সর্বশেষ সংবাদ-
আশাশুনির কুল্যায় মাদক কারবারী ও অনলাইন জুয়াড়ীদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধনসাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিলসম্মিলিত সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠনগাজীপুরে ৫ খুন: পদ্মা সেতু থেকে লাফ দি‌য়ে অভিযুক্তের আত্মহত্যাষড়যন্ত্রের হাত থেকে বাঁচতে চায় আশাশুনির মাছ ব্যবসায়ী জুলফিকরদেবহাটায় পুলিশের অভিযানে আটক ভারতীয় রেনু খালে অবমুক্তপ্রেস ব্রিফিংয়ের আমন্ত্রণ জানিয়ে সাংবাদিকদের সাথে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের অসৌজন্যমুলক আচরণ:প্রতিবাদে প্রেস ব্রিফিং বর্জনআট বছর পর সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা সভাপতি রায়হান: সম্পাদক অর্ঘ্যWarum das Cleobetra Casino bei erfahrenen Spielern so beliebt istআশাশুনি উপজেলায় জলাবদ্ধতা সংকট নিরসনে গণতান্ত্রিক সংলাপ  

দুর্নীতি প্রতিরোধে সাতক্ষীরায় র‌্যালি ও গণশুনানি অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক : ‘জানবো জানাবো, দুর্নীতি রুখবো’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দুর্নীতি প্রতিরোধে সাতক্ষীরায় র‌্যালী ও গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এর আয়োজনে মঙ্গলবার সকালে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদ থেকে একটি বর্লাঢ্য র‌্যালি বের হয়। র‌্যালীটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সাতক্ষীরা আব্দুর রাজ্জাক পার্কে গণশুনানিতে মিলিত হয়। সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইফতেখার হোসেনের সভাপতিত্বে উক্ত গণশুনানিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দুদক কমিশনার এ.এফ.এম আমিনুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে বিশেষ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার সাজ্জাদুর রহমান, পৌর মেয়র আলহাজ্ব তাজকিন আহমেদ চিশতি, দুদক ঢাকার পরিচালক মনিরুজ্জামান, যশোরের উপ-পরিচালক ও খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মোঃ আব্দুল গফফার, সমন্বিত জেলা কার্যালয় খুলানার উপ-পরিচালক মোঃ আবুল হোসেন প্রমুখ।
উক্ত গণশুনানিতে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা ভূমি অফিস, সাবরেজিষ্ট্রি অফিস, সেটেলমেন্ট অফিসসহ সদর উপজেলার ১৪টি সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন। গণশুনানিতে এ সময় ভুক্তভোগী সাধারন জনগণ তাদের বিভিন্ন দুর্ভোগের কথা সেখানে তুলে ধরেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আমি হাল ছাড়ি না, আমি ব্রাজিলিয়ান: নেইমার

সামারা অ্যারেনায় সোমবার রাশিয়া বিশ্বকাপের কোয়ার্টার-ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে নেইমারের নৈপুণ্যে মেক্সিকোকে ২-০ গোলে হারায় ব্রাজিল। ৫১তম মিনিটে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের এগিয়ে নেন বিশ্বের সবচেয়ে দামি ফরোয়ার্ড। ৮৮তম মিনিটে রর্বেত ফিরমিনোকে দিয়ে গোল করিয়ে নিশ্চিত করেন জয়।

ম্যাচ শেষে মেক্সিকোর গোলরক্ষক গিলের্মো ওচোয়ার প্রশংসা করেন নেইমার।

“ওচোয়া দারুণ একজন গোলরক্ষক। তার মান সম্পর্কে সবাই জানে। দারুণ একটা ম্যাচের জন্য তাকে অভিনন্দন। আমি হাল ছাড়ি না। আমি ব্রাজিলিয়ান। ”

রাশিয়ার আসরে গ্রুপ পর্বে পুরাপুরি ফিট না থাকায় প্রত্যাশিত খেলা খেলতে না পারা নেইমার নকআউট পর্বের শুরুতেই দিয়েছেন সেরা ছন্দে ফেরার ইঙ্গিত। তারকা এই ফরোয়ার্ড জানালেন জয়ের জন্যই রাশিয়াতে এসেছেন তিনি।

“আমি জিততেই এখানে এসেছি। আমি আশা করি, আমি সবসময় উন্নতি করতে পারি। আমি জানতাম আমার স্বাভাবিক ছন্দ ফিরে পেতে হলে আমার কিছু গতির দরকার হবে। আগের চেয়ে ভালো অনুভব করছি।”

“দলকে নিয়ে আমি খুশি এবং দলের সবাইকে অভিনন্দন। আমরা সবসময় উন্নতি করছি।”

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সিরিয়ানদের যাওয়ার কোনো পথ নেই

বিদেশের খবর: দক্ষিণ সিরিয়ায় সরকারি বাহিনীর অবিরত বোমা হামলা থেকে বাঁচতে অনেক পথ দৌড়ানোর পর আয়মান আল হোমসি ও তার গর্ভবতী স্ত্রী দেখলেন, তাদের যাওয়ার আর কোনো পথ নেই।

জর্ডান সীমান্তের কাছে এক টুকরো জমিতে এসে তাদের থেমে যেতে হয়েছে। তাদের দৌড়ানোর পথ শেষ হয়ে গেছে।

দারাপ্রদেশের প্রান্তে শুকনা ঘাসে ঢাকা একটি মাঠে আয়মানসহ কয়েকটি পরিবার তাঁবু গেড়ে আশ্রয় নিয়েছে।

২৫ বছর বয়সী যুবক আয়মান বলেন, যদি একজন নারীকে এখন সন্তান জন্ম দিতে হয়, তবে তাকে কোথায় নিয়ে যাব? এখানে তাকে সাহায্য করার কিছুই নেই।

তিনি বলেন, এখানে মৌলিক চাহিদা পূরণের মতো কিছুই নেই। এখানে কোনো পানি ও খাদ্য নেই। সূর্যের আলো থেকে বাঁচাতেও তাদের কোনো উপায় নেই।

জাতিসংঘ বলছে, জর্ডান সীমান্তের দারাপ্রদেশে গত দুই সপ্তাহ ধরে সরকারি বাহিনীর হামলায় দুই লাখ ৭০ হাজার উদ্বাস্তু হয়েছেন।

আয়মান বলেন, আমরা কেবল নারী ও শিশুদের ধ্বংসস্তূপ থেকে রক্ষা করতে পেরেছি। কিন্তু আর কিছু করার উপায় নেই।

এর আগে দেশটির মধ্যপ্রদেশ হৌমস থেকে পালিয়ে আসতে হয়েছিল তাকে। প্রতিবেশী দেশ জর্ডানে আশ্রয় নিতে তিনি সীমান্ত পাড়ি দিতে এখানে এসে থেমেছেন।

জর্ডান ইতিমধ্যে সাড়ে ছয় লাখ নিবন্ধিত শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছে। তবে প্রকৃত সংখ্যা এর চেয়ে দ্বিগুণ হতে পারে।

২০১১ সালে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে ধরপাকড় থেকে গৃহযুদ্ধ শুরু হলে সাড়ে তিন লাখের বেশি সিরীয় অধিবাসী নিহত হন।

জর্ডানে জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থার মুখপাত্র মোহাম্মদ হাওয়ারি বলেন, সিরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা ২ লাখে পৌঁছতে পারে বলে আমরা ধারণা করছিলাম। কিন্তু এ সংখ্যা এরই মধ্যে দুই লাখ ৭০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অতিরিক্ত লবণ গ্রহণের অপকারিতা

স্বাস্থ্য কণিকা: খাবারে স্বাদ আনতে লবণের বিকল্প নেই। পরিমিত পরিমাণ লবণ গ্রহণে খাবারের স্বাদ অক্ষুণ্ণ থাকে এবং শরীরের কোনো ক্ষতি হওয়ার সুযোগ থাকে না। মাত্রারিক্ত লবণের উপস্থিতি শরীরের জন্য ক্ষতিকর। কারণ আমাদের শরীরে সোডিয়াম ক্লোরাইড খুব কম পরিমাণে দরকার। তাই পুষ্টিবিদগণ মনে করেন যতো কম পরিমাণে লবণ গ্রহণ করা যায় ততই শরীরের জন্য ভালো। আমাদের দেশে উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত রোগীদের কাঁচা লবণ কম খেতে উপদেশ দেয়া হয়। কিন্তু অনেকেই ভুল ভেবে রান্নায় লবণের পরিমাণ বাড়িয়ে দেন কিংবা লবণ ভেজে তারপর খান। কিন্তু লবণ ভাজলে পানি শুকিয়ে গেলেও এর সোডিয়াম ক্লোরাইডের পরিমাণ ঠিকই থাকে। তাই যতটা সম্ভব রান্নায় কম লবণ ব্যবহার করাই অধিকতর উত্তম।

অতিরিক্ত লবণ খাওয়া শরীরের স্বল্প মেয়াদী এবং দীর্ঘ মেয়াদী প্রভাব ফেলে। যেমন-

১. উচ্চ রক্তচাপ: লবণের অতিরিক্ত সোডিয়াম ক্লোরাইড শরীরের রক্তচাপ বাড়িয়ে দিতে পারে। এই উচ্চ রক্তচাপের কারণে হার্ট ফেইলিউর, হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক, কিডনি ফেইলিউরের মতো সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। তাই উচ্চ রক্তচাপের রোগীকে অতিরিক্ত লবণ খেতে নিষেধ করা হয়।

২. পিপাসা বেড়ে যাওয়া: বেশি লবণ খেলে পিপাসা বেড়ে যায়। কারণ এটি দেহের কোষে পানির ভারসাম্য রক্ষায় অসুবিধা হয়। শরীরে অতিরিক্ত পানি ধরে রাখে যা কিডনির উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।

৩. পা ফোলাভাব: চিকিত্সকদের মতে, অতিরিক্ত লবণ খাওয়ায় কখনো কখনো হাত ও পায়ে পানি জমে। এতে হাত ও পা ফোলা ফোলা ভাব হয়। এটি কিডনি রোগী এবং উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের জন্য খুব ঝুঁকির কারণ।

৪. অস্টিওপোরোসিস: অতিরিক্ত লবণ গ্রহণে শরীরের পানির পিপাসা তৈরি হয়। এতে করে অতিরিক্ত পানি গ্রহণ করতে হয় এবং প্রসবের পরিমাণ বেড়ে যায়। এতে অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম শরীর থেকে প্রসবের মাধ্যমে বেড়িয়ে যায়। এতে হাড় দুর্বল এবং ভঙ্গুর হয়।

৫. কিডনিতে পাথর হওয়া: অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ কিডনিতে পাথরের সৃষ্টি করে। তাই পরিমিত পরিমাণ লবণ গ্রহণ সুস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত জরুরি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কোমল পানীয় পানে স্বাস্থ্য ঝুঁকি

স্বাস্থ্য কণিকা: গরমে কোমল পানীয় পানে খানিকটা শান্তি মেলে শরীরে ঠিকই। বিশেষ করে এই গরমের দিনে বাড়ির বাইরে বেরোলেই শরীর ক্লান্ত হয়ে পড়ে। এছাড়া কিছুটা গুরুপাক খাবার কিংবা ফাস্টফুডের সাথে কোমল পানীয় খাওয়া আজকাল নিয়মে পরিণত হয়েছে। কিন্তু এই কোমল পানীয়র মানব দেহের উপর রয়েছে বিরূপ প্রতিক্রিয়া।

গবেষণায় দেখা গেছে, অতিরিক্ত চিনি ও ক্যালরিসমৃদ্ধ হওয়ায় কোমল পানীয় হজমে বাধা সৃষ্টি করে এবং শরীরে অক্সিজেনের পরিমাণ হ্রাস করে। বিপদ জনক কথা হচ্ছে, এই সব কোমল পানীয় পানের কারণে দিন দিন ক্যান্সারের ঝুঁকি বেড়েই চলেছে।

যুক্তরাষ্টের ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডা. ফ্রান্সিসকে জানান, ক্যান্সার এক বৃক্ষের মতো এবং অক্সিজেনবিহীন টিস্যু হলো এর পৃষ্ঠপোষক। অত্যধিক কোমল পানীয় সেবনের ফলে শরীরে অক্সিজেনের পরিমাণ কমে আসে, যা মানব দেহের জন্য ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়।

তিনি আরো জানান, এছাড়া ডায়াবেটিস, হার্ট অ্যাটাক, কিডনিতে পাথর, অতিরিক্ত ওজন, বন্ধ্যাত্বের মতো জটিল রোগব্যাধির ঝুঁকি ও বেড়ে যাচ্ছে এই কোমল পানীয় পানের অভ্যাস থেকে। তাই সুস্থতার জন্য কোমল পানীয় পানের অভ্যাস ত্যাগ করা অত্যন্ত জরুরি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইরাকে আইএসের গণকবরের সন্ধান

বিদেশের খবর: ইরাকি উত্তরাঞ্চলীয় নেইনাভাপ্রদেশে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী একটি গণকবরের সন্ধান পেয়েছে। এলাকাটি আইএসের নিয়ন্ত্রণে থাকার সময় এখানে লোকজনদের ধরে এনে হত্যা করে গণকবর দেয়া হতো।

ইরাকি সামরিক গোয়েন্দা বিভাগের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রাজধানী বাগদাদ থেকে ৪০০ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত প্রাদেশিক রাজধানী মসুল শহরকে আল আয়াজিয়া শহরের সঙ্গে সংযুক্ত করা একটি সড়কের পাশে ওই গণকবর থেকে অন্তত ৬০টি দেহাবশেষ পাওয়া গেছে, যাদের বেশিরভাগই নারী ছিল। খবর প্রেস টিভির।

নিরাপত্তা বাহিনী নিহতদের লাশ শনাক্তকরণের জন্য মসুলের ফরেনসিক বিভাগের কাছে হস্তান্তর করেছে। এর পর তাদের নিজেদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

মসুলের ২৫ কিলোমিটার দক্ষিণে হাম্মাম আল আলিল শহরে গত ১১ এপ্রিল প্রথমে গণকবরটির তথ্য পাওয়া যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রোহিঙ্গারা সবচেয়ে নির্যাতিত তারা বিচার চায় : জাতিসংঘ মহাসচিব

দেশের খবর: জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্টোনিও গুতেরেস বলেছেন, ঘর-বাড়ি, স্বজন ও দেশহারা রোহিঙ্গারা বিশ্বের সবচেয়ে নিপীড়িত গোষ্ঠী। তারা বিচার চায়। নিরাপদে বাড়িতে ফিরে যেতে চায়। মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের দুঃখ-দুর্দশা নিজের চোখে দেখার পর জাতিসংঘ মহাসচিব গুতেরেস এ কথা বলেন। গতকাল সোমবার কক্সবাজারের কুতুপালং শরণার্থী শিবির ঘুরে দেখেন তিনি। এ সময় তিনি রোহিঙ্গাদের মুখ থেকে তাদের ওপর বর্বর নির্যাতন ও পালিয়ে আসার কাহিনী শোনেন। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে জাতিসংঘ মহাসচিবের এই সফরের সময় তার সাথে ছিলেন বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলীও।

জাতিসংঘের মহাসচিব ও বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট রোহিঙ্গাদের কয়েকটি ক্যাম্প ঘুরে দেখেন। পরিদর্শনের পর এক সংবাদ সম্মেলনে অ্যান্টোনিও গুতেরেস বলেন, রোহিঙ্গাদের দুঃখ-কষ্ট দেখে হৃদয় ভেঙে গেছে। এসব ক্যাম্পের অবস্থা এক ট্র্যাজিক ঘটনা। ছোট ছোট রোহিঙ্গা শিশুদের দেখে আমার নাতি নাতনিদের কথা মনে পড়ে গেছে। তাদের অবস্থাও যদি এমন হতো তাহলে কি রকম হতো! তিনি জানান, বর্ষা মৌসুমে হুমকিতে থাকা দুই লাখ রোহিঙ্গাকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া জরুরি।

জাতিসংঘ মহাসচিব জানান, রোহিঙ্গারা যাতে দেশে ফিরে যেতে পারেন সেজন্য তারা কাজ করছেন। তবে তিনি বলেন, তাদের ফিরে যাওয়া শুধু সেখানে অবকাঠামো তৈরির বিষয় নয়। তারা যাতে সম্মানের সাথে ফিরে যেতে পারে সেটা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, মিয়ানমারে পরিকল্পিতভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন করা হচ্ছে। এই অবস্থা এভাবে চলতে পারে না। এর একটা সমাধান হতে হবে। এছাড়া এক টুইট বার্তায় জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশের কক্সবাজারে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের কাছ থেকে হত্যা আর ধর্ষণের যে বিবরণ আমি শুনেছি তা অকল্পনীয়। এই দুর্দশার কথা আমার সারা জীবন মনে থাকবে।

সোমবার বিকেলে কুতুপালং ডি-৫ ব্লকে এই প্রেস ব্রিফিংয়ে বিশ্ব ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম বলেন, মিয়ানমার থেকে পালিয়ে এসে এখানে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গারা নিঃস্ব। তাদেরকে বিশ্ব ব্যাংক থেকে আর্থিক সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। রোহিঙ্গারা এখানে যতদিন থাকবে ততদিন পর্যন্ত বিশ্ব ব্যাংক সাহায্য করবে। তিনি বলেন, বিশ্ব ব্যাংক বাংলাদেশের পাশে থেকে রোহিঙ্গারা যাতে স্বাচ্ছন্দ্যে স্বদেশে ফিরে যেতে পারে তার জন্য কাজ করছে।

এর আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্টোনিও গুতেরেস, বিশ্ব ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম, আন্তর্জাতিক রেডক্রসের প্রেসিডেন্ট পিটার মোরার, জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) প্রধান ফিলিপো গ্র্যান্ডি ঘুমধুমের টিভি রিলে কেন্দ্র এলাকায় রেড ক্রিসেন্ট পরিচালিত এক্সটেনশন ৪ নিবন্ধিত সি ব্লকে পৌঁছেন। সেখানে তারা ২০ জন নির্যাতিত রোহিঙ্গা নারী ও ২০ জন নির্যাতিত পুরুষের সাথে কথা বলেন। পরে প্রতিনিধি দল ট্রানজিট ক্যাম্প ৪, কুতুপালং ক্যাম্প ১ এর আইওএম পরিচালিত নারী বান্ধব কেন্দ্র ও হাসপাতাল পরিদর্শন করে সেবার মান ও যথাযথ দায়িত্ব পালনের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।

প্রসঙ্গত, মিয়ানমারে সেনাবাহিনীর নির্যাতনের মুখে গত আগস্টের পর থেকে সাত লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা মুসলিম বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে। মিয়ানমারে সেনাবাহিনীর ওই অভিযানকে এর আগে জাতিসংঘ উল্লেখ করেছে জাতিগত নিধন অভিযান হিসেবে। বিশ্বব্যাংকও রোহিঙ্গা শরণার্থীদের দেখাশোনা করার জন্যে গত সপ্তাহে ৪৮ কোটি ডলারের একটি অনুদানের কথা ঘোষণা করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে আটক ৫২

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে পাঁচ মাদক মামলার আসামি ও বিএনপি-জামায়াতের তিন কর্মীসহ ৫২ জনকে আটক করা হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যা থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। উদ্ধার করা হয়েছে বেশ কিছু মাদকদ্রব্য। এসময় বিভিন্ন অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে ৪টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আটককৃতদের মধ্যে, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ১৫ জন, কলারোয়া থানা থেকে ৭ জন, তালা থানা ৩ জন, কালিগঞ্জ থানা ৬ জন, শ্যামনগর থানা ১০ জন, আশাশুনি থানা ৬ জন, দেবহাটা থানা ৩ জন ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ২ জনকে আটক করা হয়েছে।

সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক আজম খান তাদের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest