সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় মাদক এবং মাদক বিক্রির অবৈধ টাকাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারতালায় বাস মোটরসাইকেল সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতার মৃত্যুঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিতআশাশুনিতে হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলার তদন্তে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারদেবহাটায় সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের মতবিনিময়৯নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়াসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভাতালা থেকে কপোতাক্ষ নদে পড়ে যাওয়া ব্যক্তির মরদেহ পাইকগাছায় উদ্ধারসাতক্ষীরা জেলা এলপি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটর এসোসিয়েশনের সভাসাতক্ষীরায় লিগ্যাল এইড কার্যক্রম বিষয়ে জনসচেতনতামূলক মতবিনিময়

সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষকদের সমন্বয় সভা

নিজস্ব প্রতিবেদক :
সাতক্ষীরা সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষকদের মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন, সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মন্তোষ কুমার দেবনাথ। প্রধান অতিথি ছিলেন, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আসাদুজ্জামান বাবু। বিশেষ অতিথি ছিলেন, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার রুহুল আমিন গাইন। এছাড়া সদর উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার বাসুদেব কুমার, সন্দিপ কুমার রায়, ইন্সট্রাক্টর আবু তাহের, সন্তোষ কুমার মন্ডল, নাজমুল, এস এম মফিজুল ইসলামসহ সদর উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকগন উপস্থিত ছিলেন। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, সহকারী শিক্ষা অফিসার ভূধর চন্দ্র সানা। সভায় প্রধান অতিথি আসাদুজ্জামান বাবু বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই বছরের প্রথম দিনে শিক্ষার্থীরা নতুন বই পায়। বর্তমান সরকার শিক্ষাক্ষেত্রকে ঢেলে সাজিয়েছেন। সকলকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করতে সরকার বদ্ধ পরিকর। যা অন্য কোন সরকারের পক্ষে ইতোপূর্বে সম্ভব হয়নি। শিক্ষাক্ষেত্র ছাড়াও দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে উন্নয়নের ছোয়া লেগেছে। সারা দেশ বিদ্যুতের আলোয় আলোকিত হয়েছে। এ উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে তিনি সকলকে নৌকায় ভোট দিয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে আবারো ক্ষমতায় আনার আহ্বান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে গাজাসহ ২ জন আটক

আরাফাত হোসেন লিটন, দেবহাটা প্রতিনিধি : দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে গাজা সহ ২ জন আটক হয়েছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে দেবহাটা থানায় মামলা দায়ের করেছে। পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দেবহাটা থানার এসআই ইয়ামিন আলী, এএসআই আব্দুল গনি আকাশ, এএসআই আমজাদ হোসেন উপজেলার বহেরা বাজার এলাকা থেকে বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের মিজানুর রহমান মিজান (২৩) ও পুরাতন সাতক্ষীরা গ্রামের রেজাউল হোসেনের ছেলে রকিবুল হাসান (২৩) কে ১১০ গ্রাম গাজা সহ আটক করেন। তাদের বিরুদ্ধে এসআই ইয়ামিন আলী বাদী হয়ে দেবহাটা থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নং- ১১। তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরন করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ডায়াবেটিসমুক্ত থাকতে ৩০-এর পরে মেনে চলুন ১১টি নিয়ম

স্বাস্থ্য সংবাদ: অস্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা, শরীরচর্চার অভাব, ঠিক মতো খাওয়া-দাওয়া না করা, অনেক রাত পর্যন্ত জাগা, ওবেসিটি প্রভৃতি আরও কারণ ডায়াবেটিস হওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর এ কারণেই ডায়াবেটিসকে প্রথম সারির লাইফস্টাইল ডিজিজ হিসেবে বিবেচনা করে থাকেন চিকিৎসক মহল।

এখন প্রশ্ন হল, এমন রোগের খপ্পরে না পড়তে চাইলে তার জন্য কী করা যেতে পারে?

জীবনযাত্রার সঙ্গে যেহেতু এই রোগের সরাসরি যোগ রয়েছে, তাই যে কোনও নিয়ম মানা শুরু করার আগে জীবন শৈলীতে পরিবর্তন আনাটা জরুরি। না হলে কিন্তু কোনও উপকারই পাবেন না। তাই ঘুম থেকে খাওয়া-দাওয়া, এইসব ছোটখাট বিষয়গুলির দিকে আগে নজর দিতে হবে। সেই সঙ্গে মেনে চলতে যে নিয়মগুলি, সেগুলি হল…

১. প্রতিদিন বাদাম খেতে হবে
এতে উপস্থিত আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট, প্রোটিন এবং একাধিক ভিটামিন, শরীরে প্রবেশ করে একদিকে যেমন খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে শুরু করে, তেমনি ইনসুলিনের কর্মক্ষমতাকে বাড়িয়ে তোলে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা যায় কমে।

২. কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ খাবার কম খেতে হবে
ভাতের মতো কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ খাবার বেশি করে খেলে শরীরে হঠাৎ করে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। কারণ কার্বোহাইড্রেট শরীরে প্রবেশ করার পর দেহ তাকে ভেঙে চিনিতে রূপান্তরিত করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই সুগার এর মাত্রা বেড়ে যায়। সেই কারণেই তো পরিবারে ডায়াবেটিস রোগের ইতিহাস থাকলে ভাত খেতে মানা করেন চিকিৎসকেরা।

৩. প্রতিদিন বার্লি খাওয়া মাস্ট
এতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ফাইবার, যা দীর্য সময় পেট ভরিয়ে রাখে। সেই সঙ্গে শর্করার মাত্রা যাতে ঠিক থাকে, সেদিকেও খেয়াল রাখে। তাই তো ডায়াবেটিকদের এই খাবারটি খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা।

৪. ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি যেন না হয়
শরীরে এই ভিটামিনটির ঘাটতি দেখা দিলে ইনসুলিন রেজিসটেন্সের আশঙ্কা থাকে। আর এমনটা হলে রক্ত সুগারের মাত্রা বাড়তে শুরু করে। তাই আজ থেকেই ভিটামিন-ডি সমৃদ্ধ খাবার, যেমন- মাছ, দুধ, কমলা লেবুর রস, সোয়া দুধ এবং ডিম খাওয়া শুরু করুন। প্রয়োজনে চিকিৎসকের সঙ্গে একবার এই বিষয়ে পরামর্শ করে নিতে পারেন।

৫. প্রতিদিন হাঁটতে হবে
প্রতিদিন সকালে এবং বিকালে ১৫ মিনিট করে হাঁটলেই দেখবেন সুগার লেভেল নর্মাল হয়ে যাবে। তাই ডায়াবেটিকদের এই একটি বিষয়ে নজর রাখতে হবে। ভুলে গেলে চলবে না যে শরীরচর্চার সঙ্গে এই রোগের বাড়া-কমা অনেকাংশেই নির্ভর করে।

৬. ফাইবার জাতীয় খাবার বেশি করে খেতে হবে
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে বেশি মাত্রায় ফাইবার রয়েছে এমন খাবার বেশি মাত্রায় খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। সেই সঙ্গে হজম ক্ষমতার যেমন উন্নতি ঘটে, তেমনি ওজনও কমতে শুরু করে। প্রসঙ্গত, ডাল, ব্রকলি, স্প্রাউট, জাম, অ্যাভোকাডো, হোল হুইট পাস্তা এবং ওটস মিলে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে।

৭. মেথি খাওয়া জরুরি
প্রতিদিন সকালে এক গ্লাস গরম দুধে ১ চামচ মেথি পাউডার মিশিয়ে খাওয়া শুরু করুন। অল্প দিনেই দেখবেন ডায়াবেটিস একেবারে নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। কারণ মেথিতে উপস্থিত বিশেষ কিছু উপাদান দ্রুত শর্করার মাত্রা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৮. সবুজ শাক-সবজি
যেসব সবজিতে স্টার্চের পরিমাণ কম রয়েছে, তেমন সবজি বেশি করে খেলে রক্তে সুগারের মাত্রা কমতে শুরু করে। এক্ষেত্রে পালং শাক, কর্নফ্লাওয়ার, লেটুস প্রভৃতি দারুন কাজে আসে।

৯. অ্যালো ভেরা, সঙ্গে হলুদ
পরিমাণ মতো হলুদ গুঁড়োর সঙ্গে অ্যালো ভেরা জুস, অল্প করে তেজপাতা এবং পানি মিশিয়ে একটা পানীয় বানিয়ে ফেলুন। প্রতিদিন রাতে খাবারের আগে এই পানীয়টি খেলে ডায়াবেটিস একেবারে নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।

১০. রোজের ডায়েটে ফল থাকতে হবে
জুস না খেয়ে ফল খাওয়া শুরু করুন। আসলে ফল খেলে শরীরে যে পরিমাণ ফাইবার যায়, তার থেকে অনেক কম যায় জুস খেলে। আর একথা তো সবাই জানেন যে শরীরে ফাইবারের পরিমাণ যত বাড়বে, তত নানাবিধ রোগ দূরে থাকবে। সেই সঙ্গে কমবে শর্করার মাত্রাও।

১১. দৈনিক ৩-৪ লিটার পানি পান করতে হবে
রক্তে শর্করার মাত্রা স্বাভাবিক রাখতে বেশি করে পানি পান করতে হবে। কারণ শরীরে পানির পরিমাণ যত কমবে, তত কিন্তু পরিস্থিত হাতের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা বাড়বে। তাই ডায়াবেটিকদের এই বিষয়টি মাথায় রাখা একান্ত প্রয়োজন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় ছাত্রীকে ধর্ষণের মামলায় মাদ্রাসা শিক্ষক আটক

কে.এম রেজাউল করিম, দেবহাটা ব্যুরো: দেবহাটায় শিক্ষক কর্তৃক মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষন করায় থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ ঐ ধর্ষককে গ্রেফতার করেছে। মামলার বাদী হয়েছেন ঐ ছাত্রীর পিতা কালীগঞ্জ উপজেলার সন্নাসীরচক গ্রামের আজিজুল বারীর ছেলে জহুরুল হক (৪১)। মামলার আরজী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দেবহাটা উপজেলার হাদীপুর আহছানিয়া আলিম মাদ্রাসার শিক্ষক জহুরুল হক ও একই মাদ্রাসার আইসিটি বিষয়ক শিক্ষক কালীগঞ্জ উপজেলার কাশেমপুর গ্রামের দবিরউদ্দীন খাঁনের ছেলে ফজর আলী একই সাথে চাকরী করতেন। ফজর আলী শিক্ষকতার সূত্র ধরে প্রায়ই সময় জহুরুল হকের বাড়িতে যাওয়া আসা করতেন। বাড়িতে যাওয়া আসার সুযোগে ফজর আলী প্রায় ২ বছর ধরে জহুরুল হকের এবছর এসএসসি পাশ করা কন্যাকে বিয়ের প্রলোভন ও নানারকম ছলচাতুরী করে ধর্ষন করে আসছেন। গত ১০-০৬-১৮ তারিখ রাত ১০ টার দিকে ফজর আলী জহুরুল হকের বাড়িতে যেয়ে তার মেয়েকে ধর্ষন করে পালিয়ে যাওয়ার সময় জহুরুল হকের স্ত্রী মমতাজ বেগম দেখতে পেয়ে চিৎকার করলে ফজর আলী পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। এ ব্যাপারে জহুরুল হক বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০১ এর ৯(১) ধারায় দেবহাটা থানায় মামলা দিলে পুলিশ ফজর আলীকে গ্রেফতার করে। মামলা নং- ১২। তবে স্থানীয়রা জানায়, ফজর আলী ইতিপূর্বেও ঐ এলাকার একাধিক মাদ্রাসা ছাত্রীর সাথে এধরনের কাজ করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে আটক ৪৭

আসাদুজ্জামান: সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে সাত মাদক মামলার আসামীসহ ৪৭ জনকে আটক করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে বুধবার সকাল পযর্ন্ত জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। উদ্ধার করা হয়েছে বেশ কিছু মাদক দ্রব্য। এসময় বিভিন্ন অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে ৮টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আটককৃতদের মধ্যে, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ৭ জন, কলারোয়া থানা থেকে ৬ জন, তালা থানা ৭ জন, কালিগঞ্জ থানা ৬ জন,শ্যামনগর থানা ৮ জন, আশাশুনি থানা ৬ জন, দেবহাটা থানা ৫ জন ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ২ জনকে আটক করা হয়েছে।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক আজম খান তাদের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যে পাঁচ ধরনের মেডিক্যাল টেস্ট সব পুরুষেরই করা উচিত

স্বাস্থ্য সংবাদ:

স্বাস্থ্যপরীক্ষা অতি জরুরি একটি বিষয়। সুস্থ থাকলেও বেশ কিছু ক্ষেত্রে মাঝে মাঝে মেডিক্যাল চেকআপের দরকার রয়েছে। এখানে বিশেষ করে পুরুষদের কিছু স্বাস্থ্যপরীক্ষার কথা জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। আপনার বাবা, ভাই কিংবা পরিবারের যেকোনো পুরুষকে ছয় মাস বা বছরখানেক পর পর অন্তত ৫টি পরীক্ষা করিয়ে নেয়া উচিত।

পরিবারের বয়স্ক পুরুষদের জন্যে এই পরীক্ষা আরো বেশি জরুরি। অনেকে হয়তো ঠিকমতো জানেনই না। আবার অনেকের হাতে পরীক্ষা করিয়ে নেয়ার সময় কোথায়? কেউ বা তেমন পাত্তাই দিতে চান না। কিন্তু সবার জন্যে এগুলো অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সচেতনতাই সর্বোত্তম প্রতিরোধব্যবস্থা।

১. প্রথমেই তার হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি পরীক্ষা করতে হবে। রক্তচাপ পরীক্ষা করাতে হবে। ঝুঁকি বুঝতে ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাম এবং লিপিড প্রোফাইল চেক করে নিন।

২. এবার দেখে নিন ক্যান্সারের ঝুঁকি। এর জন্যে ফ্লেক্সিবল সিগমোইডোস্কপি করিয়ে নিতে হবে। আরো করতে হবে ফিকাল অকাল্ট ব্লাড টেস্ট (এফওবিটি), কোলনোস্কপি আর মোল স্ক্রিনিং। যারা ধূমপায়ী তাদের জন্যে দরকার লো-ডোজ কম্পিউটেড টমোগ্রাফি। এ ছাড়া প্রোস্টেট স্পেসিফিক অ্যান্টিজেন এবং ডিজিটাল রেক্টাল করতে হবে।

৩. শ্রবণজনিত কোনো সমস্যা রয়েছে কিনা তাও দেখা দরকার। এর জন্যে অডিওগ্রাম করতে হবে। বোঝা যাবে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজন রয়েছে কিনা।

৪. চোখ দুটো ঠিক আছে তো? এর জন্যে করিয়ে নিন চোখের পরীক্ষা। দৃষ্টিশক্তিতে কোনো সমস্যা আছে কিনা জানা যাবে।

৫. ডায়াবেটিস রোগ যেভাবে ছড়িয়েছে তাতে করে রক্তে গ্লুকোজের পরীক্ষাটা সবারই করা উচিত।

এই মাত্র পাঁচ পয়েন্টে যে পরীক্ষাগুলোর কথা লেখা হয়েছে তা করলে আপনার সার্বিক অবস্থা বুঝে নেয়া সম্ভব। কাজে কখনো না করে থাকলে করার পরিকল্পনা করুন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অক্টোবরে নির্বাচনকালীন সরকার গঠন হতে পারে: কাদের

দেশের খবর: সড়ক ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আগামী অক্টোবরে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হতে পারে। এ সময়ে নির্বাচনকালীন সরকার গঠিত হবে এবং মন্ত্রীসভার আকার ছোট হবে।

সকালে সচিবালয়ে সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয়ে বিভিন্ন অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচনকালীন সরকার শুধু রুটিন ওয়ার্ক সম্পন্ন করবে। এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বিএনপি যদি নির্বাচনে অংশ গ্রহণ নাও করে, অনেক দল আছে তাদের নিয়েই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

বিএনপির সেই সাংগঠনিক সেই ক্ষমতাই নেই যে, আন্দোলন করবে। জনগণ আগেই তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদের ডাকে সাড়া দেবে না দেশের মানুষ।

এবার ঈদ যাত্রা ভালো হয়েছে, আগামী ঈদের আগে মহাসড়কের পাশে যেন কোনও গরুর হাট না বসতে পারে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারতীয় কাশ্মীরে ফের কেন্দ্রীয় শাসন জারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মঙ্গলবার ভারতনিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীরে মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতির নেতৃত্বাধীন সরকারের পতন ঘটেছে। এই পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যটিতে আবারো কেন্দ্রীয় শাসন জারি করা হয়েছে।

১৯৭৭ সালের পর জম্মু ও কাশ্মীরে এ নিয়ে অষ্টমবারের মতো কেন্দ্রীয় শাসন জারি করা হলো।

মঙ্গলবার জম্মু ও কাশ্মীরে ক্ষমতাসীন জোট ছেড়ে দেয় বিজেপি। বিজেপির এই ঘোষণার পর একইদিন বিকালেই পদত্যাগ করেন মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি।

পদত্যাগের পর মেহবুবা বলেন, জম্মু ও কাশ্মীরকে শত্রু এলাকা হিসেবে বিবেচনা করতে পারি না আমরা। মিটমাটের পথই সমস্যা সমাধানের মূল চাবি।

এদিকে, জম্মু ও কাশ্মীরে কেন্দ্রীয় শাসন জারির জন্য প্রেসিডেন্টের কাছে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রতিবেদন পাঠান রাজ্যপাল এনএন ভোরা। এই প্রতিবেদনে সাড়া দিয়ে রাজ্যটিতে কেন্দ্রীয় শাসন জারি করেছেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest