সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভাশ্যামনগরে দুই সাংবাদিকে হত্যার হুমকি ও মিথ্যা মামলা প্রতিবাদে মানবন্ধনশ্যামনগরে অবৈধ বালু উত্তোলনের সময় বাল্কহেড জব : দুইজনের কারাদণ্ডসাতক্ষীরার ঝাউডাঙ্গায় পানিতে ডুবে দুই শিশুর করুন মৃত্যুতুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধুলিহরে এক যুবক পিটিয়ে জখম:থানায় মামলাসাতক্ষীরা প্রাণসায়রের ধারে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনকলারোয়ায় বজ্রপাতে এক কৃষকের মৃত্যুসুন্দরবনের নদীতে জেলের জালে ধরা পড়ল ১০ কেজির বিরল কচ্ছপসাতক্ষীরার কালিগঞ্জে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে ককটেল বিস্ফোরনতালায় খামারিদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে জলবায়ু বিপন্নতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে আহত কর্মীদের দেখতে গেলেন ডা: রুহুল হক এমপি

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : আওয়ামী লীগ অফিসে দুর্বৃত্তদের হামলায় দলের আহত কর্মীদের দেখতে হাসপাতালে গেলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আহতদের দেখতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী আ.ফ.ম রুহুলসহ উদ্ধর্তন নেতৃবৃন্দকে সাথে নিয়ে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টায় শের এ বাংলা নগর জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হসপিটালে যান। হাসপাতালে দুর্বৃত্ত্বদের হামলায় এক চোখ বিকল হয়ে যাওয়া সেচ্ছাসেবক লীগের নেতা আরাফাতুল ইসলাম বাপ্পি সহ চার জনের চিকিৎসার সার্বিক খোঁজখবর নেন প্রধানমন্ত্রী। উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনে বিদেশ পাঠাতে নির্দেশ দেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সড়ক ও জনপদ কর্মকতাদের স্বেচ্ছাচারীতায় পথে বসতে চলেছে ছয়টি পবিরার

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরা সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের কর্মচারীদের স্বেচ্ছাচারীতায় পথে বসতে চলেছে ছয়টি পবিরার। মঙ্গলবার দুপুরে ইটাগাছা পুলিশ ফাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগীরা জানায়, ইটাগাছা সুরাত আলীর বোবা (প্রতিবন্ধী) কন্যাকে বিয়ে দেয় আঃ রউফের সাথে। সেই সুবাদে আঃ রউফকে রাস্তার ধারে দোকান করার জন্য জায়গা দিয়েছিল। বিয়েরপর থেকে প্রায় ২৬ বছর যাবত আঃ রউফ সেখানে দোকান করে আসছে।
এছাড়াও মোঃ মিন্টু হোসেন, আসলাম, ইব্রাহিম ও ইয়াছিন ওয়ার্কশপের দোকান করে আসছিলাম। উক্ত ব্যক্তিরা সুরাত আলীর পুত্র রফিকুল, নজরুল ও মঞ্জুয়ারার কাছ থেকে ভাড়া নিয়ে ওয়ার্কশপের দোকান পরিচালনা করে আসছিলো।
ভুুক্তভোগীরা আরো জানায়, সড়ক ও জনপদের কর্মচারীরা আমাদের কোনো নোটিশ ছাড়াই মোটা অংকের উৎকোচের বিনিময় এতদিনের দোকানঘর গুলো ভেঙে গুড়িয়ে দিয়েছে। আমরা মেইন রাস্তা থেকে প্রায় ৩০ গজ দুরে দোকান করে আমাদের জীবিকা নির্বাহ করে আসছি। আমাদেও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুরো ভেঙে দেওয়ায় আমরা এখন পথে বসে গেছি। তারা আরো জানায়, রাস্তার ১০ গজ দুরে অনেকেই বিভিন্ন দোকান করে তাদের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে সড়ক বিভাগের লোকজন তাদের কিছুই বলছে না।
এ বিষয় সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী সৈয়দ গিয়াস উদ্দীন বলেন, এঁটা সড়ক বিভাগের জায়গা। আমরা ইচ্ছা করলেই যেকোনো সময় এই জায়গা উদ্ধার করতে পারি। কারন এাঁ সরকারি নির্দেশনা রয়েছে। তিনি আরো বলেন, ওই জায়গা নিয়ে দুদকেও অভিযোগ রয়েছে। দুদকের পক্ষ থেকেও উক্ত জায়গা উদ্ধার করার নির্দেশ রয়েছে। এঁ উচ্ছেদ অভিযান চলমান থাকবে পর্যায়ক্রমে সকল সরকারি জায়গা উদ্ধার করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তিন দিনে সাতক্ষীরায় পুলিশ ও বিআরটিএ’র যৌথ অভিযানে ৭৩২ টি মামলা, ৪৭ টি যান জব্দ

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: নিরাপদ সড়কের দাবিতে চলমান ছাত্র আন্দোলনের মধ্যেই সারা দেশের ন্যায় সাতক্ষীরায়ও গত রবিবার থেকে ‘ ট্রাফিক সপ্তাহ’ শুরু হয়েছে। আর এই ট্রাফিক সপ্তাহে সাতক্ষীরা জেলার বিভিন্ন স্থানে ট্রাফিক আইন বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করছে পুলিশ ও বিআরটিএ’র যৌথ আভিযানিকদল। “ট্রাফিক আইন মেনে চলুন, ট্রাফিক পুলিশকে সহযোগিতা করুন, ট্রাফিক শৃঙ্খলা একটি জাতির সভ্যতার প্রতীক।’ এই শ্লোগান নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে গত রবিবার থেকে এই ট্রাফিক সপ্তাহ শুরু হয়।
সাতক্ষীরা শহরের নিউমার্কেট, খুলনা রোড মোড়, বিনেরপোতা, পালিটেকনিক মোড়সহ শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে পুলিশ ও বিআরটিএ যৌথ অভিযান চালিয়ে যানবাহনে ব্যাপকভাবে কাগজপত্রে তল্লাশি চালাচ্ছে। ট্রাফিক সপ্তাহের তৃতীয় দিনে মঙ্গলবার সকাল থেকে সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার মোঃ সাজ্জাদুর রহমান শহরের বিভিন্ সড়ক-মহাসড়কে দাড়িয়ে এই অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং তিনি নিজেই যাবাহনের কাগজ পত্র চেক করেছেন।
সাতক্ষীরা বিআরটিএ’র উপ-পরিচালক প্রকৌশলী তানভির আহমেদ ও জেলা পুলিশের তথ্য কর্মকর্তা এস.আই মিজান জানান, ফিটনেস, রুট পারমিট, রেজিস্ট্রেশন ও ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকায় গত তিন দিনে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে ৭৩২ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে । এছাড়া কোন কাগজপত্র না থাকায় মোটরসাইকেল, পিকআপ ও বাসসহ বিভিন্ন প্রকার ৪৭ টি যানবাহন জব্দ করা হয়েছে। তারা আরো জানান, তাদের এ অভিযান আগামী ১১ আগস্ট পর্যন্ত চলবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় প্রধান মন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে কেবিএ কলেজের শুভেচ্ছা মিছিল

দেবহাটা প্রতিনিধি: ছাত্র-ছাত্রীদের দাবি মেনে নেওয়ায় প্রধান মন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে শুভেচ্ছা মিছিল ও পথসভা করেছেন দেবহাটার খান বাহাদুর আহছান উল্লা কলেজ। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় উপজেলার সখিপুরস্থ কেবিএ কলেজের আয়োজনে শুভেচ্ছা র‌্যালী শেষে এক পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। শুরুতে শুভেচ্ছা র‌্যালীটি কলেজ ক্যাম্পাস হতে বের হয়ে সাতক্ষীরা-কালিগঞ্জ মহাসড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সখিপুর মোড়ে পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় কলেজের অধ্যক্ষ রিয়াজুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি। বক্তব্য রাখেন উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান মিন্নুর, সাধারণ সম্পাদক বিজয় ঘোষ, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান সবুজ, কেবিএ কলেজ বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র আসিফ মাহমুদ, জাকির হোসেন। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কলেজের শিক্ষক আকরম হোসেন, শাহনুর রহমান, সঞ্জয় কুমার, শচিন্দ্র নাথ, হাসান কবীর, তৌহিদুজ্জামান, আবু তালেবসহ বিভিন্ন বর্ষের ছাত্র-ছাত্রীরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিআরটিএতে উপচেপড়া ভিড়, সক্রিয় দালাল চক্র

দেশের খবর: যানবাহনের লাইসেন্স, ফিটনেস সনদসহ বিভিন্ন কাগজপত্র ঠিক করাতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কার্যালয়ে এখন গাড়ির চালক ও মালিকদের উপচেপড়া ভিড়।
মঙ্গলবার রাজধানীর মিরপুরের কার্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, প্রয়োজনীয় সেবা নিতে বুথগুলোতে লম্বা লাইন ধরে আছেন সেবাপ্রার্থীরা। কথা বললে তাঁরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন। জানান, কার্যালয়ের সামনে সক্রিয় দালাল চক্রের কথাও।
লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা এক ব্যক্তি বলেন, ‘ভাই আমরা তো অনেক কাজ ফালাইয়া রাইখা আসি। আমাদের যদি আর দুইটা কাউন্টার বাড়াইয়া দিত, তাইলে তো আমাদের এই সিরিয়ালে পড়তে হকো না।’
আরেক ব্যক্তি বলেন, ‘রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার কারণে ভিড় বাড়ছে, সবাই সচেতন হচ্ছে। বাট মনে হয়, আধা ঘণ্টা অলরেডি হয়ে গেছে। সামনে অন্তত হাজার খানেক লোক আছে সামনে।’
এদিকে, শুধু নতুন লাইসেন্স নয় গাড়ির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নবায়নেরও ধুম পড়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভিড় যানবাহনের ফিটনেস সার্টিফিকেট গ্রহণের জন্য। বাস, ট্রাক, প্রাইভেটকারসহ ফিটনেসের লাইনে এখন সরকারি-বেসরকারি সব ধরনের যানবাহন।গাড়ির ফিটনেস ঠিক করতে আসা খাজা বাবা পরিবহনের এক বাসচালক বললেন, ‘আমরা আসছি ফিটনেস করার জন্য গাড়ির। গাড়ির ফিটনেসের ডেটটা ঠিক ছিল না। ওইডা আরকি ঠিক করানোর জন্য আসছি।‘
তবে বিআরটিএতে সেবাগ্রহীতাদের ভিড় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে দালালদের তৎপড়তাও। বাড়তি টাকা দিলেই দ্রুত কাজ হয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন সাধারণ লোকজন।
একজন বলেন, ‘যত ভালো ড্রাইভার হোক, সে যদি ১০০ বছর বয়স্কও হয়, ফেল। পাস করে ওই যে যারা টাকা দেয়। ওই ভাবে দালাল আছে।’
কার্যালয় ঘুরে দেখা যায়, দালালদের সক্রিয় অবস্থান। কেউ কেউ দাঁড়িয়ে থাকা অতিষ্ঠ মানুষদের কাছে পৌঁছে যাচ্ছেন নিজেই। কেউ আবার প্রকাশ্যেই চেয়ার টেবিল নিয়ে বসে গেছেন। টাকা খরচ করে দ্রুত কাজ করিয়ে নিতে মানুষই চলে যাচ্ছে তাদের কাছে।
চেয়ার টেবিল নিয়ে বসে থাকা একজনের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, তারা মানুষের কাজগুলো সহজ করে দিয়ে বিনিময়ে কিছু বকশিশ নিচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘মনে করেন, ব্যাংকের টাকা জমা দিয়া যেইভাবে যেইভাবে সিস্টেম হয়। ওইটা তো বললামই। সাড়ে তিন হাজার পরীক্ষা-টরীক্ষা ওইখানে লাগে তো। ওই জন্য।’
তবে, জানতে চাওয়া হলে দালালদের বিরুদ্ধে কাজ করছেন বলে দাবি করেন বিআরটিএর মিরপুর কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. মাসুদ আলম।
মাসুদ আলম বলেন, ‘দালাল চক্রের বিরুদ্ধে আমরা কিন্তু ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করতেছি। দালালের কাছ থেকে সতর্ক থাকার জন্য সবাইকে সর্বোচ্চ ইয়া দিছি। পাশাপাশি দালাল, বা দালালের সঙ্গে সখ্যতা কোনো আনসার বা কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেলে আমরা তাঁর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিব।’
তবে, লম্বা সময় লাগলেও কেউ কেউ টাকা ছাড়াই কাজ করিয়ে নিচ্ছেন বিআরটিএ থেকে।
এক নারী বলেন, ‘দালাল ধরলে এক মাসের মধ্যে করা যায়, সেটা আমরা করি নাই। আমরা লিগ্যাল ওয়েতে করছি। আট মাস লাগছে।’
এদিকে, বাড়তি চাপ সামলাতে এখন শুক্রবার ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা রাখা হচ্ছে বিআরটিএ কার্যালয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারত থেকে প্রত্যর্পণ করা হয়েছে চার কিশোরকে

দেশের খবর: চারজন বাংলাদেশি কিশোরকে ভারত থেকে প্রত্যর্পণ করা হয়েছে। ২০১৬ ও ২০১৭ সালে বিভিন্ন সময়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের পর ধরা পড়ে ওই চার কিশোর।
মঙ্গলবার হিলি সীমান্ত দিয়ে ওই চার কিশোরকে দেশে আনা হয়। ধরা পড়ার পর থেকে পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাটের সরকারি শুভায়ন হোমে ছিল ওই চার কিশোর।
জানা যায়, বাংলাদেশি ওই চার কিশোরই অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের। তারা মূলত কাজের সন্ধানে দালালের হাত ধরে ভারতে অনুপ্রবেশ করে। ওই চার কিশোর হচ্ছে, মহম্মদ আরিফ, উজ্জ্বল বর্মণ ওরফে মহম্মদ আজাদ, চঞ্চল মালি এবং মুহম্মদ হাবিব। তাদের প্রত্যেকের বয়স ১৪ থেকে ১৭ বছরের মধ্যে।
মুহম্মদ আরিফ মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার হবিগঞ্জ গ্রামের বাসিন্দা। উজ্জ্বল বর্মণ রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার সন্যাসীবাজার গ্রামের বাসিন্দা। চঞ্চলের বাড়ি বাংলাদেশের নওগাঁ জেলার পত্নীতলা উপজেলার চাকনিরকিন গ্রামে। হাবিবের বাড়ি বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার ঘোড়াঘাট উপজেলার ময়ুরবাগ গ্রামে। তারা প্রত্যেকে ২০১৬ এবং ২০১৭ সালের বিভিন্ন সময়ে ভারতে কাজের খোঁজে দালালের মাধ্যমে অবৈধভাবে প্রবেশ করে।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ও ভারতের বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের (বিএসএফ) উপস্থিতিতে ওই চার কিশোরকে তাদের পরিবারের হাতে তুলে ধরা হয়।
ভারতেরে দিনাজপুর জেলার ‘চাইন্ড লাইনে’র সমন্বয়ক সুরজ দাস বলেন, ‘আমরা ওই নাবালকদের সঙ্গে কথা বলে বাংলাদেশের তাদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করি। তারপর দুই দেশের সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাদের নিজের দেশের পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হলো। এখনো পশ্চিমবঙ্গের শুভায়ন হোমে ২২ জন বাংলাদেশি কিশোর আছে বলে জানান সুরজ দাস। তাদেরকেও বাংলাদেশে তাদের পরিবারের হাতে তুলে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। দুই দেশের মধ্যে আইনি জটিলতা মিটলেই ঘরে ফিরবে তারা।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আ’লীগ কার্যালয়ে হামলার প্রতিবাদে সদর উপজেলা যুবলীগের বিক্ষোভ মিছিল

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জামাত-শিবির ও বিএনপি দ্বারা হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকাল ৫টায় শহরের কামালনগর এলাকা থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে নিউ মার্কেটস্থ শহীদ আলাউদ্দিন চত্বরে এক প্রতিবাদে সমাবেশের আয়োজন করেন। সাতক্ষীরা সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান মিজানের সভাপতিত্বে বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা যুবলীগের আহবায়ক আব্দুল মান্নান। সদর উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক ময়নুল ইসলামের পরিচালনায় বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, আগরদাড়ী ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি সামসুর রহমান, আলীপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মহিবুল্লাহ সরদার, সদর উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক ইনজামুল হক, খোরশেদ আলম রিপন, সোহাগ হোসেন প্রমুখ। বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, দেশকে আবারো অশান্ত করার উদ্দেশ্যে কমলমতি শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করে সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। আর ওই অসৎ উদ্দেশ্যে সফল করার জন্য তারা কমলমতি শিক্ষার্থীদের সামনে রেখে জামায়াত-বিএনপির ক্যাডাররা আওয়ামীলীগের অফিসে হামলা করেছিলো। কিন্তু বাংলাদেশে যতদিন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সংগঠন রয়েছে ততদিন ওই স্বাধীনতা বিরোধীরা তাদের অসৎ উদ্দেশ্যে সফল করতে পারবে না। অবিলম্বে ওই হামলাকারীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রমাণ না পাওয়ায় ছাড়া পেলেন ঢাবির তিন শিক্ষার্থী

দেশের খবর: ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ আন্দোলনে অংশগ্রহণ ও ফেসবুকে গুজব ছড়ানোর অভিযোগে থানায় সোপর্দ করা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) তিন শিক্ষার্থীকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ।
অভিযোগের প্রমাণ না পাওয়ায় মঙ্গলবার বিকেল ৩টার দিকে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয় বলে নিশ্চিত করেছেন শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসান।
এর আগে সোমবার দিবাগত রাতে ঢাবির ফজলুল হক মুসলিম হলে ছয় শিক্ষার্থীকে মারধর করেন হল শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।
এঁদের মধ্যে রয়েছেন গণিত বিভাগের তারিকুল ইসলাম, তথ্য ও প্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের মশিউর রহমান সাদিক, ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের তৃতীয় বর্ষের সাদ্দাম হোসেন, তড়িৎ প্রকৌশল বিভাগের প্রথম বর্ষের ওমর ফারুক, প্রাণ রসায়ণ ও অণুজীব বিজ্ঞান বিভাগের জাহিদ এবং পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের জোবাইদুল হক রনি।
এর মধ্যে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ার অভিযোগে তারিকুল, সাদ্দাম ও রনিকে পুলিশে দেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।
ওসি আবুল হাসান বলেন, ‘ছাত্রলীগ তাদের আজ সকালে আমাদের থানায় তুলে দেয়। তবে আমরা তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগের প্রমাণ না পাওয়ায় ছেড়ে দিয়েছি। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগও ছিল না তেমন।’
মারধরকারী নেতাকর্মীরা হলেন ফজলুল হক মুসলিম হল শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রাকিব, পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের সুফি, শামীম ও নাঈম। তাঁরা হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি শাহরিয়ার সিদ্দিক সিসিমের অনুসারী বলে জানা যায়।
পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগের প্রমাণ না পেয়ে ছেড়ে দিয়েছে। তাহলে ছাত্রলীগ কিসের ভিত্তিতে তাদের মারধর করল- এমন প্রশ্ন করা হলে ছাত্রলীগ নেতা শাহরিয়ার সিদ্দিক সিসিম বলেন, ‘আমি তো সেখানে ছিলাম না। তবে শুনেছি রাতের অন্ধকারে কার্জন হলের সব লাইট বন্ধ করে হল দখল করবে, এই খবর পাওয়ার পরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তখন তাদের ম্যাসেঞ্জারে কার্জন হল দখলের পরিকল্পনার কথা দেখতে পাওয়া যায়। সেই সময় তাদের থানায় তুলে দেওয়া হয়। একটি হল দখলের খবরও যদি পুলিশের কাছে তেমন কিছু না মনে হয় তাহলে আর কি করার। তবে অন্যায়ভাবে তাদের মারা হলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এর আগে মারধরের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে শাহরিয়ার সিদ্দিক সিসিম বলেছিলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে গুজব ছড়ানোর প্রমাণ পেয়েছি। তাই তাদের পুলিশে দেওয়া হয়েছে। গুজবের বিষয়টি তাঁরা স্বীকার না করায় তাদের মারধর করা হয়েছে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest