সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় তারেক রহমানের ৮ দফার লিফলেট ছড়িয়ে দিল ‘আমরা বিএনপি পরিবার’সাতক্ষীরায় রাইচ মিলের কালো ধোঁয়া ও বর্জ্যে অতীষ্ট এলাকাবাসী: ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সড়ক অবরোধপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদসাতক্ষীরায় মাদক এবং মাদক বিক্রির অবৈধ টাকাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারতালায় বাস মোটরসাইকেল সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতার মৃত্যুঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিতআশাশুনিতে হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলার তদন্তে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারদেবহাটায় সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের মতবিনিময়৯নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়াসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা

শুধু কলা নয়, খান কলার খোসাও

স্বাস্থ্য কণিকা: কলা খেয়ে খোসাটা ফেলেই দেন সবাই। তাও আবার যেখানে সেখানে। আর তাতে করে সেই কলার খোসায় পা পিছলে পা মচকে যাওয়ার ভয় তো থাকেই। মজার ব্যাপার হলো এই কলার খোসার রয়েছে অনেক উপকারিতা। যা জানলে আর কখনোই খোসা ফেলে দিতে চাইবেন না! কলার খোসায় রয়েছে অ্যান্টি-ফাঙ্গাল উপাদান, অ্যান্টি-বায়োটিক প্রপাটিজ, ফাইবার এবং একাধিক পুষ্টিকর উপাদান যা শরীরের গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেইসঙ্গে নানাবিধ সংক্রমণ এবং পেটের রোগকেও দূরে রাখে।

যেকোনো ধরনের যন্ত্রণা কমাতে কলার খোসার বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে এই প্রকৃতিক উপদানাটির অন্দরে উপস্থিত অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান, শরীরে প্রবেশ করার পর যন্ত্রণা কমে যেতে সময় লাগে না। যন্ত্রণার জায়গায় কম করে ৩০ মিনিট কলার খোসা ঘষলেও কিন্তু সমান উপকার পাওয়া যায়।
নিয়মিত কলার খোসা খাওয়ার পাশাপাশি যদি কম করে পাঁচ মিনিট খোসাটা সারা মুখে ঘষা যায়, তাহলে একদিকে যেমন ব্রণের প্রকোপ কমতে শুরু করে, তেমনি যে কোনও ধরনের দাগ মিলিয়ে যেতেও সময় লাগে না। সেই সঙ্গে ত্বকের সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পায় চোখে পরার মতো।

একাধিক স্টাডিতে দেখা গেছে নিয়মিত কলার খোসা খাওয়া শুরু করলে দাঁতের হলুদ ভাব কেটে যেতে সময় লাগে না। সেইসঙ্গে মুখ গহ্বরে এমন কিছু উপাদানের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে যে মুখগহ্বর সম্পর্কিত কোনো রোগই মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে পারে না।

কলার খোসায় রয়েছে প্রচুর মাত্রায় সেরোটনিন, যা নিমেষে মন ভালো করে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। সম্প্রতি তাইওয়ান ইউনিভার্সিটির তত্ত্বাবধানে হওয়া একটা গবেষণা অনুসারে টানা তিন দিনে যদি ২টি করে কলার খোসা খেলে শরীরে সেরোটনিনের মাত্রা প্রায় ১৫ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। ফলে অবসাদের প্রকোপ কমতে শুরু করে।

শরীরে যাতে লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা হ্রাস না পায়, সেদিকে খেয়াল রাখে কলার খোসা। ফলে অ্যানিমিয়ার মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে।

ফাইবার শুধু কোলেস্টেরল কমায় না। সেই সঙ্গে ওজন হ্রাসেও সাহায্য করে। আসলে ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার পরে পেট অনেকক্ষণ পর্যন্ত ভর্তি থাকে। ফলে বেশি মাত্রায় খাবার খাওয়ার প্রবণতা হ্রাস পায়। সেই সঙ্গে শরীরে ভালো ব্যাকটেরিয়ার মাত্রা বৃদ্ধি পায়, যারা হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটায়। এইভাবে কলার খোসা ওজন কমাতে নানাভাবে সাহায্য করে থাকে।

ট্রাইপটোফেন নামে এক ধরনের রাসায়নিক থাকে কলার খোসায়, যা ঘুম আসতে সাহায্য় করে। তাই তো যারা অনিদ্রার শিকার, তারা আজ থেকেই কলার খোসা খোয়া খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন উপকার পাবেন।

কলার খোসা, কোলোনে উপস্থিত ভালো ব্যাকটেরিয়াদের সংখ্যা বৃদ্ধি করে, যা ধীরে ধীরে শরীরে জমে থাকা টক্সিক উপাদানদের বার করে দেয়। সেই সঙ্গে কনস্টিপেশনের মতো সমস্যাও দূর করে।

কলার খোসায় রয়েছে লুটিন নামে একটি উপাদান, যা দৃষ্টি শক্তির উন্নতি ঘটানোর পাশাপাশি ছানি প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আকাশে ভাসমান শহর!

ভিন্ন স্বাদের সংবাদ: আকাশে কখনো কখনো মহাজাগতিক বিভিন্ন বস্তু যেমন গ্রহাণু, উল্কা এ ধরনের বস্তুকেও হঠাৎ হঠাৎ উড়তে দেখা যায। তবে একবার চীনের আকাশে যা ঘটেছে তা সবাইকে বিস্মিত করেছিল!

দেশটির চিয়াংসি ও ফোসান শহরের মানুষ নাকি সংশ্লিষ্ট এলাকার আকাশে একটি শহর ভাসতে দেখেছে! শহরটিতে বেশ কিছু ভবনও ছিল! এ ঘটনায় তারা নিজেদের চোখকেই বিশ্বাস করাতে পারছিল না। এমনটা হওয়াই স্বাভাবিক।

মূলত পৃথিবীর সমান্তরাল আরেকটি মহাবিশ্ব দেখেছে বলে দাবি করেছেন চিয়াংসি এবং ফোসানের নাগরিকরা। তবে বিশেষজ্ঞরা এ ঘটনাকে সেখানকার বাসিন্দাদের স্রেফ ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য ব্যাপার বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। বিশেষজ্ঞদের মত, এটি ‘ফাতা মর্গানা’ নামে এক ধরনের দৃষ্টিভ্রম। এতদিন ধরে আমরা শুনে আসছি যে বিভিন্ন বিভিন্ন প্রান্তের আকাশে নাকি কখনো কখনো ভিনগ্রহের প্রাণী বা বস্তুর দেখা মিলেছে। চীনের ওই ঘটনার প্রেক্ষিতে হয়তো কারো কারো মনে প্রশ্ন উঠতে পারে, ভিনগ্রহও কি তাহলে আমাদের পৃথিবীর মতো সম্পূর্ণ সজ্জিতভাবে রয়েছে?

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
টাইব্রেকারে রাশিয়াকে বিদায় করে সেমিতে ক্রোয়েশিয়া

খেলার খবর: রীতিমতো উড়ছিল রাশিয়া। জিতেই চলছিল তারা। ইতিহাস গড়ে উঠে এসেছিল কোয়ার্টার ফাইনালে। তবে আর এগোতে পারল না রাশানরা। বলতে গেলে তাদের এগোতে দিল না ক্রোয়েশিয়া। স্বাগতিকদের মাটিতে নামিয়ে সেমিফাইনালে উঠে গেল ক্রোয়াটরা।

রোবটের মতো চেষ্টা করেও শেষমেশ ক্রোয়েশিয়ার কাছে টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলে ধরাশায়ী হলো রাশিয়া। এতে প্রথমবারের মতো ফুটবলের সর্বোচ্চ আসরের সেমিতে খেলার স্বপ্নের সলিলসমাধি ঘটলো ভ্লাদিমির পুতিনের দেশের। আর এর মধ্য দিয়ে ১৯৯৮ সালের পর সেকেন্ড ফাইনালের টিকিট পেল ক্রোয়েশিয়া।

সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে শোচির ফিশ্ট স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয় রাশিয়া-ক্রোয়েশিয়া। শুরু থেকে মাঝমাঠের দখল নিয়ে আক্রমণে ওঠার চেষ্টা করে ক্রোয়েশিয়া। সেখানে উইং দিয়ে একই কাজটা করে যায় রাশিয়া। তবে প্রথম সুযোগ পায় ক্রোয়াটরা। ১৮ মিনিটে ডি বক্সের একেবারে সামনে ফ্রি কিক পায় তারা। কিন্তু তা থেকে গোল আদায় করতে পারেননি ইভান রাকিতিচ।

পরে আক্রমণের গতি বাড়ায় রাশিয়া। ফলে সাফল্যও পায় স্বাগতিকরা। ৩১ মিনিটে বুলেটগতির দূরপাল্লার শট জালে জড়ান ডেনিশ চেরিশেভ। এতে স্কোরলাইন হয় রাশিয়া ১-০ ক্রোয়েশিয়া। এটি এ গোলমেশিনের এবারের বিশ্বকাপে চতুর্থ গোল।

পিছিয়ে পড়ে গোল পরিশোধে মরিয়া হয়ে পড়ে ক্রোয়েশিয়া। একের পর এক আক্রমণ করেন মড্রিচরা। তাদের প্রচেষ্টা আলোর মুখও দেখে। ৩৯ মিনিটে মারিও মানজুকিচের অসাধারণ কাটব্যাক থেকে দুর্দান্ত হেডে নিশানাভেদ করেন আন্দ্রেজ ক্রামারিচ। এতে সমতায় ফেরে ক্রোয়েশিয়া। প্রথমার্ধের বাঁশি বাজার আগে আর কোনো দলই গোলমুখ খুলতে পারেনি।

বিরতির পর আপ অ্যান্ড ডাউনে এগিয়ে চলে খেলা। একবার রাশিয়া আক্রমণে উঠে তো আরেকবার ক্রোয়েশিয়া। দ্বিতীয়ার্ধে বেশ কটি সুযোগও পায় উভয় দল। তবে কেউই কাঙ্ক্ষিত সাফল্য পায়নি। ফলে ১-১ সমতাতেই শেষ হয় নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা।

ফলে ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। এখানেও অ্যাটাক-কাউন্টার অ্যাটাকে জমে উঠে খেলা। ১০০ মিনিটে ঠিকানায় বল পাঠিয়ে ক্রোয়েশিয়াকে লিড এনে দেন দোমাগোজ ভিদা। ব্যাকফুটে চলে গিয়ে গোল পেতে ঝটিকা অভিযান চালায় রাশিয়া। অবিশ্বাস্যভাবে গোলের দেখাও পায় তারা। ১১৫ মিনিটে দুর্দান্ত হেডে লক্ষ্যভেদ করে রুশ সমর্থকদের উল্লাসে মাতান মারিও ফার্নান্দেজ।

এসময়ে ব্যবধান ২-২ হওয়ায় ম্যাচ নিষ্পত্তির জন্য দ্বারস্থ হতে হয় টাইব্রেকার নামক ভাগ্যের। যেখানে জিতে যায় ক্রোয়েশিয়া।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এত খারাপ খেলল বাংলাদেশ! হতবাক কিংবদন্তি লয়েড

খেলার খবর: বাংলাদেশের ক্রিকেটের যেন ক্রান্তিকাল চলছে। গত বছরের শেষ থেকে যেন জিততেই ভুলে গেছে টাইগাররা। পরাজয়গুলো এমন লজ্জাজনক হচ্ছে যে, মনে করিয়ে দিচ্ছে ১০ বছর আগের বাংলাদেশ দলকে! আফগানিস্তানের কাছে টি-টোয়েন্টি সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ হয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে গিয়েছে সাকিব আল হাসানের দল। প্রথম টেস্টে আড়াই দিনেই হেরেছে ইনিংস এবং ২১৯ রানের বিশাল ব্যবধানে!

বাংলাদেশের এমন পারফর্মেন্সে হতবাক হয়ে গেছেন ক্যারিবীয় কিংবদন্তি স্যার ক্লাইভ লয়েড। ২০০৯ সালে এই বাংলাদেশই তো ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে তাদের টেস্ট এবং ওয়ানডেতে হোয়াইটওয়াশ করেছিল! গত দুই বছর কী দুর্দান্তই কাটিয়েছে তারা। কোচ চন্দিকা হাথুরুসিংহের বিদায়ের পর সেই দলই এখন হারতে হারতে খাদের কিনারায় এসে দাঁড়িয়েছে। অল-আউট হয়ে গেছে নিজেদের সর্বনিম্ন ৪৩ রানে! যা দেখে নিজের বিস্ময় গোপন করতে পারেননি কিংবদন্তি লয়েড।

ক্রিকেট বিষয়ক জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ক্রিকইনফোকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে স্যার লয়েড বলেছেন, ‘যা আশা করেছিলাম, বাংলাদেশ তার ধারেকাছেও যেতে পারেনি! ওদের পারফরম্যান্স দেখে ভীষণ অবাক হয়েছি। বাংলাদেশ আগেরবার যখন (২০০৯ সালে) আমাদের হারাল, তখন খুব ভালো খেলেছিল। এখন ওরা এমন করল কেন জানি না।’

নিজেদের দলের পারফর্মেন্সের প্রশংসা করে লয়েড বলেছেন, ‘ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই দলটিতে দারুণ কিছু ক্রিকেটার আছে। আশা করি ভবিষ্যতে ওরা আরও ভালো খেলবে। ক্রেইগ ব্র্যাফেট ও কেমার রোচ দুজনই অনেক দিন ধরে খেলছে। ভালো খেলেছে। বিশেষ করে রোচ। জানি না ও কত দিন খেলবে। তবে নিজের কাজটা সে দারুণভাবে করে যাচ্ছে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জয় দিয়ে নারী ক্রিকেট দলের বিশ্বকাপ বাছাই মিশন শুরু

খেলার খবর: ২০১৮ নারী বিশ্বকাপের বাছাই পর্ব খেলতে আজ মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। নেদারল্যান্ডসে শুরু হওয়া বাচাই পর্বে অংশ নিচ্ছে ৮টি দল। এখান থেকে সেরা দুই দল খেলবে চলতি বছরের নভেম্বরে ওয়েস্ট ইন্ডিজে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসরে।

আজকের ম্যাচে বাংলাদেশের বিপক্ষে মাঠে নামে পাপুয়া নিউ গিনি। কিন্তু পাপুয়া নিউ গিনিকে রীতিমত উড়িয়ে উড়ন্ত সূচনা করেছে টাইগ্রেসরা। বাংলাদেশ সময় আজ রাত আটটায় শুরু হয় ‘এ’ গ্রুপের ম্যাচটি। এই ম্যাচে পাপুয়া নিউ গিনিকে ৮ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে বাংলাদেশ নারী দল।

নিজেদের প্রথম ম্যাচে আজ সালমারা পাপুয়া নিউ গিনির বিরুদ্ধে প্রথমে বোলিং করে। নির্ধারিত ২০ ওভারে পাপুয়া নিউ গিনি ৬ উইকেট হারিয়ে ৮৪ রান সংগ্রহ করে। ৮৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল ১৪.৫ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে নিজেদের লক্ষ্যে পৌঁছে যায়।

বাছাই পর্বের খেলায় স্বাগতিক নেদারল্যান্ডস ছাড়াও বাংলাদেশের গ্রুপে আছে পাপুয়া নিউ গিনি এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত। অন্য গ্রুপে আছে আয়ারল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, থাইল্যান্ড ও উগান্ডা। এর আগে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল দুইবার খেলেছিলো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। ২০১৪ আর ২০১৬ সালে দুই বারই বাদ পড়তে হয় প্রথম পর্ব থেকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সুইডেনকে হারিয়ে শেষ চারে ইংল্যান্ড
সুইডেনকে হারিয়ে রাশিয়া বিশ্বকাপের শেষ চারে জায়গা করে নিয়েছে ইংল্যান্ড। শনিবার রাতে কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচে সুইডিশদের ২-০ গোলে হারায় ইংলিশরা। এর মাধ্যমে বিশ্বকাপের মূলপর্ব ও বাছাইপর্ব মিলিয়ে প্রথমবারের মতো সুইডেনকে হারাল দলটি।
এই জয়ের মাধ্যমে ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের কোনও আসরে সেমিফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করল ইংল্যান্ড। খেলার দুই অর্ধে দুটি গোল করেছেন হ্যারি মাগুইরি ও ডেলে আলী। বল দখলের লড়াইয়ে ইংলিশরা দাপট দেখিয়েছে যথেষ্ট। তবে সুইডেনও আক্রমণ করেনি, তা নয়। কিন্তু গোলের খেলায় সেই কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখাই পায়নি দলটি।
ইংল্যান্ড প্রথম গোলেরর দেখা পায় ৩০ মিনিটে। কর্নার কিক থেকে অ্যাশলে ইয়াংয়ের দেয়া বলে হেডের সাহায্যে গোল করে ইংল্যান্ডকে প্রথম এগিয়ে নেন ডিফেন্ডার হ্যারি ম্যাগুইয়ার। জাতীয় দলের হয়ে লেস্টার সিটির ডিফেন্ডারের এটাই তার প্রথম গোল। খেলার ৫৯ মিনিটে দ্বিতীয় গোলটি করেন ডেলে আলী। ডান দিক থেকে জেসি লিনগার্ডের মাপা ক্রসে কাছ থেকে হেডে ব্যবধান বাড়ান তিনি।
কোয়ার্টার ফাইনাল পর্বে শনিবার অপর ম্যাচে স্বাগতিক রাশিয়ার মুখোমুখি হবে ক্রোয়েশিয়া। আজ রাত ১২টায় শুরু হবে এই ম্যাচ। সেই ম্যাচে জয়ী দলের বিপক্ষেই সেমিফাইনালে লড়তে হবে ইংল্যান্ডকে।
এর আগে শুক্রবার কোয়ার্টার ফাইনালের দুটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। যার একটিতে ১৯৯৮ সালের চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সের কাছে হারে দুইবারের সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন উরুগুয়ে। অপরটিতে পাঁচবারের সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলকে হারায় বেলজিয়াম। এর মাধ্যমে বিশ্বকাপে ল্যাটিন প্রতিনিধিত্বও শেষ হয়। তাই সেমিফাইনাল পর্ব হতে যাচ্ছে অল ইউরোপ।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
একটি আসনও হারা চলবে না : প্রধানমন্ত্রী

রাজনীতির খবর: আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ডিসেম্বর মাসে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে নৌকা মার্কায় ভোট চাওয়ার আহ্বান জানিয়ে নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, সামনে নির্বাচন। এই নির্বাচন কঠিন হবে। জয়ী না হলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার থেমে যাবে, দারিদ্র্যের হার বেড়ে যাবে, সামাজিক নিরাপত্তার জন্য যেসব কর্মসূচি চলছে তাও বন্ধ করে দেবে। একটি আসনও হারা চলবে না

শনিবার প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। শোক প্রস্তাব উত্থাপন করেন দলের দফতর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ।

অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা আরও বলেন, নৌকায় ভোট দিলে বাংলাদেশের একটি মানুষও অশিক্ষিত থাকবে না। না খেয়ে থাকবে না। মানুষ নৌকায় ভোট দিয়েছে, সুফল পেয়েছে। আগামীতেও নৌকায় ভোট পেতে জনগণের দোরগোড়ায় যেতে হবে। বোঝাতে হবে। মানুষকে বার বার না বললে মানুষ তা মনে রাখে না।

তাই উন্নয়নের তথ্যগুলো জনগণের কাছে বার বার তুলে ধরতে হবে। বিএনপি-জামায়াত স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না, তাই মুক্তিযুদ্ধে পক্ষের শক্তিকে ক্ষমতায় রাখতে হলে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনতে হবে। নিজেদের দ্বন্দ্বের কারণে নৌকা যেন না হারে। একজন হয়তো মনে করলেন এক সিট হারলে কি হবে? একটি আসনও হারা চলবে না।

শেখ হাসিনা আরও বলেন, ক্ষমতা হচ্ছে জনগণের সেবা করার জন্য। মানুষের কল্যাণে, মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য কাজ করার জন্য। আমাদের লক্ষ্য মানুষের কল্যাণ। আমরা সে লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছি।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ করা মানে শুধু নিজের উন্নয়ন করা নয়, দেশ ও দশের জন্য কাজ করাই এই দলের মূল উদ্দেশ্য। বঙ্গবন্ধু দলকে সময় দেয়ার জন্য মন্ত্রিত্ব ছেড়েছিলেন। এই দলের জন্য কাজ করতে হলে মানুষের জন্য কাজ করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আওয়ামী লীগ প্রাচীন সংগঠন। জাতির পিতার আদর্শ নিয়ে আমাদের রাজনীতি করতে হবে। তিনি (বঙ্গবন্ধু) যত আন্দোলন করেছেন, সব সময় তার ভেতরে একটা লক্ষ্য ছিল। এদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনই আওয়ামী লীগের প্রধান উদ্দেশ্য। বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে বিশ্বে সম্মান পাচ্ছে।

খালেদা জিয়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এতিমখানার জন্য টাকা এনে সেই টাকা কীভাবে লুটপাট করা হলো আপনারা তা জানেন। বিএনপির এত জাঁদরেল আইনজীবী তারা কী করলো, তারা তো প্রমাণ করতে পারলো না যে- খালেদা জিয়া দুর্নীতি করেনি।

আওয়ামী লীগকে গণমানুষের সংগঠন দাবি করে শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ গ্রামের মানুষের সংগঠন। প্রত্যেকটা গ্রামকে আমরা নগর হিসেবে গড়ে তুলে গ্রামের মানুষগুলো যেন নাগরিক সুবিধা পায় তা নিশ্চিত করবো। আমরা বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করেছি। গ্রামের মানুষ পর্যন্ত এর সুবিধা ভোগ করে বিএনপির সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, যারা অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করেছিল, তারা কখনই এদেশের উন্নয়ন চায়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কাঁঠাল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

স্বাস্থ্য কণিকা: কাঁঠাল সুস্বাদু, মিষ্টি, বিরাট আকৃতির গ্রীষ্মকালীন ফল। কাঁঠাল পাকা ও কাচা খাওয়া যায়। কাঁচা কাঁঠালের তরকারিকে এঁচোড় বলে। এঁচোড় খেলে খাওয়ার রুচি বাড়ে। পাকা কাঁঠালের বিচি পুড়িয়ে বা তরকারি করে খাওয়া যায়। পেটের সমস্যা দূর হয়। এর বিচি পুড়িয়ে খেলে আমাশয় বা পাতলা পায়খানা দ্রুত সেরে যায়। তবে বেশি খেলে পেটে ব্যথা হতে পারে।
মায়ের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এবং শিশুর বেড়ে উঠার জন্য ভিটামিন এ ও সি, আয়রন, ক্যালসিয়াম, শর্করা ইত্যাদি সবই আছে এই ফলে। গর্ভবতীদের জন্যও কাঁঠাল উপকারী। কাঁঠাল খেলে গর্ভস্থ সন্তানের বৃদ্ধি স্বাভাবিক হয়। স্তন্যদানের মা পরিমাণমতো পাকা কাঁঠাল খেলে দুধের পরিমাণ বাড়ে। পাঁচ মাস বয়সের পর থেকে মায়ের দুধের পাশাপাশি পরিমাণমতো কাঁঠালের রস খাওয়ালে বাচ্চার ক্ষুধা নিবারণ হয়। পূরণ হয় তার স্বাভাবিক পুষ্টির চাহিদাও।
ভিটামিন সি ও এ থাকায় কাঁঠাল চুল ও ত্বকের জন্য উপকারী। ভিটামিন এ চোখের পুষ্টি জোগায়, অন্ধত্বজনিত সমস্যা দূর করে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ফলে ক্ষতিকারক রোগ জীবাণু প্রবেশ করতে পারে না। ক্ষত ও দেহের কাটাছেঁড়া দ্রুত শুকায় ভিটামিন সি। প্রখর রোদের জন্য গরমে যে সর্দি, কাশি, হাঁচি প্রভৃতি সমস্যা দেখা দেয় তা দূর করে ভিটামিন সি। কাঁঠালের বিটা ক্যারোটিন, লুটেইন, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ক্ল্যাভিনয়েড নামের উপাদান, স্তন, প্রোস্টেট, পাকস্থলী ও ফুসফুসের ক্যান্সারের বিরুদ্ধেও যুদ্ধ করে। এটি অাঁশ জাতীয় ফল বিধায় তা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে, রক্ত পরিষ্কার রাখে এবং হৃৎপিণ্ডের শিরা-উপশিরার দেয়ালে ক্ষতিকর চর্বি জমাতে বাধার সৃষ্টি করে। এর পটাশিয়াম দেহের কোষগুলোর বৃদ্ধি বা বর্ধনে সাহায্য করে। শরীরে রক্ত তৈরি করে এর আয়রন বা লৌহ। বেরিবেরি রোগ, পেটের সমস্যা দূর করে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স। এর ক্যালসিয়াম দেহের হাড় ও দাঁতের পুষ্টি জোগায়। শরীরে ইনসুলিন হরমোনের সরবরাহ নিশ্চিত করে এর জিংক। আর দেহের অম্ল ও ক্ষারের সাম্যাবস্থা বজায় রাখে ম্যাগনেশিয়াম ও সোডিয়াম। ডায়াবেটিসের রোগীরাও কাঁঠাল পরিমাণমতো খেতে পারেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest