সর্বশেষ সংবাদ-
বিশ^জিৎ সাধুর ভোগ দখলীয় সম্পত্তি দখল চেষ্টার প্রতিবাদে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের বিবৃতিদৈনিক দৃষ্টিপাত সম্পাদক জিএম নুর ইসলামের মৃত্যুতে জেলা জাতীয় পার্টির শোকদেবহাটায় যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে মৎস্য ব্যবসায়ী নিহত, বাস আটকনেপালে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৬৯ : শত শত মানুষ এখনো নিখোঁজদৈনিক দৃষ্টিপাতের সম্পাদকের মৃত্যুতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের শোকউপবৃত্তির টাকা আত্মসাৎ ও অনিয়মের অভিযোগে দায়িত্ব হারালেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকযুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় ইউনিভার্সিটি অব মায়ামিতে পিএইচডি ও ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপ অর্জন করল সাতক্ষীরার শিহাবনেপালে পাহাড়ি ঢলে বিপর্যয়, নিহত বেড়ে ১৬২, নিখোঁজ ৪০০সাংবাদিক মারুফকে প্রাণনাশের হুমকি : থানায় অভিযোগসাতক্ষীরার শিকারি ব্র্যান্ড বিডির ১১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

জন্ডিস হলে যা করবেন

স্বাস্থ্য বটিকা: জন্ডিস আসলে কোনো রোগ নয়, বরং বেগতিক শরীরের উপসর্গ মাত্র। রক্তে বিলরুবিনের মাত্রা বেড়ে গেলে জন্ডিস দেখা দেয়। এ সময়টাতে ত্বক হলদেটে হয়ে যায়, চোখের সাদা অংশ ও অন্যান্য মিউকাস ঝিল্লি হলুদ হয়ে যায়। জন্ডিস হলে খাদ্যে অরুচি, জ্বর আসা, বমি বমি ভাব, পেট ব্যথা হতে পারে।

একবার জন্ডিসের প্রভাব শরীরে পরা মানে তার যকৃৎ আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া।

জন্ডিসের লক্ষণ
জন্ডিস হলে চোখ হলুদ হয়। তবে হেপাটাইটিস রোগে জন্ডিসের পাশাপাশি খাদ্যে অরুচি, বমি ভাব, জ্বর জ্বর অনুভূতি কিংবা কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসা, মৃদু বা তীব্র পেটব্যথা ইত্যাদি হতে পারে। এসব উপসর্গ দেখা দিলে তাই অবশ্যই একজন লিভার বিশেষজ্ঞের পরমর্শ নেয়া উচিত।

চিকিৎসক শারীরিক লক্ষণ এবং রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে জন্ডিসের তীব্রতা ও কারণ নির্ণয় করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসার নির্দেশনা দিয়ে থাকেন।

জন্ডিসের তীব্রতা কোন পর্যায়ে আছে, সেই অনুযায়ী চিকিৎসা দেয়া হয়। খুব বেশি জটিলতা না থাকলে কিছু প্রাকৃতিক পদ্ধতি অনুসরণ করলেই জন্ডিস সেরে যায়।

জন্ডিস হলে যা করবেন

১. প্রতিদিন ৬ থেকে ৮ গ্লাস পানি খান।

২. বেশি পরিমাণে ফল এবং শাকসবজি খান বিশেষ করে সবুজ শাকসবজি প্রচুর খাওয়া উচিত। এর মধ্যে পালং শাক, মুলা শাক ও পেঁপের পাতা জন্ডিস সারাতে বেশ ভালো কাজ করে।

৩. এ সময় কফি, অ্যালকোহল, সোডা কিংবা অন্যান্য পানীয় খাওয়া থেকে নিজেকে বিরত রাখুন।

৪. ঘরে তৈরি ফলের রস খেতে পারেন। এর মধ্যে আখের রস, টমেটোর রস বেশ উপকারী।

৫. প্রক্রিয়াজাত বা ফাস্ট ফুড খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।

৬. লাল মাংস খাবেন না।

৭. ধূমপান পরিহার করুন।

৮. এ সময় পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমান।

৯. দুধ, পনির কিংবা অন্যান্য দুগ্ধজাত খাবার খাওয়া থেকে নিজেকে দূরে রাখুন।

১০. পারলে কিছু সময় হাঁটাহাঁটি করার চেষ্টা করুন। সম্ভব হলে বাইরে হাঁটুন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জাতীয় পার্টির চিফ হুইপ তাজুল ইসলাম আর নেই

রিাজনীতির খবর: জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় চীফ হুইপ এবং জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য আলহাজ্ব তাজুল ইসলাম চৌধুরী আর নেই। সোমবার (১৩ আগস্ট) দিবাগত রাত পৌনে ১২টায় তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

এর আগে কুড়িগ্রাম-২ আসনের এই সংসদ সদস্যকে রবিবার (১২ আগস্ট) দুপুরে ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ডায়বেটিস ও কিডনি জটিলতায় ভুগছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রাজনীতিকরা চাঁদাবাজি না করলে পুলিশও করবে না: কাদের

দেশের খবর: রাজনীতিবিদরা চাঁদাবাজি না করলে পুলিশও করবে না বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদে। সোমবার (১৩ আগস্ট) রাতে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইন অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত শোক দিবসের আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘রাজনীতিবিদরা সঠিক হলে সব ঠিক হয়ে যাবে। এ জন্য সবার আগে রাজনীতিবিদদের সঠিক হতে হবে। রাজনীতিবিদরা ঠিক হলে পুলিশও ঠিক হবে। অনেকে বলেন, পুলিশ চাঁদাবাজি করে। আমরা রাজনীতিবিদরা কি চাঁদাবাজি করি না? রাজনীতিবিদরা চাঁদাবাজি না করলে পুলিশও চাঁদাবাজি করবে না।’

উপস্থিত পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমার চেয়ে কেউ বড় আওয়ামী লীগার হবেন না, প্লিজ। আপনাদের আওয়ামী লীগার হওয়ার দরকার নেই। এতদিন ধরে যেভাবে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে ও অসহিংসার পক্ষে কাজ করেছেন সেটিই করে যাবেন। আপনাদের কাছে নিরপেক্ষতা আশা করি।’

স্কুল ছাত্রছাত্রীদের আন্দোলনে রাজনীতি কি করে অনুপ্রবেশ করলো এমন প্রশ্ন তুলে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘কি করে দলীয় ক্যাডারদের স্কুল পোশাক পরিয়ে রাস্তায় নামানো হয়েছিল? তারা কি করে স্কুল ব্যাগে শিল, নুড়ি, চাপাতি নিয়েছিল? এটা কি সত্য নয়? এটাকি অস্বীকার করার মতো?’

অনেককে ভুয়া আইডি কার্ড বানিয়ে আন্দোলনে নামানো হয়েছিল দাবি করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘রাজধানীর জিনজিরা থেকে স্কুল পোশাক ও ভুয়া আইডি কার্ড বানিয়ে অনেককে আন্দোলনে নামানো হয়েছিল। যেভাবে ভুয়া আইডি কার্ড বানানো হয়েছে, দুদিন পর সংসদ সদস্যেরও ভুয়া কার্ড তৈরি হবে। আছাদ ( ডিএমপি কমিশনার) সাহেব এসব সিরিয়াসলি দেখেন। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন।’

জিগাতলায় আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে চার মেয়েকে আটকে রেখে ধর্ষণের গুজবের ব্যাপারে কাদের বলেন, ‘যারা মুখ ঢেকে লাইভে বলে মেয়েদের ধর্ষণ করা হয়েছে, এরা কারা? এরা জাতির শত্রু। এদের চিনে রাখতে হবে।’

সড়কে এখনও শৃঙ্খলা ফেরেনি মন্তব্য করে কাদের বলেন, ‘সড়কে শৃঙ্খলা আগে ছিল না, এখনও নেই। প্রকৌশল ও শক্তি প্রয়োগের চেয়ে সবার সচেতনতা বেশি প্রয়োজন। মানসিকতা পরিবর্তন না হলে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরবে না। শুধু কি চালকরা বেপরোয়া, পথচারীরা বেপরোয়া নয়? অনেককে দেখি কানে হেড ফোন লাগিয়ে রাস্তা পারাপার হন।’

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সংলাপের পথ বন্ধ করে দিয়েছেন মন্তব্য করে সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, ‘তার ছেলে কোকো যখন মারা গেল, তখন প্রধানমন্ত্রী তার বাড়ির গেটে গেছেন কিন্তু তিনি গেট খোলেননি। তাদের সঙ্গে কি করে সংলাপ করবো। তিনি তো তার ঘরের দরজা বন্ধ করে দিয়ে সংলাপের দরজা বন্ধ করে দিয়েছেন।’

অনুষ্ঠানে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাফর ইকবাল বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধুকে অস্বীকার করা মানে বাংলাদেশকে অস্বীকার করা। এদেশে রাজনীতি করতে হলে বঙ্গবন্ধুকে স্বীকার করতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিশ্বাস করতে হবে।’

জাফর ইকবাল আরও বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শুধু কিছু সৈনিকদের হাতে মারা যাননি। এর পেছনে বড় বড় রাষ্ট্রের ষড়যন্ত্র রয়েছে। আমরা বিশাল ষড়যন্ত্রে শিকার হয়েছি। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা যত বড় অপরাধ, তার চেয়ে বড় অপরাধ তাকে ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার চেষ্টা। কে বেশি অপরাধী; যারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছিল তারা, নাকি যারা তাকে ইতিহাস থেকে মুছে ফেলতে চেয়েছিল? যিনি দেশটি উপহার দিয়েছিলেন, একটা সময় সেই দেশের টেলিভিশনে তাকে দেখানো হয়নি।’

জাফর ইকবাল বলেন, ‘ছোট ছোট ছেলে মেয়েরা একটা সময় প্রশ্ন করতো স্বাধীনতার ঘোষক কে? এদেশের শিক্ষার্থীদের বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশের ইতিহাস ভিন্নভাবে পড়ানো হতো। তারা এখন জেনে গেছে একটা ঘোষণা দিয়ে একটা দেশ স্বাধীন হয় না। এখন আর তারা এ প্রশ্নটা করে না, তারা এখন সঠিক ইতিহাস জানে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ার মুক্তিযোদ্ধা সিদ্দিকুরকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন

কলারোয়া প্রতিনিধি: কলারোয়ার চন্দনপুর ইউনিয়নের বীর মুক্তিযোদ্ধা সিদ্দিকুর রহমান (৬৫) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না……….রাজিউন)। রবিবার সন্ধ্যার পর চন্দনপুরের নিজ বাড়িতে তিনি শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন। সোমবার বেলা ১১টার দিকে চন্দনপুর ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে মরহুমের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধাকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিরা পারভীনের নেতৃত্বে কলারোয়া থানা পুলিশের একটি দল। এসময় মরহুমের মরদেহ জাতীয় পতাকায় ঢেকে দেয়া হয়। নামাজে জানাজায় মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে কথা বলেন ও অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা-১ আসনের সাবেক সাংসদ ইঞ্জিনিয়ার শেখ মুজিবুর রহমান, কলারোয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন, কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মারুফ আহম্মদ, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার গোলাম মোস্তফা, সাংগঠনিক কমান্ডার সৈয়দ আলী গাজী, চন্দনপুর ইউনিয়ন কমান্ডার আব্দুর রউফ, ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম মনি, ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি অধ্যক্ষ গাজী রবিউল ইসলামসহ মুক্তিযোদ্ধা, স্থানীয় জনগণ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অনেকে। পরে পারিবারিক কবরস্থানে প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধার রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দাফন সম্পন্ন হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

কলারোয়া প্রতিনিধিঃ কলারোয়ায় পৃথক ৩টি মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা পরিষদ হলরুমে সোমবার সকালে ওই সভ গুলি অনুষ্ঠিত হয়। সভা গুলোর মধ্যে রয়েছে-চোরাচালন, সন্ত্রাস ও নাশকতা প্রতিরোধ, উপজেলা আইন শৃঙ্খলা বিষয়ে। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিরা পারভীনের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মারুফ আহম্মদ। উপজেলার সার্বিক আইন-শৃংখলা, সন্ত্রাস, নাশকতা প্রতিরোধ ও সীমান্তের চোরাচালান প্রতিরোধে নানান উদ্যোগের কথা সভায় উঠে আসে। এসময় থানার পুলিশ পরিদর্শক শেখ শরিফুল ইসলাম, উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের অফিসার, বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, সীমান্তের ৪টি বিওপির বিজিবির প্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মীরাসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় ইয়াবাসহ এক ব্যক্তি আটক

কলারোয়া প্রতিনিধিঃ কলারোয়ায় ২৭পিচ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। গ্রেপ্তার জাহাঙ্গীর আলম বিশ্বাস (৩০) উপজেলার কেঁড়াগাছি ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামের তছিরউদ্দীন বিশ্বাসের ছেলে। রবিবার রাত ৯টার দিকে হরিণা ব্রিজ এলাকা থেকে ২৭পিচ ইয়াবসহ তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। থানা সূত্র জানায়- অফিসার ইনচার্জ মারুফ আহম্মদের নির্দেশনায় কলারোয়া থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই বিপ্লব রায়, এএসআই মিলন হোসেন, এএসআই নজরুল ইসলামসহ অন্যান্য ফোর্সের সহায়তায় আসামি জাহাঙ্গীরকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে কলারোয়া থানায় মামলা (নং-১২(১২)১৮। আসামীকে সোমবার সাতক্ষীরা বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নেপালকে উড়িয়ে দিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ

খেলার খবর: নেপালকে উড়িয়ে দিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশের মেয়েরা। সোমবার থিম্পুর চাংলিমিথাং স্টেডিয়ামে ৩-০ গোলে নেপালকে হারায় তহুরা-মারিয়ারা।
এদিন প্রথমার্ধে বাংলাদেশকে তেমন সুবিধা করতে দেয়নি নেপাল। বেশ কয়েকটি আক্রমণ গড়েও প্রথম ৪৫ মিনিটে কেবল একটি গোল আদায় করে তহুরা-মারিয়ারা। বাংলাদেশকে ঠেকাতে প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের ছিল সজাগ দৃষ্টি। বরং ৪৩ মিনিটে নেপালের একটি ফ্রি কিক বাংলাদেশের পোস্টে লেগে ফিরে যায়। এর কিছুক্ষণ পর কপাল খোলে বাংলাদেশের।
বাঁ প্রান্ত থেকে অধিনায়ক মারিয়া মান্ডার কর্নারের বল দেওয়া-নেওয়া করে ঘুরে আসে তার কাছেই। ডিবক্সের বাইরে থেকে তার ক্রসে পোস্টের সামনে থেকে তহুরা খাতুনের হেড জালে জড়ায়।
বিরতির পর বাংলাদেশ আরও বেশি আক্রমণে যায়। এ আক্রমনের প্রতিরোধ গড়তে পারেনি নেপাল।
খেলার ৫১ মিনিটের মাথায় তহুরার শট নেপালি ডিফেন্ডার প্রতিহত করলে ফিরতি বল পান মারিয়া। বাঁ পায়ের জোরালো শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করে ২-০ গোলে বাংলাদেশকে এগিয়ে দেন অধিনায়ক।
খেলার ৬৭ মিনিটের মাথায় ডিফেন্ডার আঁখি খাতুনের পাস ডান পায়ে রিসিভ করে নেপালি ডিফেন্ডারকে ফাঁকি দিয়ে ডিবক্সে ঢোকেন সাজেদা খাতুন। তাৎক্ষণিক প্রতিপক্ষের গোলরক্ষক তাকে ঠেকাতে সামনের দিকে এগিয়ে যান। কিন্তু সাজেদা খাতুন বাঁ পাশ দিয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন। শেষ পর্যন্ত ৩-০ গোলে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন বাংলাদেশি মেয়েরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গজনির দখল নিয়ে আফগানিস্তানে তুমুল লড়াই, নিহত ১২০

বিদেশের খবর: আফগানিস্তানে গজনি প্রদেশের রাজধানী গজনি শহরের দখল নিয়ে তালেবান ও সরকারি সেনাদের মধ্যে লড়াই চারদিনে গড়াল। সোমবার পর্যন্ত এ লড়াইয়ে মারা গেছে ১০০ জন আফগান সৈন্য ও ২০ বেসামরিক ব্যক্তি। তবে তালেবানের দিক থেকে হতাহতের কোন তথ্য পাওয়া যায়নি। এপি।
লড়াই শুরুর চারদিন পর এই প্রথম হতাহতের খবর প্রকাশ করলো আফগান সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
শুক্রবার শহরটি দখল নেয়ার ঘোষণা দিয়েছিল তালেবান। সেদিন চারদিক থেকে সর্বাত্মক হামলায় শহরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যুদস্ত হয় এবং শহরের বেশিরভাগ এলাকার দখল নিয়ে নেয় তালেবান।
কাবুল থেকে মাত্র ১২০ কিলোমিটার দূরের গজনি শহরে তালেবানের প্রবেশ আফগান সরকারের জন্য শঙ্কার বিষয়। তালেবান এর দখল নিলে দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে সরকারের।
এদিকে বিবিসির খবরে বলা হয়, দুই লাখ ৭০ হাজার জনসংখ্যার গজনি শহরের অধিবাসীরা বলছেন গত কয়েকদিন ধরে পানি ও খাবার পাচ্ছেন না তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest