সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৪১ বোতল বিদেশি মদ জব্দ  সাতক্ষীরায় সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ২০ গ্রামের মানুষের ঈদ উল ফিতর উদযাপনসাতক্ষীরায় শারীরিক প্রতিবন্ধী যুবকের টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্রসদরঘাটের মৃত্যু: দুর্ঘটনা নয়-এক নির্মম ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবিসাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের কমিটি গঠন: সামাদ সভাপতি, রাজীব সম্পাদককালিগঞ্জে চোরাই ভ্যানসহ আটক-০৩মোটরসাইকেলের জ্বালানি সংকটে ঈদযাত্রা ব্যাহত : বিপাকে বাইকাররাকলারোয়ায় ২৫০ অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণসাতক্ষীরায় নির্যাতিত মোটর শ্রমিক একতা ঐক্যের পরিচিতি সভাসাতক্ষীরা জেলা রোভার স্কাউটস এর ঈদ সামগ্রী বিতরণ

কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

আরাফাত আলী: কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবের ইফতার মাহফিল সোমবার প্রেসক্লাব চত্ত্বরে অনুষ্ঠিত হয়। প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ সাইফুল বারী সফুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি যুদ্ধকালীন কমান্ডার আলহাজ্জ্ব শেখ ওয়াহেদুজ্জামান। প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সুকুমার দাশ বাচ্চু ও সাংগঠনিক সম্পাদক এম হাফিজুর রহমান শিমুলের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুর আহমেদ মাছুম, কালিগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মেহেদী ইমরান সিদ্দিকী, থানার অফিসার ইনচার্জ হাসান হাফিজুর রহমান, প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক কল্যাণ ব্যানার্জী, ডেইলি সাতক্ষীরার সম্পাদক হাফিজুর রহমান মাসুম, রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি নিয়াজ কওছার তুহিন, প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি শেখ আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।
প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক ও ইফতার কমিটির আহবায়ক শেখ ইকবাল আলম বাবলুর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ইফতার মাহফিলে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালিগঞ্জ কলেজের অধ্যক্ষ জিএম রফিকুল ইসলাম, কালিগঞ্জ থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) রাজিব হোসেন, সাতক্ষীরা সম্মিলিত সাংবাদিক এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এম বেলাল হোসাইন, শ্যামনগর প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক এম কামরুজ্জামান, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আব্দুস সেলিম, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম, ইসলামী ব্যাংক কালিগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক মুজিবর রহমান প্রমুখ। এসময় বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড, জাতীয় শ্রমিক লীগ, কৃষকলীগ, তরুণ লীগ, ছাত্রলীগ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যম কর্মী ও সূধীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন থানা মসেিজদর পেশ ইমাম মাওলানা আশরাফুল ইসলাম আজিজী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় ‘২০ পিচ ইয়াবাসহ’ ২ জন আটক, মামলা

কে. এম রেজাউল করিম, দেবহাটা ব্যুরো: দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে ২০ পিচ ইয়াবাসহ ২ আসামি আটক করার কথা জানিয়েছে পুলিশ। আটককৃতদের বিরুদ্ধে পুলিশ বাদি হয়ে দেবহাটা থানায় মামলা দায়ের করেছে।
পুলিশ বলছে, রবিবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দেবহাটা থানার ওসি কাজী কামাল হোসেনের নির্দেশনা মোতাবেক এসআই হাবিবুর রহমান ও এএসআই রকিবুল হাসান সহ একদল পুলিশ ফোর্স উপজেলার গাজীরহাট বাজার এলাকার স্বপন কুমার ঘোষের মাছের আড়তের সামনে অভিযান পরিচালনা করে উপজেলার হাদীপুর গ্রামের আমজেদ হোসেনের ছেলে আব্দুর রহিম ( (৩৮) ও সখিপুর গ্রামের আনছার আলীর ছেলে আকবর আলী চড়–ই (৩৩) কে ২০ পিচ ইয়াবা সহ আটক করেন। তাদের বিরুদ্ধে এসআই হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে ১৯৯০ সালের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ১৯ (১) টেবিলের ৯ (ক) ধারায় দেবহাটা থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নং- ২২। আটককৃত আসামীদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘সৌদি আরব এখন ইসরায়েলের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ ও বিশ্বস্ত বন্ধু’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বর্তমান রাজা সালমান সিংহাসনে বসার পর থেকে গত তিন বছরে সৌদি আরবের মধ্যপ্রাচ্য নীতি পর্যালোচনা করে ইসরায়েলি দৈনিক হারেতজ লিখেছে, ‘সৌদি আরব হচ্ছে ইসরাইলের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ ও বিশ্বস্ত বন্ধু।’

সম্প্রতি কাতারের সঙ্গে সৌদি আরবের সম্পর্কের অবনতির পরিপ্রেক্ষিতে এমন মন্তব্য করল ইসরাইলি দৈনিক হারেতজ।

আর গত বছরের জুনে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান সৌদি সিংহাসনের উত্তরাধিকারি যুবরাজের পদে অধিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকেই সৌদি আরব ইসরায়েলবিরোধী মুসলিম দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক কমিয়ে আনছে কিংবা ছিন্ন করছে। এবং ইসরায়েলের দিকে ঝুঁকে পড়েছে।

কাতারের সঙ্গে সৌদি আরবের উত্তেজনা সৃষ্টি হওয়ায় ইসরায়েল ব্যাপক খুশি হয়েছিল। যদিও ইসরায়েলের সঙ্গে কাতারের গোপন সম্পর্ক বজায় ছিল কিন্তু তারপরও দোহা মধ্যপ্রাচ্যে তৎপর মিশরভিত্তিক ইসলামি রাজনৈতিক সংগঠন মুসলিম ব্রাদারহুডের নেতাদের আশ্রয়দাতা ও সমর্থক হিসেবে পরিচিত। এ ছাড়া, ইরানের সঙ্গে কাতারের সুসম্পর্ক বজায় রয়েছে। কাতারের সঙ্গে সৌদি আরবের উত্তেজনা সৃষ্টির পর ইসরায়েল প্রকাশ্যেই সৌদিদের পক্ষে অবস্থান নেয়।

তেলআবিবের এ পদক্ষেপ ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক আরো শক্তিশালী করতে সৌদি আরবকে উৎসাহিত করেছে। কারণ বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরান, কাতার ও তুরস্কের মোকাবেলায় সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এ অঞ্চলে মিত্র খুঁজে বেড়াচ্ছেন এবং ইসরায়েল তাদের ভালো বন্ধু বলে তিনি মনে করছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েল বহুদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোকে একে অপরের বিরুদ্ধে দাঁড় করানোর চেষ্টা চালিয়ে আসছে। ইরান ও সৌদি আরব এবং কাতার ও সৌদি আরবের মধ্যে যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে তার পেছনেও বড় একটি কারণ হচ্ছে ইসরায়েলের প্ররোচনা। কারণ মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে যে কোনো উত্তেজনা ও দ্বন্দ্ব-সংঘাত ইসরায়েলের নিরাপত্তা ও স্বার্থই রক্ষা করবে।

গত শনিবার থেকে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন জোটভুক্ত চার দেশের পণ্যে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে কাতার। কাতারের ওপর সৌদি জোটের অবরোধ আরোপের এক বছরের মাথায় এই পাল্টা জবাব দিয়েছে দেশটি।

কাতারের দোকানপাট থেকে সৌদি আরব, আমিরাত, বাহরাইন ও মিসরের পণ্য সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দেশটির কর্তৃপক্ষ এ কথা জানিয়েছে।

কাতারের অর্থ মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করেছে। নির্দেশনায় সংশ্লিষ্ট তদারককারী কর্তৃপক্ষকে বলা হয়েছে, শনিবার থেকে তদারককারীরা দোকানপাট পরিদর্শন করে দেখবেন-ওই চারটি দেশের কোনো পণ্য রয়েছে কিনা।

উল্লেখ্য, গত বছর সৌদি জোটভুক্ত চারটি দেশ কাতারের বিরুদ্ধে অবরোধ আরোপ করে। কাতারের সঙ্গে একমাত্র স্থল সীমান্ত বন্ধ করে দেয় সৌদি আরব।

অবরোধের পাশাপাশি কাতারের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে সৌদি জোট। এর ফলে, কুয়েত, ওমান হয়ে তুরস্ক ও ইরান থেকে পণ্য আমদানি করতে হয় কাতারকে। এই সংকট দূর করতে কাতারের পাশে এসে দাঁড়ায় তুরস্ক ও ইরান।

অন্যদিকে, সৌদি পণ্য রপ্তানির সুযোগ করে দিয়ে ইসরাইল সৌদি আরবের সঙ্গে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার করতে চাইছে। পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এতে করে সৌদি কোম্পানিগুলো কিংবা সরকার হয়তো সাময়িকভাবে লাভবান হবে কিন্তু সবচেয়ে বেশি লাভবান হবে ইসরায়েল। তাদের মতে, সৌদি-ইসরায়েল অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও সম্পর্ক পরবর্তীতে আরো ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক সম্পর্কে রূপ নেবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রধানমন্ত্রী বরাবর কক্সবাজারের মেয়র মাবুর খোলা চিঠি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বরাবর খোলা চিঠি লিখেছেন কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মাহবুবুর রহমান চৌধুরী মাবু। রোববার রাতে লেখা চিঠিতে সম্প্রতি পরিচালিত মাদকবিরোধী অভিযান ও গত শনিবার রাতে অভিযানে নিহত টেকনাফ উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি, পৌর কাউন্সিলর মো. একরামুল হকের বিষয় উঠে এসেছে।

একরামুল হককে ত্যাগী নেতা ও আওয়ামী লীগের দুঃসময়ের সঙ্গী উল্লেখ করেন তিনি। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে ভুল তথ্য দিয়ে স্বার্থন্বেষী মহল একরামকে হত্যা করিয়েছে জানিয়ে খোলা চিঠিতে মাহবুবুর রহমান লিখেছেন:

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা,
আসসালামু আলাইকুম। আশা করি আপনি নিত্যদিনের অকল্পনীয় পরিশ্রমের পরেও মানুষের দোয়ায় ভালো আছেন। আপনাকে আমরা ভালোবাসি, শ্রদ্ধা করি । কারণ ভালোবাসার শক্তি বড় শক্তি। সেই ভালবাসা শক্তি নিয়েই আপনার কাছে অধমের এই লেখা। কারণ আপনি দেশের প্রধানমন্ত্রী হলেও আপনাকে দূরের কেউ মনে হয়নি কখনো। এদেশের কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ে আপনার স্থান। হৃদয়ের এই স্থানটি আবার অধিকাংশেরই স্থায়ী, অপরিবর্তনযোগ্য। কিন্তু সেটিই সহ্য হচ্ছে না একটি মহলের। নানা কৌশলে তারা আপনার সিদ্ধান্তকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করছে। তারা প্রকৃত মুজিব আদর্শের সৈনিকদের ধ্বংস করার অপতৎপরতা চালাচ্ছে।

প্রিয় নেত্রী,
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বানে সাড়া দিয়ে যারা মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিল ও সংগঠিত করেছে, যারা শত অত্যাচারের পরও আওয়ামী লীগকে বাঁচিয়ে রাখতে কাজ করেছে, আজ আপনার সেই সন্তানদের নাম ও নিশানা নিশ্চিহ্ন করা হচ্ছে। অথচ আপনি সেই সন্তানদের কথা ভেবে নির্ঘুম রাত কাটান।

মা, সারা দেশব্যাপী মাদক বিরোধী অভিযানকে যখন দেশের আবাল বৃদ্ধ বনিতা স্বাগত জানিয়েছেন ঠিক তখনই আপনার এই সিদ্ধান্তকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে উঠে পড়ে লেগেছে প্রশাসনের ভেতর ঘাপটি মেরে থাকা একাত্তরের দোসররা। তারা ইয়াবাবিরোধী অভিযানের দোহাই দিয়ে আপনার সন্তানকে হত্যা করেছে। ২৭ মে গভীররাতে টেকনাফে এমনি একটি ঘটনা ঘটেছে। প্রশাসনকে ভুল তথ্য দিয়ে আজন্ম আওয়ামী লীগ পরিবারের অহংকার টেকনাফ যুবলীগের সাবেক সভাপতি ও পর পর তিন তিনবার নির্বাচিত কাউন্সিল’র একরামকে হত্যা করা হয়েছে। মাগো এমন চলতে থাকলে আওয়ামী লীগ তথা বাংলাদেশ নিঃশেষ হতে খুব বেশী সময় লাগবে না।

মা, আপনি তো আপনার সন্তানদের চিনেন। আপনি তো আমাদের সকল খবর রাখেন। আপনি বলেন, আপনার যেই সন্তান আজন্ম বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ছড়িতে দিতে কাজ করেছে, আপনার যে সন্তান দুঃসময়ের মধ্যেও টেকনাফ যুবলীগকে মডেল ইউনিটে পরিণত করেছিল, আপনার সেই সন্তান একরামুল হক কি ইয়াবার মত মরণ নেশার সাথে জড়িত থাকতে পারে? যার চাল চুলো নেই, থাকার জন্য বাড়ি নেই, পরিবার ও সন্তানদের লেখাপড়া চালানোর জন্য যাকে নির্ভর করতে হয় ভাইদের উপর, বন্ধুদের উপর; আওয়ামী লীগকে ভালবেসে জনগণকে সেবা করতে গিয়ে দেনার দায়ে যার সব শেষ তাকে বানানো হচ্ছে ইয়াবা গডফাদার! হায় সেলুকাস।

মাগো, আমি আমার কান্না রুখতে পারছি না। একরামের মৃত্যুতে আমার হৃদয়ে ক্ষণে ক্ষণে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। এ হত্যা মানতে পারছি না। কি করে রুখব বলুন। আমি যখন কক্সবাজার জেলা আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক, তখন একরাম টেকনাফ যুবলীগের সভাপতি। তাই সাংগঠনিক কারণেই আমি তাকে কাছ থেকে চিনি। একরামের কথা ভাবলেই চোখের সামনে চলে আসে তার দুই মেয়ের ছবি। কি হবে এখন তাদের? কি ছিল তাদের বাবার অপরাধ? তবে কি বর্তমান প্রতিহিংসার রাজনীতি কেড়ে নিলো আওয়ামী লীগের দুঃসময়ের কাণ্ডারিকে। তিনি দুঃসময়ে আওয়ামী লীগের একজন খাঁটি নির্লোভ যোদ্ধা ছিলেন। হয়তবা একারণেই মাদক বিরোধী অভিযান প্রশ্নবিদ্ধ করতে শকুনের দৃষ্টি এড়াতে পারেনি একরাম।একরামের মৃত্যু আওয়ামী লীগের ত্যাগী বিশ্বস্তদের জন্য অশনি সংকেত। একরামকে হত্যার মধ্য দিয়ে তবে কি টেকনাফকে আওয়ামীলীগ ‍শূন্য করার কাজ শুর হয়ে গেল! বড় ভয় হচ্ছে সাবরাং ইউপি চেয়ারম্যান ও যুবলীগ নেতা নুর হোসেন এবং টেকনাফ যুবলীগের সভাপতি নুরুল আলমের কথা ভেবে। তাদের দিকেও তো একটি মহলের কুদৃষ্টি রয়েছে। কিন্তু আমি জানি, মা , তুমি থাকতে ওরা কখনো এটি পারবে না।

মা, এখনো সময়, লাগাম টেনে ধর তাদের। যারা প্রকৃত মুজিব আদর্শের সৈনিকদের হত্যা করার পরিকল্পনা করেছে। মা শুনেছি, ২০০৮ সালে একজন গোয়েন্দা কর্মকর্তার সঙ্গে একরামের ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব ছিল। সেই সময় তার বিরুদ্ধে মাদকের মামলাও হয়েছিল। যদিও মামলাটিতে একরাম নির্দোষ প্রমাণিত হয়। সেই সূত্রে ২০১০ সালে নাম ওঠে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রথম তালিকাতেও। কিন্তু ওই গোয়েন্দা কর্মকর্তার বদলির পর সেটা সংশোধন হওয়ায় নিরপরাধ এ জনপ্রিয় কমিশনারের নাম বাদ পড়ে হালনাগাদ সব তালিকা থেকে।

মা, একরামের পরিবার টেকনাফ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা পরিবার। এখানকার মুক্তিযুদ্ধে সংগঠকও তারা। টেকনাফের প্রথম বনেদি মুসলিম শাসকও তার দাদা। পাহাড় কেটে নিজ টাকায় যিনি তৈরি করেছিলেন দম-দমিয়া সড়ক।

মাগো , আপনার পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি কি তাদের দেখতে পায় না যারা স্বীকৃত ইয়াবা ব্যবসায়ী। যাদের কাছে কালো টাকার পাহাড় রয়েছে। যারা শূন্য থেকে আকাশে ভাসছে, বাসের কন্ডাক্টর থেকে বিলাসবহুল বাসের মালিক, ঝুপড়ি থেকে ফ্ল্যাটের মালিক, লোকাল বাসের যাত্রীরা বিমানের নিয়মিত প্যাসেঞ্জার, গাছ চোর থেকে নোয়া কারের মালিক।

মা আপনার মাধ্যমেই প্রশাসনকে বলতে চাই, যদি সমাজ থেকে মাদক নির্মূল করতে চান তবে প্রকৃত ইয়াবাকারবারীদের শেষ করুন। পারলে টেকনাফের সাইফুল করিম, এমপি বদির ভাই আবদুর রহমান ও আবদুর শুক্কুর, কক্সবাজার শহরের শাহজাহান আনসারী ও কামাল আনসারী, লারপাড়ার আবুল কালাম কন্ট্রাকটার, পেকুয়ার মগনামার ওয়াসিমের মত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তালিকাভুক্ত ও সমাজ স্বীকৃত ইয়াবাকারবারীদের ক্রসফায়ার দিন। দয়া করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনাকে সিদ্ধান্তকে কলঙ্কিত করবেন না। একরামের মত নিরপরাধ ও জনপ্রিয় নেতাকে ক্রসফায়ার দিয়ে আওয়ামী লীগ সরকার তথা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুরের কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গায়ে কালিমা লেপনের চেষ্টা করবেন না।

যদি একরামের রক্তের বিনিময়ে বাংলাদেশ ইয়াবামুক্ত হয় তবে আমাদের কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘব হবে। এই প্রত্যাশায় রইল ।

ইতি
মাহাবুবুর রহমান চৌধুরী, (পৌর মেয়র )
কক্সবাজার পৌরসভা
সাংগঠনিক সম্পাদক
কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগ
সাবেক সাধারন সম্পাদক
কক্সবাজার জেলা যুবলীগ ও কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগ

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ১২ মাদক ব্যবসায়ীসহ আটক-৪৪

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের সন্ত্রাস, নাশকতা ও মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে ১২ মাদক ব্যবসায়ীসহ ৪৪ জনকে আটক করা হয়েছে।
রবিবার সন্ধ্যা থেকে সোমবার সকাল পযর্ন্ত জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ সময় উদ্ধার করা হয়েছে বেশ কিছু মাদক দ্রব্য।
আটককৃতদের মধ্যে, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ৬ জন, কলারোয়া থানা থেকে ৬ জন, তালা থানা ৩ জন, কালিগঞ্জ থানা ৫ জন, শ্যামনগর থানা ১৩ জন, আশাশুনি থানা ৬ জন, দেবহাটা থানা ৩ জন ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ২ জনকে আটক করা হয়।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক আজম খান তাদের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালার কপোতাক্ষ পাড় থেকে নবজাতকের লাশ উদ্ধার

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরার তালার কপোতাক্ষ নদের পাড় থেকে এক নবজাতকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার দুপুরে কপোতাক্ষ নদের তালা বাজার সংলগ্ন এলাকা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সকালে তালা উপজেলা সদরের পুরাতন ফালগুনী সিনেমা হলের পিছনে বেড়িবাঁধ সংলগ্ন কালভার্টের নিচে একটি নবজাতকের রক্তাক্ত লাশ পলিথিনের উপর পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়া হয়। পরে তালা থানার ওসি (তদন্ত) কাজী মোঃ শহিদুল ইসলাম ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন।
তালা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মেহেদী রাসেল বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ময়না তদন্তের জন্য শিশুটির লাশ সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিশ্বকাপে বাংলাদেশের তৈরি জ্যাকেট পড়বে যে দলগুলো

ন্যাশনাল ডেস্ক: স্বাগতিক রাশিয়াসহ মোট ৩২টি দল অংশ নিচ্ছে এবারের ফুটবল বিশ্বকাপে। আগামী ১৪ জুন মাঠে গড়াচ্ছে জমকালো এই আসর। ফুটবলের এই মহাযজ্ঞ শুরু হতে আর মাত্র বাকি ১৭ দিন। অন্যান্য দেশের মতো বাঙালিও মেতে উঠছে বিশ্বকাপ ফুটবলের উন্মাদনায়। তবে বিশ্বকাপ ফুটবলের সর্বোচ্চ আসরে হয়তো খেলার সৌভাগ্য হচ্ছে না বাংলাদেশের কিন্তু লাল-সবুজের দল বাংলাদেশ না থেকেও থাকবে লিওনেল মেসি, মেসুত ওজিল, আন্দ্রেস ইনিয়েস্তাদের সঙ্গে। বিশ্বের এই সেরা ফুটবলাররা পরবেন ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ লেখা জ্যাকেট।

রাশিয়া বিশ্বকাপে বাংলাদেশে তৈরি জ্যাকেট পরবেন বিশ্বের নামী ফুটবলাররা। এই জ্যাকেট তৈরি হয়েছে চট্টগ্রামের কেইপিজেডের ইয়াংওয়ানের অধিভুক্ত প্রতিষ্ঠান কর্ণফুলী শু ইন্ডাস্ট্রিজের একটি কারখানায়। বাংলাদেশি শ্রমিকদের হাতেই তৈরি হয়েছে আর্জেন্টিনা, জার্মানি, স্পেন, বেলজিয়াম, কলম্বিয়া, মেক্সিকো, স্বাগতিক রাশিয়া দলের অফিশিয়াল জ্যাকেট। এই দেশগুলোর জ্যাকেট, জার্সিসহ অন্যান্য জিনিসপত্র সরবারহ করেছে খেলার সামগ্রী প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান অ্যাডিডাস। তবে বাংলাদেশ শুধুমাত্র জ্যাকেট তৈরি করে দিয়েছে অ্যাডিডাসকে।

এ ব্যাপারে দেশের একটি প্রথম সারির গণমাধ্যমে অ্যাডিডাস বাংলাদেশের মার্চেন্ডাইজার ব্যবস্থাপক এ এস এম রিফাত হক বলেন, অ্যাডিডাস আর্জেন্টিনা, জার্মানি, স্পেন, বেলজিয়াম, কলম্বিয়া, মেক্সিকো, স্বাগতিক রাশিয়া দলের অফিশিয়াল স্পনসর। সে সুবাদে বাংলাদেশে এই দলগুলোর কিছু জ্যাকেট তৈরি হয়েছে। এ ছাড়া জার্সি, মোজাসহ অন্যান্য সামগ্রী অন্যান্য দেশে তৈরি হয়েছে। অফিশিয়াল এই জ্যাকেট পরেই খেলার সময় সাইড বেঞ্চে থাকবেন ফুটবলার ও কর্মকর্তারা।

এসব জ্যাকেটের কলারের নিচে যে ট্যাগ লাগানো রয়েছে তার মধ্যে লিখা আছে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’। গত বছরের আগস্ট থেকে এই পোশাক তৈরি শুরু হয়। ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এসব পোশাকের জাহাজীকরণ শেষ হয়। অত্যন্ত গোপনীয়তার মাধ্যমে এসব কাজ করা হয়।

এই জ্যাকেটগুলোর কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে। যেমন চারবারের চ্যাম্পিয়ন জার্মান দলের জ্যাকেটের বাঁ পাশে চারটি তারকাচিহ্ন ও দুবারের চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা দলের জ্যাকেটের বাঁ পাশে দুটি তারকাচিহ্ন রয়েছে। একটি তারকাচিহ্ন রয়েছে স্পেনের জ্যাকেটেও।

দলগুলোর কাছে পৌঁছানোর আগে যেন এসব জ্যাকেট বাজারে না যায়, সে ব্যাপারে সতর্ক থাকে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো। শ্রমিক থেকে শুরু করে কোনো কর্মকর্তা এ বিষয়ে মুখ খুলতে নারাজ। তবে বিশ্বকাপের দলগুলোর পোশাক তৈরি করে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানটি খুব উচ্ছ্বাসিত।

কর্ণফুলী শু ইন্ডাস্ট্রিজের উপমহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন ও নিরাপত্তা) স্কোয়াড্রন লিডার (অব.) মো. শামসুর রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশ বিশ্বকাপে নেই। তবে বিশ্বকাপের অনেক ফুটবল দল এখানকার তৈরি পোশাক পরবে, সেটা অনেক গর্বের। ওই পোশাক আমাদের প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছে। আমাদের শ্রমিকেরাও যখন সেটা দেখবেন, তখন তাঁদেরও ভালো লাগবে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খালেদা জিয়ার জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আপিল

ন্যাশনাল ডেস্ক: বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে কুমিল্লায় হত্যা ও নাশকতার দুই মামলায় হাইকোর্টের দেয়া ছয় মাসের জামিন স্থগিত চেয়ে চেম্বার আদালতে আপিল করেছে রাষ্ট্রপক্ষ।

সোমবার দুপুরে এ আপিল আবেদন করা হয় বলে নিশ্চিত করেছে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়।

এর আগে বিচারপতি একেএম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি জেবিএম হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ খালেদা জিয়ার জামিন আদেশ দিয়েছিলেন। তবে একই বেঞ্চ নড়াইলের মানহানির একটি মামলায় তার আবেদন খারিজ করেন।

এ আদেশের পর অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম সাংবাদিকদের বলেছিলেন, আমি আজকের এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিলে যাওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছি। পিটিশন রেডি হয়ে গেছে। অন্য ফরমালিটিজ শেষ হলে আজকেই চেম্বারে যাব।

উল্লেখ্য, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় খালেদা জিয়াকে ৮ ফেব্রুয়ারি পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন বিচারিক আদালত। সেই দিন থেকে পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন তিনি।

ওই মামলায় আপিলের পর খালেদা জিয়াকে চার মাসের জামিন দেন হাইকোর্ট। এ আদেশের বিরুদ্ধে দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে খালেদা জিয়ার জামিন স্থগিত হয়ে যায়। তবে গত ১৭ মে জামিন বহাল রাখেন আপিল বিভাগ।

সর্বোচ্চ আদালতের এ রায়ের ফলে কারাবন্দি খালেদা জিয়া মুক্তি পাবেন বলে ধারণা করা হচ্ছিল। কিন্তু দেশের বিভিন্ন আদালতে নাশকতা ও মানহানির মামলায় তাকে শোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়েছে। ফলে মুক্তি পেতে হলে তাকে এসব মামলায় জামিন পেতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest