সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় মাদক এবং মাদক বিক্রির অবৈধ টাকাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারতালায় বাস মোটরসাইকেল সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতার মৃত্যুঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিতআশাশুনিতে হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলার তদন্তে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারদেবহাটায় সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের মতবিনিময়৯নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়াসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভাতালা থেকে কপোতাক্ষ নদে পড়ে যাওয়া ব্যক্তির মরদেহ পাইকগাছায় উদ্ধারসাতক্ষীরা জেলা এলপি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটর এসোসিয়েশনের সভাসাতক্ষীরায় লিগ্যাল এইড কার্যক্রম বিষয়ে জনসচেতনতামূলক মতবিনিময়

সিরিয়ায় ইসরায়েলি গোয়েন্দা ড্রোন বিধ্বস্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সিরিয়ার কুনিত্রার অদূরে আল-হাযার উপশহরে একটি ইসরায়েলি গোয়েন্দা ড্রোন বিধ্বস্ত হয়েছে। অধিকৃত গোলান মালভূমির সঙ্গে এই এলাকাটির সীমান্ত রয়েছে। ইসরায়েলের একটি টিভি চ্যানেল এই খবর দিয়েছে।

টিভির খবরে বলা হয়েছে, ড্রোনটি সিরীয় ভূখণ্ডে বিধ্বস্ত হয়েছে। সিরিয়ার সেনাবাহিনী এ খবরের সত্যতা স্বীকার করে বলেছে, বিধ্বস্ত ড্রোনটি তাদের কাছে রয়েছে। তবে সেনাবাহিনীর গুলিতে সেটি বিধ্বস্ত হয়েছে কি না তা স্পষ্ট করা হয়নি।

সিরিয়ার সামরিক বাহিনী কুনিত্রা প্রদেশে অভিযান অব্যাহত রেখেছে। সেখানে সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েন করা হয়েছে। কুনিত্রায় সেনবাহিনীর অবস্থান সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতেই ইসরায়েল সেখানে ড্রোন পাঠিয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইসরায়েলের তাকফিরি সন্ত্রাসীদের সমর্থনে এ পর্যন্ত সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আসাদের সেনাবাহিনীর ওপর এ পর্যন্ত বহুবার হামলা চালিয়েছে। এছাড়া ইসরায়েল মাঝে মধ্যেই সিরিয়ার আকাশসীমা লঙ্ঘন করে হামলা চালায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সর্বকালের অন্যতম সেরা পুসকাসকে টপকে গেলেন রোনালদো

খেলার খবর: বিশ্বকাপ শুরুর আগে রেকর্ড থেকে চার গোল দূরে ছিলেন। প্রথম ম্যাচে হ্যাটট্রিক করে পুসকাসের অসাধারণ কীর্তিটা ছুঁয়ে ফেলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। ভেঙে দিতে লাগল দ্বিতীয় ম্যাচের মাত্র চার মিনিট। ৮৫ গোল নিয়ে আন্তর্জাতিক ম্যাচে ইউরোপিয়ানদের মধ্যে সর্বোচ্চ সাফল্য এখন পর্তুগাল অধিনায়কের। প্রথমার্ধের খেলা শেষে ১-০ গোলে এগিয়ে আছে পর্তুগাল।

আগের তিন বিশ্বকাপে সাকুল্যে মাত্র তিনটি গোল করেছিলেন রোনালদো। রাশিয়ায় প্রথম ম্যাচেই তিনবার স্পেনের জাল খুঁজে নেন। হ্যাটট্রিকের ম্যাচে পর্তুগালের জার্সিতে ক্যারিয়ারের ৮২তম, ৮৩তম এবং ৮৪তম গোলটি পান। মরক্কোর বিপক্ষে পেলেন ৮৫তম আন্তর্জাতিক গোল।

কিংবদন্তি ফেরেঙ্ক পুসকাস ৮৪টি গোল করে ইউরোপে গোলদাতাদের চূঁড়ায় ছিলেন দীর্ঘদিন। ১৯৪৫-৫৬ এরমধ্যে হাঙ্গেরির জার্সিতে গোলগুলো করেছিলেন পুসকাস।

বুধবার গ্রুপপর্বে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে চার মিনিটে কর্নার থেকে উড়ে আসা বলে নিচু হেডে গোল আদায় করে নেন রোনালদো। চলতি আসরে তার চতুর্থ গোল, এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ।

তবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শিখর এখনও অনেকদূরে রোনালদোর জন্য। সিআর সেভেনের সামনে আছেন আলি দেইয়ি। ইরানের হয়ে তার গোলসংখ্যা ১০৯, ইতিহাসের সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক গোল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মাদকে পৃষ্ঠপোষকতার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

দেশের খবর: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, মাদক ব্যবসায় পৃষ্ঠপোষকতাকারী ও মাদকের গডফাদারদের আইনের আওতায় আনতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন করা হচ্ছে। এতে মাদক ব্যবসায় পৃষ্ঠপোষক ও মাদকের গডফাদারসহ মাদক সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখার প্রস্তাব করা হবে।

আজ বুধবার জাতীয় সংসদে স্বতন্ত্র সাংসদ রুস্তম আলী ফরাজীর প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা জানান। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হওয়ার পর প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপিত হয়।
সংসদ নেতা শেখ হাসিনা বলেন, বিদ্যমান মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-১৯৯০ অনুযায়ী মাদক অপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড রয়েছে। তবে বিদ্যমান আইনে কোনো ব্যক্তির দখলে/কর্তৃত্বে/অধিকারে মাদকদ্রব্য পাওয়া না গেলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ কম। এতে মাদক ব্যবসায় জড়িত মাস্টারমাইন্ডরা সহজেই পার পেয়ে যায়। মাদক ব্যবসায় পৃষ্ঠপোষকতাকারী ও মাদকের গডফাদারসহ মাদক সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োগের লক্ষ্যে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ প্রণয়ন করা হচ্ছে। সংশোধিত আইনে মাদক ব্যবসায় পৃষ্ঠপোষক ও মাদকের গডফাদারসহ মাদক সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখার প্রস্তাব করা হবে। তা ছাড়া এই আইনে মাদক ব্যবসায় পৃষ্ঠপোষক ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানকেও আইনের আওতায় আনার জন্য মানি লন্ডারিং-সংক্রান্ত অপরাধ তদন্তে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের ক্ষমতা দেওয়া হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মাদকদ্রব্য ও মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অপরাধীদের বিরুদ্ধে সরকার সব সময় কঠোর অবস্থানে রয়েছে। মাদকের আগ্রাসন প্রতিরোধে মাদক চোরাকারবারি, মাদক ব্যবসায়ী, মাদকসেবী, মাদক চোরাচালান সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। মাদক-সংশ্লিষ্ট অপরাধীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযানের পাশাপাশি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। যানবাহন ও মাদক স্পটগুলোতে তল্লাশি অভিযান চলছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত ১৮ মে থেকে এ পর্যন্ত চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য, অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং এগুলো পরিবহনের বাহন উদ্ধার ও জব্দ করা হয়েছে। এ পর্যন্ত মাদকদ্রব্য সংশ্লিষ্ট ১৫ হাজার ৩৩৩টি মামলা করা হয়েছে। মোট ২০ হাজার ৭৬৭ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করে বিচারের জন্য সোপর্দ করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-১৯৯০-এর অধীনে সংঘটিত অপরাধের বিচার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পৃথক আদালত গঠনের পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে মাদক অপরাধীদের তাৎক্ষণিক সাজা দেওয়া হচ্ছে। মাদক অপরাধ-সংক্রান্ত মামলার বিচার কার্যক্রম আলাদা কোনো আদালতের মাধ্যমে পরিচালনার বিষয়টি আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয় খতিয়ে দেখছে।
সরকারি দলের সাংসদ মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। সে নীতি বাস্তবায়নে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাবসহ অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থা মাদক অপরাধ নিয়ন্ত্রণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ২০১৭ সালে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরসহ সব সংস্থা ১ লাখ ৩২ হাজার ৮৮৩ জন মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ১ লাখ ৬ হাজার ৫৩৬টি মামলা করেছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মাদক সমস্যা নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে মহাপরিচালক পর্যায়ে নিয়মিত ফলপ্রসূ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পাশাপাশি ইয়াবা পাচার রোধে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে তিনটি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়েছে। প্রতিটি সভাতেই মিয়ানমারকে ইয়াবার উৎপাদন ও প্রবাহ বন্ধ করার জন্য এবং মিয়ানমার সীমান্তে ইয়াবা তৈরির কারখানা সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করা হয়েছে। মিয়ানমারের সঙ্গে ডিসি-ডিএম পর্যায়ে সভা করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কক্সবাজার জেলায় ৯৪ জনবলের বিশেষ জোন স্থাপন ও বর্ডার লিয়াজোঁ অফিস স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এমপিও পেতে শহরে ৩০০ ও মফস্বলে ২০০ শিক্ষার্থী

দেশের খবর: নতুন এমপিওভুক্তি পেতে নীতিমালার কঠিন বেড়াজালে পড়তে হচ্ছে নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে। সদ্য জারি হওয়া এমপিও নীতিমালা-২০১৮ অনুযায়ী, এমপিওভুক্তি পেতে প্রথমে আবেদন করতে হবে। এরপর তথ্য যাচাই-বাছাই করে এমপিও দেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে আবেদনের শর্ত হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার সময়, শিক্ষার্থী সংখ্যা, পরীক্ষার্থী সংখ্যা ও উত্তীর্ণের সংখ্যাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হবে। এসব শর্ত মানতে হলে এক শর বেশি নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তির আবেদন করারই যোগ্যতা নেই।

সংশ্লিষ্টরা জানান, নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় একটি বিশেষ কৌশল গ্রহণ করেছে। আগামী অর্থবছরের বাজেটে এর জন্য বরাদ্দও নেই। এরপর শিক্ষকরা আন্দোলনে নামলে গত ১৪ জুন ঈদের আগের শেষ কর্মদিবসে জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮ জারি করা হয়। এ অবস্থায় নতুন করে কোনো প্রতিষ্ঠানকে এমপিও পেতে হলে এই নীতিমালা অনুসরণ করতে হবে। এই নীতিমালার শর্ত মেনে এমপিওর আবেদন করতে পারবে এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা শখানেক। নীতিমালা জারির পর বর্তমানে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা সম্ভব, আগে শর্ত পূরণ কর, তারপর এমপিও নাও।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব সোহরাব হোসাইনের কথায়ও এমন ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। তিনি ঈদ-পরবর্তী প্রথম কর্মদিবসে গত সোমবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ‘বাজেটে সব বিষয় উল্লেখ থাকে না। আবার একসঙ্গে সব প্রতিষ্ঠান এমপিও করাও সম্ভব নয়। এ জন্যই শর্তসাপেক্ষে এমপিও দিতে এমপিও নীতিমালা-২০১৮ জারি করা হয়েছে। নতুন প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তিতে প্রথমে আবেদন গ্রহণ করা হবে। এরপর যাচাই-বাছাই করে এমপিওভুক্ত করা হবে। এমপিওভুক্তির আওতায় আসতে হলে নীতিমালার শর্তগুলো পূরণ করতে হবে।’

জানা যায়, বর্তমানে সরকার স্বীকৃত নন-এমপিও স্কুল, কলেজ ও মাদরাসার সংখ্যা পাঁচ হাজার ২৪২টি। এই প্রতিষ্ঠানগুলোতে ৮০ হাজারের ওপর শিক্ষক-কর্মচারী চাকরি করছেন। দীর্ঘদিন ধরে যাঁরা বিনা বেতনে চাকরি করছেন, সব শেষ ২০১০ সালে সরকার এক হাজার ৬২৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করে। এরপর থেকে এমপিওভুক্তি বন্ধ রয়েছে।

তবে নতুন এমপিওভুক্তি নিয়ে সরকারের মধ্যেও ধোঁয়াশা কাজ করছে। গতকাল মঙ্গলবার অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘আরো এক হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নতুন করে এমপিওভুক্ত করা হবে। এ জন্য বাজেটে অতিরিক্ত বরাদ্দ রাখা হয়েছে। তবে যেসব স্কুল এমপিওভুক্ত নয় এমন স্কুলের উপকরণ, ভবনসহ বিভিন্ন খাতেও বরাদ্দ রাখা হয়েছে।’ তিনি আরো বলেন, ‘এমপিও একটি নিরর্থক কর্মসূচি। এটি শিক্ষকদের খুশি করার জন্য দেওয়া হয়। স্কুলের উপকার হয় না।’

নন-এমপিও শিক্ষকরা আন্দোলনে নামার পর ঈদের আগে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ সচিবালয়ে বলেছিলেন, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তি নিয়ে কাজ চলছে। এ নিয়ে শিক্ষকদের আন্দোলনের প্রয়োজন নেই।’ তিনি আরো বলেন, ‘বাজেটে অনেক বিষয়ে উল্লেখ করে দেওয়া নেই। এটা জরুরি বিষয়ও নয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জন্য যে থোক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, সেখান থেকে এমপিওভুক্ত করা হবে।’ তবে কতগুলো প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করা হবে সে বিষয়ে কিছু বলেননি তিনি।

আবার গত সোমবার সরকারের একজন মন্ত্রী জাতীয় সংসদ ভবনে আগামী অর্থবছরের বাজেটের ওপর আলোচনায় বলেন, ‘এমপিওভুক্তির কথা বলা হলেও বাজেটে কাগজে-কলমে কিছু দেখছি না। আল্লাহর ওয়াস্তে এমপিওভুক্তি করে দেন, না হলে আমাদের কষ্ট হচ্ছে।’ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তি একটি চলমান প্রক্রিয়া হিসেবে চালু রাখারও অনুরোধ জানান তিনি।

এমপিও নীতিমালা-২০১৮ অনুযায়ী, একটি প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্তি পেতে প্রধান চারটি শর্ত রাখা হয়েছে। এগুলোর জন্য রাখা হয়েছে ১০০ নম্বর। এতে একাডেমিক স্বীকৃতির তারিখের জন্য রাখা হয়েছে ২৫ নম্বর। প্রতি দুই বছরের জন্য ৫ নম্বর এবং ১০ বা এর চেয়ে বেশি বছর হলে পাবে ২৫ নম্বর। শিক্ষার্থীসংখ্যার জন্য ২৫ নম্বর। আর শিক্ষার্থীর কাম্য সংখ্যা থাকলে ওই প্রতিষ্ঠান পাবে ১৫ নম্বর এবং এর পরবর্তী ১০ শতাংশ বৃদ্ধির জন্য পাবে ৫ নম্বর। পরীক্ষার্থী এবং উত্তীর্ণের সংখ্যায়ও শিক্ষার্থীসংখ্যার মতোই একইভাবে নম্বর বণ্টন করা হয়েছে।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, একটি প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্তি পেতে কাম্য শর্তাদি অবশ্যই পূরণ করে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবকে আহ্বায়ক করে একটি কমিটি থাকবে, যারা বিষয়গুলো যাচাই-বাছাই করবে। এরপর ওই কমিটি সরকারের কাছে সুপারিশ করবে। সরকার এমপিওভুক্তির শর্ত পূরণসাপেক্ষে আদেশ দিবে।

কাম্য যোগ্যতা পূরণ করতে নীতিমালা অনুযায়ী, সহশিক্ষা ও বালক প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শহরে ২০০ ও মফস্বলে ১৫০ জন শিক্ষার্থী থাকতে হবে। মাধ্যমিকে শহরে ৩০০ ও মফস্বলে ২০০ শিক্ষার্থী থাকতে হবে। স্কুল অ্যান্ড কলেজে শহরে ৪৫০ ও মফস্বলে ৩২০ জন শিক্ষার্থী থাকতে হবে। উচ্চ মাধ্যমিক কলেজে শহরে ২০০ ও মফস্বলে ১৫০ জন শিক্ষার্থী থাকতে হবে। স্নাতক পাস কলেজে শহরে ২৫০ ও মফস্বলে ২০০ শিক্ষার্থী থাকতে হবে। আর প্রতিটি শ্রেণির পরীক্ষায় শহরে ৬০ ও মফস্বলে ৪০ জন শিক্ষার্থীর অংশ নিতে হবে। এর মধ্যে ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থীকে উত্তীর্ণ হতে হবে।

বাংলাদেশ নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি অধ্যক্ষ গোলাম মাহমুদুন্নবী ডলার বলেন, ‘আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলো ১৮ থেকে ২০ বছরের পুরনো। আমাদের তো অনেক আগেই এমপিও পাওয়ার কথা ছিল। আমাদের জন্য এই নীতিমালা কার্যকর করা কোনোভাবেই উচিত হবে না। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী এমপিও হলে এক শর বেশি প্রতিষ্ঠান শর্ত পূরণ করতে পারবে না।’

উদাহরণ হিসেবে এই শিক্ষক নেতা বলেন, ‘আমার প্রতিষ্ঠান খুলনা আইডিয়াল কলেজ ২০০৬ সালে বোর্ডের মধ্যে অষ্টম স্থান লাভ করেছিল। আর এখন আমাদের দুটি জিপিএ ৫ পেতেই কষ্ট হয়। আবার খুলনারই রূপসা মহিলা কলেজে শিক্ষার্থী ছিল না বললেই চলে। অথচ তারা এমপিও পাওয়ার পর এখন ঘুরে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ আর্থিক সংস্থান না থাকলে প্রতিষ্ঠান চালানো খুবই কষ্টকর।’

মাউশি অধিদপ্তরের এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (ইএমআইএস) সেলের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী জানা যায়, দেশে বর্তমানে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা প্রায় ২৮ হাজার। সবচেয়ে বেশি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে রাজশাহী বিভাগে। এরপর রংপুর ও খুলনা বিভাগে। এখন পর্যন্ত বরিশাল বিভাগে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে দুই হাজার ৭০১টি, চট্টগ্রামে দুই হাজার ১৫টি, কুমিল্লায় এক হাজার ৯৮৪টি, ঢাকায় তিন হাজার ২৭টি, খুলনায় তিন হাজার ৫৭৯টি, ময়মনসিংহে তিন হাজার ৫৭টি, রাজশাহীতে চার হাজার ১০৮টি, রংপুরে তিন হাজার ৯৯৭টি এবং সিলেট বিভাগে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে এক হাজার ৮৯টি। যেসব এলাকায় কম প্রতিষ্ঠান রয়েছে সেসব এলাকা নতুন এমপিওভুক্তি পেতে অগ্রাধিকার পাবে বলেও জানা গেছে।

অর্থমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীর আশ্বাসের পরও শিক্ষকরা আশ্বস্ত হতে পারছেন না। বাজেটে ঘোষণা না আসায় গত ১০ জুন থেকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বাংলাদেশ নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারী ফেডারেশনের ব্যানারে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন তাঁরা। এমনকি ঈদের দিনও তাঁরা ছিলেন রাজপথে। গতকাল মঙ্গলবারও শিক্ষকরা কর্মসূচি পালন করেছেন। তবে আজ বুধবার বিকেলে ফেডারেশনের সভা রয়েছে। সেখান থেকে আগামী দু-এক দিনের মধ্যে আমরণ অনশনসহ আরো কঠোর কর্মসূচি আসতে পারে বলে জানিয়েছেন নেতারা।

সংগঠনের সভাপতি গোলাম মাহমুদুন্নবী বলেন, ‘আমাদের এবার ২৮তম কর্মসূচি। আগের ২৬ বার শিক্ষামন্ত্রী আমাদের আশ্বস্ত করেছেন। তিনি তখন বলেছিলেন, বাজেটে বরাদ্দ না থাকায় এমপিও দিতে পারছি না। আর এখন তিনিই বলছেন, বাজেটে বরাদ্দ না থাকলেও এমপিওভুক্তি করা হবে। তাই তাঁর কথায় আমাদের আর আস্থা নেই। ২৭তম কর্মসূচির সময় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তা এসে আমাদের অনশন ভাঙিয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে যখন আশ্বাস এসেছিল, আমরা এখন তাঁর মুখ থেকেই আশ্বাসের বাস্তবায়ন চাই।’

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহ) শিক্ষক ও কর্মচারীদের এমপিও প্রদান এবং জনবল কাঠামো সম্পর্কিত নির্দেশিকা শীর্ষক নীতিমালা প্রথমে ১৯৯৫ সালে প্রণীত হয়। ২০১০ ও ২০১৩ সালে এটি দুই দফায় সংশোধিত হয়েছে। আর গত ১৪ জুন জারি হয়েছে এমপিও নীতিমালা-২০১৮।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরার শ্যামনগরে পুকুরের পানিতে ডুবে দ্বীপ মন্ডল (২) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার দুপুরের দিকে উপজেলা সদর ইউনিয়নের যাদবপুর গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দ্বীপের বাবা অনাধী মন্ডল জানান, দুপুরের দিকে বাড়ির সবাই কাজে ব্যস্ত ছিল। বাড়ির আঙিনায় খেলার সময় পার্শ্ববর্তী পুকুরের পানিতে পড়ে দ্বীপ ডুবে যায়। অনেকক্ষন খোজাখুজির পর পুকুর হইতে দ্বীপের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শ্যামনগর থানার ওসি সৈয়দ মান্নান আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
স্ট্র‌োকে আক্রান্ত হয়ে পাটকেলঘাটার ওসি রিয়াজুলের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক: পাটকেলঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ রিয়াজুল ইসলাম  স্ট্র‌োকজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করেছেন।

তিনি ছুটি থেকে ফেরার পথে ফরিদপুরে বাসের ভেতর স্ট্রোকজনিত কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে ফরিদপুর হাসপাতালে নেয়ার পথে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

রিয়াজুল ইসলামের গ্রামের বাড়ি ঝিনাইদহা জেলার শৈলকুপায়। ত‌িনি ক‌িছুদিন আগে পাটকেলঘাটা  থানায় ওসি হিসেবে যোগদান করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এমপি পুত্রের গাড়ি চাপায় নিহত ১

দেশের খবর: রাজধানীর মহাখালী ফ্লাইওভারে নোয়াখালীর এক সংসদ সদস্যের ছেলের গাড়ির চাপায় সেলিম ব্যাপারী (৪৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১৯ জুন) রাত সাড়ে ১০টার দিকে বেপরোয়া গতির একটি প্রাইভেটকার সেলিম ব্যাপারীকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

কাফরুল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শিকদার মোহাম্মদ শামীম হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন,লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

কাফরুল থানার এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, রাতে ঢাকা মেট্রো ১৩-৭৩৫৫ নম্বরের প্রাইভেটকারটি সেলিমকে ফ্লাইওভারের ওপর চাপা দেয়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। গাড়িটি নোয়াখালীর একজন সংসদ সদস্যের ছেলে চালাচ্ছিলেন। ঘটনার পর পুলিশ লাশ উদ্ধার করে কাফরুল থানায় নিয়ে যায়। তবে গাড়ি চালক ও গাড়ি আটক রাখা হয়নি। এই ঘটনায় পুলিশ একটি সড়ক দুর্ঘটনার মামলা করেছে।

ওসি বলেন, ‘আমরা গাড়ির নম্বর পেয়েছি, বিআরটিএ এই নম্বর দিয়ে বিস্তারিত পাবো। তবে এখনও আমরা বিস্তারিত পরিচয় পাইনি। ’

নিহত সেলিমের গ্রামের বাড়ি বরিশালে। তিনি মহাখালী ডিওএইচএস এক ব্যক্তির গাড়ি চালাতেন। তার মেয়ের জামাতা আরিফ ভুইয়া বলেন, ‘আমি গিয়ে থানায় তার লাশ পেয়েছি।’

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, এরই মধ্যে এমপির পরিবার থেকে বিষয়টি মীমংসা করতে নিহতের স্বজনদের সঙ্গে কথা হয়েছে। নিহতের পরিবারকে এ বিষয় অভিযোগ করতে নিষেধ করা হয়েছে।

আরিফ বলেন, ‘আমরা ময়নাতদন্তের পর লাশ বাড়িতে নিয়ে যাবো। গাড়ির নম্বর পুলিশ পেয়েছে। এখন সবাইকে পাওয়া যাবে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের সদস্যপদ ত্যাগ করছে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের সদস্যপদ ত্যাগ করছে যুক্তরাষ্ট্র। এ জন্য সব রকমের প্রস্তুতিও সম্পন্ন হয়ে গেছে বলে নিশ্চিত করেছে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জাতিসংঘ সদরদপ্তরের এক কর্মকর্তা।

জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন প্রতিনিধি নিকি হেলে এবং সেক্রেটারি অব স্টেট মাইক পম্পিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবেন।

এর আগে গত বছর নিকি হেলে সংস্থাটির ক্রমাগত ইসরাইল বিরোধী মনোভাবের সমালোচনা করেন। এবং বলেন, এমন চলতে থাকলে যুক্তরাষ্ট্র সংস্থাটিতে তার সদস্যপদ রাখার ব্যাপারে ভেবে দেখবে।

২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংস্থাটি তার বেশ কিছু বিতর্কিত সিদ্ধান্তের জন্য সমালোচিত হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হল তার সদস্য দেশগুলোকে মানবাধিকার বিরোধী কার্যকর্মের পক্ষে অবস্থান নেয়া।

তবে যুক্তরাষ্টের বেরিয়ে আসার ব্যাপারে কোন মন্তব্য করতে রাজি হয়নি জাতিসংঘ। বরং তারা দেশটির আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষায় রয়েছে বলে জানিয়েছে মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র এমন একটি সময়ে সিদ্ধান্তটি নিতে যাচ্ছে যখন ট্রাম্প প্রশাসন নিজেরাই শিশু অভিবাসনকারীদের তাদের বাবা মা থেকে বিচ্ছিন্ন করার মতো গুরুতর মানবাধিকার বিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest