সর্বশেষ সংবাদ-
ব্রহ্মরাজপুরে ভেজাল দুধ তৈরির দায়ে জরিমানা – ৬ মাসের কারাদণ্ডদেবহাটায় পুলিশের অভিযানে আটক ভারতীয় রেনু পোনা খালে অবমুক্তসাধারণ সম্পাদকদের বড় ভাইয়ের মৃত্যুতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের শোকসাতক্ষীরায় আম সংগ্রহ শুরু : সিন্ডিকেটের কারণে ন্যায্য দাম না পাওয়ার শঙ্কা চাষিদেরসাতক্ষীরার বদরতলা-টু-ব্যাংদহা রোডে প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য শ্যামনগরে ২০ লাখ টাকার দাবিতে অপহৃত পশু চিকিৎসক  দু’দিন পর মুক্ত : আটক-৩সাতক্ষীরায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ’র সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণদেবহাটার পল্লীতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে জামায়াত নেতৃবৃন্দবিশ্বমুক্ত গণমাধ্যম দিবসে সাতক্ষীরায় অবস্থান কর্মসূচি খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক ওয়ার্কশপে অংশ নিলেন ৫ স্কাউটার

আজ শুরু হচ্ছে এলএনজি সরবরাহ

দেশের খবর: আমদানি করা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) সরবরাহ শুরু হচ্ছে আজ। এর মধ্য দিয়ে দেশে এলএনজির যুগও শুরু হল। তীব্র গ্যাস-সংকটের সমাধানে এ গ্যাস দেশবাসী ও শিল্প কারখানা মালিকদের আশার কথা শোনাবে।
শুক্রবার (১৭ আগস্ট) জ্বালানি সচিব আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিমের নেতৃত্বে উচ্চপর্যায়ের এক সভায় শনিবার (১৮ আগস্ট) থেকে জাতীয় গ্রিডে এলএনজি সরবরাহের সিদ্ধান্ত হয়। পাইপ লাইনের সীমাবদ্ধতার কারণে প্রথমে শুধু চট্টগ্রাম অঞ্চলে দৈনিক সর্বোচ্চ ৩৫ কোটি ঘনফুট এলএনজি সরবরাহ শুরু করা হবে। তাতে জাতীয় গ্রিড থেকে ওই অঞ্চলে সরবরাহ কমিয়ে দেওয়া সম্ভব হবে বলে দেশের সব অঞ্চলে গ্যাসের চাপ বাড়বে। সরবরাহ ঘাটতিও কমবে।
ইতিমধ্যে এলএনজি আনোয়ারা পর্যন্ত পৌঁছে গেছে। কর্তৃপক্ষ পাইপলাইনে চাপও তৈরি করেছে। কর্ণফুলী গ্যাস কোম্পানির পাইপলাইনগুলোও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা হয়েছে কোথাও কোনো ধরনের ছিদ্র আছে কিনা।
সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় গ্রিডে এলএনজি পৌঁছে দেয়ার জন্য সব কিছু চূড়ান্ত। আজ সকালে কর্ণফুলী গ্যাস কোম্পানির পাইপলাইনে আনুষ্ঠানিকভাবে এলএনজি সরবরাহ শুরু হবে। তবে এ নিয়ে কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনী অনুষ্ঠান করা হবে না। পরে দিনক্ষণ ঠিক করে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান করা হবে।
প্রতিদিন ২৮৩ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা পেট্রোবাংলা। দেশে গ্যাসের চাহিদা এর চেয়ে অনেক বেশি। গ্যাসের অভাবে দেশের শিল্পকারখানা পুরোদমে উৎপাদনে যেতে পারছে না। সারা দেশে সাড়ে ৩ হাজারের বেশি শিল্পকারখানায় গ্যাস সংযোগের অনুমতি দিয়েও সংকটের কারণে গ্যাস দিতে পারছে না সরকার। এ সংকট সমাধানে সরকার এলএনজি আমদানির পরিকল্পনা করে।

এলএনজি প্রকল্পের দায়িত্বে নিয়োজিত আরপিজিসিএলের এক কর্মকর্তা জানান, শনিবার সকালে টার্মিনালটি থেকে প্রতিদিন ৫০ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হবে। ১৫ বছরের চুক্তির আওতায় এলএনজি রিগ্যাসিফিকেশন করে এ গ্যাস সরবরাহ করবে এক্সিলারেট এনার্জি। এলএনজি আমদানির দায়িত্ব পেট্রোবাংলার। প্রাথমিক অবস্থায় ২৫ থেকে ৩০ কোটি ঘনফুট গ্যাস নেয়া হবে। অক্টোবরের পর নতুন আরেকটি পাইপলাইন বসলে ৫০ কোটি ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বৃহত্তর ঐক্যের জন্য বিএনপির সাত দফা

দেশের খবর: ‘তৃতীয় ধারা’র দলগুলোর সঙ্গে বৃহত্তর ঐক্য গড়ে আন্দোলনে নামার লক্ষ্যে সাত দফা খসড়া দাবিনামা প্রণয়ন করেছে বিএনপি। সেই সঙ্গে ওই দলগুলোর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক আলোচনার জন্য বিএনপির স্থায়ী কমিটির তিন সদস্যের সমন্বয়ে একটি লিয়াজোঁ কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা হলেন ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ ও নজরুল ইসলাম খান। তবে ‘তৃতীয় ধারা’র প্রবীণ দুই নেতা অধ্যাপক এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী ও ড. কামাল হোসেনের মধ্যে এখনো সমঝোতা না হওয়ায় ঐক্য প্রক্রিয়া থমকে আছে। বিএনপিসহ সংশ্লিষ্ট দলগুলোর সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

সূত্রমতে, গত এক সপ্তাহে বেশ কয়েক দফা বৈঠক করে লিয়াজোঁ কমিটি গঠন করেছে বিএনপি। একই সঙ্গে প্রস্তুত করা হয়েছে বৃহত্তর ঐক্যের জন্য সাত দফা দাবির খসড়া। এগুলো হলো—এক. নির্বাচনকালীন সরকার গঠন, দুই. নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন, তিন. সংসদ ভেঙে দিয়ে নির্বাচন, চার. নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন, পাঁচ. নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার না করা, ছয়. বিএনপিসহ অন্যান্য দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব মামলার কার্যক্রম স্থগিত করা এবং সাত. খালেদা জিয়ার মুক্তি। এসবের মধ্যে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিটিকে ‘দলীয়’ বলে মনে করেন বিএনপির নেতারা। কারণ নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্নাসহ বিএনপির সঙ্গে ঐক্যে আগ্রহী বিভিন্ন দলের কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধেও এ সরকারের আমলে মামলা হয়েছে।

সরকারের বিরুদ্ধে একাট্টা হওয়ার জন্য অন্য পাঁচটি দফার ব্যাপারে এরই মধ্যে ওই দলগুলোর নেতারা একমত হয়েছেন বলে জানা যায়। কিন্তু সমস্যা দেখা দিয়েছে নেতৃত্ব নিয়ে। বিশেষ করে নির্বাচনে জয়লাভ করলে প্রধানমন্ত্রী কে হবেন সে বিষয়টি নিষ্পত্তি করা কঠিন হয়ে পড়েছে বিএনপির জন্য। এ কারণে থমকে আছে বৃহত্তর ঐক্যের প্রক্রিয়া।

এ বিষয়ে বিকল্পধারা সভাপতি ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরী বলেন, ‘কামাল হোসেন কী চান তার জবাব তিনি দেবেন। তবে আমি সুস্পষ্টভাবে বলে দিচ্ছি—সংসদ সদস্য, প্রধানমন্ত্রী কিংবা রাষ্ট্রপতি, এর কিছুই আমি হতে চাই না। আমি একটিরও প্রার্থী নই। তবে ঐক্যের প্রশ্নে আমরা অবশ্যই ক্ষমতার ভারসাম্য চাই। ভারসাম্য না থাকলে স্বেচ্ছাচারী শাসনব্যবস্থা পাকাপোক্ত হয়। যেমন—১৪ দলীয় জোট থাকলেও আওয়ামী লীগ এখন স্বেচ্ছাচারী শাসন চালিয়ে যাচ্ছে।’

গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন অবশ্য এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে তাঁর দলের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ড. কামাল হোসেন কোনো দাবি-দাওয়ার মধ্যেই নেই। কত আসন পাওয়া যাবে, ভবিষ্যতে প্রধানমন্ত্রী নাকি রাষ্ট্রপতি হবেন এ বিষয়ে তিনি চিন্তাও করেন না। এমনকি নেতা হিসেবে তিনি সামনে থাকতে বা জাহির করতেও পছন্দ করেন না। তবে একটি শুভ পরিবর্তনের লক্ষ্যে তিনি কাজ করছেন।’

ঐক্যের বিষয়ে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পরিচিত গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘বি চৌধুরীর আর কামাল হোসেনের মধ্যে এক ধরনের স্নায়ুযুদ্ধ চলছে। তবে আমি বিএনপিকে বলেছি তোমরা চুপ করে থাকো। চিৎকার কোরো না। তারা দুজন, দুই দল বা যুক্তফ্রন্ট আলোচনা করে ঠিক করুক কে কী হতে চায়।’

কৌশলগত কারণে বিএনপির নেতারা অবশ্য এ বিষয়ে মুখ খুলতে রাজি হননি। তবে দলের স্থায়ী কমিটির দুজন সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ইস্যুভিত্তিক ঐক্য তথা যুগপৎ আন্দোলনের কাছাকাছি পৌঁছার পর হঠাৎ করেই দুই নেতার (বি চৌধুরী ও কামাল হোসেন) মধ্যে নেতৃত্বের প্রতিযোগিতা অনুভূত হয়েছে বিএনপির কাছে। এ অবস্থায় বিএনপির কিছুই করার নেই। তাঁরা বলেন, প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণেই বিএনপি ছাড় দিতে রাজি আছে। এক বছরের জন্য প্রধানমন্ত্রী তাঁরা চান না। কিন্তু তাদের মধ্যে ঐক্য বা সমঝোতা না হলে বিএনপি কী করবে সে প্রশ্ন করেন তাঁরা।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অবশ্য দাবি করেন, বৃহত্তর ঐক্যের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে আগ্রহী দলগুলো। তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক মেরুকরণ বা ঐক্য প্রথমে কিছুটা হোঁচট খায়—এটাই নিয়ম। কিন্তু পরে পরিস্থিতিই তাদের ঐক্যবদ্ধ করে দেয়। সামনে এমন পরিস্থিতি তৈরি হবে, যা গণতন্ত্র রক্ষায় সব দলকে একমঞ্চে এনে দেবে। চাওয়া-পাওয়া সেখানে কোনো প্রভাব ফেলবে না।’

দুর্নীতির মামলায় সাজা হওয়ায় বিএনপির প্রধান দুই নেতা খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান নির্বাচনে অংশ নিতে পারছেন না। কিন্তু এ অবস্থায় নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে নেতৃস্থানীয় একজনকে অন্তত এক বছরের জন্য প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন করতে হবে। বিষয়টি নিষ্পত্তি করতে হবে নির্বাচনের আগেই। কারণ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে বিএনপিকে সুস্পষ্টভাবে ‘বার্তা’ দিতে হবে বলে দলটির মধ্যে আলোচনা আছে।

সূত্রমতে, এমন পরিস্থিতিতে বিএনপির সামনে বিকল্প দুটি নাম আছে। এক. সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিকল্পধারা সভাপতি ডা. বি চৌধুরী এবং দুই. গণফোরাম সভাপতি ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন। প্রথম দিকে বি চৌধুরীকে কেন্দ্র করেই বেশি তৎপর ছিল বিএনপি। মির্জা ফখরুল ও ডা. জাফরুল্লাহর উদ্যোগে অনেকটা অগ্রগতিও হয়েছিল। কিন্তু মাহী বি চৌধুরী দেশে ফেরার পর পরিস্থিতি বদলে যায়। গত ১ জুলাই মির্জা ফখরুলের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি জোট গঠন প্রক্রিয়ার শর্ত হিসেবে ১৫০ আসন দাবি করার পাশাপাশি ক্ষমতায় ভারসাম্য আনার কথা বলেন। এ নিয়ে কিছুটা বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। যদিও পরে নানাভাবে বিষয়টি নিষ্পত্তি করার চেষ্টা করেন যুক্তফ্রন্টের নেতারা। তাঁরা গত ৬ আগস্ট বিএনপির সঙ্গে একমঞ্চে উঠে বক্তৃতাও করেন। কিন্তু ওই ঘটনার রেশ এখনো রয়ে গেছে বলে অনেকে মনে করেন।

এদিকে ড. কামাল হোসেন হঠাৎ করেই সরকারের বিরুদ্ধে কঠোর বক্তব্য রেখে লাইমলাইটে আসেন। বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতাদের সঙ্গেও তাঁর কয়েক দফা বৈঠক হয়। গত ৪ আগস্ট সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারের বাসায় মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে নৈশভোজে অংশ নিয়ে আলোচনার শীর্ষে চলে আসেন তিনি। বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলের তৎপরতার সঙ্গে ড. কামালের ভূমিকার যোগসূত্র থাকার আলোচনা আছে রাজনৈতিক অঙ্গনে। সার্বিকভাবে কামাল হোসেনের সাম্প্রতিক ভূমিকায় বিএনপি বেশ খুশি হয় বলে জানা যায়। আবার বিএনপির মনোভাব ও তৎপরতায় সংশয় তৈরি হয় যুক্তফ্রন্টভুক্ত বিকল্পধারা, জেএসডি ও নাগরিক ঐক্যের মধ্যে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, আগামী ২২ সেপ্টেম্বর মহাসমাবেশ করার বিষয়ে কামাল হোসেনের উদ্যোগকেও সন্দেহের দৃষ্টিতে দেখছে যুক্তফ্রন্ট। গত ১৫ আগস্ট বি চৌধুরীর বাসায় অনুষ্ঠিত যুক্তফ্রন্টের বৈঠকে উপস্থিত কয়েক নেতা এ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। কেউ কেউ ওই উদ্যোগের পেছনে বিএনপির হাত আছে কি না সে নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেন। যদিও বৈঠকে বৃহত্তর ঐক্যের ব্যাপারে ইতিবাচক অবস্থানে থাকার সিদ্ধান্ত হয়।

ড. কামাল হোসেনের কর্মসূচির বিষয়ে জেএসডি সভাপতি আ স ম রব বলেন, ‘আপাতত ওই কর্মসূচির বিষয়ে কিছু বলতে চাই না। তারা কর্মসূচি পালন করতে চায় করুক। আমরা যুক্তফ্রন্টের কার্যক্রম নিয়ে ব্যস্ত আছি।’ বি চৌধুরী ও কামাল হোসেনকে ঐক্যবদ্ধ করতে পারবেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এ মুহূর্তে মন্তব্য করতে চাই না। আমরা কাজ করে যাচ্ছি। একত্রে কাজ করতে চাইলে তিনি (কামাল হোসেন) আসবেন, অসুবিধা কী!’

জানা গেছে, বিএনপির প্রস্তাবিত সাত দফা আগ্রহী দলগুলোর মতামতের জন্য পাঠানোর পর ওই দলগুলোর কাছ থেকেও বিকল্প প্রস্তাব নেওয়া হবে। এরপর কমন ইস্যুগুলো একত্রিত করে যুক্ত ইশতেহার বা যৌথ ঘোষণা তৈরি করা হবে। এভাবে প্রথমে একই কর্মসূচিতে যুগপৎ আন্দোলন এবং পরে কঠোর আন্দোলন শুরু হলে দলগুলোর এক মঞ্চে গিয়ে ওঠার পরিকল্পনা রয়েছে।

লিয়াজোঁ কমিটি গঠনের আগে বিকল্পধারা, জেএসডি ও নাগরিক ঐক্যের সঙ্গে আলোচনার দায়িত্ব পালন করছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও মওদুদ আহমদ আলোচনা করছিলেন গণফোরামের সঙ্গে। আর বামপন্থী দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার ভার ছিল নজরুল ইসলাম খানের ওপর। কিন্তু সম্প্রতি বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে বলা হয়, আলাদাভাবে তিন অংশের সঙ্গে আলোচনায় অনেক সময় তথ্য আদান-প্রদানে শূন্যতা থাকে। তাই সর্বশেষ বৈঠকে লিয়াজোঁ কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রাজধানীতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১

অনলাইন ডেস্ক: রাজধানীর তেজগাঁও এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে মাইক্রোবাস চাপায় শফিকুল ইসলাম (৪০) নামে এক শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এ সময় ইসমাঈল হোসেন (৪০) আরও এক শ্রমিক গুরুতর আহত হয়েছেন।

শনিবার (১৮ আগস্ট) ভোরে রাস্তায় রোড ডিভাইডারের সংস্কার কাজ করার সময় এ দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহত শফিকুল শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ি উপজেলার তারাকান্দি গ্রামের মৃত আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে এবং আহত ইসমাঈল একই এলাকার বাসিন্দা মোশাররফ হোসেনের ছেলে।

তেজগাঁও থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনের রাস্তায় রাতে রোড ডিভাইডার সংস্কারের কাজ করছিল শ্রমিকরা। ভোররাতে একটি দ্রুতগামী মাইক্রোবাস তাদের ওপর তুলে দেয়। এতে দু’জন শ্রমিক গুরুতর আহত হয়। পরে তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল জরুরী বিভাগে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শফিকুলকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত ইসমাঈল হোসেন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে তার অবস্থাও আশংকাজনক। মাইক্রোবাসটিকে আটক করা গেলেও চালক পলাতক রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঈদ মাতবে মাহফুজুর রহমান ও ইভার গানে

বিনোদনের খবর: ঈদের আনন্দকে বাড়িয়ে দিতে এটিএন বাংলার ঈদ আয়োজনের দুই দিন থাকছে কণ্ঠশিল্পী ইভা রহমান ও ড. মাহফুজুর রহমানের বিশেষ গানের অনুষ্ঠান। এই ঈদে ইভা রহমান হাজির হচ্ছেন ‘মনের রঙে রাঙাবো’ শিরোনামের গানের অনুষ্ঠান নিয়ে। অনুষ্ঠানটি প্রচার হবে ঈদের দিন, রাত ১০.৩০ মিনিটে। আর ড. মাহফুজুর রহমান হাজির হচ্ছেন ‘বলো না তুমি কার’ শিরোনামের একটি গানের অনুষ্ঠান নিয়ে। এটি প্রচার হবে ঈদের তৃতীয় দিন রাত ১০.৩০ মিনিটে। শিল্পী ইভা রহমানের গাওয়া গান নিয়ে এ পর্যন্ত ২৪টি অ্যালবাম প্রকাশিত হয়েছে। এসব অ্যালবাম থেকেই বাছাই করা গানগুলো নিয়ে সাজানো হয়েছে ‘মনের রঙে রাঙাবো’ অনুষ্ঠানটি। আর গানগুলো চিত্রায়িত হয়েছে দেশে এবং দেশের বাইরের মনোরম সব লোকেশনে। অন্যদিকে কণ্ঠশিল্পী ড. মাহফুজুর রহমান যে গানগুলো পরিবেশন করবেন সেগুলো হলো- একটা মন দাও, কত সুন্দর তুমি, স্মৃতি নিয়ে বেঁচে আছি, শুধু তোমাকেই, আমার চেয়ে অনেক বেশি, আজ কেন মনে হয়, আমাকে আর ভালোবাস না, একা থাকার যন্ত্রণা ইত্যাদি। স্টুডিওসহ দেশে এবং দেশের বাইরের মনোরম লোকেশনে চিত্রায়িত হয়েছে অনুষ্ঠানের গানগুলো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৩০০ আসনে তৎপর আওয়ামী লীগের ১৫০০ প্রার্থী

দেশের খবর: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতি আসনে গড়ে পাঁচজন প্রার্থী আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চান। কিছু আসনে একক প্রার্থী আবার কিছু আসনে ডজন প্রার্থীও রয়েছেন। ফলে গড়ে ৩০০ আসনে নৌকার টিকিট পেতে চান ১৫০০ প্রার্থী। এ বিপুল সংখ্যক প্রার্থী সারা দেশের প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় যে যার মতো করে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আর মাত্র চার মাস বাকি থাকায় নতুন মুখের পদচারণায় তৃণমূলে নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে। বিশেষ করে পবিত্র ঈদুল আজহাকে ঘিরে সরগরম হয়ে উঠেছে তৃণমূল রাজনীতি। প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় প্রার্থীদের নানা রঙের পোস্টার-ব্যানার ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে। তৃণমূলকে আস্থায় নিতে যে যার মতো দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন।

আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী ফোরামের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী বাছাই এবার কঠিন হবে। তৃণমূলের মতামতকে প্রাধান্য দিয়ে চার স্তরের জরিপ মিলিয়ে দেখা হবে। সে কারণে বর্তমান এমপি কিংবা আওয়ামী লীগ নেতা, সাবেক ছাত্রনেতা— এসব যোগ্যতা থাকলেই নৌকার টিকিট পাওয়া যাবে না। যাকে মনোনয়ন দিলে জিতে আসার সম্ভাবনা বেশি, আগামী নির্বাচনে তাকেই দেওয়া হবে নৌকার টিকিট। ক্ষমতাসীন নেতারা বলেন, প্রতিটি আসনে আওয়ামী লীগের একাধিক প্রার্থী রয়েছেন। সবকিছু যাচাই-বাছাই করে যিনি সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়, তাকেই মনোনয়ন দেবেন শেখ হাসিনা। সে কারণে মনোনয়ন প্রত্যাশীরা এখন তৃণমূলের দিকে ঝুঁকছেন। তারা সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত নির্বাচনী এলাকায় গণসংযোগ করে বেড়াচ্ছেন। আসন্ন ঈদুল আজহায় মনোনয়নপ্রত্যাশীরা বেশি করে গরু-ছাগল কোরবানি দিচ্ছেন বলেও জানা গেছে। জাতীয় নির্বাচনের আগে এটাই শেষ ঈদ। সে কারণে ঈদকে গুরুত্ব দিচ্ছেন দলের মনোনয়নপ্রত্যাশীরা।

আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বলছেন, ঢাকা বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত প্রার্থীরা রয়েছেন ফরিদপুর-১ আসনে। এ আসনে বর্তমান এমপি আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান। এখানে মনোনয়ন চান আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য কাজী সিরাজুল ইসলাম, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি লিয়াকত সিকদার, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দিলীপ রায় ও কৃষক লীগের সহ-সভাপতি আরিফুর রহমান দোলন। তারা সমানতালে এলাকায় গণসংযোগ করছেন।

শরীয়তপুর-২ আসনের প্রতিটি গ্রাম, পাড়া মহল্লায় গণসংযোগ, কর্মিসভা করে চলেছেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীম। কুমিল্লা-৪ আসনের বর্তমান এমপি রাজী মোহাম্মদ ফখরুলের পাশাপাশি দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশায় মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন সাবেক মন্ত্রী এবিএম গোলাম মোস্তফা, যুবলীগের কেন্দ্রীয় নেতা আবুল কালাম আজাদ। চাঁদপুর-৩ আসনে বর্তমান এমপি ডা. দীপু মনি ছাড়াও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী নির্বাচনী প্রচারণায় রয়েছেন। তারা দুজনই সমানতালে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। এ ছাড়াও নৌকার টিকিটের প্রত্যাশায় আছেন মো. রেদওয়ান খান (বোরহান)। নোয়াখালী-৬ আসনে দলীয় এমপি বেগম আয়েশা ফেরদাউস ছাড়াও মনোনয়নপ্রত্যাশী সাবেক এমপি মোহাম্মদ আলী, মাহমুদ আলী রাতুল ও আমিরুল ইসলাম নিয়মিত এলাকায় গণসংযোগ করে চলেছেন। চট্টগ্রাম-৬ আসনে দলীয় এমপি এবিএম ফজলে করিম ছাড়াও মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন নিয়মিত গণসংযোগ করছেন। দিনাজপুর-১ আসনে বর্তমান এমপি মনোরঞ্জন শীল গোপালের সঙ্গে নির্বাচনী প্রচারণায় আছেন সাবেক ছাত্রনেতা আবু হোসাইন বিপু। গাইবান্ধা-৫ আসনের এমপি ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া ছাড়াও এই আসনে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাহমুদ হাসান রিপন। প্রতিটি ইউনিয়ন, ওয়ার্ড নেতাদের সঙ্গে নিয়ে সরকারের উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরার পাশাপাশি কর্মিসভা, আলোচনা সভা ও পথসভা করে নিজের অবস্থান জানান দিচ্ছেন তিনি। নওগাঁ-৫ আসনে ব্যাপক গণসংযোগ করছেন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবদুল জলিলের ছেলে নিজাম উদ্দিন জলিল জন। নাটোর-৪ আসনে বর্তমান এমপি আবদুল কুদ্দুস নিয়মিত এলাকায় থাকছেন। এ আসনে দলীয় মনোনয়ন চান এমপিকন্যা যুব মহিলা লীগের সহসভাপতি কোহেলী কুদ্দুস মুক্তি, বড়াইগ্রাম উপজেলা চেয়ারম্যান ডা. সিদ্দিকুর রহমান পাটোয়ারী ও সাবেক ছাত্রনেতা আহমদ আলী মোল্লা। ঢাকা-২ আসনে গণসংযোগে ব্যস্ত আছেন উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ। ঢাকা-৫ আসনে বর্তমান এমপি হাবিবুর রহমান মোল্লার পাশাপাশি তারপুত্র মশিউর রহমান সজল মোল্লা, যাত্রাবাড়ী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মনোয়ার হোসেন মনু গণসংযোগে তৎপর। ঢাকা-৮ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে জোর প্রচারণায় আছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট। পিরোজপুর-১ আসনের এমপি এ কে এম আউয়াল ছাড়াও দলের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে রয়েছেন, আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক শ ম রেজাউল করিম, আওয়ামী লীগ নেতা শাহ আলম ও ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইসহাক আলী খান পান্না। সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে বর্তমান এমপি গাজী ম ম আমজাদ হোসেন মিলন দলীয় ও সরকারি কর্মসূচিতে অংশ গ্রহণের পাশাপাশি এলাকায় গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এই আসনে দলের অন্য মনোনয়ন প্রত্যাশীরাও বসে নেই। এদের মধ্যে রয়েছেন আওয়ামী লীগ নেতা বিশিষ্ট শিল্পপতি লুত্ফর রহমান দিলু, কৃষক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন সুইট ও প্রয়াত এমপি ইসহাক আলীর পুত্র ইমন তালুকদার। পাবনা-৪ আসনে বর্তমান এমপি শামসুল রহমান শরিফ ছাড়াও স্বেচ্ছাসেবক লীগের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম লিটন প্রচারণায় আছেন। চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে এমপি আলী আজগর টগর ছাড়াও এই আসনে গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পারছেন যুবলীগের কেন্দ্রীয় নেতা হাসেম রেজা। মাগুরা-১ আসনে প্রতিটি গ্রাম ঘুরে বেড়াচ্ছেন সাবেক ছাত্রনেতা ও প্রধানমন্ত্রীর এপিএস সাইফুজ্জামান শিখর। দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা ছাড়াও উঠান বৈঠক, সরকারের উন্নয়নগুলো জনগণের সামনে তুলে ধরতে মতবিনিময় সভা করছেন তিনি। বাগেরহাট-৪ আসনে নিয়মিত গণসংযোগ অব্যাহত রেখেছেন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এইচএম বদিউজ্জামান সোহাগ। খুলনা-৩ আসনে নিয়মিত গণসংযোগ করছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা এসএম কামাল হোসেন। সাতক্ষীরা-৪ আসনের বর্তমান এমপি এসএম জগলুল হায়দার ব্যতিক্রমী নির্বাচনী প্রচারণায় আছেন। তিনি কখনো কৃষক শ্রমিকদের সঙ্গে ভাত ভাগাভাগি করে খান, কখনো গভীর রাতে নিজ কাঁধে চাল, ডাল ও মুরগি নিয়ে হাজির হন অনাহারির বাড়িতে। আবার শ্রমিকদের সঙ্গে কৃষি কাজেও দেখা যায় তাকে। পটুয়াখালী-১ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী কেন্দ্রীয় তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজালের পাশাপাশি গণসংযোগ করছেন কৃষক লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ হাওলাদার। বরিশাল-৩ আসনে নিয়মিত যাচ্ছেন সাবেক ছাত্রনেতা অ্যাডভোকেট বলরাম পোদ্দার। ময়মনসিংহ-৫ আসনে জোর প্রচারণা শুরু করেছেন সাবেক এমপি শামসুল হকের ছেলে মোহাম্মদ তারেক। নেত্রকোনা-১ আসনে এবার নির্বাচনী প্রচারণায় রয়েছেন সাবেক এমপি মোস্তাক আহমেদ রুহী। নেত্রকোনা-২ আসনে নৌকার টিকিট চান সাবেক এমপি আশরাফ আলী খান খসরু, সাবেক ছাত্রনেতা চিত্রনায়ক রানা হামিদ। নেত্রকোনা-৩ আসনে বর্তমান এমপি ইফতিকার উদ্দিন পিন্টু ছাড়াও জোর প্রচারণায় আছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল। তিনি গত কয়েক বছর ধরেই সপ্তাহে দুই দিন নিয়মিত এলাকায় যাচ্ছেন এবং দলীয় কর্মসূচি ছাড়াও সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড জনগণের সামনে তুলে ধরছেন। এ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে আরও আছেন যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপিকা অপু উকিল, সাবেক এমপি মঞ্জুর কাদের কোরাইশী। নেত্রকোনা-৪ আসনে রেবেকা মমিনের পাশাপাশি নিয়মিত এলাকায় যাচ্ছেন সাবেক ছাত্রনেতা শফি আহমেদ। নেত্রকোন-৫ আসনে ওয়ারেসাত হোসেন বেলাল ছাড়াও আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, সাবেক ছাত্রনেতা তুহিন আহম্মদ খান দলীয় মনোনয়ন চান। কিশোরগঞ্জ-২ আসনে সোহরাব উদ্দিন এমপি ছাড়াও জোর প্রচারণায় রয়েছেন সাবেক আইজিপি নূর মোহাম্মদ। এ ছাড়াও এ আসনে নৌকা পেতে চান সাবেক ছাত্রনেতা ড. জায়েদ মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ। মুন্সীগঞ্জ-১ আসনে সুকুমার রঞ্জন ঘোষের পাশাপাশি আওয়ামী লীগের সাবেক স্বাস্থ্য সম্পাদক ডা. বদিউজ্জামান ভুইয়া ডাবলু, সাবেক ছাত্রনেতা গোলাম সরোয়ার কবির গণসংযোগে আছেন। নরসিংদী-৫ আসনে বর্তমান এমপি রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজুর পাশাপাশি সমানতালে গণসংযোগ, কর্মিসভা ও মতবিনিময় করে চলেছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য অ্যাডভোকেট রিয়াজুল কবির কাওছার ও যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আজ মেয়েদের শিরোপা নবায়নের ফাইনাল

খেলার খবর: মাহমুদার কাছে ফুটবল খেলাটা বড় বিরক্তিকর হয়ে গেছে। সে অনূর্ধ্ব-১৫ দলের কর্মহীন গোলরক্ষক! গোলপোস্টের নিচে ঠায় দাঁড়িয়ে থাকা ছাড়া বিশেষ কোনো কাজ নেই। প্রতিপক্ষের কোনো চাপ নেই, বড় পরীক্ষা নেই, তাই ভুলেরও সুযোগ নেই। সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ মহিলা ফুটবলের সেই ঢাকা আসর থেকে ধরলে এখনো পর্যন্ত সবই ‘ক্লিন শিট’। টানা সাত ম্যাচে গোল খায়নি সে! অষ্টম ম্যাচের আগে মাহমুদা আক্তারের কণ্ঠে তাই দুর্দান্ত আত্মবিশ্বাস, ‘গোলহীন আরেকটা ম্যাচ কাটাতে চাই আমি। আমার জায়গা থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে। সেটা করতে পারলেই শিরোপা আমাদের কাছে থেকে যাবে।’ নিজেদের পোস্ট না হয় সুরক্ষিত থাকল, কিন্তু শিরোপা জিততে হলে যে গোল করতে হবে। এ নিয়ে বাংলাদেশ কোচেরও দেখছি ন্যূনতম টেনশন নেই, ‘গোল নিয়ে অত চিন্তা নেই। স্বাভাবিক খেলায় সুযোগ আসবে, গোলও হবে।’

এই বাংলাদেশ দলে আসলে গোলের মানুষ অনেক। দুই ফরোয়ার্ড শামসুন্নাহার ও তহুরার আছে সর্বোচ্চ চার গোল করে। অন্যদেরও অনেক গোল। বড় সুবিধা হলো, ডিফেন্ডাররাও গোল করছে সমানে। তাহলে তো হয়েই গেল। গোল খাওয়া এবং দেওয়ায় যখন সমস্যা নেই তখন গতবারের চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ দলকে ঠেকায় কে! ভারতের বিপক্ষে ফাইনাল ম্যাচ হয়ে যাচ্ছে একরকম শিরোপার আনুষ্ঠানিকতা। থিম্পুতে আজ অনূর্ধ্ব-১৫ মহিলা ফুটবলের শিরোপা নবায়নের ম্যাচ বাংলাদেশের। চাংলিমিথাং স্টেডিয়ামে সন্ধ্যা ৭টায় শুরু হবে এই ফাইনাল।

ঠিক সাত মাস আগে ঢাকায় হয়েছিল এই টুর্নামেন্টের প্রথম ফাইনাল। সেখানেও প্রতিপক্ষ ছিল ভারত। সে এক নতুন অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের মহিলা ফুটবলের। ভারতকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো আঞ্চলিক সেরার আসনে বসে বাংলাদেশ। নতুন পাঁচ খেলোয়াড় বাদ দিলে সেই দলই খেলছে ভুটানের এই টুর্নামেন্টে। তবে আরো পরিপক্ব এবং পরিণত হয়ে। কোচ গোলাম রব্বানী ছোটনের চোখে পরিমিতিবোধটা এ রকম, ‘মেয়েদের এখন বলে দিতে হয় না কিভাবে খেলবে। ম্যাচের কোন সময়ে কিভাবে খেলতে হয় তারা জানে। চাপের মধ্য থেকে বেরিয়ে আসার খেলাটাও তারা শিখে গেছে। দলটি আসলে দেশে বড়দের সঙ্গে অনেক প্র্যাকটিস ম্যাচ খেলেছে, তাদের কাছে ম্যাচ সিচুয়েশনগুলো এ রকম জানা।’ টুর্নামেন্টের ম্যাচগুলো তাই বার্ষিক পরীক্ষায় ‘কমন’ পড়ে যাওয়ার মতো ব্যাপার হয়ে গেছে। পাকিস্তানকে ১৪-০ গোলে হারিয়ে শুরুর পর নেপালের বিপক্ষে ৩-০ গোলে জিতে তারা হয় গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন। সেমিফাইনালে ৫-০ গোলে ভুটানকে গুঁড়িয়ে উঠেছে ফাইনালের মহামঞ্চে।

ফাইনালে আবার সেই চেনা প্রতিপক্ষ ভারত। দুদিন আগেও ছোটন কথায় কথায় ভারতকে ‘কমজোরি’ বললেও কাল দিয়েছেন মহারণের প্রতিপক্ষের সম্মান, ‘তাদের আগেরবারের দলের সঙ্গে আমি তুলনায় যাব না। টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা দল হয়েই তারা ফাইনালে পৌঁছেছে। তবে আমাদের স্বাভাবিক খেলটা বজায় থাকলে কোনো প্রতিপক্ষই কঠিন নয়।’ শ্রীলঙ্কার জালে ১২ গোল করা ভারত সেমিফাইনালে নেপালকে ২-১ গোলে কোনো রকমে হারিয়ে উঠেছে ফাইনালে। সুবাদে তারা অন্যতম সেরা হলেও খেলার মান এবং শক্তির পার্থক্যে এগিয়ে থাকে বাংলাদেশ। তবে ফাইনাল এক ম্যাচের মামলা, যেকোনো কিছু ঘটে যেতে পারে। এমন শঙ্কা অঙ্কুরে বিনাশ করে বাংলাদেশ কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন দলের স্বাভাবিক খেলাটা প্রত্যাশা করছেন, ‘অঘটনে অনেক কিছু হয়। আমাদের প্রত্যাশা মেয়েদের স্বাভাবিক পারফরম্যান্স। এ পর্যন্ত মাঠের পারফরম্যান্সে স্পষ্ট হয়ে গেছে কারা টুর্নামেন্টের সেরা। ফাইনালে সেটা আমাদের প্রমাণ করতে হবে ভারতকে হারিয়ে। এই ম্যাচ জেতার জন্য বাড়তি কিছু দেওয়ার প্রয়োজন নেই। এত দিন যেভাবে খেলেছে সেই ধারাটা বজায় রাখতে হবে শুধু।’

অঘটন না ঘটলে খেলার স্বাভাবিক ধারাটাই বজায় থাকবে শামসুন্নাহার-মারিয়াদের পায়ে। এটা তাদের অভ্যাসে দাঁড়িয়ে গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কেরালায় বন্যা: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩২৪

বিদেশের খবর: ভারতের কেরালা রাজ্যে টানা বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩২৪ জনে দাঁড়িয়েছে। বন্যার কারণে ঘর-বাড়ি ছাড়তে হয়েছে কমপক্ষে ১ লাখ ৫০ হাজার মানুষ। এরই মধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে রাজ্যের ব্যস্ততম কোচি বিমানবন্দর। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই- এর অফিস থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

দিশটির গণমাধ্যম বলছে, রাজ্যের ১৪টি জেলার মধ্যে ১৩টিতেই চূড়ান্ত সতর্কতা জারি করেছে প্রশাসন। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা ইদুকি জেলার। তবে পরিস্থিতি আগের থেকে কিছুটা উন্নত হয়েছে আলাপুঝা, এর্নাকুলাম, ত্রিশূর এবং পথনমথিত্তায়।

ত্রিশূর ও চালাকুড়ি শহরের বেশির ভাগ পানির নিচে চলে গিয়েছে। যে সব জায়গায় ত্রাণ শিবির তৈরি করা হয়েছে, নতুন করে বৃষ্টি হওয়ায় সেখানেও পানি ঢুকতে শুরু করেছে।

বন্যার ফলে রাজ্যের ১০ হাজার কিলোমিটারের বেশি রাস্তার ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে এনডিটিভি। প্রবল বর্ষণের কারণে সৃষ্ট বন্যায় কোচি বিমানবন্দর শনিবার পর্যন্ত বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। বিমানবন্দরের রানওয়ে, পার্কিং এলাকা ডুবে গেছে।

আবহায়াবিদরা জানাচ্ছেন, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে ১ জুন থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত রাজ্যে বৃষ্টি হয়েছে ২,০৮৭.৬৭ মিলিমিটার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রধানমন্ত্রীর কাছে ১০ মিনিট সময় চান ড. কামাল

রাজনীতির খবর: গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী অনেক ব্যস্ত, রাষ্ট্রের অভিভাবক হিসেবে কাজের চাপে অনেক ব্যস্ত থাকেন। তারপরও তিনি যদি ১০ মিনিট সময় দেন তাহলে কোটা সংস্কার এবং নিরাপদ সড়ক আন্দোলন নিয়ে কথা বলতে চাই।

শুক্রবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংহতি সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

কামাল হোসেন বলেন, এই দুটি আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত সাধারণ যে শিক্ষার্থীদের গ্রেফতার করা হয়েছে তাদেরকে ছেড়ে দিন। প্রয়োজনে আমি আপনার পা ধরতেও রাজি আছি। আপনার পা ধরে নিবেদন করতে চাই গ্রেফতার করা শিক্ষার্থীদের আপনি মুক্তি দিন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, ডাকসুর সাবেক ভিপি সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ প্রমুখ।

ড. কামাল হোসেন বলেন, দেশের মালিক জনগণ। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় যারা আছেন তাদেরকে জণগণের সেবক হিসেবে দেশ শাসন করা উচিৎ। সবাইকে মালিক হিসেবে একত্রে দাঁড়াতে হবে। আসুন আমরা এই ঈদে এই বাণী নিয়ে গ্রামের বাড়ি যাই এবং সকলকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ করি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest