সর্বশেষ সংবাদ-
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জেলা মৎস্যজীবী দলের মাছের পোনা অবমুক্তদেবহাটায় ৪০০ কেজি মাছের পোনা অবমুক্তআশাশুনিতে ৭৫৫জন নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে স্বল্পমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিতরণপারুলিয়ায় ব্যাংকের সাইনবোর্ড টাঙিয়ে গোরস্থান ও মাদ্রাসার জায়গা দখলের চেষ্টাদেবহাটায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সমাবেশের মধ্য দিয়ে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিতবিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে কলারোয়ায় র‌্যালিসাগরে লঘুচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেতসাতক্ষীরা গ্রীন কোয়ালিশনের ষান্মাসিক পরিকল্পনা পর্যালোচনা কর্মশালাকয়রায় ক্রয়কৃত জমির ধান নষ্ট ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগসাতক্ষীরা জেলা পরিষদের উদ্যোগে উপকারভোগীর মাঝে ১ কোটি ১০ লাখ টাকার চেক বিতরণ

বেশি খাওয়ার প্রবণতা কমায় খেজুর

স্বাস্থ্য কণিকা: আমাদের অনেকেরই পছন্দের ফলের তালিকায় থাকে খেজুর। তবে খেজুর যারা ভালোবাসেন তারা হয়ত খেজুর খেলে কী কী শারীরিক সমস্যা দূর হয় এই বিষয়টি জানতেন না? আর যারা পছন্দ করেন না তারাও আজ থেকে খেতে শুরু করুন খেজুর। কারণ খেজুরের উপকারিতা গুলো জানলে অবশ্যই আপনি খেজুর খেতে না করবেন না। এক নজরে দেখা নিন সেই গুণাবলী-
১। বহু যুগ ধরেই কার্যকরী ল্যাক্সাটিভ হিসেবে খেজুর ব্যবহার করা হয়। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা ছাড়াও বদহজম, অ্যাসিডিটি এমনকি পাকস্থলীর আলসারেও উপশম আনে খেজুর।
২। রক্তে খারাপ কোলেস্টোরলের মাত্রা কমিয়ে হৃদরোগের আশঙ্কা কমায়। এছাড়া সোডিয়ামের মাত্রা (একশো গ্রামে মাত্র ২ মিলিগ্রাম) কম থাকায় এবং পটাসিয়ামের মাত্রা (প্রতি একশো গ্রামে ৬৫৬ মিলিগ্রাম) বেশি থাকায় হৃদযন্ত্রের পেশির সক্রিয়তা বাড়িয়ে তোলে খেজুর।
৩। উচ্চমাত্রায় ম্যাগনেসিয়াম এবং পটাসিয়াম থাকার কারণে শরীরে জলের ভারসাম্য রক্ষা করে খেজুর। স্নায়ুবিক দুর্বলতার সমস্যা কাটাতে খেজুরের জুড়ি মেলা ভার।
৪। প্রচুর ক্যালসিয়াম থাকায় দাঁতের রোগে উপকার করে খেজুর। নাইট ব্লাইন্ডনেস বা রাত্রিকালীন অন্ধত্বের সমস্যা মেটায়।
৫। জৈব সালফার থাকার কারণে বিভিন্ন ভাইরাল, ফাঙ্গাল, ব্যাক্টেরিয়াল সংক্রমণ দূর করে খেজুর। বিভিন্ন ফুসফুসের সংক্রমণও মোকাবিলা করতে সাহায্য করে খেজুর।
৬। যারা সারাদিন শুধু খাই খাই রোগে ভোগেন, এক সঙ্গে বেশি খাওয়ার প্রবণতা অনেকটাই কমে যায় নিয়মিত খেজুর খেলে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
১৬ বছর বয়সে বাল্য বিয়ে করেছিলেন মোসাদ্দেক!

খেলার খবর: বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের বিরুদ্ধে স্ত্রীকে নির্যাতন করে তাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ এনে ১০ লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন তার স্ত্রী সামিনা শারমিন (সামিয়া)।

২২ বছর বয়সী এ অলরাউন্ডারের মামলার কারণে কাবিননামা সূত্রে জানা গেছে, মোসাদ্দেক বিয়ে করেছেন আরও ৬ বছর আগে ২০১২ সালের ২৮ অক্টোবর। সেই হিসেবে মাত্র ১৬ বছর বয়সেই বিয়ের পিঁড়িতে বসেন এ ক্রিকেটার।

তাহলে কি মাত্র ১৬ বছর বয়সে বাল্যবিবাহের অপরাধ করেছিলেন মোসাদ্দেক? আপাতদৃষ্টিতে এই বিয়েকে বাল্যবিবাহই বলা যায়। কারণ ২০১২ সালে মোসাদ্দেক বাংলাদেশ অনুর্ধ্ব-১৯ দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এমনকি বিয়ের ঠিক আগে যুব দলের সাথে অস্ট্রেলিয়া সফরও করেছিলেন তিনি।

এছাড়া দেশে ফিরে বিয়ে করতে জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছিলেন মোসাদ্দেক। এমনটাই দাবি সামিয়া শারমিনের বড় ভাইয়ের (সম্পর্কে মোসাদ্দেকেরও খালাতো ভাই)। অভিযোগপত্র তিনি জানান বাল্যবিবাহের বৈধতা দিতে তখন নিজের বয়স বাড়িয়ে ২২ বছর লিখে দেন মোসাদ্দেক। কিন্তু কাগজপত্র অনুযায়ী ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে ২২ বছর পূর্ণ হয়েছে তার।

শুধু বিয়ের কাগজে বয়স লুকিয়েই নয়, মোসাদ্দেক ছলচাতুরীর আশ্রয় নিয়েছে বিসিবির সাথেও, এমনটাই জানান মোজাম্মেল কবির। এতো অল্প বয়সে জাতীয় দলে কোন বিবাহিত ক্রিকেটার নেয়া হবে না জানিয়ে মোসাদ্দেক নিজের বিয়ের খবরটি গোপন রেখেছিলেন বলে জানান মামলার প্রধান সাক্ষী ও সামিয়া শারমিনের বড় ভাই মোজাম্মেল কবির।

মামলার বিবরণীতে সামিয়া বলেন, আমার স্বামী বাংলাদেশ জাতীয় দলের একজন নিয়মিত ক্রিকেটার। সে খেলার অজুহাতে বেশির ভাগ সময় ঢাকার বাসায় বসবাস করতেন। মাঝে মধ্যে ময়মনসিংহে আসত। এই অবস্থায় আমি স্বামীর সংসার করতে থাকি।

জাতীয় দলের খেলোয়ার হিসাবে দেশ-বিদেশে বিভিন্ন খেলায় অংশগ্রহণ করতেন। সে সুবাদে বিভিন্ন মেয়েদের সাথে তার পরিচয় হয়। বিভিন্ন জনের মাধ্যমে আমার স্বামীর পরকীয়া ও অবাধে মেলামেশার কথা জানতে পারি। পরে পরকীয়া ও অবাধে মেলামেশার কথা জানতে চাইলে, সে আমাকে মারধর ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করত। এরই মধ্যে সে (মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত) ঢাকায় একটি ব্যবসা করবে বলে আমাকে বাবার বাড়ি থেকে দশ লাখ টাকা যৌতুক বাবদ এনে দেয়ার কথা বলে। টাকা না দিতে পারায় শাশুড়ির প্ররোচনায় মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত আমার উপর শারীরিক নির্যাতন করতে থাকে। নির্যাতন সহ্য করে এ ভাবেই সংসার করতে থাকি। এর মধ্যে আমার শারীরিক অসুস্থতার কারণে আমি বাবার বাড়িতে আসি। ১৪ আগস্ট আমাকে মোবাইল ফোনে তাদের বাড়িতে যেতে বলে। ১৫ আগস্ট দুপুরে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ও শাশুড়ি বলেন এক সপ্তাহের মধ্যে দশ লাখ টাকা না দিতে পারলে দশ লাখ টাকা যৌতুক নিয়ে অন্যত্র বিয়ে করবে বলে আমাকে জানায়।

পরে এর প্রতিবাদ করতেই আমার চুল ধরে নাকে-মুখে মারতে মারতে রক্তাক্ত করে ও বুকে-পেটে লাথি মেরে আমাকে ফেলে দেয়। আমার চিৎকারে আশপাশের লোকজন টের পেয়ে রক্ষা করে। পরে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত আমার বাবার বাড়িতে ফোন করে খবর দেয়। আমাকে নিয়ে যাওয়ার জন্য। পরে আমার ভাই এনামুল হক সুমনের সাথে আমি বাবার বাড়িতে চলে আসি। এ অবস্থায় আমি ময়মনসিংহ মেডিকেল হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে মামলা করি।

অন্যদিকে স্ত্রী সামিরার মামলার বিষয়ে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘বিয়ের পর থেকেই ও আমাকে আলাদা সংসার গড়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করতে থাকে। কিন্তু আমার বাবা নেই, যে মায়ের কারণে আমি আজ ক্রিকেটার। সেই মাকে ছেড়ে কিভাবে আলাদা থাকি? এটা আমার পক্ষে সম্ভব ছিল না। আমি ওকে এটা নিয়ে অনেক বুঝিয়েছি।’

সৈকত আরও বলেন, ‘আমি যখন খেলার কারণে ট্যুরে থাকতাম তখন ও আমার মার সঙ্গে ঝগড়া করত। মাকে একাধিকবার মেরেছেও। এসব কারণে আমি গত ১৬ আগস্ট তাকে কোর্টের মাধ্যমে ডিভোর্স দেই।’

স্ত্রীর যৌতুকের অভিযোগ নিয়ে এ ক্রিকেটার বলেন, ‘দেখেন ওকে আমি গত ১৬ আগস্ট তালাক দিয়েছি। তার আগে ও কিন্তু আমার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করেনি। তালাক দেয়ার পর ও নাটক শুরু করেছে। আমার ক্যারিয়ার ধ্বংসের চক্রান্ত করছে।

মোসাদ্দেক আরও বলেন, ‘আমি মনে করি যে এত খারাপ সময় আমার আসেনি যে যৌতুক নিয়ে আমার চলতে হবে। আমি শুনেছি যে ডিভোর্স দিলে নাকি এমন নারী নির্যাতন বা যৌতুকের একটা মামলা করা হয়। তারাও হয়তো তাই করেছে।’

প্রসঙ্গত, ২০১২ সালে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের সাথে তার আপন খালাতো বোন সামিয়া শারমিনের বিয়ে হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শোক দিবসের অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে ভাইসহ যুবলীগ কর্মী নিহত

দেশের খবর: শোক দিবসের কর্মসূচি থেকে ফেরার পথে দুর্বৃত্তদের হামলায় এক যুবলীগ কর্মী ও তার ভাই নিহত হয়েছেন। সোমবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড উপজেলার বড় দারোগার হাট এলাকায় এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। সীতাকুন্ড থানার এসআই মো. হাসান তারেক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে যুবলীগ কর্মী রমজান আলী ঘটনাস্থলেই মারা যান। তার ভাই মোহাম্মদ সিজন (১৬) চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

নিহত দুই ভাই একই উপজেলার বারৈয়ারঢালা ইউনিয়নের মহালঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা। রমজান স্থানীয় বারৈয়ারঢালা ইউনিয়ন যুবলীগের সদস্য ছিলেন।

হাসান তারেক বলেন, জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে সীতাকুন্ডের ছোট দারোগাহাস্থ একটি কমিউনিটি সেন্টারে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। কর্মসূচি শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বাড়ি ফেরার পথে রমজান আলী ও তার ভাইয়ের ওপর দুর্বৃত্তরা হামলা চালায়। তাদের উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে ঘটনাস্থলেই রমজান আলীর মৃত্যু হয়। স্থানীয়রা তার ভাইকে উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে পাঠালে সেখানে তারও মৃত্যু হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় এখনও পর্যন্ত থানায় কোনও মামলা দায়ের করা হয়নি। সন্দেহভাজন কাউকে আটক করা হয়নি।

চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই শীলাব্রত বড়ুয়া বলেন, যুবলীগ কর্মীর রমজান আলীর ভাই সিজনকে রাত ৮টার দিকে হাসপাতালে আনা হয়। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১১টার দিকে সে মারা যায়। তার শরীরের বিভিন্ন অংশে ছুরিকাঘাতে চিহ্ন ছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ক্রিকেটারদের একের পর এক নারী কেলেঙ্কারিতে বিপাকে বিসিবি

খেলার খবর: বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন কিছুদিন আগেই বলেছিলেন, মাঠের বাইরে অন্যায় কাজে জড়িয়ে পড়া ক্রিকেটারদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে যাচ্ছে বোর্ড। এর মধ্যেই ঘটে গেল আরেক ঘটনা। তরুণ অল-রাউন্ডার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের বিরুদ্ধে যৌতুক ও নির্যাতনের মামলা ঠুকে দিয়েছেন তার স্ত্রী সামিয়া। অভিযোগ অস্বীকার করে মোসাদ্দেক তালাকের কথা বলেছেন। চলছে পাল্টাপাল্টি বাকযুদ্ধ। কিন্তু কী ভাবছে বিসিবি?

বিসিবি প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী বললেন, ‘এটা তাদের একান্ত ব্যক্তিগত ও পারিবারিক ব্যাপার। অভিভাবক হিসেবে আমরা যেটা করণীয় করব। এসব ব্যাপারে বোর্ড যে কঠোর হবে এতটুকু বলতে পারি। বোর্ড সভাপতি দেশের বাইরে আছেন। তিনি যাওয়ার আগে এসব নিয়ে আলোচনা করেছেন। মোসাদ্দেকের বিষয়টা আসার আগে আরও কিছু বিষয় ছিল যেগুলো নিয়ে আমাদের আলোচনা হয়েছে। কিছু নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে যেটা আপনারা শিগগির জানতে পারবেন।’

মোসাদ্দেকের আগে একের পর এক নারী কেলেঙ্কারির ঘটনা ঘটিয়েছেন ক্রিকেটাররা। যেতে হয়েছে জেলে। শাহাদাত হোসেন, রুবেল হোসেন, আরাফাত সানি, মোহাম্মদ শহীদ, নাসির হোসেন, সাব্বির রহমানের পর মোসাদ্দেক। বিভিন্ন নারীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে জড়ানো আরও কয়েকজন ক্রিকেটার বিপদসীমার শেষ প্রান্তে আছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে। যে কোনো মুহূর্তে সেইসব ঘটনাও প্রকাশ্যে আসতে পারে। এখন দেখার, বিসিবি কী পদক্ষেপ নেয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে এক নারী তিন দিন ধরে পালাক্রমে ধর্ষণ, আটক ১

নলতা প্রতিনিধি : বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক নারীকে বাড়ি থেকে ডেকে এনে গনধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ এক যুবককে গ্রেফতার করেছে। এ সময় উদ্ধার করা হয়েছে ওই নারীকে। রোববার রাত ১১টার দিকে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার ঘোড়াপোতা গ্রামের রফিকুল ইসলামের ভাড়া বাড়ি থেকে এ উদ্ধার ও গ্রেফতারের ঘটনা ঘটে।
গ্রেফতারকৃতের নাম আব্দুল হান্নান। তিনি কালিগঞ্জ উপজেলার ইন্দ্রনগর গ্রামের জামাত আলী পাড়ের ছেলে।
এদিকে অসহায় নারীকে ধর্ষণের ঘটনা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে ক্ষমতাসীন দলের একাধিক নেতাকে সোমবার সন্ধ্যায় থানায় পরিদর্শক (তদন্ত) রাজীব হোসেন ও নিয়াজ মোহাম্মদ খানের কাছে তদ্বির করতে দেখা যায়।
সোমবার সন্ধ্যায় কালিগঞ্জ থানায় অবস্থানকারী উপজেলার ঝায়ামারি গ্রামের এক নারী জানান, তার বাবা ও মা কেউ নেই। তিন বছর আগে তার বিয়ে হলেও স্বামীর আগের স্ত্রী ও সন্তান আছে জেনে সেখানে যাননি তিনি। পরে তাদের তালাক হয়ে যায়। ওই নারী আরো জানান,ইন্দ্রনগর গ্রামের আব্দুল হান্নানের সঙ্গে কয়েক মাস আগে মোবাইল ফোনে তার পরিচয় হয়। সেই সূত্র ধরে হান্নান তাকে ভাল বেতনে চাকুরির প্রস্তাব দিয়ে বৃহষ্পতিবার সন্ধ্যায় তাকে নলতা হাসপাতালের নিকটবর্তী ঘোড়াপোতা গ্রামের পুলিশ সদস্য রফিকুল ইসলামের বাড়িতে তোলেন। সেখানে বৃহষ্পতিবার রাতে খুন করার হুমকি দিয়ে আব্দুল হান্নান, একই গ্রামের হাসান পাড়ের ছেলে ফিরোজ হোসেন ও কাজলা গ্রামের নওশের আলীর ঘর জামাই ডা. মনিরুজ্জামান মনি তিনজন মিলে ধর্ষণ করে। মুখ খুললে হত্যার ভয় দেখিয়ে পরপর তিন রাত তারা ধর্ষণ করলেও রোববার রাতে আরো লোকজন নিয়ে এসে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়। তার চিৎকারে শহীদুল ইসলাম, আবুল কালাম, মফিজুল ইসলাম, মুদি দোকানদার হাফিজাসহ কয়েকজন গ্রামবাসি ছুটে এলে ফিরোজ ও মনিরুজ্জামান মনি পালিয়ে গেলেও আব্দুল হান্নানকে আটক করে উপপরিদর্শক নিয়াজ মোহাম্মদ খান ও সহকারি উপপরিদর্শক জাহাঙ্গীর হোসেনের কাছে সোপর্দ করে।
কাজলা গ্রামের ঘরজামাই ডাঃ মনিরুজ্জামান মনির কাছে জানার জন্য ফোন দিলে তার ব্যবহৃত সব ফোন নম্বার বন্ধ থাকায় যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
জানতে চাইলে কালিগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক নিয়াজ মোহাম্মাদ খান ওসির সাথে যোগাযোগ করতে বলেন। ওসি হাসান হাফিজুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমি বর্তমানে বাহিরে আছি তবে সম্ভবত মামলা হয়েছে। আপনারা থানা থেকে সঠিক তথ্য নিতে পারবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সেনাপ্রধানসহ মিয়ানমারের শীর্ষ জেনারেলদের নিষিদ্ধ করেছে ফেসবুক

বিদেশের খবর: ফেসবুক জানিয়েছে, তারা মিয়ানমারের সেনাবাহিনী প্রধানসহ শীর্ষ স্থানীয় জেনারেলদের তারা ‘ঘৃণা এবং মিথ্যে তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে’ নিষিদ্ধ করেছে।

মিয়ানমারে সেনা প্রধান এবং সামরিক বাহিনীর ফেসবুক একাউন্টগুলো ফলো করে লাখ লাখ মানুষ। ফেসবুক কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্তের ফলে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী সোশ্যাল মিডিয়ায় কার্যত ব্ল্যাকআউটের শিকার হলো বলে মনে করা হচ্ছে।

জাতিসংঘ যেদিন মিয়ানমারের এই জেনারেলদের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ এনে তাদেরকে আন্তর্জাতিক আদালতে বিচারের কথা বলেছে, ঠিক ঐ দিনেই ফেসবুক কর্তৃপক্ষ এই ঘোষণা দিলেন।

ফেসবুক কর্তৃপক্ষ তাদের ঘোষণায় জানিয়েছে, সুনির্দিষ্টভাবে মিয়ানমারের মোট বিশজন ব্যক্তি ও সংস্থাকে তারা নিষিদ্ধ করছে। এদের মধ্যে সেনা প্রধান জেনারেল মিন আং লিয়ান এবং সেনাবাহিনীর পরিচালিত একটি টেলিভিশন নেটওয়ার্কের ফেসবুক একাউন্ট।

ফেসবুকের এক ব্লগ পোস্টে জানানো হয়, আমরা মোট ১৮টি ফেসবুক একাউন্ট, একটি ইনস্টাগ্রাম একাউন্ট এবং ৫২টি ফেসবুক পেজ তুলে নিচ্ছি। ফেসবুকের এসব একাউন্ট এবং পেজ ফলো করেন প্রায় এক কোটি বিশ লাখ মানুষ।

এক ব্লগ পোস্টে ফেসবুক জানিয়েছে, মিয়ানমারে যে জাতিগত সহিংসতা ঘটেছে তা ভয়ংকর। ফেসবুকে ঘৃণা ও মিথ্যে তথ্য ছড়ানোর বিরুদ্ধে আমরা কি করছি, সে সম্পর্কে এ মাসের শুরুতে আমরা জানিয়েছিলাম। আমরা এর আগে ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষেত্রে অনেক দেরি করলেও এখন এক্ষেত্রে অনেক অগ্রগতি হয়েছে। ঘৃণা বা বিদ্বেষ ছড়ায় এমন কথা-বার্তা চিহ্ণিত করার ক্ষেত্রে আমরা এখন উন্নত প্রযুক্তি এবং কৌশল ব্যবহার করছি।

ফেসবুক এই প্রথম কোন দেশের সামরিক ও রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে এ ধরণের পদক্ষেপ নিল।

ফেসবুকের একজন মুখপাত্র ক্লেয়ার ওয়েরিং বলেন, জাতিসংঘ থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা সবাই যেখানে মিয়ানমারের এসব কর্মকর্তা মারাত্মক মানবাধিকার লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িত বলে দেখতে পেয়েছেন, তার পরিপ্রেক্ষিতেই তারা এই পদক্ষেপ নিয়েছেন।

তবে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর জনসংযোগ দফতরের কর্মকর্তা কর্নেল জ মিন টুন বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, ফেসবুক কর্তৃপক্ষের এই পদক্ষেপ সম্পর্কে তারা কিছু জানেন না।

ফেসবুক কর্তৃপক্ষের এই ঘোষণার পরেও কিছুক্ষণের জন্য মিয়ানমারের সেনাবাহিনী প্রধানের ফেসবুক পাতায় ঢোকা যাচ্ছিল। তের লাখ মানুষ এই পেজে ‘লাইক’ দিয়েছেন। পরে অবশ্য পাতাটি অদৃশ্য হয়ে যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ১৮ সিদ্ধান্ত

দেশের খবর: দেশের দুর্ঘটনা কমিয়ে আনার লক্ষ্যে সড়ক ও মহাসড়কে ধীরগতির যান চলাচলের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সড়ক পরিবহন উপদেষ্টা পরিষদ। সভায় সড়ক মহাসড়কে নসিমন, করিমন, ভটভটি, ইজিবাইক, ব্যাটারিচালিত রিকশা ও লেগুনা চলাচল বন্ধে পুলিশকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

এছাড়া জাতীয় মহাসড়কে লেগুনাজাতীয় ধীরগতির গাড়ি চলাচলেও নিষেধাজ্ঞা আরোপের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

এছাড়া সভায় রাজধানীর গণপরিবহন খাতে শৃঙ্খলা রুট বিভাজন করে নির্দিষ্টসংখ্যক কোম্পানির আওতায় আনতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন মেয়রকে দায়িত্ব দেয়াসহ ১৮টি সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

সোমবার সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন উপদেষ্টা পরিষদের ৪২তম সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

সম্প্রতি সড়ক দুর্ঘটনায় অনেক সংখ্যক মানুষের হতাহতের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতে উপদেষ্টা পরিষদের এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হলো।

দুই ঘণ্টার বেশি সময় ধরে চলা বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বৈঠকে নৌমন্ত্রী ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের কার্যকরী সভাপতি শাজাহান খান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন, এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মসিউর রহমান রাঙ্গা, পুলিশের আইজি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারীসহ সংশ্লিষ্টরা অংশ নেন। তবে দেশের বাইরে থাকায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না।

সভায় অংশ নেয়া একাধিক সদস্য জানান, বৈঠকে সাম্প্রতিক দুর্ঘটনার বিষয়ে আলোচনা হয়। এতে সড়ক ও মহাসড়কে ধীরগতির ছোট যান চলাচলের কারণে দুর্ঘটনা হচ্ছে বলে মতপ্রকাশ করেন কেউ কেউ।

এছাড়া ঢাকার গণপরিবহন খাতে শৃঙ্খলা আনতে কাউন্টার ব্যবস্থা চালুর মতো দেন পরিবহন মালিক নেতারা। এক্ষেত্রে সিটি কর্পোরেশনকে সহযোগিতার আহ্বান জানান তারা। সড়ক ও মহাসড়কে পুলিশের জোরালো ভূমিকাও দেখতে চান পরিবহন নেতারা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন পরিবহন নেতা বলেন, গত মিটিংয়ে যেসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছিল এ মিটিংয়ে সেই বিষয়গুলো নিয়েই মূলত আলোচনা হয়। গুরুত্বপূর্ণ নতুন কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। পুরনো সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নে তাগিত দেয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, সর্বশেষ গত বছরের ২৫ অক্টোবর এ পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভা শেষে সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, সড়ক মহাসড়কে নসিমন, করিমন, ভটভটি, ইজিবাইক, ব্যাটারিচালিত রিকশা ও লেগুনা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। যেসব জেলায় আঞ্চলিক ট্রান্সপোর্ট কমিটি (আরটিসি) নেই, সেসব জেলায় দ্রুত আরটিসি গঠন করতে হবে। জাতীয় মহাসড়কে লেগুনা জাতীয় ধীরগতির গাড়ি চলতে পারবে না, চলতে দেয়া হবে না।

তিনি বলেন, ইজিবাইক ও ব্যাটারিচালিত রিকশার খুচরা যন্ত্র আমদানি নিয়ন্ত্রণে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানানো হবে। অবৈধ যানবাহন ডাম্পিংয়ের জন্য স্থান নির্ধারণ করা হবে। সড়ক ও জনপথ অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে দেশে ৯৬টি জাতীয় মহাসড়ক ও ১২৬টি আঞ্চলিক মহাসড়ক রয়েছে।

রাজধানীর গণপরিবহন ব্যবস্থার উন্নতি করার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ঢাকা মহানগরীর রংচটা বাসের সৌন্দর্যবর্ধন করতে হবে। বাসের গরিব গরিব চেহারা লাগে। এসব গাড়ি রংচং করে দৃষ্টিনন্দন করতে মালিকদের বলা হয়েছে। প্রতিযোগিতা বন্ধে চুক্তিতে বাস পরিচালনা করা যাবে না। ঢাকার রুট ফ্রাঞ্চাইজ করার জন্য ঢাকার দক্ষিণ মেয়রকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

বাসে বাড়তি ভাড়া আদায় প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, আমি নিজেও অভিযানে অংশ নেই। যেসব গাড়িতে তালিকা থাকে না ধরা পড়লে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আরটিসির সভা নিয়মিত করতে হবে। বাস, ট্রাক ও কাভার্ডভানের অবৈধ এঙ্গেল, হুক, ও বাম্পার অপসারণের কাজ চলমান থাকবে। এ পর্যন্ত ৯০ শতাংশ অপসারণ করা হয়েছে। মহাসড়ক থেকে অযান্ত্রিক যানবাহন বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশনা বাস্তবায়ন করা হবে। জাতীয় মহাসড়কে ইজিবাইক বিষয়ে নীতিমালা প্রণয়নে সড়ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব আবদুল মালেকের নেতৃত্বে কমিটি গঠন করা হয়।

তিনি বলেন, সেপ্টেম্বরের ২০ তারিখের মধ্যে কমিটি প্রতিবেদন জমা দেবে। পরিবহন খাতকে শিল্প হিসেবে প্রাপ্য সুবিধাদি নিশ্চিত করতে অর্থ মন্ত্রণালয়কে প্রস্তাব/অনুরোধপত্র পাঠানো হবে। বাস-ট্রাকসহ গণপরিবহনের ইকোনমিক লাইফ নির্ধারণে বিআরটিএ এবং বুয়েটের এআরআই কাজ করছে। দ্রুত সময়ের রিপোর্ট পেশের জন্য নির্দেশ দেয়া হয়। বিআরটিএর চলমান ক্র্যাশ প্রোগ্রাম অব্যাহত থাকবে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, শুক্রবার ছাড়া বাকি ৬ দিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত চলমান থাকবে। বিআরটিএতে ৮ জন ম্যাজিস্ট্রেট দেয়া হয়েছে। এ নিয়ে ম্যাজিস্ট্রেটের সংখ্যা বেড়ে ১১জনে দাঁড়াল। এ সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে। ফিটনেসবিহীন গাড়ির বিরুদ্ধে ট্রাফিক বিভাগের অভিযান চলমান থাকবে।

মন্ত্রী বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রামের মহাসড়কের চান্দিনা, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের জগদীশপুর, সিরাজগঞ্জের হাটিকমরুল, গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে সড়ক বিশ্রামাগার স্থাপন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী এ সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বাড়ানো হবে। গাড়িতে অননুমোদিত মনোগ্রাম ও ফ্ল্যাগস্ট্যান্ড লাগানো যাবে না। গাড়িতে অনুমোদিত হুটার বাজনো ও বীকন লাইট ব্যবহার বন্ধে পুলিশ পদক্ষেপ নেবে। মহাসড়কে যানবাহনের ৮০ কিলোমিটার গতি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। সাম্প্রতিক দুর্ঘটনার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি তিনটি বড় দুর্ঘটনা মহাসড়কে ঘটেছে। সেখানে রোড ডিভাইডার ছিল। তবুও দুটি স্থানে লেগুনা ও একটি স্থানে অটোরিকশার সঙ্গে বাসের সংঘর্ষে দুর্ঘটনা হয়েছে। এসব ঘটনায় গঠিত কমিটি রিপোর্ট দেয়ার পর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির নির্বাচন ২২ সেপ্টেম্বর

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা জেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির (রেজিঃ নং ২০৯১) ত্রি-বার্ষিক নির্বাচনের তফশিল ঘোষণা করা হয়েছে। ২৭ আগস্ট’১৮ তারিখে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অনিন্দিতা রায় স্বাক্ষরিত একপত্রে নির্বাচনী তফশীল ঘোষণা করা হয়। ২৯ আগস্ট’১৮ তারিখ বিকাল ৪টা হতে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্তমনোনয়নপত্র বিক্রয়, ০৩ সেপ্টেম্বর’১৮ তারিখ বিকাল ৪টা হতে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত মনোয়নপত্র জমা, ০৪ সেপ্টেম্বর’১৮ তারিখ বিকাল ৪টা হতে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত মনোয়নপত্র বাছাই, ০৫ সেপ্টেম্বর’১৮ বিকাল ৪টা হতে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত মনোয়নপত্র প্রত্যাহার, ০৬ সেপ্টেম্বর’১৮ বিকাল ৪টা হতে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ, ০৭ সেপ্টেম্বর’১৮ বিকাল ৪টা হতে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত প্রতীক বরাদ্দ। ২০ সেপ্টেম্বর’১৮ রাত ১২টা পর্যন্ত নির্বাচনী প্রচার ও সময়সীমা এবং ২২ সেপ্টেম্বর’১৮ তারিখ সাতক্ষীরা পল্লী মঙ্গল স্কুল এন্ড কলেজ পুরাতন সাতক্ষীরায় সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকাল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
উল্লেখ্য ২৯ আগস্ট থেকে মনোনয়ন পত্র ক্রয় সকল বিষয় সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে পাওয়া যাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest