সর্বশেষ সংবাদ-
জেলা ক্রিকেট আম্পায়ার্স এন্ড স্কোরার্স এসোসিয়েশনের ত্রি-বার্ষিকী নির্বাচনসাতক্ষীরায় শীর্ষ সন্ত্রাসী মাদক চোরাচালানের হোতাসহ তিনজন গ্রেফতারনাসিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর বিলুপ্তির প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় বিক্ষোভদৈনিক আমাদের মাতৃভূমি পত্রিকার ৯ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সাতক্ষীরায় আলোচনা সভা  দেবহাটায় জাতীয় প্রাণি সম্পদ সপ্তাহ ও প্রাণি সম্পদ প্রদর্শনীর উদ্বোধনসাতক্ষীরায় জাতীয় দৈনিক রুপালী বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনসাতক্ষীরার মিঠু খানের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করল বিএনপিকালিগঞ্জে পুকুরের পানিতে দুই শিশুর মৃত্যুদেবহাটায় ৪০ জন উপকার ভোগীর মাঝে ছাগল বিতরণদেবহাটার সরকারি কর্মকর্তা-সুধীজনদের সাথে ডিসির মতবিনিময়

রিক্সা-ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের বাঁকাল-ইসলামপুর কমিটি গঠন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলা রিক্সাÑভ্যান শ্রমিক ইউনিয়ন (রেজি: ২৩২৯) সাতক্ষীরা পৌর ৬নং ওয়ার্ডের বাঁকাল ইসলামপুর রিক্সা-ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের কমিটি গঠন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে মোঃ আহম্মদ আলীর সভাপতিত্বে ১৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের সাতক্ষীরা জেলা সভাপতি অতিরিক্ত পিপি এড. ফাহিমুল হক কিসলু। বিশেষ অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা রিক্সা-ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মতিয়ার রহমান, সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোমিন হাওলাদার, সহ-সভাপতি আমের আলী, কওছার আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক গফুর মোড়ল, কোষাধ্যক্ষ কবিরুল ইসলাম সহ নেতৃবৃন্দ। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আহমেদ আলীকে সভাপতি, আঃ মজিদ ও শহীদ সরদার কে সহ-সভাপতি, জাহাঙ্গীর আলমকে সাধারণ সম্পাদক, আলতাফ হোসেনকে সহ-সাধারণ সম্পাদক, আ: রশিদ কেনাকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে উক্ত কমিটি গঠন করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা পৌর ৭নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি আহসান, সম্পাদক মুজাহিদ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: সাতক্ষীরা পৌর শাখার ৭নং ওয়ার্ড যুবলীগের কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। গতকাল পৌর যুবলীগের সভাপতি মনোয়ার হোসেন অনু ও সাধারণ সম্পাদক তৌহিনুর রহমান তুহিন যৌথ স্বাক্ষারিত এক পত্রে জি এম আহসানকে সভাপতি ও মুজাহিদুর রহমান অন্তকে সাধারণ সম্পাদক করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। কমিটি অন্যান্য সদস্যরা হলেন- রাসেল খান, রাকিবুল ইসলাম, মুজাহিদ হোসেন, ইয়াছিন মোল্ল্যা, যুগ্ম সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন, নাছিম ইসলাম, আহসান হাবিব, নাজমুল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিব গাজী, দপ্তর সম্পাদক আমিনুর রহমান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক বায়জিদ গাজী প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মাহমুদপুরে মাদক বিরোধী গণসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রচারণা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার মোঃ সাজ্জাদুর রহমানের মাদক বিরোধী কার্যক্রমে উদ্বুদ্ধ হয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব জি.এম আব্দুল গফুর (সাবেক উপ পরিচালক বিআরডিবি) চোরাচালান, মাদক বানিজ্য, মাদক সেবী, ইভটিজিং, জঙ্গি ও সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে গণসচেতনা মূলক প্রচারণা করেছেন। তিনি আরো বলেন, মাদক একটি জঘন্যতম অপরাধ। সদরের ৭নং আলীপুর ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ড অধীন ঐতিহ্যবাহী মাহমুদপুর এলাকার একটি সুনাম আছে। এই এলাকায় রয়েছে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, এতিমখানা সহ অসংখ্যা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান সহ সব সম্প্রদায়ের মানুষের বসবাস। যা ঐতিহ্যবাহী মাহমুদপুর এলাকার জন্য একটি সুনাম বহন করে আসছে। এই এলাকার কিছু জঙ্গি, চোরাকারবারী ও মাদকসেবী সেই সুনাম নষ্ট করার অশুভ প্রচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। তিনি আরো বলেন, বর্তমান সরকার মাদক নির্মুল করতে জিরো টলারেন্সনীতি হাতে নিয়েছে। শুক্রবার দুপুরে সদর উপজেলার আলীপুর ইউনিয়নের মাহমুদপুর জামতলা কারিকরপাড়া জামে মসজিদে জুম্মা নামাজের সময় তিনি এ সকল ঘৃন্য আপরাধের বিরুদ্ধে গণসচেতনা মূলক বক্তব্য রাখেন। এবং সমাজ থেকে এহেন কর্মকান্ড যাতে নির্মূল হয় সেজন্য সকলের সহযোগীতা কামনা করেন। এবং এলাকা ভিত্তিক একটি কমিটি গঠন করার প্রস্তাব পেশ করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, মসজিদ কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ আ: রাজ্জাক, বীর মুক্তিযোদ্ধা আঃ করিম সরদার সহ এলাকার মুসল্লিবৃন্দ। তিনি পর্যায়ক্রমে এলাকার সকল মসজিদের মুসল্লিদের নিয়ে একটি মাদক বিরোধী সমাবেশ করার জন্য প্রশাসনসহ সকলকে এগিয়ে আসার উদাত্ত আহবান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
উরুগুয়েকে বিদায় করে সেমিফাইনালে ফ্রান্স

খেলার খবর: উরুগুয়েকে ২-০ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে সেমিফাইনালের টিকেট কাটল ফ্রান্স। সেই সঙ্গে এই বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হল সুয়ারেজ-কাভানির উরুগুয়েকে।

আজ শুক্রবার রাশিয়া বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম ম্যাচেই নিঝনি নভগোরদ স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয়েছিল ফ্রান্স এবং উরুগুয়ে। ম্যাচের শুরু থেকেই গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে দুই দল। আক্রমন-পাল্টা আক্রমনে জমে ওঠে মাঠের লড়াই। কিন্তু সেই লড়াইতে প্রথমে এগিয়ে যায় ফ্রান্স। ম্যাচের ৪০ মিনিটে ফ্রান্সের পক্ষে গোলটি করেন রাফায়েল ভারানে।

প্রথমার্ধ শেষে ১-০ গোলের ব্যবধানে বিরতিতে যায় দুই দল। এরপর দ্বিতীয়ার্ধে এসে ফ্রান্সের অন্যতম ভরসা গ্রীজম্যানের গোলে ব্যবধান দ্বিগুন করে ফেলে ফ্রান্স। ম্যাচের ৬১ মিনিটের মাথায় এই গোল করেন গ্রীজম্যান। ম্যাচের ফলাফল মূলত তখনই নিশ্চিত হয়ে যায়। কিন্তু গোল পরিশোধ করতে মরিয়া হয়ে ওঠে উরুগুয়ে। তবে তাদের সব চেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যায় ফরাসি রক্ষণভাগের কাছে।

এদিন ইনজুরির কারণে উরুগুয়ের তাদের সেরা স্ট্রাইকার এডিনসন কাভানিকে ছাড়াই মাঠে নামে। কাভানির পরিবর্তে উরুগুয়ে একাদশে সুযোগ পান জিরোনায় খেলা স্ট্রাইকার ক্রিশ্চিয়ান স্টুয়ানি। অন্যদিকে আর্জেন্টিনাকে হারানো সেরা একাদশটিকেই মাঠে নামে ফ্রান্স।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রাইফার মৃত্যু: তদন্তে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ

দেশের খবর: চট্টগ্রামের বেসরকারি ম্যাক্স হাসপাতালে চিকিৎসকের অবহেলায় শিশু রাইফা খানের মৃত্যুর প্রমাণ পাওয়া গেছে। চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. আজিজুর রহমান সিদ্দিকীর নেতৃত্বে গঠিত তিন সদস্যের কমিটি অভিযুক্ত তিন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণসহ চার দফা সুপারিশ করেন।

অপর তিন সুপারিশ সমূহের মধ্যে রয়েছে হাসপাতালটির সার্বিক ক্রুটিপূর্ণ চিকিৎসা ব্যবস্থার দ্রুত সংশোধন করা, কর্তব্যরত নার্সরা সরকারি নিয়মে ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারী থাকার নিয়ম থাকলেও হাসপাতালের নার্সরা তা ছিল না ফলে ডিপ্লোমাধারী নার্স দিয়ে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সার্বক্ষণিক দ্রুত ও আন্তরিক সেবা নিশ্চিত করা ও অভিভাবকদেরকে যথা সময়ে রোগীর অবস্থা ও চিকিৎসা ব্যবস্থা সম্পর্কে অবহিত করা।

গত ২৯ মে ম্যাক্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় ২ বছর ৪ মাস বয়সী শিশু রাইফা। চিকিৎসকের অবহেলায় শিশুটির মৃত্যু হয়েছে অভিযোগে তোলপাড় সৃষ্টি হলে ঘটনার তদন্তে চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন ডা. আজিুর রহমান সিদ্দিকীকে প্রধান করে তিন সদস্যের কমিটি গঠিত হয়।

কমিটির অপর দুই সদস্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের শিশু স্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. প্রণব কুমার চৌধুরী ও চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের যুগ্ম সম্পাদক সবুর শুভ। কমিটিকে ৫ জুলাইয়ের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়।

কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়, শিশুটির রোগ নির্ণয়, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও ওষুধ প্রয়োগ যথাযথ থাকলেও অভিযুক্ত তিন চিকিৎসক শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. বিধান রায় চৌধুরী, ডা. দেবাশিষ সেন গুপ্ত ও ডা.শুভ্র দেব শিশুটির রোগ জটিলতাকালীন কর্তব্যে অবহেলা করেছেন।

রাইফার যখন খিঁচুনি হয় তখন তাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেয়ার মতো অভিজ্ঞতা কর্তব্যরত চিকিৎসক ও নার্সদের ছিল না। এর আগে স্বাস্থ্য অধিদফতরের দেয়া প্রতিবেদনে ম্যাক্স হাসপাতালের নানা অনিয়ম ও ত্রুটি নিয়ে ১১টি সুপারিশ তুলে ধরা হয়। ১৫০ শয্যার এ হাসপাতালে লাইসেন্স নবায়নে ত্রুটি, হাসপাতালের চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারীর কোনো নিয়োগপত্র না থাকা, প্যাথলজি বিভাগ ও চিকিৎসকের কোনো তথ্য নেই বলে জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদফতর গঠিত তদন্ত কমিটির প্রধান অধ্যাপক ডা. কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন ২ জুলাই হাসপাতাল পরিদর্শন করে এ প্রতিবেদন পাঠান। আগামী ১৫ দিনের মধ্য এসব অনিয়মের পক্ষে কোনো প্রমাণ না থাকলে এ হাসপাতাল বন্ধ করে দেয়া হবে বলে জানায় স্বাস্থ্য অধিদফতর।

গলার ব্যথাজনিত কারণে নগরীর মেহেদীবাগ ম্যাক্স হাসপাতালে ভর্তির পর গত ২৯ জুন রাতে মারা যায় শিশুকন্যা রাইফা খান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নাশকতা-হামলার আশঙ্কায় পুলিশকে সতর্ক করে ১৯ নির্দেশনা

দেশের খবর: ‘থানা, চেকপোস্টসহ পুলিশের স্থাপনাগুলোতে নাশকতা-হামলার আশঙ্কা আছে।’ সম্প্রতি গোয়েন্দাদের এমন তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সতর্ক করে স্থাপনাসমূহে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১৯ দফা নির্দেশনা দিয়েছে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স।

পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অ্যাডিশনাল ডিআইজি (ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড স্পেশাল অ্যাফেয়ার্স) মো. মনিরুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এমন নির্দেশনা দেয়া হয়। নির্দেশনাটি অ্যাডিশনাল আইজি, র‌্যাব মহাপরিচালক, বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি, পুলিশ কমিশনারসহ ঊর্ধ্বতনদের পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় যে, পুলিশের স্থাপনার ওপর নাশকতা হামলার আশঙ্কা রয়েছে। সম্ভাব্য নাশকতা রোধকল্পে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সসহ বাংলাদেশ পুলিশের সকল স্থাপনায় নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য নিম্নোক্ত নির্দেশাবলী প্রতিপালনে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আদেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।’

চিঠির কপিটি গণমাধ্যমের হাতে এসেছে। তবে এবিষয়ে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের একাধিক কর্মকর্তার বক্তব্য চাওয়া হলে কেউ কথা বলতে রাজী হননি।

চিঠিতে উল্লেখিত নির্দেশনাসমূহ হচ্ছে-

১। পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ডিএমপি, এসবি, সিআইডি, র‌্যাব ফোর্সেস হেডকোয়ার্টার্সসহ সব পুলিশ স্থাপনায় স্ক্যানিং করে গাড়ি প্রবেশ ব্যবস্থা রাখতে হবে। প্রবেশের পূর্বে সেই গাড়ি ও ব্যক্তিগত সামগ্রী তল্লাশি করতে হবে। আগতদের পরিচয় লিপিবদ্ধ করতে হবে।

২। থানাসহ স্থাপনাসমূহে সাহায্যকারী, দর্শনার্থীদের নাম-ঠিকানা ও তাদের আগমনের উদ্দেশ্য রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করতে হবে।

৩। পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের সদর দফতর, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার কার্যালয়, পুলিশ সুপারের কার্যালয়, অস্ত্রাগারে ও পুলিশ লাইন্সের প্রবেশপথে নিরাপত্তার জন্য সশস্ত্র পুলিশ ও তল্লাশির জন্য অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করতে হবে।

৪। ক্যাম্প ও ফোর্সের নিরাপত্তা বিবেচনায় নিয়ে পর্যাপ্ত পরিমাণের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

৫। থানা কিংবা স্থাপনার মেইন গেট ঝুঁকিপূর্ণ থাকলে সেগুলোকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবগত করে নির্মাণ অথবা মেরামত করতে হবে।

৬। ঝুঁকিপূর্ণ পুলিশ স্থাপনাসমূহের সীমানা প্রাচীর উঁচু করতে হবে অথবা কাঁটাতারের বেড়া দিতে হবে।

৭। রাতে থানা ও পুলিশ ফাঁড়ির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত লাইট লাগাতে হবে।

৮। থানাসহ পুলিশ ইউনিটসমূহে মেইন গেট বন্ধ রেখে পকেট গেট খোলা রাখতে হবে। কেউ পায়ে হেটে বা গাড়িতে প্রবেশ করতে চাইলে তার নাম-পরিচয় নিয়ে তল্লাশি করে প্রবেশ করাতে হবে।

৯। নম্বরবিহীন গাড়ি ও মোটরসাইকেল পুলিশ স্থাপনাসমূহে প্রবেশ করতে দেয়া হবে না।

১০। বরাদ্দ অনুযায়ী ইউনিট প্রধানদের ভেহিকেল সার্চিং মিরর, হ্যান্ড হেল্ড মেটাল ডিটেক্টর, টর্চ, হ্যালোজেন লাইট ও সিকিউরিটি লাইট নিশ্চিত করতে হবে।

১১। সকল ইউনিট প্রধানকে নিরাপত্তার বিষয়ে নিয়মিত ফোর্সেস ব্রিফিং ও দায়িত্ব পালনে পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্বুদ্ধ করতে হবে।

১২। অফিস প্রধানগণ সময়ে-অসময়ে আকস্মিকভাবে তার অধীন ইউনিটসমূহ পরিদর্শন করবেন। কোন কোন ক্ষেত্রে ব্যত্যয় পরিলক্ষিত হলে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবেন।

১৩। ব্যক্তিগত দেহরক্ষী, অধিকারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ পেশাগত জ্ঞান, অস্ত্র চালানোর সক্ষমতা এবং নিরাপত্তা সচেনতা সম্পর্কে ব্যক্তিগতভাবে নিশ্চিত হবেন।

১৪। সকল অফিসার ও ফোর্সকে মাঝে মাঝে অস্ত্র খোলা, জোড়া লাগানো, অস্ত্রের নিরাপত্তা, অস্ত্র চালানোর কৌশল রপ্ত করবেন। ইউনিট প্রধানগণ বিষয়টি নিশ্চিত করবেন ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করবেন।

১৫। বিভিন্ন পুলিশ ইউনিটে অস্ত্রগারের নিরাপত্তা সংক্রান্ত ইউনিট প্রধানগণ পিআরবিতে বর্ণিত বিধিবিধানের কোনো ব্যত্যয় ব্যতীত পরিপূর্ণভাবে পালন করবেন।

১৬। পুলিশ সুপার ও তদূর্ধ্ব কর্মকর্তাগণ বিভিন্ন পুলিশ ইউনিট নির্ধারিত/ আকস্মিক পরিদর্শনে গেলে পুলিশ ইউনিটসমূহের নিরাপত্তার বিষয়টি অবশ্যই পরিদর্শন করবেন এবং পরিদর্শন প্রতিবেদনে উল্লেখ করবেন।

১৭। এসিআর মূল্যায়নকারী/প্রতি স্বাক্ষরকারী কর্মকর্তারা মূল্যায়নধীন পুলিশ কর্মকর্তার নিরাপত্তা সচেতনতার বিষয়টি বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদনে উল্লেখ করবেন।

১৮। পুলিশ ইউনিটসমূহের নির্দেশাবলী প্রতিপালনের ক্ষেত্রে পুলিশ সদস্যগণ পেশাগত কারণে কঠোর ও বিনয়ী হবেন এবং কোনক্রমেই যাতে অহেতুক হয়রানি না হয়, ইউনিট প্রধানগণ সেবিষয়ে নিশ্চিত করবেন।

১৯। এ সংক্রান্তে ‘বাংলাদেশ পুলিশ সদস্য ও স্থাপনা সংক্রান্ত নিরাপত্তা নির্দেশিকা’ অনুসরণ করতে করতে হবে।

নিরাপত্তা নির্দেশিকায় সন্ত্রাসী হামলার সময় দ্রুত ‘কুইক রেসপন্স টিম’ পাঠানো, ২৪ ঘণ্টার স্ট্রাইকিং টিম প্রস্তুত রাখা, ব্যকআপ সাপোর্ট (এপিবিএন, র‌্যাব, বিজিবি) ইত্যাদি প্রস্তুত রাখার কথা বলা হয়েছে।

এছাড়াও পুলিশকে উদ্দেশ্য করে জারি করা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক নির্দেশনায় বাসা ও মেস ভাড়া দেয়ার আগে আগতদের যথাযথভাবে পরিচয় নিশ্চিত, বাস-রেলস্টেসন, স্থল, বিমান, নৌবন্দরে নিয়ন্ত্রণ ও আকস্মিক তল্লাশির ব্যবস্থা, স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে বিকাশের মতো মোবাইল মানি অ্যাকাউন্ট পরিচালনাকারী এজেন্টদের পরিচয় ও কার্যকর যাচাই-বাছাই এবং নজরদারির নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কোয়ার্টার ফাইনালে অবিশ্বাস্য ভুতুড়ে সংখ্যাতত্ত্ব !

ভিন্ন স্বাদের খবর: দুই দিন বিরতির পর আজ শুক্রবার উরুগুয়ে-ফ্রান্স ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে রাশিয়া বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল। একই দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হবে ব্রাজিল-বেলজিয়াম। আগামীকাল শনিবার মুখোমুখি হবে আরও চারটি দল- ক্রোয়েশিয়া, রাশিয়া এবং ইংল্যান্ড, সুইডেন। এই দলগুলোর মধ্যে অদ্ভুত একটা ব্যাপার লক্ষ্য করেছেন কি?

আবারও দেখে নিন মুখোমুখি হওয়া দলগুলোর নাম : উরুগুয়ে-ফ্রান্স, ব্রাজিল-বেলজিয়াম, ক্রোয়েশিয়া-রাশিয়া এবং ইংল্যান্ড-সুইডেন। এবার দলগুলোর ইংরেজি বানানের প্রতি নজর দেওয়া যাক। Uruguay-France, Brazil-Belgium, Sweden-England এবং Russia-Croatia। কি? কিছু ধরা পড়ছে চোখে? পড়েনি এখনও? তাহলে একটা ক্লু দিয়ে দেওয়া যাক- ইংরেজি বানানগুলোর বর্ণ গুণতে শুরু করুন। এরপর দেখুন মজা।

এখনও ধরতে না পারলে বলে দেওয়া যাক। গুনে দেখুন, ফ্রান্স, ব্রাজিল, সুইডেন ও রাশিয়া- এই চার দেশের ইংরেজি বানানে বর্ণসংখ্যা ৬টি। বাকী চারটি দেশ উরুগুয়ে, বেলজিয়াম, ক্রোয়েশিয়া এবং ইংল্যান্ডের ইংরেজি বানানে বর্ণসংখ্যা ৭টি করে! অর্থাৎ কোয়ার্টার ফাইনালে প্রতিটি ম্যাচ হবে ৭ সংখ্যা বনাম ৬ সংখ্যার দেশের! অদ্ভুতুরে নয়?

এখানেই শেষ নয়; আরও আছে। এই ৬ এবং ৭ সংখ্যাদুটি নিয়ে আরও একটি অদ্ভুতুরে মিল খেয়াল করেছেন? এখনও খেয়াল না করলে আজ এবং আগামীকালের দিন-তারিখের দিকে নজর দিন। আজ ৬ জুলাই এবং আগামীকাল ৭ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে কোয়ার্টার ফাইনালের চারটি ম্যাচ! কী অবিশ্বাস্য মিল! তাই না?

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
২০২০-২১ সালকে ‘মুজিব বছর’ হিসেবে পালনের ঘোষণা

দেশের খবর: ২০২০-২১ সালকে ‘মুজিব বছর’ হিসেবে পালন করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শুক্রবার, (৬ জুন ২০১৮) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ ও কেন্দ্রীয় কমিটির যৌথসভার উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি দলের পক্ষ থেকে ‘মুজিব বছর’ পালনের এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।

২০২০ সালে পূর্ণ হবে স্বাধীনতার স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মের শত বছর এবং ২০২১ সাল হবে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর বছর।

জাঁকজমকভাবে বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী পালন করা হবে ঘোষণা দিয়ে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বলেন, ‘২০২০-২১ সাল ‘মুজিব বর্ষ’ হিসেবে পালিত হবে। বছরব্যাপী কর্মসূচি নিয়ে উদযাপিত হবে জন্মশত বার্ষিকী। বিভিন্ন ধরনের প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। বিভাগ জেলা ও ওয়ার্ড পর্যায় পর্যন্ত জাতির জনকের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন করা হবে।’

গত ২৩ জুন দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের নতুন ভবন উদ্বোধন করা হয়। এরপর শুক্রবার প্রথমবারের মতো উপদেষ্টা পরিষদ ও কেন্দ্রীয় কমিটির এ সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

সভার উদ্বোধনী বক্তব্যে শেখ হাসিনা বলেন, ‘পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট দেশ ও জাতির জন্য দুর্ভাগ্য। এরপর অবৈধ ক্ষমতা দখল। সন্ত্রাস জঙ্গিবাদে দেশের এগিয়ে যাওয়া। উন্নয়ন স্তব্ধ। তবে সবকিছু পেছনে ফেলে উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি নিয়ে এখন উন্নতির পথে কাজ চলছে। উন্নয়নের মহাসড়কে চলমান। স্যাটেলাইট মহাকাশে। উন্নতির পথে মানূষের মৌলিক চাহিদা পূরণ করা।’

অনেকে দেশের উন্নয়ন চায় না মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অনেকের চোখে সরকারের উন্নয়ন ভালো লাগে না। তারা গরিব থাকবে তা দেখিয়ে বিদেশ থেকে টাকা আনবে। আবার কেউ দরিদ্রদের লোন দিয়ে নিজেদের ভাগ্য গড়বে। কিন্তু দেশের উন্নয়নে তাদের সুযোগ সীমিত হয়ে মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হচ্ছে। শিক্ষার গুরুত্ব অনুধাবন করছে মানুষ। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা চাই এদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন, এর সাথে উন্নত-সমৃদ্ধশালী হবে। সরকার শোসিতের পক্ষে এখন কাজ করছে। দেশের একটা মানুষ ঘরহারা নেই।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest