সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৪১ বোতল বিদেশি মদ জব্দ  সাতক্ষীরায় সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ২০ গ্রামের মানুষের ঈদ উল ফিতর উদযাপনসাতক্ষীরায় শারীরিক প্রতিবন্ধী যুবকের টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্রসদরঘাটের মৃত্যু: দুর্ঘটনা নয়-এক নির্মম ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবিসাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের কমিটি গঠন: সামাদ সভাপতি, রাজীব সম্পাদককালিগঞ্জে চোরাই ভ্যানসহ আটক-০৩মোটরসাইকেলের জ্বালানি সংকটে ঈদযাত্রা ব্যাহত : বিপাকে বাইকাররাকলারোয়ায় ২৫০ অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণসাতক্ষীরায় নির্যাতিত মোটর শ্রমিক একতা ঐক্যের পরিচিতি সভাসাতক্ষীরা জেলা রোভার স্কাউটস এর ঈদ সামগ্রী বিতরণ

মাদকবিরোধী অভিযানের আড়ালে ভিন্ন চক্রান্ত দেখছেন ফখরুল

রাজনীতি ডেস্ক: দেশে চলমান মাদকবিরোধী অভিযানের পেছনে সরকারের ভিন্ন ধরনের চক্রান্ত রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, এটাকে শুধু মাদকবিরোধী অভিযান মনে করলে ভুল হবে। এর পেছনে ষড়যন্ত্র আছে। এর পেছনে নিশ্চয় আরও একটা ভিন্ন ধরনের চক্রান্ত রয়েছে, যা করে করে আজ পর্যন্ত আওয়ামী লীগ টিকে আছে।

সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবুর মুক্তির দাবিতে সভার আয়োজন করে ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক ফোরাম।

সংগঠনটির সভাপতি ফখরুল ইসলাম রবিনের সভাপতিত্বে ও গাজী রেজওয়ান উল হোসেন রিয়াজের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মসিউর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, স্বেচ্ছাসেবক দলের মোস্তাফিজুর রহমান, গোলাম সারোয়ার, ইয়াসীন আলী, সাইফুল ইসলাম ফিরোজ প্রমুখ।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, প্রতিদিন মানুষ হত্যা করা হচ্ছে। প্রশ্ন হচ্ছে যাদের হত্যা করা হচ্ছে তাদের বিচার হচ্ছে না কেন? বাংলাদেশে একটা নতুন পরিবেশ সৃষ্টি করার জন্য, অন্য কোনো কিছু আগাম সৃষ্টি করার জন্য এটা করা হচ্ছে কিনা- এ নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন।

দেশজুড়ে চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে রোববার আরও ১১ জন নিহত হয়েছেন। এ নিয়ে নিহতের সংখ্যা ৯১।

শনিবার মাদকবিরোধী অভিযানের সময় কথিত বন্দুকযুদ্ধে টেকনাফের পৌর কাউন্সিলর ও উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি একরামুল হক নিহত হন। এ প্রসঙ্গ টেনে বিএনপি মহাসচিব বলেন, টেকনাফের সব মানুষ বলেছে একজন নিরীহ ভালো মানুষকে হত্যা করা হয়েছে।

পৌর মেয়র প্রধানমন্ত্রীর কাছে খোলা চিঠি দিয়েছেন, একরামুল হকের আর্থিক সচ্ছলতা নেই। সে তিনবার নির্বাচিত কাউন্সিলর হয়েছেন। তাহলে কাদের ইঙ্গিতে এ হত্যা করা হয়েছে। কারা এ তালিকা তৈরি করেছে?

সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, ঘরকে সুন্দর করে রেখে দিয়েছেন। ঘরে যারা মাদক সম্রাট হিসেবে পরিচিত, মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত তাদের গায়ে ফুলের টোকাও দিচ্ছেন না।

মির্জা ফখরুল বলেন, আনন্দবাজার পত্রিকায় খবর বেরিয়েছে, আসন্ন নির্বাচনে ভারতের সাহায্য চেয়েছেন শেখ হাসিনা। এ খবর যদি সত্য হয় তাহলে কি এ দেশ স্বাধীন আছে? তাহলে কি দেশকে অঙ্গরাজ্য বানাতে চায় সরকার?

তিনি বলেন, এ ভয়াবহ দানব যে আমাদের বুকের ওপর এসে পড়েছে তাকে সরাতে হবে। যদি ঐক্যবদ্ধ হয়ে সরকারকে সরাতে না পারি তাহলে জাতি আমাদেরকে ক্ষমা করবে না।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আন্দোলন করেই খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে। এটাই সত্য কথা। আন্দোলনের কোনো বিকল্প নেই। জনগণের সম্পৃক্ততা ছাড়া কোনো আন্দোলন সফল হয় না। তাই জনগণকে সম্পৃক্ত করতে হবে।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের প্রতীক। নির্বাচন অবশ্যই দিতে হবে। সেটা খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে। সংসদ ভেঙে দিতে হবে এবং জনগণের ভোটের নিরাপত্তার জন্য সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৪০ পিস গুলি কিনতে চান সেই ডিআইজি মিজান

ন্যাশনাল ডেস্ক: অস্ত্রের মুখে তুলে নিয়ে এক নারীকে বিয়ের অভিযোগে পুলিশের সেই ডিআইজি মিজানুর রহমান ৪০ পিস গুলি কেনার জন্য মাগুরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আবেদন করেছেন।

ব্যাপক সমালোচনার মুখে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনারের পদ থেকে তাকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্ত করা হয়।

সোমবার তিনি একজন দেহরক্ষী পাঠিয়ে পিস্তলের গুলি কেনার জন্য মাগুরা জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেন। আবেদনপত্রে তিনি নিজেকে মাগুরার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে পরিচয় দেন।

তিনি উল্লেখ করেন, ২০১১ সালের ২৩ মে আমি ইউএসএর তৈরি বেরেটা মডেলের পিস্তল ক্রয় করি। তখন আমি ১০ রাউন্ড গুলিও ক্রয় করি। কিন্তু বর্তমানে ৩২ বোরের আরও ৪০ রাউন্ড গুলি ক্রয় করতে আগ্রহী।

নারী কেলেঙ্কারির কারণে ব্যাপক সমালোচিত পুলিশের এই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ১৯৯৭ সালের ৩০ জানুয়ারি থেকে ১৯৯৮ সালের ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত মাগুরায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ছিলেন। সে সময় তিনি স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে পড়েন।

তৎকালীন আওয়ামী লীগ নেতারা ছাড়াও আইনজীবীদের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে পড়লে তাকে প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্তরের মানুষ রাস্তায় নেমে আসে।

মিজানুর রহমান ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার ছিলেন। দীর্ঘ সময় সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনার হিসেবেও দায়িত্বপালন করেছেন। কিন্তু মাগুরায় মাত্র দুই বছর কর্মরত থাকার সুযোগে আগ্নেয়াস্ত্রের গুলি ক্রয়ের অনুমতির জন্য মাগুরা জেলা প্রশাসনকে বেছে নেয়ার বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাগুরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম বলেন, তিনি একসময় মাগুরাতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে কর্মরত ছিলেন ঠিকই। কিন্তু গুলি ক্রয়ের জন্য আবেদন করেছেন কিনা সে বিষয়টি আমাদের জানা নেই।

গুলি ক্রয়ের আবেদনের সত্যতা স্বীকার করেছেন মাগুরা জেলা প্রশাসক আতিকুর রহমান। তবে ঠিক কী কারণে মিজানুর মাগুরাকে বেছে নিয়েছেন সেই প্রশ্নে তিনি বলেন, এই প্রশ্নের জবাব কেবল আবেদনকারীই দিতে পারেন।

এ বিষয়ে মিজানুর রহমানের সঙ্গে কথা বলতে তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা ফ্রেন্ডস ড্রামেটিক ক্লাবের ইফতার মাহফিল

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরা ফ্রেন্ডস ড্রামেটিক ক্লাব (এফ.ডি.সি) এর ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার ১১ রমজান সাতক্ষীরা ফ্রেন্ডস ড্রামেটিক ক্লাব (এফ.ডি.সি) মিলনায়তনে সভাপতি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইফতেখার হোসেনের সভাপতিত্বে ইফতার মাহফিলে বক্তব্য রাখেন জেলা পুলিশ সুপার মো সাজ্জাদুর রহমান, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক শাহ্ আবদুল সাদী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) তরফদার মাহমুদুর রহমান, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুনসুর আহমেদ, সাতক্ষীরা ফ্রেন্ডস ড্রামেটিক ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ছাইফুল করিম সাবু প্রমুখ।
দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন হফেজ মাওলানা রফিকুল ইসলাম। এসময় ক্লাবের আজীবন ও সাধারণ সদস্য ও গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সাতক্ষীরা ফ্রেন্ডস ড্রামেটিক ক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রফিকুল আলম বাবু।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে দোয়া ও ইফতার মাহফিল

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার ১১ রমজান সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ শিক্ষক পর্ষদ এর আয়োজনে সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর বিশ^াস সুদেব কুমারের সভাপতিত্বে ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান বাবু, সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ লিয়াকত পারভেজ, জেলা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক শেখ নুরুল হক, সরকারি কলেজের উপাধ্যক্ষ এস.এম আফজাল হোসেন, শিক্ষক পর্ষদ সম্পাদক আমান উল্লাহ আল-হাদী, সাবেক অধ্যক্ষ এ.কে.এম মোকাররম আলী, সাবেক অধ্যক্ষ আব্দুল হামিদ, সাবেক অধ্যক্ষ সুকুমার দাস প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন কলেজের শিক্ষক পর্ষদের শিক্ষকবৃন্দ ও সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি কাজী সাহেদ পারভেজ ও সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল কালাম। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন সরকারি কলেজ মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ সাইফুল্লাহ ফুয়াদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় এমপিওভুক্তির দাবিতে আলোচনা সভা

নিজস্ব প্রতিবেদক: নন এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিও ভূক্তি করার দাবিতে সারাদেশের ন্যায় সাতক্ষীরাতেও এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সোমবার বেলা ১২টায় সাতক্ষীরা ল কলেজের হল রুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বীকৃতিপ্রাপ্ত সকল নন এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিও ভূক্তির আশ্বাসের বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কেন্দ্রিয় সিন্ধান্ত মোতাবেক উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রিয় কমিটির সহ-সভাপতি ও সাতক্ষীরা জেলার সভাপতি অধ্যক্ষ মোঃ জাহাঙ্গীর আলম। সভায় বক্তব্য রাখেন জেলার সাধারণ সম্পাদক প্রধান শিক্ষক মেহেদী হাসান, সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ মোঃ মিজানুর রহমানসহ সকল উপজেলার সভাপতি ও সেক্রেটারি। এসময় উপস্থিত ছিলেন অধ্যক্ষ রেজাউল করিম, অধ্যক্ষ জাহিরুল আলম, ইবাদুল ইসলাম, মোঃ হাবিবুর রহমান, জিল্লুর রহমান, মাওঃ গোলাম রসুল, মাওঃ হারুনুর রশিদ, মাহবুবুর রহমান, হোসাইন আলী প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন এস এম তৈয়েবুর রহমান। এসময় বক্তারা বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষা বান্ধব সরকার। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর এদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় আমুল পরিবর্তন হয়েছে। যা বিগত কোন সরকারের আমলে হয়নি। বছরের প্রথমে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বই বিতরণ বর্তমান সরকারের এক উজ্জল দৃষ্ঠান্ত। বক্তারা আরো বলেন, মাননীয় প্রধানন্ত্রীর আশ্বাস নিশ্চয়ই বাস্তবায়ন হবে। সেক্ষেত্রে আমরা বাজেট লক্ষ করছি। বাজেটে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্ধ না থাকলে আগামী ১০ জুন ১৮ তারিখ থেকে ঢাকা জাতীয় প্রেসক্লাব এর সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কর্মশালা

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরায় গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের ভূমিকা শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ প্রকল্প স্থানীয় সরকার বিভাগের সহযোগিতায় সোমবার বিকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে উক্ত কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা প্রশাসনের আয়োজনে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ পরিচালক শাহ আবদুল সাদীর সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ সাদিকুল ইসলাম তালুকদার। মূখ্য আলোচক জেলা প্রশাসক ইফতেখার হোসেন। আলোচক পুলিশ সুপার সাজ্জাদুর রহমানসহ সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও কর্মচারী বৃন্দ।
কর্মশালায় বক্তারা বলেন, সাধারণ মানুষকে সহজে সুবিচার প্রদান ও আদালতে মামলার জট কমাতে গ্রাম্য আদালতকে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুল ছাত্র গুরুতর আহত

ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি : কালিগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় উত্তম দাশ (১৬) নামে এক স্কুল ছাত্র গুরুতর আহত হয়েছে। সে উপজেলার মথুরেশপুর ইউনিয়নের রায়পুর গ্রামের নির্মল দাশের ছেলে ও মৌতলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকাল ৬ টায় দিকে উত্তম দাশ বাড়ি থেকে প্রাইভেট পড়ার জন্য মৌতলা স্কুলে যাওয়ার পথে রায়পুর ব্রিজের পাশে পৌছালে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা পরিবহণ (কিংফিসার ঢাকা মেট্রো-ব-১৪৮৮৫২) নির্মল দাশকে ধাক্কা মেরে দ্রুত গতিতে শ্যামনগর অভিমুখে চলে য়ায়। পরবর্তীতে স্থানীয়রা আশংকাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে কালিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। উত্তম দাশের মেরুদন্ড, বুক ও মাথায় প্রচন্ড আঘাত লেগেছে বলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানিয়েছেন। এব্যাপারে আহত ছাত্রের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জিয়াকে প্রথম রাষ্ট্রপতি বলা ঢাবির সেই রেজিস্ট্রার চাকরিচ্যুত

শিক্ষা ডেস্ক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে প্রকাশিত স্মরণিকায় জিয়াউর রহমানকে প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে উল্লেখ করার ঘটনায় ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার সৈয়দ রেজাউর রহমানকে চাকরিচ্যুত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। একই ঘটনায় একজন কর্মকর্তাকে পদাবনতির শাস্তি দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া সংবাদপত্রে নিবন্ধ লিখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে কটূক্তি ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করার অভিযোগে সাময়িকভাবে অব্যাহতি পাওয়া মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক মোর্শেদ হোসেন খানের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি করা হয়েছে।

আজ সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় এসব সিদ্ধান্ত হয়েছে। সিন্ডিকেটের একাধিক সদস্য বিষয়গুলো নিশ্চিত করেছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ২০১৬ সালের ১ জুলাই প্রকাশিত স্মরণিকায় উদ্‌যাপন কমিটির সদস্যসচিব রেজাউর রহমান ‘স্মৃতি অম্লান’ শিরোনামে মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলের পরিচিতি তুলে ধরতে গিয়ে লিখেন, ‘জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি, সাবেক সেনাপ্রধান ও একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা।’

ওই সময় রেজাউর রহমান ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ছিলেন। এই লেখার প্রতিবাদে ছাত্রলীগের কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতা রেজিস্ট্রারকে তাঁর কার্যালয়ে তালাবদ্ধ করে রাখেন। বিক্ষোভ জানাতে গিয়ে তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের গাড়িতে থাকা অবস্থায় তাঁর গাড়ি ভাঙচুর করেন। তাঁরা উপাচার্যের বাসভবনের ফটকেও তালা ঝুলিয়ে দেন। বিক্ষোভের মুখে রেজাউর রহমানকে রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে টিএসসির ছাত্র নির্দেশনা ও পরামর্শদান দপ্তরে ফেরত পাঠানো হয়।

একাধিক সিন্ডিকেট সদস্য বলেন, ওই ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন ও ট্রাইব্যুনাল শেষে তাঁকে সিন্ডিকেট থেকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রকাশনার কাজে সহযোগিতার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সেকশন অফিসার রিফাত আমিনকে পদাবনতি দেওয়া হয়।

বঙ্গবন্ধুকে কটূক্তি করায় তদন্ত কমিটি
সংবাদপত্রে নিবন্ধ লিখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে কটূক্তি ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করার অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক মোর্শেদ হাসান খানের বিরুদ্ধে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি করেছে সিন্ডিকেট। এ বছরের ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে একটি জাতীয় দৈনিকে অধ্যাপক মোর্শেদের লেখা ‘জ্যোতির্ময় জিয়া’ শিরোনামে একটি নিবন্ধ প্রকাশিত হয়। নিবন্ধে তিনি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক বলে দাবি করেন। তিনি লিখেন, ‘ওই সময় আওয়ামী লীগের নেতারা অধিকাংশই পরিবার-পরিজন নিয়ে পালিয়ে যান, এমনকি বঙ্গবন্ধুও।’ অবশ্য পরে অধ্যাপক মোর্শেদ ওই পত্রিকাতেই বিজ্ঞপ্তি দিয়ে লেখাটির জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন এবং বঙ্গবন্ধু-সংশ্লিষ্ট অংশটুকু প্রত্যাহার করে নেন।

ওই নিবন্ধ প্রকাশের পরদিন ওই শিক্ষককে বরখাস্ত করার দাবিতে ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে নেতা-কর্মীরা বিক্ষোভ করেন। ওই শিক্ষককে তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন। ছাত্রলীগের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তাঁকে সাময়িকভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এবার সিন্ডিকেটে ওই বিষয়ে তদন্ত কমিটি করা হলো।

মোর্শেদ হাসান খান বিএনপি-জামায়াতপন্থী শিক্ষকদের সাদা দলের যুগ্ম আহ্বায়ক। প্রশাসনের করা তদন্ত কমিটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে নবনিযুক্ত সহ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মুহাম্মদ সামাদকে আহ্বায়ক করা হয়েছে। কমিটির অপর সদস্যরা হলেন সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক এ এস এম মাকসুদ কামাল, অধ্যাপক হাসানুজ্জামান, অধ্যাপক রহমত উল্লাহ ও সিন্ডিকেট সদস্য বাহালুল মজনুন চুন্নু।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest