সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় নাগরিক সংলাপ: ‘আমরা আর ডুবতে চাই না, এখনই সম্ভাব্য জলাবদ্ধতা নিরসনের উদ্যোগ নিন’সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া অফিসারের অপসারণ দাবিতে নারী খেলোয়াড়দের মানববন্ধনসাতক্ষীরা পুলিশ কর্তৃক উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন ও বিকাশের টাকা প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তরসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভাশ্যামনগরে দুই সাংবাদিকে হত্যার হুমকি ও মিথ্যা মামলা প্রতিবাদে মানবন্ধনশ্যামনগরে অবৈধ বালু উত্তোলনের সময় বাল্কহেড জব : দুইজনের কারাদণ্ডসাতক্ষীরার ঝাউডাঙ্গায় পানিতে ডুবে দুই শিশুর করুন মৃত্যুতুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধুলিহরে এক যুবক পিটিয়ে জখম:থানায় মামলাসাতক্ষীরা প্রাণসায়রের ধারে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনকলারোয়ায় বজ্রপাতে এক কৃষকের মৃত্যু

শত চেষ্টাতেও শৃঙ্খলা ফিরছে না

দেশের খবর: ট্রেন আসার আগ মুহূর্তে যান চলাচল বন্ধ করতে ফেলা হয়েছে প্রতিবন্ধক। সেটির নিচ দিয়ে কসরত করে বের হয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন মোটরসাইকেলের চালকেরা। সেকেন্ডের ব্যবধানে ঘটে যেতে পারে বড় দুর্ঘটনা। মামলা, জরিমানা, কারাদণ্ড। সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে নানাভাবে চেষ্টা করছে পুলিশ ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। গত সাত দিনে সড়কে নৈরাজ্য বন্ধ করতে ট্রাফিক আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে সারা দেশে মামলা হয়েছে লক্ষাধিক। জরিমানা আদায় হয়েছে সাড়ে চার কোটি টাকা। তবু নৈরাজ্য থামছে না। ট্রাফিক সপ্তাহের সাত দিনে সারা দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন ৪৩ জন।

শনিবার রাজধানীর পাঁচটি ব্যস্ত বাসস্ট্যান্ড এলাকা ঘুরে চালক ও পথচারীদের নিয়ম অমান্য করার প্রতিযোগিতা আগের মতোই চোখে পড়ে। ট্রাফিক সপ্তাহের শেষ দিন ছিল কাল। সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ট্রাফিক সপ্তাহ আরও তিন দিন বাড়িয়ে ১৪ আগস্ট পর্যন্ত করা হয়েছে।

এই সাত দিনে শৃঙ্খলা দৃশ্যমান না হলেও ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া শনিবার সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ট্রাফিক সপ্তাহে অনেক ইতিবাচক ফল এসেছে। ট্রাফিক আইন প্রয়োগ ও সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে অনেকটা অগ্রগতি হয়েছে। এটিকে টেকসই ও চলমান রাখতে এবং সড়কের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা আরও বেগবান করতে ট্রাফিক সপ্তাহ ১৪ আগস্ট পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

ঢাকাসহ সারা দেশ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, সাত দিনে সারা দেশে ট্রাফিক আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে ১ লাখ ২৯ হাজার ৮৭১টি। জরিমানা আদায় হয়েছে প্রায় সাড়ে চার কোটি টাকা। ৪৬ হাজার ৭২৩ জন চালকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আটক করা হয়েছে ৩ হাজার ৭৭৭টি যানবাহন। মামলা ও জরিমানার পাশাপাশি চালক ও পথচারীদের উদ্দেশে প্রচার করা হচ্ছে সচেতনতামূলক বার্তা।

মামলাগুলোর অধিকাংশ হয়েছে রাজধানীতে। জরিমানার অর্ধেকের বেশি আদায় হয়েছে রাজধানী শহর থেকে। এত কিছুর পরও রাজধানীর সড়কে নৈরাজ্য থামছে না কেন? জানতে চাইলে নগর গবেষণা কেন্দ্রের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নজরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, পরিবহন খাতে দীর্ঘদিন ধরে চলছে চরম অব্যবস্থাপনা। এই অরাজক পরিস্থিতি থেকে সাত দিনে উত্তরণ সম্ভব না। আইন, নিয়ম-নীতি সবই আছে। এগুলো প্রয়োগ করার তৎপরতা নেই। উচ্চপর্যায় থেকে আইন প্রয়োগের অঙ্গীকারও নেই। সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে শুরু করে সব পর্যায়ের দায়িত্বপ্রাপ্তদের আইন মানতে এবং মানাতে উদ্যোগ নিতে হবে।

বিআরটিএর মিরপুরের কার্যালয়ে শনিবার অভিযান চালিয়ে ১০ জন দালালকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরে তাঁদের বিআরটিএর অস্থায়ী হাজতখানায় রাখা হয়। মালাকারবিআরটিএর মিরপুরের কার্যালয়ে শনিবার অভিযান চালিয়ে ১০ জন দালালকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরে তাঁদের বিআরটিএর অস্থায়ী হাজতখানায় রাখা হয়।
মিরপুর আনসার ক্যাম্প এলাকায় দেখা যায়, তানজিল পরিবহন এবং নিউ ভিশন পরিবহনের দুটি বাস যাত্রী তোলার জন্য নিজেদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি করছে। তানজিল পরিবহন মিরপুর চিড়িয়াখানা থেকে ফার্মগেট হয়ে গুলিস্তান এবং নিউ ভিশন পরিবহন মিরপুর চিড়িয়াখানা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত চলাচল করে।

মহাখালী এলাকায় দেখা যায়, ঢাকা-ময়মনসিংহ পথে চলাচলকারী এনা পরিবহনের একটি বাসের চালক এক হাতে মুঠোফোনে কথা বলছেন, আরেক হাতে স্টিয়ারিং সামলাচ্ছেন। ফোনে কথা বলতে বলতেই তিনি মহাখালী মোড় পার হয়ে গেলেন।

মহাখালী হয়ে বিভিন্ন পথে চলাচলকারী বাসগুলো মহাখালী ট্রাফিক পুলিশের সামনেই যাত্রী তুলছে। একাধিক বাস ও লেগুনা মহাখালী রেললাইনের ওপর থেমে যাত্রী তুলছে। অথচ বাস থামানোর এবং যাত্রী তোলার নির্ধারিত স্থান আরও কিছুটা সামনে।

বাড্ডা থেকে গুলিস্তান পথে চলাচলকারী ৬ নম্বর বাসের চালক মো. আরমান বলেন, ‘যাত্রী যেখানে থাকবে আমরা সেখানেই বাস থামাব। যাত্রীরা সামনে গিয়া না দাঁড়ালে আমাদের কী দোষ।’

বিজয় সরণি মোড়ে দাঁড়িয়ে দেখা যায়, অধিকাংশ মোটরসাইকেলচালকের হেলমেট থাকলেও আরোহীদের হেলমেট নেই। এক মোটরসাইকেলে চালকের সঙ্গে নারী ও দুই শিশু আরোহী থাকলেও শুধু চালকের হেলমেট রয়েছে। অনেক মোটরসাইকেলচালক হেলমেটের ভেতর মোবাইল ফোন গুঁজে কথা বলতে বলতে চালাচ্ছেন।

মিরপুর বাঙলা কলেজের সামনে একাধিক সড়ক দুর্ঘটনার পর শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে পদচারী-সেতু বসানো হয়। সেই পদচারী-সেতু এখন অলস পড়ে থাকে।

ছুটির দিনেও বিআরটিএ খোলা

নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পর বিআরটিএর কার্যালয়ে লাইসেন্স ও ফিটনেস সনদ নিতে হিড়িক পড়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিআরটিএ বাড়িয়েছে দিনের কর্মঘণ্টা। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী গতকাল সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও বিআরটিএ কার্যালয়ে লাইসেন্স নবায়ন, গাড়ির ফিটনেস ও নবায়ন কার্যক্রম চলেছে। তবে কার্যালয়ের ভেতরে ও বাইরে দালালদের উৎপাত বন্ধ হয়নি। শনিবার বিআরটিএর তিনটি ভ্রাম্যমাণ আদালত ১৪ জন দালালকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন। মোটরযান অধ্যাদেশের আওতায় ৬৩টি মামলায় ৯৯ হাজার ১০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

বিআরটিএ মিরপুর কার্যালয়ের ভেতরের অস্থায়ী কয়েদখানায় দেখা যায়, এক ব্যক্তিকে পিছমোড়া করে ধরে এনে ঢোকালেন দুই আনসার সদস্য। সেখানে আগে থেকেই ছিলেন পাঁচ ব্যক্তি। তাঁরা সবাই দালাল। শনিবার সেখানে ১০ দালালকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বিআরটিএর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাজহারুল ইসলাম বলেন, দালালদের কারণে সেবা নিতে আসা লোকজন অতিষ্ঠ। দালালদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জাবালে নূরের ছয়টি বাস জব্দ

চলাচলের অনুমতি বাতিলের পরও যাত্রী পরিবহনের অভিযোগে জাবালে নূর পরিবহনের ছয়টি বাস জব্দ করেছে র‌্যাব। র‍্যাবের মিডিয়া শাখার পরিচালক মুফতি মাহমুদ খান বলেন, শনিবার মিরপুর ও ক্যান্টনমেন্ট এলাকা থেকে বাসগুলো আটক করা হয়।

গত ২৯ জুলাই বিমানবন্দর সড়কে জিল্লুর রহমান ফ্লাইওভারের পাশে বাসে ওঠার অপেক্ষায় থাকা শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের একদল শিক্ষার্থীর ওপর জাবালে নূরের একটি বাস উঠে গেলে দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে তৃতীয় পক্ষ ঢুকে পড়েছিল

দেশের খবর: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের অন্দোলনে তৃতীয় পক্ষ ঢুকে পড়েছিল। তিনি বলেন, ‘যেভাবে শিক্ষার্থীরা নেমে এসেছিল তার প্রতিদান তারা পেয়েছে। পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি সবাইকে ধর্য্য ধরতে বলেছিলাম। আমি চেয়েছিলাম শিক্ষার্থীদের যেন কোনও ক্ষতি না হয়। কিন্তু আন্দোলনের তৃতীয় দিন দেখি ব্যাগের ভেতর থেকে ছাত্রদের পোশাক বের করে অনেকে ছাত্র হয়ে যাচ্ছে। তারা ব্যাগের ভেতর থেকে দা, রামদা এগুলো বের করছে। দর্জির দোকানে স্কুল ড্রেস বানানোর ভিড় বেড়ে গেছে। তখন আমি চিন্তিত হয়ে পড়ি।’
রবিবার (১২ আগস্ট) সকালে রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কে শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের কাছে আন্ডারপাস নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচটি ইমাম, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদসহ বেসামরিক ও সামরিক শীর্ষ কর্মকর্তারা।
গত ২৯ জুলাই বিমানবন্দর সড়কের কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সামনে এমইএস বাসস্ট্যান্ডে জাবালে নূর পরিবহনের বাসচাপায় মিম ও রাজিব নামের দুই শিক্ষার্থী নিহত হয়। আহত হয় আরও ১০ শিক্ষার্থী। ওই ঘটনার পর নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামেন।
প্রতিষ্ঠানটির ওই দুই শিক্ষার্থীর সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর পর প্রধানমন্ত্রী তার অঙ্গীকার অনুযায়ী এ আন্ডারপাস নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন। এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিহত দুই শিক্ষার্থীর পরিবারকে ২০ লাখ টাকা করে সঞ্চয়পত্র প্রদান করেছেন। এছাড়া ওই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য পাঁচটি বাসও হস্তান্তর করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফের মসজিদ ঘিরে কঠোর পদক্ষেপ চীনা সরকারের

বিদেশের খবর: কোনও ধর্মই আইনের ঊর্ধ্বে নয়। সে কথা স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দিল চীনা সরকার। সম্প্রতি উত্তরপশ্চিম চীনের একটি মসজিদের একটি বড় অংশ ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে উইঘুর প্রশাসন। নিনজিয়া প্রদেশের উইঘুরে বসাবস করেন উপজাতি হুই সম্প্রদায়ের মুসলিমরা। সেখানকার সর্ববৃহৎ মসজিদটি সম্প্রসারণ নিয়েই সমস্যা।

বৃহস্পতিবার কয়েক হাজার উইঘুর মুসলিম রাতভর সেই মসজিদটিকে ঘিরে বসেছিলেন। শুক্রবারই সেটি ভাঙার কথা ছিল। সেই এলাকার অনেকে কান্নাকাটি শুরু করে দেন। অনেকেই শ্লোগান দেন, ‘চীনে ধর্ম বাঁচান’। সেই এলাকার মাবাসিন্দাদের অভি‌যোগ, চীনে মসদিজের গম্বুজ ভেঙে দেওয়া হচ্ছে, গীর্জায় তালা দিয়ে দেওয়া হচ্ছে, তীব্বতে ছেলেমেয়েরা বৌদ্ধ মঠ থেকে স্কুলে ‌যেতে বাধ্য হয়েছে।

খবর অনু‌যায়ী, সেই এলাকায় ঢুকতে বাধা দেওয়া হচ্ছে সংবাদ মাধ্যমকে। এমনকি ঢুকতে দেওয়া হলেও লোকজনের সঙ্গে কথা বলতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। অথচ প্রশাসন মসজিদ ভাঙা নিয়ে কোনও কথাই বলছে না।

জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরেই উইঘুর এলাকার মুসলিমরা আশঙ্কা করছেন ‌যে নিনজিয়ার সেই মসজিদটির বেশকিছুটা অংশ ভেঙে ফেলা হবে। এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, মসজিদের ৯টি গম্বুজের মধ্যে ৮টি ভেঙে ফেলার পরিকল্পনা করেছে সরকার। কারণ সরকারের অভি‌যোগ সেই ৮টি গম্বুজ অবৈধভাবে নির্মাণ করা হয়েছে। মসজিদ চত্বরে প্রায় তিরিশ হাজার মানুষ একসঙ্গে নামাজ পড়তে পারে।

উল্লেখ্য, মসজিদ ভাঙলে তা সেই সম্প্রদায়ের ক্ষোভের কারণ হবে। কিন্তু এলাকার প্রশাসন ‌যদি এই ব্যাপারে উদ্যোগ না নেয় তাহলে একটা বার্তা ‌যাবে ‌যে চীনের আইনের থেকেও ক্ষমতাধর হল ধর্ম।

প্রসঙ্গত, এবছর মে মাসে চীনের ডিসিপ্লিনারি ইনস্পেকশন কমিশন তার রিপোর্টে জানায়, উইঘুর প্রশাসন নিনজিয়ার গ্র্যান্ড মসদিজের সম্প্রসারণ নিয়ে সঠিক তথ্য দিতে ব্যর্থ হয়েছে।সেই রিপোর্টের পরই মসজিদটির একংশ ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘ইরানকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করতে চায় আমেরিকা’

বিদেশের খবর: ইউরোপীয় ইউনিয়ন বলেছে, মার্কিন প্রেসেডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে আলোচনায় বসার যে প্রস্তাব দিয়েছেন তার উদ্দেশ্য নতুন সমঝোতা সই করা নয় বরং তিনি ইরানকে আমেরিকার মোকাবিলায় আত্মসমর্পণে বাধ্য করতে চান।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ক প্রধান কর্মকর্তা ফেডেরিকা মোগেরিনির উপদেষ্টা নাথালি টকসি এ মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা তার ১১টি প্রতিবেদনে এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছে যে, ইরান পরমাণু সমঝোতা মেনে চলছে। এ অবস্থায় ওই সমঝোতা থেকে বেরিয়ে গিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করেছেন।

টকসি বলেন, ইরানকে আলোচনার টেবিলে আনতে বাধ্য করার জন্য দেশটির ওপর যে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে তা অযৌক্তিক। তিনি আরো বলেন, একটি সফল আলোচনার জন্য প্রতিদ্বন্দ্বী দু’টি পক্ষকে সদিচ্ছার পরিচয় দিতে হয়।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের এই কূটনীতিক বলেন, গত ১২ বছরের আলোচনা শেষে আমেরিকার প্রতি যে কিছুটা আস্থা তৈরি হয়েছিল ট্রাম্প পরমাণু সমঝোতা থেকে বেরিয়ে গিয়ে তাও ধ্বংস করে দিয়েছেন। তিনি বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকার আরোপিত একতরফা নিষেধাজ্ঞা মানবে না ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত মে মাসে ইরানের পরমাণু সমঝোতা থেকে বেরিয়ে যান এবং গত সপ্তাহে তেহরান বিরোধী নিষেধাজ্ঞার প্রথম পর্যায় বাস্তবায়ন করেন। এর আগে গত মাসের শেষদিকে তিনি হোয়াইট হাউজে ইতালির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণা করেন, তিনি ইরানের সঙ্গে নিঃশর্ত আলোচনায় বসতে চান। তবে তেহরান ওই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারতের ধরা-ছোঁয়ার বাইরে ইংল্যান্ড

খেলার খবর: হতে পারতো জোড়া সেঞ্চুরি। কিন্তু দুর্ভাগ্য জনি বেয়ারেস্টর। ৯৩ রানে গিয়ে আউট হয়ে গেলেন। হার্দিক পান্ডিয়ার বলে উইকেটের পেছনে বাম পাশে জাঁপিয়ে পড়ে দিনেশ কার্তিক অসাধারণ ক্যাচটি না ধরলে কিন্তু সেঞ্চুরিটা পেয়েও যেতে পারতেন বেয়ারেস্ট।

তবুও ৮০ রানে ৪ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর মাঠে নেমে যে দায়িত্বশীলতার পরিচয় তিনি দিয়েছেন, তা রীতিমত বিরল। লর্ডসে সেঞ্চুরি করার পর যে সম্মান পাওয়া যায়, সেঞ্চুরি থেকে সাত রান কম করেও তার চেয়ে বেশি সম্মান পেলেন জনি বেয়ারেস্ট। রীতিমত স্ট্যান্ডেনোভেশন।

বেয়ারেস্ট সেঞ্চুরি করতে না পেরে ভুল করেছেন; কিন্তু তার মত ভুল করলেন না ক্রিস ওকস। দুর্দান্ত এই অলরাউন্ডার ব্যাট করতে নেমেছেন সাত নম্বরে। বেয়ারেস্টর সঙ্গে দায়িত্বশীল ভূমিকায় ছিলেন তিনি আরও বেশি। বেয়ারেস্টর সঙ্গে ১৮৯ রানের বিশাল জুটি গড়াই নয় শুধু। ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরিটাও তুলে নিয়েছেন তিনি মারকুটে ব্যাটিং করে। ১২৯ বলে ১৫টি বাউন্ডারির সাহায্যে তিন অংকের ঘরে পৌঁছান তিনি।

জনি বেয়ারেস্ট আর ক্রিস ওকসের বীরোচিত ব্যাটিংয়ের ওপর ভর করে ইংল্যান্ডও চলে গেছে সফরকারী ভারতের ধরা-ছোঁয়ার বাইরে। ৬ উইকেট হারিয়ে ইংল্যান্ডের সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ৩৫৭ রান। প্রথম ইনিংসে তাদের লিড দাঁড়ালো বরাবর আড়াইশ (২৫০) রানের।

১২০ রান নিয়ে এখনও ব্যাট করছেন ক্রিস ওকস। সব মিলিয়ে তিনি বাউন্ডারি মেরেছেন ১৮টি। জনি বেয়ারেস্টর ব্যাট থেকে বাউন্ডারি এসেছে ১২টি। ওকসের সঙ্গে ২২ রান নিয়ে উইকেটে রয়েছেন স্যাম কুরান। তৃতীয় দিনের শেষ বিকেলে মোহাম্মদ শামি, ইশান্ত শর্মা কিংবা হার্দিক পান্ডিয়ারা পারেনি ওকস-কুরান জুটিতে ভাঙন ধরাতে।

টস হেরে প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ইংলিশ পেসারদের তোপের মুখে মাত্র ১০৭ রানে অল আউট হয়ে যায় ভারত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আবারও উত্তপ্ত উত্তর কোরিয়া-যুক্তরাষ্ট্র, পাল্টাপাল্টি শর্ত!

বিদেশের খবর: আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে যুক্তরাষ্ট্র-উত্তর কোরিয়া সম্পর্ক। এ ব্যাপারে এক সিনিয়র মার্কিন কূটনীতিক জানিয়েছেন, পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্র কয়েকবার প্রস্তাব দিলেও তা প্রত্যাখ্যান করেছে উত্তর কোরিয়া। কিম জং উনের সরকার এসব প্রস্তাবকে ‘গ্যাংস্টার’ বলে উল্লেখ করেছে।

এ প্রসঙ্গে কূটনৈতিক সূত্র জানায়, উত্তর কোরিয়াকে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের কাজ শুরু করা এবং শেষ করার ব্যাপারে নির্দিষ্ট সময়সীমা উল্লেখ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু এগুলোর কোনোটিই গ্রহণ করা হয়নি। সূত্র আরও বলছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রশাসন রকেট গতিতে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক শুরু করেছিলেন, কিন্তু তা এখন রকেটের গতিতেই পৃথিবীতে পড়ে গেছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র বলছে, উত্তর কোরিয়া পরমাণু নিরস্ত্রীকরণে পদক্ষেপ না নেয়া পর্যন্ত অবরোধ প্রত্যাহার করা হবে না। অন্যদিকে উত্তর কোরিয়া বলছে, পরমাণু নিরস্ত্রীকরণে তারা অনেক পদক্ষেপ নিয়েছে। আর কোনো পদক্ষেপ নেয়ার আগে যুক্তরাষ্ট্রকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে।

সূত্র বলছে, গত ১২ জুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং কিম জং উন বৈঠক করলেও পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের কোনো সময়সীমা উল্লেখ করেননি তারা। তাদের মধ্যকার সব অঙ্গীকারই ব্যর্থতায় পর্যবেসিত হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এখন আপনিও হতে পারেন ডেইলি সাতক্ষীরার সংবাদকর্মী

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: পাঠক, আপনি নিশ্চয়ই ডেইলি সাতক্ষীরার সংবাদে নিয়মিত চোখ বোলান, পাঠ করেন। আপনারও নিশ্চয়ই ইচ্ছে জাগে আপনার আশপাশে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার সংবাদ প্রকাশিত হতে দেখতে। কিন্তু অনেক সময় আপনার আশপাশে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের খোঁজ হয়ত আমরা রাখি না। এক্ষেত্রে আপনি নিজেই হয়ে উঠতে পারেন কন্ট্রিবিউটর বা প্রদায়ক। ডেইলি সাতক্ষীরার বার্তা কক্ষে সময়মত সংবাদ ও ছবি পাঠিয়ে আপনিও হতে পারেন আমাদের পরিবারের অংশ। আপনার এলাকার বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা, সাফল্যসহ সকল সংবাদ সবাইকে জানানোর উত্তম মাধ্যম হতে পারে ডেইলি সাতক্ষীরা। আর এর মাধ্যমে আপনি হয়ে উঠতে পারেন এলাকার উন্নয়নের অংশীদার, এলাকাবাসীর কাছের মানুষ।
আমরা সাতক্ষীরার ৭৮ টি ইউনিয়ন, ২ টি পৌরসভা ও ৮ টি (৭ টি উপজেলা) থানা, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি কলেজসহ গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ডেইলি সাতক্ষীরার জন্য সংবাদকর্মী খুঁজছি। আপনিও হতে পারেন সমাজের একজন বিবেকবান মানুষ ও সংবাদকর্মী। সাংবাদিকতার মহান পেশায় যুক্ত থাকতে চাইলে পূর্ণাঙ্গ জীবনবৃতান্তসহ আজই যোগোযোগ করুন আমাদের সাথে।

যোগাযোগ:
ডেইলি সাতক্ষীরা
ই-মেইল: dailysatkhira@gmail.com
মোবাইল: ০১৭৪৬৫৪৫১১৯ ও ০১৯০৮৫০৩৯১৬

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সময় থামাবে মানুষ!

ভিন্ন স্বাদের খবর: সময়কে জয় করার কত চেষ্টাই না করেছে মানুষ। কিন্তু নিজের কাজ ঠিকই করে চলেছে সময়। সবকিছুর মতো মানুষের শরীরের উপরও দাপটের সাথে প্রভাব বিস্তার করে চলেছে। হলিউডের সায়েন্স ফিকশন মুভিতে দেখা যায় সময়ের অনেক পেছনে ফিরে যাবার কিংবা বর্তমানে বসে ভবিষ্যতে ঢুকে পড়ার নানা দৃশ্য। কিন্তু বাস্তবে কি এটা সম্ভব? যদি সম্ভব হতো তবে কত মজাই না হতো। একই বিন্দুতে দাঁড়িয়ে প্রত্যেকে নিজ নিজ অবস্থা উপভোগ করতে পারতো।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, সময়কে থামানো বাস্তবে সম্ভব নয়। সেটার চেষ্টা করাও বোকামি। তবে আমরা নিজেদের শরীরের প্রক্রিয়াটাকে সময়ের বিপরীতে থামিয়ে দিতে পারি। তাহলেই তো সেটা সময়কে ‘থামিয়ে’ দেয়ার সামিল হবে। একই ‘স্থানে’ আমরা দাঁড়িয়ে থাকতে পারব বছরের পর বছর। আমাদের প্রকৃতিতে ব্যাঙসহ বেশ কিছু প্রাণীর ‘হাইবারনেশন’ বা শীতনিদ্রা থেকে বিজ্ঞানীরা এই বিষয়টি মাথায় এনেছেন। তারা বলেছেন, তাদের গবেষণা শুরু হয়েছে মূলত দুর্গম এলাকায় যুদ্ধক্ষেত্রে আহত সেনাদের চিকিত্সার স্বার্থে। হাসপাতালে নেয়ার আগ পর্যন্ত যাতে আহতকে বাঁচিয়ে রাখা যায় সেই প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে তাদের গবেষণায়। আহতকে ওষুধ প্রয়োগের মাধ্যমে তার শারিরীক অবস্থার এমন পরিবর্তন করা হয় যাতে শারিরীক প্রক্রিয়াগগুলো ধীরগতিতে হয়। এতে শরীরের ক্ষতস্থানের অবনতিও হবে না। শরীরে প্রয়োগ করা ওষুধ রোগীর আহত হবার সেই মুহুর্তটিকেই ধরে রাখবে, সামনে এগোবে না। তার মানে অনেকটা সময়কে থামিয়ে দেয়ার মতোই!

বিজ্ঞানীরা এই প্রক্রিয়াটিকে বলেছেন বায়োস্টাসিস। আনবিক স্তরে এটি শরীরের জৈবিক প্রক্রিয়াকে বহুগুনে কমিয়ে দিতে পারবে। এতে শরীরের বিপাক এত ধীরগতিতে হবে যে আমাদের শরীর একই অবস্থায় থাকতে পারবে বছরের পর বছর। ৩০ বছর বয়সে কারো উপর এই প্রক্রিয়ার প্রয়োগ হলে অনেক বছর ধরে তার চেহারা কিংবা শারিরীক সক্ষমতা সেই ৩০ বছর বয়সের মতোই থাকবে। তারা বলছেন, মানুষের যৌবন ধরে রাখা তাদের গবেষণার উদ্দেশ্য নয়। গুরুতর আহতকে চিকিত্সা শুরুর আগে যাতে তার মৃত্যু না হয় সেজন্য আহতাবস্থার মুহুর্তটিকে ‘পজ’ করে দেয়া বা থামিয়ে দেয়া। আর মঙ্গল গ্রহ কিংবা বহু আলোকবর্ষ দূরের অন্য কোনো গ্রহে যদি মানুষকে যেতে হয় তবে এভাবেই সময়কে থামিয়ে দিতে হবে। নইলে সেখানে পৌছানোর আগেই তার মৃত্যু হবে। যাহোক তাদের এই গবেষণা সফল হবে কি না সেটা সময়ই বলে দেবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest