সর্বশেষ সংবাদ-
Digital Fairness in the Age of Big Techসাতক্ষীরার দেবহাটায় ২৩৪ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধারতালায় সড়ক দুর্ঘটনায় দাদা-নাতীর মৃত্যুতিন শতাধিক ম্যানগ্রোভ প্রজাতির গাছ কর্তনের প্রতিবাদ করে পুত্রসহ চেয়ারম্যান চাঁদাবাজি মামলার আসামীপাটকেলঘাটায় তাল গাছ থেকে পড়ে সাবেক ইউপি সদস্যের মৃত্যুহত্যা মামলা কারাগারে থাকা অবস্থায় সাতক্ষীরা জজকোর্টের সাবেক পিপি লতিফের মৃত্যুপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদঈদকে সামনে রেখে অপরূপ সাজে সেজেছে দেবহাটার রূপসী ম্যানগ্রোভ ফরেস্টহত্যা, ধর্ষণ, জুয়া ও মাদকের সর্বোচ্চ শাস্তি হোক ‘ক্রসফায়ার’: প্রধানমন্ত্রীকে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের আবেদনদুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস কার্যক্রমের অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মশালা

রবীন্দ্র সাহিত্যে নির্মিত যতো চলচ্চিত্র

যার হাত ধরে বাঙালি পেয়েছিলো প্রথম নোবেল পুরস্কার জয়ের স্বাদ। যার কাছে বাঙালি ও বাংলা সাহিত্য চিরঋণী। শুধু বাংলা সাহিত্যই নয়, অনেক শিল্পী, নির্মাতা, লেখক তার সাহিত্যকে অবলম্বন করে টিকে আছেন। তিনি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। তিনি কবিদের গুরু।

আজ তার ১৫৭তম জন্মদিন। বাংলা সাহিত্যের এই প্রবাদ পুরুষকে স্মরণ করছেন নানা অঙ্গনের মানুষেরা। রবি ঠাকুরের সাহিত্য সমৃদ্ধ করেছে শিল্পের নানা মাধ্যম। সেই সমৃদ্ধির ছোঁয়া পেয়েছে এই উপমহাদেশের চলচ্চিত্রাঙ্গনও। হিন্দি, বাংলা- নানা ভাষায় নির্মিত হয়েছে তার সাহিত্য নিয়ে চলচ্চিত্র। হয়েছে প্রশংসিত, নন্দিত। এক নজরে দেখে নেয়া যাক সেই তালিকা-

চোখের বালি 
রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য নিয়ে যতো চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে তারমধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয়, প্রশংসিত এবং নন্দিত বলা চলে ‘চোখের বালি’-কে। একই নামের উপন্যাসকে ভিত্তি করে চলচ্চিত্র তৈরি করেছেন অনেক নির্মাতা। সর্বপ্রথম এই উপন্যাস নিয়ে সিনেমা বানানো হয় ১৯৩৮ সালে। সতু সেন পরিচালিত সেই ছবিতে অভিনয় করেছিলেন সুপ্রভা মুখোপাধ্যায়, ইন্দিরা রায়, শান্তিলতা ঘোষ, রমা বন্দ্যোপাধ্যায়, হরেন মুখোপাধ্যায়, ছবি বিশ্বাস, মনোরঞ্জন ভট্টচার্য প্রমূখ।

এরপর ২০০৩ ‘চোখের বালি’ বানিয়ে হৈ চৈ ফেলে দেন প্রয়াত নির্মাতা ঋতুপর্ণ ঘোষ। এতে অভিনয় করেন ঐশ্বর্যা রাই, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, রাইমা সেন, টোটা রায়চৌধুরী, লিলি চক্রবর্তী প্রমূক।

বিনোদিনী নামের এক বিধবার মানসিক অবস্থাকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে ছবিটির কাহিনী। দুই বিধবার মধ্যকার বন্ধুত্ব ও সম্পর্ক নিয়ে ছবিটির কাহিনী পায় নতুন মাত্রা।

চারুলতা 
ছবিটি পরিচালনা করেছিলেন সত্যজিৎ রায়। চারুলতা ছবিটির কাহিনী নেয়া হয়েছে রবীন্দ্রনাথের ‘নষ্টনীড়’ গল্প থেকে। অবহেলিত এক গৃহবধূর গল্প বলা হয়েছে ছবিটিতে। যেখানে দেবরের সঙ্গে ছবিটির কেন্দ্রীয় চরিত্র চারুর এক অব্যক্ত সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

উপহার 
উপহার ছবিটির কাহিনী ধার করা হয়েছে রবীন্দ্রনাথের ‘সম্পত্তি’ থেকে। ছবিটির কেন্দ্রীয় চরিত্র মিনু বেশ সহজ সরল। ছবির নায়ক অনুপের সাথে বিয়ে হয়ে যাওয়ার পরেও নিজের সারল্য থেকে বের হতে পারে না মিনু। কিন্তু নিজের শাশুড়ি সংস্পর্শে ভেঙে যায় মিনুর সহজ সরল ভাবমূর্তিটি।

শাস্তি 
বাংলাদেশে রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে হাতে গোনা যে ক’টি ছবি বানানো হয়েছে তার প্রায় সবগুলোই নির্মিত হয়েছে ইমপ্রেস টেলিফিল্মস’র ব্যানারে। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ‘শাস্তি’ (২০০৪), ‘সুভা’ (২০০৬), ‘কাবুলীওয়ালা’ (২০০৬) এবং ‘অবুঝ বউ’ (২০১০)। সরকারী উদ্যোগ কিংবা ব্যক্তিগত উদ্যোগে ব্যবসায়িকভাবে খুব কমই কাজ হয়েছে রবীন্দ্রসাহিত্য নিয়ে।

বাংলাদেশে সর্বপ্রথম রবীন্দ্রসাহিত্য নিয়ে কাজ করতে এগিয়ে আসেন চিত্র নির্মাতা চাষী নজরুল ইসলাম। রবীন্দ্রনাথের ‘শাস্তি’ গল্প অবলম্বনে ‘কাঠগড়া’ নামের একটি ছবির কাজ শুরু করেছিলেন তিনি। তবে নানা জটিলতায় কাজটি শেষ করতে পারেননি তিনি। পরে সেই একই গল্প ২০০৪ সালে ইমপ্রেস টেলিফিল্মের হাত ধরে উঠে আসে ‘শাস্তি’ ছবির মাধ্যমে। এভাবেই নির্মিত হয় বাংলাদেশের প্রথম রবীন্দ্রসাহিত্য নির্ভর চলচ্চিত্র।

এ ছবির গুরুত্বপূর্ণ চার চরিত্রে অভিনয় করেন ইলিয়াস কাঞ্চন, চম্পা, রিয়াজ ও পূর্ণিমা। । এ ছবির জন্য জাতীয় পুরস্কারও জিতে নেন চম্পা ও ইলিয়াস কাঞ্চন।

সুভা 
চাষী নজরুল ইসলাম পরিচালিত রবীন্দ্রনাথের ছোটগল্প ‘সুভাষিণী’ অবলম্বনে নির্মিত এ ছবিতে অভিনয় করেন বাণিজ্যিক ছবির জনপ্রিয় তারকা শাকিব খান ও পূর্ণিমা। ‘সুভা’ চরিত্রে বাকপ্রতিবন্ধী মেয়ের ভূমিকায় পূর্ণিমার অভিনয় প্রশংসিত হয়েছিলো সর্বমহলে। শাকিব খানের অভিনয়ও নজর কেড়েছিলো সমালোচকদের। ইমন সাহার সংগীত পরিচালনায় বাপ্পা মজুমদারে কণ্ঠে ‘চাঁদের হাসি বাঁধ ভেঙেছে’ গানটিও ছিলো চমৎকার।

অবুঝ বউ 
নারগিস আখতার পরিচালিত ছবি ‘অবুঝ বউ’। রবীন্দ্রনাথের ‘সমাপ্তি’ ছোটগল্প অবলম্বনে নির্মিত এ ছবিতে ছবিতে অভিনয় করেন ববিতা, ফেরদৌস, শাকিল খান ও নিপুণ। এ ছবির জন্য সেরা পচিালক হিসেবে জাতীয় পুরস্কার জেতেন নারগিস আখতার। এ ছাড়া সংগীতায়োজক হিসেবে পুরস্কৃত হন সুজেয় শ্যাম। সেরা সম্পাদনা বিভাগেও পুরস্কৃত হয় ছবিটি।

কাবুলিওয়ালা 
‘কাবুলিওয়ালা’ গল্প থেকে একই নামে তৈরি করা হয় চলচ্চিত্র। চলচ্চিত্রটিতে ফুটে ওঠে আফগানিস্তানের খোরমা-খেজুর বিক্রেতা রহমতের সঙ্গে গ্রামের ছোট মেয়ে মিনুর বন্ধুত্ব। আফগানিস্তানে মিনুর বয়সী রহমতেরও একটি মেয়ে ছিল। বাবা ও মেয়ের বন্ধনকে সুনিপুণভাবে তুলে ধরা হয়েছে ছবিটির গল্পে।

এই গল্প নিয়ে প্রথম চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন তপন সিংহ। ১৯৫৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি ভারতীয় বাংলা নাট্য চলচ্চিত্র হিসেবে এর খ্যাতি রয়েছে। এতে অভিনয় করেছিলিন ছবি বিশ্বাস, আশা দেবী, জহর রায়, ঐন্দ্রিলা ঠাকুর প্রমূখ।

এরপর বাংলাদেশে ২০০৬ সালেও নির্মিত হয় ছবিটি। এখানে নাম ভূমিকায় অভিনয় করে প্রশংসিত হয়েছিলেন প্রয়াত নায়ক মান্না। এটি পরিচালনা করেছিলেন কাজী হায়াৎ।

অতিথি 
এই ছবিটি করেছেন পরিচালক তপন সিংহ। ছবিটি যে শুধু আনন্দই দেবে তা কিন্তু নয়। এটি আপনাকে অবাকও করবে। ছবিটিতে ‘তারা’ নামের একটি ছোট বালকের গল্প বলা হয়েছে। যে জীবনকে উপভোগ করতে নিজের ঘর ছেড়ে বাইরে চলে আসে।

ডাকঘর 
গল্পের নামেই রাখা হয়েছে ছবিটির নাম। চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন যুল ভেল্লানি। ছবিটিতে বলা হয়েছে ‘অমল’ নামের এক বালকের গল্প। যে শারীরিক অসুস্থতার জন্য ঘরের বাইরে যেতে পারে না। কিন্তু বাইরে যেতে না পারলেও তার মনের ডাকঘরে সে চিঠি আদান প্রদান করে চলে অবিরত।

নৌকা ডুবি 
রবীন্দ্রনাথের উপন্যাস নৌকাডুবি আগে হিন্দিতে চলচ্চিত্রায়িত হয়েছিল ১৯৪৬ সালে। মিলন নামে এই সিনেমায় অভিনয় করেন দিলীপ কুমার, পাহাড়ী স্যান্নাল প্রমুখ। ছবিটির পরিচালক ছিলেন নীতিন বোস।

এরপর তবে বাংলায় নৌকাডুবিকে চলচ্চিত্রের পর্দায় সার্থক করে তোলেন ঋতুপর্ণ ঘোষ ২০১১ সালে। এটি একটি সামাজিক এবং গভীর আবেগপ্রবণ একটি চলচ্চিত্র। এতে অভিনয় করেছিলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, যীশু সেনগুপ্ত, রাইমা সেন ও রিয়া সেন। ১৯২০ সালের প্রেক্ষাপটে তৈরি এই পিরিয়ডিক ছবিটি মুক্তি পায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সার্ধশত জন্মবার্ষিকীতে।

ঘরে বাইরে 
রবীন্দ্রনাথের ঘরে-বাইরে উপন্যাসকে চলচ্চিত্রের পর্দায় তুলে আনেন সত্যজিৎ রায় ১৯৮৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ছবিতে। এ ছবিতে দুই আবাল্য সুহৃদ সন্দীপ ও নিখিলেশের সম্পর্কের টানাপড়েন সার্থকভাবে রূপায়িত হয় রুপালি ফিতায়। নিখিলেশের স্ত্রী বিমলার প্রতি সন্দীপের আকর্ষণ, তাদের প্রেম আর ইংরেজবিরোধী স্বদেশি আন্দোলনের অনেক সূক্ষ্ম বিষয় তুলে ধরে উপন্যাসটির এই চিত্ররূপ। বিমলা চরিত্রে ছিলেন স্বাতীলেখা চট্টোপাধ্যায়, সন্দীপের ভূমিকায় সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় এবং নিখিলেশ ছিলেন ভিক্টর ব্যানার্জি।

সন্দীপ এ ছবির নায়ক নন আবার খলনায়কও নন। মানবজীবনে নায়ক ও খলনায়কের মধ্যে যে অস্পষ্ট এক রেখা দেখা যায় সেই দ্বন্দ্ব খুব সার্থক অভিনয়ে তুলে ধরেন সৌমিত্র। বিমলার ঘর থেকে বাইরের পৃথিবীতে আসা এবং ঘরের প্রতি মমতার নিখুঁত চিত্রায়ণ ঘটান সত্যজিৎ রায়। ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সম্মাননা পায় ‘ঘরে-বাইরে’।

চতুরঙ্গ 
ছবির কাহিনী নেওয়া হয়েছে রবীন্দ্রনাথের ‘চতুরঙ্গ’ থেকে। ঔপনিবেশিক উত্তাল বাংলাকে তুলে ধরা হয়েছে ছবিটিতে। শচীশ নামের চরিত্রের কর্মকাণ্ড ও চিন্তাধারাকে কেন্দ্র করে এগিয়ে গিয়েছে ছবিটির কাহিনী।

লেকিন
ছবিটির কাহিনী ধার করা হয়েছে রবীন্দ্রনাথের ‘ক্ষুধিত পাষাণ’ গল্প থেকে। ছবিটি পরিচালনা করেছেন গুলজার। ছবিতে সামির নামের এক যুবক প্রেমে পড়ে রেবা নামের একটি নারীর বাস্তবে যার কোনো অস্তিত্ব নেই। সারাক্ষণই নিজের মনে রেবাকে খুঁজে বেড়াতে থাকে সামির।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রাবি শিক্ষক রেজাউল হত্যায় দুইজনের মৃত্যুদণ্ড

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষক অধ্যাপক ড. এ এফ এম রেজাউল করিম সিদ্দিকী হত্যা মামলায় দুইজনের মৃত্যুদণ্ড ও তিনজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রাজশাহীর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শিরীন কবিতা আখতার মঙ্গলবার দুপুরে এ রায় দেন।

আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এন্তাজুল হক বাবু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- বগুড়ার শিবগঞ্জের মাসকাওয়াত হাসান ওরফে আব্দুল্লাহ ওরফে সাকিব ও রাবির ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী শরিফুল ইসলাম। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- নীলফামারীর মিয়াপাড়ার রহমত উল্লাহ, রাজশাহী মহানগরীর নারিকেল বাড়িয়া এলাকার আবদুস সাত্তার ও তার ছেলে রিপন আলী। এর মধ্যে শরিফুল পলাতক রয়েছেন। আর জামিনে রয়েছেন আবদুস সাত্তার। বাকি তিন আসামিকে দুপুরে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়।

এদিকে রায় ঘোষণার পর অধ্যাপক রেজাউল করিম সিদ্দিকীর মেয়ে রেজওয়ানা শতভী বলেন, রায়ে আমার পরিবার সন্তুষ্ট। তবে দ্রুত রায়ের বাস্তবায়ন দেখতে চাই।

এর আগে আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শেষ হয় ২০১৭ সালের ৬ নভেম্বর। এরপর অভিযোগপত্রে আটজনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। আট আসামির মধ্যে খায়রুল ইসলাম বাঁধন, নজরুল ইসলাম ওরফে বাইক হাসান ও তারেক হাসান ওরফে ওসমান অভিযোগপত্র দেয়ার আগেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন। তাই তাদের বিরুদ্ধে বিচারকাজ পরিচালিত হয়নি।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এন্তাজুল হক বাবু বলেন, গত ১১ এপ্রিল মামলার রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামি পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। ওই দিন বিচারক রায় ঘোষণার জন্য ৮ মে দিন ধার্য করেন। এ মামলায় মোট ৩২ জন সাক্ষী ছিলেন। তবে আদালত ২৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেছেন।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ২৩ এপ্রিল সকালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. এ এফ এম রেজাউল করিম সিদ্দিকীকে রাজশাহী নগরীর শালবাগান এলাকায় নিজের বাড়ি থেকে মাত্র ৫০ গজ দূরে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জাপানের প্রধানমন্ত্রীকে জুতায় খাবার পরিবেশন করল ইসরায়েল!

জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে স্বস্ত্রীক গত সপ্তাহে ইসরায়েল সফরকালে ভোজের আয়োজন করে দেশটি৷ প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বাসভবনে ওই আয়োজন করা হয়৷ ইসরায়েলের সেলিব্রিটি শেফ সেগেভ মোশে খাবার পরিবেশন করেন৷ খাবারের শেষ পর্বে চকচকে চামড়ার জুতায় চকোলেট পরিবেশন করেন তিনি। খবর দ্য বিজনেস ইনসাইডার।

এদিকে, ভোজের আয়োজন জুতায় চকোলেট পরিবেশনের ঘটনায় জাপানের এক কূটনীতিকের মন্তব্য, শেফ যদি এটা মজার জন্যও করে থাকেন তবু্ও আমরা মনে করি না এটা মজার বিষয়৷ এ ঘটনায় ভীষণভাবে ক্ষুব্ধ আমরা৷’

জানা যায়, ঘটনায় ইসরায়েলের কর্মকর্তারাও হতভম্ব হয়ে যান৷ এক ইসরায়েলি কর্মকর্তা একে একটি অসংবেদনশীল সিদ্ধান্ত বলে মন্তব্য করে বলেন, জাপানি সংস্কৃতিতে জুতাকে খুবই নীচু স্থানে রাখা হয়৷ কেবল ঘরেই নয় আপনি তাদের অফিসেও জুতা খুঁজে পাবেন না৷ এটি অত্যন্ত অসম্মানজনক৷

তবে ঘটনার পর গত রবিবার ইনস্টাগ্রামে শেফ সেগেভ গর্বিতভাবে জুতোয় ভরা মিষ্টির একটি ছবি পোস্ট করেছেন।

উল্লেখ্য, জুতার বিষয়ে জাপান খুবই খুঁতখুঁতে৷ সে দেশে জুতা ঘরে রাখা হয় না৷ জাপানি সংস্কৃতিতে জুতার জায়গা বাড়ির বাইরে৷ জাপানে ডাইনিং রুমে জুতা রাখা শিষ্টাচার বর্হিভূত বিষয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খালেদার জামিন প্রশ্নে আপিলে শুনানি ফের বুধবার

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বেঞ্চে মঙ্গলবার বেলা ১ পর্যন্ত এ বিষয়ে শুনানি চলার পর বুধবার পর্যন্ত শুনানি মুলতবি করে আদালত।

দিনের শুরুতে দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান তার বক্তব্য উপস্থাপন করেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। কেন খালেদা জিয়ার জামিন বাতিল হওয়া উচিৎ- সে বিষয়ে তারা সর্বোচ্চ আদালতের সামনে যুক্তি তুলে ধরেন।

দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষের বক্তব্য শেষে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন শুরু করেন আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী।

খালেদার অপর আইনজীবীদেরে মধ্যে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, জয়নুল আবেদীন, মাহবুবউদ্দিন খোকন ও সানউল্লাহ মিয়াও উপস্থিত ছিলেন শুনানিতে।

বিএনপি নেতাদের মধ্যে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে দেখা যায় আদালতে।

এই শুনানি ঘিরে সকাল থেকে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। আদালত প্রাঙ্গণে ঢোকার সময় তল্লাশি করা হয় সবাইকে।

দুদকের এ মামলায় পাঁচ বছরের সাজার রায়ের পর গত ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদাকে রাখা হয়েছে পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন সড়কের পরিত্যাক্ত কারাগারে।

জজ আদালতের ওই রায়ের বিরুদ্ধে হাই কোর্টে আপিল চলমান থাকা অবস্থায় ৭৩ বছর বয়সী এই রাজনীতিবিদ জামিন পাবেন কি না- তা নির্ভর করছে এই শুনানি এবং আপিল বিভাগের সিদ্ধান্তের ওপর।

খালেদার অসুস্থতা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে আসা বিএনপি নেতারা আশা করছেন, সব দিক বিবেচনা করে হাই কোর্টের জামিন আদেশ বহাল রাখবে আপিল বিভাগ।

তবে জিয়া এতিমখানা ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় জামিন পেলেও অন্য মামলায় খালেদা জিয়াকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে তার মুক্তি বিলম্বিত করার কৌশল সরকার নিতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে বিএনপি নেতাদের মধ্যে।

বিদেশ থেকে জিয়া এতিমখানা ট্রাস্টের নামে আসা দুই কোটি ১০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের এই মামলা দায়ের করা হয়েছিল জরুরি অবস্থার মধ্যে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই।

রমনা থানায় দুদকের করা এই মামলার বিচার চলে পুরো দশ বছর। ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ আখতারুজ্জামান গত ৮ ফেব্রুয়ারি এ মামলার রায়ে খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের সাজা দেওয়ার পাশাপাশি তার ছেলে তারেক রহমান, মাগুরার সাবেক সাংসদ কাজী সালিমুল হক কামাল, সাবেক মুখ্য সচিব ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান ও ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদকে দশ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেন।

পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ হওয়ার পর মামলার নথি নিম্ন আদালত থেকে এনে তা দেখে গত ১২ মার্চ খালেদা জিয়াকে চার মাসের জামিন দেয় হাই কোর্টের একটি বেঞ্চ।

দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষ ওই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে গেলে সর্বোচ্চ আদালত গত ১৪ মার্চ জামিন স্থগিত করে নিয়মিত আলিভ টু আপিল করতে বলে।

এরপর ১৯ মার্চ দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষকে আপিলের অনুমতি দিয়ে ৮ মে শুনানির দিন ঠিক করে দেয় আপিল বিভাগ। ফলে খালেদার জামিন স্থগিতই থাকে।

জামিন প্রশ্নে সর্বোচ্চ আদালতের এ আদেশকে ‘নজিরবিহীন’ ও ‘অপ্রত্যাশিত’ হিসেবে বর্ণনা করে খালেদার আইনজীবী মওদুদ আহমদ সেদিন বলেন, “সর্বোচ্চ আদালত আদেশ দিয়ে দিয়েছে, এখন আইনি লড়াই ছাড়া বিকল্প নেই। আরেকটি হচ্ছে রাজপথের আন্দোলন। সেটি তো সুপ্রিম কোর্টে করতে পারব না। তবে আমরা যারা আইনজীবী আছি, তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব তার (খালেদা জিয়া) কারামুক্তির জন্য।”

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘কাউকে আকর্ষণ করার জন্য আমি পোশাক পরি না’

এশিয়ার যৌন আবেদনময়ী নারীর তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে দখল করে হইচই ফেলে দেন নিয়া শর্মা। ওই প্রতিযোগিতায় পেছনে ফেলেন ক্যাটরিনা কাইফ, আলিয়া ভাটদের মতো বলিউডের নামজাদা অভিনেত্রীদের। অথচ নিয়া শর্মা নিজে কোনও চলচ্চিত্র তারকা নন। ফেসবুক-টুইটার-ইনস্টাগ্রামে খোলামেলা ছবি পোস্ট করেই তিনি সাড়া ফেলেছেন।

তবে শুরুর দিকে নিয়া শর্মা এমনটি ছিলেন না। পোশাক-চালচলনে যেন একেবারে বাড়ির পাশের মেয়েটি। সেই থেকেই এতটা পরিবর্তন নিয়ে এসেছেন। এ নিয়ে নিয়া শর্মার বক্তব্য, লোকে আমার ছবি দেখে সেক্সি সেক্সি করে লাফায়। আমি নিজেকে ওই ভাবে কখনও দেখি না। আমার কাছে সেক্সি মানে খোলামেলা পোশাক নয়। আমার কাছে সেক্সি মানে এক ধরনের অ্যাটিটিউড। কাউকে আকর্ষণ করার জন্য আমি পোশাক পরি না। আমার যেমন ইচ্ছে, আমাকে যা মানায় আমি সেই পোশাকই পরি। নিজের সঙ্গে যা করার ইচ্ছে তাই করব। আমাদের সমাজে মেয়েদের মতামতটা জোর করে বুঝিয়ে দিতে হয়। আমি সেই রাস্তাই বেছেছি।

সর্বশেষ নিয়া শর্মাকে দেখা গিয়েছিল জনপ্রিয় রিয়্যালটি শো ‘খতরো কে খিলাড়ি ৮’-এ। ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডের ওয়েব সিরিজ বিক্রম ভাটের ‘টুইস্টেড’-এর দ্বিতীয় ভাগে আরও খোলামেলা হয়ে ফিরছেন নিয়া।

এ বিষয়ে তিনি বলেন, আসলে এ প্রজন্ম যে প্রেম, বন্ধুতা, কোনও সম্পর্কের মধ্যে দিয়েই পুরোপুরি যেতে চায় না। বিক্রম ভাট এই ওয়েব সিরিজে সেই জায়গাগুলো খুব ভালভাবে ধরেছেন। ওর সঙ্গে কাজ করার মধ্যে দিয়ে অনেক কিছু শিখছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কোটা নিয়ে গেজেট প্রকাশের দাবিতে নতুন কর্মসূচি

কোটা নিয়ে গেজেট প্রকাশের দাবিতে দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে মানববন্ধন পালনের কর্মসূচি দিয়েছেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার (০৮ মে) বেলা ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে এক সংবাদ সম্মলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম-আহ্বায়ক রাশেদ খান।

বুধবার (০৯ মে) বেলা ১১টায় এ কর্মসূচি পালিত হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খালেদা জিয়ার জামিনের বিরুদ্ধে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন চলছে

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিনের বিরোধিতা করে বক্তব্য উপস্থাপন করছেন দুদকের আইনজীবী খুরশিদ আলম খান।

আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে আপিল বিভাগ বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়। শুরুতেই দুদক আইনজীবী যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন। বেলা ১১টা পর্যন্ত তা চলে। পরে বেলা ১১টার দিকে আদালত শুনানিতে বিরতি দেন। সাড়ে ১১টা থেকে আবার শুনানি শুরু হলে দুদক আইনজীবী যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করবেন।

শুনানির শুরুতে পেপার বুক থেকে মামলা সংক্রান্ত বিষয় আদালতের কাছে পড়ে শোনান দুদকের আইনজীবী। তিনি বলেন, খালেদা জিয়াকে বিচারিক আদালত পাঁচ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন। এই লঘু দণ্ড জামিনের কোনো কারণ হতে পারে না। দুদক বিচারিক আদালতের এই লঘু দণ্ডের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিভিশন করেছে।

এর বাইরে খুরশিদ আলম আদালতে বিচারিক আদালতের কয়েকটি আদেশ পড়ে শোনান। তিনি বলেন, খালেদা জিয়া আদালতের অনুমতি না নিয়ে লন্ডনে গিয়েছিলেন। চিকিৎসার কোনো সনদপত্র তিনি আদালতে জমা দেননি। এমনকি হাইকোর্টেও খালেদা জিয়ার অসুস্থতা নিয়ে কোনো সনদপত্র জমা দেওয়া হয়নি।

এ সময় আদালত খুরশিদ আলমের কাছে প্রশ্ন রাখেন, বয়স ও অসুস্থতা জামিনের কোনো কারণ হতে পারে কি না? খুরশিদ আলম আদালতকে বলেন, দণ্ড হওয়ার পর বয়স জামিনের কারণ হতে পারে না। বয়স বিবেচনায় নিয়েই বিচারিক আদালত খালেদা জিয়ার সাজা শুনিয়েছেন। একই কারণ দেখিয়ে খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা জামিন চাইছেন।

এর পর খুরশিদ আলম খান লঘু দণ্ডের জামিন নিয়ে উচ্চ আদালতের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত তুলে ধরেন। হাইকোর্ট যে খালেদা জিয়াকে জামিন দিয়েছিলেন সে ব্যাপারে খুরশিদ আলম আদালতকে বলেন, খালেদা জিয়া কত দিন কারাগারে ছিলেন সে বিষয়টি সেখানে বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। সর্বোপরি খালেদা জিয়ার জামিনের ঘোর বিরোধিতা করেন খুরশিদ আলম খান।

আদালতে শুনানির সময়ে আজ উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল আসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, আবদুল মঈন খান প্রমুখ।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় গত ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডাদেশ দিয়ে রায় দেন বিচারিক আদালত। এর পর থেকে খালেদা জিয়া নাজিমুদ্দিন রোডের পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে আছেন। রায়ের পর আপিল করে জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন খালেদা জিয়া, যার ওপর শুনানি নিয়ে গত ১২ মার্চ হাইকোর্ট তাঁকে চার মাসের জামিন দেন। এই জামিন স্থগিত চেয়ে দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষ পৃথক আবেদন করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আসাদকে হত্যা করতে পারে ইসরায়েল

ইরানি বাহিনীকে যদি সিরিয়ার ভেতর তৎপরতা চালিয়ে যেতে দেয়া হয়, তাহলে ইসরায়েল সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদকেও হত্যা করতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন ইসরায়েলি মন্ত্রী ইয়োভাল স্টাইনিটয।

ইসরায়েলি মন্ত্রী বলেন, ইরান যদি সিরিয়ার ভেতর থেকে ইসরায়েলের ওপর হামলা করতে পারে, তাহলে বাশার আল-আসাদকে শেষ করে দেয়া হবে। তার সরকারকে ক্ষমতা থেকে ফেলে দেয়া হবে। সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে ইরান প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের পক্ষ নিয়েছে। সিরিয়ার ভেতরে ইরানি বাহিনী এবং মিলিশিয়া মোতায়েন করা হয়েছে প্রেসিডেন্ট আসাদকে রক্ষায়।

ইসরায়েল মনে করছে, ইরানি বাহিনী তাদের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে উঠেছে। ইসরায়েল সাম্প্রতিক সময়ে সিরিয়ার ভেতরে বেশ কিছু বিমান হামলা চালিয়েছে। ইসরায়েলের দাবি অনুযায়ী এসব হামলায় তারা ইরানি সামরিক তৎপরতাকেই টার্গেট করেছিল।

সিরিয়া নিয়ে ইরান এবং ইসরায়েলের মধ্যে তীব্র দ্বন্দ্ব চলছে গত ফেব্রুয়ারি থেকে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট যখন সামনের সপ্তাহে ইরানের সঙ্গে সম্পাদিত পরমাণু চুক্তি আর নবায়ন করবেন কীনা সে সিদ্ধান্ত নিতে চলেছেন, তখন ইরান-ইসরায়েল দ্বন্দ্ব আরও তীব্র হয়ে উঠতে পারে বলে আশংকা তৈরি হয়েছে।

গত ৯ এপ্রিল এক ইসরায়েলি বিমান হামলায় সিরিয়ায় নিহত হন ইরানের বিপ্লবী গার্ডের নয় জন সদস্য। তেহরান তখন হুঁশিয়ারি দিয়েছিল যে তারা এর প্রতিশোধ নেবে।

এই পটভূমিতেই ইসরায়েলের জ্বালানি মন্ত্রী ইয়োভাল স্টাইনিটয প্রেসিডেন্ট আসাদকে হত্যার হুমকির কথা বললেন। ইরানকে যদি এমন সুযোগ করে দেয়া হয় যে তারা সিরিয়াকে আমাদের বিরুদ্ধে একটা প্রতিরক্ষাব্যুহে পরিণত করবে, ইসরায়েল তখন সিরিয়ার ভেতর থেকে ইরানের যে কোন হামলার জবাব দিতে পারে। প্রেসিডেন্ট আসাদকে ক্ষমতা থেকে ফেলে দিতে পারে।

এর মানে কি এই যে ইসরায়েল প্রেসিডেন্ট আসাদকে হত্যার চেষ্টা করবে? এ প্রশ্নের উত্তরে ইসরায়েলি মন্ত্রী বলেন, আমরা তার রক্ত নেব।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বা ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এখনো এ নিয়ে কোন মন্তব্য করেনি।

একটি ইসরায়েলি ওয়েবসাইটে অবশ্য সরাসরি ইয়োভাল স্টাইনিটযকে উদ্ধৃত করে বলা হচ্ছে, তিনি পরিস্কারভাবেই বলেছেন ইসরায়েল প্রেসিডেন্ট আসাদকে হত্যা করবে।

সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আসাদকে রক্ষায় তার পাশে দাঁড়িয়েছে রাশিয়া, লেবাননের হেযবোল্লাহ মিলিশিয়া এবং ইরান। ইসরায়েলের আশংকা হচ্ছে, সিরিয়ার ভেতরে ইরান ঘাঁটি গেড়ে বসবে এবং ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সিরিয়া-লেবানন জুড়ে একটি ব্যাপক ফ্রন্ট তৈরি হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest