সর্বশেষ সংবাদ-
ঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিতআশাশুনিতে হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলার তদন্তে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারদেবহাটায় সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের মতবিনিময়৯নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়াসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভাতালা থেকে কপোতাক্ষ নদে পড়ে যাওয়া ব্যক্তির মরদেহ পাইকগাছায় উদ্ধারসাতক্ষীরা জেলা এলপি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটর এসোসিয়েশনের সভাসাতক্ষীরায় লিগ্যাল এইড কার্যক্রম বিষয়ে জনসচেতনতামূলক মতবিনিময়৯০ দশক ছাত্রদল প্লাটফর্ম এর সাতক্ষীরা জেলা শাখার আহবায়ক কমিটি গঠনসাতক্ষীরা-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করার আহ্বান চেয়ারম্যান আলিমের

মুক্তিযোদ্ধা ইনামুল হক বিশ্বাসের মৃত্যু ॥ জেলা আওয়ামীলীগের শোক

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ও জেলা আওয়ামী লীগের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক ইনামুল হক বিশ^াস আর নেই (ইন্নালিল্লাহি… রাজেউন)। রোববার বেলা সাড়ে ১২টায় খুলনার শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তিনি দীর্ঘদিন যাবত ডায়াবেটিস, হার্ট ও কিডনীজনিত রোগে ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর। তিনি এক ছেলে, এক মেয়ে ও স্ত্রীসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বাদ এশা জানাযা নামাজ শেষে শহরের কামালনগর কবরস্থানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে দাফন করা হবে। তিনি সাতক্ষীরা শহরের মুনজিতপুর এলাকার মৃত ইমান আলী বিশ্বাসের ছেলে। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
এদিকে বিশিষ্ট মুক্তিযুদ্ধা সংগঠক সাবেক জেলা কমান্ডার আকস্মিক মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের সমবেদনাজ্ঞাপন করেছেন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সকল নেতৃবৃন্দ যথাক্রমে সভাপতি মুনসুর আহমেদ, সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা: আ.ফ.ম রুহুল হক এমপি, মীর মোস্তাক আহমেদ রবি এমপি, সাবেক এমপি একে ফজলুল হক, আবুল খায়ের, সাবেক এমপি ডা: মোখলেছুর রহমান, এড. এস এম হায়দার, জেলা সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক অধ্যক্ষ আবু আহমেদ, সৈয়দ ফিরোজ কামাল শুভ্র, শেখ সাহিদ উদ্দিন, আইন বিষয়ক সম্পাদক এড. ওসমান গণি, কৃষি সম্পাদক সরদার মুজিব, তথ্যগবেষণা সম্পাদক সৈয়দ হায়দার আলী তোতা, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক এড. আজহারুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর রশিদ, প্রচার সম্পাদক শেখ নুরুল হক, বন ও পরিবেশ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক এড. গোলাম মোস্তফা, শিক্ষা সম্পাদক শফিউল আযম লেলিন, যুব ক্রীড়া সম্পাদক শেখ আব্দুল কাদের, শিল্প বাণিজ্য সম্পাদক আলহাজ্ব আব্দুল গণি, সাংগঠনিক সম্পাদক ফিরোজ আহমেদ, আলহাজ্ব আসাদুজ্জামান বাবু, অধ্যক্ষ জাফরুল আলম বাবু, উপ- দপ্তর সম্পাদক জে এম ফাত্তাহ, উপ-প্রচার সম্পাদক অধ্যাপক প্রণব ঘোষ বাবলু, কোষাধ্যক্ষ আসাদুল হক, সাবেক এমপি ইঞ্জিনিয়ার শেখ মুজিবুর রহমান প্রমুখ। অনুরূপ শোক জানিয়েছেন, শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি স ম জগলুল হায়দার এমপি, সাধারণ সম্পাদক আতাউল হক দোলন, কালিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব শেখ ওহেদুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক সাঈদ মেহেদী, আশাশুনি উপজেলার সভাপতি এ বিএম মোস্তাকিম, সাধারণ সম্পাদক এড. শহীদুল ইসলাম পিন্টু, দেবহাটা উপজেলার সভাপতি মুজিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, কলারোয়া উপজেলার সভাপতি ফিরোজ আহমেদ স্বপন, সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম লাল্টু, তালা উপজেলার সভাপতি শেখ নূরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ঘোষ সনৎ কুমার, সাতক্ষীরা সদর উপজেলার সভাপতি এস এম শওকত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শাহাজান আলী, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি আবু সায়ীদ, সাধারণ সম্পাদক শাহাদত হোসেন, সদস্য এড. শাহানাজ পারভীন মিলি, মমতাজুন নাহার ঝর্না, কোহিনুর ইসলাম, মীর মোশাররফ হোসেন মন্টু, ডা. মিজানুর রহমান, ডা.মুনসুর আহমেদ, অনুরুপ শোকজ্ঞাপন করেছেন জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভানেত্রী বেগম রিফাত আমীনএমপি, সাধারণ সম্পাদিকা পৌর কাউন্সিলর জ্যোস্না আরা, পৌর মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বেগম নাদিরা আলী ও সাধারণ সম্পাদিকা রেবেকা পারভীন রিক্তা প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় মুক্তিযোদ্ধা পরিবার সুরক্ষা আইনের দাবিতে মানববন্ধন


নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরায় মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান অক্ষুণœ রাখা ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবার সুরক্ষা আইনের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা শহরের নিউ মাকের্ট মোড়স্থ শহীদ স ম আলাউদ্দিন চত্বরে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড এ কর্মসূচির আয়োজন করে।
মানববন্ধন কর্মসূচিতে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার মোশারফ হোসেন মশুর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু আহমেদ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার আবু বক্কর সিদ্দিক, সদর উপজেলা কমান্ডার হাসানুজ্জামান, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের সদস্য সচিব লায়লা পারভীন সেঁজুতি, গোলাম ফারুক, সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, কোটা বাতিলের নামে যে আন্দোলন হয়েছে, ঢাবি ভিসির বাড়িতে হামলার ঘটনার মধ্যদিয়ে তা স্বাধীনতা বিরোধীদের ষড়যন্ত্র বলে পরিষ্কার হয়েছে। একইভাবে কোটা বাতিলের আন্দোলনে নানাভাবে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কটাক্ষ ও অসম্মান করা হয়েছে, যা স্বাধীন বাংলাদেশে কাম্য নয়।
বক্তারা বাংলাদেশের সূর্য সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান অক্ষুণœ রাখা ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবার সুরক্ষা আইনের পাশাপাশি রাজাকারদের সন্তানদের বাংলাদেশের সকল চাকুরিতে অযোগ্য ঘোষণার দাবি জানান।
পরে একটি বিক্ষোভ মিছিল শহরের প্রধান সড়ক প্রদিক্ষণ করে জেলা কালেক্টরেট চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় ‘স্বাধীন বাংলায়, রাজাকারের ঠাই নাই,’ ‘স্বাধীনতার শুত্রুরা হুশিয়ার সাবধান,’ ‘স্বাধীনতা বিরোধীদের সরকারি সুযোগ-সুবিধা বাতিল কর, করতে হবে,’ ‘একাত্তরের হাতিয়ার, ‘গর্জে ওঠো আরেক বার’ প্রভৃতি স্লোগানে প্রকম্পিত হয় রাজপথ।
পরে ছয় দফা দাবি সংবলিত একটি স্মারকলিপি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পেশ করা হয়।
স্মারকলিপিতে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান অক্ষুণœ রাখা ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবার সুরক্ষা আইন পাস, কোটা সংস্কার আন্দোলনের নামে যারা ঢাবি ভিসির বাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে তাদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করা, কোটা নয়, পৃথক পরীক্ষার মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান-সন্তানাদিদের চাকুরির ব্যবস্থা করা, স্বাধীনতাবিরোধী ও রাজাকারদের পরিবারের সদস্যদের সকল প্রকার সরকারি সুযোগ-সুবিধায় অযোগ্য ঘোষণা করা, পিছিয়ে পড়া এলাকা, নারী, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধীদের জন্য পৃথক নিয়োগ পরীক্ষা গ্রহণ ও চাকরির ভাইভা বোর্ডে স্বাধীনতাবিরোধীদের অযোগ্য ঘোষণার দাবি জানানো হয়েছে।

১৫.৪.১৮

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মামলার জট কমছে সাতক্ষীরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতে

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলার জট খুলতে শুরু করেছে। এই আদালতে নিষ্পত্তির অপেক্ষায় বহু মামলা পড়ে থাকায় অস্বস্তিতে ছিল বাদি ও বিবাদি উভয় পক্ষ। এখন জট খুলতে শুরু করায় তারা রয়েছেন বেশ স্বস্তিতে।
আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে ২০১৬ সালের ১২ জুলাই এই আদালতের বিচারক মো. জিয়াউল হক অন্যত্র বদলি হন। এরপর থেকে বিভিন্ন সময়ে এই আদালতে বাড়তি দায়িত্ব পালন করেন জেলা ও দায়রা জজ জোয়ার্দার মো. আমিরুল ইসলাম এবং জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মো. আশরাফুল ইসলাম। কিন্তু একই সাথে দুটি আদালতের কার্যক্রম সামলানো তাদের পক্ষে খুবই কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতে মামলার সংখ্যা ক্রমেই বাড়তে থাকে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে এই আদালতে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা যখন প্রায় তিন হাজার তখন বিচারক (জেলা জজ) হিসাবে নিয়োগ পান হোসনে আরা আক্তার। তিনি ২০১৭ এর নভেম্বরে যোগদান করলেও শুরু হয় এক মাসের ছুটি। ফলে ২০১৮ এর জানুয়ারি থেকেই তার কার্যক্রম শুরু হয়। এ সময় মামলার সংখ্যা ছিল ২৮৪৫ টি।
আদালতের পিপি এড. জহুরুল হায়দার জানান নুতন বিচারক যোগদানের পর গত জানুয়ারি মাসে ১৩৬ টি, ফেব্রুয়ারিতে ২০২ টি এবং মার্চে ৯৯ টিসহ ৪৩৭ টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। এ সময় সাক্ষ্য গ্রহন করা হয়েছে প্রায় চার শ’ জনের । তিনি বলেন মাত্র তিনমাসে মামলার সংখ্যা এসে দাঁড়িয়েছে ২৪০৮ টিতে । এই ধারা চলতে থাকলে দ্রুততার সাথে আরও বহু মামলা নিষ্পত্তি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। এতে সংশ্লিষ্টদের ভোগান্তিও হ্রাস পাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার বধ্যভূমিগুলো সংরক্ষণ ও ১০০ একর খাস জমি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য বরাদ্দের দাবিতে স্মারক লিপি

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরার গণকবর, বধ্যভূমিগুলো উদ্ধার পূর্বক সংরক্ষণ ও সাতক্ষীরা পৌরসভাধীন খড়িবিলা বিল আবাদানীর ১০০ একর খাস জমি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য বরাদ্দের দাবিতে নাগরিক আন্দোলন মঞ্চ সাতক্ষীরা’র পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক মোঃ ইফতেখার হোসেনের এর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারক লিপি প্রদান করা হয়েছে। রোববার সকাল ১০টায় নাগরিক আন্দোলন মঞ্চ, সাতক্ষীরার স্মারকলিপি প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের আহবায়ক এড. ফাহিমুল হক কিসলু, বীরমুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক অধ্যক্ষ সুভাষ সরকার, সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জী, নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের যুগ্ম আহবায়ক সুধাংশু শেখর সরকার, ওবায়দুস সুলতান বাবলু, নিত্যানন্দ সরকার, চারুশিল্পী এম এ জলিল, নাগরিক আন্দোলন মঞ্চ’র সদস্য সচিব আলীনুর খান বাবুল, এড. মুনির উদ্দিন, রওনক বাসার, লোকী ইকবাল প্রমুখ।
নেতৃবৃন্দ স্মারকলিপিতে উল্লেখ্য করেন, ১৯৭১ সালের ২০ এপ্রিল খুলনা, বাগেরহাট, ৯৬ গ্রামসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত ৬০০-৭০০ নির্যাতিত মানুষ ভারতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে আশ্রয় নেয়। পরদিন সন্ধ্যায় পাক হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা স্কুলের পিছনে দীনেশ কর্মকারের বাড়িতে গিয়ে তাদের নৃশংসভাবে হত্যা করে। বর্তমানে ওই স্থানে বধ্যভূমির কোনো চিহ্ন নেই। দীনেশ কর্মকার তার পৈত্রিক জমি বিক্রি করে ভারতে চলে গেছেন। এই পুকুর ও ডোবার অংশটুকু চলে গেছে জনৈক ব্যক্তির দখলে। বর্তমানে সেখানে বিল্ডিং নির্মাণের কাজ চলছে।
সাতক্ষীরা-কালিগঞ্জ সড়কের বাঁকাল ব্রিজ ছিল পাক হানাদারদের আর একটি হত্যাযজ্ঞের স্থান। মুক্তিকামী বাঙালিদের ধরে নিয়ে হত্যা করে নিচে ফেলে দিত। এ অংশটুকু এখন এক প্রভাবশালীর দখলে চলে গেছে।
এছাড়া সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভাড়ুখালী-মাহমুদপুর স্কুলের পেছনের পুকুর থেকে স্বাধীনতার পর উদ্ধার করা হয় কয়েকশত মানুষের কঙ্কাল ও মাথার খুলি। সাতক্ষীরায় দ্বিতীয় বৃহৎ গণকবর হিসেবে এটি চিহ্নিত হলেও এখন এর কোনো অস্তিত্ব নেই। এছাড়া সাতক্ষীরা সদরের ঝাউডাঙ্গায় স্বাধীনতা লাভের কয়েক সপ্তাহ আগে ভারতে যাওয়ার পথে গুলি করে হত্যা করা হয় শত শত বাঙালি নারী, পুরুষ ও শিশু শরণার্থীকে। পরে তাদের গোবিন্দকাটি খালপাড় ও রূপালী ব্যাংকের পেছনে গণকবর দেয়া হয়। এসব গণকবরগুলোরও কোনো চিহ্ন নেই। শহরের সুলতানপুর পালপাড়া খালের ধারে হত্যা করা হয় সুরেন, নরেন ও কেষ্টপদ নামে তিন মুক্তিকামী যুবককে।
গত ৯ বছর ধরে মহাজোট সরকার রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকলেও এখানকার গণকবর এবং বধ্যভূমিগুলো সংরক্ষণ ও স্মৃতিসৌধ নির্মাণে কোনো ভূমিকা রাখতে দেখা যায়নি। নতুন প্রজন্মসহ অনেকে জানেনা মুক্তিযুদ্ধের ওই ইতিহাসের কথা। এসকল গণকবর ও বধ্যভূমি সংরক্ষণের ব্যাপারে সরকারিভাবে আজও কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।
বর্তমানে ইতিহাস গাঁথা ওই সব গণকবর ও বধ্যভূমিগুলো চলে গেছে বিভিন্ন ব্যক্তির দখলে। সাতক্ষীরার গণকবর ও বধ্যভূমির বিষয়টি বর্তমান প্রজন্মের কাছে একটি প্রশ্নবোধক চিহ্নের মতো। আর বধ্যভূমির বিষয়গুলো যেন নতুন প্রজন্মের কাছে অস্পষ্ট হয়ে গেছে।
এদিকে সম্প্রতি সাতক্ষীরা পৌরসভাধীন ৭নং ওয়ার্ডের পলাশপোল মৌজার খড়িবিলা বিল আবাদানির ১০০ একর সরকারি খাস সম্পত্তি সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন কর্তৃক উদ্ধার করা হয়েছে। উক্ত খাস জমি সাতক্ষীরা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য বরাদ্দ রাখার আহ্বান জানাচ্ছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্র“তি প্রতিটি জেলায় একটি করে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা। ইতোমধ্যে অনেক জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে। অথচ এখনো দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের ছাত্র-ছাত্রীদের উচ্চ শিক্ষাগ্রহণের জন্য সুদুর রাজশাহী, ঢাকা, চট্টগ্রামে যেতে হয়। যা এ অঞ্চলের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য অত্যন্ত ব্যয় বহুল ও কষ্টসাধ্য। তাই সাতক্ষীরায় একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হলে সাতক্ষীরাসহ দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের প্রাণের দাবি পূরণ হবে বলে মনে করেন নেতৃবৃন্দ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরের নুরনগরে চড়ক পড়তে গিয়ে নিহত-০১

পলাশ দেবনাথ নুরনগর : শ্যামনগর উপজেলার নুরনগরের কাটাখালী গ্রামে চড়ক পড়তে গিয়ে রামপ্রসাদ বিশ্বাস (২৫) নামে এক জন নিহত হয়েছে। সে নুরনগর ইউনিয়নের কুলতলী গ্রামের পরিতোষ বিশ্বাসের এক মাত্র পুত্র। শনিবার সন্ধ্যায় এঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় কাটখালী গায়েন পাড়ায় বিগত তিন শত বছর ধরে হিন্দু ধর্মের বিশেষ পূজা ,মহাদেব পূজা হিন্দু রিতি অনুযায়ী চলে আসছে। আর এরই অংশ বিশেষ চড়ক পূজায় তাড়া থেকে ঝাপ দিতে গিয়ে (ব্লাক) নামক এক ধরনের লোহার পাত কপালে ঢুকে প্রচুর রক্ত ক্ষরনের কারনে মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে তারা। এঘটনার সাথে সাথে স্থানীয় লোকজন এবং তার পরিবারের সদস্যরা প্রথমে শ্যামনগর হাসপাতালে নিয়ে গেলে রোগীর অবস্থা খারাপ দেখে তারা সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। এরপর সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে খুলনা ২৫০শয্যা হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। রোববার বেলা ১১টার দিকে পথিমধ্যে তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে তার স্বজনরা। উক্ত চড়ক পূজায় এবছর প্রায় ৫০জনের বেশি সন্ন্যাসি অংশ গ্রহন করে, এর মধ্যে রামপ্রসাদ বিশ্বাস ও অন্যান্য সন্ন্যাসিরা একের পর এক তাড়া থেকে ঝাপ দিতে থাকে একপর্যায় তার পালা আসলে সে সর্বোচ্চ স্থান থেকে ঝাপ দেওয়ার কথা বললে তাকে নিষেধ করা হয় এবং নিচের স্থান থেকে ঝাপ দিতে বলা হয় কিন্তু সে সকলকে অমান্য করে উপরে উঠে ঝাপ দেওয়ার প্রস্তুতি নেয়। এসময় দর্শনার্থীদের ভাষ্যমতে সে কাপতে থাকে এবং বাতাসের প্রচন্ড বেগ থাকায় এই দূর্ঘটনা ঘটেছে। এখবর পেয়ে বাংলাদেশ হিন্দু মহাজোট এবং পূজা উৎযাপন পরিষদের শ্যামনগর ও সাতক্ষীরাস্থ নেতৃবৃন্দ সেখানে যান এবং ধর্মীয় কাজে মৃত্যু বরন কারী রামপ্রসাদের মরদেহ তার পিতা মাতার কাছে প্রদান করার ব্যাবস্থা করতে সহযোগীতা করেন। সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত রামপ্রসাদের মরদেহ সাতক্ষীরা থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এবং সকল আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর কাজ চলছে বলে জানা গেছে। রামপ্রসাদের অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া বিরাজ করছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হুমায়ূন আহমেদভক্তদের ‘দেবী’ আসছে শীতে

হুমায়ূনভক্তদের প্রতীক্ষার অবসান ঘটতে যাচ্ছে এই শীতে। এই শীতেই বড় পর্দায় দেখা মিলবে হুমায়ূন আহমেদ-সৃষ্ট চরিত্র মিসির আলির সঙ্গে। এরই মধ্যে নিশ্চয়ই জেনে গেছেন হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাস ‘দেবী’ অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে ছবিটি।

অনম বিশ্বাস পরিচালিত সরকারি অনুদানে নির্মিত এই ছবিতে অভিনয় করেছেন চঞ্চল চৌধুরী, জয়া আহসান, অনিমেষ আইচ, শবনম ফারিয়াসহ অনেকে।

অভিনেত্রী জয়া আহসান এই ছবির প্রযোজক। গত বৃহস্পতিবার কলকাতা থেকে এই অভিনেত্রী জানালেন, আসছে শীতে দেখা মিলবে দেবীর। তিনি বলেন, ‘এটি আমার প্রথম প্রযোজনা। তাই একটু ভয়ে আছি। তবে আমরা এরই মধ্যে সব কাজ গুছিয়ে এনেছি। ডিসেম্বরের আগেই মুক্তির পরিকল্পনা করছি। এমনও হতে পারে, শীতের শুরুতেই মুক্তি দিতে পারি দেবী।’ তিনি জানান, ছবি মুক্তির আগে দুই রকমভাবে এর প্রচারণা চালাতে চান। যাঁরা ‘মিসির আলি’কে চেনেন না, তাঁদের জন্য এক রকম প্রচারণা আর যাঁরা চেনেন, তাঁদের জন্য আরেক রকম। এই পরিকল্পনা অনুযায়ীই ধাপে ধাপে আসবে ছবির পোস্টার, টিজার, ট্রেলার এবং সবশেষে পুরো ছবি।

তত দিন পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকুন মিসির আলির ভক্তরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিবিসি’র প্রতিবেদন; কাশ্মীরের ধর্ষণ ও হত্যা নিয়ে সরব হতে দেরি কেন?

ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে আট বছরের শিশু হত্যা ও ধর্ষণের ঘটনায় পুরো রাজ্য ক্ষোভে ফেটে পড়লেও সেই বিক্ষোভের উত্তাপ পৌঁছায়নি দিল্লিতে।

২০১২ সালের দিল্লির গণধর্ষণের ঘটনায় পুরো রাজ্য যেভাবে উত্তাল হয়ে উঠেছিল, আসিফা হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে কেউ এতটা সরব হয়নি।

কাশ্মীর উপত্যকার গণমাধ্যমগুলো এই ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে প্রচার করলেও বেশিরভাগ জাতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোয় পায়নি কোনো কভারেজ।

কাশ্মীরের স্থানীয় সাংবাদিকদের অভিযোগ তারা জানুয়ারি মাসেই এই খবরটি প্রচারে দিল্লি অফিসে যোগাযোগ করেছিল। তাদের কাছে এই রোমহর্ষক ঘটনার চাইতে কাশ্মীর উপত্যকায় টিউলিপ বাগান উদ্বোধনের খবরটিকে বেশি জরুরি মনে হয়েছে।

পরে এপ্রিলের মাঝামাঝি কেন্দ্রীয় নিউজ নেটওয়ার্কগুলো হঠাৎ করেই সংবাদটি প্রচারে উঠেপড়ে লাগে।

প্রশ্ন ওঠে, ঘটনার চার মাস পর হঠাৎ কেন নড়েচড়ে বসল দিল্লি মিডিয়া? হিন্দু ডানপন্থী দলগুলো তাদের কমিউনিটির এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদ জানানোই কি তাদের নজর আকর্ষণের কারণ?

এ বিষয়ে ভারতের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও সম্পাদক শেখর গুপ্ত জানান, এ ধরনের আচরণ দিল্লির সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রকৃত চরিত্র ফুটিয়ে তুলেছে। যেখানে তারা জাতীয় সংবাদ প্রচারের ক্ষেত্রে দ্বিধাবিভক্ত এবং প্রভাবিত। বিশেষত সেনা নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের খবর প্রচারে তারা বরাবরই পক্ষপাতদুষ্ট।

এর পেছনে জাতীয় নিরাপত্তার পাশাপাশি ধর্মীয় অনুভূতিকে বড় কারণ হিসেবে দেখছেন তিনি। বিশেষ করে হিন্দু ডানপন্থী সংগঠনগুলো এমনকি ক্ষমতাসীন বিজেপির দুজন মন্ত্রী গ্রেপ্তারদের প্রতি সমর্থন জানানোর পর এটি আলোচনায় উঠে আসে।

এ ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নীরব ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন কম ওঠেনি। তিনি তাঁর টুইট বার্তায় সুবিচার প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দিয়েই চুপ করে যান।

এ বিষয়ে সমাজ বিশ্লেষক ড. বিশ্বনাথান বলেন, ‘দিল্লির সংবাদমাধ্যমগুলো প্রতিনিয়ত হত্যা , ধর্ষণ, সহিংসতা, নির্যাতন, লুটপাটের খবর প্রচার করতে করতে গা সওয়া হয়ে গেছে। প্রতিটি খবরেই তারা অতিরঞ্জন কিছু খুঁজতে চায়, যা তাদের নৈতিক বোধকে ধ্বংস করে দিয়েছে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আজ প্রধানমন্ত্রী সৌদি আরব ও যুক্তরাজ্য যাচ্ছেন

সৌদি আরব ও যুক্তরাজ্যে আট দিনের সরকারি সফরে আজ বিকালে ঢাকা ত্যাগ করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ার লাইন্সের ফ্লাইটটি বিকালে সৌদি আরবের দাম্মাম-এর উদ্দেশে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করবে।

একই দিনে স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাতটা পাঁচ মিনিটে ফ্লাইটটির দাম্মাম বাদশা ফাহদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছার কথা।

শেখ হাসিনা ১৬ এপ্রিল সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় আল জুবাইল প্রদেশে অনুষ্ঠেয় ‘গাল্ফ শিল্ড-১ নামের একটি যৌথ সামরিক মহড়ার কুচকাওয়াজ ও সমাপনী অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।
তিনি সৌদি বাদশাহ ও দু’টি পবিত্র মসজিদের হেফাজতকারী সালমান বিন আব্দুল আজিজ আল সৌদের আমন্ত্রণে ওই অনুষ্ঠানে যোগদান করবেন।

সৌদি আরব উপসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা সহযোগিতা আরো জোরদার করার লক্ষ্যে ২৩টি বন্ধুপ্রতীম দেশের অংশগ্রহণে মাসব্যাপী এই সামরিক মহড়ার আয়োজন করেছে।

গত ১৮ মার্চ শুরু হওয়া এই মহড়ায় বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনীর ১৮ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল অংশ নিয়েছে।

গাল্ফ শিল্ড-১ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে যোগদান শেষে প্রধানমন্ত্রী কমনওয়েলথ সরকার প্রধানদের বৈঠকে (সিএইচওজিএম) যোগদানের জন্য ১৬ এপ্রিল বিকেলে একটি বিশেষ ফ্লাইটযোগে লন্ডনের উদ্দেশে দাম্মাম ত্যাগ করবেন। ঐদিন রাতেই লন্ডনের হিথ্রো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইটটির অবতরণের কথা।

এ বছর সিএইচওজিএম-এর প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘অভিন্ন ভবিষ্যত অভিগামী।’ প্রধানমন্ত্রী ১৭ এপ্রিল সকালে ওয়েস্ট মিনিস্টারের রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠেয় কমনওয়েলথ নারী ফোরামের ‘এডুকেট টু এম্পাওয়ার: মেকিং ইকুইটেবল এন্ড কোয়ালিটি প্রাইমারী এডুকেশন এন্ড সেকেন্ডারি এডুকেশন এ রিয়েলিটি ফর গার্লস এক্রোস দ্য কমনওয়েলথ’ শীর্ষক অধিবেশনে বক্তব্য রাখবেন।

প্রধানমন্ত্রী বিকালে যুক্তরাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ থিঙ্ক ট্যাঙ্ক বৈদেশিক উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (ওডিআই) আয়োজিত এক উচ্চ পর্যায়ের অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন।

তিনি ‘বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রগতি : নীতি, অগ্রগতি ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

১৮ এপ্রিল শেখ হাসিনা এশীয় নেতাদের ‘ক্যান এশিয়া কীপ গ্রোইং?’ রাউন্ডটেবিলে অংশ নেবেন। বিকালে তিনি বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে আয়োজিত অভ্যর্থনা অনুষ্ঠান ও পরে নৈশভোজে যোগ দেবেন।

১৯ এপ্রিল শেখ হাসিনা বৃটিশ প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে কমনওয়েলথ সরকার প্রধানদের বৈঠকের (সিএইচওজিএম) আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ও অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে যোগদান করবেন।

শেখ হাসিনা কমনওয়েলথ মহাসচিব প্যাট্রিসিয়া স্কটল্যান্ড কিউসির দেওয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। তিনি সরকার প্রধান ও তাদের স্বামী/স্ত্রীদের সম্মানে বাকিংহাম প্যালেসে রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথের দেয়া সংবর্ধনা ও নৈশভোজে যোগদান করবেন।

২০ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী তিনটি ‘রিট্রিট সেশন’ ও শীর্ষ সম্মেলনের সমাপনী কার্যনির্বাহী অধিবেশনে অংশ নেবেন।

২১ এপ্রিল তিনি রয়েল কমনওয়েলথ সোসাইটি (আরসিএস) আয়োজিত শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী সরকার প্রধানদের জন্য সংবর্ধনা এবং রাণীর জন্মদিনের অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। একই দিনে প্রধানমন্ত্রী এক কমিউনিটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।

এ ছাড়া শেখ হাসিনা শীর্ষ সম্মেলনের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের সরকার প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। তিনি ২৩ এপ্রিল দেশে ফিরবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest