সর্বশেষ সংবাদ-
ব্রহ্মরাজপুরে ভেজাল দুধ তৈরির দায়ে জরিমানা – ৬ মাসের কারাদণ্ডদেবহাটায় পুলিশের অভিযানে আটক ভারতীয় রেনু পোনা খালে অবমুক্তসাধারণ সম্পাদকদের বড় ভাইয়ের মৃত্যুতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের শোকসাতক্ষীরায় আম সংগ্রহ শুরু : সিন্ডিকেটের কারণে ন্যায্য দাম না পাওয়ার শঙ্কা চাষিদেরসাতক্ষীরার বদরতলা-টু-ব্যাংদহা রোডে প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য শ্যামনগরে ২০ লাখ টাকার দাবিতে অপহৃত পশু চিকিৎসক  দু’দিন পর মুক্ত : আটক-৩সাতক্ষীরায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ’র সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণদেবহাটার পল্লীতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে জামায়াত নেতৃবৃন্দবিশ্বমুক্ত গণমাধ্যম দিবসে সাতক্ষীরায় অবস্থান কর্মসূচি খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক ওয়ার্কশপে অংশ নিলেন ৫ স্কাউটার

আইরিশদের বিপক্ষে সিরিজ জয় বাংলাদেশের

খেলার খবর: আইরিশ ‘এ’ দলের বিপক্ষে তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে রাজকীয় জয় তুল নিয়েছে বাংলাদেশ ‘এ’ দল।
তিন ম্যাচ সিরিজের শেষ ও সিরিজ নির্ধারণী টি-টোয়েন্টি ম্যাচে মোহাম্মদ মিঠুনের ঝড়ো ৩৯ বলের ৮০ রানের ইনিংসের সাথে সৌম্য সরকারের তাণ্ডব ছড়ানো ৪৭ রানের ইনিংসে স্বাগতিক আয়ারল্যান্ড উলভসের দেওয়া রান পাহাড় টপকে ৬ উইকেটের জয়ে ২-১ ব্যবধানে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতে নেয় সফরকারী বাংলাদেশ ‘এ’ দল।
উদ্বোধনী জুটিতে ১১৭ রান যোগ করেন সৌম্য-মিঠুন। অর্ধশতক পেরিয়ে ব্যাটে ঝড় তুলে আরও ভয়ঙ্কর রুপ ধারণ করেন মিঠুন। বিপরীতে ছন্দের সাথে ঝড়ো গতিতে ব্যাট করতে থাকেন সৌম্যও। তবে বিপত্তি ঘটে অর্ধশতক থেকে ৩ রান দূরে থাকতে গেটকাট’কে উড়িয়ে মারতে গেলে। পোর্টারফিল্ডের হাতে তালুবন্দী হলে সমাপ্ত হয় তার ২ চার ও ৪ ছয়ে করা ৩০ বলের ৪৭ রানের ইনিংসের।
এরপর ক্রিজে এসে থিতু হতে পারেননি নাজমুল হাসান শান্ত। ৪ বলে ৬ রান করে লিটলের বলে আউট হয়ে সাজঘরে ফিরেন তিনি। এর কিছুক্ষণ পর ছন্দপতন ঘটে মোহাম্মদ মিঠুনেরও। এবারও বাধা হয়ে সফরকারীদের ইনিংসে বিপত্তি ঘটান গেটকাট। ৩৯ বলের দূর্দান্ত ৮০ রানের ইনিংস খেলে আউট হলে ১৩৯ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে সফরকারীরা।
৭ চার ও ৬ ছক্কায় মিঠুনের এমন বিধ্বংসী ইনিংস থেকে আত্মবিশ্বাস নিয়ে এরপর লড়াই চালিয়ে চান জাকির ও আল-আমিন। জাকির ১৩ রানের ইনিংস খেলে দলীয় ১৬২ রানে গেটকাটের ফাঁদে পা দিলে মুমিনুলকে সাথে নিয়ে দলকে জেতানোর বাকি কাজটুকু সাড়েন আল-আমিন। শেষ পর্যন্ত আল-আমিন ১৩ বলে ২১ রানে ও মুমিনুল ৬ বলে ১১ রান করে অপরাজিত থাকেন।
আইরিশ বোলারদের মধ্যে ৩৬ রান খরচায় গেটকাট তিনটি ও ৩ ওভার বল করে ৪০ রান দিয়ে একটি উইকেট লাভ করেন লিটল।
বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন সাইফউদ্দিন। নিজের কোটার ৪ ওভার থেকে ২৮ রান নিয়ে তুলে নিয়েছেন প্রতিপক্ষের সর্বোচ্চ চারটি উইকেট। বাকি বোলারদের মধ্যে শরিফুল নিজের ঝুলিতে জমা করেন একটি উইকেট।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শিশুর অ্যাংজাইটি দেখা দিতে পারে আট মাস বয়স থেকে

স্বাস্থ্য কণিকা: কচি কচি মুখ দেখলেই চারপাশে ফুফু-খালাদের হরদম বলতে শুনি ‘ওই বয়সটাই বেশ ছিল, কোনও চিন্তা নেই, ভাবনা নেই, মাথা ব্যথা নেই’। আচ্ছা, সত্যিই এসব থেকে দূরেই আছে তো এরা? আপনি নিশ্চিত তো আপনার শিশুর মধ্যে কোনও উদ্বেগ, কোনও ভাবনা নেই।
চিকিৎসা বিজ্ঞান কিন্তু অন্য কথা বলছে। শিশুদের মধ্যে উদ্বেগ বা অ্যাংজাইটি দেখা দিতে পারে আট মাস বয়স থেকে। এবং কিছু ক্ষেত্রে অ্যাংজাইটি নাকি ভালোও, তা চারিত্রিক বিকাশে সাহায্য করে। কিন্তু মাত্রাতিরিক্ত হয়ে গেলে তা ভয়ের কারণ তো বটেই।
তিন বছর সময় পর্যন্ত মা-বাবার কাছ থেকে দূরে থাকলেই উদ্বেগ কাজ করে শিশুদের মধ্যে। স্বভাবতই তাদের চোখের আড়াল হলেই কেঁদে ওঠে বাচ্চারা। এছাড়া কোনও বিশেষ পোকামাকড় কিংবা জন্তু জানোয়ার থেকে ভয়, অন্ধকার থেকে ভয়, এসব বাচ্চাদের মধ্যে থাকাটা অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু এই ভয় মনের গভীরে ঢুকে গেলে সেটা থেকে বেরিয়ে আসা সমস্যার হয়ে দাঁড়ায়। এরকম পরিস্থিতিতে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ দরকার।

সামাজিক উদ্বেগ
এরকম পরিস্থিতিতে সামাজিক মেলামেশায় অস্বস্তিতে পড়ে শিশুরা। মন খুলে কথা বলতে পারে না। আর পাঁচজন তার ব্যাপারে কী ভাবছে, সে ব্যাপারে সব সময় সচেতন থাকে। স্কুলের এক্সকারশন, খেলাধুলোর সময় এদের বন্ধু তৈরি করতে সময় লেগে যায় অনেক। শুরু থেকেই সে দিকে খেয়াল রাখা উচিত অভিভাবকদের।

যেসব শিশুরা অতিরিক্ত উদ্বেগের শিকার, তাদের ক্ষেত্রে মস্তিষ্কের প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্স (মস্তিস্কের যে অংশ যুক্তিবোধ নিয়ন্ত্রণ করে) কাজ করা কমিয়ে অথবা পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়। আবেগ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় শিশুর চিন্তাভাবনা। তাৎক্ষনিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে খুব দোলাচলের মধ্যে পড়ে এরা।

অ্যাংজাইটিতে ভোগা শিশুদের মধ্যে লক্ষণগুলো দেখা যায়-

১.চট করে কেঁদে ফেলা

২. ক্ষণে ক্ষণে মেজাজ হারানো

৩. ঘুমের ব্যাঘাত হয়, হামেশাই দুঃস্বপ্ন দেখে ঘুম ভেঙে যাওয়া

৪. রাতে ঘুমের মধ্যে বিছানা ভিজিয়ে ফেলা

৫. এক জায়গায় বেশ খানিকক্ষণ স্থির হয়ে বসে থাকতে পারে না

৬. খাদ্যাভ্যাসে ঘন ঘন বদল আসে, কখনও খিদে থাকে না, কখনও প্রয়োজনের তুলনায় বেশি খায়

৭.চাহিদা না মেটা পর্যন্ত ঘ্যানঘ্যান করতে থাকে

৮. সারা শরীর মাঝে মধ্যেই কাঁপতে থাকা

৯. স্কুলের অথবা বাবা-মায়ের দেওয়া সামান্য চাপও এরা সামলাতে পারে না

১০.সারাক্ষণ বাবা-মায়ের থেকে আলাদা হওয়ার ভয় এদের গ্রাস করে রাখে

১১. বাবা-মায়ের মধ্যে বিচ্ছেদের আশঙ্কা থাকে এই সব বাচ্চাদের মধ্যে ভবিষ্যতে কোনও অনভিপ্রেত ঘটনা তাদের পরিবারকে ভেঙে দিতে পারে, এই ভয় তাদের মধ্যে ঘুরপাক খাওয়া।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ত্বকের ব্রুণ দূর করতে কলার খোসা

স্বাস্থ্য কণিকা: কলার খোসা ফেলে দেওয়ার আগে কখনও ভেবেছেন আপনার কত কাজে আসতে পারে? বিউটি টিপস থেকে বাড়ির নানা রকমের কাজ সবেতেই সাহায্য করে কলার খোসা। তাই কলা খেয়ে খোসা ফেলবেন না। টাটকা খোসাকে ব্যবহার করে ফেলুন এই কাজগুলোতে।
ত্বকের ব্রুণ দূর করতে ব্যবহার করুন কলার খোসা। খোসার ভেতরের অংশটা ব্রুণর ওপর ভালো করে ঘষতে থাকুন। এক দিনেই ফল পাবেন আপনি। এছাড়া সময় থাকলে কলা খোসাগুলো মিক্সার গ্রাইন্ডারে পেস্ট বানিয়ে ফেলুন। সেটাও একটা মাস্ক হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। তাতেও আপনি আশানুরূপ ফল পাবেন।
দাঁত সাদা করতে কলার খোসা যে কার্যকর তা অনেকেই জানেন। খোসার ভেতর দিকটা দাঁতে ঘষতে থাকুন। দিন কয়েক এই পদ্ধতি অনুসরণ করলেই আপনার দাঁতের হলদেটে ভাব চলে যাবে। প্রতিদিন পাঁচ-দশ মিনিট করে ঘষুন। তারপর পানি দিয়ে কুলকুচি করে পানিটা বাইরে ফেলে দিন। বা ব্রাশও করে নিতেন পারেন। কয়েকদিনেই এই প্রক্রিয়া কাজ দেয়।
অধিকাংশ মানুষের সমস্যা হল আঁচিল। ছোট হোক বা বড়, আঁচিল দূর করার চেষ্টা সকলেই করেন। তার ওপর মুখে আঁচিল হলে তো আরও বিরক্তিকর। খোসার ভেতরটা আঁচিলের ওপর কিছুক্ষণ চেপে রাখুন। সপ্তাহখানেক ব্যবহার করলেই আপনার আঁচিল আপনা থেকেই শুকিয়ে পড়ে যাবে। তবে খেয়াল রাখবেন সাতদিনের মাথায় আঁচিল শুকিয়ে না পড়লে ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
সিডি, ডিভিডির ওপর স্ক্র্যাচ পড়ে গেলে তা দূর করুন কলার খোসা দিয়ে। স্ক্র্যাচের কারণে সিডি বা ডিভিডি খারাপ হয়ে যায়, ভিডিও কিংবা অডিও আটকে যায়। সেই সমস্যার সমাধান করবে কলার খোসা। কলার খোসাটির ভেতরটা সিডি, ডিভিডির ওপর ভালো করে ঘষে নিনি। এর ফলে স্ক্র্যাচ তো চলে যাবেই সঙ্গে ভিডিও অডিও পরিষ্কার চলবে।
নানা রকমের পোকা, মশার কামড়ে ত্বকে বিভিন্ন সমস্যা তৈরি হয়। ক্রমাহত চুলকাতে থাকলে ত্বকের কিছু অংশ লাল হয়ে ফুলে যায়। পোকা বা মশা কামড়ালে যদি জায়গাটি জ্বলতে থাকে তাহলে সঙ্গে সঙ্গে খোসার ভেতরটা ঘষে নিন। চুলকানি এবং জ্বালা তো কমবেই আর দাগও হবে না।
ময়লা জুতা চকচকে করে তুলতে সাহায্য করে কলার খোসা। জুতা পালিশ দিয়েও অনেক সময় জুতা পরিষ্কার হয় না। তখন বাধ্য হয়ে নোংরা জুতা পড়েই যেতে হয়। সেই জুতাই নিমেষে চকচকে করে তুলবে কলার খোসা। পাকা কলার খোসার ভেতরটা জুতার ওপর কয়েক মিনিট ঘষুন। তারপর একটা কাপড়ের টুকরো দিয়ে মুছে নিন। দেখবেন জুতা চকচকে হয়ে গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে ভারতের শত শত বানভাসি মানুষ

অনলাইন ডেস্ক: ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তরাঞ্চলে ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়া কয়েকশ মানুষ এখন বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন।
কোচবিহার জেলার অন্তত দুটি এলাকা থেকে বহু মানুষ সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন ওই এলাকার থেকে নির্বাচিত পশ্চিমবঙ্গের এক মন্ত্রী। খবর বিবিসির।
বাংলাদেশের লালমনিরহাটে বিজিবির একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সীমান্তবর্তী ভারতীয় গ্রামগুলো থেকে বন্যাক্রান্ত হয়ে ৫ থেকে ৬শ’ লোক এসেছিল।
তিনি বলেন, যেহেতু তারা বিপদে পড়ে এসেছে, মানবিক কারণেই তাদেরকে ঢুকতে বাধা দেয়া হয়নি। তারা এখানে এসে নিজেদের ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন ঘর-বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে।
সীমান্তের ওই এলাকাটি একটু অদ্ভুত। সীমান্তে বাংলাদেশের দুটি গ্রাম মোগলহাটা ও দুর্গাপুরের মধ্যবর্তী জায়গায় আছে তিনটি ভারতীয় গ্রাম, যেগুলো ধরলা নদী দ্বারা ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন এবং বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত।
সীমান্তে কাঁটাতারও নেই সেখানে। ফলে বন্যাপ্লাবিত হওয়ার পর তারা আর ধরলা পাড়ি দিয়ে ভারতে যেতে পারেনি, তাই বাংলাদেশে চলে এসেছে।
ভারত থেকেও একই রকম তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। ভারতীয় অংশের দিনহাটা মহকুমার জারিধরলা আর দরিবস গ্রামগুলি থেকে এবং তুফানগঞ্জ এলাকার চরবালাভূত এলাকার বন্যাদুর্গত মানুষদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি সেখানকার নদীগুলিতে প্রবল স্রোতের কারণে।
নদীতে গত কয়েকদিনের বন্যার কারণে ব্যাপক স্রোত বইছে। ফলে বাংলাদেশের সীমান্ত লাগোয়া সেই জারিধরলা ও দরিবস গ্রাম পুরোটাই প্রায় ডুবে গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নতুন পরিকল্পনায় ব্রাজিল, বাদ পড়লেন জেসুস

খেলার খবর: রাশিয়া বিশ্বকাপে ব্যর্থতার পর দলকে নতুন করে ঢেলে সাজানোর মিশনে নেমেছেন ব্রাজিল কোচ তিতে। সেপ্টেম্বরের দুই প্রীতি ম্যাচকে সামনে রেখে নতুন পরিকল্পনা বাস্তাবায়নে বেশকিছু পরিবর্তন নিয়েই ব্রাজিলের দল ঘোষণা করেছেন তিনি।
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে মাত্র একটি প্রিমিয়ার লিগ খেলা আন্দ্রেস পেরেরাকে ডাকা হয়েছে ব্রাজিল দলে। ডাক পেয়েছেন বার্সেলোনার আর্থার। বাদ পড়েছেন ম্যানচেস্টার সিটির স্ট্রাইকার গাব্রিয়েল জেসুস, তার জায়াগা নিয়েছেন উঠতি তারকা পেদ্রো। এছাড়াও ডাক পেয়েছেন এভাটন।
নিউ জার্সিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে সেপ্টেম্বরের ৭ তারিখে প্রীতি ম্যাচ খেলতে মাঠে নামবে ব্রাজিল। রাশিয়া বিশ্বকাপের পর এটিই ব্রাজিলের প্রথম ম্যাচ হবে। কিন্তু সে ম্যাচে মাঠে থাকবেন না জেসুস। দলে জায়গা পাননি ফানান্দিনহো, দানিলো ও এডারসনের মতো তারাকা খেলোয়াড়।

ব্রাজিল স্কোয়াড:
আন্দ্রেস পেরেরা, আর্থার, এভাটন, লুকাস পুকেতা, ফিলিপে কুতিনহো, রিনাতো অগাস্টো, অ্যালিসন, হুগো, নেতো, অ্যালেক্স সুন্দ্রো, ডিডে, ফাবিনহো, ফাঙ্গার, ফিলিপ লুইস, মারকুইস, থিয়াগো সিলভা, কাসমিরো, ফ্রেড, ডগলাস কস্তা, রবার্তো ফিরমিনো, নেইমার, পেদ্রো, উইলিয়ান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অবশেষে ফিরলেন স্টোকস

খেলার খবর: বর্তমানে ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় বেন স্টোকস। তবে পানশালা কাণ্ডে অনেকদিন থেকেই অনিয়মিত হয়ে পড়েছিলেন দলে। চলছিল মামলাও। কিন্তু অবশেষে মামলায় মুক্তি পেলেন পাশাপাশি ডাক পেলেন ভারতের বিপক্ষে তৃতীয় টেস্টেও।
অন্যদিকে, স্টোকসকে জায়গা দিতে দল থেকে বাদ পড়েছেন এজবাস্টন টেস্টের ম্যাচসেরা স্যাম কুরান। সিরিজের প্রথম টেস্টে বল হাতে ৫ উইকেট, ব্যাটিংয়ে দুই ইনিংসে ২৪ এবং ৬৩ রান আসে কুরানের ব্যাট থেকে। দ্বিতীয় টেস্টেও এক ইনিংস খেলে পান ৪০ রান আর ১ উইকেট।
তৃতীয় টেস্টের জন্য ইংল্যান্ড একাদশ:
জো রুট (অধিনায়ক), কেটন জেনিংস, অ্যালিস্টার কুক, জনি বেয়ারস্টো, অলি পোপ, বেন স্টোকস, জস বাটলার, আদিল রশিদ, ক্রিস ওকস, জেমস অ্যান্ডারসন, স্টুয়ার্ট ব্রড।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খাগড়াছড়িতে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত ৬

অনলাইন ডেস্ক: খাগড়াছড়িতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের ব্রাশফায়ারে ৬ জন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও চারজন।
শনিবার (১৮ আগস্ট) সকাল সাড়ে সাতটার দিকে স্বনির্ভর বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিক নিহতদের মধ্যে একজনের পরিচয় জানা গেছে। তিনি হলেন- পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের খাগড়াছড়ি জেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তপন চাকমা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ ভোরে স্বনির্ভর বাজার এলাকায় ইউপিডিএফ প্রসীত গ্রুপ এবং তাদের প্রতিপক্ষের মধ্যে সাড়ে ৭টা থেকে সাড়ে ৮টা পর্যন্ত ঘণ্টাব্যাপী ব্যাপক গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ছয় জন নিহত ও ৪ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে হতাহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই ঘটনায় খাগড়াছড়ি শহরে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে বলেও জানা যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেড় লাখ ইভিএম কিনছে ইসি

দেশের খবর: জরুরি ভিত্তিতে দেড় লাখ ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) কিনতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কিছু ভোট কেন্দ্রে এসব মেশিন ব্যবহার করা হতে পারে। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সম্ভাব্য ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ৪৪ হাজার। মেশিনগুলো কেনার লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন গত সপ্তাহে একটি প্রকল্প অনুমোদন করে পরিকল্পনা কমিশনে পাঠিয়েছে।
‘নির্বাচন ব্যবস্থাপনায় অধিকতর স্বচ্ছতা আনার লক্ষ্যে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ক্রয়, সংরক্ষণ ও ব্যবহার’ শীর্ষক এ প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৮২১ কোটি ৪০ লাখ ৬০ হাজার টাকা।এর সিংহভাগই ব্যয় হবে ইভিএম কেনার খাতে। প্রতি ইউনিট ইভিএমের দাম পড়ছে প্রায় দুই লাখ টাকা।
আগামী রোববার এ প্রকল্পের ওপর পিইসি (প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির) সভা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া ইভিএম সাধারণ মানুষের মধ্যে জনপ্রিয় করতে শিগগিরই ‘ইভিএম মেলা’র আয়োজন করতে যাচ্ছে কমিশন। ইসি সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে এসব তথ্য।
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ইসির সংলাপে বিএনপিসহ বেশির ভাগ দল নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের বিপক্ষে মত দিয়েছিল। তবে আওয়ামী লীগ ও তাদের সমমনা কয়েকটি দল মেশিনে ভোট গ্রহণের পক্ষে মত দেয়।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নুরুল হুদা একাধিকবার বলেছেন, সবাই না চাইলে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করা হবে না। তবে সম্প্রতি এক বক্তব্যে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ সংশোধন করে ইভিএম ব্যবহারের বিধান অন্তর্ভুক্তের ইঙ্গিত দেন।
এছাড়া আইন সংস্কার কমিটিও আরপিও সংশোধন প্রস্তাবে ইভিএম অন্তর্ভুক্তির সুপারিশ করেছে। নির্বাচন বিশ্লেষকরা বলছেন, সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন না করে এ মেশিনে ভোট গ্রহণ করা ঠিক হবে না। পাশাপাশি এ মেশিন পরিচালনায় দক্ষ জনবলও তৈরি করতে হবে।
দু’জন নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, দেড় লাখ ইউনিট ইভিএম কেনার প্রকল্পটি তৈরি করে যৌথভাবে নির্বাচন কমিশন সচিবালয় ও এর আওতাধীন জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগ। এ প্রকল্পটি কমিশন সভায় তোলা হয়নি, তবে প্রশাসনিকভাবে অনুমোদন করা হয়েছে। জাতীয় নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করে ভোট গ্রহণের ক্ষেত্রে কমিশনের অনুমোদনের প্রয়োজন হবে।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করে ভোট গ্রহণের বিষয়ে সিদ্ধান্তের জন্য কমিশন সভায় উপস্থাপিত হয়নি। কমিশনে এমন সিদ্ধান্তের জন্য উপস্থাপন করা হলে তখন সংগ্রহকৃত ইভিএমের সংখ্যা, দক্ষ জনবল ও ব্যবহারকারীদের অবস্থাসহ সার্বিক দিক পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। দেড় লাখ ইভিএম কেনার প্রকল্প গ্রহণের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে এ নির্বাচন কমিশনার বলেন, এটা প্রশাসনিক বিষয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও সচিব এসব বিষয় দেখভাল করেন। এটি মূলত ইসি সচিবালয়ের কাজ। অপর এক নির্বাচন কমিশনার এ বিষয়ে কিছু বলতে চাননি।
ইসির যুগ্মসচিব পর্যায়ের এক কর্মকর্তা নাম গোপন রাখার শর্তে বলেন, সংসদ নির্বাচনে সম্ভাব্য ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ৪৪ হাজার। এতে ২ লাখ ২০ হাজার ভোটকক্ষ ধরা হয়েছে। প্রতিটি ভোটকক্ষের জন্য একটি ও প্রতিটি কেন্দ্রে মোট ভোটকক্ষের অতিরিক্ত একটি ইভিএম রাখার নিয়ম। এ হিসাব অনুযায়ী, পুরো নির্বাচনে ২ লাখ ৬৪ হাজার ইউনিট ইভিএম দরকার হবে। কিন্তু ইসির হাতে এত ইভিএম নেই। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে এবং নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নিলে আগামী সংসদ নির্বাচনে অর্ধেকের বেশি আসনে এ ইভিএম ব্যবহার করে ভোট গ্রহণ করা সম্ভব হবে।
এ কর্মকর্তা জানান, বর্তমানে কমিশন প্রথমে ২ হাজার ৫৩৫টি ইভিএম কেনার সিদ্ধান্ত নেয়। তার মধ্যে ৩৮০টি এসে পৌঁছেছে। এরই মধ্যে দেড় লাখ ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) কেনার নতুন প্রকল্প হাতে নেয়া হল।
তবে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন না করে জাতীয় নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করা সঠিক হবে না বলে মনে করেন সাবেক নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ ছহুল হোসাইন। তিনি বলেন, ইভিএমে কারচুপি হবে না এমন বিশ্বাস অর্জন করতে হবে, মানুষকে আশ্বস্ত করতে হবে। তাদের এ মেশিন ব্যবহারের উপকারিতা ও সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে ধারণা দিতে হবে। তারপরই ইভিএম ব্যবহার করা যেতে পারে। তিনি বলেন, শুধু মেশিন কিনলেই হবে না, দক্ষ জনবল ও জনসচেতনতা তৈরি করতে হবে।
জানা গেছে, ইসির এ প্রকল্পে ৬টি খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে। এতে দেড় লাখ ইভিএম মেশিন ক্রয়, ভোটারদের মধ্যে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণ ও বাস্তবায়ন, নির্বাচন কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে। এসব মেশিন বিভিন্ন পর্যায়ের নির্বাচনে ব্যবহার করা হবে বলেও প্রকল্পের ডিপিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রকল্পটি ৫ বছর মেয়াদে (জুলাই ২০১৮ থেকে ২০২৩ সালের জুন) বাস্তবায়ন করা হবে। প্রকল্পের অন্যতম উদ্দেশ্য- দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্বাচনের ফল প্রকাশ ও নির্বাচন ব্যবস্থাপনায় আস্থা ফেরানো।
জানা গেছে, কমিশনের ২২তম সভায় বিভিন্ন পর্যায়ের নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার সংক্রান্ত একটি প্রকল্প গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এরপর ইসির পরিকল্পনা ও উন্নয়ন শাখার এক চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখা তাদের জবাবে জানায়, গত জুলাই থেকে ২০২৩ সালের জুন পর্যন্ত একাদশ জাতীয় সংসদ, ১১টি সিটি কর্পোরেশন, ৩২৩টি পৌরসভা ও ৪ হাজার ৫৫৫টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

এতে বলা হয়েছে, সংসদ নির্বাচনে সম্ভাব্য ৪৪ হাজার ভোট কেন্দ্রে ২ লাখ ২০ হাজার ভোটকক্ষ থাকবে। এতে ২ লাখ ৬৪ হাজার ইউনিট ইভিএম প্রয়োজন হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ১১টি সিটি কর্পোরেশনে সম্ভাব্য ৫ হাজার কেন্দ্রে ৩০ হাজার ভোটকক্ষে ৩৫ হাজার ইভিএমের প্রয়োজন হবে। ৩২৩টি পৌরসভায় সম্ভাব্য চার হাজার কেন্দ্রের ২৪ হাজার ভোটকক্ষে ২৮ হাজার এবং ৪ হাজার ৫৫৫টি ইউনিয়ন পরিষদে ৪৫ হাজার ৫০০ কেন্দ্রের ২ লাখ ৭৩ হাজার কক্ষে ৩ লাখ ১৮ হাজার ৫০০ ইভিএম প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা জানান, প্রতি ইউনিট ইভিএমের দর প্রথমে ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা প্রস্তাব করা হয়েছিল। পরে তা কমিয়ে প্রায় দুই লাখ টাকায় নামিয়ে আনা হয়েছে। সর্বশেষ কমিশন যে ১৯০ সেট ইভিএম সংগ্রহ করেছে তার দর পড়েছে ১ লাখ ৯২ হাজার ৯৭৫ টাকা। যদিও প্রকল্পে প্রস্তাবিত ইভিএমের দর ড. হুদা কমিশনের কেনা ইভিএমের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি।
এর আগে ড. শামসুল হুদার নেতৃত্বাধীন কমিশন প্রথমবার নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করে। প্রথম পর্যায়ে ২০০৯ সালে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে ১১ হাজার ৫৫৬ টাকা দরে ১৩০ ইউনিট ইভিএম সংগ্রহ করে ওই কমিশন। দ্বিতীয় ধাপে একই প্রতিষ্ঠান থেকে ৩২ হাজার ৫৪৭ টাকা দরে ৪০০টি ও তৃতীয় পর্যায়ে মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি (বিএমটিএফ) থেকে ৪৬ হাজার ৫০১ টাকা দরে ৭০০টি সব মিলিয়ে ১ হাজার ২৩০ ইউনিট কিনেছিল ড. হুদা কমিশন।
২০১৩ সালে রাজশাহী সিটিসহ কয়েকটি নির্বাচনে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ইভিএমে নির্বাচন না করার সিদ্ধান্ত নেয় বিগত কাজী রকিবউদ্দীন কমিশন। বর্তমান কমিশন দায়িত্ব নেয়ার পর ইভিএমে প্রযুক্তিগত ব্যাপক উন্নতি এনেছে।

প্রকল্পের মাধ্যমে কেনা ইভিএম ২০১৯ সালের শুরুতে অনুষ্ঠেয় উপজেলা নির্বাচনে ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। তিনি বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের এক মাস পরই ধাপে ধাপে উপজেলা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ওই নির্বাচনে ব্যাপকভাবে ইভিএম ব্যবহার করা হবে। আর সব পক্ষ একমত হলে জাতীয় নির্বাচনেও ইভিএম ব্যবহার করা হতে পারে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের পরিধি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত কমিশনের রয়েছে। এ কারণে ইসি সচিবালয় প্রকল্প তৈরি করে তা পরিকল্পনা কমিশনে পাঠিয়েছে।
ইভিএম পরিচালনা খাতে ব্যয় হচ্ছে লাখ লাখ টাকা : ইসি সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান কমিশনের সময়ে রংপুর, খুলনা, গাজীপুর, সিলেট, রাজশাহী ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এবং কক্সবাজার পৌরসভার কিছু কেন্দ্রে ইভিএম ব্যবহার করে ভোট গ্রহণ করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে ইভিএম পরিচালনা খাতে ব্যয় হচ্ছে লাখ লাখ টাকা।

রংপুর সিটি কর্পোরেশনের ভোটে একটি কেন্দ্রের জন্য ৩ লাখ ৯৪ হাজার টাকা এবং খুলনার দুটি কেন্দ্রের ভোট পরিচালনায় ৬ লাখ ৬৯ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। চলতি অর্থবছরে সিলেট সিটির দুটি কেন্দ্রের জন্য ৪ লাখ ১ হাজার ৫০০ টাকা, বরিশালের ১১টি কেন্দ্রের জন্য ১৭ লাখ ৩১ হাজার টাকা, রাজশাহীর দুটি কেন্দ্রের জন্য ৪ লাখ ১ হাজার টাকা খরচ হয়েছে।

এর মধ্যে বরিশাল সিটিতে একটি কেন্দ্রের ইভিএম অকার্যকর ছিল। সেখানে প্রচলিত পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ করা হয়। পরিচালনা খাতে ইভিএম সেটসহ আনুষঙ্গিক মালামাল পরিবহন, টিমের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্মানী ভাতা, গাড়ি ভাড়া, ডেকোরেটর সামগ্রী ভাড়া, স্ক্রিনসহ মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর-শব্দযন্ত্র ভাড়া, মাইকিংসহ বিভিন্ন খাতে এ টাকা ব্যয় হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest