি দখলের অপচেষ্টা

শ্যামনগর অফিস : শ্যামনগরের আটুলিয়া ছোটকুপট(সোয়ালিয়া)গ্রামের গ্রাম পুলিশ গোলাম রব্বানী মোড়লের দীর্ঘ ৫০/৫৫ বৎসর ভোগ দখলীয় জমি অবৈধ ভাবে দখলের অপচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।২৪ আগষ্ট একই গ্রামের গণি মোড়লের পুত্র শহিদুল,রফিকুল,সহ তাদের পরিবারের বুলবুল মোড়ল,বাচ্চু মোড়ল অন্যায় ভাবে গ্রাম পুলিশ গোলাম রব্বানীর কুপট মৌজার ১৪৯দাগের ২৮শতক জমি দখল করতে যেয়ে ব্যর্থ হয়ে তারা ভয়ভীতি প্রদর্শন,খুন জখমের হুমকি ও উক্ত জমি দখলের অচচেষ্টা অব্যহত রেখেছে।এ জমি নিয়ে বিজ্ঞ আদালতে ১৪৫ধারায় মামলা চলমান থাকা সত্বেও শহিদুল গং কোন প্রকার তোয়াক্কা না করে এ ধরণের অনৈতিক কার্যকলাপ করছে মর্মে শ্যামনগর থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে প্রতিপক্ষের হামলায় মহিলা আহত

শ্যামনগর অফিস : শ্যামনগরের বসত বাড়ী বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় এক মহিলা মারাত্মক আহত হয়েছে। এঘটনায় শ্যামনগর থানায় এজাহার দাখিল করেন পাখিমারা গ্রামের কেনাই মোড়লের পুত্র আবুল কালাম। এজাহার সুত্রে প্রকাশ, গত ২৪ আগষ্ট নওয়াবেঁকী গ্রামের সেকেন্দার,ডালিম,ঝন্টু,মুরাদ,নুর নাহার,ডালিয়া সহ কয়েক জন আবুল কালামের শ্বশুর নওয়াবেঁকী গ্রামের হাবিব মোড়লের পুত্র দাউদ মোড়লের বসত ভিটা জোর পূর্বক দখল করতে যায়। এক পর্যায়ে তারা দা, লাঠি, লোহার রড, শাবল ইত্যাদি দেশীয় মারাত্মক অস্ত্র সস্ত্র নিয়ে এলোপাতাড়ি ভাবে আবুল কালামের স্ত্রী নাজমা বেগম কে (৪০) কে হামলা করে বেধহড়ক মারপিট করে রক্তাক্ত মারাত্মক জখম করে। এসময় হামলা কারীরা নাজমা বেগমের শ্লীতাহানীর অপচেষ্টা, স্বর্ণের চেইন, নগদ টাকা সহ মূল্যবান জিনিস পত্রাদী জোর পূর্বক ছিনিয়ে নিয়ে যায় এবং মালামাল ক্ষতি সাধন করে। তারা অনাধিকার ভাবে ঘরে প্রবেশ করে নগদ টাকা ,স্বর্ণের অলংকারাদী ও মূল্যবান জিনিস পত্র নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। দীর্ঘদিন যাবত বসত ভিটা বাড়ী বিরোধের জের ধরে তারা প্রায় মারপিট ও খুন জখম করার হুমকি দিয়ে আসছিল। নাজমা বেগম বর্তমানে শ্যামনগর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
১০ বছরের শিশুকে মধ্যযুগীয় নির্যাতন, লড়ছে মৃত্যুর সঙ্গে

দেশের খবর: ১০ বছরের শিশু রোকসানা। নড়াইল সদর হাসপাতালের বিছানায় পড়ে আছে নিস্তেজ। ওইটুকু মেয়ের সারা শরীরে আঘাতের কালশিটে দাগ। দীর্ঘদিনের লাগাতার নির্যাতনের চিহ্ন, দগদগে ক্ষতও রয়েছে বিভিন্ন জায়গায়।

কঙ্কালসার দেহটি হাসপাতালের বিছানার সঙ্গে লেপ্টে আছে। বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় বাতাস, খাদ্যগ্রহণের শক্তিটুকু নিঃশেষ প্রায়। কৃত্তিম উপায়ে চলছে শ্বাসপ্রশ্বাস। ঢাকায় বাসাবাড়িতে কাজে নিয়ে রোকসানা নামের নড়াইলের ১০ বছরের এই শিশুটির ওপর মধ্যযুগীয় নির্যাতন চালানো হয়েছে। যৌন নিপীড়ন থেকে শুরু করে দীর্ঘ আট মাস ধরে এমন কোনও নির্যাতন নেই যা হয়নি শিশুটির ওপর।

মৃত্যু পথযাত্রী শিশুটি এখন নড়াইল সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছেন শিশুটির স্বজনরা।

স্বজনরা জানান, আট মাস আগে ঢাকার ওয়ারী এলাকার এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে শিশু রোকসানাকে গৃহপরিচারিকার কাজে নিয়োগ করেন লোহাগড়া উপজেলার বাহিরপাড়া গ্রামের সালেহা বেগম। রোকসানার পরিবারের দূরাবস্থার কথা ভেবে সালেহা তাকে পূর্ব পরিচিত ওয়ারী এলাকার টিপু সুলতান রোডের আসাদুল্লাহর বাড়িতে রেখে আসেন।

পরিবারের সদস্যরা জানতেন না কার বাড়িতে থাকে রোকসানা। মাঝে মধ্যে মোবাইল ফোনে মেয়ের সঙ্গে কথা হতো তাদের। আট মাস ওই বাসায় অবস্থানকালে রোকসানার ওপর অমানুষিক নির্যাতন চলে। নির্যাতন ছাড়াও প্রায়ই অনাহারে রাখা হতো তাকে।

একপর্যায়ে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে রোকসানা। অবস্থা বেগতিক দেখে তাকে ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করে পরিবারটি। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে স্বজনদের খবর দিয়ে ঢাকায় আনা হয়। গত ১৭ আগস্ট রাতে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয় রোকসানাকে। মরণাপন্ন অবস্থায় তাকে গত ১৯ আগস্ট নড়াইল সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন স্বজনরা।

শিশু রোকসানার ওপর এই নির্মমতা দেখে কষ্টে বুক ফেটে যায় মায়ের। হাসপাতালে যে-ই শিশুটিকে দেখতে যাচ্ছে তাকে জড়িয়ে ধরে হাউমাউ করে কাঁদছেন মা রত্না বেগম। বলেন, ‘একটু ভালো থাকার জন্য আমার মেয়েরে কোন জল্লাদের কাছে দিয়েছিলাম, আল্লাহ যেন জল্লাদদের উপযুক্ত শাস্তি দেয়।’

শিশু রোকসানাকে সরবরাহকারী সালেহার সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে ঢাকাস্থ নড়াইলের আমিনুল ইসলামসহ কয়েকজনকে পাষণ্ড পরিবারটি সম্পর্কে সালেহা তথ্য দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন আমিনুল।

আমিনুলের কাছে সালেহার দেওয়া তথ্যমতে, আসাদুল্লাহর বাড়ি মুন্সিগঞ্জের লৌহজং থানার খোলাপাড়া গ্রামে। তার বাবার নাম হাফেজ মোল্লা। বর্তমানে তিনি হজ্ব পালনের উদ্যেশ্যে মক্কায় অবস্থান করছেন। তার স্ত্রী সোনিয়ার গ্রামের বাড়ি সিরাজদিখান এলাকার জৈনসার গ্রামে। বাবার নাম খোরশেদ মোল্লা। ওয়ারীর বাড়িতে নিয়মিত আসা যাওয়া করতেন সোনিয়ার ভাই ইব্রাহিম। মূলত এই তিনজনই নির্যাতন করেছে শিশু রোকসানাকে।

আসাদুল্লাহর স্ত্রী সোনিয়ার মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

নড়াইল সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. মুশিউর রহমান বাবু জানান, রোকসানার ওপর যে ভয়াবহ নির্যাতন হয়েছে তার সব আলামতই রয়েছে শিশুটির শরীরে। সে এখনও শঙ্কামুক্ত নয় বলে জানিয়েছেন সদর হাসপাতালের এই চিকিৎসক।

এদিকে, এই ঘটনায় অভিযুক্ত আসাদল্লাহ, তার স্ত্রী সোনিয়া, সোনিয়ার ভাই ইব্রাহিম ও সরবরাহকারী সালেহা বেগমের নাম উল্লেখ করে গত ২২ আগস্ট লোহাগড়া থানায় মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা রাসেল শেখ।

লোহাগড়া থানার ওসি প্রবীর বিশ্বাস বলেন, ‘ইতিমধ্যে মামলার আসামিদের ঠিকানা ঢাকার ওয়ারী, মুন্সিগঞ্জের লৌহজং এবং সিরাজদীখান থানায় অনুসন্ধান স্লিপ পাঠানো হয়েছে। তারবার্তা ছাড়াও জরুরিভাবে মেইলে তথ্য জানানো হয়েছে।’

নড়াইলের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন (পিপিএম) বলেন, ‘শিশুটিকে যে ধরনের নির্যাতনের চিত্র পাওয়া গেছে তাতে এই ঘটনা যারাই ঘটাক তাদের কোনও মাফ হবে না। পুলিশ যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মিয়ানমারের বিচার চান আসিয়ানের ১৩২ এমপি

বিদেশের খবর: মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গাদের হত্যা-ধর্ষণসহ বর্বর নিধনযজ্ঞের জন্য দায়ীদের জাতিসংঘের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে বিচারের মুখোমুখি করতে চান দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার পাঁচ দেশের ১৩২ জন আইনপ্রণেতা। এ জন্য তারা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।

শুক্রবার (২৪ আগস্ট) এক যৌথ বিবৃতিতে তারা বলেছেন, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাসহ অন্যান্য সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর ওপর নিপীড়ন এবং মানবাধিকার লঙ্ঘন বন্ধ করতে দেশটির সরকার এবং দেশটির সেনাবাহিনীর ওপর চাপ বাড়াতে হবে।

২৫ আগস্ট রোহিঙ্গা সঙ্কটের এক বছর পূর্ণ হওয়ার আগের দিন শুক্রবার আসিয়ান পার্লামেন্টারিয়ানস ফর হিউম্যান রাইটসের (এপিএইচআর) ওয়েবসাইটে ওই যৌথ বিবৃতিটি প্রকাশ করা হয়।

বিবৃতিদাতাদের মধ্যে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপিন্স, সিঙ্গাপুর ও পূর্ব তিমুরের আইনপ্রণেতারা রয়েছেন। তাদের মধ্যে ২২ জন এপিএইচআর সদস্য।

বিবৃতিতে বলা হয়, মিয়ানমার রোম সংবিধিতে স্বাক্ষরকারী দেশ না হওয়ায় রোহিঙ্গা নিপীড়নের ঘটনায় দেশটিকে বিচারের মুখোমুখি করার এখতিয়ার হেগের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) নেই। কিন্তু জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদই পারে আইসিসির মাধ্যমে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্ত শুরুর ব্যবস্থা করতে।

এপিএইচআরের বর্তমান চেয়ার মালয়েশিয়ার আইনপ্রণেতা চার্লস সান্তিয়াগো বিবৃতিতে বলেন, ‘মিয়ানমারের সেনাবাহিনী রাখাইন রাজ্যে হত্যাযজ্ঞ শুরু করার পর এক বছর পেরিয়ে গেছে। কিন্তু ওই ঘটনায় দোষীদের বিচারের মুখোমুখি করার কোনো লক্ষণ আমরা এখন পর্যন্ত দেখিনি।’

‘মিয়ানমার যেহেতু বিষয়টির তদন্ত করতে অনিচ্ছুক এবং অপারগতা প্রকাশ করছে, তাই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কেই এ ঘটনায় জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে এগিয়ে আসতে হবে। মিয়ানমারে যারাই ওই ভয়ঙ্কর অপরাধের সঙ্গে যুক্ত থাকুক না কেন, তাদের অবশ্যই বিচারের মুখোমুখি হতে হবে। তাদের ছেড়ে দিয়ে ভবিষ্যতে আবারও একই ধরনের বর্বরতা ঘটানোর সুযোগ আমরা দিতে পারি না।’

আসিয়ানের ১৩১ জন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির দাবির সঙ্গে সংহতি জানিয়ে মিয়ানমারের অপরাধের বিষয়টি যত দ্রুত সম্ভব আইসিসিতে পাঠাতে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

বিবৃতিদাতা আইনপ্রণেতারা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক জোট আসিয়ানকেও এ বিষয়ে উদ্যোগী হওয়ার তাগিদ দিয়েছেন। এছাড়া আসিয়ানের সদস্য দেশ ইন্দোনেশিয়া আগামী বছর জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে যোগ দিচ্ছে অস্থায়ী সদস্য হিসেবে।

ইন্দোনেশিয়া এবং আসিয়ান যাতে মিয়ানমার সরকার ও দেশটির সেনাবাহিনীর ওপর আরও চাপ সৃষ্টি করে- সে আহ্বানও জানানো হয়েছে বিবৃতিতে।

এছাড়া বিবৃতিদাতা এমপিরা জাতিসংঘের বিশেষ দূত ইয়াংগি লি যাতে মিয়ানমারে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলো তদন্ত করার সুযোগ পান, সেজন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থনও চেয়েছেন।
গত বছরের ২৫ আগস্ট রাখাইনে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর বৃহদাকারে দমন-পীড়ন শুরু করে। তারা নির্বিচারে রোহিঙ্গা নারীদের ধর্ষণ ও পুরুষদের হত্যা করে বলে অভিযোগ ওঠে। আর প্রাণে বাঁচতে এ পর্যন্ত আট লাখের বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে পার্শ্ববর্তী বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।

জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা মিয়ানমারের বাহিনীর ওই অভিযানকে ‘জাতিগত নির্মূল অভিযান’ হিসেবে বর্ণনা করে আসছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ওপর নিষেধাজ্ঞাও আরোপ করেছে।

তবে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ বলে আসছে, তাদের লড়াই ‘সন্ত্রাসীদের’ বিরুদ্ধে, কোনো জাতিগোষ্ঠীকে নির্মূল করতে নয়।

সম্প্রতি দেশটির ডি-ফ্যাক্টো নেত্রী অং সান সু চি সিঙ্গাপুরে এক বক্তৃতাকালে রোহিঙ্গা ফেরানোর দায় বাংলাদেশের ঘাড়ে চাপিয়ে বলেন, তার দেশ শুধু ‘পালিয়ে যাওয়াদের’ গ্রহণ করতে পারে। তাদের ফেরানোর দায়িত্ব বাংলাদেশের।

মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের স্কীকার করে না। এমনকি দেশটির কর্তৃপক্ষ রোহিঙ্গা শব্দটি ব্যবহারেও নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রেখেছে। সু চি তার বক্তৃতায় রোহিঙ্গা শব্দটি ব্যবহার করেননি। দেশটি রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারের জনগোষ্ঠী বলে স্বীকারই করে না। যদিও সু চির পিতা জেনারেল অং সানের সরকারে চারজনে রোহিঙ্গা মন্ত্রী আরাকান তথা রাখাইনের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন।

১৩২ এমপির বিবৃতিতে আরো বলা হয়, মিয়ানমারে সুবিচারের অভাব কেবল রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর নয়, দেশটির কাচিন ও শান প্রদেশে অন্যান্য ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ওপরও প্রভাব ফেলছে। মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর সংঘটিত যুদ্ধাপরাধের কারণে এ প্রদেশগুলিতেও হাজারো মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার ৬ যাত্রী নিহত

দেশের খবর: ফেনীতে শ্যামলী পরিবহনের একটি বাসচাপায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬ জনে দাঁড়িয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম পরিচয় জানা যায়নি। তবে নিহতদের মধ্যে দুই নারী ও চার পুরুষ রয়েছেন বলে জানা গেছে।

শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের লেমুয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। তাদের ফেনী সদর হাসাপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ফেনী মডেল থানার পরিদর্শক রাশেদ চৌধুরী গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, লেমুয়া এলাকায় একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা সংযোগ সড়ক দিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে উঠে এলে বিপরীত দিক থেকে আসা শ্যামলী পরিবহনের একটি বাস তাদের চাপা দেয়। এতে ৬ যাত্রী নিহত হন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest