সর্বশেষ সংবাদ-
দৈ‌নিক পত্রদূ‌ত সম্পাদক স. ম আলাউদ্দী‌নের ৩১তম হত্যা দিব‌স উপলক্ষে আলোচনাসভাশ্যামনগরে মালঞ্চ নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যুকালীগঞ্ঞ্জের মথুরেশপুর ইউনিয়নের দুদলী বিএনপি অফিসের সামনে থেকে দুটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধারসাতক্ষীরা জেলা পরিষদের লাইসেন্স পাইয়ে দিতে ঘুষ দাবির অভিযোগ : উচ্চমান সহকারী রাকেশের বিরুদ্ধে তদন্ত সম্পন্নসাতক্ষীরায় নাগরিক সংলাপ: ‘আমরা আর ডুবতে চাই না, এখনই সম্ভাব্য জলাবদ্ধতা নিরসনের উদ্যোগ নিন’সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া অফিসারের অপসারণ দাবিতে নারী খেলোয়াড়দের মানববন্ধনসাতক্ষীরা পুলিশ কর্তৃক উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন ও বিকাশের টাকা প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তরসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভাশ্যামনগরে দুই সাংবাদিকে হত্যার হুমকি ও মিথ্যা মামলা প্রতিবাদে মানবন্ধনশ্যামনগরে অবৈধ বালু উত্তোলনের সময় বাল্কহেড জব : দুইজনের কারাদণ্ড

আজ মেয়েদের শিরোপা নবায়নের ফাইনাল

খেলার খবর: মাহমুদার কাছে ফুটবল খেলাটা বড় বিরক্তিকর হয়ে গেছে। সে অনূর্ধ্ব-১৫ দলের কর্মহীন গোলরক্ষক! গোলপোস্টের নিচে ঠায় দাঁড়িয়ে থাকা ছাড়া বিশেষ কোনো কাজ নেই। প্রতিপক্ষের কোনো চাপ নেই, বড় পরীক্ষা নেই, তাই ভুলেরও সুযোগ নেই। সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ মহিলা ফুটবলের সেই ঢাকা আসর থেকে ধরলে এখনো পর্যন্ত সবই ‘ক্লিন শিট’। টানা সাত ম্যাচে গোল খায়নি সে! অষ্টম ম্যাচের আগে মাহমুদা আক্তারের কণ্ঠে তাই দুর্দান্ত আত্মবিশ্বাস, ‘গোলহীন আরেকটা ম্যাচ কাটাতে চাই আমি। আমার জায়গা থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে। সেটা করতে পারলেই শিরোপা আমাদের কাছে থেকে যাবে।’ নিজেদের পোস্ট না হয় সুরক্ষিত থাকল, কিন্তু শিরোপা জিততে হলে যে গোল করতে হবে। এ নিয়ে বাংলাদেশ কোচেরও দেখছি ন্যূনতম টেনশন নেই, ‘গোল নিয়ে অত চিন্তা নেই। স্বাভাবিক খেলায় সুযোগ আসবে, গোলও হবে।’

এই বাংলাদেশ দলে আসলে গোলের মানুষ অনেক। দুই ফরোয়ার্ড শামসুন্নাহার ও তহুরার আছে সর্বোচ্চ চার গোল করে। অন্যদেরও অনেক গোল। বড় সুবিধা হলো, ডিফেন্ডাররাও গোল করছে সমানে। তাহলে তো হয়েই গেল। গোল খাওয়া এবং দেওয়ায় যখন সমস্যা নেই তখন গতবারের চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ দলকে ঠেকায় কে! ভারতের বিপক্ষে ফাইনাল ম্যাচ হয়ে যাচ্ছে একরকম শিরোপার আনুষ্ঠানিকতা। থিম্পুতে আজ অনূর্ধ্ব-১৫ মহিলা ফুটবলের শিরোপা নবায়নের ম্যাচ বাংলাদেশের। চাংলিমিথাং স্টেডিয়ামে সন্ধ্যা ৭টায় শুরু হবে এই ফাইনাল।

ঠিক সাত মাস আগে ঢাকায় হয়েছিল এই টুর্নামেন্টের প্রথম ফাইনাল। সেখানেও প্রতিপক্ষ ছিল ভারত। সে এক নতুন অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের মহিলা ফুটবলের। ভারতকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো আঞ্চলিক সেরার আসনে বসে বাংলাদেশ। নতুন পাঁচ খেলোয়াড় বাদ দিলে সেই দলই খেলছে ভুটানের এই টুর্নামেন্টে। তবে আরো পরিপক্ব এবং পরিণত হয়ে। কোচ গোলাম রব্বানী ছোটনের চোখে পরিমিতিবোধটা এ রকম, ‘মেয়েদের এখন বলে দিতে হয় না কিভাবে খেলবে। ম্যাচের কোন সময়ে কিভাবে খেলতে হয় তারা জানে। চাপের মধ্য থেকে বেরিয়ে আসার খেলাটাও তারা শিখে গেছে। দলটি আসলে দেশে বড়দের সঙ্গে অনেক প্র্যাকটিস ম্যাচ খেলেছে, তাদের কাছে ম্যাচ সিচুয়েশনগুলো এ রকম জানা।’ টুর্নামেন্টের ম্যাচগুলো তাই বার্ষিক পরীক্ষায় ‘কমন’ পড়ে যাওয়ার মতো ব্যাপার হয়ে গেছে। পাকিস্তানকে ১৪-০ গোলে হারিয়ে শুরুর পর নেপালের বিপক্ষে ৩-০ গোলে জিতে তারা হয় গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন। সেমিফাইনালে ৫-০ গোলে ভুটানকে গুঁড়িয়ে উঠেছে ফাইনালের মহামঞ্চে।

ফাইনালে আবার সেই চেনা প্রতিপক্ষ ভারত। দুদিন আগেও ছোটন কথায় কথায় ভারতকে ‘কমজোরি’ বললেও কাল দিয়েছেন মহারণের প্রতিপক্ষের সম্মান, ‘তাদের আগেরবারের দলের সঙ্গে আমি তুলনায় যাব না। টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা দল হয়েই তারা ফাইনালে পৌঁছেছে। তবে আমাদের স্বাভাবিক খেলটা বজায় থাকলে কোনো প্রতিপক্ষই কঠিন নয়।’ শ্রীলঙ্কার জালে ১২ গোল করা ভারত সেমিফাইনালে নেপালকে ২-১ গোলে কোনো রকমে হারিয়ে উঠেছে ফাইনালে। সুবাদে তারা অন্যতম সেরা হলেও খেলার মান এবং শক্তির পার্থক্যে এগিয়ে থাকে বাংলাদেশ। তবে ফাইনাল এক ম্যাচের মামলা, যেকোনো কিছু ঘটে যেতে পারে। এমন শঙ্কা অঙ্কুরে বিনাশ করে বাংলাদেশ কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন দলের স্বাভাবিক খেলাটা প্রত্যাশা করছেন, ‘অঘটনে অনেক কিছু হয়। আমাদের প্রত্যাশা মেয়েদের স্বাভাবিক পারফরম্যান্স। এ পর্যন্ত মাঠের পারফরম্যান্সে স্পষ্ট হয়ে গেছে কারা টুর্নামেন্টের সেরা। ফাইনালে সেটা আমাদের প্রমাণ করতে হবে ভারতকে হারিয়ে। এই ম্যাচ জেতার জন্য বাড়তি কিছু দেওয়ার প্রয়োজন নেই। এত দিন যেভাবে খেলেছে সেই ধারাটা বজায় রাখতে হবে শুধু।’

অঘটন না ঘটলে খেলার স্বাভাবিক ধারাটাই বজায় থাকবে শামসুন্নাহার-মারিয়াদের পায়ে। এটা তাদের অভ্যাসে দাঁড়িয়ে গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কেরালায় বন্যা: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩২৪

বিদেশের খবর: ভারতের কেরালা রাজ্যে টানা বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩২৪ জনে দাঁড়িয়েছে। বন্যার কারণে ঘর-বাড়ি ছাড়তে হয়েছে কমপক্ষে ১ লাখ ৫০ হাজার মানুষ। এরই মধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে রাজ্যের ব্যস্ততম কোচি বিমানবন্দর। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই- এর অফিস থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

দিশটির গণমাধ্যম বলছে, রাজ্যের ১৪টি জেলার মধ্যে ১৩টিতেই চূড়ান্ত সতর্কতা জারি করেছে প্রশাসন। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা ইদুকি জেলার। তবে পরিস্থিতি আগের থেকে কিছুটা উন্নত হয়েছে আলাপুঝা, এর্নাকুলাম, ত্রিশূর এবং পথনমথিত্তায়।

ত্রিশূর ও চালাকুড়ি শহরের বেশির ভাগ পানির নিচে চলে গিয়েছে। যে সব জায়গায় ত্রাণ শিবির তৈরি করা হয়েছে, নতুন করে বৃষ্টি হওয়ায় সেখানেও পানি ঢুকতে শুরু করেছে।

বন্যার ফলে রাজ্যের ১০ হাজার কিলোমিটারের বেশি রাস্তার ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে এনডিটিভি। প্রবল বর্ষণের কারণে সৃষ্ট বন্যায় কোচি বিমানবন্দর শনিবার পর্যন্ত বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। বিমানবন্দরের রানওয়ে, পার্কিং এলাকা ডুবে গেছে।

আবহায়াবিদরা জানাচ্ছেন, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে ১ জুন থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত রাজ্যে বৃষ্টি হয়েছে ২,০৮৭.৬৭ মিলিমিটার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রধানমন্ত্রীর কাছে ১০ মিনিট সময় চান ড. কামাল

রাজনীতির খবর: গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী অনেক ব্যস্ত, রাষ্ট্রের অভিভাবক হিসেবে কাজের চাপে অনেক ব্যস্ত থাকেন। তারপরও তিনি যদি ১০ মিনিট সময় দেন তাহলে কোটা সংস্কার এবং নিরাপদ সড়ক আন্দোলন নিয়ে কথা বলতে চাই।

শুক্রবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংহতি সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

কামাল হোসেন বলেন, এই দুটি আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত সাধারণ যে শিক্ষার্থীদের গ্রেফতার করা হয়েছে তাদেরকে ছেড়ে দিন। প্রয়োজনে আমি আপনার পা ধরতেও রাজি আছি। আপনার পা ধরে নিবেদন করতে চাই গ্রেফতার করা শিক্ষার্থীদের আপনি মুক্তি দিন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, ডাকসুর সাবেক ভিপি সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ প্রমুখ।

ড. কামাল হোসেন বলেন, দেশের মালিক জনগণ। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় যারা আছেন তাদেরকে জণগণের সেবক হিসেবে দেশ শাসন করা উচিৎ। সবাইকে মালিক হিসেবে একত্রে দাঁড়াতে হবে। আসুন আমরা এই ঈদে এই বাণী নিয়ে গ্রামের বাড়ি যাই এবং সকলকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ করি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শেখ রাসেল একটি স্মৃতি বিজড়ীত নাম — নজরুল ইসলাম

 

নিজস্ব প্রতিবেদক :
শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার আয়োজনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৪টায় সুলতানপুরস্থ আজাদী সংঘ ক্লাবে এ আলোচনা সভা, দোয়া অনুষ্ঠান ও তাবারক বিতরণ করা হয়। শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি রাশেদুজ্জামান রাশির সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমানের পরিচালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন সদর থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি এসএম শওকত হোসেন, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মোহাম্মদ আবু সায়ীদ, সদর থানা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাজাহান আলী, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লায়লা পারভীন সেঁজুতি, পৌর কাউন্সিলর শেখ আব্দুস সেলিম। এসময় উপস্থিত ছিলেন পৌর আ’লীগের সহ-সভাপতি আশরাফুল করিম ধনী, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রশিদ, সদস্য সবুর খান, ২নং ওয়ার্ড আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, শামছুল আলম, জুলফিকার আলী ভুট্টো, আব্দুল মজিদ, কুরবান আলী, মুজিবুর রহমান, নুরুল হক, কবির হোসেন, আশরাফুল কবির খোকন, নূর মনোয়ার হোসেন, রুহুল আলিম, আব্দুস সেলিম, আঃ রহমান, রোকেয়া বেগম, মাস্টার রুস্তম আলী, আনছার আলী, আমজাদ হোসেন প্রমুখ।
এসময় প্রধান নজরুল ইসলাম বলেন, শেখ রাসেল একটি স্মৃতি বিজড়ীত নাম। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে শিশু পুত্র শেখ রাসেলকে হত্যা করেছিল ঘাতকরা। বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের কল্পনাও আমরা করতে পারতাম না। বঙ্গবন্ধুর সুনিপুন দুরদর্শীতার কারণে বাংলাদেশ খুব তাড়াতাড়ি স্বাধীনতা লাভ করেছে। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পেছনে যিনি তাঁর সারাজীবন লড়াই সংগ্রাম করে গেছেন। সেই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছিল এদেশেরই ঘাতকরা। যেটা বাঙালী জাতির জন্য কলঙ্ক জনক অধ্যায়। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে ঘাতকরা মনে করেছিল তারা এদেশ থেকে বঙ্গবন্ধুর নাম চিরতরে মুছে দিতে। কিন্তু তারা শতচেষ্টা করেও সেটা পারেনি। বঙ্গবন্ধু বেঁচে আছেন এদেশের মাটি ও মানুষের হৃদয়ে। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা এদেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসার পর বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার হয়েছে। সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে যারা বিদেশে আছে তাদেরকে দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চলছে। তাদের বিচারও শেষ করা হবে। তিনি আরো বলেন, নৌকা হচ্ছে উন্নয়ননের প্রতীক। শেখ হাসিনা সরকার এদেশের ক্ষমতায় আসার পর থেকে দেশে বিদ্যুৎ, শিক্ষা, চিতিৎসা, রাস্তাঘাট সহ এমন কোনো সেক্টর নেই যেখানে বর্তমান সরকারের উন্নয়নের ছোয়া লাগেনি। পদ্মাসেতু বর্তমানে দৃশ্যমান। বাংলাদেশের যারা উন্নয়ন চায়না। ওই জামাত-শিবির চক্র আর যাতে এদেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসতে না পারে সে জন্য আমাদের সজাগ থাকতে হবে। আগামী মহান জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরায় যারাই নৌকার প্রতীক পাবে দলীয় স্বার্থে সকল ভেদাভেদ ভুলে নৌকার পক্ষে কাজ করে নৌকা প্রতীককে বিজয়ী করার মাধ্যমে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কাকডাঙ্গায় ফুটবল টুর্নামেন্টে আটুলিয়া একাদশ চ্যাম্পিয়ন

হোসেন আলী, কাকডাঙ্গা।

কলারোয়ার কাকডাঙ্গা তরুন সংঘের আয়োজনে স্থানীয় ঐতিহ্যবাহী কাকডাঙ্গা ফুটবল ময়দানে নক-আউট ভিত্তিক চার দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়।
সকাল ১০টায় শুরু হওয়া টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন অত্র ফুটবল মাঠ কমিটির কোষাধ্যক্ষ আাশারাফুজ্জামান, এসময় উপস্থিত ছিলেন উক্ত মাঠ কমিটির সদস্য বৃন্দ, ৪টি দলের টিম ম্যানেজার, কোচ ও খেলোয়ার সহ এলাকার সুধীবৃন্দ।
অত্র খেলায় অংশ গ্রহন করেন, কাকডাঙ্গা তরুন সংঘ ফুটবল একাদশ, চুপড়িয়া আপন স্পোটিং ফুটবল একাদশ, ভাদড়া বন্ধু মহল ফুটবল একাদশ ও আটুলিয়া ফুটবল একাদশ। এ ৪টি দলের মধ্যে ১ম রাউন্ডে ভাদড়া বন্ধু মহল ফুটবল একাদশ, চুপড়িয়া আপন স্পোটিং ফুটবল একাদশকে ১-০ ব্যবধানে ও আটুলিয়া ফুটবল  একাদশ কাকডাঙ্গা তরুন সংঘ ফুটবল একাদশকে টাইব্রেকারে ৪-৩ ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনালে উত্তীর্ণ হয়।
ভাদড়া বন্ধু মহল ফুটবল একাদশ ও আটুলিয়া ফুটবল একাদশের মধ্যকার ফাইনাল ম্যাচটি জমজমাট উত্তেজনার মধ্যদিয়ে প্রথমার্ধ গোল শূণ্য থাকে এবং দ্বিতীয়ার্ধে শুরুতে ভাদড়া বন্ধু মহল গোল করে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।
টানটান উত্তেজনার মধ্যে খেলা শেষ হওয়ার ৫ মিনিট আগে আটুলিয়া গোল করলে খেলাটি ১-১ সমতায় শেষ হয়।
নিয়মানুসারে টাইব্রেকারে আটুলিয়া ফুটবল একাদশ ভাদড়া ফুটবল একাদশকে ৫-৪ গোলের ব্যবধানে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ী দলের অধিনায়কের হাতে ট্রফি তুলে দেন অধ্যাপক সানোয়ার হোসেন। রানার্সাপ ট্রফি তুলে দেন অত্র ফুটবল মাঠ কমিটির সাধারন সম্পাদক প্রদর্শক শাহিনুর রহমান। ম্যান অফ দ্য টুর্নামেন্ট পুরস্কার তুলে দেন প্রভাষক হাবিবুর রহমান লালটু।
টুর্নামেন্টটি পরিচালনা (রেফারি) করেন ইমারুল ইসলাম এবং সহকারী রেফারি ছিলেন আরিজুল ইসলাম ও জিয়ারুল ইসলাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটা ইউএনওর বৃক্ষ রোপনে জাতীয় পুরষ্কার গ্রহণ

কে.এম রেজাউল করিম, দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ-আল আসাদ বৃক্ষ রোপনে প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় পুরষ্কার ২০১৭ গ্রহন করেছেন। বৃহষ্পতিবার সকালে ঢাকার আগারগাঁও বন ভবনের হৈমন্তি মিলনায়তনে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদের নিকট থেকে ইউএনও এই জাতীয় পুরষ্কার গ্রহন করেছেন। সম্প্রতি বন শাখা-২ এর ২২.০০.০০০০.০৬৭.৪৩.০০০৯.১৬-১৬৩ নং স্মারকে “গ” শ্রেণিতে দেবহাটা উপজেলা পরিষদ এই পুরষ্কারের জন্য মনোনিত হয়। উক্ত পুরষ্কার প্রদান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রধান বন সংরক্ষক মোহাম্মদ সফিউল আলম চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন যথাক্রমে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মন্ত্রনালয়ের উপমন্ত্রী আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব ও পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মন্ত্রনালয়ের সচিব আবদুল্লাহ আল মোহসীন চৌধুরী। উপজেলা নির্বাহী অফিস সূত্র জানায়, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ-আল আসাদ দেবহাটা উপজেলায় যোগদানের পর থেকে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের পাশাপাশি বৃক্ষ রোপনের উপর কাজ করেন। তারই ফলশ্রুতিতে তিনি দেবহাটা উপজেলার মধ্যে একটি ঔষধী গাছের বাগান রোপন করেন। সেখানে তিনি বিভিন্ন প্রজাতির দূর্লভ গাছের চারা রোপন করেছেন। এছাড়া তিনি প্রায় ৩ একর জায়গায় বিভিন্ন প্রজাতির বনজ, ফলজ, ভেষজ (ঔষধী) ছাড়াও শোভাবর্ধনকারী ও দেশীয় বিলুপ্ত প্রায় গাছের চারা রোপন করেছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ-আল আসাদ জানান, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, দেশীয় ফল, টক জাতীয় ফল, ঔষধী গাছ রক্ষা, নতুন প্রজন্মকে বর্নিত গাছসমূহের সাথে পরিচিতি ঘটানো এবং বিলুপ্তপ্রায় গাছসমূহকে বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করার জন্য এই বৃক্ষ রোপন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক পাওয়া এই পুরষ্কার সকল দেবহাটাবাসীর বলে তিনি জানান। ইউএনও বলেন, আরো একাধিক বাগান সৃষ্টি এবং বৃহৎ পরিসরে বৃক্ষ রোপন করে জনগনকে সম্পৃক্ত করে বৃক্ষ রোপনে উৎসাহ প্রদান করার জন্য তিনি কাজ করবেন। উল্লেখ্য, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ-আল আসাদ দেবহাটায় যোগদানের পর থেকে দেবহাটা উপজেলা পরিষদের সীমানা প্রাচীর, দেবহাটা রুপসী ম্যানগ্রোভকে আরো উন্নত ও বিনোদনমূলক করা, উপজেলা গেট নির্মান, উপজেলা মুক্ত মঞ্চ নির্মান, উপজেলা ভূমি অফিসের সামনে সেবা গ্রহনকারীদের জন্য কাচারী ঘর নির্মান, উপজেলা পরিষদের শোভা বর্ধন করা সহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ পরিচালনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের নবগঠিত কমিটির অভিষেক

 

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার নবগঠিত কমিটির অভিষেক ও আলোচনাসভা পুরাতন সাতক্ষীরা মায়ের বাড়ি নাট মন্দির প্রাঙ্গনে সংগঠনের সহ-সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা সুভাষ চন্দ্র ঘোষের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন, সাধারণ সম্পাদক বিশ্বনাথ ঘোষ, সহ-সভাপতি ও তালা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কুমার, সহ-সভাপতি মঙ্গল কুমার পাল, স্বপন কুমার শীল, এড. অনিত মুখার্জী, নয়ন কুমার সানা, জেলা মন্দির সমিতির সাধারণ সম্পাদক রঘুজিৎ কুমার গুহ, বিকাশ চন্দ্র দাশ, অরুন কুমার ঘোষ, রণজিৎ বৈদ্য, কৃষ্ণপদ মন্ডল, নির্মল মন্ডল, অধ্যক্ষ শীবপদ গাইন, জোৎস্না দত্ত, বিশ্বরূপ ঘোষ প্রমুখ। সভার শুরুতে নবগঠিত কমিটির সকলকে ফুলদিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। সংগঠনের সভাপতি মনোরঞ্জন মুখার্জী সুস্থ্যতা এবং সহ-সভাপতি গোষ্ট বিহারী মন্ডলের সহ-ধর্মীনি চায়না রানী মন্ডল সহ ইতোমধ্যেই যারা ইহলোক ত্যাগ করে পরলোক গমন করেছেন তাদের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করে এক মিনিট প্রার্থনা করা হয়। এছাড়া আগামী ২ সেপ্টেম্বর শ্রী শ্রী কৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদযাপনের জন্য স্বপন কুমার শীল কে আহবায়ক, অধ্যক্ষ শীবপদ গাইনকে সদস্য সচিব ও কমিটির সকলকে সদস্য করে আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নিত্যানন্দ আমিন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মুক্তিযোদ্ধা কোটা নিয়ে সোমবারের মধ্যে মতামত দেবেন অ্যাটর্নি জেনারেল

দেশের খবর: মুক্তিযোদ্ধা কোট নিয়ে মতামত দেবেন রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। আগামী সোমবারের (২০ আগস্ট) মধ্যে এই মতামত দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার (১৭ আগস্ট) অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘আমি দুই-তিন দিন আগে চিঠি পেয়েছি। চিঠিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা নিয়ে আমার মতামত চাওয়া হয়েছে। আগামী সোমবারের মধ্যে আমার মতামত দেবো।’

প্রসঙ্গত, সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা ৩০ শতাংশ রাখার বাধ্যবাধকতা নিয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমের কাছে মতামত জানতে চেয়েছে সরকার গঠিত কোটা সংক্রান্ত কমিটি। এরই পরিপ্রেক্ষিতে মক্তিযোদ্ধা কোটার বিষয়ে তিনি তার মতামত দেবেন।

গত ১২ আগস্ট মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম জানান, সরকারি চাকরিতে মেধাকে প্রাধান্য দিয়ে কোটা প্রথা যতটা সম্ভব তুলে দেওয়ার সুপারিশ করছে এ সংক্রান্ত কমিটি। তবে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটার ব্যাপারে আদালতের রায় থাকায় এ ব্যাপারে সুপ্রিম কোর্টের মতামত চাইবে সরকার।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘আমরা মাসখানেক কাজ করলাম। সুপারিশ প্রায় চূড়ান্ত। আমাদের কমিটির সুপারিশ হলো— কোটা অলমোস্ট উঠিয়ে দেওয়া, মেধাকে প্রাধান্য দেওয়া। তবে সুপ্রিম কোর্টের একটা রায় আছে, মুক্তিযোদ্ধাদের কোটা প্রতিপালন ও সংরক্ষণ করতে হবে এবং যদি খালি থাকে তা খালি রাখতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘এ কারণে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য বর্তমানে থাকা ৩০ শতাংশ কোটার বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের কাছে মতামত চাইবে সরকার। মুক্তিযোদ্ধাদের কোটা সংরক্ষণ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ কমিটি পুরোপুরি বুঝতে না পারার কারণেই এ বিষয়ে আদালতের মতামত চাওয়া হবে। যদি কোর্ট এটাকেও বাদ দিয়ে দেয়— তাহলে কোটা থাকবে না। আর কোর্ট যদি বলে ওই অংশটুকু সংরক্ষিত রাখতে হবে, তাহলে ওই অংশটুকু (মুক্তিযোদ্ধা কোটা) বাদ দিয়ে বাকি সব উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।’ অর্থাৎ আদালত যে মতামত দেয় সেটাই প্রাধান্য পাবে বলেও তিনি জানান।

উল্লেখ্য, কোটা ব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে কয়েক মাস ধরে আন্দোলন করেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এ নিয়ে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সড়ক অবরোধ, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ এবং আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের গ্রেফতারের ঘটনাও ঘটে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest