সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় তারেক রহমানের ৮ দফার লিফলেট ছড়িয়ে দিল ‘আমরা বিএনপি পরিবার’সাতক্ষীরায় রাইচ মিলের কালো ধোঁয়া ও বর্জ্যে অতীষ্ট এলাকাবাসী: ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সড়ক অবরোধপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদসাতক্ষীরায় মাদক এবং মাদক বিক্রির অবৈধ টাকাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারতালায় বাস মোটরসাইকেল সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতার মৃত্যুঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিতআশাশুনিতে হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলার তদন্তে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারদেবহাটায় সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের মতবিনিময়৯নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়াসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা

‘কমছে অক্সিজেন বাড়ছে বৃষ্টি, তলিয়ে যেতে পারে আটকা স্থান’

বিদেশের খবর: গুহার ভেতরে অক্সিজেনের মাত্রা আশঙ্কাজনকহারে কমে আসায় এবং বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় থাইল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলের গুহায় আটকা কিশোর ফুটবলারদের উদ্ধারে হাতে সময় রয়েছে মাত্র তিন থেকে চারদিন। উদ্ধার অভিযানের ঝুঁকি বিবেচনা করে এ সময়ের মধ্যে কিশোরদের বাইরে নিয়ে আসার পথে যতদ্রুত সম্ভব এগোতে হবে বলে জানিয়েছেন উদ্ধার মিশনের প্রধান।

শনিবার থাইল্যান্ডের চিয়াং রাই প্রদেশের গভর্নর ন্যারংস্যাক ওসোত্তানাকর্ন বলেছেন, ‘গুহার ভেতরে ৩ দশমিক ২ কিলোমিটার দূরে কিশোররা যে স্থানে আটকা রয়েছে, বৃষ্টি থাকা সত্ত্বেও সেই স্থানের ও উদ্ধারপথের আশপাশের পানি নিষ্কাশন অত্যন্ত সফল হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আজও বৃষ্টিপাত হচ্ছে। তবে গুহার ভেতরে পানির স্তর এখনো সন্তোষজনক পর্যায়ে রয়েছে।’ কিন্তু আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী কয়েকদিন তীব্র বৃষ্টিপাত হতে পারে। আগামী সপ্তাহের প্রথম দিকে বর্ষণ তীব্র হওয়ার আগে ১২ কিশোর ফুটবলার ও তাদের কোচকে উদ্ধারে হাতে অল্প কয়েকদিন রয়েছে।

গভর্নর ন্যারংস্যাক ওসোত্তানাকর্ন বলেছেন, ‘একটি কর্মপরিকল্পনা ব্যবহার করে উদ্ধার অভিযানের জন্য আগামী তিন থেকে চারদিন হচ্ছে উপযুক্ত সময়। শনিবার গুহার পাশে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমরা যদি বেশি দেরি করে ফেলি, তাহলেও আমরা জানি না কেমন বৃষ্টিপাত হবে।’

ন্যারংস্যাক বলেন, ‘গত সপ্তাহে ভারী বর্ষণের কারণে গুহার ভেতরে সকীর্ণ ও অসমতল স্থানগুলোতে সুনামি তৈরি হয়েছিল। গত ২৩ জুন থেকে থাইল্যান্ডের থ্যাম লুয়াং গুহায় আটকা রয়েছে স্থানীয় কিশোর ফুটবল দলের ১২ সদস্য ও তাদের কোচ।

যে কোনো ধরনের উদ্ধার অভিযানের আগে দুটি বিষয় বিবেচনায় নেয়া হবে। প্রথমত, কিশোররা যে জায়গায় রয়েছে সেখানকার বায়ু। শুক্রবার তিনি বলেন, গুহার ভেতরে অক্সিজেনের মাত্রা ১৫ শতাংশে নেমে এসেছে; যা স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। গুহার ভেতরে অক্সিজেনের মাত্রা ২১ শতাংশ থাকলে সেটিকে স্বাস্থ্যের জন্য স্বাভাবিক হিসেবে ধরা হয়।

গভর্নর ন্যারংস্যাক ওসোত্তানাকর্ন বলেন, গুহায় অক্সিজেনের মাত্রা যদি ১২ শতাংশের নিচে নেমে আসে তাহলে কিশোরদের মস্তিষ্কের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব পড়বে। এতে তারা আতঙ্কগ্রস্ত হতে পারে।
অতিরিক্ত বিপদ হচ্ছে, উদ্ধার কাজে নিয়োজিত শত শত উদ্ধারকারীর শ্বাসত্যাগের কারণে গুহার ভেতরে কার্বন মনো অক্সাইডের পরিমাণ বাড়ছে। ‘আমাদের কাছে যত পরিমাণেই অক্সিজেন থাকুক না কেন, আমরা বাঁচতে পারবো না (অতিরিক্ত কার্বন মনো অক্সাইডে)। কারণ আমাদের রক্ত বিষাক্ত হয়ে যাবে।

দ্বিতীয়ত, গুহার ভেতরের পানির স্তর। প্রথমবারের মতো উদ্ধার মিশন স্বীকার করে বলছে, বন্যার পানি বাড়তে থাকলে কিশোররা যে জায়গায় আটকা রয়েছে; সেই স্থানটিও তলিয়ে যেতে পারে।

ওসোত্তানাকর্ন বলেন, ‘আমি যতটুকু জেনেছি, পানির স্তর সেখানে পৌঁছাতে পারে। এর ফলে তারা যে জায়গায় বসে রয়েছে সেটির আয়তন কমে মাত্র ১০ বর্গমিটার হতে পারে।’
আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী ভারী বর্ষণ শুরু হওয়ার আগে পর্যন্ত পানির স্তর কমিয়ে আনার কাজ করছেন উদ্ধারকারীরা। কিশোরদের বের করে আনার জন্য উপযুক্ত সময় হচ্ছে পানির স্তর একেবারে শূন্যে নেমে আসা। কিন্তু এটি অসম্ভব, কারণ পানির স্তর শূন্যে নেমে আসবে ডিসেম্বর অথবা জানুয়ারিতে।‘সুতরাং আমরা সেই সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারি না। দ্বিতীয় সর্বোত্তম উপায় হচ্ছে তাদের বের করে আনার জন্য পানির স্তর যথাযথ পর্যায়ে নামিয়ে আনা। তিনি বলেন, পানি বৃদ্ধি এবং বাতাসের অক্সিজেনের ঝুঁকি বিবেচনা করে আমরা যে কোনো ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবো।

‘আমরা এখন প্রতিকূল সময় এবং প্রত্যাশার সঙ্গে লড়াই করছি।’ এদিকে গুহার ভেতর থেকে কিশোরদের হাতে লেখা চিঠি শনিবার প্রকাশ করা হয়েছে। চিঠিতে কিশোররা তাদের পরিবারের সদস্যদের জানিয়েছে, তারা ভালো আছে।

ওসোত্তানাকর্ন বলেন, আজও শিশুরা সুস্থ আছে। তারা কথা বলছে, মজা করছে। তবে তাদের সামান্য কিছু জখম রয়েছে। তারা এখন পর্যন্ত সঠিক খাবার পায়নি; তবে তাদের অতিরিক্ত প্রোটিনযুক্ত বিশেষ খাবার দেয়া হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় বেতনা নদী বাঁচানোর দাবিতে মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক: ‘বেতনা বাঁচলে সাতক্ষীরা বাঁচবে’ এই স্লোগানকে ধারন করে বেতনা নদী বাঁচানোর দাবীতে সাতক্ষীরায় মানব বন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। ‘সাতক্ষীরা বেতনা বাঁচাও আন্দোলন ও সাতক্ষীরা নাগরিক আন্দোলন মঞ্চ’ এর আয়োজনে শনিবার বেলা সাড়ে ১১ টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে উক্ত মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়।
বেতনা বাঁচাও আন্দোলন কমিটির আহবায়ক আবেদুর রহমানের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জি, সাতক্ষীরা নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব এড. আবুল কালাম আজাদ, জজ কোর্টের পিপি এড. ওসমান গনি, সাতক্ষীরা নাগরিক আন্দোলন মঞ্চ’ এর আহবায়ক এড. ফাহিমুল হক কিসলু, সুজনের সভাপতি অধ্যক্ষ সুভাষ সরকার, ওয়ার্কাসপার্টির নেতা স্বপন কুমার শীল, যমুনা বাঁচাও আন্দোলন কমিটির আহবায়ক আশেক ই এলাহি, সাতক্ষীরা নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের সদস্যসচিব আলি নুর খান বাবুল প্রমূখ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বেতনা নদী দখল হয়ে যাচ্ছে। এর চরে গড়ে উঠছে বাড়ি ঘর দোকান পাট ও বাজার ঘাট। এককালের খর¯্রােতা বেতনা এখন এক সরু খালে পরিণত হয়েছে। বেতনায় এখন আর নৌকা চলে না, বেতনায় জোয়ারভাটা খেলে না, বেতনা এখন পায়ে হেঁটে পার হওয়া যায়। এর দুই তীর দখল করে প্রভাবশালীরা গড়ে তুলেছেন ইটভাটা। বেতনায় আড়াআড়ি বাঁধ দিয়ে চিংড়ি চাষেও মেতে উঠেছেন প্রভাবশালীরা।
বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ড সব ধরনের সুবিধা নিয়ে দখলদারদের সহায়তা দিচ্ছে। ফলে বেতনা দিন দিন অকার্যকর হয়ে পড়ছে। ঝাউডাঙ্গা থেকে সুপারিঘাটা পর্যন্ত জরুরি ভিত্তিতে খনন প্রয়োজন দাবি করে তারা আরা বলেন, এর আগে ২০১৫ সালে বেতনা খননের নামে লুটপাট করা হয়েছে। এতে বেতনা তীরের মানুষের এতোটুকু উপকার হয়নি উল্লেখ করে তারা বলেন, আমরা বেতনাকে দখলমুক্ত দেখতে চাই। বেতনা খনন চাই’।
বেতনা রক্ষায় সরকারের দৃষ্টি আকর্ষন করে তারা আরও বলেন, বেতনা সংলগ্ন ১২ টি বিলের পানি এই নদী দিয়েই প্রবাহিত হয়। কিন্তু পলি জমে এই পানি নিষ্কাশন হতে না পেরে ফি বছর এলাকা জুড়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করে থাকে। তারা আরও বলেন বেতনার ওপর তিনটি স্লুইস গেটের সবক’টি অকেজো হয়ে পড়েছে। তারা অবিলম্বে বেতনা খনন এবং বেতনা দখলমূক্ত করার দাবি জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিশ্বকাপ এখন শুধুই ‘ইউরো কাপ’

খেলার খবর: এতদিন ধরে ফুটবলের কোনো খোঁজ রাখেনি বা মহাকাশ ভ্রমণ শেষে পৃথিবীতে ফেরা কোনো নভোচারী বা লম্বা সময় ধরে কোনো মিশনে থাকা কোনো সেনা হঠাৎ বিশ্বকাপের বর্তমান অবস্থায় চোখ বুলালে দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়ে যেতে পারেন যে, তিনি আসলে বিশ্বকাপ দেখছেন নাকি ‘ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ’ দেখছেন।

অবশ্য এমনটা না ভাবার কোনো কারণ নেই। কেননা বিশ্বকাপের শেষ আটের প্রথম দুই ম্যাচ শেষে যে এখন শুধু টিকে আছে ইউরোপেরই ৬টি দল। শনিবার ছিটকে যাবে আরো দুটি দল। পরে সেমিফাইনালের চেহারা হবে পুরোপুরি ইউরো কাপের মতো।

বিশ্বকাপের ৮৮ বছরের ইতিহাসে হয় ইউরোপ না হয় লাতিন, এই দুই অঞ্চলেই সীমাবদ্ধ ছিল বিশ্বকাপের শিরোপা। ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ে মিলে লাতিন আমেরিকার পক্ষে বিশ্বকাপ শিরোপা উঁচিয়ে ধরেছে ৯ বার। অন্যদিকে ইউরোপের জার্মানি, ইতালি, ইংল্যান্ড ফ্রান্স ও স্পেন মিলে শিরোপা জিতেছে মোট ১১ বার।

তবে ২০০২ সালে ব্রাজিল নিজেদের পঞ্চম বিশ্বকাপ শিরোপা জেতার পর আর একবারও শিরোপা জেতেনি ইউরোপের বাইরের কোন দেশ। যা ব্যত্যয় ঘটবে না এবারের বিশ্বকাপেও। কেননা শুক্রবার রাতে ব্রাজিলের বিদায়ের মধ্য দিয়ে নিশ্চিত হয়েছে অল ইউরোপিয়ান সেমিফাইনাল। ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো সেমিফাইনালের চার দলই খেলবে ইউরোপ থেকে।

অল ইউরোপিয়ান সেমিফাইনালের আশঙ্কা করা হচ্ছিলো দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচগুলো শেষ হওয়ার পরপরই। সবাইকে অবাক করে দিয়ে দ্বিতীয় রাউন্ড থেকে আর্জেন্টিনা বিদায় নিলে কমে যায় লাতিনদের শক্তি। শেষ আটে টিকে ছিল কেবল ব্রাজিল ও উরুগুয়ে। কিন্তু তাদের প্রতিপক্ষ বেলজিয়াম ও ফ্রান্স দুর্দান্ত ফর্মে থাকায় ব্রাজিল-উরুগুয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা ছিল অনেক।

শেষ আটের প্রথম দুই ম্যাচেই বাস্তবে পরিণত হয়েছে এই শঙ্কা। প্রথম ম্যাচে এবারের বিশ্বকাপের সবচেয়ে শক্তিশালী দল ফ্রান্সের কাছে ২-০ গোলে হেরে বিদায় নেয় উরুগুয়ে। বিশ্বকাপে কেবল থেকে যায় ব্রাজিল। ঘণ্টাখানেক পর আরেক ইউরোপিয়ান দল বেলজিয়ামের কাছে ২-১ গোলে হেরে শেষ লাতিন দল হিসেবে বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নরাও।

শনিবার মাঠে গড়াবে কোয়ার্টার ফাইনালের বাকি দুই ম্যাচ। ইংল্যান্ড খেলবে সুইডেনের বিপক্ষে, স্বাগতিক রাশিয়ার মুখোমুখি হবে এখনো পর্যন্ত দুর্দান্ত খেলা ক্রোয়েশিয়া। যে দুই দলই জিতুক না কেন, টানা চতুর্থবারের মতো ইউরোপেই থেকে যাচ্ছে বিশ্ব ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
থাইল্যান্ডে নৌকা ডুবে নিহত ৩৩

বিদেশের খবর: থাইল্যান্ডে দক্ষিণাঞ্চলীয় ফুকেট দ্বীপে নৌকাডুবির ঘটনায় ৩৩ জন নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৬ জুলাই) সন্ধ্যায় এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন থাই কর্তৃপক্ষ ।

জানা গেছে, নিখোঁজদের সন্ধানে শনিবার (৭ জুলাই) ভোর পাঁচটায় পুনরায় অভিযান শুরু হয়েছ। আহত ১২ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছ, উপকূলের সাত কিলোমিটার দূরে নৌকাটি ডুবে যায়। নৌকাটিতে ৯৩ জন পর্যটক, ১১ জন ক্রু এবং একজন ট্যুর গাইড ছিলেন। নিহতদের বেশিরভাগই চীনা পর্যটক।

নৌ-পুলিশ জানিয়েছে, এ দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। নৌকাটি সঠিকভাবে নিবন্ধিত ছিল। যাত্রার সময় ধারণ ক্ষমতার চেয়ে বেশি যাত্রী নেওয়া হয়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দাবি পূরুণ না হলে যেকোন সময় কর্মসূচি- নাগরিক আন্দোলন মঞ্চ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: জলাবদ্ধতা নিরসন ও বেতনা নদীর দুইপাশে অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের উদাসীনতায় সাতক্ষীরার সকল নদী খালসহ পানি নিষ্কাশনের সংযোগগুলি বেদখল হয়ে রয়েছে। সাতক্ষীরা পৌরসভার সকল রাস্তাঘাট চলাচলের অনুপোযোগী, সুপেয় পানির প্রচ- অভাবে মানুষ পানি বাহিত রোগে ভুগছে। এছাড়া বাইপাস সড়কটি আলীপুর চেকপোস্ট পর্যন্ত বর্ধিত করা, রেল লাইন স্থাপন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, ভোমরাস্থল বন্দরের আধুনিক অবকাঠামো নির্মাণ, সুন্দর বনকে পরিবেশ বান্ধব পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার দাবিতে আজ সকাল ১১টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে নাগরিক আন্দোলন মঞ্চ ও বেতনা বাঁচাও আন্দোলন কমিটির যৌথ মানববন্ধন বেতনা বাচাঁও আন্দোলনের আহবায়ক মোঃ আবিদার রহমানের সভাপতিত্বে নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের সদস্য সচিব আলীনূর খান বাবুলের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের আহবায়ক এড. ফাহিমুল হক কিসলু, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি এড. আবুল কালাম আজাদ, যমুনা বাচাঁও আন্দোলনের আহবায়ক ও দক্ষিণের মশালের সম্পাদক অধ্যক্ষ আশেক ই এলাহী, জেলা জজ কোর্টের পিপি এড. ওসমান গনি, অধ্যক্ষ সুভাষ সরকার, নাগরিক আন্দোলনের যুগ্ম আহবায়ক শুধাংশু শেখর সরকার, ওবায়েদুস সুলতান বাবলু ও স্বপন কুমার শীল, জজ কোর্টের এপিপি তামিম আহমেদ সোহাগ, ভুমিহীন নেতা ওহাব আলী সরদার, নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের সদস্য নির্মল সরকার, বেতনা বাচাঁও আন্দোলন কমিটির যুগ্ম আহবায়ক শফিকুর রহমান, সদস্য এনামুজ্জামান নিপ্পন, শ্যামল বৈদ্য, সাবান আলী বিশ্বাস প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, কতিপয় প্রশাসনের দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় বেতনা নদীর দুই পাশেই অবৈধ দখলদাররা দখল করে নিচ্ছে বেতনা ভরাটি খাস জমি। এব্যাপারে বার বার প্রশাসনকে বলা হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোন কার্যকারী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না বলেই ভুমিদস্যুরা জেলা প্রশাসকের নামে একটি সাইন বোর্ড তুলে দিয়ে আবারও নতুন করে বেতনা দখল করা শুরু করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বরেণ্য অভিনেত্রী সাতক্ষীরার রানী সরকার আর নেই

ডেস্ক রিপোর্ট: চলচ্চিত্রের বরেণ্য অভিনেত্রী সাতক্ষীরার রানী সরকার আর নেই। আজ শনিবার ভোররাত চারটার দিকে রাজধানীর ইডেন মাল্টি কেয়ার হাসপাতালে তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি বার্ধক্যজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন।

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান জানান, রানী সরকারকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে দুপুর দুইটার দিকে তাঁর মরদেহ রাজধানীর তেজগাঁওয়ে চ্যানেল আই কার্যালয়ে নেওয়া হবে। এরপর রানী সরকারের মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে এফডিসিতে। এফিডিসিতে নামাজে জানাজা শেষে রানী সরকারকে আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হবে।

রানী সরকার সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার সোনাতলা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর আসল নাম মোসাম্মৎ আমিরুন নেসা খানম। সোনাতলা গ্রামের ইউপি স্কুল থেকে প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করেন। এরপর তিনি খুলনা করোনেশন গার্লস স্কুল থেকে মেট্রিক পাস করেন।

রানী সরকারের অভিনয়জীবন শুরু করেন ১৯৫৮ সালে। শুরুতেই মঞ্চনাটকে অভিনয় করেন। নাটকের নাম ‘বঙ্গের বর্গী’। ওই বছর তাঁর চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় এ জে কারদার পরিচালিত ‘দূর হ্যায় সুখ কা গাঁও’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে। এরপর ১৯৬২ সালে বিখ্যাত চলচ্চিত্রকার এহতেশামুর রহমান পরিচালিত উর্দু চলচ্চিত্র ‘চান্দা’তে অভিনয় করেন। সেই ছায়াছবির পর থেকে তাঁর নতুন নাম হয় রানী সরকার। ‘চান্দা’ চলচ্চিত্রের সাফল্যের পর উর্দু ছবি ‘তালাশ’ ও বাংলা ছায়াছবি ‘নতুন সুর’-এ কেন্দ্রীয় নারী চরিত্রে অভিনয় করেন। এই ছবি দুটি বেশ জনপ্রিয় হয়। গত শতকের ষাট, সত্তর ও আশির দশকে চলচ্চিত্রে তিনি বেশি অভিনয় করেন।

২০১৬ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁকে ২০ লাখ টাকা অর্থ সহায়তা দেন। একই বছর বাংলা চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে আজীবন সম্মাননা পুরস্কার দেওয়া হয় তাঁকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেশের একটা মানুষও গৃহহীন থাকবে না : প্রধানমন্ত্রী

দেশের খবর: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিকল্পনা ছিল সকল মানুষের জন্য গৃহনির্মাণ নিশ্চিত করা। তিনি বাস্তবায়ন করতে পারেনি। আমরা তার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করছি। নিঃস্ব, ভূমিহীন এবং যাদের ভূমি আছে তাদের বাড়ি করে দেওয়া হবে।

আজ শনিবার সকালে আজিমপুর সরকারি কলোনীতে নবনির্মিত বহুবল ভবন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক উদ্বোধন করা এসব ভবনে ৫৩২টি ফ্লাট রয়েছে হয়েছে। এসব ভবনে ৫৩২ জন কর্মচারী তাদের পরিবার নিয়ে বসবাসের সুযোগ পাবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের কাজ হচ্ছে জনসেবা করা। আমরা আপনাদের সেবা করে যাচ্ছি। জাতির পিতার বলেছিলেন, এদেশে একটা মানুষও গৃহহীন থাকবে না। আমরা তার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করছি।

তিনি বলেন, দেশে বর্তমানে শতকরা ৯৩ ভাগ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধা পাচ্ছে। দেশের প্রতিটি ঘরে বিদ্যুতের আলো পৌঁছাবে। দেশের প্রতিটি ঘরে বিদ্যুতের আলো পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০১ সালে বিএনপি জামায়াত ক্ষমতায় এসে সেটি বন্ধ করে দেয়। ২০০৮ সালে ফের ক্ষমতায় এসে আমরা বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর কাজ শুরু করি। বর্তমানে দেশে ১৮৭০০ মেঘাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে।

এ সময় গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বি, গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির সভাপতি আলহাজ দবিরুল ইসলামসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ব্রাজিল টুর্নামেন্টের সেরা দল, আমি পৃথিবীর সবচেয়ে গর্বিত ব্যক্তি: বেলজিয়াম কোচ

খেলার খবর: বেলজিয়ামের কোচ রবার্তো মার্তিনেজ বলেছেন, আমি মনে করি, ব্রাজিল টুর্নামেন্টের সেরা দল এবং নিঃসন্দেহে তাদের আক্রমণাত্মক খেলা আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি ছিল।

শুক্রবার রাতে কাজানে শক্তিশালী ব্রাজিলকে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠার পর সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

৫বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে শেষ চারে উঠাটা যেন বিশ্বাসই হচ্ছে না বেলজিয়ামের কোচের। এজন্য তিনি নিজেকে পৃথিবীর সবচেয়ে গর্বিত মানুষ বলেও দাবি করেন।

রবার্তো মার্তিনেজ বলেন, “আজ আমি পৃথিবীর সবচেয়ে গর্বিত মানুষ। কারণ, আমি আমার ছেলেদের একটি খুব কঠিন কৌশল ঠিক করে দিয়েছিলাম। এবং তারা শেষ সেকেন্ড পর্যন্ত সেই পথেই হেঁটেছে, যা অবিশ্বাস্য।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest