সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৪১ বোতল বিদেশি মদ জব্দ  সাতক্ষীরায় সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ২০ গ্রামের মানুষের ঈদ উল ফিতর উদযাপনসাতক্ষীরায় শারীরিক প্রতিবন্ধী যুবকের টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্রসদরঘাটের মৃত্যু: দুর্ঘটনা নয়-এক নির্মম ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবিসাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের কমিটি গঠন: সামাদ সভাপতি, রাজীব সম্পাদককালিগঞ্জে চোরাই ভ্যানসহ আটক-০৩মোটরসাইকেলের জ্বালানি সংকটে ঈদযাত্রা ব্যাহত : বিপাকে বাইকাররাকলারোয়ায় ২৫০ অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণসাতক্ষীরায় নির্যাতিত মোটর শ্রমিক একতা ঐক্যের পরিচিতি সভাসাতক্ষীরা জেলা রোভার স্কাউটস এর ঈদ সামগ্রী বিতরণ

নাশকতার অডিও ফাঁস, বিএনপির মেজর মিজান গ্রেপ্তার

দেশের খবর: বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) মিজানুর রহমান মিজানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে গুলশানের বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গাজীপুর সিটি নির্বাচনে নাশকতার ষড়যন্ত্রের অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানা যায়। এ সংক্রান্ত কয়েকটি অডিও ক্লিপ জব্দ করা হয়েছে। বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শামসুদ্দিন দিদার সাংবাদিকদের কাছে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এ বিষয়ে গুলশান থানার ওসি আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, ডিবি পুলিশের একটি অভিযান ছিল ওটা।

কন্সপেরেসি লিক নামক একটি ইউটিউব চ্যানেল মেজর (অব.) মিজানের কথপোকথনের অডিওটি প্রকাশ করে বলে দাবি করা হয়েছে। ওই অডিও ক্লিপটি যে মেজর (অব.) মিজানের তা নিশ্চিত করেছে গোয়েন্দা সূত্র।

এদিকে পুলিশ জানিয়েছে, ফোনের অন্য প্রান্তে যে ব্যক্তি কথা বলছিলেন তার নাম সাইফুল ইসলাম। তিনি আশুলিয়ার শিমুলিয়া ইউনিয়নের যুবদলের স্থানীয় নেতা।

ফাঁসকৃত অডিও ক্লিপটি শুনুন-

অপর প্রান্ত থেকে: স্লামালাইকুম।

মেজর অব. মিজানুর রহমান: ওয়ালাইকুম সালাম। কেমন আছো?

অপর প্রান্ত: আছি মোটামুটি।

মেজর মিজান: আচ্ছা, তোমাদের এখান থেকে যে কাশিমপুর ইউনিয়নের যে ভোটকেন্দ্র, কতটুক দূর?

অপর প্রান্ত: মানে আমাদের পাশেরডা হইলো এক নম্বর ওয়ার্ড।

মেজর মিজান: হ্যাঁ, এটা তোমাদের এখান থেকে কতটুকু দূর, ভোটকেন্দ্রটা?

অপর প্রান্ত: এই ১৮ কিলো হইবো। এক নম্বর ওয়ার্ডে কেন্দ্র হইলো তিনটা।

মেজর মিজান: আচ্ছা, ওখানে তোমাদের ক্লোজ বন্ধু-বান্ধব আছে?

অপর প্রান্ত: হ্যাঁ।

মেজর মিজান: আচ্ছা, এখানে আমাকে একটা ছেলে পাড়লে দু্টই ছেলে দাও। যারা আওয়ামী লীগের ব্যাচ লাগিয়ে ঘুরতে পারবে। এরকম কিছু ছেলে ম্যানেজ করতে পারবা?

অপর প্রান্ত: হ্যাঁ, এরকম আছে।

মেজর মিজান: আছে? প্রয়োজনে আওয়ামী লীগের লোক নাও, যারা মনে মনে বিএনপি। আছে এমন?

অপর প্রান্ত: জি আছে।

মেজর মিজান: তিনটা ছেলে সিলেক্ট করো। তিনটা ছেলে সিলেক্ট করো, হ্যাঁ? ওরা নৌকার ব্যানার নিয়ে ঘুরবে। ওদের আমি বলে দেবো। ওদের টাকা-পয়সা দিয়ে দেবোনে। আমি ইলেকশনের দিন যন্ত্রপাতি দিয়ে দেবোনে। তুমি ছেলে তিনটা আগে সিলেক্ট করো। তিন সেন্টারের জন্য তিনজন। ওকে?

অপর প্রান্ত: ওকে।

মেজর মিজান: ওকে। শোনও, শোনও শোনও শোনও। যে পোলিং সেন্টারটা, মানে যেকোনও তিনটা পোলিং সেন্টারের যেকোনও একটা সেন্টারের পাশে আমাদের লোকের বাড়ি থাকতে হবে। যে বাড়ির জানালার পাশে বসে… দোতলা কিংবা তিনতলা বাড়ি থাকলে ভালো হয়।

অপর প্রান্ত: আমি রেডি করবোনে ।

মেজর মিজান: হ হ রেডি করো, আর তিনটা ছেলেকে রাখবা, অন্য কাজে। ওই তিনটা ছেলে আওয়ামী লীগের ব্যাচ লাগিয়ে ঘুরবে।

অপর প্রান্ত: আচ্ছা, ঠিক আছে।

মেজর মিজান: আচ্ছা, ঠিক আছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী দিবসে লিফলেট বিতরণ

আসাদুজ্জামান: শিশু ও যুবদের প্রতি মনোযোগ দেয়াই, তাদের নিরাপদ বেড়ে উঠার প্রথম পদক্ষেপ” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তজার্তিক দিবস-২০১৮ উপলক্ষে মানববন্ধন ও লিফলেট বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা প্রশাসন ও জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন কার্যালয়ের আয়োজনে দিবসটি উপলক্ষে মঙ্গলবার দুপুরে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের সামনে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। মানববন্ধনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার সাজ্জাদুর রহমান। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী মঈনুদ্দিন, জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন কার্যালের পরিদর্শক লাকিয়া খানম, পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক আজম খান, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ আহমেদ, জেলা গোয়েন্দা শাখার পরিদর্শক শাহারিয়ার হোসেন প্রমুখ।
প্রধান অতিথি এ সময় বলেন, মাদক একটি সামাজিক সমস্যা, একটি সামাজিক ব্যধি। তাই পরিবারের কেউ যাতে মাদকদ্রব্য ক্রয়, বিক্রয় ও ব্যবহারে জড়িয়ে না পড়ে সে ব্যাপারে পরিবারের সবাইকে সর্বদা সতর্ক থাকতে হবে। তিনি আরো বলেন, সমন্বিত সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে মাদকের এই ভয়াবহতা নির্মূল করা সম্ভব।
মানববন্ধন শেষে মাদকের ভয়াবহতা সম্পর্কে জনসাধারনকে সচেতন করতে সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার সাজ্জাদুর রহমানের নেতৃত্বে শহরের বিভিন্ন স্থানে মাদক বিরোধী লিফলেট বিতরন করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ছাত্রলীগ নেতা ইমন হত্যা মামলায় বাদি আলম গ্রেফতার

আসাদুজ্জামান: সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও আলোচিত হাসিবুল হাসান ইমন হত্যা মামলায় দীর্ঘ দেড় বছর পর এ মামলার বাদী নিহতের আপন চাচা আলমগীর হাসান আলমকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে শহরের সুলতানপুর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করে সাতক্ষীরার সিআইডি পুলিশ। এরপর দুপুরে ৫ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে আদালতের মাধ্যমে তাকে কোর্ট হাজতে প্রেরন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডি পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম।
তদন্তকারী কর্মকর্তা বাগেরহাট সিআইডি পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম জানান, ইমন হত্যার দেড় বছর পর এ মামলার দীর্ঘ তদন্ত শেষে ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্টতার সত্যতা পাওয়ায় মামলার বাদী নিহতের চাচা আলমগীর হাসান আলমকে সকালে গ্রেফতার করা হয়। এরপর দুপুরে তাকে সাতক্ষীরার আমলী আদালত-১ এর বিচারক রাজীব কুমার রায়ের আদালতে পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে কোর্ট হাজতে প্রেরন করা হয়।
সিআইডি সাতক্ষীরার সহকারী পুলিশ সুপার আমিনুর রহমান এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দীর্ঘ তদন্ত শেষে ঘটনার সাথে বাদী নিহতের চাচা আলমগীর হাসান আলম জড়িত থাকার সত্যতা পাওয়ায় তাকে গ্রেফতার করে ৫ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতের মাধ্যমে কোর্ট হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ১৬ জানুয়ারি দিবাগত রাতে ইমনকে তার বাড়ি থেকে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে হত্যার পর লাশ সদর উপজেলার ধুলিহর ইউনিয়নের আমতলা গ্রামের ইকবাল বিশ্বাসের মাছের ঘেরে ফেলে রাখা হয়। পরদিন সকালে পুলিশ ইমনের লাশ উদ্ধার করে। লাশ উদ্ধারের পরপরই ইমনের আপন চাচা আলমগীর হাসান আলমের ইঙ্গিতে পুলিশ আমতলা থেকে স্বাস্থ্য কর্মী ইখতিয়ার হোসেন বিপ্লব, সুলতানপুর থেকে কলেজ ছাত্র মোস্তাফিজুর রহমান মুরাদ ও রেজাউল ইসলাম ওরফে রনি মোল্যাকে গ্রেফতার করে। পরে নিহতের চাচা আলমগীর হোসেন আলম বাদি হয়ে কারো নাম উল্লেখ না করে সাতক্ষীরা সদও থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

0 মন্তব্য
1 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাঁচ–ছয়টি কেন্দ্রে অনিয়মের কথা স্বীকার রিটার্নিং কর্মকর্তার

গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে পাঁচ-ছয়টি কেন্দ্রে অনিয়মের কথা জানালেন রিটার্নিং কর্মকর্তা রকিবউদ্দীন মণ্ডল। তিনি বলেছেন, এই কেন্দ্রগুলোতে ব্যালটে জোরপূর্বক সিল মারা, জালভোট দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া পাঁচ-ছয়টি কেন্দ্র থেকে বিএনপির এজেন্টকে বের করে দেওয়ার ঘটনা ঘটে।

তবে রকিবউদ্দীন কোনো কেন্দ্রের নাম উল্লেখ করেননি।

আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে কেন্দ্র পরিদর্শনে বেরিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রিটার্নিং কর্মকর্তা এ কথা বলেন। তিনি বলেন, অনিয়ম হওয়া কেন্দ্রগুলোতে নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতায় নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। আর যেসব কেন্দ্রে এজেন্ট বের করে দেওয়া হয়েছে বা ঢুকতে দেওয়া হয়নি, সেখানে তাঁরা এজেন্ট রাখার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন।

একটি কেন্দ্রে অনিয়মের কারণে ভোট স্থগিত হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। তিনি বলেন, সব পক্ষের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে। এরপর ব্যবস্থার নেওয়া হবে।

নির্বাচন কমিশনের এক সূত্র বলছে, অনিয়মের কারণে ৭২ ও ৭৩ নম্বর কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ স্থগিত হতে পারে। এই দুটি কেন্দ্রের অনিয়ম তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে নির্বাচন কমিশন থেকে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়কে জানানো হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রাতে নাইজেরিয়ার মুখোমুখি আর্জেন্টিনা
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভোট দিচ্ছে গাজীপুর ভোটাররা

মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে ব্যাপক নিরাপত্তার মধ্যে এ সিটি করপোরেশনের ৪২৫টি ভোট কেন্দ্রে একযোগে ভোট শুরু হয়েছে বলে নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ চলছে জানিয়ে এ নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা রকিব উদ্দিন মণ্ডল বলেছেন, শেষ পর্যন্ত ভালোভাবেই ভোট শেষ হবে বলে তিনি আশা করছেন।

“কারো কোনো অভিযোগ এখনও পাইনি। বিএনপির প্রার্থীর কাছ থেকে ভোটের আগে দুয়েকটি অভিযোগ পাওয়া গিয়েছিল, সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিয়েছি।”

আবহাওয়া অফিস ভোটের দিন বৃষ্টির আভাস দিয়ে রেখেছে গাজীপুরে। সকালে ভোট শুরুর আগে বিভিন্ন এলাকায় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিও হয়েছে। তবে ভোট শুরুর পর প্রথম তিন ঘণ্টায় নির্বাচনের পরিবেশে ব্যাঘাত ঘটাতে পারেনি আবহওয়ায়।

দিনের শুরুতে বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, ভোটারদের উপস্থিতি মোটামুটি। বেলা গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ভোটারের উপস্থিতি আরও বাড়বে এবং বিকাল ৪টা পর্যন্ত  স্বতঃস্ফূর্ত ও শান্তিপূর্ণভাবেই ভোট চলবে বলে নির্বাচনী কর্মকর্তারা আশা করছেন।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ছয় মাস আগে এ নির্বাচনকে ঘিরে সব মহলের নজর এখন গাজীপুরের দিকে। ক্ষমতায় এবং ক্ষমতার বাইরে থাকা প্রধান দুই দলের পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনও এ নির্বাচনে নিজেদের প্রমাণ করতে চায়।

কারচুপির আশঙ্কা প্রকাশ করে বিএনপি ইতোমধ্যে হুঁশিয়ারি দিয়েছে, সেই ধরনের কিছু হলে আগামী মাসে অনুষ্ঠেয় অন্য তিন সিটির নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করবে তারা।

অন্যদিকে তার প্রতিক্রিয়ায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতারা বলেছেন, দশম সংসদ নির্বাচন বর্জনকারী বিএনপি একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে ইসিকে হেয় করতে এসব অভিযোগ তুলছে।

নির্বাচন পর্যবেক্ষক  সংস্থাগুলোর একটি মোর্চা ইলেকশন ওয়ারর্কিং গ্রুপের (ইডব্লিউজি) পরিচালক আব্দুল আলীম বলেছেন, তারাও গাজীপুরের ভোটের দিকে তাকিয়ে আছেন।

“সর্বশেষ খুলনার নির্বাচনে কিছু অনিয়ম দেখা গেছে, যদিও তা ফলাফলে তেমন প্রভাব পড়েনি। কিন্তু গাজীপুরে একটা মডেল নির্বাচন দেখতে চাই আমরা।”

এক নজরে গাজীপুর সিটি নির্বাচন

>> ওয়ার্ড: সাধারণ ওয়ার্ড ৫৭টি, সংরক্ষিত ওয়ার্ড ১৯টি।

>> প্রতিদ্বন্দ্বী: মেয়র পদে ৭ জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ২৫৬ জন ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৮৪ জন।

>> কেন্দ্র ও ভোটকক্ষ: ৪২৫টি ভোট কেন্দ্র, তাতে ভোট কক্ষ ২৭৬১টি।

>> ভোটার: ১১ লাখ ৩৭ হাজার ৭৩৬ জন ভোটারের মধ্যে পুরুষ ৫ লাখ ৬৯ হাজার ৯৩৫ জন; ৫ লাখ ৬৭ হাজার ৮০১ জন নারী

>> ইভিএম: ছয়টি কেন্দ্রে (১৫৪, ১৫৫, ১৭৪, ১৭৫, ১৯১ ও ১৯২) ভোট চলছে নতুন ইভিএমে।

>> ফলাফল ঘোষণা: গণনা শেষে ফল ঘোষণা হবে বঙ্গতাজ মিলনায়তনে রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় ও নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে।  

এ সিটির মেয়র পদের প্রার্থী হিসেবে রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ বিএনপির হাসান উদ্দিন সরকারের বিপরীতে এবার ৩৯ বছর বয়সী জাহাঙ্গীর আলমকে বেছে নিয়ে আওয়ামী লীগ।

৭০ বছর বয়সী মুক্তিযোদ্ধা হাসান সরকার এরশাদের সামরিক শাসনামলে দুই দফায় সংসদ সদস্য ছিলেন। তিনি দুই মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেছেন টঙ্গী পৌরসভা চেয়ারম্যান হিসাবে। বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হাসান সরকার এক মেয়াদে গাজীপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানও ছিলেন।

তার চেয়ে ৩১ বছর কম বয়সী ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম গত মেয়র নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী প্রার্থী হতে চেয়ে আলোচনায় আসেন।

গতবার বিএনপির সমর্থিত প্রার্থী আবদুল মান্নানের কাছে হেরে যাওয়া আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আজমত উল্লাহ খানকে বাদ দিয়ে এবার তরুণ এই নেতাকে নির্বাচনী টিকেট দেয় ক্ষমতাসীন দল।

অন্য মেয়র প্রার্থীরা হলেন- মিনার প্রতীকে ইসলামী ঐক্য জোটের ফজলুর রহমান, হাতপাখা প্রতীকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. নাসির উদ্দিন, মোমবাতি প্রতীকে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মো. জালাল উদ্দিন, কাস্তে প্রতীকে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির কাজী মো. রুহুল আমিন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ফরিদ আহমদের প্রতীক টেবিল ঘড়ি।

মেয়র পদে দলীয় প্রতীকে এ নির্বাচনে সাত প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকলেও আলোচনা চলছে সেই নৌকা আর ধানের শীষ ঘিরেই।

দীর্ঘদিন ধরে গাজীপুরের সংসদীয় আসন ও স্থানীয় সরকারের প্রতিষ্ঠানগুলোতে আওয়ামী লীগের একচেটিয়া প্রাধান্যের কারণে ঢাকার লাগোয়া এ এলাকাকে নিজেদের ঘাঁটি বলেই মনে করত ক্ষমতাসীনরা। কিন্তু ২০১৩ সালের সিটি নিরাব্চনে দলীয় প্রার্থীর পরাজয় তাদের সেই কর্তৃত্বকে প্রশ্নের মুখে ফেলে দেয়।

এবারের নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী হাসান সরকার বলেছেন, তিনি জয়ের ব্যাপরে শতভাগ আশাবাদী। কিন্তু নির্বাচন সুষ্ঠু হবে বলে তিনি মনে করছেন না।

সকালে ৫৪ নম্বর ওয়ার্ডের বছিরউদ্দিন উদয়ন একাডেমী কেন্দ্রে ভোট দিয়ে তিনি সাংবাদিকদের সামনে অভিযোগ করেন, তার এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে মেরে বের করে দেওয়া হচ্ছে, গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। ইসির কাছে অভিযোগ করেও তিনি ফল পাচ্ছেন না।

“আমি শুধু বলব, আমি নির্বাচনে আছি থাকব। সর্বশেষ পর্যন্ত নির্বাচনের ফলাফল দেখে মন্তব্য করব আমি। শেষ পর্যন্ত লড়ে যাব।”

ফলাফল মেনে নেবেন কি না- এই প্রশ্নে হাসান সরকার বলেন, “ফলাফল জনগণ যদি মেনে নেয় আমিও মেনে নেব।”

অন্যদিকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের কানাইয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিয়ে সাংবাদিকদের বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে ভোট হচ্ছে। জনগণের যে রায় সেটা আমার মেনে নেওয়া উচিৎ। গাজীপুরের উন্নয়নের স্বার্থে মানুষ নৌকাকে বিজয়ী করবে। জনগণের সেবক হিসেবে আমি তাদের রায় চাই।”

বিএনপির প্রার্থীর অভিযোগের বিষয়ে তার ভাষ্য, “তারা ভোটের শুরু থেকে এ ধরনের অভিযোগ করে আসছে। এ ধরনের অভিযোগ করে তারা গাজীপুরের মানুষকে দোষারোপ করছে এবং নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা চেষ্টা করছে।”

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে আটক-৬২

নিজস্ব প্রতিবেদক:
সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে ১৩ মাদক মামলার আসামী ও বিএনপি-জামায়াতের ৩ নেতা-কর্মীসহ ৬২ জনকে আটক করা হয়েছে।
সোমবার সন্ধ্যা থেকে মঙ্গলবার সকাল পযর্ন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। উদ্ধার করা হয়েছে ৮৬ পিচ ইয়াবাসহ বেশ কিছু মাদক দ্রব্য। এসময় বিভিন্ন অভিযোগে ৯টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আটককৃতদের মধ্যে, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ১৬ জন, কলারোয়া থানা থেকে ১২ জন, তালা থানা ৫ জন, কালিগঞ্জ থানা ১২ জন, শ্যামনগর থানা ৬ জন, আশাশুনি থানা ৬ জন, দেবহাটা থানা ২ জন ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ৩ জনকে আটক করা হয়েছে।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক আজম খান তাদের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রেক্ষাগৃহে আসছে ফেরদৌস-নিঝুম

দীর্ঘ বিরতির পর ফের চলচ্চিত্রে দেখা মিলতে যাচ্ছে চিত্রনায়ক ফেরদৌস এর। ‘মেঘকন্যা’ সিনেমাটিতে চিত্রনায়িকা নিঝুম রুবিনার সঙ্গে জুটি বেঁধে হাজির হচ্ছেন তিনি। ছবিটি আগামী জুলাই মাসে মুক্তি পেতে যাচ্ছে।

ছবির প্রযোজক এ জেড এম জাহাঙ্গীর কবির জানান, এরই মধ্যে ‘মেঘকন্যা’ সিনেমাটি সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র পেয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে এটি আগামী ২৭ জুলাই মুক্তি পাবে।

ছবিটি নির্মাণ করেছেন তরুণ নির্মাতা মিনহাজ অভি। ছবিটির কাহিনি, সংলাপ, চিত্রনাট্য লিখেছেন পরিচালক নিজেই। ছবিতে ফেরদৌস-নিঝুম ছাড়াও এতে অভিনয় করেছেন মুনমুন, রেবেকাসহ আরও অনেকে।

জয়া মিডিয়ার ব্যানারে নির্মিত এই সিনেমার সংগীত পরিচালনা করেছেন শওকত আলী ইমন। নৃত্য পরিচালনা করেছেন মাসুম বাবুল। চিত্রগ্রাহক হিসেবে ছিলেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত চিত্রগ্রাহক মাহফুজুর রহমান। উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ৭ নভেম্বর সিনেমাটির শুটিং শুরু হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest